মঙ্গলবার, অক্টোবর ১৯, ২০২১
নম্র ও বিনয়ীকে আল্লাহ পছন্দ করেন
২৯,মে,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাব্বুল আলামিনের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি যেন শান্তিপূর্ণভাবে জীবন যাপন করে, এটাই তার প্রত্যাশা। পরস্পর মতভেদ এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকে তিনি মোটেও পছন্দ করেন না। তাই আচার-ব্যবহারে অযথা রাগ ও ক্রোধ থেকে আমাদের দূরে থাকতে হবে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সবসময় রাগ ও ক্রোধ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিতেন। তিনি মানুষকে সাবধান করে দিয়ে বলেছেন- যে ব্যক্তি নম্র-বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উচ্চাসনে আসীন করেন আর যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে অপদস্থ করেন। আমাদের ভেবে দেখতে হবে আমরা কি আল্লাহ পাকের ইচ্ছা অনুযায়ী নিজেদের জীবন পরিচালনা করছি কি ন। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন- তুমি প্রজ্ঞা ও সদুপদেশের মাধ্যমে তোমার প্রভু-প্রতিপালকের পথের দিকে আহ্বান জানাও। আর তুমি উত্তম যুক্তিপ্রমাণের মাধ্যমে তাদের সাথে তর্ক কর যা সর্বোত্তম। নিশ্চয় আপনার পালনকর্তাই ওই ব্যক্তি সম্পর্কে বিশেষভাবে জ্ঞাত রয়েছেন, যে তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়েছে এবং তিনিই ভাল জানেন তাদেরকে, যারা সঠিক পথে আছে। (সুরা আন-নাহল: আয়াত ১২৫)। ইসলাম হলো শান্তির ধর্ম। ইসলাম কল্যাণের ধর্ম। একজন প্রকৃত মুসলমান সে কখনই সন্ত্রাসী এবং নৈরাজ্যকারী হতে পারে না। ইসলামের নামে যারা বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে, তারা মূলত সন্ত্রাসী, প্রকৃতপক্ষে তাদের কোনো ধর্ম নেই। তাই আমরা যে যেখানে যেভাবেই থাকি না কেন বা যে কর্মই করি না কেন, আমাদের সবাইকে নিজ নিজ স্থানে প্রকৃত ইসলামের শিক্ষা তুলে ধরতে হবে এবং নিজেদের আদর্শবান হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। আমাদের কাজ-কর্মে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আদর্শ ফুটিয়ে তুলতে হবে। তবেই মহান আল্লাহ তাআলা আমাদের ভালোবাসবেন। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা অনুযায়ী নিজেদের জীবন পরিচালনা করার তাওফিক দান করুন। আমিন। সূত্রঃ জাগো নিউজ
চাঁদ দেখা গেছে, রোজা বুধবার
১৩,এপ্রিল,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের আকাশে মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) চাঁদ গেছে। বুধবার (১৪ এপ্রিল) থেকে ১৪৪২ হিজরি সালের রমজান মাস শুরু হবে। মঙ্গলবার রাতে তারাবি নামাজ আদায় ও শেষ রাতে সেহরি খেয়ে বুধবার প্রথম দিনের রোজা পালন করবেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ও চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি ফরিদুল হক খান সভাপতিত্ব করেন। সভা থেকে ঘোষণা করা হয় ১৪৪২ হিজরি সালের রমজান মাস ও লাইলাতুল কদরের তারিখ। এদিকে মালয়েশিয়া, সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের আকাশে গত সোমবার (১২ এপ্রিল) পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে দেশগুলোতে মঙ্গলবার থেকে রোজা শুরু হয়েছে। ইসলামিক বিধান অনুযায়ী রমজানের চাঁদ দেখা যাওয়ায় গত সোমবার দিনগত রাতে সেহরি খেয়ে মঙ্গলবার রোজা রাখছেন ওইসব দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর একদিন পর বাংলাদেশের আকাশে চাঁদ দেখা যায়। ওইসব দেশের পরদিনই বাংলাদেশে রোজা ও ঈদ পালন করা হয়। সে হিসাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের আকাশে চাঁদ দেখা যাবে বলে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা আগে থেকে রোজা পালন ও তারাবি নামাজের প্রস্তুতি নিয়েছেন।
আজ পবিত্র শবে বরাত
২৯,মার্চ,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় সোমবার (২৯ মার্চ) দিবাগত রাতে পবিত্র শবে বরাত পালিত হবে। এ উপলক্ষে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদসহ দেশের বিভিন্ন মসজিদ ও মাদরাসায় ওয়াজ মাহফিল, দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। হিজরি বর্ষের শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতটিকে মুসলমানরা সৌভাগ্যের রজনী হিসেবে পালন করে থাকেন। এই মর্যাদাপূর্ণ রাতে মহান আল্লাহ তায়ালা বান্দাদের জন্য তার অশেষ রহমতের দরজা খুলে দেন। মহিমান্বিত এই রাতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা পরম করুণাময়ের অনুগ্রহ লাভের আশায় বেশি বেশি নফল নামাজ, কোরআন তেলাওয়াত, জিকিরে মগ্ন থাকবেন। অনেকে রোজা রাখেন, দান-খয়রাত করেন। অতীতের গুনাহের জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা এবং ভবিষ্যৎ জীবনের কল্যাণ কামনা করে মোনাজাত করবেন মুসলমানরা। করোনা মহামারির কারণে গত বছর মসজিদে না গিয়ে মুসল্লিদের ঘরে বসে ইবাদত করার আহ্বান জানিয়েছিল ধর্ম মন্ত্রণালয়। তবে এবার এমন কোনো নির্দেশনা দেয়া হয়নি। পবিত্র শবে বরাত উদযাপন উপলক্ষে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ওয়াজ মাহফিল, দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে- শবে বরাতের গুরুত্ব ও তাৎপর্য শীর্ষক ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। ওয়াজ মাহফিল শেষে বাদ এশা দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।
শবে বরাতের ছুটি ৩০ মার্চ
২৩,মার্চ,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পবিত্র শবে বরাতের ছুটি ২৯ মার্চের পরিবর্তে ৩০ মার্চ পুনর্নির্ধারণ করছে সরকার। আজ মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের উপসচিব কাজী মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে ছুটির নির্ধারিত তারিখ ২৯ মার্চের পরিবর্তে ৩০ মার্চ পুনর্নির্ধারণ করা হল। তাতে আরো উল্লেখ করা হয়, যে সকল অফিসের সময়সূচি ও ছুটি তাদের নিজস্ব আইন-কানুন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে অথবা যে সকল অফিস, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের চাকরি সরকার কর্তৃক অত্যাবশ্যক চাকরি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অফিস, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান নিজস্ব আইন-কানুন অনুযায়ী জনস্বার্থ বিবেচনা করে এ ছুটি পুনর্নির্ধারণ করবে।
সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ
২১,মার্চ,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলতি বছরে রমজান মাসের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন (ইফা)। চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে আগামী ১৪ বা ১৫ এপ্রিল থেকে রমজান শুরু হবে। রোববার (২১ মার্চ) গণমাধ্যমে এ চিঠি পাঠিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। গত ১৩ মার্চ ইসলামিক ফাউন্ডেশন ১৪৪২ হিজরির রমজান মাসের সেহরি ও ইফতারের এ সময়সূচি চূড়ান্ত করে। সময়সূচিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী ১৪ এপ্রিল প্রথম রমজানে ঢাকায় সেহরির শেষ সময় ভোর ৪টা ১৫ মিনিট ও ইফতারির সময় ৬টা ২৩ মিনিট। তবে দূরত্ব অনুযায়ী ঢাকার সময়ের সঙ্গে সর্বোচ্চ ১১ মিনিট পর্যন্ত যোগ করে ও ১০ মিনিট পর্যন্ত বিয়োগ করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ সেহরি ও ইফতার করবেন বলেও উল্লেখ করেছেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
পবিত্র শবে মিরাজ বৃহস্পতিবার
১০,মার্চ,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) দিবাগত রাতে সারাদেশে পবিত্র শবে মিরাজ পালিত হবে। দিনটি উপলক্ষে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে মিলাদ, দোয়া, ওয়াজ মাহফিলের আয়োজ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। শবে মিরাজের রাতে মুসলমানরা ইবাদত করেন। মসজিদে মিলাদ, নফল নামাজ আদায়, কোরআন তেলাওয়াত করেন। লাইলাতুল মিরাজ উপলক্ষে সারাদেশের মসজিদগুলোতে ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য এদিনে মুসলমানরা ইবাদত করেন। এদিনে মহানবী (স.) আল্লাহর নৈকট্য লাভ করেছিলেন। করোনা মহামারির কারণে গত বছর শবে মেরাজের কোনও আয়োজন করেনি ইসলামিক ফাউন্ডেশন। ১৩ ফেব্রুয়ারি পবিত্র জমাদিউস সানি মাস ৩০ দিন পূর্ণ হয়। ১৪ ফেব্রুয়ারি রোববার থেকে পবিত্র রজব মাস গণনা শুরু হয়। ফলে ১১ মার্চ বৃহস্পতিবার রাতে পবিত্র শবে মিরাজ পালিত হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার জোহরের নামাজের পর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে মিরাজুন্নবী (স.) এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা, দোয়া ও মোনাজাত হবে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক ড. মুশফিকুর রহমান। আলোচনা করবেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সাবেক পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা রফিক আহমাদ ও জামেয়া ইসলামিয়া মাদরাসার শায়খুল হাদীস ড. মাওলানা মুশতাক আহমদ।
পবিত্র শবে মেরাজ ১১ মার্চ
১২,ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি রোববার থেকে পবিত্র রজব মাস গণনা শুরু হবে। এ প্রেক্ষিতে পবিত্র শবে মেরাজ পালন করা হবে আগামী ১১ মার্চ বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে। শুক্রবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আলতাফ হোসেন চৌধুরী। সভায় জানানো হয়, পবিত্র রজব মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত তথ্য নিয়ে পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, বাংলাদেশের আকাশে আজ শুক্রবার (১২ ফেব্রুয়ারি) কোথাও ১৪৪২ হিজরি সালের পবিত্র রজব মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে আগামীকাল শনিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) পবিত্র জমাদিউস সানি মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে এবং আগামী রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) থেকে পবিত্র রজব মাস গণনা করা হবে। এই প্রেক্ষিতে আগামী ২৬ রজব ১৪৪২ হিজরী, ২৬ ফাল্গুন ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১১ মার্চ বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে পবিত্র শবে মেরাজ পালিত হবে। সভায় তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মিজান-উল-আলম, ওয়াকফ প্রশাসক আব্দুল্লাহ সাজ্জাদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহা-পরিচালক ফারুক আহম্মেদ (অতিরিক্ত দায়িত্ব), মন্ত্রি পরিষদ বিভাগের উপ-সচিব মো. শাফায়াত মাহবুব চৌধুরী, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মো. মাহবুব আলম, অতিরিক্ত প্রধান তথ্য কর্মকর্তা মো. শাহেনুর মিয়া, বাংলাদেশ টেলিভিশনের উপ-পরিচালক মো. আবদুর রহমান, বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের পিএসও আবু মোহাম্মদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
যেসব ভুলে পর্বত সমান নেক আমলও ধূলিকণায় পরিণত হবে
০৭,জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,ধর্ম ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মর্যাদার দিক থেকে সৃষ্টি জগতে মানুষই সেরা। এদের মধ্যে যারা আল্লাহর বিধান যথাযথভাবে পালন করেন তারা দুনিয়া ও পরকালে সফল। কিন্তু এমন কিছু মানুষ আছে যারা আল্লাহর ইবাদত-বন্দেগি করার পরও কিছু ভুল বা অন্যায়ের কারণে তাদের আমলনামায় থাকা পর্বত সমান নেকগুলো কোনো কাজে আসবে না বলে সতর্ক করেছেন বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। সেসব লোক কারা? কী তাদের অন্যায়? প্রকাশ্যে ভালো কাজ তথা ইবাদত-বন্দেগির বিনিময়ে মহান আল্লাহ তাআলা বান্দাকে অনেক নেক দান করবেন। বড় বড় পর্বত সমান নেকও সামান্য ভুল তথা অন্যায়ের কারণে কোনো কাজে আসবে না। হাদিসে বর্ণনায় তাদের সুস্পষ্ট বিবরণ ওঠে এসেছে- হজরত সাওবান রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, অবশ্যই আমি আমার উম্মাতের কয়েকটি দল সম্পর্কে জানি, যারা কেয়ামতের দিন তিহামার শুভ্র পর্বতমালার সমতুল্য নেক আমল নিয়ে উপস্থিত হবে। কিন্তু মহান আল্লাহ তাআলা সেগুলোকে বিক্ষিপ্ত ধূলিকণায় পরিণত করে দেবেন। (এ কথা শুনে) হজরত সাওবান রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, হে আল্লাহর রাসুল! তাদের পরিচয় পরিস্কারভাবে আমাদের কাছে বর্ণনা করুন; যাতে আমরা যেন নিজেদের অজান্তে তাদের দলভূক্ত হয়ে না যাই। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন- তারা তোমাদেরই ভাই; তোমাদের সম্প্রদায়ের অন্তর্ভূক্ত। তোমাদের সঙ্গেই (একই সমাজে) বসবাস করে। তারা রাতের বেলা তোমাদের মতই (আল্লাহর) ইবাদত করে। কিন্তু তারা এমন লোক যে- একান্ত গোপনে আল্লাহর হারামকৃত বিষয়ে লিপ্ত হয়। (ইবনে মাজাহ)। হারাম কাজগুলো কী হতে পারে? কুরআনুল কারিমের ঘোষণা- নিশ্চয়ই শয়তান মানুষের প্রকাশ্য দুশমন। এ শয়তানের প্ররোচনায় মানুষ অনেক সময় আল্লাহ তাআলা কর্তৃক হারাম ঘোষিত কাজও করে থাকে। অথচ তারা সমাজে সবার সঙ্গে আল্লাহর সব বিধান মেনে চলা ব্যক্তি। কিন্তু গোপনে সুযোগ পেলেই- দৃষ্টির খেয়ানত করে। সামনাসামনি কারো দিকে না তাকালেও পেছনে কিংবা লুকিয়ে এ কাজটি করে থাকে। লজ্জাস্থানের খেয়ানত করে। সবার সামনে অনেক পরহেজগার কিন্তু লোক চোখের অন্তরালে চারিত্রিক কুলষতায় জড়িয়ে পড়ে। মানুষের অধিকার নষ্ট করে। গোপনে মানুষ ধন-সম্পদ, জমা-জমি ও ফল-ফসলের ক্ষতি করে। নির্জনে ইচ্ছা-অনিচ্ছায় জানা-অজানা হারাম অনেক কাজে নিয়োজিত হয়। প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ হাদিসে মানুষের গোপন সেসব অন্যায় অপরাধের ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করার কথা বলেছেন। যেন তাদের এসব অন্যায় অপরাধের কারণে দুনিয়ার জীবনের সব নেক আমলগুলো পরকালে ধূলিকনায় পরিণত না হয়। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে হাদিসের ওপর যথাযথ আমল করার তাওফিক দান করুন। গোপনে হারাম কাজে জড়িত হওয়া থেকে বিরত থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।