বিশ্বের দ্বিতীয় সুউচ্চ ভবন নির্মিত হচ্ছে মালয়েশিয়ায়
২৩,এপ্রিল,শুক্রবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আলো ঝলমলে টুইন টাওয়ারের দেশ মালয়েশিয়াতে এবার বিশ্বের দ্বিতীয় উঁচু ভবন উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে। নির্মাণাধীন ১১৮ তলার এ ভবনটি মারদেকা-১১৮ বা পিএনবি ১১৮ নামে পরিচিত। নির্মাণ কাজ শেষ হলে এটিই হবে বিশ্বের দ্বিতীয় সুউচ্চ ভবন। দৃশ্যমান ভবনটির বেশিরভাগ কাজ এরই মধ্যে সমাপ্তির পথে। আশা করা হচ্ছে ২০২২ সালের শুরুতেই উদ্বোধন করা হবে ভবনটি। নির্মাণ কাজ শেষ হলে ৬৪৪ মিটার বা ২১১৩ ফুট উচ্চতার ভবনটি পেছনে ফেলবে চীনের সাংহাই টাওয়ারকে যার উচ্চতা ২০৭৩ ফুট। আর বিশ্বের সর্বোচ্চ ভবনের তালিকায় দুবাইয়ের বুর্জ খালিফার পরপরই থাকবে কুয়ালালামপুরের এ ভবনটির স্থান। ১১৮ তলা বলা হলেও নির্মাণশৈলির জন্য মাটির নিচে রয়েছে পাঁচ তলার গাঁথুনি। ভবনে থাকবে অফিস, রেস্টুরেন্ট, স্কাই লবি ও হোটেল। পরিকল্পনায় আছে থিয়েটার ও লাইভ শো করার হলরুম। ভবনের ৮৩ তালা পর্যন্ত থাকবে বিভিন্ন অফিস এবং বাকি অংশে থাকবে শপিং মল, স্কাই ডাইনিং রেস্টুরেন্ট, পার্ক হায়াত হোটেল, সুসজ্জিত স্কাই লবি ও ভিআইপি লাউঞ্জ। মারদেকা অর্থ স্বাধীনতা। ডায়মন্ড আকৃতির এ ভবনের নামকরণ তাই মারদেকা করা হয়েছে দেশটির স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে। প্রসঙ্গত, এর আগে টুইন টাওয়ার স্থাপন করে সারা বিশ্বে সাড়া ফেলেছিলো মালয়েশিয়া। এছাড়া ২০১৯ সালে দ্যা এক্সচেঞ্জ ১০৬ উদ্বোধন করে দেশটি। তবে পর্যটকরা কুয়ালালামপুরকে আজও টুইন টাওয়ারের শহর হিসাবেই চেনেন। যদিও বিশ্বের দ্বিতীয় উচু ভবন মারদেকা বা পিএনবি-১১৮ উদ্বোধনের পর নতুন করে বিশ্বজুড়ে আলোচনায় আসবে মালয়েশিয়া।
মুসলিমদের ওপর নিষেধাজ্ঞা ঠেকাতে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে বিল পাস
২২,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মুসলিমদের প্রতি বাইডেন প্রশাসন যে ইতিবাচক তা আবারও প্রমাণ হলো। সম্প্রতি মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে মুসলিমদের পক্ষে একটি বিল পাস হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে মুসলিমদের ওপর নিষেধাজ্ঞা ঠেকাতে এই বিল বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এই বিলের কারণে ধর্মের ওপর ভিত্তি কোনো নির্দিষ্ট কোনো সম্প্রদায়ের ওপর যে কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের নিষেধাজ্ঞা আরোপের ক্ষমতাকে খর্ব করা হবে। ফলে কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট চাইলেই আর আগের মতো যে কোনো দেশের ওপর ইচ্ছামত ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারবেন না। নাগরিক অধিকার বিষয়ক আইনজীবীরা এই বিলকে স্বাগত জানিয়ে বলছেন, সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এটি একটি বড় পদক্ষেপ। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বেশ কিছু মুসলিম দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিলেন। মূলত ওই নিষেধাজ্ঞা প্রতিহত করতেই নো ব্যান নামের এই বিলটি পাস করা হয়েছে। এই বিলটি আইনে পরিণত করতে মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চ কক্ষ সিনেটেও পাস করতে হবে। বুধবার প্রতিনিধি পরিষদে এই বিলের পক্ষে ভোট দিয়েছে ২১৮ জন এবং বিপক্ষে ভোট পড়েছে ২০৮টি। মার্কিন নাগরিক অধিকার গ্রুপের মুসলিম আইনজীবী মাদিহা আহুসেইন বলেন, মুসলিম নিষেধাজ্ঞার কারণে পরিবারগুলো বিভক্ত হয়ে পড়েছে। এই নিষেধাজ্ঞা বছরের পর বছর জীবনকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। তিনি বলেন, মুসলিম, আফ্রিকান এবং অন্যান্যদের বহিরাগত হুমকি হিসেবে তুলে ধরেছে এই নিষেধাজ্ঞা। প্রতিনিধি পরিষদে ওই বিল পাসের পর মাদিহা এক বিবৃতিতে বলেন, আমাদের অবশ্যই এটা নিশ্চিত করতে হবে যে কোনো প্রেসিডেন্ট যেন আর কখনও এ ধরনের বৈষম্যমূলক নিষেধাজ্ঞা প্রয়োগ করতে না পারে। প্রতিনিধি পরিষদে নো ব্যান আইন পাস হওয়ার মাধ্যমে আমরা এটা নিশ্চিত করছি যে তারা আর এ ধরনের কাজ করতে পারবেন না। চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এক গুচ্ছ নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন জো বাইডেন। এসব আদেশের মধ্যে প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে ফেরা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় আবারও যুক্ত হওয়া, মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণ বন্ধ করা এবং মুসলিমদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়াসহ মোট ১৫টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল। সে সময় ইরান, সুদান, সিরিয়া, লিবিয়া, সোমালিয়া, ইয়েমেন, ভেনেজুয়েলা, উত্তর কোরিয়া, নাইজেরিয়া এবং মিয়ানমারের ওপর ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বাইডেন। এছাড়া, যেসব কিশোর-তরুণ অবৈধভাবে তাদের স্বপ্ন পূরণের জন্য আমেরিকায় প্রবেশ করেছে তাদেরকে সে দেশে থাকার অনুমতি দেবেন বলেও জানান বাইডেন। এ সংক্রান্ত আইন পুনর্বহাল করতে চাচ্ছে তার প্রশাসন।
ভারতে অক্সিজেন ট্যাঙ্কারে লিক, ২২ করোনা রোগীর মৃত্যু
২১,এপ্রিল,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতের মহারাষ্ট্রের নাসিকের একটি হাসপাতালে ট্যাঙ্কারে লিক হওয়ার পর অক্সিজেন না পেয়ে হাসপাতালে চিকৎসাধীন ২২ করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২১ এপ্রিল) এ ঘটনা ঘটে।খবর এনডিটিভির। খবরে বলা হয়, ঘটনার সময় ওই হাসপাতালে অন্তত ১৭১ জন করোনা রোগী চিকিৎসাধীন ছিলেন। এরমধ্যে ৩১ জনকে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে। বাকিরা ছিলেন হাসপাতালে। জেলা কালেক্টর সুরজ মান্ধারে বলেন, এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুসারে, জাকির হোসাইন মিউনিসিপ্যাল হসাপাতালে অক্সিজেন সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার কারণেই ওই ২২ জন করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মৃতদের মধ্যে ১০ জন ঘটনার সময় ভেন্টিলেশনে ছিলেন। মহারাষ্ট্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজেশ তোপী জানান, অক্সিজেনের ঘাটতির কারণেই ভেন্টিলেশনে থাকা রোগীদের মৃত্যু হয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে।
ইন্দোনেশিয়ায় ৬ মাত্রার ভূমিকম্পের আঘাত
২০,এপ্রিল,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী ভূমিকম্প। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৬। ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূমিকম্প কেন্দ্র (ইএমএসসি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। অবশ্য সংস্থাটি প্রথমে ভূমিকম্পের মাত্রা ৫ দশমিক ৯ এবং উৎপত্তিস্থল সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে দুই কিলোমিটার গভীরে জানিয়েছিল। পরে তথ্য সংশোধন করে তারা জানায়, কম্পনের মাত্রা ৬ এবং এর উৎপত্তিস্থলের গভীরতা অন্তত ১০ কিলোমিটার। মঙ্গলবার সকালে ইন্দোনেশিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় নিয়াস দ্বীপে আঘাত হানে এই ভূমিকম্প। ইএমএসসির তথ্যমতে, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল উত্তর সুমাত্রার পাডাংসিদেম্পুয়ান শহর থেকে ৩২৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে। প্রাথমিকভাবে এতে কোনও ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এর কারণে সুনামি সতর্কতাও জারি করা হয়নি।
ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় তিন বাংলাদেশি নিহত
১৯,এপ্রিল,সোমবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় তিন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। রোববার সালালাহ থেকে মাস্কাটগামী সড়কের আল তামরিত এলাকায় দ্রুতগামী প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহতরা সবাই চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বাসিন্দা। তারা হলেন- পোমরা ইউনিয়নের মাইজপাড়া গ্রামের জাহেদ (৪২), সরফভাটা ইউনিয়নের আসকার আলী রোড এলাকার সালাউদ্দিন (৪০) ও বেতাগী ইউনিয়নের বালুরচর গ্রামের আবছার(৪৫)। নিহতরা মাস্কট মডার্ন রোজ ট্রেডিং এন্টারপ্রাইজ এলএলসি নামে একটি কোম্পানির পর্দার সেকশনে চাকরি করতেন। কোম্পানিটির সত্ত্বাধিকারী মোহাম্মদ রেজাউল করিম দুর্ঘটনায় নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একমত চীন-যুক্তরাষ্ট্র
১৮,এপ্রিল,রবিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনামলের শেষের দিকে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হতে শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের। দুই দেশই বাণিজ্য থেকে রাজনীতি ; সবকিছুতে লড়াইয়ে সামিল হয়েছে। তবে দুই দেশই জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছে। তারা জলবায়ু পরিবর্তন রোধে পরস্পরের সঙ্গে এবং অন্যদেশগুলোর সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত। চলতি বছরের শেষে জলবায়ু সম্মেলন হওয়ার কথা। তার আগে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় দৃঢ় প্রতিশ্রুতি আদায়ের বিষয়টি বেশি জরুরি বলে মনে করছে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র। দুই দেশ এক যৌথ বিবৃতিতে তাদের এ অবস্থানের কথা ব্যক্ত করেছে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার চীনের জলবায়ু দূত জি ঝেনহুয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের জন কেরির মধ্যে সাংহাইয়ে বৈঠক শেষে এই বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। তাদের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জলবায়ু সঙ্কট মোকাবেলায় যুক্তরাষ্ট্র ও চীন একে অপরের সাথে এবং অন্যান্য দেশের সাথে সহযোগিতা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। উভয় দেশ তাপমাত্রা কমিয়ে আনার বিষয়ে হওয়া- প্যারিস চুক্তির বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যাবে।
করোনাভাইরাস বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায়, দাবি গবেষকদের
১৭,এপ্রিল,শনিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নোভেল করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) এর জন্য দায়ী সার্স-কোভ-২ ভাইরাস মূলত বায়ুর মাধ্যমে বিস্তার করে না বলে এতদিন দাবি করা হয়েছে। সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে আন্তর্জাতিক জার্নাল ল্যানসেট-এ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনা সংক্রমণের হার যখন ঊর্ধ্বগতি ঠিক সেই সময় এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হলো। এ গবেষণায় যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও কানাডার ছয়জন গবেষক যুক্ত আছেন। তাদের এই দাবির পেছনে ১০টি কারণও ব্যাখ্যা করেছেন বিজ্ঞানীরা। তাদের ভাষ্যমতে সার্স-কোভ-২ সংক্রমণটি বায়ুবাহিত হওয়ার পক্ষেই প্রমাণ বেশি। ১. সুপার-স্প্রেডার ঘটনাগুলোর ক্ষেত্রে মানুষের আচরণ, কোন পরিসরে ঘটেছে, ঘরে বায়ু চলাচল ব্যবস্থা ইত্যাদি পর্যালোচনা করা হয়েছে। তাতে স্পষ্ট শ্বাস-প্রশ্বাসে নির্গত জলকণা বা ড্রপলেটসের মাধ্যমে ভাইরাস ছড়ানো সম্ভব নয়। ২. পাশাপাশি কক্ষে থাকা ব্যক্তি, আক্রান্ত ব্যক্তির মুখোমুখি না হয়ে বা সংস্পর্শে না আসার পরও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা রয়েছে। ৩. আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ৩৩-৫৯ শতাংশ উপসর্গহীন, যা বায়ুবাহিত হয়ে সংক্রমণের ভিত্তিকে অধিক জোরালো করছে। ৪. বাইরে বা খোলামেলার তুলনায় আবদ্ধ জায়গায় সংক্রমণের হার বেশি। ৫. হাসপাতালে চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিতরা সংক্রমিত ব্যক্তির সরাসরি স্পর্শে না আসার পরও করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। ৬. করোনায় আক্রান্তদের ঘরের ভেতরের বাতাসে সংক্রমণ পাওয়া গেছে। ৭. করোনা হাসপাতালের এয়ার ফিল্টারে ভাইরাস মিলেছে। ৮. এয়ার ডাক্ট থেকে খাঁচাবন্দি প্রাণীরাও সংক্রমিত হয়েছ। ৯. এ পর্যন্ত কোনো গবেষণায় ভাইরাসটি বায়ুবাহিত না হওয়ার পক্ষে কোনো প্রমাণ নেই। ১০. ড্রপলেটস বা জলকণার মাধ্যমে করোনা ছড়ানোর বিশেষ কোনো প্রমাণ নেই।
জলবায়ু পরিবর্তন আইন করবে নিউজিল্যান্ড
১৬,এপ্রিল,শুক্রবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নিউজিল্যান্ড জলবায়ু পরিবর্তন আইন পাস করতে যাচ্ছে। বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে আর্থিক খাতে প্রয়োগ করা হবে নতুন এই আইন। জানা গেছে, এর আওতায় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রকৃতিবান্ধব অবকাঠামো ও প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে হবে। নিউজিল্যান্ডে জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী জেমস শ জানান, এ সপ্তাহেই আইনটি সংসদে পাস হবে। ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নিরপেক্ষ দেশ হতে চাই আমরা। মন্ত্রী আশা করছেন, এ আইন বিশ্বের অন্য দেশের জন্যও উদাহরণ তৈরি করবে। এর মাধ্যমে জলবায়ু ঝুঁকির বিষয়টি সরাসরি আর্থিক ও ব্যবসায়িক খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত হবে।
বিশ্বজুড়ে ট্রিলিয়ন ডলারে বেড়েছে অনলাইন কেনাকাটা
১৫,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বজুড়ে অধিকাংশ ভোক্তা ঘরের বাইরে বের হননি। তাই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য থেকে শুরু করে বাগানের সব জিনিসপত্র অনলাইন থেকে তাদের কিনতে হয়েছে। ২০২০ সালে সারাবিশ্বে ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে অনলাইন কেনাকাটা। মহামারির কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য থেকে শুরু করে সবকিছুই ক্রেতারা কিনেছেন অনলাইন থেকে। গত বছর বিশ্বে অনলাইনে খুচরা বিক্রিতে বাড়তি ৯০ হাজার কোটি ডলার বা প্রায় এক ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করতে হয়েছে। মাস্টারকার্ডের রিকভারি ইনসাইটস প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। বাংলাদেশে মাস্টারকার্ডের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। মাস্টারকার্ডের তথ্য অনুযায়ী, করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বজুড়ে ওয়েবসাইট ও অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে আগের চেয়ে কেনাকাটা বেড়েছে। এক্ষেত্রে ইতালি ও সৌদি আরবের মতো দেশের মানুষ ই-কমার্সের মাধ্যমে গড়ে ৩৩ শতাংশ বেশি কেনাকাটা করেছেন। এরপরই কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে রাশিয়া ও যুক্তরাজ্যের মতো দেশ। এ ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রেও ইলেকট্রনিক পেমেন্ট বেড়েছে। মাস্টারকার্ডের তথ্য অনুযায়ী, করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বজুড়ে ওয়েবসাইট ও অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে আগের চেয়ে কেনাকাটা বেড়েছে। এক্ষেত্রে ইতালি ও সৌদি আরবের মতো দেশের বাসিন্দারা ই-কমার্সের মাধ্যমে গড়ে ৩৩ শতাংশ বেশি কেনাকাটা করেছেন। এরপরই কাছাকাছি অবস্থান রয়েছে রাশিয়া ও যুক্তরাজ্যের মতো দেশ। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে ইলেকট্রনিক পেমেন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। এদিকে মাস্টারকার্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন করে ডিজিটাল খাতে সম্পৃক্ত হওয়া ২০ থেকে ৩০ শতাংশ ব্যবস্থা স্থায়ী হতে পারে।

আন্তর্জাতিক পাতার আরো খবর