শুক্রবার, এপ্রিল ৩, ২০২০
করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় আসুন আমরা একসঙ্গে কাজ করি
0১ এপ্রিল,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় জাতীয় কমিটি গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার নিজের উত্তরার বাসায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিএনপি মহাসচিব এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, এ কথাটা বার বার বলেছি, আমরা কখনোই সমালোচনার জন্য সমালোচনা করছি না, সরকারকে সাহায্য করতে চেয়েছি। আসুন আমরা একসঙ্গে কাজ করি, ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করি। মির্জা ফখরুল বলেন, এখন পর্যন্ত একটি জাতীয় কমিটি হয়নি। যেটা করা উচিত ছিল বলে আমি মনে করি। বাংলাদেশ তো একশ ৬০ মিলিয়নের দেশ। এখানে একেবারের নিচের দিককার অর্থনীতি। সেখানে এই ধরনের সংকট মোকাবেলার ক্ষেত্রে যদি একটি জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি করা যায়; সেটাই হবে দেশের জন্য ভালো কাজ। আমরা মনে করি, এখনও সময় আছে জাতীয় কমিটি করার, এটা গঠন করা উচিত। কীভাবে এই কমিটি হতে পারে জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রীকেই উদ্যোগ নিতে হবে, রাজনৈতিক দল, সিভিল সোসাইটি সবাই থাকবে। সবাইকে নিয়ে একখানে বসে মিটিং করতে হবে- তা বলছি না। ঘোষণা করে আপনি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমেই এটা করতে পারেন।তখন সবার মধ্যে একটা ধারণা আসবে- উই আর ওয়ান। আমরা এক। তিনি বলেন, এই মহামারীতে বিএনপির নেতাকর্মীরা নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই ঘরবন্দি মানুষ বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষজনের জন্য খাবার পৌঁছে দেয়ার কাজ করছে। সবচেয়ে বড় যে সমস্যাটা দাঁড়াচ্ছে, সেটা হচ্ছে খেটে খাওয়া মানুষজনের অর্থনৈতিক সমস্যা। বাংলাদেশে বেশিভাগ মানুষই এখন দিন আনে দিন খায়- এই বিশাল একটা অংশ তারা কিন্তু কয়েকদিন ধরে কোনো আয় করতে পারছেন না এবং এটা একটা টার্নিং পজিশনে চলে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। সেই মানুষগুলোর জন্য যদি ইমিডিয়েটলি উপযোগী ব্যবস্থা গ্রহণ করা না যায় তাহলে কিন্তু একটা বড় রকমের বিপর্য্য় দেখা দেবে।
এই সঙ্কট মোকাবিলায় বিএনপি বর্তমান সরকারকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে প্রস্তুত
২৬মার্চ,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় অবিলম্বে বাংলাদেশে চিকিৎসা জরুরি অবস্থা জারির আহ্বান এবং কার্যকরের দাবি জানিয়েছে বিএনপি। দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আজ বৃহস্পতিবার স্বাধীনতা দিবসের দিন দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ভিডিও কনফারেন্সে এই দাবি জানিয়ে বলেন, আজ এমন এক সময়ে আপনাদের সঙ্গে কথা বলছি, যখন গোটা বিশ্ববাসী প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের ভয়াবহতায় আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। সমগ্র বিশ্ব এক অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে চলছে। মহামারি ছড়িয়ে পড়েছে দেশে দেশে। প্রতি মুহুর্তে নতুন আক্রান্ত আর মৃত্যুর মিছিল বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। লক ডাউন, আইসোলেশন, সেল্ফ কোয়ারেন্টাইনে সম্পূর্ণরুপে থমকে পড়েছে স্বাভাবিক জনজীবন। প্রতিটি দেশ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব হতে পরিত্রাণ পেতে অন্য দেশ থেকে নিজেদের বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে। ভয়ংকর এক কঠিন পরিস্থিতিতে উপণীত হয়েছি আমরাসহ বিশ্ববাসী। বাংলাদেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণ নিশ্চিত হওয়ার জন্য ন্যূনতম প্রয়োজনীয় টেস্ট কিট, চিকিৎসকদের পিপিই কিংবা হাসপাতালে পর্যাপ্ত আইসিইউর প্রচন্ড অভাব। সারাদেশের হাসপাতাল থেকে হাজার হাজার স্যাম্পল আসছে অথচ টেস্ট করতে পারছে মাত্র ৭০-৮০ টি। এই অপ্রস্তুত দৃশ্যপটের মধ্যে সামনে আরো কঠিন পরিস্থিতি ধেয়ে আসছে। গোটা দেশবাসী শংকিত-আতংকিত। এই অবস্থার দ্রুত অবসান জরুরি। রিজভী বলেন, এই ভয়াল দুর্যোগময় সময়ে, মহাক্রান্তিকালে দেশবাসী, সরকার, সাধারণ জনগণ ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ডাক্তারসহ স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা ব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের কাজকে অত্যাবশ্যকীয় ঘোষণা এবং বিশেষ বোনাস প্রদান, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের পর্যাপ্ত সংখ্যক মেডিক্যাল সরঞ্জাম, পিপিই, করোনা টেস্ট কিট সরবরাহ করে দেশের প্রতিটি উপজেলায় করোনা ভাইরাস পরীক্ষার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, প্রবীণ ও স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে থাকা নাগরিকদের চিকিৎসা সেবায় বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ, করোনা ভাইরাসের কারণে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, কৃষি শ্রমিক, গার্মেন্টস ও শিল্প কারখানার শ্রমিক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে আর্থিক সহায়তা করতে হবে। তিনি বলেন, সারাবিশ্বের মানুষ এক মহাবিপদের কাল অতিক্রম করছে। এটি এখন মানুষের বাঁচা মরার প্রশ্ন। এই সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশ এবং জনগণের স্বার্থে সবাইকে যেকোনো মূল্যে ঐক্যবদ্ধভাবে ভূমিকা রাখতে হবে। দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণের কাছে অবশ্যই বর্তমান সরকারের বৈধতার সঙ্কট রয়েছে। জনগণের রায়ে ক্ষমতায় গিয়ে বিএনপি একাধিকবার রাষ্ট্র পরিচালনা করেছে। অনেক সংকটময় পরিস্থিতিও মোকাবেলা করেছে। সারাবিশ্বের সাথে মাতৃভূমি বাংলাদেশ এখন ভয়াবহ সঙ্কটে। তাই এই সঙ্কট মোকাবিলায় বিএনপি বর্তমান সরকারকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে প্রস্তুত। বিএনপি বিশ্বাস করে, দেশ ও মানুষের কল্যাণের জন্যই রাজনীতি।
করোনাভাইরাস মোকাবেলায় দেশবাসীকে সাবধান ও সচেতন থাকতে বলেছেন খালেদা জিয়া
২৬মার্চ,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:দুই বছরের বেশি সময় পর কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া এখন গুলশানে নিজ বাসায় অবস্থায় করছেন। বুধবার সন্ধ্যায় সেখানে তিনি দলীয় নেতার্মীদের সাথে সাক্ষাতের সময় করোনাভাইরাস সংক্রমণ মোকাবেলায় দেশবাসীকে সবাধান ও সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। নয়া দিগন্ত অনলাইন । সন্ধ্যায় দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে বিএনপির শীর্ষ ৭ নেতা চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাথে দেখা করতে যান। ফখরুলের সাথে যাওয়া অন্য নেতারা হলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান ও সেলিমা রহমান। সাক্ষাৎ শেষে বেরিয়ে মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন। ফখরুল বলেন, আমরা খালেদা জিয়ার সাথে সাক্ষাৎ করেছি। এ সময় চিকিৎসার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। যেহেতু করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি বিরাজ করছে- এমন অবস্থায় অন্তত কিছুদিন উনার (খালেদা জিয়া) কোয়ারেন্টিনে থাকার বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। কেউ যেন উনার সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ করতে না পারে সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এই সময়ে তার সাথে রাজনৈতিক বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। ফখরুল বলেন, আমাদের স্থায়ী কমিটির সদস্যবৃন্দ ম্যাডামকে (খালেদা জিয়া) শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং আল্লাহর কাছে দোয়া করে শুকরিয়া আদায় করেছেন। দুই শর্তে সাজা ছয় মাসের জন্য স্থগিত করে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেয়া হয়েছে। এ অবস্থায় খালেদা জিয়া যদি রাজনীতি করেন, সে ক্ষেত্রে শর্ত ভঙ্গ হবে এবং তা বাতিল হয়ে তাকে আবারও কারাগারে যেতে হবে- সাংবাদিকদের এমন এক প্রশ্নের উত্তরে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এ প্রসঙ্গে আমরা এখন যাব না। বিষয়টি আমাদের আইনজীবীরা দেখবেন। এটা নিয়ে আমরা পরে বসব। এ দিকে বিএনপিপন্থী একটি চিকিৎসক দলও খালেদা জিয়ার সাথে দেখা করতে ফিরোজায় গেছে। এরা হলেন- প্রফেসর ডা. এফএফ রহমান, প্রফেসর ডা. রজিবুল ইসলাম, প্রফেসর ডা. আবদুল কদ্দুস, প্রফেসর ডা. হাবিবুর রহমান, প্রফেসর ডা. সিরাজ উদ্দিন ও প্রফেসর ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, দীর্ঘ দুই বছরেরও অধিক সময় কারাগারে বন্দি থাকার পর দুই শর্তে ছয় মাসের জন্য সাজা স্থগিত হলে বুধবার বিকালে মুক্তি পান বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। বুধবার বিকাল ৫টা ১৬ মিনিটে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গুলশান-২-এর ৭৯ নম্বর রোডের বাসভবন ফিরোজায় দীর্ঘ ৭৭৫ দিন পর প্রবেশ করেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। এর আগে মঙ্গলবার তার মুক্তির বিষয়ে আইনমন্ত্রীর ঘোষণার পর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে বুধবার বিকাল ৪টা ১২ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতাল থেকে বের হন খালেদা জিয়া। সেখান থেকে তিনি সরাসরি গুলশানে নিজ বাসভবন ফিরোজায় যান। খালেদা জিয়াকে ঢাকা মেট্রো-ভ ১১-০৬৯২ নিশান পেট্রল গাড়িতে নিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ পরিবার সদস্যরা বিএসএমএমইউ হাসপাতাল থেকে গুলশানের বাসভবনের উদ্দেশে রওনা দেন। সঙ্গে চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের পাঁচটি গাড়ি ও মাইক্রোবাসও ছিল। এ সময় দলীয় নেতাকর্মীদের ভিড় ঠেলে যেতে অনেক বেগ পেতে হয় খালেদা জিয়ার গাড়িবহরকে। প্রসঙ্গত, জিয়া অরফানেজ ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ১৭ বছরের কারাদণ্ড নিয়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কারাগারে বন্দি ছিলেন খালেদা জিয়া। প্রথমে পুরান ঢাকার পরিত্যক্ত কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হলেও গত বছর ১ এপ্রিল থেকে তাকে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা দেয়া হয়। খালেদা জিয়ার জামিনের জন্য আইনজীবীরা গত দুই বছরে বহুবার আদালতে গেছেন, কিন্তু জামিন হয়নি। এই প্রেক্ষাপটে মার্চের শুরুতে খালেদা জিয়ার সাময়িক মুক্তি চেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করার খবর আসে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর কাছেও পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়।
দুই শর্তে ৬ মাসের জন্য মুক্ত হলেন খালেদা জিয়া
২৫মার্চ,বুধবার,রাজনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সরকারের দেয়া শর্তের ভিত্তিতে মুক্তি পেয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। কারা অধিদপ্তরের আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বুধবার বিকেল সোয়া ৪টার দিকে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) থেকে বের হয়ে গুলশানের বাসায় রওনা দেন। কারা সূত্র জানা যায়, সাজা বাতিলের ফাইলটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যায়। সেখানে স্বরাষ্ট্র সচিবের স্বাক্ষরের পর কারা অধিদপ্তরে যায়। কারা অধিদপ্তর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেল সুপার ইকবাল কবির চৌধুরীর কাছে হস্তান্তর করে। সেই নথিপত্র নিয়ে বিএসএমএমইউতে গিয়ে খালেদাকে মুক্তি দেন জেল সুপার। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সংবাদ সম্মেলন করে খালেদা জিয়াকে মুক্তির সিদ্ধান্তের কথা জানান। তখন তিনি বলেছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ছয় মাসের জন্য খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। দুটি শর্তে তাকে মুক্তি দেয়া হচ্ছে। একটি হলো তিনি বাসায় থেকে চিকিৎসা নেবেন এবং বিদেশে যেতে পারবেন না। উল্লেখ্য, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ১৭ বছরের কারাদণ্ড নিয়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কারাবন্দি হন খালেদা জিয়া। তাকে পুরোনো ঢাকার পরিত্যক্ত কেন্দ্রীয় কারাগারে বিশেষ কারাগার স্থাপন করে সেখানে রাখা হয়। গত বছরের এপ্রিল থেকে তিনি বিএসএমএমইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
আজই মুক্তি পাচ্ছেন খালেদা জিয়া
২৫মার্চ,বুধবার,রাজনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজই মুক্তি পেতে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। সামান্য কিছু প্রক্রিয়া বাকি থাকায় মঙ্গলবার রাতে তিনি মুক্তি পাননি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল জানিয়েছেন, সব প্রক্রিয়া শেষ হলেই তিনি মুক্তি পাবেন। এদিকে আজ বুধবার দুপুরের মধ্যেই খালেদা জিয়ার মুক্তির আইনি প্রক্রিয়াগুলো শেষ হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব মো. শহীদুজ্জামান। মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল গণমাধ্যমকে বলেন,তার বাসায় থেকে চিকিৎসা করার সুযোগ দেওয়ার কথা প্রধানমন্ত্রী বিবেচনা করেছেন। এখন পর্যন্ত সেই ফরমাল সিগনেচারটির অপেক্ষায় রয়েছি আমরা। এখানে ডকুমেন্টেশনের ব্যাপার রয়েছে, এখানে গভর্নমেন্ট অর্ডারের ব্যাপার রয়েছে। এই সবগুলোই হবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সাইন করার পরে। উল্লেখ্য, দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দণ্ড ছয় মাসের জন্য স্থগিত করে তাকে দুই শর্তে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১-এর উপধারা ১ ধারা অনুযায়ী বয়সের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে মানবিক কারণে সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে। মুক্তিকালীন খালেদা জিয়াকে ঢাকায় তার নিজ বাসায় থেকে চিকিৎসা নিতে হবে। তিনি বিদেশ যেতে পারবেন না- এ দুই শর্তে মুক্তি মিলছে সাবেক এ প্রধানমন্ত্রীর। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব মো. শহীদুজ্জামান মঙ্গলবার বলেন, আশা করি আগামীকাল (আজ বুধবার) দুপুরের মধ্যেই খালেদা জিয়ার মুক্তির আইনি প্রক্রিয়াগুলো শেষ হবে। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ১৭ বছরের কারাদণ্ড নিয়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কারাবন্দী খালেদা জিয়া। তাকে পুরান ঢাকার পরিত্যক্ত কেন্দ্রীয় কারাগারে বিশেষ কারাগার স্থাপন করে সেখানে রাখা হয়। গত বছরের এপ্রিল থেকে তিনি বিএসএমএমইউতে চিকিৎসাধীন।
প্রয়োজন হলে শাটডাউন করা হবে : ওবায়দুল কাদের
১৮মার্চ,বুধবার,রাজনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সড়ক পরবিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে যেখানে শাটডাউনের দররকা হবে সেখানে শাটডাউন করা হবে। আজ বুধবার সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সমসাময়িক ইস্যুতে সংবাদ সম্মেলণে তিনি একথা বলেন। করোনাভাইরাস সংক্রমণ রুখতে শাটডাউন করা হবে কিনা-সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে ওবায়দুল কাদের বলেন, শাটডাউন প্রয়োজন হলে করা হবে, যেখানে যেখানে প্রয়োজন। কারণ এখানে সবার আগে মানুষকে বাঁচাতে হবে। ওবায়দুল কাদের বলেন, পরিবহন মালিকরা হতাশ, যাত্রী কমে গেছে। এগুলো অটোমেটিকালি কমে যাবে। পরিস্থিতি কমিয়ে ফেলবে। তারপরও যদি প্রয়োজন হয় আমরা ব্যবস্থা নেবো। তিনি বলেন, আমাদের শত্রু করোনা ভয়ঙ্কর। আমরা জাতি হিসেবে গতকালও প্রমাণ করেছি ভয়ঙ্কর করোনার যে শক্তি তারচেয়েও বড় শক্তি আমাদের সম্মিলিত শক্তি। এ যুদ্ধের প্রতিপক্ষ শক্তিশালী। এটা প্রতিরোধযোগ্য। আমরা এটি পরাজিত করতে পারবো বলে আশা করছি। অনেক বিদেশ ফেরতরা কোয়ারেন্টিনে থাকছেন না, তারা ঘুরে বেড়াচ্ছেন- সাংবাদিকরা এমন দৃষ্টি আকর্ষণ করলে ওবায়দুল কাদের বলেন, এ বিষয়ে সরকারিভাবে আমরা কঠোর নজরদারি করব। সাংবাদিক বন্ধুরাও রিপোর্ট করবেন, সঠিক রিপোর্ট। কারণ এখানে প্রাণ বাঁচানোর বিষয়। একটি প্রাণঘাতী বিশ্বের ভয়ংকর একটি ভাইরাসের বিরুদ্ধে আমরা লড়াই করছি। কাজেই এখানে যা যা করা প্রয়োজন আমাদের সকলকেই করা উচিত। রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এখানে রাজনীতি না করে আমি সকল রাজনৈতিক দলের কাছে অনুরোধ করব, আসুন এই করোনাভাইরাস আমাদের অভিন্ন শত্রু। এই শত্রুর মোকাবিলায় কোনো রকম পলিটিক্স না করে আমরা সত্যিকার অর্থে সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে এই ভয়ংকর শত্রুকে প্রতিরোধ করি। করোনা মোকাবিলায় মানসিক শক্তিই বড় শক্তি উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, এ বিষয়টা আমাদের নতুন অভিজ্ঞতা। সারা বিশ্বের জন্যই এটি আসলে নতুন অভিজ্ঞতা। মানসিকভাবে আমরা ওয়েল ইকুইপড, এটাই আসলে বড় শক্তি। এ ছাড়া যে ইকুইপমেন্ট দরকার তার ঘাটতি মোকাবিলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ যার যার ঘাটতি আছে পূরণে প্রস্তুতি নিচ্ছে। আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করছি। এ ব্যাপারে আন্তরিকতার কোনো প্রকার ঘাটতি নেই।- একুশে টেলিভিশন
শত পাউন্ডের কেক কেটে ডিএসসিসির উদযাপন
১৭মার্চ,মঙ্গলবার,রাজনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে শত পাউন্ডের কেক কাটলো ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। সোমবার দিবাগত রাতের প্রথম প্রহরে নগরভবনে শত পাউন্ডের কেক কাটা, বঙ্গবন্ধুর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত, মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস নিয়ে নির্মিত লেজার শো, সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করা হয়। ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবং কর্পোরেশনের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের নিয়ে কেক কাটেন ঢাকা দক্ষিণের মেয়র সাঈদ খোকন। জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে ডিএসসিসি গৃহীত অন্যান্য কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন, নগর ভবনসহ সকল আঞ্চলিক কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় সকল মসজিদে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনার আয়োজন, ডিএসসিসি ব্যবস্থাপনাধীন হাসপাতাল ও মাতৃসদনে উন্নত খাবার ও মিষ্টি বিতরণ, নগর ভবন আলোকসজ্জা, সৌন্দর্যবর্ধন ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা, শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি, উদ্ধৃতি, জন্মশতবার্ষিকীর লোগো সম্বলিত ড্রপডাউন ব্যানার, ফেস্টুন ইত্যাদির মাধ্যমে সজ্জিতকরণ, ডিএসসিসির ওয়েব সাইটের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উপর নির্মিত ভিডিও ক্লিপিংস/ফুটেজ প্রচার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এছাড়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে বছরব্যাপী বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার রাত আটটার দিকে নগর ভবনে আতশবাজি (ফায়ার ওয়ার্কস) পোড়ানো হবে।- একুশে টেলিভিশন
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ভাবছে সরকার: সেতুমন্ত্রী
১৫মার্চ,রবিবার,রাজনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্কুল-কলেজ বন্ধের বিষয়টি আমাদের উচ্চ পর্যায়ে আলোচনায় আছে। বিষয়টি নিয়ে আমরা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। করোনাভাইরাসের কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হবে কিনা তা সময় মতো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে। বললেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আজ রোববার ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে মুজিববর্ষ উদাযাপনকে ঘিরে দলের সম্পাদকমণ্ডলীর সভা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ সব কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস আতঙ্ক, উদ্বেগ উৎকণ্ঠা সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশের মানুষের ভেতরেও উদ্বেগ উৎকণ্ঠা রয়েছে। আমাদের জনগণের মধ্যে এ নিয়ে দুঃশ্চিন্তা আছে। এখন পর্যন্ত বিশ্বের ১৪৯টি দেশ আক্রান্ত হয়েছে। নতুন নতুন দেশ আক্রান্ত হচ্ছে। তিনি বলেন, সরকার থেকে প্রবাসীদের আসতে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। শনিবার থেকে কঠোরভাবে বিষয়টি নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। বিদেশ থেকে প্লেনের মাধ্যমে আগমণ নিয়ন্ত্রণ বা বন্ধ করা যায় কিনা তার ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। ওবায়দুল কাদের বলেন, কেবল মাত্র চীনই দেখছি করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণ করছে। তারা কিভাবে কন্ট্রোল করতে পারছে সে বিষয় শেয়ার করার জন্য আমাদের কাছে তাদের একটি চিঠি এসেছে। তারা প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করার জন্য প্রস্তুত আছে। এ ধরনের সংক্রামণ এবং বিস্তার রোধ করার জন্য সার্বিক সহযোগিতা সহানুভূতির হাত প্রসারিত করে চীন চিঠি দিয়েছে। তিনি বলেন, করোনাভাইরাস মোকাবেলায় বাংলাদেশ প্রস্তুত। প্রথম থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে আসছেন। সরকার যেমন প্রস্তুত আমাদের দলকে প্রস্তুত করা হয়েছে।

রাজনীতি পাতার আরো খবর