রবিবার, এপ্রিল ৫, ২০২০
করোনা ভাইরাস,মৃত ছাড়াল ৫৯ হাজার১৫৯ জন,আক্রান্ত ১০ লাখ ৯৮ হাজার ৩৯০
0৪এপ্রিল,শনিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এখন পর্যন্ত ভাইরাসে মারা গেছেন ৫৯ হাজার ১৫৯ জন। আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ ৯৮ হাজার ৩৯০ জন। অন্যদিকে আর সুস্থ বাড়ি ফিরেছেন হয়েছেন ২ লাখ ২৮ হাজার ৯২৩ জন।এখন পর্যন্ত বিশ্বের অন্তত ২০৫টির বেশি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে করোনা। এদিকে আক্রান্তের দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ২ লাখ ৭৭ হাজার ১৬১ জন আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যুবরণ করেছেন ৭ হাজার ৩৯২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে ১ হাজার ৩২১ আক্রান্ত হন।মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে ইউরোপের দেশ ইতালি। এখন পর্যন্ত দেশটিতে সর্বোচ্চ প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। ১৪ হাজার ৬৮১ জন মারা গেছেন।স্পেনে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ১৭ হাজার ৭১০ জন, জার্মানিতে ৮৯ হাজার ৮৩৮ জন, চীনে ৮১ হাজার ৬২০ জন, ফ্রান্সে ৬৪ হাজার ৩৩৮ জন এবং ইরানে ৫৩ হাজার ১৮৩ জন।সুস্থ হওয়ার সংখ্যায় সবার ওপরে রয়েছে চীন। চীনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৭৬ হাজার ৫৭১ জন। স্পেনে সুস্থ হয়েছেন ৩০ হাজার ৫১৩ জন। জার্মানিতে ২৪ হাজার ৫৭৫ জন, ইতালিতে ১৮ হাজার ৭৫৮ ও ইরানে ১৭ হাজার ৯৩৫ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন।
করোনা ভাইরাস,বিশ্বজুড়ে মারা গেছেন ৫০ হাজার ২৩০ জন। আক্রান্ত ৯ লাখ ৮১ হাজার ২২১ জন
0৩এপ্রিল,শুক্রবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসে (কভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা অর্ধলক্ষ ছাড়িয়েছে। জন হপকিন্স ইউনিভার্সিটির হিসাব অনুসারে, বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৪৭ মিনিট পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে এই রোগে মারা গেছেন ৫০ হাজার ২৩০ জন। আক্রান্ত হয়েছেন ৯ লাখ ৮১ হাজার ২২১ জন। জন হপকিন্স অনুসারে, করোনায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ইতালিতে। সেখানে মারা গেছেন ১৩ হাজার ৯১৫ জন। এছাড়া, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দেশটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ১৫ হাজারের বেশি মানুষ। ইতালির পর সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে স্পেনে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সেখানে মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ১০ হাজারের বেশি। প্রতিবেশী দেশ ফ্রান্সে মারা গেছেন ৪ হাজারের বেশি মানুষ। আক্রান্ত হয়েছেন ৫৭ হাজারের বেশি। প্রাথমিক পর্যায়ে কিছুটা স্তিমিত থাকলেও ইউরোপের অন্যান্য দেশেও সাম্প্রতিক দিনগুলোয় সংক্রমণের হার তীব্র গতিতে বাড়ছে। জার্মানিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৮১ হাজার ছাড়িয়েছে। মৃতের সংখ্যা প্রায় এক হাজার। এদিকে, সাম্প্রতিক দিনগুলোয় যুক্তরাষ্ট্রে দ্রুত গতিতে বাড়ছে মৃত ও আক্রান্তের সংখ্যা। জন হপকিন্স অনুসারে, এখন পর্যন্ত সেখানে মারা গেছেন ৫ হাজার ৩১৬ জন। মোট আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ২৬ হাজারের বেশি মানুষ। আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যান ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস অনুসারে, বিগত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে মারা গেছেন ৬৮১ জনের বেশি। এই সময়ে আক্রান্ত হয়েছেন ২১ হাজারের বেশি মানুষ। বৃটেনে সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যানুসারে, মারা গেছেন মোট ২ হাজার ৯২৬ জন। আক্রান্ত হয়েছে ৩৪ হাজারের বেশি।
স্পেনে মৃত্যুর সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়েছে
0২এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্পেনে কোনভাবেই নিয়ন্ত্রণে আসছে না করেনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব। সরকারের ব্যাপক বিধি-নিষেধেও লাভের লাভ তেমন চোখে পড়ছে না। এরিমধ্যে দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে মারা গেছেন ৯৫০ জন। খবর বিজনেসট ইনসাইডার ইউকের। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একদিনে আর আর কোনো দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এত বেশি মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। এর আগে গত ২৭ মার্চ ইতালিতে একদিনে রেকর্ড ৯২৯ জন মারা গিয়েছিলেন। আজ সেই সংখ্যাও ছাড়িয়ে গেল স্পেনে।ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে ইতালির পর করোনার ভয়াবহ প্রকোপের মুখোমুখি হয়েছে স্পেন। বুধবার দেশটিতে ৭ হাজার ৭১৯ জন করোনায় আক্রান্ত হলেও গত ২৪ ঘণ্টায় সেই সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে; নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৮ হাজার ১০২ জন। এ নিয়ে ইউরোপের এই দেশে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার ২৩৮ জনে।করোনার প্রাদুর্ভাব দ্রুতই নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে স্পেনের সরকারের পক্ষ থেকে যে আশার বানী শোনানো হয়েছিলো বৃহস্পতিবারের মৃত্যুর সংখ্যা তাতে জল ঢেলে দিয়েছে। একদিন আগেই দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্যালভাদর ইলা বলেছিলেন, পরিস্থিতি স্থিতিশীলতার দিকে যাচ্ছে এবং আমরা করোনার একটি ধীরগতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।এর আগে গত ১৪ মার্চ জরুরি অবস্থা জারির পাশাপাশি নিত্যপ্রয়োজনীয় খাবার ও ওষুধের দোকানপাট ছাড়া অন্যান্য সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে স্পেন। দেশটির শ্রম মন্ত্রণালয় বলছে, করোনা পরিস্থিতির কারণে শুধু মার্চেই দেশটিতে তিন লাখের বেশি মানুষ বেকার হয়ে পড়েছেন।
এখনই হজের পরিকল্পনা নয়
0১এপ্রিল,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক:,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাসের মহামারির কারণে এখনই হজের পরিকল্পনা করতে নারাজ সৌদি আরব। আরব নিউজের এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, পরিস্থিতি স্পষ্ট হওয়ার আগ পর্যন্ত হজের ব্যাপারে কোনও চুক্তি না করতে মুসলিম বিশ্বের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে রিয়াদ। করোনার ভয়ে গত মাসের শুরুর দিকে মৌসুমের ওমরাহ স্থগিত করা হয়। অভূতপূর্ব এই পদক্ষেপের কারণে এবছরের হজ নিয়ে তখনই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। আরব নিউজ জানিয়েছে, দেশটির হজ ও ওমরাহ বিষয়কমন্ত্রী মোহাম্মদ সালেহ বেনতেন মঙ্গলবার রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনে এ প্রসঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানান, হজ ও ওমরাহ পালনে ইচ্ছুকদের সেবায় সৌদি আরব পুরোপুরি প্রস্তুত। বেনতেন বলেন, চলমান পরিস্থিতিতে আমরা যখন বৈশ্বিক মহামারি মোকাবেলা করছি, তখন সৌদি আরব মুসলিমসহ অন্য নাগরিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিয়ে উদ্বিগ্ন। তাই পরিস্থিতি স্পষ্ট হওয়া পর্যন্ত হজের বিষয়ে কোনও চুক্তিতে না যেতে আমরা সব দেশের মুসলিম ভাইদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। জুলাইয়ে অনুষ্ঠেয় এক সপ্তাহের হজ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় ২৫ লাখ মুসলিম এবারও আসার কথা। ওই সময় তারা মক্কা ও মদিনা শহরের বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন। হজ মৌসুমে যে আয় হয় তা সৌদি আরবের অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখে। ওমরাহ হজ স্থগিত ছাড়াও ভাইরাস ছড়ানো ঠেকাতে সৌদি আরব সব আন্তর্জাতিক যাত্রীবাহী ফ্লাইট অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রেখেছে এবং গত সপ্তাহে মক্কা-মদিনা সহ কয়েকটি শহরে আগমন-বহির্গমন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
করোনা আক্রান্ত হয়েও দায়িত্ব পালনে পিছপা হননি সিএনএন সাংবাদিক
0১এপ্রিল,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:করোনা আক্রান্ত হয়েও দায়িত্ব পালনে কোন অবহেলা করেননি বার্তা সংস্থা সিএনএনর উপস্থাপক অ্যাঙ্কর ক্রিস কুওমো। শরীরে জ্বর নিয়েই চালিয়ে গেছেন সিএনএন-এ তার নিয়মিত প্রোগ্রাম কুওমো প্রাইম টাইম। তিনি বলেন, তিনি ভালোবোধ করছেন তাই তিনি তার প্রোগ্রাম চালিয়ে যাবেন। বর্তমানে তিনি নিউইয়র্ক সিটির হাডসন ইয়ার্ডস পাড়ায় তার বাড়ির বেজমেন্টে কোয়ারেন্টাইনে আছেন। আর সেখান থেকেই তার প্রোগ্রাম লাইভ করছেন। করোনা পজেটিভ আসার পর তিনি জানান, আমরা এর বিরুদ্ধে সবাই ঐক্যবদ্ধ আছি এবং আমরা একে পরাজিত করবো। এসময় তিনি তার বেজমেন্টে আছেন এবং এটি বাড়ি থেকে একদম পৃথক করে রাখা হয়েছে এমনকি তার কুকুরও সেখানে প্রবেশের কোন সুযোগ পায়না বলে জানিয়েছেন তিনি। এরআগে, মঙ্গলবার তিনি জানিয়েছিলেন তার করোনা টেস্টে রেজাল্ট পজেটিভ এসেছে। বর্তমানে করোনাভাইরাসের প্রকোপের কারণে সিএনএনর বেশিরভাগ গণমাধ্যমকর্মী কয়েক সপ্তাহ ধরে বাড়ি থেকে কাজ করছেন। ছোট স্টুডিও এবং হোম অফিসগুলি থেকে তাদের সম্প্রচার করা হচ্ছে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় সংকটে বিশ্ব
0১ এপ্রিল,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস মহামারি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেসে। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, এই মহামারি কঠিন অর্থনৈতিক মন্দা এনে দিতে পারে, যার সমকক্ষ সম্ভবত বিগত অতীতে দেখা যায়নি। আর্থ-সামাজিক কর্মকাণ্ডের ওপর করোনাভাইরাসের সম্ভাব্য প্রভাব শীর্ষক জাতিসংঘের একটি প্রতিবেদনে এ আশঙ্কার কথা জানান জাতিসংঘ মহাসচিব। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে বিশ্বে লাশের মিছিল শুধু দীর্ঘই হচ্ছে। বিশ্বব্যাপী ভাইরাসটিতে প্রাণহানির সংখ্যা ৪২ হাজার ছাড়িয়েছে। আক্রান্ত সাড়ে আট লাখের বেশি মানুষ। এরমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে আক্রান্ত হয়েছেন এক লাখ ৮৮ হাজারের বেশি। দেশটিতে এরইমধ্যে প্রাণহানি ছাড়িয়েছে চার হাজার। হোয়াইট হাউস শঙ্কা প্রকাশ করে জানিয়েছে, করোনায় যুক্তরাষ্ট্রে এক থেকে দুই লাখের বেশি মানুষ মারা যেতে পারে। ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও স্পেনে একদিনে সর্বোচ্চ প্রাণহানি রেকর্ড করা হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ায় ৬০ পত্রিকার ছাপা বন্ধ,অনলাইন সচল
0১ এপ্রিল,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:করোনা ভাইরাসে ভয়াবহ অবস্থা বিরাজ করায় ৬০ টি পত্রিকার ছাপার সংস্করণ বন্ধ হয়ে গেছে অস্ট্রেলিয়ায়। আজ বুধবার মিডিয়া গ্রুপ নিউজ করপোরেশন বলেছে, তারা ছাপার সংস্করণ বন্ধ করলেও অনলাইন সচল থাকবে। অনলাইন বিবিসি এ খবর দিলেও কোন কোন পত্রিকার ছাপা বন্ধ হয়েছে সে বিষয়ে কোনো তালিকা প্রকাশ করে নি। তাৎক্ষণিক রিপোর্টে বলা হয়েছে এসব কথা। নিউজ করপোরেশন অস্ট্রেলিয়ার প্রধান মাইকেল মিলার বলেছেন, এই সিদ্ধান্ত আমরা হালকাভাবে নিই নি। তিনি এমন সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করে বলেন, এমনিতেই মিডিয়া খাত বড় সমস্যার মধ্যে পড়েছে। পত্রিকা বিলিতে সমস্যা দেখা দিয়েছে। তা ছাড়া বিজ্ঞাপনে ধস নেমেছে।ফলে এ শিল্প আরো একটি বড় আঘাতে পড়েছে।
বেদনাদায়ক পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকুন, জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে যুক্তরাষ্ট্র
0১এপ্রিল,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে যুক্তরাষ্ট্র। তাই সব মার্কিনীকে সরকারের নির্দেশনা অনুসরণ করতে উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। কর্মকর্তারা সতর্কতা দিয়েছেন আগামী কয়েক সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে এক লাখ থেকে প্রায় আড়াই লাখ মানুষ করোনা ভাইরাসে মারা যেতে পারেন। নিউ ইয়র্কের হাসপাতালগুলোর মর্গ উপচে পড়ছে মৃতদেহ। এখন আর মৃতদেহ রাখার জায়গা নেই। হাসপাতালের বাইরে রেফ্রিজারেটর ট্রাকের ভিতর সারিবদ্ধ রাখা হয়েছে মৃতদেহ। টাইমস অব ইসরাইল, অনলাইন বিবিসিসহ বিভিন্ন মিডিয়ায় এ খবর গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশিত হয়েছে। করোনা ভাইরাস মহামারি সামাল দিতে বিশ^জুড়ে জাহাজ, স্টেডিয়াম, পার্ককে অস্থায়ী হাসপাতালে রূপান্তরিত করা হয়েছে। মানবজমিন । মঙ্গলবার েেস্পন ও ফ্রান্সে মারা গেছেন কমপক্ষে ৮০০ মানুষ। বৃটিশ সরকার তার দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় গভীর হতাশা প্রকাশ করেছে। বিশ^জুড়ে এখন কমপক্ষে ৮ লাখ মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত। এমন অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, সামনে আরো অত্যন্ত কঠিন বেদনাদায়ক সময় অপেক্ষা করছে। এ জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে তিনি তার নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। বলেছেন, পীড়াময় ওই সময়কে আলিঙ্গন করতে প্রস্তুত থাকা উচিত। সবচেয়ে খারাপ কথা হলো সামনের কয়েক সপ্তাহ বা মাসে শুধু যুক্তরাষ্ট্রে আড়াই লাখ মানুষ মারা যেতে পারেন বলে প্রক্ষেপন বা প্রজেকশনে বলা হচ্ছে। তাই এই মহামারিকে একটি প্লেগ-এর মতো আখ্যায়িত করে হোয়াইট হাউজ থেকে বক্তব্য রাখছিলেন প্রসিডেন্ট ট্রাম্প। তার ভাষায়, সামনের দুটি সপ্তাহ হবে অত্যন্ত কঠিন বেদনাদায়। কঠিন এক বেদনাদায়ক অবস্থার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে পরিস্থিতি। সামনের এই কঠিন দিনগুলোর জন্য প্রস্তাত থাকার জন্য প্রতিটি মার্কিনীর প্রতি আমি আহ্বান জানাচ্ছি।

আন্তর্জাতিক পাতার আরো খবর