দেশবিরোধী চুক্তির প্রতিবাদ করায় ফাহাদকে হত্যা: ফখরুল
০৮অক্টোবর,মঙ্গলবার,রাজনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে আওয়ামী সরকারের দেশবিরোধী চুক্তির প্রতিবাদ করায় আবরারকে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা নৃশংসভাবে হত্যা করেছে। সোমবার বিএনপির সহ-দফতর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেন স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এসব কথা বলেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মির্জা ফখরুল বলেন, হত্যাকারীদের হাতে বুয়েটের মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদকে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনা আবারও প্রমাণ করল, বর্তমান সরকার দেশের মানুষের প্রতিবাদী কণ্ঠকে নির্মূল করে নিজেদের হিটলারি শাসন বজায় রাখতে চায়। তবে, জনগণ তাদের এই মনোবাঞ্ছা কোনোদিনই পূরণ হতে দেবে না। মত-প্রকাশের স্বাধীনতা হরণের বিরুদ্ধে অতীতের সংগ্রামী ঐতিহ্যের ধারায় বাংলাদেশের মানুষ যেকোনো ত্যাগ স্বীকার করতেও দ্বিধা করবে না। মির্জা ফখরুল বলেন, ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যরাতের মহাভোট ডাকাতির নির্বাচনের পর বর্তমান সরকারের দুঃশাসনের মাত্রা যেন লাগামহীন হয়ে গেছে। স্বৈরাচার সরকার দেশের প্রতিবাদী মানুষের রক্তে হাত রঞ্জিত করে দেশকে ভীতির কালো মেঘে ঢেকে দিয়েছে। যেন সরকারের অপকর্ম ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে কেউ লিখতে, বলতে কিংবা টুঁ শব্দ উচ্চারণ করতেও সাহস না পায়। মির্জা ফখরুল বলেন, বিশ্বের গণধিকৃত সব স্বৈরাচারকে টেক্কা দিয়ে জনসমর্থনহীন আওয়ামী সরকার এখন মানুষের জানমালের নিরাপত্তাকে চরম হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, দেশে এখন জঙ্গলের শাসন চলছে বলেই একজন মানুষ ঘর থেকে বেরিয়ে নিরাপদে ঘরে ফেরার নিরাপত্তাটুকুও হারিয়ে ফেলেছে। অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে, আমরা এক মৃত্যু উপত্যকায় বসবাস করছি। বিএনপি মহাসচিব বলেন,সরকারের আশকারায় অপরাধীরা দেশব্যাপী লাগামহীন খুন-জখমের খেলায় আনন্দে মাতোয়ারা হয়ে উঠেছে। সরকারের ভয়াবহ দুঃশাসনের হিংস্র রূপ দেশের মানুষকে বোবা করে ফেলেছে। অজানা আশঙ্কা, আতঙ্ক আর ভয়ের এক বিষাদময় পরিবেশ মানুষের স্বাভাবিক জীবন-যাপনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। আবরার হত্যার সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।-আরটিভি অনলাইন
কে হচ্ছেন যুবলীগের পরবর্তী চেয়ারম্যান?
০৭অক্টোবর,সোমবার,রাজনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: যুবলীগের পরবর্তী চেয়ারম্যান হিসেবে সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস এবং জাতীয় ওয়ানডে ক্রিকেট দলের অধিনায়ক ও সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মুর্তজার নাম আলোচিত হচ্ছে। এর বাইরেও অনেক নাম আলোচনায় আসছে। তাহলে কে হচ্ছেন যুবলীগের পরবর্তী চেয়ারম্যান? জানতে চাইলে লেখক ও গবেষক মহিউদ্দিন আহমদ বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর অঙ্গ-সংগঠনের সংস্কৃতি বন্ধ হওয়া উচিত। বিভিন্ন কমিটিতে প্রোভাইড করা ও ঠিকাদারি দেয়া ছাড়া অন্য কোনো কাজ তাদের নেই। রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর কোনো ভ্যালু এডিশন আমি দেখি না। নানা জায়গায় নানাজনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। কিন্তু সবাইকে রাজনৈতিক দলের কমিটিতে রাখতে হবে কেন? তারা তো যার যার ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। সিপিবির সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, যে পদ্ধতিতে যুবলীগের চেয়ারম্যান পদের জন্য নামগুলো আসছে, তা সাংগঠনিক পদ্ধতি বলে আমরা মনে করি না। এখানে সংগঠন তার গঠনতন্ত্র অনুযায়ী চলবে। কাউন্সিল করবে, সেখানেই নির্ধারণ হবে কে, কারা নেতৃত্ব দেবেন সংগঠন। কিন্তু কোনো ব্যক্তিকে ওপর থেকে চাপিয়ে দেয়া গণতন্ত্রকে খর্ব করে। সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মোহাম্মদ এ আরাফাত বলেন, ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস এবং মাশরাফি বিন মুর্তজা দুজনকেই আমি অনেক যোগ্য ও ভালো রাজনীতিবিদ মনে করি। নেতৃত্ব দেওয়ার মতো সব ধরনের যোগ্যতা তাদের আছে। সম্ভাবনাও বিপুল। কিন্তু তাদের যুবলীগের নেতৃত্বের বিষয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তা একটা গুজব। গুজবকে ভিত্তি ধরে কোনো কথা বলা উচিত নয়। বলতেও চাই না। গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, যুব সংগঠনের নেতৃত্বে যুবদেরই রাখা দরকার। যারা তরুণদের নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী, ইতিবাচক ভাবমূর্তি যাদের আছে, তারা যুব সংগঠনের নেতৃত্বে এলে ভালো। কিন্তু যুব সংগঠনের প্রেসিডেন্ট- সেক্রেটারিই যুব সংগঠনের পুরো চরিত্র নির্ধারণ করবেন, এটা বড় দুদলের ক্ষেত্রে বলা যায় না। কারণ তাদের রাজনীতি সামগ্রিক অবস্থান নিয়েই। আসলে সংগঠনগুলোর চরিত্র নির্ধারণ করে এসেছে। ভবিষ্যতে সেই অবস্থান বদলাবে কিনা সেই লক্ষণ এখনো দেখা যাচ্ছে না। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট আরিফ জেবতিক বলেন, ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস এর আগে বড় কোনো সংগঠনের দায়িত্ব ওইভাবে পালন করেননি। কারণ তিনি খুবই ব্যস্ত একজন আইনজীবী এবং সংসদীয় এলাকার লোকজনও তার দিকে তাকিয়ে আছে। আইনজীবী হিসেবে সামাজিক আরও অনেকগুলো দায়িত্ব পালন করেন। সংসদের অনেকগুলো কমিটির সদস্য তিনি। এতো কিছুর পর যুবলীগের মতো একটি সংগঠন তার ঘাড়ে দিয়ে দিলে অ্যাফিসিয়েন্সির জায়গা থেকে ন্যায্য হবে কিনা বোঝা যাচ্ছে না। মাশরাফি বিন মুর্তজা একজন অসাধারণ নেতা। কিন্তু আপনি যখন তাকে রাজনৈতিক দক্ষতা অর্জনের আগে কোনো বড় সংগঠনের দায়িত্ব দিয়ে দেবেন, এতে তার প্রতিও একটা অন্যায্য করা হবে। রাজনীতিতে যথেষ্ট অভিজ্ঞতা অর্জনের আগে একটা বড় সংগঠনের দায়িত্ব তাকে সরাসরি দেয়া উচিত হবে না। তার নেতৃত্বে আসা উচিত, তবে রাজনীতিতে যথেষ্ট দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার অজনের পর।- amadershomoy
সম্রাট ও আরমানকে যুবলীগ থেকে বহিষ্কার
০৬অক্টোবর,রবিবার,রাজনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ক্যাসিনোকাণ্ডে গ্রেপ্তার ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট ও সহ-সভাপতি এনামুল হক আরমানকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। রোববার (৬ অক্টোবর) দুপুরে যুবলীগের কেন্দ্রীয় প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ইকবাল মাহমুদ বাবলু বলেন, আমাদের চেয়ারম্যানের ঘোষণা অনুযায়ী এই অভিযানে যারাই আটক হবে, তাদের সঙ্গে সঙ্গে বহিষ্কার করা হবে। সে হিসেবে তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে। এদিকে ঢাকা দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটকে আটকের পর তাকে নিয়ে কাকরাইলে ঢাকা দক্ষিণ যুবলীগের কার্যালয়ে অভিযান চালাচ্ছে Rapid Action BAttalion(Rab)। এর আগে, আজ রবিবার ভোর ৫টার দিকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়। এসময়, তার অন্যতম সহযোগী আরমানকেও আটক করা হয়। তাকে আজই আদালতে তোলা হবে বলে জানিয়েছে Rab। তবে, সম্রাটকে আটকের বিস্তারিত কোন তথ্য জানায়নি Rab। এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানো হবে। এরইমধ্যে, সম্রাট ও আরমানকে যুবলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। যুবলীগের প্রভাবশালী নেতা ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট চলমান ক্যাসিনো-জুয়াবিরোধী অভিযানের শুরু থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারির মধ্যেই ছিলেন। এই সময়ের মধ্যে তিনি বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাও চালিয়ে ছিলেন। তবে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতার কারণে তিনি দেশ ছাড়তে পারেননি। সম্প্রতি রাজধানীর বিভিন্ন ক্লাবে অভিযান চালিয়ে মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে আটক করে Rab। ক্যাসিনোগুলো চলে মূলত ইসমাইল হোসেন সম্রাটের ইশারায়, জিজ্ঞাসাবাদে এমন কথা খালেদ জানিয়েছে বলে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
যুবলীগ নেতা সম্রাট সহযোগীসহ আটক
০৬অক্টোবর,রবিবার,রাজনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: Rapid Action BAttalion (Rab) ক্যাসিনোকাণ্ডে আলোচিত যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী ওরফে সম্রাটকে গ্রেফতার করেছে। ক্যাসিনোকাণ্ডে জড়িত এই যুবলীগ নেতাকে আজ রোববার ভোর ৫টার দিকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার সহযোগী আরমানকেও গ্রেফতার করেছে Rab। Rabর লিগ্যাল ও মিডিয়া উইংয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক এএসপি মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এদিকে চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রামের বাসিন্দাদের উদ্বৃতি দিয়ে কুমিল্লার সাংবাদিকেরা জানিয়েছেন, গভীর রাতে ওই এলাকায় একটি বাড়ি Rab ঘিরে রাখে। পরে সম্রাটকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। স্থানীয়রা আরও জানান, কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রামের এক আত্মীয়ের বাসায় আত্মগোপনে ছিলেন সম্রাট। আলকরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাংবাদিকদের বলেছেন, ঘটনার সময় তিনি এলাকায় ছিলেন না। তবে স্থানীয়রা তাকে ফোন করে ঘটনা সম্পর্কে বলেছেন। কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আলকরা ইউনিয়নের পুঞ্জশ্রীপুর গ্রামে মুনির চৌধুরী নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে যুবলীগ নেতা হোসেন চৌধুরী ওরফে সম্রাট লুকিয়েছিলেন বলে জানিয়েছে Rab। ওই বাড়ি থেকেই সম্রাট ও আরমান আলীকে আটক করে। আরমান আলীও যুবলীগের নেতা। Rab:11 কুমিল্লা কোম্পানির ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার প্রণব কুমার বলেন, গতকাল শনিবার সন্ধ্যা সাতটার পর থেকে Rabর ১২ থেকে ১৪টি গাড়ি পুঞ্জশ্রীপুর গ্রামের আশপাশে অবস্থান নেয়। Rab বিভিন্ন সড়কের মধ্যে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। আলকরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক হেলাল বলেন, মুনির চৌধুরী স্থানীয় জামায়াত নেতা হিসেবে পরিচিত। তিনি ফেনীর মেয়র মো. আলাউদ্দিনের ভগ্নিপতি। আলাউদ্দিন জাতীয় পার্টি থেকে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন। এলাকার কয়েকজন বাসিন্দার ভাষ্য, আলকরা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ইসমাইল হোসেন বাচ্চু সম্রাট বাহিনীর সদস্য। তাঁর মাধ্যমেই সম্রাট মুনির চৌধুরীর বাড়িতে অবস্থান নেন। সেখান থেকে সীমান্ত পার হয়ে তাঁর ভারতে যাওয়ার কথা ছিল। সম্রাটের বাড়ি ফেনীতে বলেও জানান তাঁরা।
রংপুর-৩ উপনির্বাচনে এগিয়ে এরশাদপুত্র সাদ
০৫অক্টোবর,শনিবার,রাজনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম রংপুর-৩ উপনির্বাচনে ভোট গণনা শুরু হয়েছে; এতে এগিয়ে আছেন এরশাদপুত্র সাদ এরশাদ। ৬২টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে ১৬৬৪৫ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন এরশাদপুত্র সাদ এরশাদ। আর ৫১২২ ভোট পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী এরশাদের ভাতিজা মকবুল শাহরিয়ার, বিএনপির প্রার্থী রিটা রহমান পেয়েছেন ৪১৯০ ভোট। এই আসনটিতে ১৭৫টি কেন্দ্র রয়েছে। এই আসনের সবগুলো কেন্দ্রে ভোট হয়েছে ইভিএমে। উপনির্বাচনে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে লাঙল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জাতীয় পার্টির প্রয়াত চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ছেলে রাহগীর আল মাহী ওরফে সাদ এরশাদ, বিএনপির প্রার্থী রিটা রহমান, স্বতন্ত্র প্রার্থী এরশাদের ভাতিজা মকবুল শাহরিয়ারসহ ৬ জন প্রার্থী।
দুর্নীতির চক্র ভাঙতেই এই অভিযান : কাদের
০৫অক্টোবর,শনিবার,রাজনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বাংলাদেশ থেকে দুর্নীতির চক্র ভেঙে দিতেই এ অভিযান। এটা কোনও দল বা গোষ্ঠীর মধ্যে নয়। এ অভিযান দলে অনুপ্রবেশকারী, স্বাধীনতাবিরোধী, অপকর্মকারী, চাঁদাবাজ ও টেন্ডারবাজদের বিরুদ্ধে। আজ শনিবার (৫ অক্টোবর) পুরান ঢাকার শ্রী শ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেছেন, তৃণমূল পর্যায়ের কাউন্সিলে ও সম্মেলনে যাতে কোনোভাবেই বিতর্কিতরা জায়গা না পায়। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বাংলাদেশে হিন্দু-মুসলমান সবাই এক। যতদিন ক্ষমতায় শেখ হাসিনা আছেন, আপনাদের কোনও ভয় নেই। আপনাদের ভোটের মর্যাদা মুসলমানের চেয়ে কম নয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, উপ-দপ্তর সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী মো. সেলিম।-আরটিভি অনলাইন
রংপুর-৩ উপ-নির্বাচন: রাত পোহালেই ভোট
০৪অক্টোবর,শুক্রবার,রাজনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাত পোহালেই আগামীকাল শনিবার (৫ অক্টোবর) জাতীয় সংসদের-২১, রংপুর-৩ আসনে উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। সকাল ৯টা থেকে ৪টা পর্যন্ত একটানা ১৭৫টি ভোটকেন্দ্রে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ অনষ্ঠিত হবে। শুক্রবার সকাল ১১টায় রংপুর পুলিশ হল থেকে প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার মলামাল গ্রহণ করেছেন। পরে তারা কেন্দ্রে কেন্দ্রে নির্বাচনী সামগ্রী নিয়ে গেছেন। কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্বপ্রাপ্ত টিমও। পুরো নির্বাচনী এলাকা জুড়ে ১৮ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন। মাঠে থাকছে র‌্যাবের ২০ ইউনিট।এছাড়াও পুলিশ-আনসার সদস্য থাকছে ৩ হাজার। নির্বাচন সুষ্ঠু করার স্বার্থে ৪ স্তরের নিরাপত্তার বলই গড়ে তোলা হয়েছে। অন্যদিকে এই উপ-নির্বাচনে ১৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট থাকছেন দায়িত্বে। এছাড়াও মাঠে থাকবে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক। রিটার্নিং কর্মকর্তা ও রংপুরের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা জিএম সাহাতাব উদ্দিন বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নির্বাচনী সামগ্রী কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের কেন্দ্রের নিরাপত্তার দায়িত্ব বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। কেউ বিশৃংখলার চেষ্টা করলে সাথে সাথে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। প্রতিদ্বন্দ্বী ছয় প্রার্থীর ৪জনই নির্বাচনী এলাকার ভোটার নন।রংপুরের আঞ্চলিক নির্বাচনী কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার জি.এম সাহাতাব উদ্দিনের কাছে প্রার্থীদের জমা দেয়া হলফনামা থেকে এ তথ্য জানা গেছে। বিষয়টি নিশ্চিত হতে ছয় প্রার্থীদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হলে তাদের তিনজন নির্বাচনী আসন রংপুর-৩ এর ভোটার নন বলে জানিয়েছেন। এদিকে বাবার আসন ধরে রাখতে মরিয়া এরশাদপুত্র রাহগীর আল মাহি সাদ। প্রতিদিন ভোটারদের কাছে ভোট চাইলেও স্থানীয় ভোটার না হওয়ায় তিনি লাঙ্গল প্রতীকে ভোট দেয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না। এছাড়াও ভোট দিতে পারবেন না বিএনপি প্রার্থী রিটা রহমান (ধানের শীষ), গণফ্রন্টের কাজী মো. শহীদুল্লাহ বায়েজিদ (মাছ) ও এনপিপির শফিউল আলম (আম)। তবে নির্বাচনী এলাকার ভোটার হিসেবে এরশাদের ভাতিজা স্বতন্ত্র প্রার্থী হোসেন মকবুল শাহরিয়ার আসিফ (মোটরগাড়ি-কার) ও খেলাফত মজলিসের তৌহিদুর রহমান মন্ডল (দেওয়াল ঘড়ি) ভোট দিতে পারবেন। শনিবার সকালে সাবেক সংসদ সদস্য শাহরিয়ার আসিফ শিশুমঙ্গল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে এবং তৌহিদুর রহমান মন্ডল দুপুরে রংপুর মডেল কলেজ কেন্দ্রে নিজের ভোট প্রদান করবেন। এছাড়া এনপিপির শফিউল আলম নিজেকে স্থানীয় ভোটার দাবি করেন। নগরীর মুন্সিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের তিনি ভোটার বলে জানান। নির্বাচন কমিশনে দেয়া হলফনামা অনুসারে তার স্থায়ী ঠিকানা রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায়। রংপুর অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, রংপুর সেনানিবাস, রংপুর সদর উপজেলা এবং রংপুর সিটি করপোরেশনের ৩৩টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৮টি ওয়ার্ড ছাড়া বাকি সবগুলো নিয়ে এই আসন। ১৭৫টি কেন্দ্রের জন্য ১৭৫ জন প্রিজাইডিং অফিসার, ১০২৩ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার, দুই হাজার ৪৬ জন পোলিং অফিসার ভোটগ্রহণ করবেন। রংপুর সদর উপজেলা ও সিটি করপোরেশনের ৩৩টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত জাতীয় সংসদের গুরত্বপূর্ণ এ আসনটিতে ১৭৫টি কেন্দ্রে ইভিএম পদ্ধতির মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করা হবে। এই আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৪১ হাজার ২২৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ২০ হাজার ৮২৩ এবং নারী ভোটার ২ লাখ ২০ হাজার ৪০১ জন। জাতীয় সংসদের-২১, রংপুর-৩ শূন্য আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৬জন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ সমর্থিত জাতীয় পার্টির প্রার্থী রাহগির আলমাহি সাদ এরশাদ (লাঙ্গল), বিএনপি প্রার্থী রিটা রহমান (ধানের শীষ), খেলাফত মজলিসের তৌহিদুর রহমান মন্ডল রাজু (দেওয়াল ঘড়ি), এরশাদের ভাতিজা সাবেক সংসদ সদস্য হোসেন মকবুল শাহরিয়ার আসিফ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মোটরগাড়ি (কার), এনপিপির শফিউল আলম (আম) এবং গণফ্রন্টের কাজী মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ বায়েজীদ (মাছ) প্রতীকে নির্বাচন করছেন। রংপুর আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার জি.এম. সাহাতাব উদ্দিন জানান ভোটগ্রহণের জন্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে কেন্দ্রে এসে ভোট দিতে পারে, সেজন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। ভোট গ্রহণে বাধা সৃষ্টি, অপ্রীতিকর ঘটনার চেষ্টা বা ভোটারদের ভয়ভীতি দেখিয়ে কেউ ফায়দা লুটতে চাইলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তা প্রতিহত করবে।
খালেদা জিয়ার জামিনের বিষয়ে কাদেরের সঙ্গে দেখা করলেন হারুন
০২অক্টোবর,বুধবার,রাজনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া চিকিৎসার জন্য বিদেশ যেতে চান বলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওরায়দুল কাদেরকে জানিয়েছেন বিএনপির সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ। আজ বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে দেখা করে তাকে একথা জানিয়ে বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করতে বলেন তিনি। হারুন বলেন, এখানে সমঝোতার কোনো বিষয় না। আজকে সামগ্রিকভাবে উনি সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী এবং এ দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে উনি একজন সাহসী নেত্রী। সুতরাং উনার এ অবস্থায় উনি যৌক্তিকভাবে জামিন পাওয়ার অধিকার রাখেন। বিএনপির এ সাংসদ বলেন, এখানে কোনো রাজনীতি নেই। আমি স্পষ্টভাবেই জানাচ্ছি, ওনার যে শারীরিক অবস্থা, গতকালকে আমি যে বিবৃতি দিয়েছি তা একেবারেই সত্য। খালেদা জিয়ার জামিন নিয়ে বিদেশে পাঠানোর মাধ্যমে তাকে বিএনপির রাজনীতি থেকে মাইনাস করতে চাচ্ছেন কি না; এমন প্রশ্নের জবাবে হারুন বলেন, এ কথা ঠিক নয়। তিনি নানা রোগে আক্রান্ত। তার জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন। সে কারণে আমরা বলেছি তাকে জামিন দেন এবং তার চিকিৎসা করাব। এর মধ্যে কোনো মাইনাসের রাজনীতি নেই। সাক্ষাতে ওবায়দুল কাদের কী বলেছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা খালেদা জিয়ার জামিনের বিষয়ে কথা বলেছি। তিনি আজ সন্ধ্যায় এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন। এর আগে গতকাল বিকেলে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে দেখা করেন চাপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের এমপি ও দলের যুগ্ম মহাসচিব হারুনুর রশিদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের এমপি উকিল আবদুস সাত্তার ভূইয়া এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের এমপি আমিনুল ইসলাম। সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এমপি হারুন জানিয়েছিলেন, জামিন পেলে খালেদা জিয়া চিকিৎসা নিতে বিদেশ যাবেন।-আলোকিত বাংলাদেশ

রাজনীতি পাতার আরো খবর