৪ ফেব্রুয়ারি নাইকো মামলার পরবর্তী শুনানি
অনলাইন ডেস্ক: বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নাইকো দুর্নীতি মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে। আজ সোমবার দুপুর ১২টার দিকে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে অবস্থিত ঢাকার ৯ নম্বর বিশেষ জজ শেখ হাফিজুর রহমানের আদালতে কারাবন্দি খালেদা জিয়া হাজির হন। তারপরই শুরু হয় মামলার কার্যক্রম। শুনানি চলে টানা দুপুর ২টা পর্যন্ত। এ সময় মামলার অন্য আসামিরাও আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। আজকে মামলায় খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন আবদুর রেজাক খান, এ জে মোহাম্মদ আলী, ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান খান, মাসুদ আহমেদ তালুকদার। এ দিন এই মামলার আসামি সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদও শুনানিতে অংশ নেন। অপরদিকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন মোশাররফ হোসেন কাজল। এর আগে গত ১৩ জানুয়ারি মামলার শুনানি হয়। সেদিন আদালত আসামিদের সময় দিয়ে আজকের জন্য শুনানির দিন রাখেন। ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর তেজগাঁও থানায় কানাডার কোম্পানি নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের বিপুল আর্থিক ক্ষতিসাধন ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে দুদকের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম নাইকো মামলাটি করেন। পরে ২০০৮ সালের ৫ মে এ মামলায় খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক এস এম সাহেদুর রহমান। অভিযোগপত্রে প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়। এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন—সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন, সাবেক মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব সি এম ইউছুফ হোসাইন, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, সাবেক সচিব মো. শফিউর রহমান, ব্যবসায়ী গিয়াসউদ্দিন আল মামুন, ঢাকা ক্লাবের সাবেক সভাপতি সেলিম ভূঁইয়া ও নাইকোর দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আলীগের বিজয় সমাবেশ চলছে
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ সংসদ নির্বাচনে অর্জিত বিশাল জয় উদযাপনে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে চলছে আওয়ামী লীগ আয়োজিত মহাসমাবেশ। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত আছেন। শুক্রবার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, বিজয় সমাবেশে দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবেন। তিনি সমাবেশে নেতাকর্মীদের ক্ষমতার অপব্যবহার না করতে সতর্ক করবেন। কাদের আরও জানিয়েছিলেন, শেখ হাসিনা দুর্নীতি, মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের বিষয়ে নেতা-কর্মীদের সতর্ক করবেন। বিশেষ করে মাদক নির্মূলে যে যুদ্ধ চলছে তাতে সবাইকে ঝাঁপিয়ে পড়ার নির্দেশনা আসবে সমাবেশ থেকে। এছাড়া, প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে উন্নয়ন পরিকল্পনা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরবেন। এদিকে শনিবার সকালে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নির্বাচনে হওয়া নৈতিক পরাজয় ঢাকার পাশাপাশি এ থেকে জনগণের সৃষ্টি অন্য দিকে সরিয়ে দিতে তারা (আওয়ামী লীগ) বিজয় উৎসব করছে। বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৮৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে তার মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে মির্জা ফখরুল আরও বলেন, আওয়ামী লীগ এমন এক বিজয় উদযাপন করছে যা তারা ভয়াবহ ভোট ডাকাতির মাধ্যমে পেয়েছে। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়া নির্বাচনে ২৫৭ আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট ২৯৯ আসনের মধ্যে জয়লাভ করে ২৮৮ আসনে। জোট সঙ্গী জাতীয় পার্টি পায় ২২টি আসন।
দৃষ্টি সরাতে আওয়ামী লীগের বিজয় উৎসব: মির্জা ফখরুল
অনলাইন ডেস্ক: মানুষের দৃষ্টিকে অন্য দিকে সরানোর জন্য আওয়ামী লীগ বিজয় উৎসব পালন করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ভোট ডাকাতি করে যে নৈতিক পরাজয় হয়েছে তা থেকে মানুষের দৃষ্টিকে অন্য দিকে সরানোর জন্য আওয়ামী লীগ বিজয় উৎসব পালন করছে। ৩০ ডিসেম্বর গণতন্ত্রের পরাজয় হয়েছে। সঙ্গে আওয়ামী লীগের সবচেয়ে বড় পরাজয় হয়েছে। কারণ তারা জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। শনিবার সকালে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৮৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার সমাধিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ শেষে এসব কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব। ফখরুল বলেন, ঐক্যফ্রন্ট আছে, ২০ দলীয় জোট আছে এবং থাকবে আমাদের মাঝে কোনো টানাপোড়েন নেই। বিএনপি মহাসচিব বলেন, জিয়াউর রহমান একদলীয় শাসনব্যবস্থা থেকে বহুদলীয় শাসনব্যবস্থা অর্থাৎ গণতন্ত্রের বহুমাত্রিকতার বিষয়টি সামনে নিয়ে আসেন। বহুদলীয় গণতন্ত্র, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, ভিন্নমত প্রকাশের স্বাধীনতা, ভোটের অধিকার, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা সামনে নিয়ে আসেন। ফখরুল বলেন, আজকে দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে- যিনি জাতিকে স্বাধীনতায় অনুপ্রাণিত করেছিলেন, যিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন তার জন্মদিনে আওয়ামী লীগ উৎসব পালন করতে যাচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে গণতন্ত্রের প্রতি তাদের কোনো শ্রদ্ধা নেই। তারা মুখে গণতন্ত্রের কথা বলে কিন্তু বিশ্বাস করে না। তিনি বলেন, আজকের এই দিনে আমরা শপথ নিয়েছি। গণতন্ত্রকে আমরা মুক্ত করবো, সর্বোপরি যিনি এই পতাকা ধরে আছেন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তাকে মুক্ত করবো। এবং তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনবো। এ সময় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ড. আবদুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাজাহান, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আহমেদ আযম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আতাউর রহমান ঢালী, ডা. ফরহাদ হালীম ডোনারসহ যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষকদল, শ্রমিক দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।- আলোকিত বাংলাদেশ
বিজয় উদযাপন করছে আওয়ামী লীগ
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় অর্জন করায় আওয়ামী লীগ আজ বিজয় উদযাপন করছে। এ উপলক্ষে শনিবার বেলা আড়াইটায় রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিজয় মহাসমাবেশে মিলিত হচ্ছে দলটির সর্বস্তরের নেতাকর্মী। সেখানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে আওয়ামী লীগের জোট শরীকদের, দেশের সুশীল ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদেরও। এ বিজয় সমাবেশকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দলের নেতাকর্মীরা জড়ো হচ্ছে। এ বিজয় সমাবেশে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৫৭ আসন পেয়ে ভূমিধস জয়ের দেখা পায় আওয়ামী লীগ। এ জয় উদযাপনেই এ মহাসমাবেশের আয়োজন করেছে দলটি। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট ২৯৯ আসনের মধ্যে ২৮৮টিতে জয়লাভ করেছে। জোট সঙ্গী জাতীয় পার্টি ২২টি আসন পেয়ে সংসদে প্রধান বিরোধীদলের ভূমিকা পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এক প্রার্থী মারা যাওয়ায় গত ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে গাইবান্ধা-৩ আসনে ভোটগ্রহণ হয়নি। এদিকে একাদশ সংসদের নির্বাচনে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম দল বিএনপি ও ২০ দলীয় জোট এবং তাদের জোট সঙ্গী জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনে অংশ নিলেও তারা মাত্র আটটি আসন পেয়েছে। এর মধ্যে বিএনপির জোট সঙ্গী গণফোরাম জয়লাভ করেছে দুই আসনে। তবে, ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা এখনও শপথ নেননি। একাদশ জাতীয় নির্বাচনে বিপুল ব্যবধানে জয়লাভের পর আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা গত ৭ জানুয়ারি তার মন্ত্রিসভার ৪৬ সদস্যকে নিয়ে শপথ নেন। ৪৭ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ২৪ জন মন্ত্রী, ১৯ জন প্রতিমন্ত্রী ও তিনজন উপমন্ত্রী রয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৭ জনই নতুন মুখ। জাতির সামনে তুলে ধরা নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে মন্ত্রিসভার কাজে গতি আনতে তাদের বেছে নেয়া হয়েছে।-ইউএনবি
চোখ থাকতেই অন্ধ বিএনপি: তথ্যমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি চোখ থাকতেই অন্ধ, তাই তাদের অন্ধত্ব দূর করা যায় না। বিএনপি বলে, দেশে কোনো উন্নয়ন হয় নাই। কিন্তু তারা আওয়ামী লীগ যে ফ্লাইওভার বানিয়েছে সেই ফ্লাইওভার দিয়ে যাতায়াত করে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের মানুষ উন্নয়নের পক্ষে রায় দিয়েছে আর বিএনপিকে লাল কার্ড দেখিয়েছে মন্তব্য করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশে অসুস্থ ধারার রাজনীতি করেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকার সাভারের তেঁতুলঝোড়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন ড. হাছান মাহমুদ। বিএনপির নেতৃবৃন্দের উদ্দেশে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আপনাদের আওয়ামী লীগ ভালো না, কিন্তু আওয়ামী লীগের বানানো রাস্তা-ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে ভালো লাগে। সুতরাং বাংলাদেশের মানুষ যে রায় দিয়েছে এই রায় উন্নয়নের পক্ষে, প্রগতির পক্ষে। দেশের মানুষ আওয়ামী লীগকে চারবার ক্ষমতায় বসিয়েছে তাই দেশের মানুষের সঙ্গে কোনো খারাপ আচরণ করা যাবে না বলে নেতাকর্মীদের সতর্ক করে দেন আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সংলাপ প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট বলছে জাতীয় সংলাপ করবে। ওই মিটিংয়ে মির্জা ফখরুল সাহেব যাননি, জিজ্ঞেস করলে আবদুর রব সাহেব বললেন, তিনি অসুস্থ। গয়েশ্বর বাবু বা অন্যরা আসেননি কেন জানতে চাইলে বললেন জানি না। দেখেন ঐক্যফ্রন্টের মধ্যেই ঐক্য নাই, তারা কিসের জাতীয় সংলাপ করবে। তৃতীয় বারের মতো ঢাকা-২ আসনের সংসদ্য নির্বাচিত হওয়ায় অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামকে এ সংবর্ধনা দেন সাভারের ভাকুর্তা, আমিনবাজার ও তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম রাজীবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান, ঢাকা জেলা উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক সায়েম মোল্লা, সাভার উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নাছির আহমেদ, তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফখরুল আলম সমর, তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আব্দুল কাইয়ুমসহ আরো অনেকে। সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
১৯ জানুয়ারি আ.লীগের বিজয় সমাবেশ
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় উপলক্ষে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের বিজয় সমাবেশ আগামীকাল শনিবার (১৯ জানুয়ারি)। সমাবেশে সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি সমাবেশের দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেবেন। সমাবেশ শুরু হবে দুপুর আড়াইটায়। তবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হবে দুপুর ১২টায়। সকাল এগারোটায় সমাবেশস্থলে প্রবেশের গেইট খুলে দেয়া হবে। এদিকে আগামীকালের রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বিজয় সমাবেশ সফল করার লক্ষে সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে আওয়ামী লীগ। সমাবেশ সফল করার লক্ষে দলের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ, ঢাকা ও তার আশপাশের জেলার আওয়ামী লীগ ও দলীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রস্তুতি সভা করেছে দলটি। এ উপলক্ষে আজ রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ বর্ধিত সভার আয়োজন করে। তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক হাছান মাহমুদ এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন। তিনি শনিবারের বিজয় সমাবেশ, উৎসব নয় উল্লেখ করে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, সমাবেশ বর্ণিল কিন্তু সুশৃঙ্খল হবে। নেত্রীর বক্তব্য শেষ হওয়া পর্যন্ত সবাই উপস্থিত থাকার নির্দেশনাও দেন তিনি। এছাড়াও এর আগে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের সঙ্গেও প্রস্তুতি সভাও অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্বাধীনতার পর এ বিজয় সমাবেশকে স্মরণীয় করে রাখতে বিপুল জনসমাগমের জন্য সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ এককভাবে ২৫৭ টি আসনে জয়লাভ করে।
ঐক্যফ্রন্টের বৈঠকে অংশ নেননি মুখপাত্র মির্জা ফখরুল
অনলাইন ডেস্ক: জাতীয় সংলাপের বিষয়ে আলোচনা ও পেশাজীবী সম্মেলনের আয়োজনসহ বেশ কয়েকটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে পূর্বনির্ধারিত বৈঠকে আসেননি স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য, বিএনপির মহাসচিব ও ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেল পৌনে ৫টায় ড. কামাল হোসেনের মতিঝিলের চেম্বারে এ বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে মির্জা ফখরুলে অংশ না বিষয়ে ঐক্যফ্রন্টের প্রধান সমন্বয়ক মোস্তফা মোহসীন মন্টু বলেন, ‘শারীরিক অসুস্থতার কারণে মির্জা ফখরুল আজকের বৈঠকে অংশ নেনেনি। এছাড়াও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও ড. মঈন খাঁন বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিএনপির নিজস্ব কিছু বৈঠকে অংশ নেয়ায় তারা যথাসময়ে ঐক্যফ্রন্টের বৈঠকে অংশ নিতে পারেননি। বৈঠকে আরও উপস্থিত আছেন-ঐক্যফ্রন্টের প্রধান সমন্বয়ক মোস্তফা মোহসীন মন্টু, গণফোরামের কার্যকরী সভাপতি ও ঐক্যফ্রন্ট নেতা সুব্রত চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, জেএসডির সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, সুলতান মনসুর চৌধুরীসহ দলের সিনিয়র নেতারা। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে জাতীয় সংলাপের বিষয়ে আলোচনা হবে। সংলাপে কে কে যাবে, কী কী এজেন্ডা থাকবে, সেগুলো নিয়ে কথা হবে। এছাড়াও পেশাজীবীসহ রাজনৈতিক দলের নেতাদের নিয়ে এ মাসের শেষ দিকে একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সেই সম্মেলনের প্রস্তুতি, তারিখ নির্ধারণ,কারা কারা দাওয়াত পাবেন, কীভাবে অনুষ্ঠান সম্পন্ন হবে এসব বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বৈঠকে।
১৪ দলীয় জোট ও মহাজোটের মধ্যে কোনো বিবাদ নেই: ওবায়দুল কাদের
অনলাইন ডেস্ক: ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট এবং মহাজোটের মধ্যে কোনো ধরনের বিবাদ নেই বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, মহাজোট নামে যে ঐক্য তা নিবাচনী আর ১৪ দলের সাথে আমাদের যে সম্পর্ক তা রাজনৈতিক। রাজনৈতিক জোট থাকবে, তা আমরা ভেঙে দেইনি। জোট ও মহাজোটের মধ্যে কোনো ধরনের বিবাদ, ভাঙন বা টানাপোড়েন নেই। যদি কোনো ভুল বোঝাবুঝি হয় তাহলে সেটি আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হবে। বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের সমাবেশের প্রস্তুতি পরিদর্শনে এসে এসব কথা বলেন তিনি। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাদের আরও বলেন, রাজনৈতিক জোট যদি বিরোধীদলের ভূমিকা পালন করে, গঠনমূলক আলোচনা করে তা সরকারের জন্য ভালো, তাদের জন্যও ভালো। রাজনৈতিক কারণে ১৪ দলের শরিরদের বিরোধী দলে থাকাই ভালো। এতে সরকারের ভুল সংশোধন এবং সমালোচনার সুযোগ থাকবে, যোগ করেন তিনি। বিএনপিকে বেপরোয়া গাড়িচালকের সাথে তুলনা করে কাদের বলেন, পরাজিত বিএনপি বেপরোয়া হলেও সরকার ধৈর্যশীল। আওয়ামী লীগ বিশাল জয় অর্জনের সাথে দেশ ও মানুষের প্রতি বিশাল দায়িত্ব পেয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
জনগণ টিআইবির রূপকথার গল্পের জবাব দেবে: কাদের
অনলাইন ডেস্ক: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দেশের জনগণ জাতীয় নির্বাচন নিয়ে টিআইবির অলীক ও অবিশ্বাস্য রূপকথার গল্পের জবাব দেবে। তিনি বলেন, টিআইবি নির্বাচন নিরপেক্ষ হয়নি বলে অলীক, অবিশ্বাস্য রূপকথার কাহিনী সাজাচ্ছে। নির্বাচনে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ব্যবহার করা হয়েছে। বিএনপির কোন এজেন্ট বা টিআইবির একজন প্রতিনিধিও নির্বাচনের দিন স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সের বিরুদ্ধে কোন কথা বলেননি। সেতুমন্ত্রী কাদের বলেন, নির্বাচনের দিন তারা নির্বাচনের কারচুপির কোন কারণ খোঁজে পাননি। আর এখন তারা নির্বাচন নিয়ে কেন অলীক রূপকথার গল্প সাজাচ্ছেন তা আমরা জানি। দেশের জনগণই তার জবাব দেবে। ওবায়দুল কাদের বুধবার দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের দলীয় কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের উদ্যোগে আয়োজিত বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নিরঙ্কুশ বিজয় উপলক্ষে আগামী ১৯ জানুয়ারি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জনসভা সফল করার লক্ষ্যে এ বর্ধিত সভার আয়োজন করা হয়। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাঈল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজার পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হারুনুর রশিদ। ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বেপরোয়া চালক হয়ে গেছেন। কখন যে তিনি কোন দুর্ঘটনা ঘটিয়ে ফেলেন, সে বিষয়ে সকলকে সচেতন থাকতে হবে। তিনি বলেন, গত দশ বছরে বিএনপির যে মহাসচিব দশ মিনিটের জন্যও আন্দোলন করতে পারেননি, যার নেতৃত্বে জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি দশটিরও কম আসন পায়, লজ্জা-শরম থাকলে তিনি আরো আগেই পদত্যাগ করতেন। কাদের বলেন, আন্দোলনে চরম ব্যর্থতা, নির্বাচনে শোচনীয় পরাজয়, লজ্জা-শরম থাকলে আপনাকে আরো অনেক আগেই পদত্যাগ করা উচিত ছিল। তিনি বলেন, তার (ফখরুল) নির্বাচনে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত গণজাগরণ ভাল লাগছে না। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মত অভূতপূর্ব ফলাফল ৭৫-পরবর্তী সময়ে কেউ কখনো দেখেনি। এ বিজয়কে যারা প্রত্যাখ্যান করে জনগণের কাছে তাদের ক্ষমা চাওয়া উচিত। সেতুমন্ত্রী কাদের আরো বলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল তার দলের শোচনীয় পরাজয়ের জন্য পদত্যাগ না করে নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ আনেন। নির্বাচনে কারচুপি হলে তিনি (ফখরুল) কীভাবে জয়লাভ করলেন? আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাদের যুবলীগের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আওয়ামী যুবলীগ একটি সুশৃঙ্খল সংগঠন। আগামী ১৯ জানুয়ারির আওয়ামী লীগের বিজয় সমাবেশকেও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার জন্য তাদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। এ সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের জনগণ ও দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেবেন বলেও জানান তিনি।- আলোকিত বাংলাদেশ

রাজনীতি পাতার আরো খবর