এমপি সামশুল হক চৌধুরী ও শাওনের অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধানে দুদক
১৬অক্টোবর,বুধবার,মো:ইরফান চৌধুরী,নিউজ একাত্তর ডট কম: ক্যাসিনো সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের দুজন সংসদ সদস্যের অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধানে নেমেছে দুদক। তারা হলেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও চট্টগ্রাম ১২ সংসদ সদস্য সামশুল হক চৌধুরী ও ভোলা ৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন। (ভোরের কাগজ) দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বে একটি দল তাদের সম্পদ অনুসন্ধান করবেন।দুর্নীতি দমন কমিশন সূত্রে জানা যায়, দুদকের কাছে অভিযোগ রয়েছে চট্টগ্রাম আবাহনী ক্লাবের জুয়ার আসর থেতে কয়েক বছর ধরে বিপুল অবৈধ অর্থ উপার্জন করেছে জাতীয় সংসদের হুইপ ও চট্টগ্রাম ১২ আসনের সংসদ সদস্য শামসুল হক চৌধুরী। এ কারনে চট্টগ্রামে ক্যাসিনো ও জুয়া বিরোধী অভিযানে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। এছাড়া তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে।এছাড়া তথ্য রয়েছে সরকারদলীয় এই সংসদ সদস্যের নামে বেনামে বিপুল পরিমান জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ রয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে পারে। গত ১৮ সেপ্টেম্বর ক্যাসিনো অভিযান শুরুর পর ক্যাসিনো ব্যবসার সঙ্গে সংসদ সদস্য নুরুন্নবী শাওন জড়িত আছেন বলে অভিযোগ ওঠে। এই প্রেক্ষিতে শাওন ও তার স্ত্রী ফারজানা চৌধুরীর ব্যাংক হিসাব স্থগিত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।ক্যাসিনো ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ৪৩ জনকে এরই মধ্যে চিহ্নিত করেছে দুদক। সেই লিস্টে এই দুই সরকারদলীয় এমপির নাম আছে। দুদকের একজন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা জানান, ক্যাসিনো ব্যবসা করে অবৈধ সম্পদ অর্জনকারীরা কোন দল করেন বা কোন মতবাদে বিশ্বাসী, এটি তাদের কাছে মুখ্য নয়। এ ক্ষেত্রে দেখা হবে তাদের তফসিলভুক্ত অপরাধ।
বিএনপি সহিংসতা করলে অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা: ওবায়দুল কাদের
১৫অক্টোবর,মঙ্গলবার,রাজনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিএনপি তাদের দলের নেত্রী খালেদা জিয়ার চিকিৎসার কথা যতটা ভাবছে তার চেয়ে বেশি দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির কথা ভাবছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশে সহিংসতা করলে অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিজ অফিসে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।বিএনপি আবরার হত্যার বিচার চায় না মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, তারা আসলে আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডকে আন্দোলনের ইস্যু করতে চায়। আন্দোলন ছেড়ে বুয়েট শিক্ষার্থীদের লেখা-পড়ায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সরকার তাদের সব দাবি মেনে নিয়েছে। আবরার হত্যাকাণ্ডের সাথে সাথে পুলিশ ব্যবস্থা নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আবরারের বাবা-মাকে এ ঘটনার বিচার দ্রুত হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করে দেওয়া সমাধান নয়। তবে বুয়েটে ছাত্র রাজনীতি বন্ধ হলে সে ব্যাপারে সরকারের কোনো আপত্তি নেই। কারণ এটি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিষয়।ওবায়দুল কাদের বলেন, যারা দেশে অপরাধ করবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ছাড় দেওয়া হবে না। যেসব কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠবে তারা আগামীতে মনোনয়ন পাবেন না উল্লেখ করে তিনি বলেন, গুটি কয়েক লোকের কারণে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের অর্জন ম্লান হতে দেওয়া যায় না। অপরাধীদের মাথায় যারা ছাতা ধরবে তাদেরকেও ছাড় দেওয়া হবে না এবং যার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া যাবে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি । আওয়ামী লীগের তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত কমিটিতে বিতর্কিতদের স্থান দেওয়া হবে না জানিয়ে তিনি আরো বলেন, এটি আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ। এ ব্যাপারে আমরা সতর্ক রয়েছি। অপর এক প্রশ্নের জবাবে চট্টগ্রামে মেট্রোরেল নির্মাণ করা হবে বলেও জানান সেতুমন্ত্রী।
যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক কাজী আনিস বহিষ্কার
১২অক্টোবর,শনিবার,রাজনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক কাজী আনিসুর রহমান আনিসকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আজ শুক্রবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে তাকে বহিষ্কারের এ তথ্য জানানো হয়। চলমান ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে কাজী আনিসের নাম আলোচনায় আসায় তাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রেসিডিয়াম সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত হয়। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক এ বি এম আমজাদ হোসেন। তিনি আরও বলেন, সভায় যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন না। এতে সভাপতিত্ব করেন দলের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ। কাজী আনিস কেন্দ্রীয় যুবলীগের কার্যালয়ে পিয়ন হিসেবে যোগ দেন ২০০৫ সালে। বেতন ছিল মাসে পাঁচ হাজার টাকা। সাত বছর পর বনে যান কেন্দ্রীয় যুবলীগের দফতর সম্পাদক। প্রভাবশালী নেতাদের ব্যবহার করে সামান্য বেতনের কর্মচারী থেকে বনে গেছেন কোটিপতি। দুর্নীতি-মাদকবিরোধী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চলমান অভিযানে নজরদারিতে রয়েছেন তিনি। যেকোনো মুহূর্তে তিনি গ্রেফতার হতে পারেন বলে জানা গেছে।
যুবলীগ নেতা বাবর দুবাই থেকে ত্রাসের রাজত্ব চালাচ্ছে
১২অক্টোবর,শনিবার,রাজনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: যুবলীগ নেতা হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর দুবাইতে অবস্থান করলেও তার অনুসারীদের মাধ্যমে এখনো ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করছে বলে অভিযোগ পেয়েছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। বিশেষ করে আগে থেকেই নির্ধারিত চাঁদার ভাগ তার সেকেন্ড ইন কমান্ডের মাধ্যমে চলে যাচ্ছে দুবাইতে। কিন্তু ভুক্তভোগীরা প্রাণের ভয়ে অভিযোগ না করায় তেমন কোনো ব্যবস্থা নেয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে দুবাইতে অবস্থানকারী বাবর চাঁদাবাজির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য মতে, গত বছরের ১৩ই অক্টোবর Rabর সাথে কথিত বন্দুকযুদ্ধে সন্ত্রাসী অসীম রায় বাবু মারা যাওয়ার পর পরই বাবর বিদেশ চলে যান। অসীম রায় বাবু এক সময় বাবরের অনুসারী হিসাবে পরিচিত থাকলেও পরবর্তীতে তাদের মধ্যে মত বিরোধ সৃষ্টি হয়। বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঠিক আগ মুহূর্তে বাবর আবার দেশে ফিরে আসেন। তবে গত ২৯ মে রাতে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে আরেক সন্ত্রাসী অমিত মুহুরী মারা গেলে বাবর আবার কৌশলে বিদেশ চলে যান। কিন্তু বন্ধ হয়নি চাঁদাবাজি। Rab-৭ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মাহবুবুল আলম বলেন, সে যে অবৈধভাবে টাকা পয়সা কালেকশন করা, প্রভাব বিস্তার করা এইগুলো এখনো সে চালিয়ে রেখেছেন। এদিকে পুলিশ কর্মকর্তারা সিএমপির উপ কমিশনার এস এম মেহেদী হাসান বলছেন, জাফর নামে এক সেকেন্ড ইন কমান্ডের মাধ্যমে বাবর গোপনে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, বাবরের যে সহযোগী ছিলো আর বর্তমানে যারা গোপনে যারা তৎপর আছে তাদেরকে আমরা ধরার চেষ্টা করছি। আশা করি তাদেরকে ধরে ফেলতে পারবো। নগর যুবলীগের কোনো পদে না থাকলেও ঢাকার ক্যাসিনো সম্রাটের অনুসারী হিসাবে প্রতিটি সেক্টরে বাবরের ছিলো ব্যাপক দাপট। কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাবেক সদস্য জাহাঙ্গীর আলম বলেন, যারা যুবলীগের নামধারী তারাই এই অপকর্মগুলো করছে। তাদের ধরতে শুদ্ধি অভিযান অব্যাহত রাখতে হবে। তবে দুবাইয়ে বাবরের সাথে যোগাযোগ করলে বার সব অভিযোগ অস্বীকার করে। জানা গেছে, অস্ত্র ব্যবসার অভিযোগে ২০০৮ সালে থাই পুলিশের হাতে একবার গ্রেফতার হয়েছিলেন হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর। সেখানে তার পাসপোর্টও জব্দ করা হয়েছিলো।
আবরার হত্যার প্রতিবাদে বিএনপির কর্মসূচি
১০অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,রাজনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যার প্রতিবাদে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) দলটির নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। ড. খন্দকার মোশশারফ হোসেন বলেন, শনিবার ঢাকাসহ সব মহানগরে ও রোববার সারাদেশে জেলা শহরে জনসমাবেশ করা হবে। গত রোববার (৬ অক্টোবর) রাতে আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। সোমবার ভোরে শের-ই-বাংলা হলের প্রথম ও দ্বিতীয় তলার সিঁড়ির মধ্যবর্তী জায়গায় আবরারের নিথর দেহ পাওয়া যায়। তার শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন ছিল। আবরার ফাহাদ বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের (ইইই) বিভাগের লেভেল-২ এর টার্ম ১ এর ছাত্র ছিলেন। তিনি শের-ই-বাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন। তার বাড়ি কুষ্টিয়া শহরে। কুষ্টিয়া জেলা স্কুলে তিনি স্কুলজীবন শেষ করে নটরডেম কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন।-somoynews.tv
ফলোআপ চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন ওবায়দুল কাদের
১০অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,রাজনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফলোআপ চিকিৎসার জন্য আবারও সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আজ বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) দুপুর ১টা ২৫ মিনিটে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকা ত্যাগ করবেন। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উপপ্রধান তথ্য অফিসার আবু নাছের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে ২০ মার্চ কার্ডিও থোরাসিক সার্জন ডা. সিবাস্টিন কুমার সামির নেতৃত্বে সিঙ্গাপুর মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে ওবায়দুল কাদেরের বাইপাস সার্জারি হয়। গেল ২ মার্চ ভোরে শ্বাসকষ্ট শুরু হলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন ওবায়দুল কাদের। সেখানে তার হৃৎপিণ্ডের রক্তনালিতে তিনটি ব্লক ধরা পড়ে। ৪ মার্চ তাকে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে নেয়া হয়।
গেস্টরুমে নির্যাতন হয় না, ভালো কিছু শেখানো হয় : ছাত্রলীগ
০৯অক্টোবর,বুধবার,রাজনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডে গৃহীত ব্যবস্থার পর্যালোচনা এবং হত্যাকারীদের দ্রুত শাস্তির দাবিতে আজ বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলন করে ছাত্রলীগ। সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রলীগ দাবি করে, গেস্টরুমে শিক্ষার্থীদের কোনও নির্যাতন করা হয় না, বরং ভালো কিছু শেখানো হয়। লেখক ভট্টাচার্য বলেছেন, আবরার হত্যাকাণ্ড হল প্রশাসনের গাফিলতি ছিল। বুয়েটসহ যেকোনো ক্যাম্পাসে এটা সাংগঠনিক সমস্যা নয়, গুটিকয়েক ব্যক্তির সমস্যা। এসময় সংগঠনের গঠনতন্ত্রের বাইরে ব্যক্তিগত কোনও কিছুর দায় সংগঠন নেবে না বলে জানিয়েছে লেখক ভট্টাচার্য বলেন, সংগঠনের ভেতরে অনুপ্রবেশকারীদের বিষয়ে নজারদারী অব্যাহত রয়েছে।
দেশবিরোধী চুক্তির প্রতিবাদ করায় ফাহাদকে হত্যা: ফখরুল
০৮অক্টোবর,মঙ্গলবার,রাজনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে আওয়ামী সরকারের দেশবিরোধী চুক্তির প্রতিবাদ করায় আবরারকে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা নৃশংসভাবে হত্যা করেছে। সোমবার বিএনপির সহ-দফতর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেন স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এসব কথা বলেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মির্জা ফখরুল বলেন, হত্যাকারীদের হাতে বুয়েটের মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদকে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনা আবারও প্রমাণ করল, বর্তমান সরকার দেশের মানুষের প্রতিবাদী কণ্ঠকে নির্মূল করে নিজেদের হিটলারি শাসন বজায় রাখতে চায়। তবে, জনগণ তাদের এই মনোবাঞ্ছা কোনোদিনই পূরণ হতে দেবে না। মত-প্রকাশের স্বাধীনতা হরণের বিরুদ্ধে অতীতের সংগ্রামী ঐতিহ্যের ধারায় বাংলাদেশের মানুষ যেকোনো ত্যাগ স্বীকার করতেও দ্বিধা করবে না। মির্জা ফখরুল বলেন, ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যরাতের মহাভোট ডাকাতির নির্বাচনের পর বর্তমান সরকারের দুঃশাসনের মাত্রা যেন লাগামহীন হয়ে গেছে। স্বৈরাচার সরকার দেশের প্রতিবাদী মানুষের রক্তে হাত রঞ্জিত করে দেশকে ভীতির কালো মেঘে ঢেকে দিয়েছে। যেন সরকারের অপকর্ম ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে কেউ লিখতে, বলতে কিংবা টুঁ শব্দ উচ্চারণ করতেও সাহস না পায়। মির্জা ফখরুল বলেন, বিশ্বের গণধিকৃত সব স্বৈরাচারকে টেক্কা দিয়ে জনসমর্থনহীন আওয়ামী সরকার এখন মানুষের জানমালের নিরাপত্তাকে চরম হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, দেশে এখন জঙ্গলের শাসন চলছে বলেই একজন মানুষ ঘর থেকে বেরিয়ে নিরাপদে ঘরে ফেরার নিরাপত্তাটুকুও হারিয়ে ফেলেছে। অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে, আমরা এক মৃত্যু উপত্যকায় বসবাস করছি। বিএনপি মহাসচিব বলেন,সরকারের আশকারায় অপরাধীরা দেশব্যাপী লাগামহীন খুন-জখমের খেলায় আনন্দে মাতোয়ারা হয়ে উঠেছে। সরকারের ভয়াবহ দুঃশাসনের হিংস্র রূপ দেশের মানুষকে বোবা করে ফেলেছে। অজানা আশঙ্কা, আতঙ্ক আর ভয়ের এক বিষাদময় পরিবেশ মানুষের স্বাভাবিক জীবন-যাপনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। আবরার হত্যার সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।-আরটিভি অনলাইন

রাজনীতি পাতার আরো খবর