বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০
সৌদিতে ঈদের নামাজ বাড়িতে পড়ার ঘোষণা
১৯মে,মঙ্গলবার,গাজী মেজবাউল,সৌদি আরব প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে সৌদি আরবে আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ বাড়িতে পড়ার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি ও সিনিয়র শীর্ষ আলেমগণ এ ঘোষণা দেন। এর আগে দেশটিতে রমজানে তারাবি নামাজ বাড়িতে আদায় করতে বলা হয়। সৌদি আরব গ্র্যান্ড মুফতি এবং সিনিয়র আলেমগণের কাউন্সিল প্রধান শেখ আবদুল আজিজ আল শেখ জানান, ব্যতিক্রমী ও জরুরি পরিস্থিতিতে ঈদের নামাজ বাড়িতে পড়া জায়েজ। কাউন্সিলের সদস্য শেখ আল-সুলাইমান, রাসূল (সা.) এর বিশিষ্ট সাহাবী আনাস বিন মালিকের উদাহরণ উদ্ধৃত করে তিনি বলেছেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সালামের প্রিয় সাহাবী আনাস বিন মালিক রাদিয়াল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ইরাকের বসরার নিকটবর্তী স্থান জাভিয়াতে তার বাসায় ছিলেন, তখন ঈদের জামাতের সময় শুরু হয় এবং নিকটবর্তী কোথাও নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত না হওয়ায় তিনি পরিবারের সদস্য ও তার সহযোগী আবদুল্লাহ ইবনে আবী ওতবার সঙ্গে সালাত আদায় করেছিলেন। কীভাবে ঈদের নামাজ বাড়ির মধ্যে আদায় করতে হবে এ বিষয়ে শীর্ষ আলেমগণ বলেন, নামাজ পড়তে সালাত শুরু করার জন্য তাকবীর পাঠ করবে এবং সূরা ফাতিহা উচ্চস্বরে তেলাওয়াত করার আগে আরও ছয় তাকবীর সহকারে তা অনুসরণ করবে এবং তারপরে সূরা আল-কাফ পড়া উত্তম। দ্বিতীয় রাকাতের শুরুতে তাকবীরের পরে পাঁচটি তাকবীর থাকবে আবার সূরা ফাতিহা তেলাওয়াত শুরুর আগে এবং পরে নবী করীম (সা.) এর উদাহরণ অনুসরণ করে সূরা-কামার পড়বে। প্রতিটি রাকাতে যথাক্রমে সূরা আল-কাফ এবং আল-কামারের পরিবর্তে সূরা আলা ও আল-গাশিয়া পাঠ করা উত্তম। ঈদের নামাজের সময় সূর্যোদয়ের পরে শুরু হয় এবং সবচেয়ে ভালো সময়টি হলো এক বা দুটি বর্শার উচ্চতায় যখন সূর্য ওঠে। এর অর্থ সূর্যোদয়ের ১৫ থেকে ৩০ মিনিটের পর ঈদের নামাজ পড়ার উপযুক্ত সময় বলে আলেমগণ মত দিয়েছেন। এটি যোহরের আগ পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। তবে সূর্য ওঠার মুহূর্তে ঈদের নামাজ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। করোনার কারণে ঈদের আগের দিন ২৩ মে থেকে ২৭ মে পর্যন্ত পুরো পাঁচদিন সৌদি আরব জুড়ে ২৪ ঘণ্টার কারফিউ ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার।
ডব্লিউএইচওর ইতিহাসে প্রথম ভার্চুয়াল অধিবেশন
১৮মে,সোমবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাস (কভিড-১৯) মহামারি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে দ্বন্দ্ব চরমে। এরই মধ্যেই দুই দিনের ভার্চুয়াল অধিবেশন শুরু হচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও)। সোমবার থেকে শুরু হতে যাওয়া অধিবেশনটি ডব্লিউএইচওর ইতিহাসে প্রথম ভার্চুয়াল অধিবেশন। তবে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় জোরালো পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের ও চীনের দ্বন্দ্ব বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। যদিও সদস্য দেশগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে একটি প্রস্তাব গ্রহণের বিষয়েও আশা রয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অধিবেশন সাধারণত তিন সপ্তাহব্যাপী হয়ে থাকে। তবে এবার শুধু করোনা ভাইরাস নিয়ে আলোচনার জন্য দুই দিনের ভার্চুয়াল অধিবেশন হচ্ছে। এবারের অধিবেশনে কয়েকজন রাষ্ট্রপ্রধান, সরকারপ্রধান, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও অন্যান্য শীর্ষ নেতৃত্ব যুক্ত হচ্ছেন। কূটনীতিকেরা খসড়া প্রস্তাবে নীতিগতভাবে একমত হয়েছেন। তবে বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশ কিছু ঐকমত্য ভেঙে দেওয়ার পথ করে দিকে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।
বিশ্বব্যাপী করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৪৮ লাখ,প্রাণ হারিয়েছেন ৩ লাখ ১৬ হাজার ৬৭১ জন
১৮ মে,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৪৮ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। ওয়ার্ল্ডো মিটারের দেয়া তথ্যানুযায়ী, এখন পর্যন্ত ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে মোট ৪৮ লাখ ১ হাজার ৮৭৫ জনের শরীরে। ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ৩ লাখ ১৬ হাজার ৬৭১ জন। এছাড়া আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়েছেন ১৮ লাখ ৫৮ হাজার ১৭০ জন। বর্তমানে ভাইরাসের উপস্থিতি থাকা ২৬ লাখ ২৭ হাজার ৩৪ জনের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় রয়েছেন ৪৪ হাজার ৮১৭ জন। ভাইরাসটিতে সবচেয়ে বেশি সংক্রমিত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দারা। দেশটির মোট ১৫ লাখ ২৭ হাজার ৬৬৪ জন সংক্রমিত হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন ৯০ হাজার ৯৭৮ জন। এছাড়া সুস্থ হয়েছেন ৩ লাখ ৪৬ হাজার ৩৮৯ জন। শনাক্তের সংখ্যায় দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা রাশিয়ায় সংক্রমিত হয়েছেন ২ লাখ ৮১ হাজার ৭৫২ জন। এদের মধ্যে মারা গেছেন ২ হাজার ৬৩১ জন। শনাক্তের সংখ্যায় এর পরের অব্স্থানে রয়েছে যথাক্রমে স্পেন, যুক্তরাজ্য, ব্রাজিল, ইতালি, ফ্রান্স, জার্মানি, তুরস্ক ও ইরান। এই তালিকার প্রত্যেকটি দেশেই সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা লক্ষাধিক। বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ভাইরাসটির উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে ২২ হাজার ২৬৮ জনের শরীরে। এদের মধ্যে মারা গেছেন ৩২৮ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ৩৭৩ জন।
লিবিয়ায় বোমা হামলা, বাংলাদেশি শিশুসহ নিহত ৭, আহত ১৭
১৮ মে,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলিতে বাস্তুচ্যুতদের এক আশ্রয়শিবিরে বোমা হামলায় বাংলাদেশি ৫ বছর বয়সী একটি শিশুসহ মোট ৭ জন নিহত হয়েছেন। লিবিয়ার স্বাস্থ্য বিষয়ক কর্তৃপক্ষ রোববার এ কথা জানিয়েছে বলে খবর দিয়েছে তুরস্কের অনলাইন ডেইলি সাবাহ। এতে বলা হয়, হামলায় আহত হয়েছে কমপক্ষে ১৭ জন। এর মধ্যে রয়েছে নিহত ওই বাংলাদেশি শিশুটির পিতা (৫২) রয়েছেন। শনিবার দিনশেষে ত্রিপোলির ফারনাজ এলাকায় আশ্রয়হীনদের ওই শিবিরে এই হামলা হয় বলে জানিয়েছেন রাজধানীর ফিল্ড মেডিসিন অ্যান্ড সাপোর্ট সেন্টারের এক মুখপাত্র। ত্রিপোলিতে জাতিসংঘ স্বীকৃত গভর্নমেন্ট অব ন্যাশনাল অ্যাকর্ড (জিএনএ) সরকার এবং পূর্বাঞ্চলীয় দখলদার জেনারেল খলিফা হাফতারের বাহিনীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সংঘর্ষ চলছে। খলিফা হাফতারের বাহিনী চেষ্টা করছে ত্রিপোলির দখল নিতে। আর জিএনএ এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। এই লড়াইয়ের সর্বশেষ বোমা হামলায় বাংলাদেশি ওই শিশুটি নিহত হয়েছে। খবরে বলা হয়, হামলার পর ওই আশ্রয়শিবিরের একাংশে আগুন ধরে যায়। তবে এই হামলার জন্য কোন পক্ষ দায়ী বিবৃতিতে সে বিষয়ে কিছু বলা হয় নি। তবে পরে রোববার জিএনএন বাহিনী হামলার জন্য হাফতার বাহিনীকে দায়ী করেছে। জবাবে তাৎক্ষণিকভাবে হাফতার বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায় নি। লিবিয়ায় জাতিসংঘের মানবিক সমন্বয় বিষয়ক অফিস এ হামলার নিন্দা জানিয়েছে। ত্রিপোলির আইন জারা এলাকায় এর আগের হামলায় বাস্তুচ্যুত মানুষগুলোকে রাখা হয়েছিল এখানে। তাদের ওপর হামলাকে ‘রিপালসিভ শেলিং’ বলে আখ্যায়িত করেছে জাতিসংঘের এই সংস্থা। উল্লেখ্য, জাতিসংঘ স্বীকৃত জিএনএ সরকারের বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের এপ্রিল থেকেই হামলা চালিয়ে যাচ্ছে হাফতার বাহিনী। এই সহিংসতায় এখন পর্যন্ত কমপক্ষে এক হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। তারা রাজধানী ত্রিপোলিতে ২৬ শে মার্চ অপারেশন পিস স্টর্ম শুরু করে। লিবিয়ার সেনাবাহিনী সাম্প্রতিক সময়ে সামনের দিকে অগ্রসর হলে মে মাসের শুরু থেকে বেসামরিক লোকজনের ওপর হামলা জোরালো করেছে জেনারেল হাফতার। তাকে সমর্থন দিচ্ছে ফ্রান্স, রাশিয়া, মিশর, সংযুক্ত আরব আমিরাত, আরবের গুরুত্বপূর্ণ কিছু দেশ। অন্যদিকে জিএনএ সরকারকে সমর্থন দিচ্ছে তুরস্ক, ইতালি ও কাতার। ২০১১ সালে দেশটির নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফিকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকেই লিবিয়ায় গৃহযুদ্ধ চলছে।
ভারতে ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ আক্রান্ত,তারপরও সীমিত পরিসরে খুলছে যাত্রীবাহী ট্রেন
১১মে,সোমবার,অংশু মন্ডল,ভারত প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতে সপ্তাহের শুরুতেই আবারও বড় ধাক্কা দিয়েছে প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাস। যা এখন পর্যন্ত একদিনে সর্বাধিক আক্রান্তের সংখ্যায় রূপ নিয়েছে। দেশটির কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার নতুন শিকার হয়েছেন ৪ হাজার ২শ জন। এর আগে একদিনে একসঙ্গে এতজন করোনার কবলে পড়েননি। যাতে মোট আক্রান্ত বেড়ে ৬৭ হাজার ১শ জনে দাঁড়িয়েছে। নাজেহাল ভারতে গত একদিনে ভাইরাসটির থাবায় প্রাণ গেছে আরও ৯৭ জনের। আর এতে করে মৃতের সংখ্যা ২ হাজার ২০৬ জনে ঠেকেছে। তবে, বাড়ছে বেঁচে ফেরার সংখ্যা। যদিও সংক্রমিতের তুলনায় কিছুটা কম। স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয় বলছে, রোববার সুস্থ হয়ে ওঠার হার ছিল ২৬.৫৯ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় তা বেড়ে হয়েছে ৩১.১৪ শতাংশ। ইতিমধ্যেই করোনাকে হারিয়ে সারা দেশে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২০ হাজার ৯১৭ জন। করোনার প্রকোপ কমাতেই জারি রয়েছে লকডাউন। এরই মধ্যে সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আগামী মঙ্গলবার থেকেই দেশে ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় যাত্রীবাহী ট্রেন পরিষেবা চালু করার। এ জন্য ট্রেনের টিকিটের অনলাইন বুকিং আজ থেকেই শুরু হয়েছে। দেশজুড়ে লকডাউন জারি থাকা সত্ত্বেও মূল ছন্দে ফেরার চেষ্টাতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গেছে। এর আগে করোনা দেশে দ্রুতহারে ছড়ানো শুরু করার আঁচ পেয়েই গত ২৫ মার্চ থেকে গোটা দেশে লকডাউন জারি করা হয়। ওই পরিস্থিতি শুরু হওয়ার পর থেকেই বন্ধ হয়ে যায় রেলের যাত্রী পরিষেবা। ভারতীয় রেল মন্ত্রণালয়ের এবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ১৫টি বিশেষ ট্রেন (আপ-ডাউন মিলিয়ে মোট ৩০টি সফর) দিল্লি থেকে ছেড়ে আসাম, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ছত্তিশগড়, গুজরাট, জম্মু, ঝাড়খণ্ড, কর্নাটক, কেরল, মহারাষ্ট্র, ওড়িশা, তামিলনাড়ু, তেলেঙ্গানা এবং ত্রিপুরার উদ্দেশ্যে রওনা হবে।
করোনায় যুক্তরাষ্ট্রে আরও ৪ বাংলাদেশির মৃত্যু
০৯মে,শনিবার,এস.বি শিমুল,যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে গতকাল শুক্রবার আরও ৪ বাংলাদেশি মারা গেছেন। এর একজন থাকতেন বস্টনে এবং অপর তিনজনই নিউইয়র্ক সিটির বাসিন্দা। এরা সকলেই বয়সের ভারে ন্যুব্জ থাকায় আগে থেকেই নানা জটিল রোগে ভুগছিলেন। হাসপাতাল এবং স্বজনের উদ্ধৃতি দিয়ে বাংলাদেশ সোসাইটি জানায়, ফেনীর সন্তান এবং বস্টনের প্রবাসী মোহাম্মদ শামসুল হক (৮২) লং আইল্যান্ডে জুইশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। নিউইয়র্কে প্রবাসী মো. নুরুদ্দীন (৬৫) এবং লাশেদা বেগম (৭৫) ইন্তেকাল করেছেন নিউইয়র্কের হাসপাতালে। অপরদিকে চট্টগ্রাম সমিতির সভাপতি জানায়, নিউইয়র্কে বসবাসরত আবু তাহের (৮৫) স্থানীয় মাউন্ট শিনাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজানে। এ নিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে মোট ২১০ বাংলাদেশির প্রাণ ঝরলো। এদিকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৭২ বাংলাদেশি মারা গেছেন। তবে এর মধ্যে করোনায় সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে
রেললাইনে ঘুমিয়ে গিয়ে কাটা পড়লেন ১৫ শ্রমিক
০৮মে,শুক্রবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতের মহারাষ্ট্রের মালগাড়ির চাপায় নিহত হয়েছেন ১৫ পরিযায়ী শ্রমিক। শুক্রবার (৮ মে) ভোর পাঁচটার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে পাঁচ জন গুরুতর আহত হন। নিহতদের কয়েকজন শিশুও রয়েছে। ভারতের সংবাদসংস্থা এনআই সূত্রে খবর, ওই পরিযায়ী শ্রমিকরা হেঁটে মহারাষ্ট্র থেকে মধ্যপ্রদেশ ফিরছিলেন। রাস্তায় ক্লান্ত হয়ে, ঔরঙ্গাবাদের কারমাড থানা এলাকায় রেল লাইনের উপর ঘুমিয়ে পড়েন তারা। সেখানেই ঔরঙ্গাবাদ ও জালনার মধ্যে একটি মালগাড়ি পিষে দিয়ে চলে যায় তাদের। খবর পেয়ে সকাল ৬টার দিকে আরপিএফ ও পুলিশ সেখানে পৌঁছায়। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান রেলের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা। দক্ষিণ মধ্য রেলের মুখ্য জনসংযোগ কর্মকর্তা বলেন, ঔরঙ্গাবাদের কারমাডে মালগাড়ির খালি রেক কয়েকজন লোকের উপর দিয়ে চলে গেছে। আহতদের চিকিৎসার জন্য ঔরঙ্গাবাদ সিভিল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। লকডাউনের মধ্যে বিভিন্ন রাজ্যে অভিবাসী শ্রমিকদের বাড়ি ফেরাতে শুরু হয়েছে শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন। তবুও অনেককেই দেখা গেছে হেঁটে বা সাইকেলে চড়ে বাড়ি ফেরার চেষ্টা করছেন। এর আগেও কয়েকশ কিলোমিটার হেঁটে বা সাইকেল চালিয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন অনেকেই। সে রকমই আরও এক মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী হলো মহারাষ্ট্র। গত সোমবার থেকে ভারতে তৃতীয় দফার লকডাউন শুরু হয়েছে। আপাতত আগামী ২ সপ্তাহ অর্থাৎ ১৭ মে পর্যন্ত এ লকডাউন চলবে। এর আগে গত ২৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট দুই দফায় লকডাউনের সাক্ষী থেকেছে বিশ্বের অন্যতম জনবহুল দেশটির মানুষ। এদিকে ভারতে এখন পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত ৫৫ হাজারে গিয়ে ঠেকেছে। এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ১ হাজার ৮০০ জন।
যুক্তরাজ্যে পিপিই তৈরি করছে বাংলাদেশি নারীরা
০৫মে,মঙ্গলবার,এস.বি শিমুল,যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: যুক্তরাজ্যে স্বাস্থ্যকর্মীদের পিপিই সরবরাহ করছে বাংলাদেশি নারীরা। ইতিমধ্যে তারা শতাধিক পিপিই তৈরি করেছে। চ্যারিটি সংগঠন সোসাইটি লিংকের মাধ্যমে বাংলাদেশি নারীদের সংগঠন ভেরাইটি ক্লাব এ কাজ করছে। স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে ১ হাজার পিপিই তৈরী করে তা সোসাইটি লিংকের মাধ্যমে প্রদানের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন সংগঠনটি। সোসাইটি লিংকের কর্মকর্তারা বলছে, এনএইচএসের সাথে পার্টনারশিপের মাধ্যমে স্বেচ্ছাসেবী নারীদের দিয়ে এসব পিপিই তৈরি করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে তারা কাপড় সরবরাহ করছেন এবংনারীরা বিনা পারিশ্রমিকে পিপিই তৈরি করছেন। ক্ষেত্র বিশেষে সংগঠনটি সেলাইমেশিনও সরবরাহ করবে বলে জানান তারা। ভেরাইটি ক্লাবের আতিয়া বেগম ঝর্ণা, ফারহানা মালিক এবং রাশিদা জানান, এ ধরনের মহৎকাজে শরিক হতে পেরে আমরা গর্বিত। চলমান সংকটাবস্থায় অন্যান্য নারীদেরও এ কাজে এগিয়ে আসা উচিত।

আন্তর্জাতিক পাতার আরো খবর