পুরুষরা যা গোপন রাখতেই বেশি পছন্দ করেন
অনলাইন ডেস্ক :পুরুষরা তাদের মনের গোপন কষ্টগুলো মেয়েদের থেকে বেশি গোপন রাখতেই বেশি পছন্দ করেন। সম্প্রতি আমেরিকার ভার্জিনিয়া ইউনিভার্সিটির মনোস্তত্ত্ববিদ বিভাগের গবেষকগণ এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কিছু গবেষক যৌথ প্রচেষ্টায় একটি গবেষণার পর এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন। তাঁরা মোট ১১টি পর্যায় সমীক্ষা এবং গবেষণা পরিচালনা করে এই তথ্য পেয়েছেন। এই গবেষনা থেকে যে তথ্য সামনে এসেছে তা হল, মনের দু:খ শেয়ার করার পরিবর্তে পুরুষরা তা নিজেদের মধ্যেই আবদ্ধ রাখতে চেষ্টা করেন বেশিরভাগ সময়। মনস্তত্ত্ব বিভাগের গবেষকরা এই বিষয়ে জানিয়েছেন, এই গবেষণা থেকে পুরুষ মনস্তত্ত্ব সম্পর্কে বেশ কিছু নতুন তথ্য তাঁদের সামনে এসেছে। ১৮ থেকে ৭৭ বছরের পুরুষদের মধ্যে এই সমীক্ষা নেওয়া হয়েছে। এই সমীক্ষা থেকে জানা গিয়েছে বেশিরভাগ পুরুষরা দুঃখ নিয়ে খুব বেশি ভাবনা চিন্তা করেননা এবং এটি যে শেয়ার করা যায় সেই নিয়ে খুব বেশি আমলও দেন না। এমনকি নিজের খুব কাছের মানুষের কাছ থেকেও তাঁরা এই সংক্রান্ত বিষয় গোপন করে যান। এই সমস্যাগুলি এড়ানোর জন্য পুরুষরা বাইরের জগত বা অন্য ধরণের কাজের সঙ্গে নিজেদের যুক্ত করে রাখেন। কিন্তু সর্বদা এর ফল ভাল হয় না বরং এই কারণে পুরুষদের মধ্যে মানসিক সমস্যা ক্রমাগত বাড়তে দেখা যাচ্ছে এমনটাই জানা গিয়েছে গবেষণা থেকে। নিজেদের সমস্যার কথা শেয়ার না করার ফলে তা এক না এক সময়ে মাথার মধ্যে চেপে বসে এবং সমস্যাটি সমাধানের আপ্রাণ চেষ্টা করে বিফল হলে তা মানসিক ভারসাম্যের পরিবর্তন ঘটায়। এছাড়াও সমস্যার হাত থেকে নিস্কৃতি পাওয়ার জন্য পুরুষতা অনেক সময় অপরাধপ্রবন কাজের দিকে এগিয়ে যায় এবং অনেকসময় পরিস্থিরি আত্মহনন পর্যন্ত চলে যায়। তাই গবেষক ও মনস্তত্ববিদদের মত নিজের যে কোন সমস্যা কাছের মানুষের সঙ্গে খোলাখুলি ভাবে আলোচনা করুন।
দেখে নিন এই শীতে ঠোঁট সুস্থ রাখার উপায়
অনলাইন ডেস্ক :এই শীতে ঠোঁট ফেটে যাওয়া কিংবা শুষ্কতা নিয়ে চিন্তার কোন কারণ নেই। একটু সচেতন হলে সহজেই ঠোঁটকে কোমল ও নমনীয় রাখা যায় । তাহলে দেখে নিন ঠোঁট সুস্থ রাখার পাঁচটি উপায়। ১. জ্বিব দিয়ে ঠোঁট ভেজানোর চেষ্টা করবেন না। কম বেশি সবারই একটি বদ অভ্যাস আছে যখন ঠোঁট শুষ্ক হয় তখন আমরা জ্বিহবা দিয়ে লালা লেপে দিই এতে ঠোঁট আরো শুকিয়ে যায়। ২. ঠোঁটে লিপজেল বা ভেসিলিন ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভালো ব্র্যান্ডকে প্রাধান্য দিন। অনেকেই যে কোনো ব্র্যান্ডের লিপজেল বা ভেসিলিন ব্যবহার করে থাকেন। মানহীন পণ্য ব্যবহারে ঠোঁটের ক্ষতির পাশাপাশি ঠোঁটের শুষ্কতার ভাব বেশ বেড়ে যায়। সূর্যরশ্মীর দ্বারা ক্ষতি হয় না এমন লিপজেল ব্যবহার করুন। ৩. প্রাকৃতিক উপায়ে ঠোঁটের শুকিয়ে যাওয়া বন্ধ করতে চাইলে প্রচুর পরিমাণে জল খান। এতে করে ঠোঁটের ত্বকে আর্দ্রতা বজায় থাকবে আর আপনি ঠোঁট শুকিয়ে যাওয়া থেকে মুক্তি পাবেন। ৪. মেয়েরা ঠোঁটে নানা ধরনের প্রসাধনী ব্যবহার করেন। এতে করে ঠোঁটের অনেক ক্ষতি হয়। ঠোঁটের ত্বকের ক্ষেত্রে যদি ভাল প্রসাধনী ব্যবহার না করেন তবে ঠোঁট শুকিয়ে গিয়ে তা ফেটে যায় এবং আরো অনেক বেশি ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই ভাল কোনো ব্র্যান্ডের প্রসাধনী ব্যবহার করুন। ৫. ঠোঁটে যখন আঁইশ ওঠে তখন আস্তে আস্তে ঘষে মরা চামড়া উঠিয়ে দিন। কোমল-নমনীয় ঠোঁটের জন্য চিনি ও মধু দিয়ে পেস্ট তৈরি করে সপ্তাহ খানেক ব্যবহার করতে পারেন উপকার পাবেন।
নিপীড়ক পুরুষের পাল্লায় পড়েছেন ?জেনে নিন আপনার কী করা উচিত
অনলাইন ডেস্ক :তিনি সবসময়ে আপনাকে জিজ্ঞেস করবে, আপনি কী করছেন বা কার সঙ্গে আছেন। আপনি যদি এসব কথার জবাব না দেন, তা হলে তিনি ক্ষেপে উঠছেন। তিনি আপনাকে নির্দেশনা দিচ্ছেন যাতে ভবিষ্যতে এ রকম ঘটনা এড়াতে হলে আপনার কী করা উচিত। যদি এ রকম কোনো বন্ধু বা আত্মীয়দের সঙ্গে আপনার এ রকম পরিস্থিতিতে পড়তে হয়, তা হলে সম্ভাবনা আছে যে, আপনি হয়তো একজন নিপীড়ক পুরুষের পাল্লায় পড়েছেন, যে আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। এটাই মনে করেন মেক্সিকোর মনোবিজ্ঞানী টেরে ডিয়াজ সেন্ড্রা। কিভাবে নিপীড়ক বা নির্যাতনকারী সঙ্গীকে চেনা যায়, এ বিষয়ে তিনি একটি বই লিখেছেন। তিনি বলেন, এটা হয়তো এই শতাব্দীতে অদ্ভুত শোনাতে পারে, যখন আমরা লিঙ্গ সমতার ক্ষেত্রে অনেক এগিয়ে রয়েছি। কিন্তু আমি বলব, এ রোগীরা তাদের তাদের আধিপত্যবাদী, নিয়ন্ত্রণকারী আচরণের মধ্যে আটকে রয়েছে। কিন্তু এটা ঘটছে, বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে। পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধে বিশেষজ্ঞ টেরা ব্যাখ্যা করেছেন, কর্তৃত্ববাদী আচরণ কী, কীভাবে সেটি সনাক্ত করতে হয় এবং কীভাবে তা থেকে নিজেকে রক্ষা করতে হয়। কর্তৃত্ববাদী বা নিপীড়ক সঙ্গী বলতে কি বোঝায়? এমন একজন ব্যক্তি, যিনি রূঢ়, নিষ্ঠুর বা অমার্জিত এবং অসম্মানজনক আচরণ করে থাকেন। আমরা সবাই কোনো না কোনো সময় কর্তৃত্ববাদী আচরণ করে থাকি, কিন্তু একজন নিপীড়ক হিসেবে তাকেই বুঝতে হবে, যিনি কিছু অতিরিক্ত কিছু সুবিধা ব্যবহার করে। অন্য কোনো ব্যক্তিকে তার ইচ্ছা, আগ্রহ, চাহিদা বা প্রয়োজনের কাছে নত হতে বাধ্য করে। একজন নিপীড়কের কৌশল কী হতে পারে? সাধারণভাবে বলতে গেলে, আসক্তি, অন্যায় সুযোগ নেয়া বা ভীতি দেখানো, যার মধ্যে হুমকি দেয়ার মতো আচরণও রয়েছে। সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনাগুলোর একটিকে বলা হয় বিপথগামী নিপীড়ক এটি এমন এক ধরনের মানসিক আচরণগত ক্রুটি, যাদের আচরণে নিজেদের নিয়ে অত্যন্ত গর্ব প্রকাশ পেয়ে থাকে। তারা তাদের সঙ্গীকে পুরোপুরি অকার্যকর, নিশ্চুপ, বোধহীন করে ফেলে যতক্ষণ পর্যন্ত সেই মেয়েটি নিজেই বিশ্বাস করতে শুরু করে যে, আসলে তারই দোষ। কেউ তার কথা শুনতে চায় না এবং তার অন্যকোন জীবনযাপনের ক্ষমতাও নেই। এরাই হচ্ছে চরম ধরনের নিপীড়ক। নিপীড়ক সঙ্গীর কিছু বৈশিষ্ট্য * সঙ্গী বা সম্পর্কের পেছনে তিনি কোনো সময় দিতে চান না * অন্যদের প্রতি তার আচরণ অসম্মানজনক * সবসময় তিনি প্রধান চরিত্রে বা মনোযোগের কেন্দ্রে থাকতে চান * অন্যদের আবেগ বা অনুভূতির কোনো মূল্য তার কাছে নেই * তিনি হচ্ছেন কর্তৃত্ববাদী এবং অধিকার খাটাতে চান * নিজের কাজ বা প্রতিক্রিয়ার জন্য তিনি কোনো দায়িত্ব নিতে চান না * তার মতো না হলেই তার নিজের সঙ্গীসহ অন্যদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে থাকেন * তিনি অনেক সময় এমন কৌতুক বা বিদ্রূপ করে থাকেন, তা যেন একটি খারাপ আচরণের ওপরের অংশের মতো * তিনি নিজের সন্তুষ্টি আর যৌন চাহিদার ওপর বেশি গুরুত্ব দেন * মিথ্যা কথা বলেন * অন্যদের মধ্যে বিভাজন তৈরি করে জয় পাওয়ার চেষ্টা করেন * অনেক সময় তাকে বেশ আকর্ষণীয় বা মজাদার বলে মনে হয় মেয়েদের মধ্যেও কি নিপীড়ক আছে? অনেক সময় নিপীড়ন নির্ভর করে কে কোন অবস্থায় রয়েছে- তার ওপর। তবে সামাজিক অনেক কারণে নারীরা অন্য অনেক মানুষকে কেন্দ্র করে যেন একটি উপগ্রহের মতো জীবনযাপন করেন। যেমন সন্তান এবং সঙ্গীকে ঘিরে তাদের জীবনযাত্রা চলে । অন্যদিকে পুরুষরা মূলত তাদের জীবনে নিজেকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। তবে নারীরাও নিপীড়ক হতে পারেন। তিনি হয়তো তার সঙ্গীকে আবেগতাড়িতভাবে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করতে পারেন অথবা হয়তো সন্তানদের ক্ষেত্রে দেখা সাক্ষাতে বিধিনিষেধ দিতে পারেন। এমনকি খারাপ আচরণ বা সঙ্গীকে ছোট করে তোলার জন্য জন্য আরো কিছু উপায় ব্যবহার করতে পারেন বা অন্য ব্যক্তিদের লক্ষ্যবস্তু করে তুলতে পারেন। নিপীড়ন করা কি জন্মগত? সোজা কথায় বলতে হলে, এখানে বেশ কিছু বিষয় জড়িত রয়েছে। অনেক মানুষ আছে, যারা নিপীড়ক হিসাবে জন্ম নেননি, কিন্তু তাদের আবেগপ্রবণ এবং রাগী ব্যক্তিত্ব রয়েছে। তাদের ধৈর্য কম থাকে, আগে থেকেই কোন কিছু ধারণা করে নেন এবং সহজ তৃপ্তি খোঁজেন। এ ধরনের মানুষজন সহজেই প্রতিক্রিয়া দেখান, হয়তো অনিচ্ছাকৃত হলেও, সেরকম আচরণ অনেক সময় অনুশোচনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অনেক সময় ছেলেদের পুরুষ হতে শেখানো হয়। অনেক সংস্কৃতি এটা স্বাভাবিক একটি আচরণ, যার ফলে অনেকের মধ্যে একটি উঁচু মানসিকতা তৈরি হয়, এবং চরম বিপথগামী নিপীড়ক তৈরি করে। সুতরাং, নারীরাও নিপীড়ক তৈরি করছে? এ ক্ষেত্রে নারীরা এর মধ্যে জড়িয়ে থাকতে বাধ্য হয়, তারা নিপীড়ক তৈরি করে না। আমরা এমন একটি পিতৃতান্ত্রিক বিশ্বে বাস করি, যেখানে অনেক পরিস্থিতিতে মানুষ কর্তৃত্ব, দখল বা নিপীড়নের ব্যাপারগুলো স্বাভাবিক বা চাপিয়ে রাখতে চেষ্টা করে। যখন একজন নারী দৃঢ়, সরাসরি এবং খানিকটা উষ্ণ হয়ে ওঠেন, তখন তাকে পাগলাটে, যৌনতার দিক থেকে হতাশ বলে মনে করা হয়। কিন্তু একজন পুরুষের মধ্যে এসব লক্ষণ দেখা গেলে তাকে বলা হয় শক্ত চরিত্র। নিপীড়করা কি পাল্টাতে পারে? তারা যদি চায়, তা হলে অবশ্যই পারে। কিন্তু এটা খুবই কঠিন, কারণ যারা বাড়তি সুযোগসুবিধা পেয়ে আসছে, তারা কেউ সেটি হারাতে চায় না। আপনার যদি এমন কারো সঙ্গে সম্পর্ক হয়ে থাকে, যার মধ্যে এ রকম নিজেকে বড় ভাবার রোগ আছে এবং এসব নিপীড়কের বৈশিষ্ট্য দেখতে পান, তা হলে তার উচিত সেই সম্পর্ক থেকে পালানো। তবে হয়তো অনেক সময় দেখা যাবে যে, অনেক পুরুষ বলছে, তারা কখনো বুঝতে পারেনি যে, তারা অন্যদের সাথে লড়াই করছে। অন্যদের পাল্টানোর চেষ্টা বাদ দিয়ে এরকম ব্যক্তিরা হয়তো নিজেদের পাল্টে নিতে পারে। আপনি পুরুষদের কী বলবেন? পুরুষদের ক্ষেত্রে এ জন্য বড় মূল্য চোকাতে হতে পারে। অনেক সম্পর্কের বদলের ক্ষেত্রে নারীরা অনেক বেশি সহানুভূতি এবং মানসিক সমর্থন পেয়ে থাকেন। বিচ্ছেদের কারণে পুরুষরা অনেক বেশি শারীরিক এবং মানসিক ঝুঁকির মধ্যে থাকে। তারা নিশ্চিত হতে পারে না যে, তারা যা, সেজন্য তাদের কেউ আর ভালোবাসবে কিনা। অনেক পুরুষ মনে করে, তাদের শক্তিশালী হওয়া উচিত এবং সবকিছু রক্ষা করা উচিত। তাকে পেশার ক্ষেত্রেও সফল হওয়া উচিত। কিন্তু তাদেরও কষ্ট আছে। কিন্তু তারা মনে করে, এটা নিয়ে কোন কথা বলা তাদের উচিত না কারণ, তাহলে তাদের হয়তো দুর্বল বলে মনে করা হতে পারে। কিন্তু যে পুরুষরা এই ধাপ পার হয়ে আসতে পারে, তাদের জন্য বিশাল মুক্তি অপেক্ষা করছে। নারীদের জন্য পরামর্শ কী? প্রেম খুব চমৎকার একটি ব্যাপার কিন্তু আমাদের সবারই সেটা খোঁজা উচিত। কিন্তু অনেক নারী মনে করেন, প্রেম হচ্ছে একমাত্র জিনিস, সেজন্য তারা ব্যক্তিত্বের অন্য কিছুকে আর গুরুত্ব দেন না। তাদের সবাইকে অনুরোধ জানিয়ে মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, তাদের উচিত ভালো প্রেমকে স্বাগত জানানো আর খারাপ প্রেমকে বিদায় জানানো। প্রেমকেই জীবনের একমাত্র বিষয় বলে ভাবা উচিত না।খবর বিবিসি
চলুন জেনে নিই রাগ কমানোর ৭ কৌশল
অনলাইন ডেস্ক :অল্পতেই রেগে যাই আমরা। রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন দৈনন্দিন জীবনে এভাবেই আমরা হেরে যাই। অথচ কিছু বিষয় মাথায় রাখলে দমন করতে পারবেন এই রাগ। চলুন জেনে নিই রাগ কমানোর ৭ কৌশল- থামুন অনেক বিষয় আসবে যা আপনাকে করবে রাগান্বিত। তবে সেসব বিষয়ের জন্য প্রস্তুত রাখুন একটি শব্দ থামুন। যখনই কোনও বিষয় আপনার ভালো লাগবে না কিংবা আপনি বোঝাতে পারবেন না তখন থেমে যান। সমাধান করুন আপনার রাগ হওয়ার যদি কারণ থাকে তবে তার সমাধানও থাকবে। এজন্য সমাধান খুঁজে বের করে রাগ পরিহার করুন। আপনি বা আমি কেউই বেশিদিন পৃথিবীতে বেঁচে থাকবো না। তাই ক্ষণিকের এ যাত্রায় রেগে গিয়ে সময় নষ্ট করে লাভ কী? চেষ্টা করুন দ্রুত এর সমাধান করতে। মনোযোগ অন্যদিকে নিন মনোযোগ অনেক বড় আরেকটি ব্যাপার। যেসব বিষয় নিয়ে আপনি রেগে যান সেগুলো থেকে মনোযোগ সরিয়ে নিন। এমন কিছু করুন যা আপনার ভালো লাগে। এক্ষেত্রে প্রিয়জনের সাথে কথা বলতে পারেন, মুভি দেখতে পারেন বা আইসক্রিম খেতে পারেন। দেখবেন রাগ কমে যাবে। ক্ষমা করুন মানুষ সব সময়ই কিছু না কিছু ভুল করে। তাই বলে সব ভুলের জন্য রেগে যাওয়া মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ না। যে ভুল করেছে, তার প্রতি রেগে না গিয়ে ক্ষমা করে দিন। দেখবেন তখন না হলেও পরবর্তীতে আপনার ভালো লাগবে। পরিস্থিতি সবার পরিস্থিতি সব সময় এক রকম হয় না। আজ আপনি যার ওপর রেগে আছেন, কাল হয়তো তার জায়গায় আপনি থাকবেন। তাই রাগ উঠলে পরিস্থিতিটি একটু বুঝে নিন। কেউ আপনাকে ইচ্ছে করে রাগিয়ে তুলবে না। এজন্য পরিস্থিতির কথা ভেবে দেখুন। দেখবেন আপনার রাগ কমে যাবে এবং আপনি বিষয়টি দ্রুত বুঝে যাবেন। স্থির থাকুন আমরা যখন স্থির থাকতে পারি না তখন যেকোনও বিষয় নিয়েই আমরা রেগে যাই। তবে রাগ ওঠার জন্য পারিপার্শ্বিক অবস্থার চেয়ে বেশি দায়ী নিজেরা। কেননা, তখন মানসিক অস্থিরতার কারণে সবকিছু ভুল মনে হয়। ফলে রেগে যাই। এজন্য আমাদের উচিত স্থির থাকা। যোগ-ব্যায়াম যদি রাগ আপনার নিত্যসঙ্গী হয় এবং যদি আপনি কিছুতেই তা কমিয়ে আনতে না পারেন তাহলে যোগ-ব্যায়াম করুন। দেখবেন কিছুদিনের মধ্যেই আপনার আচরণে পরিবর্তন আসবে এবং আপনি রাগ কমাতে পারছেন।
নিজের সম্পর্কে জানুন এবং ক্ষতি হওয়া থেকে বিরত থাকুন
অনলাইন ডেস্ক :প্রতিটা মানুষেরই নিজের সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকা জরুরী। আপনি যদি আসলেই দৃঢ় মানুষ হন তাহলে সেটি খুবই ভাল। কিন্তু মানসিক ভাবে দুর্বল হলে নিজের সম্পর্কে জানুন এবং নিজের ক্ষতির কারণ হওয়া থেকে বিরত থাকুন। লক্ষণগুলো জেনে নিন, যা বোঝায় আপনি সত্যিই দৃঢ় মনের কিনা! ১। আপনি প্রতিশোধ পরায়ণ আপনি কী নিজেকে সফল করার জন্য সমস্ত শক্তি নিঃশেষ করে দেন? মানুষ যখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে শুধু তখনই সে আঘাত করে। কিন্তু কিছু মানুষ প্রতিশোধ পরায়ন হয়। যদি আপনি সব সময় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগেন এবং নিজেকে প্রমাণ করতে চান তাহলে বুঝতে হবে যে, আপনার মানসিক অবস্থা স্থিতিশীল না। ২। ভালোবাসতে ভয় পান ভালবাসতে ভয় পাওয়া মানসিক অস্থিতিশীলতার লক্ষণ। আপনার হয়তো হৃদয় ভেঙ্গেছে কিন্তু অতীতের দ্বারা বর্তমানকে ও ভবিষ্যতকে বিচার করবেন না। তাই বলা যায় যে, ভালবাসতে ভয় পাওয়া উচিৎ নয়। ৩। আপনি সব সময় রেগে যান আপনি যেভাবে চান সেভাবে কোন কাজ না হলে আপনি কী সব সময় রেগে যান? তাহলে ধরে নিতে হবে যে আপনি মানসিকভাবে দুর্বল। সব কিছুকে সহজভাবে নিতে শিখতে হবে আপনার এবং একটি সীমার মধ্যে থেকেই সমস্যা সমাধানের জন্য কাজ করতে হবে আপনাকে। ৪। অনুভূতির উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেন আপনি যদি সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে আপনার অনুভূতিকে মূল্য দেন যেমন অফিসে যেতে ভালো লাগেনা বলে আমি চাকরি ছেড়ে দেব ,তাহলে ধরে নিতে হবে যে আপনি মানসিকভাবে দুর্বল। বিচক্ষণ হোন, আবেগের উপর ভিত্তি করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবেন না। ৫। আপনি অন্যের অনুভূতিকে ব্যবহার করেন যদি তুমি আমাকে ভালোবাসো তাহলে আমার জন্য তুমি এটা কর এই বাক্যটি আপনি কতবার ব্যবহার করেছেন? আপনার সঙ্গী, বন্ধু বা পরিবারের সদস্যদের কাজে লাগানোর জন্য আপনার এই ধরনের মানসিকতাই আপনার মানসিক অস্থিতিশীলতার লক্ষণ।
খুশকির সমস্যার সমাধান কি ?
অনলাইন ডেস্ক :শীতকাল মানেই শুষ্ককাল। এ কাল এলেই মাথায় বেড়ে যায় খুশকির পরিমাণ কয়েকগুণ। এতে মাত্রাতিরিক্ত চুল ঝরা, রুক্ষ চুল, বিভিন্ন ধরনের মাথা ত্বকে সংক্রামণ দেখা দেয়। তাই সময় থাকতে খুশকির সমস্যার সমাধান না করতে পারলে অল্পদিনের মধ্যেই টাক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে খুশকি এড়াতে সর্বাধিক কার্যকর হচ্ছে ঘরোয়া পদ্ধতি, যা অত্যন্ত সাশ্রয়ীও বটে। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক অল্প খরচে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই খুশকির সমস্যার সমাধানগুলো- নারকেল তেল : নারকেল তেল খুশকির প্রকোপ কমাতে খুবই কার্যকরী। এ ছাড়া চুলের গোড়া ময়েশ্চারাইজ করে খুশকি ও মাথার ত্বকে সংকামণের সম্ভাবনাও অনেক কমিয়ে দেয়। সপ্তাহে দুবার চুলের গোড়ায় সামান্য উষ্ণ নারকেল তেলের মালিশ করলে দ্রুত উপকার পাবেন। টকদই : খুশকির সমস্যা থেকে বাঁচতে টকদই খুবই কার্যকরী। খুশকি দূর করতে টকদই মাথার ত্বকে ভালোভাবে ম্যাসাজ করুন। ১০ মিনিট রেখে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। খুশকির সমস্যা পুরোপুরি দূর না হওয়া পর্যন্ত সপ্তাহে দুবার এই ভাবে চুলে টকদই ব্যবহার করা যেতে পারে। পেঁয়াজের রস : দুটি পেঁয়াজ ভাল করে বেটে এক মগ পানিতে মিশিয়ে নিন। মাথায় এই পেঁয়াজের রস ভাল করে লাগিয়ে মালিশ করুন। কিছুক্ষণ পর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এ ভাবে সপ্তাহে দুবার পেঁয়াজের রস মাথায় মাখলে খুশকির সমস্যায় দ্রুত উপকার পাবেন লেবুর রস : দুই টেবিল-চামচ লেবুর রস সামান্য পানির সঙ্গে মিশিয়ে মাথার ত্বকে ভালোভাবে ম্যাসাজ করুন। দুই থেকে পাঁচ মিনিট ম্যাসাজ করার পর চুল ধুয়ে নিন। খুশকির সমস্যা পুরোপুরি দূর না হওয়া পর্যন্ত সপ্তাহে দুবার এই ভাবে চুলে লেবু ব্যবহার করতে পারেন। মেথি : মেথি সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে ছেঁকে নিয়ে ভাল করে বেটে নিন। ছেঁকে নেওয়া পানি ফেলে দেবেন না। এবার বেটে নেওয়া মেথি চুলের গোঁড়ায় মাথার ত্বকে ভাল করে লাগিয়ে নিন। ঘণ্টা খানেক রেখে চুল ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। চুল ধোয়ার পর মেথি ভিজিয়ে রাখা পানি দিয়ে আরও একবার চুল ধুয়ে নিন। এ ভাবে সপ্তাহে দুবার মেথি-মালিশ করলে উপকার পাওয়া যাবে দ্রুত। রিঠা : চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও খুশকির সমস্যার সমাধানে রিঠা বেশ কার্যকর। রিঠা পাউডার বা রিঠা সিদ্ধ পানি চুলের ত্বকে লাগিয়ে ঘণ্টা খানেক রেখে ভালমতো ধুয়ে ফেলুন। এ ভাবে সপ্তাহে দুবার রিঠা মাথায় মাখলে খুশকির সমস্যায় দ্রুত উপকার পাবেন।
সম্পর্ক ভেঙে গেলে হতাশা নায় !
অনলাইন ডেস্ক :সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া প্রচণ্ড হতাশার সন্দেহ নেই। কিন্তু এই হতাশাকে পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার নামই জীবন। দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ভেঙে গেলে বিষাদগ্রস্ত না হয়ে চেষ্টা করুন নতুন করে ভালো থাকতে। জেনে নিন সম্পর্ক ভাঙার কী করা উচিত এবং কী করা একেবারেই উচিত নয়। বাস্তবতা মেনে নিন সম্পর্ক ভাঙার পর সবার আগে বাস্তবতা মেনে নেওয়ার চেষ্টা শুরু করুন। সে ফিরে আসবে কিংবা আপনি ফিরে যাবেন- এ ধরনের চিন্তা করতে যাবেন না। বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান পরিবার ও খুব কাছের বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাতে পারেন। এটি আপনার মানসিক অস্থিরতা দূর করবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে দূরে থাকুন ফেসবুক কিংবা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে যতটুকু সম্ভব দূরে থাকার চেষ্টা করুন। এ ধরনের মাধ্যম আরও বেশি অস্থির ও একাকী করে তুলতে পারে আপনাকে। ঘুরতে বের হন পছন্দের কোনও জায়গায় ঘুরতে চলে যেতে পারেন। এটি মানসিকভাবে আপনাকে স্থিতিশীল করবে। স্মৃতি দূর করুন প্রতিটি সম্পর্কেই অনেক ধরনের স্মৃতি থাকে। চেষ্টা করুন সেগুলো দূর করতে। অযথা এসব স্মৃতি নিয়ে পড়ে থাকলে সামনে আগানো কঠিন হবে আপনার জন্য। প্রাক্তনের খোঁজ জানার চেষ্টা করবেন না ফেসবুকে বা প্রাক্তন সঙ্গীর পরিচিত কারোর কাছ থেকে তার খোঁজ জানার চেষ্টা করবেন না। আপনার খোঁজও তাকে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। নিজের মতো সময় কাটান পছন্দের কিছু করে সময় কাটান। বই পড়তে পারেন। রান্না করতে পারেন। মোট কথা এমন কিছু করুন যা করতে আপনার ভালো লাগে। নিজের যত্ন নিতে কার্পণ্য করবেন না জীবন নিয়ে হতাশ হয়ে নিজের অযত্ন যেন না হয় সেদিকে লক্ষ রাখা জরুরি। মনে রাখবেন, আপনার ভালো থাকার উপর নির্ভর করছে আপনার পরিবার ও কাছের মানুষদের ভালো থাকা। সবসময় নিজেকে ভালো রাখার চেষ্টাটা তাই চালিয়ে যেতেই হবে। নতুন কোনও সম্পর্কে জড়িয়ে পড়বেন না পুরনো সম্পর্ক ভোলার জন্য ভুল করেও নতুন কোনও সম্পর্কে জড়াবেন না। এতে হিতে বিপরীত হতে পারে।
প্রেমে জড়ানোর আগে কিছু বিষয় ভেবে দেখবেন !
অনলাইন ডেস্ক :মনের মানুষটির দেখা কোথায় মিলবে তা আমরা কেউই জানি না। হতে পারে অনেকদিনের পরিচিত কাউকেই হঠাৎ ভালোলাগতে শুরু করলো। আবার এমনও হতে পারে অপরিচিত কারো প্রতি অনুভব করতে শুরু করলেন ভালোবাসা। এমনকি ছুটির দিনটি বাদ দিয়ে সপ্তাহের পুরোটা সময় যেখানে কাটে, সেই অফিসেও মিলতে পারে পছন্দের মানুষটির দেখা। কারণ, একসঙ্গে কাজ করতে গিয়ে পরস্পরের ভালোলাগা-মন্দলাগার অনুভূতিগুলো সম্পর্কে জানা যায়। এভাবেই হয়তো ধীরে ধীরে জন্ম নেয় ভালোবাসা। তবে কর্মক্ষেত্রে প্রেমের সম্পর্কে জড়ানোর আগে কিছু বিষয় ভেবে দেখবেন- কোনো কোনো অফিসের নিয়মাবলীর মধ্যেই উল্লেখ করা থাকে অফিস রোমান্স গ্রহণযোগ্য কিনা। অনেক ক্ষেত্রে সরাসরি উল্লেখ করা না থাকলেও অলিখিত নিয়ম থাকে সহকর্মীর সঙ্গে প্রেমকে ভালো চোখে না দেখার। তাই প্রথমেই অফিসের নিয়মকানুনগুলো জেনে নিন, প্রয়োজনে এইচআরের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলুন। যদি ম্যানেজমেন্টের আপত্তি থাকে তাহলে দুজনের যেকোনো একজন অন্য কোথাও চাকরি খুঁজুন! প্রেম টিকিয়ে রাখা বলে কথা! প্রেমের কারণে অফিসের কাজের মান কমছে কি? দুজন দুজনকে সারাক্ষণ চোখের সামনে দেখতে পেয়ে বাকিসব ভুলে যাচ্ছেন না তো! একসঙ্গে কাজ করতে গেলে সম্পর্কের প্রভাব কাজে পড়বেই। এখন কথা হলো, আপনি তা ইতিবাচকভাবে কাজে লাগাচ্ছেন না কি নেতিবাচকভাবে? যদি প্রেমকে শক্তি মেনে নিয়ে কাজ করেন তবে আপনার উন্নতি ঠেকায় কে! অফিসের অন্য সহকর্মীরা আপনাদের বিষয়টি সহজভাবে নাও নিতে পারেন। পেছনে কানাঘুষা, গসিপ হবেই। এসব মেনে নিয়ে সম্পর্কে কতটা অটল থাকতে পারবেন? যদি সবকিছু এড়িয়ে নিজেদের মতো ভালো থাকতে পারেন, তবেই এগিয়ে যান। সহকর্মী হওয়ার কারণে মনের মানুষটির সঙ্গেই না আবার পেশাগত দ্বন্দ্ব লেগে যায়! তখন শ্যাম রাখি না কূল রাখি অবস্থায় হাবুডুবু খাওয়াও বিচিত্র নয়। এসবকিছু মাথায় রেখেই সম্পর্কে জড়ান। আজ প্রেম আছে বলে কালও থাকবে এমন কোনো কথা নেই। নানা টানাপোড়েনে পড়ে সম্পর্কটাই ভেঙে যেতে পারে একসময়। কিন্তু সম্পর্ক ভাঙলেও তো আর চাকরি ছাড়া চলবে না। তখন কোনোরকম মানসিক চাপ ছাড়াই চাকরিটা করতে পারবেন তো? ভেবে দেখুন।
জেনে নিন,আপনার সঙ্গী কি আপনার জন্য সঠিক ?
অনলাইন ডেস্ক :রাশি অনুযায়ী আপনার সঙ্গী আপনার প্রতি কতটা বিশ্বস্ত, জেনে নিন বিশদে- ধনু: এদের সততা সময় সাপেক্ষ। মাঝেমধ্যে এরা এতটাই সৎ হয় যে সেই সততার জন্য তাদের প্রায়শই ভুল বোঝাবুঝির স্বীকার হতে হয়। মেষ: এই রাশির মানুষেরা অত্যন্ত বিশ্বাসযোগ্য। প্রেম-সম্পর্কের জন্য আদর্শ পছন্দ। সিংহ: এরা নির্ভয়ে সত্যি কথা বলে। সেই কারণে মাঝেমধ্যেই এদের সম্পর্কে সমস্যার সৃষ্টি হয়। কর্কট: এই রাশির লোকেরা অন্য রাশির তুলনায় লাজুক এবং চাপা প্রকৃতির হয়। সেই কারণে অনেক সময় এরা অনেক কথা চেপেও যায়। কন্যা: প্রিয় মানুষদের খুশি করতে এরা প্রায়শই নানা মিথ্যে কথা বলে থাকে। তবে এই অভ্যাস তাদের জন্য অনেক সমস্যার সৃষ্টি করে। বৃষ: এরা শান্তিপ্রিয় প্রকৃতির। ঝগড়া-অশান্তি এড়াতে এরা মিথ্যে কথা বলে থাকে। বৃশ্চিক: এদের চূড়ান্ত অহংবোধ। নিজেকে ঠিক প্রমাণ করতে এরা দ্বিধাহীন ভাবে মিথ্যেকথা বলে। মকর: এরা মিথ্যা কথা বলতে পারদর্শী। কেবল নিজের স্বার্থ বুঝেই তারা সত্যি কথা বলে থাকে। কুম্ভ: গল্প বানাতে এই রাশির মানুষেরা পটু হয়। সত্যি কথাকে ঘুরিয়ে বলতে এরা সিদ্ধহস্ত। মীন: এরা প্রচণ্ড মিথ্যে কথা বলে এবং নিজের বানানো মিথ্যে কথাকেই বিশ্বাস করে। এরা আবেগপ্রবণও হয়। তুলা: শুধু নিজেকে ঠিক প্রমাণ করার জন্য এরা কারণ ছাড়া মিথ্যে কথা বলে। মিথুন:এই রাশির প্রতীকের মতো এদের চিন্তা-ভাবনাও দুতরফা হয়। যেটা নিজে বিশ্বাস করে, সেটা ঠিক না ভুল, তা না ভেবে লোকের কাছে বলে বেড়ায়।