রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২০
অক্টোবরের থেকে সাংগঠনিক সফরে নামছে আ. লীগ
২১সেপ্টেম্বর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অক্টোবরের শুরু থেকেই দেশব্যাপী সাংগঠনিক সফরে নামছে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ। লক্ষ্য করোনা স্থবিরতা কাটিয়ে দলকে চাঙা করা। এর মধ্যে তৃণমূলের সব ইউনিটে কাউন্সিল ও পূর্ণাঙ্গ কমিটিও করতে চায় দলের হাইকমান্ড। কিন্তু টানা ক্ষমতায় থাকার ১ যুগের মাথায় দলের ভেতর বাইরের অন্তর্কোন্দল মেটানোসহ এ সফরে চ্যালেঞ্জ কতটা? নেতারা বলছেন, জোর দেয়া হবে দলীয় কোন্দল নিরসনে। মূল্যায়ন করা হবে ত্যাগীদের। ৫টি সংসদীয় আসন, ৯ উপজেলা, ৪ জেলা ও ৬১টি ইউনিয়নের উপনির্বাচনকে ঘিরে নেতাকর্মীদের দৌড়ঝাঁপ চলছে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে। তবে এর বাইরেও প্রতিদিনই এ কার্যালয়ে আসছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের তৃণমূল নেতারা। কেন্দ্রীয় সম্মেলনকে কেন্দ্র করে তড়িঘড়ি করে ৩১ জেলা ইউনিটের সম্মেলন হয়েছে, কিন্তু পূর্ণাঙ্গ হয়নি কমিটি। পূর্ণ কমিটির সে তালিকা দলের দপ্তরে জমা দিচ্ছেন নেতারা। আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে কমিটি পূর্ণাঙ্গ করা হয়নি। ইতোমধ্যে আমরা প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ সম্মেলন হয়ে যাওয়া জেলার কমিটির তালিকা হাতে পেয়েছি। অনেক অভিযোগ এসেছে, আর বাকি কমিটিগুলোর তালিকা আমি আশা করছি এ মাসের মধ্যেই আমাদের হাতে আসবে। করোনা পরিস্থিতির কারণে যেখানে ছিল সুনসান নীরবতা, স্থবিরতা সেখানে এমন কর্মচঞ্চল, কর্মীদের আনাগোনা। এর মধ্যে দেশব্যাপী সাংগঠনিক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি। সবকিছু ঠিক থাকলে আসছে মাসের শুরুর দিকেই জেলায় জেলায় বেড়িয়ে পড়বে কেন্দ্রীয় নেতারা। এরই মধ্যে দলীয় সভাপতির নির্দেশে ৮ বিভাগে যে ৮টি টিম সফর করবে; প্রস্তুত হয়েছে তার খসড়াও। প্রেসিডিয়াম সদস্যের নেতৃত্বে এ টিমে থাকবেন যুগ্ম সম্পাদক ও দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদকরা। আওয়ামীলীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, কেন্দ্রীয় নেতারা যখন একটা জেলায় যাবে সেই জেলায় একটা কর্মচাঞ্চলতা সৃষ্টি হবে। জেলা পার হয়ে যখন উপজেলা যাবে তখন সেখানকার নেতারা আরও প্রাণ চঞ্চলতা ফিরে পায়। কাজেই আমরা সেই বিষয়গুলো করতে চাই। করোনা সংকটের মধ্যেও কিশোরগঞ্জের একটি উপজেলায় সশস্ত্র সংঘাত হয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের মধ্যে। অন্তর্কোন্দল আছে তৃণমূলের বেশিরভাগ ইউনিটে। নেতারা বলছেন, কোন্দল নিরসনের পাশাপাশি ত্যাগী কর্মীর পদ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কর্নেল (অব) ফারুক খান বলেন, সেন্ট্রাল কমিটি থেকে শুরু করে গ্রাম পর্যায়ে লাখ লাখ সংগঠন আছে তার মধ্যে দু’একটি সংগঠনে মারামারি হলে আমি মনে করি সেটা সিরিয়াস ব্যাপার না। তবে যেখানে মারামারি হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ব্যাবস্থা নেওয়া হয়েছে। এবং আগামীতে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, যারা প্রতিহিংসা সৃষ্টি করছেন, যারা শৃঙ্খলা ভঙ্গ করবেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। আরও পড়ুন- অনুপ্রবেশকারী ঠেকাতে ‘চাপে’ আ. লীগের উপকমিটি চলতি মাসের মধ্যেই ঘোষণা করা হবে আওয়ামী লীগের ৫ সহযোগী সংগঠনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি। এছাড়া দলকে গতিশীল করতে চলতি বছরের মধ্যেই ৭৮ সাংগঠনিক ইউনিটে সম্মেলন শেষ করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে বলেও জানান কেন্দ্রীয় নেতারা।
বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথে চললে দেশ এতোদিনে দুর্নীতিমুক্ত হতো
১৮,আগস্ট,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশিষ্ট আইনজীবী, সংবিধান প্রণেতা ড. কামাল হোসেন বলেছেন, বঙ্গবন্ধু আমাদের পথ দেখিয়ে গিয়েছিলেন সন্ত্রাসমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়ার। বঙ্গবন্ধুর সেই পথে আমরা চলতে পারলে বাংলাদেশ আজ দুর্নীতিমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত দেশ হতো। ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুর শাহাদতবার্ষিকীতে সেটাই আমাদের স্মরণ করা দরকার। বর্তমানে দেশে যে দুর্নীতি চলছে বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে শক্ত হাতে তা দমন করতেন। বঙ্গবন্ধু সবসময় দুর্নীতির বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থানে ছিলেন। দেশ স্বাধীনের পর প্রথম দেশে পা রেখেই তিনি দুর্নীতিবাজদের হুঁশিয়ার করেন। তিনি বলেন, আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কথা বলি কিন্তু কাজে দেখি না। মানবজমিন-এর সঙ্গে আলাপে গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন এসব কথা বলেন।- মানব জমিন
বাঙালি জাতির স্বপ্নের রূপকার ছিলেন বঙ্গবন্ধু : রওশন এরশাদ
১৫আগস্ট,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ বলেছেন, আমাদের জাতীয় ইতিহাসে বঙ্গবন্ধুর অবদান অপরিসীম। বঙ্গবন্ধু ছিলেন জাতীয় ঐক্য, প্রেরণা ও স্বাধীনতার মূর্ত প্রতীক, বাঙালি জাতির স্বপ্নের রূপকার। শোক দিবস উপলক্ষে পাঠানো এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন। বিরোধীদলীয় নেতা রওশন বলেন, বঙ্গবন্ধুর ইস্পাত কঠিন নেতৃত্ব বাঙালি জাতিকে দিয়েছে অধিকার আদায়ের প্রেরণা। তাঁরই নেতৃত্বে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মধ্যদিয়ে স্বাধীন হয়েছে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি। এ স্বাধীনতা অর্জনে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের অবদান আমরা চিরদিন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবো। ১৫ আগস্ট কেবল একজন রাষ্ট্রনায়ককে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়নি বরং ধূলিসাৎ করার চেষ্টা হয়েছে সদ্য স্বাধীন রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নকেও, বলেও রওশন এরশাদ। বিরোধীদলীয় নেতা শোকাহত চিত্তে গভীর শ্রদ্ধা জানান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং পরিবারের শহীদ সদস্যদের স্মৃতির প্রতি। পরম করুনাময় আল্লাহর দরবারে বঙ্গবন্ধুসহ সব শহীদের আত্নার মাগফেরাত কামনা করেন তিনি।
ষড়যন্ত্রকারীরা দেশের এগিয়ে যাওয়ার পথ বন্ধ করতে চায়: ওবায়দুল কাদের
১৪আগস্ট,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রের কুশীলবরা সাম্প্রদায়িকতার বিষ ছড়িয়ে দেশের এগিয়ে যাওয়ার পথ বন্ধ করতে চায়। তিনি বলেন, ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রের কুশীলববরা এখনও আছে। উন্নয়ন বিরোধী অপশক্তি এখনও চারপাশে। উগ্রসাম্প্রদায়িক অপশক্তি এখনও সুযোগ খুঁজছে। তারা দেশের উন্নয়ন বিরোধী। শান্তি ও স্বস্তির বাংলাদেশ তারা চায় না। শেখ হসিনার নেতৃত্বে সমৃদ্ধ আগামীর পথে এগিয়ে যাওয়া তাদের গাত্রদাহ। ওবায়দুল কাদের আজ শুক্রবার বিকেলে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন(ডিএসসিসি) আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের তাঁর জাতীয় সংসদ ভবনের বাসভবন থেকে আলোচনা সভায় ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, তারা এদেশকে পাকিস্তানী ভাবধারায় নিয়ে যেতে চায়, চায় সংঘাতে জর্জড়িত রক্তান্ত প্রান্তর। তারা সাম্প্রদয়িকতার বিষ ছড়িয় দেশের এগিয়ে যাওয়া বন্ধ করতে চায়। কিন্তু যতক্ষন দেশরত্ন শেখ হাসিনা আছেন, আমাদের সমৃদ্ধ আগামী বিনির্মানের আগ্রযাত্রা এগিয়ে যাবেই। সতর্কতার পাশাপাশি আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। সম্মলিত প্রয়াসে দেশরত্ন শেখ হাসিনার হাতকে করতে হবে শক্তিশালী। ওবায়দুল কাদের বলেন, যারা কথায় কথায় গুম-খুনের কথা বলেন, মানবাধিকারের বুলি আওড়ায় তারাই অপারেশন ক্লিন হার্র্টের নামে ২০০২ সাল থেকে ২০০৩ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে ৯৭ জনকে হত্যা করেছিল। যারা বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বাঁচাতে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেছিলো তাদের মুখে মানবাধিকারের কথা মানায় না। তিনি বলেন, খুনিদের সাথে সখ্যতা, খুনের অনুমোদন দেওয়া আর হত্যা ও সন্ত্রাস নির্ভর রাজনীতিই বিএনপির ঐতিহ্য। তারা দুর্নীতি নিয়ে কথা বলে। অথচ বিএনপি আর দুর্নীতি শব্দ দুইটি এখন অনেকটাই সমার্থক। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধে লাখো শহীদের রক্তস্রোতে এদেশের প্রতি ইঞ্চি ভূমি পবিত্র উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রতি ইঞ্চি ভূমি এখন উন্নয়নের ফসলে ভরে তুলেছেন উন্নয়নের কান্ডারী শেখ হাসিনা। ১৫ ও ২১ আগস্টের কুশীলবরা এখনও সক্রিয়। এখনও তাদের ষড়যন্ত্রের নীলনকশা চলছে জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ১৫ আগস্ট ইতিহাসের নিষ্ঠুরতম রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড। জগতে আর কোনো হত্যাকাণ্ডে নিষ্পাপ শিশুকে হত্যা করা হয়নি, অবলা নারীকে হত্যা করা হয়নি, টার্গেট করা হয়নি অন্তঃসত্ত্বা নারীকে। তিনি বলেন, সে সময় বিদেশে ছিলেন বলেই প্রাণে বেঁচে যান আমাদের আশার বাতিঘর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বঙ্গবন্ধুর আরেক কন্যা শেখ রেহানা। সেদিন তারা বেঁচে গিয়েছিলেন বলেই আজকে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হয়েছে। হয়েছে যুদ্ধাপরাধের বিচার। কলঙ্কমুক্ত হয়েছে দেশ। ওবায়দুল কাদের বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের নির্মম হত্যাযজ্ঞ এবং পরবর্তীতে ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা একই ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতা। ১৫ আগস্টের প্রধান টার্গেট ছিল আমাদের ভৌগলিক মুক্তির স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। একুশে আগস্টে প্রধান টার্গেট ছিল আমাদের অর্থনৈতিক মুক্তির স্থপতি শেখ হাসিনা। দুইটি ঘটনার কুশীলবরা এখনও সক্রিয়। তাদের ষড়যন্ত্রের নীলনকশা এখনও চলছে। বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ঢাকায় বসে গণমাধ্যমে মিথ্যাচার করা, নেতিবাচকতার বিষবাষ্প এবং গুজব ছড়ানোই এখন তাদের রাজনীতির মূল হাতিয়ার। শেখ হাসিনা অপরাধীদের বিচারের বেলায় কোনো দলীয় পরিচয় দেখেননি। অপরাধীকে অপরাধী হিসেবেই বিবেচনা করেছেন। নিজের দলের কর্মীদেরও তিনি ছাড় দেননি। তিনি প্রমাণ করেছেন দলীয় পরিচয় স্বার্থরক্ষার ঢাল হতে পারে না। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের সভাপতিত্বে শোক দিবসের আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন এলজিআরডি মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মান্নাফি, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব হেলাল উদ্দিন আহমদ প্রমুখ। (বাসস)
চসিক প্রশাসক সুজনকে নাছিরের অভিনন্দন
০৫আগস্ট,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) নবনিযুক্ত প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজনকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিদায়ী মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। করোনার কারণে স্থগিত চসিক নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত নতুন প্রশাসক দায়িত্ব পালন করবেন। আজ বুধবার নতুন প্রশাসক দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন। মঙ্গলবার চসিকের বাজেট ঘোষণা অনুষ্ঠানে এবং নিজের ফেসবুক পেজে এই অভিনন্দন বার্তা পোস্ট করেন আ জ ম নাছির উদ্দীন। অভিনন্দনে নাছির উদ্দীন লেখেন, চট্টগ্রামের রাজপথের লড়াই সংগ্রামের দীর্ঘ দিনের পরীক্ষিত সৈনিক, স্বৈরাচার সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজনকে চসিকের প্রশাসক পদে নিয়োগ দেওয়ায় বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চট্টগ্রামবাসীর পক্ষ থেকে সালাম, শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। অভিনন্দন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নবনিযুক্ত প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন। অনেক অনেক শুভ কামনা রইলো। ছাত্রজীবন থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত খোরশেদ আলম সুজন ছাত্রলীগ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক, পরে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ছাত্রলীগের বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালনের পর তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে আসেন। চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পদে থাকার পর বর্তমান কমিটির সহসভাপতি তিনি। দীর্ঘ বছর ধরে ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত খোরশেদ আলম সুজন চসিকের স্থগিত হওয়া নির্বাচনে মেয়র পদে দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলেন। বর্তমান মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনসহ আরো বেশ কজনও মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান। তবে শেষ পর্যন্ত দল থেকে মনোনয়ন পান মহানগর আওয়ামী লীগের প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম রেজাউল করিম চৌধুরী। সুজন ২০০৮ সালের নির্বাচনে চট্টগ্রামের বন্দর পতেঙ্গা আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছিলেন। পরে মনোনয়ন পরিবর্তন করে সেখানে এম এ লতিফকে দল থেকে প্রার্থী করা হয়। এরপর বিভিন্ন সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি চসিকের একাধিক নির্বাচনে নিজ দল আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন চেয়ে আসছিলেন সুজন।
ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিরোধীদলীয় নেতার শুভেচ্ছা
৩০জুলাই,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্বের সব মুসলিমদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে তিনি এ শুভেচ্ছা জানান। শুভেচ্ছা বাণীতে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, আল্লাহর প্রতি গভীর আনুগত্য ও সর্বোচ্চ ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর পবিত্র ঈদুল আজহা। মহান আল্লাহর নির্দেশে স্বীয় পুত্র ইসমাইল (আ.)কে কোরবানি করতে উদ্যত হয়ে হযরত ইব্রাহিম (আ.) আল্লাহর প্রতি অগাধ ভালবাসা, অবিচল আনুগত্য ও আকুণ্ঠ আত্মত্যাগের যে সুমহান দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তা অতুলনীয়। তিনি আরও বলেন, ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে কোরবানির শিক্ষা সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে জাতীয় উন্নয়ন ত্বারন্বিত হবে। রওশন এরশাদ বলেন, ঈদুল আজহা এবার একটু ভিন্নভাবে পালিত হচ্ছে। করোনা ভাইরাস আমাদের মধ্যে মহাবিপর্যয় হিসেবে দেখা দিয়েছে। মহান ত্যাগের মহিমায় সবাইকে মহামারি প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে নির্দেশনাগুলো মেনে নিজে সুস্থ থাকতে এবং সবাইকে সুস্থ রাখতে নিরাপদ সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ঈদুল আজহা উদযাপনের আহ্বান জানান তিনি।
গলাবাজির রাজনীতি করছে বিএনপি: কাদের
২৪,জুলাই,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নির্বাচন ও আন্দোলনে জনগণ থেকে প্রত্যাখ্যাত বিএনপির নেতারা অপরাজনীতির অন্ধকার গিরিখাদে দিকভ্রান্ত পথহারা পথিকের মতো প্রলাপ করছেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। নিজেদের দুর্বলতা ঢাকতে বিএনপি প্রেস ব্রিফিং নির্ভর গলাবাজির রাজনীতি করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। শুক্রবার (২৪ জুলাই) ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত করোনা প্রতিরোধ সামগ্রী ও বন্যাকবলিত জেলাগুলোতে ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে এ মন্তব্য করেন মন্ত্রী। নিজের সরকারি বাসভবন থেকে ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপ-কমিটি আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। ওবায়দুল কাদের বলেন, নিজেদের দুর্বলতা ঢাকতে সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার ও চাতুর্যপূর্ণ কথামালা ব্যবহার করে প্রেস ব্রিফিং নির্ভর গলাবাজির রাজনীতি করছে বিএনপি। তিনি বলেন, গলাবাজির দিনশেষ, ডিজিটাল বাংলাদেশে জনগণ এখন অনেক সচেতন। জনগণ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি আস্থাশীল। জনগণ জানে বৈশ্বিক মহামারি ও দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলা ও পরবর্তী অর্থনৈতিক গতিশীলতা পুনরুদ্ধারে শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেই। করোনার এ সঙ্কটে মানুষের জীবন জীবিকা সচল রাখতে খাদ্যের অভাবে মানুষের যেনো কষ্ট না হয় সেজন্য প্রধানমন্ত্রী একের পর এক জনকল্যাণমুখী পদক্ষেপ নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দুর্যোগ মোকাবিলায় অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বাংলাদেশ এখন অনেক শক্তিশালী। সেতুমন্ত্রী বলেন, বিদেশগামী নাগরিকদের জন্য নমুনা পরীক্ষা করে করোনার সনদ সংগ্রহ বাধ্যতামূলক। এজন্য সরকার নমুনা পরীক্ষার কেন্দ্র সুনির্দিষ্ট করে দিয়েছে। এক্ষেত্রে ৭২ ঘণ্টা আগে নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। এসময় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকুক আর না থাকুক দেশের যেকোনো সঙ্কট ও দুর্যোগে অসহায় মানুষের পাশে থাকে। আর এটাই আওয়ামী লীগের ঐতিহ্য। কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, দেশের এ সঙ্কটে বিএনপির কোনো কার্যক্রমে নেই। প্রেস ব্রিফিং করা ছাড়া তাদের আর কিছুই করার নেই। এসময় অনুষ্ঠানে ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ ও উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান উপস্থিত ছিলেন।- বাংলা নিউজ
রাজনীতিতে দুর্বৃত্তায়নের বিরুদ্ধে সকল নেতা-কর্মীদের সোচ্চার হওয়ার আহ্বান
১৪,জুলাই,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগ সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা এমপির নির্দেশক্রমে রাজনীতিতে দুর্বৃত্তায়নের বিরুদ্ধে সকল নেতা-কর্মীদের সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। এ সময় কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা এমপি দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। দুর্নীতিবাজ ও দুর্বৃত্তায়নের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং রাজনীতিতে দুর্বৃত্তায়নকে যারা পৃষ্ঠপোষকতা করবে তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। আজ বিকেল ৪টায় আওয়ামী লীগ সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক অনির্ধারিত বৈঠক থেকে এ আহ্বান জানানো হয়। বৈঠকে বগুড়া-১ ও যশোর-৬ আসনের উপ-নির্বাচন পর্যবেক্ষণ ও সার্বিক খোঁজ-খবর নেন। বৈঠকে প্রতিকূল আবহাওয়া ও করোনাজনিত নানা সমস্যাকে জয় করে নির্বাচনে ভোটদানকারী সকল ভোটার ও সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট সকলকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানানো হয়। বৈঠকে ১৫ আগস্ট সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলেক্ষে আওয়ামী লীগের কর্মসূচি সম্পর্কে বিস্তারিত আলাপ-আলোচনা হয় এবং ৫ আগস্ট শহীদ শেখ কামালের জন্মিদন ও ৮ আগস্ট বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব-এর জন্মদিনের কর্মসূচি সম্পর্কে বিস্তারিত আলাপ-আলোচনা হয়। ওয়ান-ইলেভেন সরকারের মাইনাস টু ফর্মুলা বাস্তবায়নে ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই আওয়ামী লীগ-এর সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা এমপি'কে গ্রেফতার করা হয়, দিনটি স্মরণে আগামী ১৬ জুলাই জননেত্রী শেখ হাসিনার কারাবন্ধি দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে সীমিত পরিসরে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে আলোচনা অনুষ্ঠানের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ. ফ. ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, এস. এম কামাল হোসেন, মির্জা আজম এমপি, অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য সাহাবুদ্দিন ফরাজী প্রমুখ।

রাজনীতি পাতার আরো খবর