রবিবার, ফেব্রুয়ারী ২৮, ২০২১
নাক দিয়ে পানি পড়া, যা করবেন
অনলাইন ডেস্ক :ঋতুবদলের ইঙ্গিত বেশ টের পাওয়া যাচ্ছে বাতাসে৷ এ সময় একটু হেরফের হলেই সর্দি-কাশির একটা সমস্যায় ভুগতে আরম্ভ করেন অনেকেই৷ সারারাত শুকনো কাশি কাশতে কাশতে বুকে ব্যথা ধরে যায়৷ এই পরিস্থিতিতে আপনিও নাজেহাল? জানেন তো, আমাদের শরীর যখন প্রয়োজনের চেয়ে বেশি মিউকাস তৈরি করে, তখনই বাড়তি মিউকাস নাকের দিক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে৷ চলতি কথায় সেটাকেই আমরা বলি নাক দিয়ে পানি পড়া৷যদি মিউকাস নাক দিয়ে বেরোতে না পেরে চুঁইয়ে গলায় নামে তা হলে তা হয়ে দাঁড়ায় শুকনো কাশির কারণ৷ মিউকাস কিন্তু যে কোনো ইনফেকশনের সঙ্গে লড়তে এবং তা তাড়াতে সাহায্য করে৷ কিন্তু প্রয়োজনের অতিরিক্ত মিউকাস শরীর তৈরি করলেই সমস্যা শুরু হয়৷ আচমকা ঠাণ্ডা পড়লে, অ্যালার্জি হলে, সাইনাসের ইনফেকশন দেখা দিলে, ধোঁয়া-ধুলো বা বিশেষ কোনও গন্ধ ট্রিগার হিসেবে কাজ করলে এমনটা হতে পারে৷ যাঁদের নাকের হাড় একটু বাঁকা, তাঁরা প্রায়ই এই সমস্যায় ভোগেন৷ গর্ভাবস্থায় বা কোনও বিশেষ ওষুধের প্রতিক্রিয়াতেও এমনটা দেখা দিতে পারে৷ নাক দিয়ে সর্দি বেরনো, কাশি ছাড়াও গলা ব্যথা, শ্বাসে দুর্গন্ধ, ঢোক গেলায় সমস্যাও হতে পারে৷দিনে দু-বার স্টিম নেওয়ার পাশাপাশি অ্যান্টি অ্যালার্জিক ওষুধ খেলেই সাধারণত সমস্যা সেরে যায়৷ যাঁরা খুব অ্যালার্জিতে ভোগেন তাঁর ডিসপোজ়েবল মাস্ক ব্যবহার করতে আরম্ভ করুন ঋতু বদলের সময়টায় অন্তত৷গলার কাছটায় আরামের জন্য উষ্ণ জলে অ্যাপল সাইডার ভিনিগার আর মধু মিশিয়ে খেতে পারেন৷ আদা আর মধু দিয়ে চা খাওয়াও চলে৷ দুধ আর কাঁচা হলুদ বেশ করে ফুটিয়ে পান করুন, শরীরের ভিতরের সব ইনফেকশন কমাতে তা কার্যকর৷
ব্যক্তিত্ব প্রকাশে সুগন্ধি নির্বাচনের ক্ষেত্রে জেনে নিন
অনলাইন ডেস্ক :সুগন্ধি ব্যক্তিত্বেরই একটি অংশ। সুগন্ধি ব্যবহারের আদব-কায়দা ভালোভাবে জানা থাকলে ব্যক্তিত্বও ফুটে উঠবে অসাধারণভাবে। অপরদিকে সুগন্ধির ভুল ব্যবহারে অন্যের সামনে অস্বস্তিতে পড়তে হয়। তাই আগেই জেনে নিন, সাজ পোশাক এবং আবহাওয়া অনুযায়ী আপনার উপযুক্ত সুগন্ধি সম্পর্কে। পছন্দকে প্রাধান্য দিন সুগন্ধি নির্বাচনের ক্ষেত্রে নিজের পছন্দকে বেশি প্রাধান্য দিন। যেকোনো সময় ও অভিজ্ঞতায় আপনি আসলে কেমন এবং কী ভালবাসেন, এটা জানা থাকলে মনে পূর্ণতা আসবে। সুগন্ধি নির্বাচনের ক্ষেত্রেও তা ব্যতিক্রম নয়। তাই নিজের পছন্দের গন্ধকে প্রধান্য দিয়ে সুগন্ধির ভালো কোনো ব্র্যান্ডকে বেছে নিন। পরীক্ষা করুন সুগন্ধির সর্বশেষ পর্যায় হল দৈহিক রসায়ন। অন্য কারো দেহে যে গন্ধ ভালো লাগে, আপনার দেহে তা নাও লাগতে পারে। আমাদের প্রত্যেকের দেহ আলাদা রসায়নে তৈরি। আর ঠিক সে কারণেই বিশেষ একটি সুগন্ধি অন্যের দেহে যেভাবে কাজ করে, আপনার দেহে তা সেভাবে করবে না। কাজেই সুগন্ধি কেনার আগে নিজের ত্বকের ওপর পরীক্ষা করে নিতে হবে। সুগন্ধি লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করলেই ফলাফল টের পাবেন। এরপর যে সুগন্ধি ভালো সৌরভ ছড়াবে সেটিই আপনার জন্য বাছাই করুন। সুগন্ধি কাপড়ে নয় আমরা সাধারণত জামা-কাপড়ের ওপরেই সুগন্ধি লাগিয়ে নিই। কাপড়ে লাগালে একটু পরই সে গন্ধ মিলিয়ে যায়। হাতের কবজি, কানের লতি ও ঘাড়েও একটু স্প্রে করে নিতে পারেন। তাহলে গন্ধটা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় । প্রলেপ দিন দিনভর সুগন্ধ ধরে রাখার সবচেয়ে ভালো উপায় হল প্রলেপন। সেক্ষেত্রে গোসলে সুগন্ধি বডি-ওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন। বডি-লোশান অথবা বডি-অয়েল দিলে সৌরভ আরেকটু বাড়বে। আর্দ্রতা ধরে রাখতেও বেশ কার্যকর। এরপর আপনার পালস-পয়েন্টগুলোতেও একটু বডি-অয়েল মাখিয়ে নিয়ে ফিনিশিং টাচ হিসেবে সুগন্ধি লাগিয়ে নিন। ব্যস, সারাদিনের জন্য আপনি সতেজ আর সুরভিত! বদলে নিন আপনি হয়তো সবসময় একই ধরণের সুগন্ধি ব্যবহারে অভ্যস্ত। তবে হালকা গন্ধের সুগন্ধিগুলোকে দিনের বেলায় এবং কড়া ও ঝাঁঝালো সুগন্ধি রাতে ব্যবহার করা উচিৎ। আবার ঋতু ও আবহাওয়া পরিবর্তনের সাথেও সুগন্ধি বদলে নিতে হবে। কারণ আপনার সুগন্ধি হল আত্ম-প্রকাশের সবচেয়ে শক্তিশালী ও স্মরণীয় মাধ্যম। মুড বুঝে সুগন্ধি ব্যবহার করলে সেটি থাকবে মানানসই।
জীবনে ৫টি বিষয়ে কখনও আপশোস করবেন না !
অনলাইন ডেস্ক :লন্ডন ইনস্টিটিউট অফ সাইকিয়াট্রির গবেষক লিজা হার্ভে বলছেন, অকারণ অনুশোচনার ফলে জন্ম নেয় হীনমন্যতা। আর হীনমন্যতা ব্যক্তিত্বের বিকাশে বাধা দেয়। জীবনে ভুল সকলেরই হয়। ভুল সিদ্ধান্ত বা ভুল পদক্ষেপের কারণে কখনও কখনও নিজের অথবা অন্য কারো ক্ষতি হয়ে যায়। সে ক্ষেত্রে নিজের সিদ্ধান্তের জন্য অনুশোচনা হয়, আপশোস হয়। কিন্তু কিছু কিছু এমন বিষয় রয়েছে, যার জন্য আপশোস করাটা মোটেই বুদ্ধিমানের কাজ নয়। লন্ডন ইনস্টিটিউট অফ সাইকিয়াট্রির গবেষক লিজা হার্ভে বলছেন, অকারণ অনুশোচনার ফলে জন্ম নেয় হীনমন্যতা। আর হীনমন্যতা ব্যক্তিত্বের বিকাশে বাধা দেয়। ফলে কোনও কোনও বিষয়ে আপশোস করার প্রবণতা একেবারে ঝেড়ে ফেলতে হবে। কোন কোন বিষয়? আসুন, জেনে নেওয়া যাক ১. আপনার চেহারা: মনে রাখবেন, আপনি কেমন দেখতে, তাতে আপনার কোনও হাত নেই। নিজেকে আপনি নিজে গড়েননি। কাজেই আপনি বেঁটে না মোটা, রোগা না লম্বা, ফর্সা না কালো সে নিয়ে বিন্দুমাত্র মন খারাপ করবেন না। আমি কেন আর একটু ফর্সা, লম্বা বা রোগা হলাম না এই ভেবে আপশোস করার কোনও মানে হয় না। ২. নিজেকে নিয়ে নেওয়া আপনার সিদ্ধান্ত: নিজের জীবন সম্পর্কে আপনি যে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, তা জীবনকে সহজতর করার লক্ষ্যেই নিয়েছেন। কাজেই সেই নিয়ে লজ্জিত বা অনুশোচিত বোধ করারও কিছু নেই। ৩. নিজের অনুভূতিকে যথাযথ অভিব্যক্ত করার ক্ষেত্রে: নিজের অনুভূতিকে যত চেপে রাখবেন, তত মানসিক কষ্ট বাড়বে। তার থেকে নিজেকে এক্সপ্রেস করুন। যেমন ভাবে প্রয়োজন নিজেকে প্রকাশ করার, সেই ভাবেই করুন। এর জন্য কুণ্ঠিত হবেন না। ৪. নিজের মতকে যথাযথ অভিব্যক্ত করার ক্ষেত্রে: যেটা ভাল লাগছে না, তাকে স্পষ্ট ভাবে না বলুন। ভাল লাগলে তা-ও ততধিক স্পষ্ট ভাবে বলুন। নিজের মতকে কখনও দমন করবেন না। নিজের মত প্রকাশের জন্য আপশোস করবেন না। ৫. নিজেকে নিজের মতো করে তুলে ধরার ক্ষেত্রে: আপনি যেমন, তার চেয়ে অন্য রকম, অন্য কোনও মানুষ হওয়ার অভিনয় করবেন না। তাতে শুধু অন্যদের ঠকানো হয় না, নিজেকেও ঠকানো হয়। তার চেয়ে নিজের ট্রু সেলফ-কে তুলে ধরুন। তার জন্য কোনও রকম আপশোস যেন আপনাকে গ্রাস না করে।
কেন চুড়ি পরতে হয় মেয়েদের?
অনলাইন ডেস্ক :প্রাচীন কাল থেকে এমন অনেক রীতি চলে আসছে যা নিয়ে সাধারণত কোনও প্রশ্ন তোলা হয় না। ঠিক যেমন, মেয়েরা হাতে চুড়ি পরে। বিশেষত বিবাহিত মেয়েদের ক্ষেত্রে হাত খালি রাখার নিয়ম নেই। অর্থাৎ দুই হাত ভর্তি করে চুড়ি পরাই নিয়ম।কিন্তু কেন এই নিয়ম? কেন চুড়ি পরতে হয় মেয়েদের? প্রাচীন এই রীতির পিছনেও রয়েছে কিছু বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা। বলা হয়, আগে সাধারণত পুরুষেরা জমি ও জঙ্গলে কাজ করত। যাতে তাদের পেশীর কাজ অনেক বেশি হত। আর মেয়েরা সাধারণত বাড়ির কাজকর্ম করত। খুব শক্ত কোনও কাজ মেয়েদের করতে হত না। পরিশ্রমও হত অপেক্ষাকৃত কম। আর এই কম শারীরিক কাজই বাড়ায় রক্তচাপ। যাতে মানুষ অধৈর্য হয়ে পড়ে। আর সেই চাপ কমাতেই মহিলাদের চুড়ি পরতে বলা হত। কিন্তু চুড়ির সঙ্গে রক্তচাপের কি সম্পর্ক? আমরা জানি পালস রেট মাপার জন্য কবজিতে চাপ দিয়ে দেখা হয়। সবসময় হাতে চুড়ির চাপ থাকলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। আরও বলা হয় যে শরীর থেকে আধ্যাত্মিকতা বাইরের দিকে যেতে চাইলে, চুড়ির জন্য সেটা আবার ফিরে আসে।
পুরুষরা যা গোপন রাখতেই বেশি পছন্দ করেন
অনলাইন ডেস্ক :পুরুষরা তাদের মনের গোপন কষ্টগুলো মেয়েদের থেকে বেশি গোপন রাখতেই বেশি পছন্দ করেন। সম্প্রতি আমেরিকার ভার্জিনিয়া ইউনিভার্সিটির মনোস্তত্ত্ববিদ বিভাগের গবেষকগণ এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কিছু গবেষক যৌথ প্রচেষ্টায় একটি গবেষণার পর এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন। তাঁরা মোট ১১টি পর্যায় সমীক্ষা এবং গবেষণা পরিচালনা করে এই তথ্য পেয়েছেন। এই গবেষনা থেকে যে তথ্য সামনে এসেছে তা হল, মনের দু:খ শেয়ার করার পরিবর্তে পুরুষরা তা নিজেদের মধ্যেই আবদ্ধ রাখতে চেষ্টা করেন বেশিরভাগ সময়। মনস্তত্ত্ব বিভাগের গবেষকরা এই বিষয়ে জানিয়েছেন, এই গবেষণা থেকে পুরুষ মনস্তত্ত্ব সম্পর্কে বেশ কিছু নতুন তথ্য তাঁদের সামনে এসেছে। ১৮ থেকে ৭৭ বছরের পুরুষদের মধ্যে এই সমীক্ষা নেওয়া হয়েছে। এই সমীক্ষা থেকে জানা গিয়েছে বেশিরভাগ পুরুষরা দুঃখ নিয়ে খুব বেশি ভাবনা চিন্তা করেননা এবং এটি যে শেয়ার করা যায় সেই নিয়ে খুব বেশি আমলও দেন না। এমনকি নিজের খুব কাছের মানুষের কাছ থেকেও তাঁরা এই সংক্রান্ত বিষয় গোপন করে যান। এই সমস্যাগুলি এড়ানোর জন্য পুরুষরা বাইরের জগত বা অন্য ধরণের কাজের সঙ্গে নিজেদের যুক্ত করে রাখেন। কিন্তু সর্বদা এর ফল ভাল হয় না বরং এই কারণে পুরুষদের মধ্যে মানসিক সমস্যা ক্রমাগত বাড়তে দেখা যাচ্ছে এমনটাই জানা গিয়েছে গবেষণা থেকে। নিজেদের সমস্যার কথা শেয়ার না করার ফলে তা এক না এক সময়ে মাথার মধ্যে চেপে বসে এবং সমস্যাটি সমাধানের আপ্রাণ চেষ্টা করে বিফল হলে তা মানসিক ভারসাম্যের পরিবর্তন ঘটায়। এছাড়াও সমস্যার হাত থেকে নিস্কৃতি পাওয়ার জন্য পুরুষতা অনেক সময় অপরাধপ্রবন কাজের দিকে এগিয়ে যায় এবং অনেকসময় পরিস্থিরি আত্মহনন পর্যন্ত চলে যায়। তাই গবেষক ও মনস্তত্ববিদদের মত নিজের যে কোন সমস্যা কাছের মানুষের সঙ্গে খোলাখুলি ভাবে আলোচনা করুন।
দেখে নিন এই শীতে ঠোঁট সুস্থ রাখার উপায়
অনলাইন ডেস্ক :এই শীতে ঠোঁট ফেটে যাওয়া কিংবা শুষ্কতা নিয়ে চিন্তার কোন কারণ নেই। একটু সচেতন হলে সহজেই ঠোঁটকে কোমল ও নমনীয় রাখা যায় । তাহলে দেখে নিন ঠোঁট সুস্থ রাখার পাঁচটি উপায়। ১. জ্বিব দিয়ে ঠোঁট ভেজানোর চেষ্টা করবেন না। কম বেশি সবারই একটি বদ অভ্যাস আছে যখন ঠোঁট শুষ্ক হয় তখন আমরা জ্বিহবা দিয়ে লালা লেপে দিই এতে ঠোঁট আরো শুকিয়ে যায়। ২. ঠোঁটে লিপজেল বা ভেসিলিন ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভালো ব্র্যান্ডকে প্রাধান্য দিন। অনেকেই যে কোনো ব্র্যান্ডের লিপজেল বা ভেসিলিন ব্যবহার করে থাকেন। মানহীন পণ্য ব্যবহারে ঠোঁটের ক্ষতির পাশাপাশি ঠোঁটের শুষ্কতার ভাব বেশ বেড়ে যায়। সূর্যরশ্মীর দ্বারা ক্ষতি হয় না এমন লিপজেল ব্যবহার করুন। ৩. প্রাকৃতিক উপায়ে ঠোঁটের শুকিয়ে যাওয়া বন্ধ করতে চাইলে প্রচুর পরিমাণে জল খান। এতে করে ঠোঁটের ত্বকে আর্দ্রতা বজায় থাকবে আর আপনি ঠোঁট শুকিয়ে যাওয়া থেকে মুক্তি পাবেন। ৪. মেয়েরা ঠোঁটে নানা ধরনের প্রসাধনী ব্যবহার করেন। এতে করে ঠোঁটের অনেক ক্ষতি হয়। ঠোঁটের ত্বকের ক্ষেত্রে যদি ভাল প্রসাধনী ব্যবহার না করেন তবে ঠোঁট শুকিয়ে গিয়ে তা ফেটে যায় এবং আরো অনেক বেশি ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই ভাল কোনো ব্র্যান্ডের প্রসাধনী ব্যবহার করুন। ৫. ঠোঁটে যখন আঁইশ ওঠে তখন আস্তে আস্তে ঘষে মরা চামড়া উঠিয়ে দিন। কোমল-নমনীয় ঠোঁটের জন্য চিনি ও মধু দিয়ে পেস্ট তৈরি করে সপ্তাহ খানেক ব্যবহার করতে পারেন উপকার পাবেন।
নিপীড়ক পুরুষের পাল্লায় পড়েছেন ?জেনে নিন আপনার কী করা উচিত
অনলাইন ডেস্ক :তিনি সবসময়ে আপনাকে জিজ্ঞেস করবে, আপনি কী করছেন বা কার সঙ্গে আছেন। আপনি যদি এসব কথার জবাব না দেন, তা হলে তিনি ক্ষেপে উঠছেন। তিনি আপনাকে নির্দেশনা দিচ্ছেন যাতে ভবিষ্যতে এ রকম ঘটনা এড়াতে হলে আপনার কী করা উচিত। যদি এ রকম কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের সঙ্গে আপনার এ রকম পরিস্থিতিতে পড়তে হয়, তা হলে সম্ভাবনা আছে যে, আপনি হয়তো একজন নিপীড়ক পুরুষের পাল্লায় পড়েছেন, যে আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। এটাই মনে করেন মেক্সিকোর মনোবিজ্ঞানী টেরে ডিয়াজ সেন্ড্রা। কিভাবে নিপীড়ক বা নির্যাতনকারী সঙ্গীকে চেনা যায়, এ বিষয়ে তিনি একটি বই লিখেছেন। তিনি বলেন, এটা হয়তো এই শতাব্দীতে অদ্ভুত শোনাতে পারে, যখন আমরা লিঙ্গ সমতার ক্ষেত্রে অনেক এগিয়ে রয়েছি। কিন্তু আমি বলব, এ রোগীরা তাদের তাদের আধিপত্যবাদী, নিয়ন্ত্রণকারী আচরণের মধ্যে আটকে রয়েছে। কিন্তু এটা ঘটছে, বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে। পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধে বিশেষজ্ঞ টেরা ব্যাখ্যা করেছেন, কর্তৃত্ববাদী আচরণ কী, কীভাবে সেটি সনাক্ত করতে হয় এবং কীভাবে তা থেকে নিজেকে রক্ষা করতে হয়। কর্তৃত্ববাদী বা নিপীড়ক সঙ্গী বলতে কি বোঝায়? এমন একজন ব্যক্তি, যিনি রূঢ়, নিষ্ঠুর বা অমার্জিত এবং অসম্মানজনক আচরণ করে থাকেন। আমরা সবাই কোনো না কোনো সময় কর্তৃত্ববাদী আচরণ করে থাকি, কিন্তু একজন নিপীড়ক হিসেবে তাকেই বুঝতে হবে, যিনি কিছু অতিরিক্ত কিছু সুবিধা ব্যবহার করে। অন্য কোনো ব্যক্তিকে তার ইচ্ছা, আগ্রহ, চাহিদা বা প্রয়োজনের কাছে নত হতে বাধ্য করে। একজন নিপীড়কের কৌশল কী হতে পারে? সাধারণভাবে বলতে গেলে, আসক্তি, অন্যায় সুযোগ নেয়া বা ভীতি দেখানো, যার মধ্যে হুমকি দেয়ার মতো আচরণও রয়েছে। সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনাগুলোর একটিকে বলা হয় বিপথগামী নিপীড়ক এটি এমন এক ধরনের মানসিক আচরণগত ক্রুটি, যাদের আচরণে নিজেদের নিয়ে অত্যন্ত গর্ব প্রকাশ পেয়ে থাকে। তারা তাদের সঙ্গীকে পুরোপুরি অকার্যকর, নিশ্চুপ, বোধহীন করে ফেলে যতক্ষণ পর্যন্ত সেই মেয়েটি নিজেই বিশ্বাস করতে শুরু করে যে, আসলে তারই দোষ। কেউ তার কথা শুনতে চায় না এবং তার অন্যকোন জীবনযাপনের ক্ষমতাও নেই। এরাই হচ্ছে চরম ধরনের নিপীড়ক। নিপীড়ক সঙ্গীর কিছু বৈশিষ্ট্য * সঙ্গী বা সম্পর্কের পেছনে তিনি কোনো সময় দিতে চান না * অন্যদের প্রতি তার আচরণ অসম্মানজনক * সবসময় তিনি প্রধান চরিত্রে বা মনোযোগের কেন্দ্রে থাকতে চান * অন্যদের আবেগ বা অনুভূতির কোনো মূল্য তার কাছে নেই * তিনি হচ্ছেন কর্তৃত্ববাদী এবং অধিকার খাটাতে চান * নিজের কাজ বা প্রতিক্রিয়ার জন্য তিনি কোনো দায়িত্ব নিতে চান না * তার মতো না হলেই তার নিজের সঙ্গীসহ অন্যদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে থাকেন * তিনি অনেক সময় এমন কৌতুক বা বিদ্রূপ করে থাকেন, তা যেন একটি খারাপ আচরণের ওপরের অংশের মতো * তিনি নিজের সন্তুষ্টি আর যৌন চাহিদার ওপর বেশি গুরুত্ব দেন * মিথ্যা কথা বলেন * অন্যদের মধ্যে বিভাজন তৈরি করে জয় পাওয়ার চেষ্টা করেন * অনেক সময় তাকে বেশ আকর্ষণীয় বা মজাদার বলে মনে হয় মেয়েদের মধ্যেও কি নিপীড়ক আছে? অনেক সময় নিপীড়ন নির্ভর করে কে কোন অবস্থায় রয়েছে- তার ওপর। তবে সামাজিক অনেক কারণে নারীরা অন্য অনেক মানুষকে কেন্দ্র করে যেন একটি উপগ্রহের মতো জীবনযাপন করেন। যেমন সন্তান এবং সঙ্গীকে ঘিরে তাদের জীবনযাত্রা চলে । অন্যদিকে পুরুষরা মূলত তাদের জীবনে নিজেকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। তবে নারীরাও নিপীড়ক হতে পারেন। তিনি হয়তো তার সঙ্গীকে আবেগতাড়িতভাবে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করতে পারেন অথবা হয়তো সন্তানদের ক্ষেত্রে দেখা সাক্ষাতে বিধিনিষেধ দিতে পারেন। এমনকি খারাপ আচরণ বা সঙ্গীকে ছোট করে তোলার জন্য জন্য আরো কিছু উপায় ব্যবহার করতে পারেন বা অন্য ব্যক্তিদের লক্ষ্যবস্তু করে তুলতে পারেন। নিপীড়ন করা কি জন্মগত? সোজা কথায় বলতে হলে, এখানে বেশ কিছু বিষয় জড়িত রয়েছে। অনেক মানুষ আছে, যারা নিপীড়ক হিসাবে জন্ম নেননি, কিন্তু তাদের আবেগপ্রবণ এবং রাগী ব্যক্তিত্ব রয়েছে। তাদের ধৈর্য কম থাকে, আগে থেকেই কোন কিছু ধারণা করে নেন এবং সহজ তৃপ্তি খোঁজেন। এ ধরনের মানুষজন সহজেই প্রতিক্রিয়া দেখান, হয়তো অনিচ্ছাকৃত হলেও, সেরকম আচরণ অনেক সময় অনুশোচনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অনেক সময় ছেলেদের পুরুষ হতে শেখানো হয়। অনেক সংস্কৃতি এটা স্বাভাবিক একটি আচরণ, যার ফলে অনেকের মধ্যে একটি উঁচু মানসিকতা তৈরি হয়, এবং চরম বিপথগামী নিপীড়ক তৈরি করে। সুতরাং, নারীরাও নিপীড়ক তৈরি করছে? এ ক্ষেত্রে নারীরা এর মধ্যে জড়িয়ে থাকতে বাধ্য হয়, তারা নিপীড়ক তৈরি করে না। আমরা এমন একটি পিতৃতান্ত্রিক বিশ্বে বাস করি, যেখানে অনেক পরিস্থিতিতে মানুষ কর্তৃত্ব, দখল বা নিপীড়নের ব্যাপারগুলো স্বাভাবিক বা চাপিয়ে রাখতে চেষ্টা করে। যখন একজন নারী দৃঢ়, সরাসরি এবং খানিকটা উষ্ণ হয়ে ওঠেন, তখন তাকে পাগলাটে, যৌনতার দিক থেকে হতাশ বলে মনে করা হয়। কিন্তু একজন পুরুষের মধ্যে এসব লক্ষণ দেখা গেলে তাকে বলা হয় শক্ত চরিত্র। নিপীড়করা কি পাল্টাতে পারে? তারা যদি চায়, তা হলে অবশ্যই পারে। কিন্তু এটা খুবই কঠিন, কারণ যারা বাড়তি সুযোগসুবিধা পেয়ে আসছে, তারা কেউ সেটি হারাতে চায় না। আপনার যদি এমন কারো সঙ্গে সম্পর্ক হয়ে থাকে, যার মধ্যে এ রকম নিজেকে বড় ভাবার রোগ আছে এবং এসব নিপীড়কের বৈশিষ্ট্য দেখতে পান, তা হলে তার উচিত সেই সম্পর্ক থেকে পালানো। তবে হয়তো অনেক সময় দেখা যাবে যে, অনেক পুরুষ বলছে, তারা কখনো বুঝতে পারেনি যে, তারা অন্যদের সাথে লড়াই করছে। অন্যদের পাল্টানোর চেষ্টা বাদ দিয়ে এরকম ব্যক্তিরা হয়তো নিজেদের পাল্টে নিতে পারে। আপনি পুরুষদের কী বলবেন? পুরুষদের ক্ষেত্রে এ জন্য বড় মূল্য চোকাতে হতে পারে। অনেক সম্পর্কের বদলের ক্ষেত্রে নারীরা অনেক বেশি সহানুভূতি এবং মানসিক সমর্থন পেয়ে থাকেন। বিচ্ছেদের কারণে পুরুষরা অনেক বেশি শারীরিক এবং মানসিক ঝুঁকির মধ্যে থাকে। তারা নিশ্চিত হতে পারে না যে, তারা যা, সেজন্য তাদের কেউ আর ভালোবাসবে কিনা। অনেক পুরুষ মনে করে, তাদের শক্তিশালী হওয়া উচিত এবং সবকিছু রক্ষা করা উচিত। তাকে পেশার ক্ষেত্রেও সফল হওয়া উচিত। কিন্তু তাদেরও কষ্ট আছে। কিন্তু তারা মনে করে, এটা নিয়ে কোন কথা বলা তাদের উচিত না কারণ, তাহলে তাদের হয়তো দুর্বল বলে মনে করা হতে পারে। কিন্তু যে পুরুষরা এই ধাপ পার হয়ে আসতে পারে, তাদের জন্য বিশাল মুক্তি অপেক্ষা করছে। নারীদের জন্য পরামর্শ কী? প্রেম খুব চমৎকার একটি ব্যাপার কিন্তু আমাদের সবারই সেটা খোঁজা উচিত। কিন্তু অনেক নারী মনে করেন, প্রেম হচ্ছে একমাত্র জিনিস, সেজন্য তারা ব্যক্তিত্বের অন্য কিছুকে আর গুরুত্ব দেন না। তাদের সবাইকে অনুরোধ জানিয়ে মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, তাদের উচিত ভালো প্রেমকে স্বাগত জানানো আর খারাপ প্রেমকে বিদায় জানানো। প্রেমকেই জীবনের একমাত্র বিষয় বলে ভাবা উচিত না।খবর বিবিসি
চলুন জেনে নিই রাগ কমানোর ৭ কৌশল
অনলাইন ডেস্ক :অল্পতেই রেগে যাই আমরা। রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন দৈনন্দিন জীবনে এভাবেই আমরা হেরে যাই। অথচ কিছু বিষয় মাথায় রাখলে দমন করতে পারবেন এই রাগ। চলুন জেনে নিই রাগ কমানোর ৭ কৌশল- থামুন অনেক বিষয় আসবে যা আপনাকে করবে রাগান্বিত। তবে সেসব বিষয়ের জন্য প্রস্তুত রাখুন একটি শব্দ থামুন। যখনই কোনও বিষয় আপনার ভালো লাগবে না কিংবা আপনি বোঝাতে পারবেন না তখন থেমে যান। সমাধান করুন আপনার রাগ হওয়ার যদি কারণ থাকে তবে তার সমাধানও থাকবে। এজন্য সমাধান খুঁজে বের করে রাগ পরিহার করুন। আপনি বা আমি কেউই বেশিদিন পৃথিবীতে বেঁচে থাকবো না। তাই ক্ষণিকের এ যাত্রায় রেগে গিয়ে সময় নষ্ট করে লাভ কী? চেষ্টা করুন দ্রুত এর সমাধান করতে। মনোযোগ অন্যদিকে নিন মনোযোগ অনেক বড় আরেকটি ব্যাপার। যেসব বিষয় নিয়ে আপনি রেগে যান সেগুলো থেকে মনোযোগ সরিয়ে নিন। এমন কিছু করুন যা আপনার ভালো লাগে। এক্ষেত্রে প্রিয়জনের সাথে কথা বলতে পারেন, মুভি দেখতে পারেন বা আইসক্রিম খেতে পারেন। দেখবেন রাগ কমে যাবে। ক্ষমা করুন মানুষ সব সময়ই কিছু না কিছু ভুল করে। তাই বলে সব ভুলের জন্য রেগে যাওয়া মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ না। যে ভুল করেছে, তার প্রতি রেগে না গিয়ে ক্ষমা করে দিন। দেখবেন তখন না হলেও পরবর্তীতে আপনার ভালো লাগবে। পরিস্থিতি সবার পরিস্থিতি সব সময় এক রকম হয় না। আজ আপনি যার ওপর রেগে আছেন, কাল হয়তো তার জায়গায় আপনি থাকবেন। তাই রাগ উঠলে পরিস্থিতিটি একটু বুঝে নিন। কেউ আপনাকে ইচ্ছে করে রাগিয়ে তুলবে না। এজন্য পরিস্থিতির কথা ভেবে দেখুন। দেখবেন আপনার রাগ কমে যাবে এবং আপনি বিষয়টি দ্রুত বুঝে যাবেন। স্থির থাকুন আমরা যখন স্থির থাকতে পারি না তখন যেকোনও বিষয় নিয়েই আমরা রেগে যাই। তবে রাগ ওঠার জন্য পারিপার্শ্বিক অবস্থার চেয়ে বেশি দায়ী নিজেরা। কেননা, তখন মানসিক অস্থিরতার কারণে সবকিছু ভুল মনে হয়। ফলে রেগে যাই। এজন্য আমাদের উচিত স্থির থাকা। যোগ-ব্যায়াম যদি রাগ আপনার নিত্যসঙ্গী হয় এবং যদি আপনি কিছুতেই তা কমিয়ে আনতে না পারেন তাহলে যোগ-ব্যায়াম করুন। দেখবেন কিছুদিনের মধ্যেই আপনার আচরণে পরিবর্তন আসবে এবং আপনি রাগ কমাতে পারছেন।
নিজের সম্পর্কে জানুন এবং ক্ষতি হওয়া থেকে বিরত থাকুন
অনলাইন ডেস্ক :প্রতিটা মানুষেরই নিজের সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকা জরুরী। আপনি যদি আসলেই দৃঢ় মানুষ হন তাহলে সেটি খুবই ভাল। কিন্তু মানসিক ভাবে দুর্বল হলে নিজের সম্পর্কে জানুন এবং নিজের ক্ষতির কারণ হওয়া থেকে বিরত থাকুন। লক্ষণগুলো জেনে নিন, যা বোঝায় আপনি সত্যিই দৃঢ় মনের কিনা! ১। আপনি প্রতিশোধ পরায়ণ আপনি কী নিজেকে সফল করার জন্য সমস্ত শক্তি নিঃশেষ করে দেন? মানুষ যখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে শুধু তখনই সে আঘাত করে। কিন্তু কিছু মানুষ প্রতিশোধ পরায়ন হয়। যদি আপনি সব সময় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগেন এবং নিজেকে প্রমাণ করতে চান তাহলে বুঝতে হবে যে, আপনার মানসিক অবস্থা স্থিতিশীল না। ২। ভালোবাসতে ভয় পান ভালবাসতে ভয় পাওয়া মানসিক অস্থিতিশীলতার লক্ষণ। আপনার হয়তো হৃদয় ভেঙ্গেছে কিন্তু অতীতের দ্বারা বর্তমানকে ও ভবিষ্যতকে বিচার করবেন না। তাই বলা যায় যে, ভালবাসতে ভয় পাওয়া উচিৎ নয়। ৩। আপনি সব সময় রেগে যান আপনি যেভাবে চান সেভাবে কোন কাজ না হলে আপনি কী সব সময় রেগে যান? তাহলে ধরে নিতে হবে যে আপনি মানসিকভাবে দুর্বল। সব কিছুকে সহজভাবে নিতে শিখতে হবে আপনার এবং একটি সীমার মধ্যে থেকেই সমস্যা সমাধানের জন্য কাজ করতে হবে আপনাকে। ৪। অনুভূতির উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেন আপনি যদি সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে আপনার অনুভূতিকে মূল্য দেন যেমন অফিসে যেতে ভালো লাগেনা বলে আমি চাকরি ছেড়ে দেব ,তাহলে ধরে নিতে হবে যে আপনি মানসিকভাবে দুর্বল। বিচক্ষণ হোন, আবেগের উপর ভিত্তি করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবেন না। ৫। আপনি অন্যের অনুভূতিকে ব্যবহার করেন যদি তুমি আমাকে ভালোবাসো তাহলে আমার জন্য তুমি এটা কর এই বাক্যটি আপনি কতবার ব্যবহার করেছেন? আপনার সঙ্গী, বন্ধু বা পরিবারের সদস্যদের কাজে লাগানোর জন্য আপনার এই ধরনের মানসিকতাই আপনার মানসিক অস্থিতিশীলতার লক্ষণ।