সোমবার, জুলাই ১৩, ২০২০
বিএনপির মুখে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলা হাস্যকর : ওবায়দুল কাদের
০৬জুলাই,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির মুখে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলা হাস্যকর। সাধারণ মানুষ মনে করে দুর্নীতি আর বিএনপি সমার্থক। তিনি বলেন, বিএনপির মুখে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলা হাস্যকর। দুর্নীতিতে পর-পর পাঁচ বার বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের দল বিএনপি, লুটপাটের জন্যই জণগণের কাছে বার-বার প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। দুর্নীতি আর বিএনপি সমার্থক বলেই মানুষ মনে করে। ওবায়দুল কাদের আজ সোমবার সংসদ ভবনের সরকারি বাসভবন থেকে এক অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন। করোনা সংকটে বিএনপি নেতারা আজগবী তথ্য সরবরাহ করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে দাবি করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুর্নীতি বিরোধী অবস্থান এবং প্রতিনিয়ত সততায় দেশ-বিদেশে সমাদ্রিত ও প্রসংশিত। দুর্নীতিবাজ যেই হোক দলীয় পরিচয়ের হলেও তাকেও ছাড় দেয়া হচ্ছে না, এটাই হলো বাস্তবতা। তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের সংকটে দায়িত্বশীল আচরণ না করে বিএনপি তাদের চিরাচরিত নালিশের রাজনীতি আঁকড়ে ধরেছে এবং এই করোনাভাইরাসের সংকটকালে আজগবী সব তথ্য দিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করছে। আর অন্ধকারে ঢিল ছুড়ছে অভিরাম। ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএপির কথা শুনে মনে হয়, পূর্ণিমার রাতেও তারা অমাবশ্যার অন্ধকার দেখতে পান। বিএনপিকে বিভাজন ও বৈরিতার রাজনীতি পরিহার করে মানুষ বাঁচানো ও করোনাভাইরাসের প্রতিরোধের লড়াইয়ে আবারও সহযোগিতার আহ্বান জানাচ্ছি। করোনাভাইরাসের মহামারিতে নেয়া পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক করোনাভাইরাসের সংকটের শুরু থেকে সরকার সবাইকে নিয়ে সমন্বিত ভাবে কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। এখন প্রায় ৭৩টি কেন্দ্রে করোনাভাইরাসের পরীক্ষা হচ্ছে। দিন-দিন সক্ষমতা বাড়ছে, কেন্দ্র থেকে উপজেলা পর্যায়ে পর্যন্ত পরীক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি করা হয়েছে। জেলা পর্যায়ে কোভিড-১৯ হাসপাতাল প্রস্তুত করা হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে প্রস্তুতি রয়েছে। তিনি বলেন, সরকার যদি অদক্ষ বা অযোগ্য হতো তবে এ সময়ে এমন ব্যবস্থা কি নিতে পারতো? এই পর্যন্ত ৭২ হাজার ৬ শত ২৫জন করোনাভাইরাসের রোগী সুস্থ হয়েছেন। সুস্থতার হার শতকরা ৪৪ দশমিক ৭২ ভাগ এবং মৃত্যুর হার শতকরা ১ দশমিক ২৬। মৃত্যুর এই হার যে কোন দেশের তুলনায় কম। ইউরোপ আমেরিকা এমন কি প্রতিবেশি দেশ ভারতে থেকে এখানে অনেক কম। যদিও সরকার একটি মৃত্যুও প্রত্যাশা করে না। ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি শুধু মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে কথা বলে, অথচ এত সংখ্যক লোক সুস্থ হচ্ছে এটা তাদের চোখে পড়ছে না। তাদের (বিএনপি) দৃষ্টিভঙ্গি যে নেতিবাচক এটাই তার প্রমান। সরকারের সমন্বিত পদক্ষেপে দক্ষতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে দাবি করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে ২হাজার ডাক্তার ৫ হাজার নার্স নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ২ হাজার মেডিকেল টেকনোলজিস্ট নিয়োগের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পরীক্ষা কেন্দ্র দিন দিন বাড়ানো হচ্ছে। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি পর্যায়ে এখন পরীক্ষা করানো হচ্ছে। বেসরকারী হাসপাতালগুলোকে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। তিনি বলেন, বিশ্বের অনেক দেশই নিজেদের সামর্থ দিয়ে করোনাভাইরাসের মোকাবিলায় হিমশিম খাচ্ছে। বহু দেশ নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যে তাদের স্বাস্থ্য কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। সরকার সীমাবদ্ধতা নিয়েও করোনাভাইরাসের সংকট মোকাবিলার সর্বাত্মক প্রয়াস অব্যাহত রেখেছে। দিন-দিন শেখ হাসিনা সরকার সুরক্ষা সামগ্রী বাড়াচ্ছে, ভেন্টিলেশন ব্যবস্থা ও ডাক্তার সংখ্যা বৃদ্ধি করছে। সরকারের সমন্বিত দক্ষতার কারণে এসব করা সম্ভব হচ্ছে। অথচ বিএনপির কার্যক্রম শুধু বিবৃতিরে মধ্যেই সীমাবদ্ধ।
করোনা সংক্রমণ রোধ ও মানুষ বাঁচানোই এখন আওয়ামী লীগের একমাত্র রাজনীতি : ওবায়দুল কাদের
২৫,জুন,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধ ও মানুষ বাঁচানোই হচ্ছে এখন আওয়ামী লীগের একমাত্র রাজনীতি। তিনি বলেন, দেশের এই সংকটকালে সরকার ও আওয়ামী লীগ কোনো রাজনীতি করছে না। করোনার সংক্রমণ রোধ ও মানুষ বাঁচানোই হচ্ছে এখন একমাত্র রাজনীতি। ওবায়দুল কাদের আজ বুধবার তাঁর সংসদ ভবনস্থ সরকারি বাসভবনে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত এক আনলাইন সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এক বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি মহাসচিব বরাবরের মতো সরকারের বিরুদ্ধে বিরূপ সমালোচনা করতে গিয়ে বিরাজনীতি করণের অভিযোগ এনেছেন। এ সংকটকালে সরকার তো কোন রাজনীতি করছে না? এমন কি আওয়ামী লীগও এসময়ে কোন রাজনৈতিক কার্যক্রম করছে না। তিনি বলেন, যদি কোন রাজনৈতিক দল দেশের স্বার্থে ভালো পরামর্শ দিতে চায়, সেটা সরকার গ্রহণ করবে। কোন ভুল হলে ভুল সংশোধন করার সৎ সাহস সরকারের রয়েছে। সরকারের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে বিএনপির মহাসচিবের এমন বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, প্রকৃতপক্ষে নেতিবাচক ও অন্ধ সমালোচনা নির্ভর রাজনীতির জন্য বিএনপিরই পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। বক্তৃতা, বিবৃতির মাধমে সরকারের সমালোচনা করা ছাড়া বিএনপির এখন আর কোন রাজনীতি নেই। অসহায় মানুষ থেকে তাদের অবস্থান এখন যোজন যোজন দূরে। ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশের সরকারি ও অনেক বেসরকারি হাসপাতালগুলো যখন করোনা আক্রান্ত রোগীদের সেবাদানে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। ফ্রন্টলাইনে কর্মরত যোদ্ধারা জীবন বাজী রেখে কাজ করছেন। তখন কিছু হাসপাতাল-ক্লিনিক যে কোনো সাধারণ সেবায় গেলেও বাধ্যতামূলক করোনা টেস্ট করানোর কথা বলছে, কিংবা করোনা রিপোর্ট ছাড়া চিকিৎসা দিচ্ছেন না। এমনকি কোনো কোনো হাসপাতাল রোগী ভর্তি না করার জন্য নানান ছলচাতুরী আশ্রয় নিচ্ছে, এ মুহূর্তে এটা সমীচীন নয়। তিনি বলেন, আবার করোনা টেস্টের ক্ষেত্রে কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান স্মার্ট এবং দ্রুত সেবা দিলেও কারো কারো বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। একদিকে টেস্টের সিরিয়াল পেতে সময় লাগে অন্যদিকে নমুনা দেবার পর রেজাল্ট পেতে লাগছে কয়েক দিন। অহেতুক এসময়ক্ষেপণে রোগী ও তার আত্মীয় স্বজনরা যেমন উদ্বিগ্ন হচ্ছে, তেমনি মনোবল হারানোর পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। আবার অনেকে মৃত্যুর মুখেও পতিত হচ্ছেন। এসকল প্রতিষ্ঠানকে স্বল্প সময়ে রিপোর্টদান এবং নমুনা সংগ্রহের সমন্বয় বাড়ানোর পাশাপাশি সেবার মান বাড়ানোর আহ্বান জানচ্ছি। বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে মানবিক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, কিছু বেসরকারি হাসপাতাল যারা মানুষের অসহায়ত্ব নিয়ে বাণিজ্য করছে। তাদের এব্যাপারে সর্তক হওয়া উচিত। এ দুর্যোগে মানবিক হওয়া উচিত। অযৌক্তিক, অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা নিরীক্ষা পরিহার করে সঠিক সেবা দান করুন। জটিল রোগীদের তাৎক্ষণিক সেবা প্রদান দেরি হলে তা মৃত্যুর ঝুঁকিতে পতিত হবে। রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে যারা সমন্বয়ের কথা বলেন তাদের উদ্দেশ্যে ওবায়দুল কাদের পাল্টা প্রশ্ন রেখে বলেন, পৃথিবীর কোথাও কি এমন নজীর আছে? করোনা প্রতিরোধে চিকিৎসা সেবা প্রদান রাজনীতিবীদের কাজ নয়, যাদের দরকার, সেসব বিশেষজ্ঞদের নিয়ে কমিটি করা হয়েছে, তাদের মতামত নিয়েই সিদ্ধান্ত প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী জানান, বর্তমানে ৬৬টি পরীক্ষাগারে করোনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। সরকার পর্যায়ক্রমে প্রতিটি জেলায় নমুনা পরীক্ষার সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। ওবায়দুল কাদের আশা প্রকাশ করে বলেন, ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হয়ে জাতি যেমনি লক্ষ্য অর্জন করেছে, তেমনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পারস্পরিক সহমর্মিতা,ত্যাগ ও স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনের মাধ্যমে উত্তরনের পথে জাতি এগিয়ে যাবে।
বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে স্বাধীনতা, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়ন
২৪,জুন,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও উন্নয়নে আওয়ামী লীগের অবদান, ত্যাগের কথা তুলে ধরে দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেন বলেছেন, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বই বঙ্গবন্ধু এ দেশ স্বাধীন করেছেন, নিয়েছেন নানান পদক্ষেপ। আর তারই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে উন্নয়নের উচ্চ শিখরে নিয়ে যাচ্ছেন। মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাতে আওয়ামী লীগের ৭১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলটির গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) আয়োজিত বিশেষ ওয়েবিনার গণমানুষের দল আওয়ামী লীগের ৭১ বছর শীর্ষক আলোচনা সভায় একথা বলেন তিনি। অনলাইনে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, লে. কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ ফারুক খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক অজয় দাশগুপ্ত। ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেন, ১৯৪৮ সালে বঙ্গবন্ধুর হাত ধরেই ভাষা আন্দোলন শুরু হয়। বঙ্গবন্ধু সারা জীবন এ দেশ ও দেশের মানুষের জন্য লড়াই-সংগ্রাম করেছেন, চৌদ্দ বছর জেল খেটেছেন বাংলাদেশের মুক্তির সংগ্রামের জন্য। তিনি যখন ছয় দফা দেন তখন বাংলাদেশে অনেক নেতা ছিল যারা ছয় দফাকে সমর্থন করেননি। অথচ এই ছয় দফা বাংলার মানুষের মুক্তির সনদ হিসেবে চিহ্নিত হয় এবং এই ছয় দফার ভিক্তিতেই ঊনসত্তরের গণঅভ্যুথান হয় এবং সত্তরের নির্বাচনে জয় পান। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তারই কন্যা শেখ হাসিনার অবদানের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বই বঙ্গবন্ধু এ দেশ স্বাধীন করেছেন, নিয়েছেন নানান পদক্ষেপ। আর তারই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে উন্নয়নের উচ্চ শিখরে নিয়ে যাচ্ছেন। সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ফারুক খান বলেন, বঙ্গবন্ধু এ দেশ স্বাধীন করে দেশকে উন্নত করতে বহু কাজ করে গেছেন। আর বঙ্গবন্ধুকন্যার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার ২০৪১ সালে বাংলাদেশ উন্নত রাষ্ট্র হবে বলে বিশ্বাস করি। বাংলাদেশ যা কিছু অর্জন করেছে সেটা বঙ্গবন্ধুর মতো নেতা ছিল বলে, আজকেব জননেত্রী শেখ হাসিনা আছেন বলেই আজ বিশ্বে বাংলাদেশ রোল মডেল। অনুষ্ঠানে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের আওয়ামী লীগের ৭১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানান দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ভার্চ্যুয়াল এ আলোচনা সভা সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক সুভাষ সিংহ রায়।
তারুণ্যের প্রত্যাশায় আ লীগ প্রচারিত হবে ২২ জুন
২১,জুন,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ৭১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিশেষ ওয়েবিনার- তারুণ্যের প্রত্যাশায় আওয়ামী লীগ প্রচারিত হবে আগামী ২২ জুন (সোমবার) রাত ৮টা ৩০ মিনিটে। অনুষ্ঠানটি সরাসরি প্রচারিত হবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ এবং ইউটিউব চ্যানেলে এছাড়াও ইত্তেফাক, বিডিনিউজ২৪, দৈনিক সমকাল এবং সময় টিভির ফেসবুক পেজ এবং বিজয় টিভির পর্দায় সরাসরি প্রচারিত হবে এই অনুষ্ঠান। আলোচক হিসেবে যুক্ত হবেন আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. শাম্মী আহমেদ, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাইদ আল মাহমুদ স্বপন, সাংগঠনিক সদম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য গোলাম কবির রাব্বানী চিনু এবং মারুফা আক্তার পপি। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করবেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার শাহ আলি ফরহাদ।
এরশাদের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে জাপার কর্মসূচি
১৮জুন,বৃহস্পতিবার,রাজনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলতি বছরের আগামী ১৪ জুলাই জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রতিষ্ঠাতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। দিনটি উপলক্ষে দলটি করোনা বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাপা। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জাপা থেকে পাঠানো এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী পালনের জন্য পার্টির মহাসচিব মো. মসিউর রহমান রাঙ্গাকে আহ্বায়ক এবং প্রেসিডিয়াম সদস্য ও অতিরিক্ত মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীকে সদস্য সচিব করে একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছেন। তারা এই কমিটিতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক সদস্য অন্তর্ভুক্ত করবেন। ১৪ জুলাই কর্মসূচিতে থাকছে: সারাদেশে জাপার সব কার্যালয়ে দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা, সব দলীয় কার্যালয়ে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কোরআন তেলাওয়াত, বিকেলে প্রতিটি কার্যালয়ে পল্লীবন্ধু এরশাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল এবং আলোচনা সভা এবং কেন্দ্রীয়ভাবে পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের এমপির নেতৃত্বে পার্টির সিনিয়র নেতাদের সকাল ১০টায় রংপুরে পল্লীবন্ধুর কবর জিয়ারত করবেন এবং বিকেলে পার্টির কাকরাইলস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পল্লীবন্ধুর আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনষ্ঠিত হবে। এছাড়া এরশাদের অনেক দিনের স্মৃতি বিজড়িত বনানীস্থল পার্টির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে দিনব্যাপী কোরআন তেলাওয়াত এবং দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।
তথ্য গোপনের অভিযোগ মিথ্যা : ওবায়দুল কাদের
১৪জুন,রোববার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের ইঙ্গিতপূর্ণ যে অভিযোগ বিএনপি উত্থাপনের চেষ্টা করেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সরকারের বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের ইঙ্গিতপূর্ণ অভিযোগ উত্থাপনের চেষ্টা করেছেন। আওয়ামী লীগ সরকার কখনো তথ্য গোপনের রাজনীতি করে না। করোনা ভাইরাসে সৃষ্ট সংকট একটি বৈশি^ক সমস্যা। এটি জাতীয় বা সরকারের গৃহীত নীতির ফলে উদ্ভূত কোন সমস্যা নয়। সুতরাং, এটা নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে তথ্য গোপনের কোন প্রশ্নই আসে না। আওয়ামী লীগের দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ওবায়দুল কাদের এ সব কথা বলেন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার নির্দেশনায় এই ভাইরাস প্রার্দুভাবের শুরু থেকে জনসচেতনতা তৈরিতে সরকারের পক্ষ থেকে সুস্পষ্টভাবে সকল তথ্য ও স্বাস্থ্যবিধির নির্দেশনা জনগণের সামনে তুলে ধরা হয়। সকলের সম্মিলিত প্রয়াস ও জনগণের সচেতনতার দূর্গই ছিল এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াইয়ের মূল অস্ত্র। পরমকরুণাময় আমাদের সহায় হোন। জয় আমাদের হবেই, ইনশাল্লাহ। তিনি বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম বিএনপির পক্ষ থেকে যে সাত দফা সুপারিশ করেছেন, সরকার করোনায় সৃষ্ট সংকট উত্তরণে তার চেয়ে অনেক বেশি সুসমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। করোনা মোকাবেলায় প্রত্যেকটি পর্যায় বিচার-বিশ্লেষণ করে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ চলমান রয়েছে। ওবায়দুল কাদের বলেন, করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকার নির্দিষ্ট কোন দফায় সীমাবদ্ধ না থেকে সব রকম প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে চলেছে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও তার দল বিএনপি এই সংকটময় মহূর্তে জনগণের পাশে না দাঁড়িয়ে রাজনীতিতে যে দায়িত্বজ্ঞান হীনতার পরিচয় দিয়েছেন তা জাতীয় মেমোরিতে দীর্ঘদিন ক্ষতের চিহ্ন বহন করবে। তিনি বলেন, নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে সমালোচনার নামে সরকারের সমালোচনাই বিএনপির একমাত্র অবলম্বন হয়ে দাঁড়িয়েছে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সুপারিশের নামে সরকারের বিরুদ্ধাচার করার যে অপচেষ্টা করেছেন তার যোক্তিক কোন ভিত্তি নেই বরং তা উস্কানিমূলক। তার মন্তব্য সর্বৈব মিথ্যা, বাস্তবতা বিবর্জিত। সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্ব ও দক্ষতায় করোনা প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকেই সরকার সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে কাজ করে চলেছে। সাধারণ ছুটির শুরু থেকেই পেশাদার বেসামরিক প্রশাসনের পাশাপাশি দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী দায়িত্বশীলতা ও জবাবদিহিতার সাথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে চলেছে। তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন জেলায় এলাকাভিত্তিক লকডাউন ঘোষণা করে সামরিক-বেসামরিক প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে তা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, সাংবাদিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সম্মুখ যোদ্ধাদের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্য সুরক্ষাসামগ্রী প্রদান করা হচ্ছে। এই বিষয়ে এখন পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ উত্থাপন করতে পারে নি। এসকল সম্মুখ যোদ্ধাদের পাশাপাশি বিএনপির নেতৃবৃন্দের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য সুরক্ষা সামগ্রীর প্রয়োজন পড়লে আবেদনের প্রেক্ষিতে সরকারের পক্ষ থেকে তা প্রদান করা হবে। প্রত্যেক জেলায় করোনা শনাক্তকরণ ও চিকিৎসাসেবা দ্রুত সম্প্রসারণ করতে হবে মির্জা ফখরুল ইসলামের উত্থাপিত এমন দাবির জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, অনেক আগে থেকেই সরকার সারাদেশে করোনা শনাক্তকরণ ও চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণের কাজ করে চলেছে। এবারের বাজেটে এর জন্য আলাদা বরাদ্দও রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, করোনার বিরূপ প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনৈতিক খাতগুলোর জন্য ১৯টি প্যাকেজের মাধ্যমে ১ লক্ষ ৩ হাজার ১১৭ কোটি টাকা প্রণোদনা ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেছেন, করোনা দুর্যোগের এই সময়ে একজন মানুষও খাদ্যের অভাবে মারা যাবে না। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কথা চিন্তা করে রেশন কার্ডের আওতায় সুবিধাভোগীর সংখ্যা আরো ৫০ লক্ষ বৃদ্ধি করে ১ কোটিতে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই বাইরে সরকারের পক্ষ থেকে ৫০ লক্ষ মানুষকে মোবাইল ব্যাংকিং পরিষেবার মাধ্যমে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। করোনা দুর্যোগের এই সময়ে প্রান্তিক-গরীব-অসহায়-দুস্থ মানুষের কল্যাণে এবারের বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী খাতেও বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। সরকারি ত্রাণ ও অর্থ বিতরণে অনিয়মে জড়িত জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে প্রশাসন কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, পাশাপাশি আওয়ামী লীগ দলীয় জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সাংগঠনিক ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হয়েছে। কিন্তু ত্রাণ ও অর্থ বিতরণে অনিয়মে জড়িত বিএনপির জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে বিএনপির পক্ষ থেকে সাংগঠনিক কোন ব্যবস্থা গ্রহণ পরিলক্ষিত হয় নি।
সরকারের সাহসী চিন্তার ফসল এবারের বাজেট: ওবায়দুল কাদের
১২জুন,শুক্রবার,রাজনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা মহামারি থেকে সৃষ্ট সংকটময় পরিস্থিতি বিচার-বিশ্লেষণ করে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার গতিপথ নির্ণয়ে প্রণীত এবারের বাজেট। জীবন-জীবিকার ভারসাম্য বজায় রেখে দেশকে এগিয়ে নিতে শেখ হাসিনা সরকারের সাহসী চিন্তার ফসল এ বাজেট। বিএনপির পক্ষে এই বাজেটের ব্যাপকতা ও সম্ভাবনা অনুধাবন করা সম্ভব নয়। শুক্রবার (১২ জুন) নিজ বাসভবন থেকে প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের উপর আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দেওয়া আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ায় দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের একথা জানান। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। করোনা ভাইরাসের কারণে কয়েক মাস ধরে বিপর্যয়ের পরও আমাদের বাজেটের আকার কমেনি, বরং বেড়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গত ১১ বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতির ধারাবাহিক অগ্রগতির সুফল এই বাজেট। করোনা মোকাবিলার পাশাপাশি মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করা, মানুষ যেন কষ্ট না পায় সেদিকে লক্ষ্য রেখেই সব প্রতিকূলতা জয় করে জাতীয় সংসদে আগামী অর্থবছরের এ বাজেট উত্থাপন করা হয়। এ বাজেট করোনায় বিদ্যমান সংকটকে সম্ভাবনায় রূপ দেওয়ার বাস্তবসম্মত প্রত্যাশার দলিল। বাজেটের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে তিনি বলেন, সব দিক বিবেচনায় নিয়ে করোনার কবল থেকে অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের এক ভারসাম্যপূর্ণ বাজেট হচ্ছে এবারের বাজেট। এটি একটি জনবান্ধব ও জনঘনিষ্ট অর্থনৈতিক পরিকল্পনা। বিএনপির প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বাজেট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে কোনো ধরনের বিচার-বিশ্লেষণ না করেই বিএনপি আগেভাগে প্রস্তুত করা ও মন গড়া, পুরনো ও গতানুগতিক গল্পের মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে। বিএনপির নেতারা গত ১১টি বাজেট ঘোষণার পর বাজেট নিয়ে নানা মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করেছেন এবং বরাবরই বলেছেন বাজেট বাস্তবায়ন হবে না, অর্থনীতি মুথড়ে পড়বে। এ ধরনের বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করতে দেখা গেছে। বিএনপি ক্ষমতায় থাকায় অবস্থা মাত্র ৫০ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রণয়ন করেছিল। আর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজকের বাংলাদেশে করোনা মোকাবিলায় শুধু স্বস্থ্যখাতেই ৪১ হাজার ২৭ কোটি টাকা এবং সামাজিক নিরাপত্তা খাতে ৯৫ হাজার ৫৭৪ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে। তিনি প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, গতানুগতিক ধারার সঙ্গে আউট অব বক্স চিন্তার সমন্বয় করে সংকট জয়ের নবউদ্যোম সৃষ্টিতে এই বাজেট পেশ করা হয়েছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে করোনা ভাইরাসের প্রকোপে বিদ্যমান সংকটময় পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক উত্তরণ ও ভবিষ্যৎ পথপরিক্রমা শীর্ষক যুগোপযোগী ও জনকল্যাণমুখী বাজেট প্রণয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে করোনা প্রাদুর্ভাবের পর ইতোমধ্যে যে অর্থনৈতিক প্রণোদনা ঘোষণা করেছেন তাকে একটি অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট বলা যেতে পারে। ১৯টি প্যাকেজে শেখ হাসিনা ঘোষিত ১ লাখ ৩ হাজার ১১৭ কোটি টাকার অর্থনৈতিক প্রণোদনাটি দক্ষিণ এশিয়ার সর্বোচ্চ, যা জিডিপির ৩ দশমিক ৭ শতাংশ। করোনা মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত প্রণোদনা ও কর্মোদ্যোগ বিশ্বখ্যাত দ্যা ইকোনমিস্ট, ফোর্বস, ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরামসহ অন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসিত হয়েছে বলেও জানান তিনি। বাজেট প্রণয়নের দুটি অনিশ্চয়তার দিক তুলে ধরে কাদের বলেন, এই বাজেট প্রণয়নে দুটি অনিশ্চয়তা ছিল, যা জয় করা ছিল দুরূহ। অনিশ্চয়তা দুটি হচ্ছে- বাংলাদেশে করোনা মহামারি চূড়ান্ত পর্যায়ে কী হবে, সে সম্পর্কে এখন পর্যন্ত কোনো স্বচ্ছ ধারণা না থাকা এবং করোনা-উত্তর বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা পরিস্থিতি কী হবে, তা সুনির্দিষ্ট করে এখনই বলতে না পারা। এই অনিশ্চয়তা জয় করে দুর্যোগপ্রবণ বাংলাদেশে দুর্যোগ মোকাবিলার একমাত্র ত্রাণকর্তা বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা অত্যন্ত সফলভাবে বাজেট প্রণয়নের কাজ সম্পন্ন করেছেন। করোনা মোকাবিলা মোকাবিলায় বাজেটে অগ্রাধিকারের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, করোনার কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রাজস্ব আয় হ্রাস পেয়েছে। ফলে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে গত অর্থবছরে ধার্য করা লক্ষ্যমাত্রা ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৮১০ কোটি টাকা থেকে ২৯ হাজার ৪৪৬ কোটি টাকা কমিয়ে ৩ লাখ ৪৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে সুনির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়, আমাদের জাতীয় আয়-ব্যয় নির্দিষ্ট থাকবে কিনা। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এটা পরিবর্তন হতে পারে। সে কারণে এটিকে একটি ফ্লেক্সিবল ডকুমেন্ট হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। আগামী অর্থবছর অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার প্রথম বছর। সুতরাং, এই বাজেটে তা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অধিকতর গুরুত্ব পাবে। কাদের বলেন, বাজেটে কোভিড-১৯ মোকাবিলায় যে কোনো জরুরি চাহিদা মেটাতে ১০ হাজার কোটি টাকার থোক বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে। করোনার প্রভাব বেড়ে গেলে জরুরিভিত্তিতে হাসপাতাল নির্মাণসহ আইসিইউ, ভেন্টিলেশন সাপোর্ট, কেয়ার সরঞ্জাম, করোনা ভাইরাস পরীক্ষার কিটসহ নানা যন্ত্রপাতি আমদানি এবং উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে মূসক অব্যাহতি প্রস্তাব রাখা হয়েছে। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ভ্যাকসিন আবিষ্কারের জন্য পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে নানা ধরনের গবেষণা চলছে। ভ্যাকসিন আবিষ্কার হলে তা দ্রুততম সময়ের মধ্যে দেশে আনার পরিকল্পনাও বাজেট প্রস্তাবনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
মুক্ত করতে না পারায় আইনজীবীদের ওপর ক্ষুব্ধ খালেদা জিয়া
৪জুন,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আইনি প্রক্রিয়ায় মুক্ত করতে না পারায় আইনজীবীদের ওপর ক্ষুব্ধ বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। বিষয়টি স্বীকার না করলেও মামলা নিয়ে বেগম জিয়ার হতাশা প্রকাশ করার কথা জানিয়েছেন আইনজীবী মাহবুব উদ্দিন খোকন। বেগম জিয়ার আইনজীবী প্যানেলের সিনিয়র সদস্য খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, অভিজ্ঞ আইনজীবীদের দায়িত্ব না দেয়া, মামলা পরিচালনায় সমন্বয়হীনতা ছিলো। এ কারণেই হয়ত নেত্রী ক্ষুব্ধ। দুদক আইনজীবী বলছেন, মামলা পরিচালনার অনেক ক্ষেত্রে তার আইনজীবীদের পদক্ষেপ রহস্যজনক ছিলো। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মামলা পরিচালনা প্যানেলে রয়েছেন অর্ধশতাধিক আইনজীবী। এ প্যানেলের আইনজীবীদের মধ্যে সমন্বয়হীনতা ও অন্তর্কোন্দল ছিলো ওপেন-সিক্রেট। সরকারি সিদ্ধান্তে মুক্তির পর আইনজীবীদের ব্যর্থতায় বেগম জিয়া ক্ষুব্ধ বলে জানা গেছে। এরইমধ্যে একজন আইনজীবী তার সঙ্গে দেখা করার পর বিষয়টি সামনে এসেছে। আইনজীবী মাহবুব উদ্দিন খোকন জানান, মামলা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন নেত্রী। যদিও আইনজীবীদের ওপর ক্ষুব্ধতার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন তিনি। আইনজীবী মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, অপরাধ না করেও দুই বছর জেলে ছিলেন-এটা নিয়েও তিনি হতাশা প্রকাশ করেছেন। অনেক দুঃখ ও হতাশার কথা বলেছেন। আইনজীবী প্যানেলের সিনিয়র সদস্য খন্দকার মাহবুব হোসেন বলছেন ভিন্ন কথা। তিনি জানান, মামলা নিয়ে হতাশ নন নেত্রী। তবে মামলা পরিচালনায় সমন্বয়হীনতায় হয়ত ক্ষুব্ধ। অ্যাড. খন্দকার মাহবুব বলেন, সিনিয়রদের বাদ দিয়ে বিশেষ কোনো ব্যক্তিকে মামলার দায়িত্ব দিয়েছিলেন, সেটা নিয়েই একটু হতাশায় ছিলেন। দুদক আইনজীবীও বলছেন, মামলা পরিচালনার অনেক ক্ষেত্রে তার আইনজীবীদের পদক্ষেপ রহস্যজনক ছিলো। দুদক আইনজীবী অ্যাড. খুরশীদ আলম বলেন, দেড় বছরেও তার আইনজীবীরা কেন কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না তা আমাদের জানা নেই। আইনি প্রক্রিয়া ও রাজনৈতিকভাবে মুক্ত করতে ব্যর্থ হওয়ায় সবশেষ পরিবারের আবেদনে মানবিক দিক বিবেচনায় গত ২৫ মার্চ বেগম জিয়াকে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দেয় সরকার।
বাস মালিকদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার ভাড়া বাড়িয়েছে
১জুন,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাস মালিকদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার ভাড়া বাড়িয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ সোমবার (০১ জুন) সকালে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। এ সময় মিজা ফখরুল বলেন, সরকারের উদাসীনতা আর ব্যর্থতায় করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ রুপ নিচ্ছে। ক্ষমতাসীনদের দায়িত্বহীনতা জনগণকে অন্ধকারে ঠেলে দিচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল। চলতি বোরো মৌসুমে কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান কেনার দাবি জানিয়ে আগামী ১০ জুন জেলা প্রশাসকদের স্মারকলিপি দেয়া হবে বলেও জানান বিএনপি মহাসচিব।

রাজনীতি পাতার আরো খবর