ইন্দোনেশিয়ায় সোনার খনিতে চাপা পড়েছেন ৬০ জন
২৭ফেব্রুয়ারী,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইন্দোনেশিয়ার উত্তর সুলাওয়েসি দ্বীপে একটি অবৈধ সোনার খনিতে ভূমিধসে অন্তত ৬০ জন চাপা পড়েছেন বলে আশঙ্কা করছেন কর্তৃপক্ষ। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সুলাওয়েসি দ্বীপের বোলাং মোনগোনডৌ এলাকার ওই অবৈধ সোনার খনিতে বিপুল সংখ্যক গর্ত সৃষ্টি হয়ে মাটি ভঙ্গুর হয়ে যাওয়ার কারণে ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত অর্ধ-শতাধিক মানুষে মাটির নিচে চাপা পড়ে। বুধবার দেশটির জাতীয় দুর্যোগ সংস্থা বিবৃতি দিয়ে স্থানীয় দুর্যোগ কর্মকর্তা আব্দুল মুইন পাপুতুঙ্গান জানান,ধারণা করা হচ্ছে মাটি ও পাথরের নিচে প্রায় ৬০ জনের মতো চাপা পড়ে আছেন। ইন্দোনেশিয়ায় প্রায়ই অবৈধভাবে বিভিন্ন খনিতে কার্যক্রম চলে, যাতে হাজার হাজার শ্রমিক জীবিকার তাগিদে গুরুতর আহত বা নিহত হওয়ার ঝুঁকিতে কাজ করেন। পুলিশ ও উদ্ধার সংস্থার কর্মী, সামরিক ও ইন্দোনেশিয়ার রেড ক্রস কর্মীরা উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে। তবে দূরবর্তী প্রত্যন্ত এলাকায় উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা তাদের জন্য কষ্টকর হয়ে পড়েছে।-এপি/ইউএনবি
ভারত-পাকিস্তানের পাল্টাপাল্টি হামলা
২৭ফেব্রুয়ারী,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিমান হামলার জবাবে ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরে পাল্টা হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। মঙ্গলবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় বিকেলে পাকিস্তান জম্মু-কাশ্মীরের অন্তত ৫০টি স্থানে মর্টার ও গুলি চালায় বলে জানায় ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি জানায়। এর জবাবে ভারত আবারও হামলা চালায়। এতে পাকিস্তানের আজাদ কাশ্মীরে চার বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৭ জন। এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের হামলার পাল্টা জবাব দিতে মঙ্গলবার ভারতের জম্মু-কাশ্মীরের ৫০টিরও বেশি এলাকায় মর্টার হামলা ও গুলি চালায় পাকিস্তান। এতে বেশ কয়েকজন ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য আহত হয়। তবে পাকিস্তানের মর্টার হামলার তাৎক্ষণিক জবাব দেয় ভারতীয় সেনারাও। উভয়পক্ষের সংঘাতে পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত আজাদ কাশ্মীরের বেশ কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক হতাহত হয়েছেন বলে খবর প্রকাশ করেছে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন। এমন অবস্থায় পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি জানান, জঙ্গি নির্মূলে তার দেশের সেনাবাহিনীর যথেষ্ট সক্ষমতা রয়েছে। তবে সন্ত্রাস দমনের নামে কেউ পাকিস্তানের অভ্যন্তরে হামলা চালালে, জবাব দেবে ইসলামাবাদ। আরিফ আলভি বলেন, আমাদের সেনারা জানে কিভাবে সন্ত্রাস ও জঙ্গিদের মোকাবিলা করতে হয়। তবে সন্ত্রাস দমনের নামে পাকিস্তানের অভ্যন্তরে কেউ হামলা চালাতে পারে না। যদি এমনটা হয়, তবে দেশ ও দেশের জনগণের স্বার্থে যে কোনো পদক্ষেপ নিতে সশস্ত্র বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। দুই দেশের চরম উত্তেজনাকে কেন্দ্র করে উদ্বেগ জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মহল। পাকিস্তান ও ভারত দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম দেশ উল্লেখ করে তাদের সংঘাত পরিহারের আহ্বান জানিয়েছে চীন। এর আগে, ১৪ ফেব্রুয়ারি কাশ্মীরের পুলওয়ামায় ভারতের সেন্ট্রাল রির্জাভ ফোর্সের গাড়িবহরে চালানো আত্মঘাতী জঙ্গি হামলায় অন্তত ৪০ সদস্য নিহত হয়। এরপর থেকে দুই দেশের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এমন সংঘাতময় পরিস্থিতি নিরসনে দ্রুত কোনো পদক্ষেপ বা আলোচনায় না বসলে যেকোনো সময় যুদ্ধ বেঁধে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।
পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে ভারতের বোমাবর্ষণ
২৬ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কাশ্মীর সীমান্তের নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত অংশে সন্দেহভাজন বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ঘাঁটি লক্ষ্য করে বোমাবর্ষণ করেছে ভারতীয় বিমান বাহিনী। পুলওয়ামায় আত্মঘাতী জঙ্গি হামলার জবাবে এ হামলা চালিয়েছে সংস্থাটি। সোমবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৩টার দিকে ১২টি জঙ্গি মিরাজ জেট ফাইটার জঙ্গি ঘাঁটি লক্ষ্য করে ১০০০ কেজি বোমাবর্ষণ করে বলে দেশটির বার্তা সংস্থা এএনআইয়ের বরাত দিয়ে জানিয়েছে একাধিক সংবাদমাধ্যম। এই আক্রমণে ভারতীয় বিমানবাহিনীর লক্ষ্যবস্তু সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে বলেও জানিয়েছেন সংস্থাটির কর্মকর্তারা। তবে ভারতের বিরুদ্ধে আকাশসীমা লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে পাকিস্তান বলছে, এই হামলায় কোনো ক্ষয়ক্ষতি কিংবা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
আসাম রাজ্যে আবারো বিষাক্ত মদপানে অর্ধশত চা-শ্রমিক নিহত
২৩ফেব্রুয়ারী,শনিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসাম রাজ্যে আবারো বিষাক্ত মদপানে অর্ধশত ব্যক্তি নিহত হয়েছেন বলে ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জনই নারী। আজ শনিবার সকালের এসব প্রতিবেদনে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, আশঙ্কাজনক অবস্থায় আরো অনেককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হতাহতরা সবাই চা-বাগানের দরিদ্র শ্রমিক। এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে রাজ্য পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে। তবে বিভিন্ন গণমাধ্যমের নিহতের সংখ্যা ৩২, ৪১ থেকে ৬৬ পর্যন্ত দেখানো হয়েছে। রাজ্য বিধানসভার স্থানীয় বিধায়ক মৃণাল শইকিয়া সংবাদসংস্থা থমসন রয়টার্সকে বলেন, প্রায় ১০০ জন শ্রমিক ওই বিষমদ পান করেছিলেন। খাওয়ার পরেই অসুস্থ হয়ে পড়েন তাঁরা। পরে তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। রয়টার্সের প্রতিবেদনে নিহতের সংখ্যা ৪১ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। রাজ্য পুলিশের ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট পার্থ প্রতিম সাইকিয়ার বরাত দিয়ে দিল্লিভিত্তিক অনলাইন পোর্টাল নিউজএইটটিন এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, গত বৃহস্পতিবার রাতে আসাম রাজ্যের গুয়াহাটি থেকে ৩১০ কিলোমিটার দূরে গোলাঘাটের শালমিরা চা বাগানে মদ পান করে অসুস্থ হয়ে পড়েন শ্রমিকরা। পরে তাঁদের হাসপাতালে নেওয়া হলে একে একে নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে। নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে স্থানীয় পুলিশ। এই প্রতিবেদনে নিহতের সংখ্যা ৬৬ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। শালমিরা চা-বাগানের কাছেই জুগিবাড়ি এলাকায় অবৈধভাবে তৈরি দেশীয় মদ কারখানার মালিকসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন পুলিশের কর্মকর্তা পার্থ প্রতিম। তিনি আরো জানান, এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহভাজন অন্য ব্যক্তিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই এলাকায় গ্লাসপ্রতি ১০ থেকে ২০ টাকায় অবৈধ দেশীয় মদ পাওয়া যায়। এতে নিহতের সংখ্যা ৩২ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগেও বিষাক্ত মদ খেয়ে উত্তরপ্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডে নিহত হয়েছিলেন ১০০ জনেরও বেশি মানুষ। তার দুই সপ্তাহ যেতে না যেতেই আবারো আসাম রাজ্যে ঘটলো এ ঘটনা।
রাজধানীর চকবাজারের অগ্নিকাণ্ড আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে
২১ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের রাজধানীর পুরান ঢাকার চকবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের খবর স্থানীয় সব গণমাধ্যমের মতো আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোও বেশ গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করেছে। ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে সরকারি কর্মকর্তা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে বলা হয়, বাংলাদেশের রাজধানীর পুরান ঢাকার একটি ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে কমপক্ষে ৭০ জন এবং প্রায় ৫০ জন আহত হয়েছেন। দমকলকর্মীরা নয় ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম ডন ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনটিতে জানায়, বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার পুরোনো অংশের একটি ভবনে আগুন লেগে কমপক্ষে ৬৯ জন নিহত হয়েছেন। ভবনটিতে রাসায়নিক পদার্থের গুদাম ছিল বলেও এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। কাতার-ভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরার অনলাইন ভার্সনে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনটিকে প্রধান খবর হিসেবে রাখা হয়েছে। দমকল কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এতে বলা হয়, বাংলাদেশের রাজধানীর পুরান ঢাকার একটি ভবনের কয়েকটি অ্যাপার্টমেন্টে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে কমপক্ষে ৭০ জন মারা গেছেন। আগুন নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এএফপি জানায়, ঢাকার একটি ঐতিহাসিক এলাকায় একাধিক অ্যাপার্টমেন্ট ব্লকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কমপক্ষে ৭০ জন নিহত হয়েছেন। ফায়ার সার্ভিসের বরাত দিয়ে আরও জানায়, রাসায়নিক দ্রব্যের গুদাম হিসেবে ব্যবহৃত একটি ভবন থেকে আগুনের সূত্রপাত। যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সর পরিচালক জুলফিকার রহমানের বরাত দিয়ে জানায়, বাংলাদেশের রাজধানীর পুরান ঢাকায় কয়েকটি ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৭০ জনের মতো মানুষ মারা গেছেন। এই সংখ্যা বাড়তে পারে বলেও বার্তা সংস্থাটিকে জানান এই বাংলাদেশি সরকারি কর্মকর্তা। যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক গণমাধ্যম সিএনএন এই অগ্নিকাণ্ডে কমপক্ষে ৭০ জন নিহত এবং ৪০ জন আহত হয়েছেন বলে জানায়। ঢাকা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার ইবরাহিম খানের বরাত দিয়ে গণমাধ্যমটি জানায়, একটি গাড়ির জ্বালানি সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয় বলে মনে করা হচ্ছে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ-ভিত্তিক গণমাধ্যম আনন্দবাজারে প্রকাশিত এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনে দমকল বাহিনী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে বলা হয়, ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঢাকার একটি বহুতলে। বিধ্বংসী আগুনে পুড়ে এবং বিষাক্ত ধোঁয়ায় শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৭০ জনের। দুর্ঘটনাটি ঘটে বুধবার রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ ঢাকার চকবাজার এলাকায়।
চকবাজারের ভয়াবহ আগুনের ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতার শোক
২১ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চকবাজারের ভয়াবহ আগুনের ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এক টুইট বার্তায় শোক প্রকাশ করেন তিনি। বৃহস্পতিবার সকালে মমতা লিখেন, বাংলাদেশে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের খবরে খুবই শোকাহত হলাম। নিহতদের পরিবারকে জানাই সমবেদনা। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। রাজধানীর চকবাজারের আগুনের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৭০টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) জাবেদ পাটোয়ারী। তিনি জানান, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। জাবেদ পাটোয়ারী বলেন, কেমিক্যাল গোডাউনে রাসায়নিক পদার্থ ছিল। ফলে আগুন খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা ছিল। দ্রুত আগুন ছড়িয়েও পড়ে। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের নিরলস পরিশ্রমের কারণে তা নিয়ন্ত্রণে আনা গেছে। পুরো ভবন খুঁজে দেখা হচ্ছে আরও মৃতদেহ আছে কিনা। তিনি বলেন, রাসায়নিক গুদামের ভবনের সামনে কয়েকটি গাড়ি ছিল যেগুলো গ্যাসে চলতো। এই আগুনের কারণে গাড়িগুলো বিস্ফোরিত হয়। আরেকটি গাড়ির ভেতর অনেকগুলো সিলিন্ডার ছিল হয়তো আশপাশের বাড়িতে ও হোটেলে গ্যাস সরবরাহের জন্য সেগুলো ছিল। ওই গাড়িটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়। ফলে মৃতের সংখ্যা ও ক্ষয়ক্ষতির সংখ্যা অনেক বেড়ে যায়।
নিরাপত্তা তুলে নিল ১৮ বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতার ওপর থেকে ভারত
২১ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতের জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলার জেরে এবার কাশ্মীরি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিরুদ্ধে আরো বড় পদক্ষেপ নিল ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। নতুন করে ১৮ জন বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতার ওপর থেকে নিরাপত্তা তুলে নিয়েছে তারা। বুধবার ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে এই পদক্ষেপের কথা জানানো হয়। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের তরফে জানানো হয়, ভারত সরকার মনে করছে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নিরাপত্তা দিয়ে অর্থ নষ্ট হচ্ছে কেন্দ্রের। এই অর্থ আরো ভালোভাবে ব্যবহার করা সম্ভব। এবারে নতুন করে জম্মু-কাশ্মীরের যে সমস্ত বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাদের ওপর থেকে নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হলো তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন এসএএস গিলানি, ইয়াসিন মালিক, আব্দুল গনি শাহ, নঈম আহমেদ খান, জাফর আকবর ভাট প্রমুখ। এর আগে গত রোববার ভারতের জম্মু-কাশ্মীরের পাঁচ হুরিয়ত নেতার নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়েছিলো। সেই পাঁচ হুরিয়ত নেতার মধ্যে ছিলেন মিরওয়াইজ ওমর ফারুক, আব্দুল গনি ভাট, ওমর ফারুক, বিলাল লোন, হাসিম কুরেশি ও সাবির শাহ। সেই সময়েই সরকারি নির্দেশিকায় বলা হয়, কোনো কারণ বা অজুহাতেই ওই সমস্ত নেতাদের কোনো অবস্থাতেই নিরাপত্তা বা সরকারি গাড়ি দেওয়া যাবে না। শুধু গাড়ি বা নিরাপত্তাতেই শেষ নয়। এ ছাড়াও যদি কোনোরকম সরকারি সুবিধা এঁরা ভোগ করে থাকেন সেটাও প্রত্যাহার করার হুকুম জারি করা হয় ওই নির্দেশিকায়। গত রোববারের পর বুধবার জম্মু-কাশ্মীরের ১৮ জন বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা ছাড়াও আরো ১৫৫ জন রাজনৈতিক কর্মীর সুরক্ষা তুলে নেওয়া হয়েছে। এর ফলে অন্তত এক হাজার পুলিশকর্মী ও ১০০টি গাড়ি নিরাপত্তা দেওয়ার কাজ থেকে মুক্ত হবে।
আমরা চাই সৌদি আরব ও ভারতের মধ্যে সম্পর্কের উন্নয়ন হোক: সৌদি যুবরাজ
২০ফেব্রুয়ারী,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারত সফররত সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান বলেছেন, আমরা চাই সৌদি আরব ও ভারতের মধ্যে সম্পর্কের উন্নয়ন হোক। বুধবার রাষ্ট্রপতি ভবনে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনার পর সৌদির যুবরাজ এই মন্তব্য করেন। সৌদি যুবরাজে এই ভারত সফরে উভয় দেশের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্বের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আজ বিকেলে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা হবে। আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান গণমাধ্যমকে বলেন, আমাদের দুই দেশের নিজেদের স্বার্থেই আমরা ভালো সম্পর্ক বজায় এবং উন্নত করা নিশ্চিত করতে চাই। তিনি বলেন, ভারতের প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে, আমি বিশ্বাস করি আমরা সৌদি আরব ও ভারতের জন্য ভালো কিছু তৈরি করতে পারবো। এসময় সৌদি যুবরাজ ভারত ও আরব উপসাগরের মধ্যে সম্পর্ক তাদের ডিএনএর মধ্যে রয়েছে বলে মন্তব্য করেন। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার রাতে দিল্লি বিমানবন্দরে সৌদি যুবরাজকে বহনকারী বিমান অবতরণ করলে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রোটোকল ভেঙে তাকে স্বাগত জানান। সৌদি যুবরাজের এই সফরে দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও সন্ত্রাসবাদ নিয়ে আলোচনা হবে। উল্লেখ্য, সৌদি আরবের চতুর্থ বৃহত্তম বাণিজ্যিক সহযোগী ভারত। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ২৭.৪৮ বিলিয়ন ডলার। এছাড়া ভারতের জ্বালানির অন্যতম সহযোগী দেশ সৌদি আরব। দেশটির অপরিশোধিত তেলের ১৭ ভাগ ও এলপিজির ৩২ ভাগই আসে সৌদি আরব থেকে।
না-ফেরার দেশে প্রয়াত জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী প্রতীক চৌধুরী
২০ফেব্রুয়ারী,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলা সংগীতজগতে ফের নক্ষত্রের পতন। এবার প্রয়াত হলেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী প্রতীক চৌধুরী। তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৫ বছর। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নিজের অফিস থেকে বাড়ি ফেরার পথেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় প্রতীক চৌধুরীর। সন্ধ্যায় কলকাতার মুরলিধর সেন স্ট্রিটে পৈতৃক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে বাড়ি ফিরছিলেন প্রতীক। হঠাৎ করেই পথে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসক প্রতীককে মৃত ঘোষণা করেন। শিল্পীর মৃত্যুতে সংগীতমহলে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। গত শতাব্দীর নব্বইয়ের দশকে যে কজন গায়কের হাত ধরে বাংলা সংগীতজগতে নতুন জোয়ার এসেছিল, তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন প্রতীক চৌধুরী। ১৯৯৪ সালে প্রথম বিজ্ঞাপনী গান, অর্থাৎ জিঙ্গলস দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেন প্রতীক। অনেক বিখ্যাত ব্যান্ডের হয়ে জিঙ্গলস গেয়েছিলেন তিনি। কুকমি, খাদিম, টাটা স্টিল, স্টিলাক্সের বিজ্ঞাপনেও তাঁর কণ্ঠস্বর বিখ্যাত হয়ে ওঠে। পরবর্তী সময়ে প্লেব্যাক গায়ক হিসেবে একের পর এক ছবিতেও গান গেয়েছেন প্রতীক চৌধুরী। ২০০২ সালে মুক্তি পাওয়া বাঙালি বাবু, ২০০৩ সালে মুক্তি পাওয়া পাতালঘর-এর মতো ছবিতেও প্লেব্যাক করেন তিনি। এ ছাড়া অনিকেত চট্টোপাধ্যায়ের পরিচালনায় নির্মিত ছবি হবুচন্দ্র রাজার গবুচন্দ্র মন্ত্রীতেও বেশ কিছু গান গেয়েছেন প্রতীক। এই ছবিতে গাওয়া গানই তাঁর জীবনের শেষ কাজ। এ ছাড়া প্রতীক চৌধুরীর গাওয়া মন বাওরা সংগীতপিপাসুদের মন ছুঁয়েছিল। গত বছরের ডিসেম্বরে নিজের জন্মদিনে প্রতীক তাঁর অনুরাগীদের উপহার দেন এই বাংলার নীড়ে নামে অ্যালবাম। বাংলা সংগীতজগতে প্রতীক চৌধুরী জনপ্রিয় নাম। তাঁর গাওয়া রবীন্দ্রসংগীত আজও অমলিন। দুই বাংলাকে সুরের সুতোয় বাঁধতে পারতেন এমন যে কজন শিল্পী আছেন, প্রতীক চৌধুরী তাঁদের অন্যতম।