আল আকসা মসজিদে কাঁদানে গ্যাস, আহত ১৪
১৩আগস্ট,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:পবিত্র আল আকসা মসজিদে ঈদুল আযহার নামাজ আদায় করছিলেন প্রায় এক লাখ মুসল্লি। এ সময় তাদের ওপর কাঁদানে গ্যাস, স্টান গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছে ইসরাইলি পুলিশ। এতে কমপক্ষে ১৪ জন আহত হয়েছেন। এ খবর দিয়ে অনলাইন আরব নিউজ জানাচ্ছে, ইসরাইলি পুলিশ ও সরকার ইহুদি উগ্রপন্থিদের আল আকসা মসজিদ পরিদর্শনের অনুমতি দেয়ার পর রোববার মুসলিমদের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়। প্রথমে সেখানে ইহুদিদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও পরে তাদেরকে অনুমতি দেয়া হয়। জেরুজালেমের পুলিশ কমান্ডার ডোরোন ইয়েডিড বলেছেন, রাজনৈতিক কর্মকর্তাদের সমর্থনে পরে নীতি পরিবর্তন করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ইসরাইল ও মুসলিমদের মধ্যে একটি বোঝাপড়া রয়েছে। তার অধীনে আল আকসা মসজিদ কমপ্লেকের ভিতরে প্রার্থনা করা থেকে ইহুদিদের নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উগ্র ডানপন্থি ইহুদিরা ওই বোঝাপড়াকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মসজিদে তাদের পরিদর্শন বাড়তে থাকে। ইহুদি উগ্রপন্থিরা ওই মসজিদটির ধ্বংস চায়। এর পরিবর্তে তারা সেখানে ইহুদিদের টেম্পল পুনর্নির্মাণ করতে চায়। রোববার সকালে ইসলামিক ওয়াকফ কর্মকর্তারা এক ঘন্টার জন্য নামাজ বিলম্বিত করে জেরুজালেমে সব মসজিদ বন্ধ রেখে মুসলিমদের বাসায় অবস্থান করতে বলেন। উগ্রপন্থিদের ঔদ্ধত্যের কারণে এমন আহ্বান জানানো হয়। ইসলামিক ওয়াকফ কাউন্সিলের সদস্য খলিল আসালি আরব নিউজকে বলেছেন, ১৯৬৭ সাল থেকে যে বোঝাপড়া চলে আসছে তা এবার সুস্পষ্টভাবে লঙ্ঘন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে তারা দেখানোর চেষ্টা করছে যে, আল আকসা মসজিদ মুসলিমদের নয়। আল আকসার রক্ষক জর্ডান। তারা রোববারের সহিংসতার জন্য ইসরাইলকে দায়ী করে আনুষ্টানিকভাবে অভিযোগ জমা দিয়েছে ইসরাইল সরকারের কাছে।
মধ্যপ্রাচ্যে ঈদুল আজহা উদযাপন
১১আগস্ট,রবিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:ত্যাগে ও আনন্দে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে উদযাপন হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। রোববার স্থানীয় সময় ভোর থেকে দেশগুলোতে ঈদের জামাতে সমাবেত হন লাখো মানুষ। নামাজ আদায়ের পর মোনাজাতে মুসলিম উম্মাহ ও বিশ্বের শান্তি কামনা করা হয়। সৌদির পবিত্র শহর মক্কা, মদিনাসহ বিভিন্ন অঞ্চলের মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। ধনী-গরিব সব শ্রেণির মানুষ এক কাতারে ঈদ নামাজ আদায় শেষে নিয়ম মেনে শুরু হয় পশু কোরবানি। গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবি, দুবাই, শারজাহর বিভিন্ন মসজিদে ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোর থেকে বাহারি পোশক পরে এসব জামাতে অংশ নেন হাজার হাজার মানুষ। সাধারণত ফজরের নামাজের পর থেকে সকল মসজিদে আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর, ওয়া লিল্লাহিল হামদ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে আমিরাতের প্রতিটি মসজিদ। আবুধাবিতে ৬টা ১২ মিনিটে, আল আইনে ৬টা ৬ মিনিটে, শারজায় ৬টা ৬ মিনিটে, আজমানে ৬টা ৬ মিনিটে, ফুজাইরায় ৬টা ৪ মিনিটে, উম্মে আল কুইনে ৬টা ৬ মিনিটে ও রাস আল খাইমায় ৬টা ৪ মিনিটে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এদিকে মুসলমানদের বড় ধরনের এ উৎসব ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিটি দেশেই নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। দেশগুলোর নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো থেকে জানা গেছে।
নরওয়েতে মসজিদে গুলি
১১আগস্ট,রবিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:নরওয়েতে মসজিদের ভিতরে প্রবেশ করে গুলি চালিয়েছে এক অস্ত্রধারী। এতে একজন মুসল্লি আহত হয়েছেন। ততক্ষণে অন্য মুসল্লিরা ওই অস্ত্রধারীকে পাকড়াও করেন। পুলিশ উপস্থিত হয়ে তাকে গ্রেপ্তার করেছে। অন্যদিকে তার বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে একজন মৃত নারীকে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি। এ ঘটনা ঘটেছে শনিবার রাজধানী অসলোর বাইরে আল নূর ইসলামিক সেন্টারে। স্থানীয় পুলিশের সহকারী প্রধান রুনে স্কোলড বলেছেন, সন্দেহজনকভাবে গ্রেপ্তার করা ওই ব্যক্তি ২০ বছর বয়সী নরওয়ের একজন নাগরিক।একজন আত্মীয়কে হত্যার জন্য এখন তাকে সন্দেহ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ওই হত্যাকা-কে আমরা সন্দেহের চোখে দেখছি। তার বাড়ি থেকে মৃত উদ্ধার করা ওই নারী তার আত্মীয়। তার মৃত্যুর সঙ্গে সে জড়িত বলে আমাদের সন্দেহ।পুলিশ আরো বলছে, হামলাকারী একাই মসজিদে হামলা করেছে। মসজিদটির পরিচালক ইরফান মুসতাক স্থানীয় পত্রিকা বুদস্তিকাকে বলেছেন, গুলিতে আহত হয়েছেন ৭৫ বছর বয়সী একজন মুসল্লি। তার ভাষায়, মাথায় হেলমেট ও ইউনিফর্ম পরা এক শে^তাঙ্গ যুবক আমাদের একজন সদস্যকে গুলি করেছে। পরে তিনি স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেল টিভি২কে বলেছেন, শটগানের মতো দুটি অস্ত্র ও একটি পিস্তল ছিল হামলাকারীর সঙ্গে। সে কাচের দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে গুলি করা শুরু হরে। এ সময় তাকে মসজিদের অন্যরা পাকড়াও করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। সরকারি টেলিভিশন এনআরকেকে পুলিশের সূত্র বলেছে, নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে দুটি মসজিদে এক অস্ত্রধারী গুলি করে কমপক্ষে ৫১ জনকে হত্যা করার পর এই মসজিদে আগে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছিল।
ট্রেনের পর এবার ভারতের সঙ্গে বাস সেবাও বন্ধ করলো পাকিস্তান
১০আগস্ট,শনিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চলাচলকারী সমঝোতা ও থর এক্সপ্রেস ট্রেনের পর এবার বাস সেবাও বন্ধ করেছে পাকিস্তান। বৃহস্পতিবার প্রথমে সমঝোতা এক্সপ্রেস বন্ধের ঘোষণা দেয় পাকিস্তান। এরপর শুক্রবার বন্ধ করে দেওয়া হয় দুই দেশের মধ্যে চলাচলকারী থর এক্সপ্রেস ট্রেনও। এবার বন্ধ করা হল ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে একমাত্র বাস সেবাটিও। ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা তুলে নেয়ার পরই ভারতের সঙ্গে একে একে সব সম্পর্ক ছিন্ন করছে পাকিস্তান। তারই অংশ হিসেবে দুই দেশের মধ্যে চলাচলকারী ট্রেনের পর এবার বন্ধ করা হলো বাস সেবা। পাকিস্তানের যোগাযোগ ও ডাক বিভাগের দায়িত্বে থাকা মন্ত্রী মুরাদ শহিদ টুইট করে এই কথা জানিয়েছেন। ন্যাশনাল সিকিউরিটি কমিটির নির্দেশ অনুযায়ী বাস সেবা বন্ধ করা হয়েছে বলে জানান তিনি। ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সদা-ই-সরহদ নামের বাস সেবা ১৯৯৯ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়। তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী নিজে প্রথম বাসে চড়ে লাহোরের বৈঠকে যোগ দিতে যান। ওয়াঘায় তাকে স্বাগত জানান তত্কালীন পাক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। ২০০১সালে সংসদ হামলার পর এই বাস সেবা বন্ধ হয়ে গেলেও ২০০৩ সাল থেকে আবারও শুরু হয়।
জাতিসংঘে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত, ভারত কাশ্মীরে রেজুল্যুশন ভঙ্গ করেছে
০৮আগস্ট,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:কাশ্মীরের বিশেষ সুবিধা বাতিল করে ভারতের অবৈধ দখলদারিত্ব বৃদ্ধি করার পরিণতি সম্পর্কে জাতিসংঘে নিরাপত্তা পরিষদের প্রেসিডেন্ট, কূটনীতিক ও কর্মকর্তাদের অবহিত করেছেন পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত মালিহা লোদি। জাতিসংঘে অন্যান্য দেশের রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গেও কথা বলেছেন পাকিস্তানি এই দূত। তিনি তাদের কাছে ব্যাখ্যা করেছেন ভারত কাশ্মীরে কিভাবে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রেজুল্যুশন ভঙ্গ করেছে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন ডন। নিরাপত্তা পরিষদে আগস্টের সভাপতি পোল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত জোয়ানা ওনেকা। তার সঙ্গে সাক্ষাত করে মালিহা লোদি ভারতের কর্মকান্ডকে কাশ্মীদের মর্যাদার গুরুত্বর হেয় বলে বর্ণনা করেছেন। ভারতের বেআইনি ও অস্থিতিশীল কর্মকা-কে প্রত্যাহার করার দাবি জানাতে নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন মালিহা লোদি। পাশাপাশি ভারত যাতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের রেজ্যুলুশন মেনে চলে তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। কয়েক দশক ধরে চলমান জম্মু, কাশ্মীর বিরোধে হস্তক্ষেপ করার যেকোনো বিষয় থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাতে বলা হয়। সূত্রের মতে, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতিকে পাকিস্তানি দূত বলেছেন, কাশ্মীদের সামনে ট্রাজেটি এখন পূর্ণমাত্রায়। তিনি দাবি করেন ১৯৪৭ সালেও ভারত একই রকম মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে জম্মু, কাশ্মীরে দখলদারি প্রতিষ্ঠা করে। ভারতের মূল উদ্দেশ্য হলো, দখলীকৃত জম্মু-কাশ্মীরের জনসংখ্যাতত্ত্বকে বদলে দেয়া।
কাশ্মীর ইস্যুতে সরকারি সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেন কেজরিওয়াল
০৬আগস্ট,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতীয় সংবিধানে কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা দেওয়া ৩৭০ অনুচ্ছেদ রদের সরকারি সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন আম আদমি পার্টির প্রধান ও দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। গতকাল সোমবার ভারতীয় সংসদে এ-সংক্রান্ত বিল পাস হওয়ার পর এক টুইট বার্তায় কেজরিওয়াল এ অবস্থান ব্যক্ত করেন। সেখানে তিনি বলেন, জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্তকে আমরা সমর্থন জানাই। আমরা আশা করছি, এর ফলে রাজ্যটিতে শান্তি ও উন্নয়ন নিশ্চিত হবে। ওই টুইট পোস্টে মন্তব্যের ঘরে পক্ষে-বিপক্ষে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। এ বিল পাসের মাধ্যমে কাশ্মীরিদের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেন অনেকে। অন্যদিকে ভারতীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পক্ষেও মত দেন অনেকে। এদিকে উত্তেজনার মধ্যেই জম্মু-কাশ্মীরের বহু এলাকার মোবাইল ও ল্যান্ডফোনের পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট ও কেবল টিভি পরিষেবাও। রাজ্যের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে একসঙ্গে অনেক মানুষের জমায়েত ও জনসভা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মোবাইল ও ল্যান্ডফোনের পরিষেবা বন্ধ রাখায় শীর্ষস্থানীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের স্যাটেলাইট ফোন দেওয়া হয়েছে। তাঁরা এই ফোনের মাধ্যমে কেন্দ্রের সঙ্গে জম্মু-কাশ্মীরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ব্যাপারে আলোচনা করতে পারবেন। এদিকে জম্মু, কিশত্বার, রেসাই, ডোবা ও উধমপুর জেলার স্কুল-কলেজগুলো গতকাল মঙ্গলবার থেকে বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে জানা গেছে। বন্ধ রয়েছে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও। গত সপ্তাহ থেকেই রাজ্যে অতিরিক্ত আধা-সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। শুক্রবারই অমরনাথ তীর্থযাত্রী ও পর্যটকদের রাজ্য ছেড়ে চলে যেতে বলা হয়েছে।
চীনের উত্তরাঞ্চলে ওয়াটার পার্কে কৃত্রিম সুনামি, আহত ৪৪
০১আগস্ট,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সকাল থেকে যে বিনোদন পার্কটি ছিল দর্শনার্থীদের কাছে আনন্দের, বিকেলে সেটিই যেন হয়ে উঠল দুঃস্বপ্ন। চীনের উত্তরাঞ্চলের একটি ওয়াটার পার্কে ওয়েভ মেশিন বিকল হয়ে কৃত্রিম জলোচ্ছ্বাসের তৈরি হয়। এতে আহত হন অন্তত ৪০ জন দর্শনার্থী। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে চীনের গণমাধ্যম সাউথ-চায়না মর্নিং পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রোববার হঠাৎ করে লংজিং শহরের ইউলং সুই-ইউন ওয়াটার অ্যামিউজমেন্ট পার্কের ওয়েভ মেশিন নষ্ট হয়ে পড়ে। এতে মুহূর্তেই পানির পরিমাণ অনেক বেড়ে যায়। ফলে বড় ঢেউয়ের সৃষ্টি হয় যেটাকে অনেক গণমাধ্যম কৃত্রিম সুনামি হিসেবে উল্লেখ করেছে। ওই ওয়াটার পার্কের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ওয়েব মেশিনটি হঠাৎ নষ্ট হয়ে যায়। ফলে পানির পরিমাণ অনেক বাড়তে শুরু করে। খবর পেয়েই পার্কের কর্মীরা মেশিন সারানোর কাজ শুরু করেন। কিন্তু ততক্ষণে জমে যাওয়া বাড়তি পানি বেরোতে না পারায় ওয়াটার পার্কে দেখা দেয় সুনামি। এই দুর্ঘটনার ভিজিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, ঢেউয়ের তোড়ে ভেসে যাচ্ছেন বিনোদন পার্কে আসা দর্শনার্থীরা। এমনকি পার্ক ছাপিয়ে রাস্তায় উঠে এসেছে পানি। কৃত্রিম এই সুনামিতে আহত অনেককে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
ছয় মাসে ১২ শিশুসহ ৫৪ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েল
৩১জুলাই২০১৯,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ৫৪ জন ফিলিস্তিনি নাগরিককে হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। মঙ্গলবার ফিলিস্তিন ভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন আল মিজান সেন্টারের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজা উপত্যকায় চালানো এই হত্যাকাণ্ডে নিহতদের মধ্যে ১২ শিশু ও ৪ জন নারীও রয়েছেন। সেখানে বলা হয়, এসব হত্যাকাণ্ড সংঘটনে ইসরায়েলি সেনারা অত্যন্ত শক্তিশালী মারণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। সংস্থাটি বলছে, গাজায় বসবাসরত ফিলিস্তিনিদের ওপর দখলদারদের হামলা-আক্রমণ পর্যবেক্ষণ করে চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসের পরিসংখ্যান এটি। তারা আরও জানায়, জানুয়ারি থেকে ইসরায়েলিদের হামলায় ৫৪ জন ফিলিস্তিনি মুসলিম নিহত হয়েছে। পাশাপাশি আহত হয়েছে কমপক্ষে তিন হাজার ৭২৩ জন বেসামরিক নাগরিক। তাদের মধ্যে রয়েছে এক হাজার ২২৬ শিশু ও ১৭৯ জন নারী। আল মিজান সেন্টার জানিয়েছে, গাজা উপত্যকা সীমান্ত বেষ্টনীর কাছে প্রতি সপ্তাহে অনুষ্ঠিত মিছিল গ্রেট মার্চ অব রিটার্ন-এ ইসরায়েলি সৈন্যদের আক্রমণে সবচেয়ে বেশি ফিলিস্তিনি হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। হামলার পাশাপাশি গত ছয় মাসে গাজা থেকে ২২ শিশুসহ ৮০ জন ফিলিস্তিনিকে আটক করা হয়েছে। এমনকি আটককৃতদের মধ্যে মুহাম্মাদ রবি ইলইয়ান নামে তিন বছর বয়সী এক শিশুও রয়েছে।
সিঙ্গাপুরে ডেঙ্গু রোগী ৮ হাজার ৯ জনের মৃত্যু
৩০জুলাই২০১৯,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: এ বছর সিঙ্গাপুরে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত নয়জন প্রাণ হারিয়েছেন। গতকাল সোমবার দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও জাতীয় পরিবেশ সংস্থা(এনইএ) এক যৌথ বিবৃতিতে এ কথা জানায় বলে স্থানীয় গণমাধ্যম চ্যানেল নিউজ এশিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া নয় ব্যক্তির মধ্যে চারজন পুরুষ গত ৩০ জুন থেকে ১৬ জুলাইয়ের মধ্যে মারা গেছেন। নয়জনের মধ্যে হৌগ্যাং এভিনিউ ফাইভ এলাকায় ৩০ জুন ডেঙ্গুতে প্রথম ব্যক্তি (৭০) মারা যান। এরপর ওই এলাকায় ১২ জুলাই পর্যন্ত আরো চারজন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করা হয়। গত ১৬ জুন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরো তিন ব্যক্তির মৃত্যু হয়। ইউনোস ক্রিসেন্ট এলাকার বাসিন্দা ৭৭ বছর বয়সী এক ব্যক্তি এই তিনজনের একজন। এরপর ২০ জুলাই পর্যন্ত এই এলাকায় ছয়জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হন। এনইএ কর্তৃপক্ষ জানায়, ২৮ জুন ইউনোস ক্রিসেন্ট এলাকা ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে আটটি মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা হয়। এনইএ আরো জানায়, বেডক রিজার্ভয়ার রোডে বসবাসরত ৬৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তি ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। ওই এলাকায় ২০ জুলাই পর্যন্ত ছয়জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয় বলে এনইএ জানায়। এনইএ কর্তৃপক্ষ এলাকাটি থেকে ১১টি মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করে। এগুলোর মধ্যে পাঁচটি প্রজননস্থল ছিল বাসাবাড়ির প্রাঙ্গণে। সিঙ্গাপুরে ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া সর্বশেষ চারজনের মধ্যে সম্প্রতি যিনি মারা গেছেন তাঁর বয়স ৪৬ বছর। ২০১৬ সালে সিঙ্গাপুরে ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি ১২ জনের মৃত্যু হয়। এর আগে চলতি বছরের শুরুতে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা যান পাঁচজন। গত মাসে ৮৪ বছর বয়সী এক নারী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। মে মাসে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা যান ৬৩ বছর বয়সী এক ব্যক্তি। মার্চে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা যান ৭১ বছরের এক বৃদ্ধা। আর ফেব্রুয়ারিতে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারান আরো দুজন। এনইএ কর্তৃপক্ষ জানায়, চলতি বছরের ২০ জুলাই পর্যন্ত সিঙ্গাপুরে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন আট হাজার ২০ জন।