এই সপ্তাহেই খালেদা জিয়ার জামিন
১৭জুন২০১৯,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলতি সপ্তাহেই জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। রোববার (১৬ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে তিনি এ আশা প্রকাশ করেন। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবি শীর্ষক এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। হাইকোর্টে এখন বেগম জিয়ার দুটি মামলা আছে উল্লেখ করে মওদুদ বলেন, একটি হলো জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা এবং আরেকটি হলো, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা। এই সপ্তাহের মধ্যে হাইকোর্টের ডিভিশনে এ দুটি মামলায় জামিন চাওয়া হবে। আমরা আশা করি, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বেগম জিয়া জামিন হবে। যদি জামিন না হয় তাহলে অবশ্যই আমরা আপিল বিভাগে যাবো। কিন্তু আমরা জানি, সরকারের রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে আজকে প্রায় এক বছর চার মাস যাবৎ বেগম জিয়া কারাগারে আছেন। নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আইনী প্রক্রিয়ায় বেগম জিয়ার জামিনের জন্য আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করবো। কিন্তু তার সত্যিকারের মুক্তি আসবে আন্দোলনের মাধ্যমে। রাজপথেই বেগম জিয়া মুক্তি নিশ্চিত হতে পারে। এজন্য আমাদের সংগঠিত হতে হবে এবং কর্মসূচি দিতে হবে। আমাদেরকে এমন কর্মসূচি দিতে হবে, যাতে সরকার বেগম জিয়াকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। মওদুদ বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে সারা বাংলাদেশের মানুষ উৎকণ্ঠিত। তারা সকলেই চায়, বেগম জিয়া যাতে আর কারা না থাকেন। এটা দেশের ১৬ কোটি মানুষের ইচ্ছা। কিন্তু সম্ভব হচ্ছে না। সম্ভব হচ্ছে না কারণ, সরকারের রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে আমরা শত চেষ্টা করেও জামিনের সুরহা করতে পারছি না। প্রস্তাবিত বাজেটের বিষয়ে তিনি বলেন, সরকারে সুবিধাভোগীদের জন্য এ বাজেট। এ বাজেট জনসাধারণের জন্য না। বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, গত এক দশকে বাংলাদেশ থেকে ৫ কোটি ৮৮ লাখ কোটি টাকা বিদেশে গেছে। এটা বর্তমান সরকারের বাজেটের চেয়েও বেশী টাকা। যে হারে টাকা পাচার হচ্ছে! এ পাচার কারা করছে? এ সরকারের মদদ নিয়ে যারা ব্যবসা- বানিজ্য করে টাকা করেছে, সেটা দেশে বিনিয়োগ না করে বিদেশে পাচার করেছে। নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের মানুষের জন্য সুদিন আসছে। এই সুদিন এখন সময়ের ব্যাপার। এই সুদিন সেই দিন আসবে, যে দিন গণতন্ত্র আসবে, বেগম জিয়া মুক্তি হবেন, আইশনের শাসন এবং বিচারবিভাগের স্বাধীনতা ফিরে আসবে। সেই দিনের অপেক্ষায় আপনাদের থাকতে হবে। আয়োজক সংগঠনের সহসভাপতি মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান প্রমুখ বক্তব্যে রাখেন। এছাড়া মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইসতিয়াক আজিজ উলফাত উপস্থিত ছিলেন।-আলোকিত বাংলাদেশ
জনগণের সম্পূর্ণ বিরুদ্ধে এই বাজেট দেয়া হয়েছে :মির্জা ফখরুল
১৪ জুন২০১৯,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:জনগণের সম্পূর্ণ বিরুদ্ধে এই বাজেট দেয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ শুক্রবার বিকালে বিএনপি চেয়ারপারসনে গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিক বাজেট প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ মন্তব্য করেন। বিএনপির মহাসচিব বলেন, এই বাজেটে সাধারণ জনগণের জন্য কিছু রাখা হয়নি। এর মাধ্যমে ধনী শ্রেণিকে আরো ধনী হওয়ার সুযোগ তৈরি করে দেয়া হয়েছে। মির্জা আলমগীর বলেন, এই বাজেট জনগণ মেনে নেয়নি। তারা সম্পূর্ণ প্রত্যাখান করেছে। সরকারের এই প্রস্তাবিত বাজেট একটি উচ্চাভিলাসী ও গণবিরোধী বাজেট। সরকার জনগণকে বাইরে রেখে যেভাবে নির্বাচন করেছে, একই ভাবে বাজেটও দিয়েছে। এটি জনগণের বিরুদ্ধে গেছে। মির্জা ফখরুল বলেন, গতকাল অর্থমন্ত্রী ৫ লক্ষ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার উচ্চাভিলাসী বাজেট ঘোষণা করেছেন। বাজেটের আকার বড় করার চমক সৃষ্টির প্রতিযোগিতায় নেমেছেন অর্থমন্ত্রী। কিন্তু বাজেট বৃদ্ধি এ প্রবনতা বছর শেষে চুপসে যেতে দেখা যায়। এ বাজেট নিয়ে জনমনে কোনো উচ্ছ্বাস নেই। স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান বলেন, এই বাজেট সারা বছরে সরকারের ব্যর্থতার দলীল। এর মাধ্যমে জনগণের উপর করের বোঝা চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, যখন কোনো অনির্বাচিত সরকার দেশ পরিচালনা করে তারা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকে না। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ একমাত্র দেশ, যেখানে একটি অনির্বাচিত সরকার ক্ষমতায়। এই সরকার তাদের নিজেদের স্বার্থে বাজেট দিয়েছে। তিনি বলেন, পৃথিবীর কিছু দেশে দেখবেন কিছু মানুষ নিজেরা ব্যবসা করে, তারা দেশ পরিচালনা করে, তারাই আইন প্রণয়ন করে। বাংলাদেশেও একই অবস্থা এখন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রমুখ।
বাজেটের চাপে অর্থমন্ত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন :সালাম
১৪ জুন২০১৯,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:বিশাল বাজেটের চাপে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল অসুস্থ্য হয়ে পড়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক ডেপুটি মেয়র আব্দুস সালাম। আজ জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলন এবং ফিউচার অফ বাংলাদেশের যৌথ আয়োজনে গণবিরোধী লুটপাটের বাজেট প্রত্যাখ্যান শীর্ষক এক মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। সালাম বলেন, পরিষ্কারভাবে যেটা আমি বলতে চাই অনির্বাচিত সংসদের বর্তমান অর্থমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর জাতির সামনে বাজেট দেয়ার নৈতিক কোন অধিকার তাদের নেই।বিশাল এই বাজেট দেয়ার আগে বড় বাজেটের চাপে অর্থমন্ত্রী নিজেই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। বিএনপির এই নেতা বলেন, এই বিশাল বাজেট বহন করার মতো অবস্থা বর্তমানে জাতির নাই।এই বাজেট যদি জাতিকে বহণ করতে হয় তাহলে সমস্ত জাতিই আজ অসুস্থ হয়ে পড়বে।এই বাজেট জনগণের পকেট কাটার,গরিবদের আরও গরিব করবে।এটি জনগনের ওপর চাপিয়ে দেয়া বাজেট। সরকারের ভেজাল বিরোধী অভিযানের সমালোচনা করে সালাম বলেন, যে সরকার নিজেই একটি ভেজাল সরকার।জনগণ তাদেরকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে নাই তাদের ভেজাল বিরোধী অভিযান চালানোর নৈতিক কোন অধিকার নেই। তাই আমরা বলবো আমাদের একটাই দাবি জনপ্রতিনিধি বলতে যেটা বোঝায় সেটার জন্য অনতিবিলম্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়ে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জাতীয় সংসদে মন্ত্রীরা বাজেট দিবে সেটাই আমরা প্রত্যাশা করি। দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপনের সভাপতিত্বে এবং ফিউচার অফ বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক মো:শওকত আজিজের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, মুক্তিযোদ্ধা দলের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আক্তার হোসেন, মানবাধিকার সমিতির মহাসচিব আ হ ম মুস্তফা কামাল,বিএনপি নেতা জামাল হোসেন টুয়েল,সাজ্জাদ হোসেন প্রমুখ বক্তব্য দেন।
বাজেট ঘোষণায় রেকর্ড গড়ছে আওয়ামী লীগ
১৩জুন২০১৯,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশিবার বাজেট ঘোষণা করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার। এবারের বাজেট হবে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের ২১তম বাজেট। আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের এটা ১৭ তম বাজেট। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরে গণপরিষদে উপস্থাপন করা হয় বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রথম বাজেট। ৩০ জুন ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বাধীন সরকারের ৭৮৬ কোটি টাকার প্রথম বাজেট ঘোষণা করেন তৎকালীন অর্থমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ। বঙ্গবন্ধু হত্যার ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতা আসে। পরে ১৯৯৭ সালের ২৮ জুলাই তৎকালীন অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া ঘোষণা করেন শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম বাজেট। ১৯৯৬-৯৭ অর্থবছরের ২৪ হাজার ৬০৩ কোটি টাকার সে বাজেট তৎকালীন সরকারের শেষ বছরে গিয়ে দাঁড়ায় ৪২ হাজার ৩০৬ কোটি টাকা। এরপর ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট ক্ষমতায় এলে প্রথমবারের মতো ১ লাখ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। যা পরবর্তী কয়েক অর্থবছরে ধারাবাহিকভাবে বেড়ে বেশ বড় আকার নেয়। নবম জাতীয় সংসদের শেষ বাজেটেই রেকর্ড ২ লাখ ২২ হাজার ৪৯১ কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী মুহিত। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় নির্বাচনে টানা দ্বিতীয় দফায় আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে। ক্ষমতায় এসে তৃতীয়বারের মতো অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়া আবুল মাল আবদুল মুহিত ২০১৪-১৫ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব আড়াই লাখ কোটি টাকার ওপরে। ২০১৭-১৮ অর্থবছর বাজেটের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪ লাখ ২৬৬ কোটি টাকায়। আর গত মেয়াদের শেষ অর্থবছর ২০১৮-১৯ এর জন্য ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ২০তম বাজেট পেশ করে। যার আকার ধরা হয় ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা। আওয়ামী লীগ সরকারের নেতৃত্বে সামগ্রিকভাবে ২১তম বাজেট প্রস্তাব পেশ হতে যাচ্ছে আজ। টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য নতুন সরকারের প্রথম বাজেটের আকার হতে পারে ৫ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকারও বেশি।-আরটিভি অনলাইন
সংসদে যা বললেন রুমিন ফারহানা
১২জুন২০১৯,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতীয় সংসদের বৈঠকে মঙ্গলবার যোগ দিয়েছেন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ রুমিন ফারহানা। প্রথম সংসদ বৈঠকে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেয়ার জন্য তাকে সময় দেওয়া হয় দুই মিনিট। রুমিন বলেন, সংসদে আজ আমার প্রথম দিন। যেকোনো রাজনীতিবিদের মতোই সংসদে আসা, সংসদে দেশের কথা, মানুষের কথা বলা আমার স্বপ্ন ছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্য আমি এমন একটি সংসদে প্রতিনিধিত্ব করছি যে সংসদটি জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়। তার এ কথার সঙ্গে সঙ্গেই সরকারি দলের সদস্যরা হইচই শুরু করেন। তার পুরো বক্তব্যের সময়ই হইচই চলতে থাকে। স্পিকার কয়েকবার সদস্যদের নীরব থাকার আহ্বান জানান। কিন্তু হইচই চলতে থাকে। এর মধ্যেই তিনি বক্তব্য চালিয়ে যান। একপর্যায়ে সময় শেষ হলে রুমিনের মাইক বন্ধ হয়ে যায়। মাইক বন্ধ অবস্থায়ও রুমিনকে বক্তব্য দিতে দেখা যায়। রুমিন ফারহানা বলেন, যদি আপনারা টিআইবির রিপোর্ট দেখেন। যদি আপনারা বিদেশি গণমাধ্যম দেখেন। যদি আপনারা বিদেশি পর্যবেক্ষকদের দেখেন। যদি আপনারা নির্বাচন কমিশনের রিপোর্ট দেখেন, আপনারা দেখবেন- এই সংসদটি জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়। সুতরাং আমি খুশি হব যদি এই সংসদের মেয়াদ আর একদিনও না বাড়ে। রুমিন ফারহানা আরও বলেন, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সংসদে নেই। তাকে পরিকল্পিতভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যা মামলায় ১৬ মাসের বেশি সময় ধরে আটক রাখা হয়েছে। খালেদা জিয়ার মামলার মেরিট, তার শারীরিক অবস্থা, তার সামাজিক অবস্থান, সব কিছুর বিবেচনায় তাৎক্ষণিক জামিন পাওয়ার যোগ্য। সরকারের হুমকিতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরতে পারেন না। বিএনপির নেতাদের নামে শত শত মামলা।সূত্র: somoynews.tv
ঐক্যফ্রন্টের ঐক্য অটুট থাকুক : কাদের
১১জুন২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঐক্যফ্রন্টের ঐক্য অটুট থাকুক এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ঐক্যফ্রন্টকে দায়িত্বশীল ও শক্তিশালী ভূমিকায় দেখতে চায় আওয়ামী লীগ। শক্তিশালী দায়িত্বশীল বিরোধী দল গণতন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য শুভ। মঙ্গলবার (১১ জুন) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে দলের যৌথসভার শুরুতে অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে এ যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ঐক্যফ্রন্টে ঐক্য নেই, আমরা এটা চাই না উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা চাই দেশে একটা দায়িত্বশীল বিরোধী দল গড়ে উঠুক। কিন্তু ঐক্যফ্রন্টের রাজনীতি হচ্ছে বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা করা। এ জোটটিকে গঠনমূলক রাজনীতি করার আহ্বান জানান তিনি। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কারামুক্তি নিয়ে কোনও আন্তর্জাতিক চাপের কথা অস্বীকার করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন,কোনও চাপ তো নেই। তবে বিএনপি বারবার আন্তর্জাতিক মহলের কাছে ধর্ণা দিচ্ছে, নালিশ করছে। খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলের উদ্বেগ প্রসঙ্গে সড়ক মন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য খারাপ এটা ডাক্তাররা বলছেন না। বিএনপি যদি তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে থাকে তাহলে ভিন্ন কথা। মির্জা ফখরুল বলেছেন। কিন্তু তিনি কি চিকিৎসক? মূলত বিএনপি খালেদার চিকিৎসা নিয়ে রাজনীতি করছে। চলতি মাসের ২৩ তারিখে দলের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে স্মরণিকা প্রকাশ, রচনা প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং হালকা আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা হবে বলে প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান আওয়ামী লীগের এই শীর্ষ নেতা। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সাংগঠনিক জেলাসমূহ থেকে দুজন প্রবীণ নেতাকে সংবর্ধনা দেওয়ার যে উদ্যোগ ছিল, সেটা মুজিববর্ষে করা হবে বলে জানান কাদের। যৌথসভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, বি এম মোজাম্মেল হক, দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, এনামুল হক শামীম, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, দফতর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, শ্রমবিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, দলের আইন বিষয়ক সম্পাদক এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম আতিক, দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকনসহ ঢাকার দলের জাতীয় সংসদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণে নেতারা।
ঐক্যফ্রন্ট নেতারা ভুল বোঝাবুঝির সমাধানে বসছেন
১০জুন২০১৯,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গঠিত হওয়া জোটের ভেতরকার দূরত্ব ঘুচিয়ে ও ভুল বোঝাবুঝি নিরসন করে ফের রাজপথে সক্রিয় হচ্ছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। সেই উদ্যোগের অংশ হিসেবে আজ সোমবার (১০ জুন) বৈঠকে বসছেন ফ্রন্টের শীর্ষ নেতারা। সরকার বিরোধী এ জোটের অন্যতম নেতা জেএসসি সভাপতি আ স ম আবদুর রবের রাজধানীর উত্তরার বাসায় তারা মিলিত হবেন বলে জানা গেছে। এ বৈঠকে জোটের আহ্বায়ক, গণফোরাম সভাপতি ও সংবিধান প্রণেতা ড. কামাল হোসেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের কাদের সিদ্দিকী, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরীসহ ফ্রন্টের শীর্ষ নেতাদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে সম্পৃক্ত একাধিক নেতা বৈঠকের বিষয়ে জানিয়েছেন, আজকে শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে জোটের শরিকদের মধ্যে নানা ইস্যুতে সৃষ্ট সংকট, দূরত্ব এবং ভুল বোঝাবুঝি দূর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এছাড়া বৈঠকে আলোচনা হবে রাজপথে নামার নতুন কর্মসূচির বিষয়েও। গত বছর ডিসেম্বর মাসের ৩০ তারিখে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে যাত্রা শুরু করে সরকার বিরোধী জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। একসঙ্গে আন্দোলন, নির্বাচন এবং সরকার গঠনের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামা জোটটি ভোটে ৮টি আসনে জয়লাভ করে। নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম, কারচুপি ও ভোট জালিয়াতির অভিযোগ এনে ফল বর্জন ও সংসদে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট ঐক্যফ্রন্ট। জোট শরিকদের না জানিয়ে এ সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে বিএনপি ও গণফোরামের নির্বাচিতরা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। এ নিয়ে জোটের শরিকদের মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি হয়। এসব কারণে পুনর্নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলনে নামার ঘোষণা দিয়েও শেষ পর্যন্ত আর মাঠে দেখা যায়নি তাদের।
বাংলাদেশে চলছে গণতন্ত্রের এক অন্ধকারময় পর্ব :রিজভী
৯জুন২০১৯,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:দেশে হত্যা, ধর্ষণ ও বিচারবর্হিভুত হত্যার হিড়িক চলছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। আজ রোববার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, দেশ বিদেশের মানুষ জানে বাংলাদেশে চলছে গণতন্ত্রের এক অন্ধকারময় পর্ব। এখানে সুষ্ঠু নির্বাচন নিরুদ্দেশ করা হয়েছে। মানুষের বাক-স্বাধীনতা নেই। দেশে হত্যা, ধর্ষণ ও বিচারবর্হিভুত হত্যার হিড়িক চলছে। শুধু মে মাসের প্রথম ৮ দিনেই ৪১ শিশু ধষণের শিকার হয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ৫জন মানুষ বিচারবর্হিভূত হত্যার শিকার হচ্ছেন। হত্যা, ধর্ষণের এহন গুরুতর অপরাধের ঘটনাগুলো সমাজে, গণমাধ্যমে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তোলপাড়ের সৃষ্টি হলেও সরকারের টনক নড়েনা।তিনি বলেন, চরম মিথ্যাচার আওয়ামী লীগ ও সরকারে পদোন্নতির একমাত্র মাপকাঠি। আওয়ামী লীগে ব্যক্তির যোগ্যতা ও মেধার ইন্টিগ্রেটির কোন বালাই নেই। আওয়ামী লীগের নেতাদের মনস্তত্ব বিশ্লেষণে যেটি পাওয়া যায় তা হলো ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকান্ড, চরম মিথ্যাচার, অপরাধ করেও অনুশোচনাহীনতা, অগভীরতা, পরজীবীর মতো আচরণ, ব্যর্থতার দায়িত্ব নিতে অপরগতা। তথ্যমন্ত্রী একবার মন্ত্রীত্ব খুইয়ে এবারে মন্ত্রীত্ব পেয়েছেন শুধুমাত্র অবান্তর, অবিরল, মিথ্যাচারের প্রতিভা প্রমাণ করে। রিজভী আহমেদ বলেন, বিএসএমএমইউ একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান, সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী খালেদা জিয়া। ঐ এলাকায়তো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ গোয়েন্দাদের সার্বক্ষণিক নজরদারি থাকার কথা। যেখানে সরকারি অনুমোদন ছাড়া কাকপক্ষিও ঢুকতে পারেনা। সেই বিএসএমএমইউতে বোমা সদৃশ্য বোতল উদ্ধারের ঘটনায় তথ্যমন্ত্রী এখন বিএনপির যোগসূত্র খুঁজছেন। এইজন্যই বলেছি যে, আওয়ামী নেতারা চরম মিথ্যাচার দিয়ে নিজেদের ষড়যন্ত্র ঢাকতে পারঙ্গম। তথ্যমন্ত্রীর তো ভুলে যাওয়ার কথা নয় শেরাটনের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ থেকে শুরু করে বিএনপির আন্দোলনকে ভিন্নখাতে নিতে সারাদেশে গাড়িতে পেট্রোল বোমা হামলা কারা করেছিল, বিহঙ্গ গাড়িতে পেট্রোল হামলা কারা করেছিল যা পরবর্তীতে আওয়ামী নেতারাই স্বীকারোক্তি দিয়েছেন, এস্বীকারোক্তির কথাটা তথ্যমন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করলেন না কেন? তিনি বলেন, নরসিংদী রোডের বিআরটিসি বাস আজিমপুরে নিয়ে অগ্নিসংযোগ করে ছিল কারা? এসব করেছিল যারা তারা সবাই আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ও রাষ্ট্রযন্ত্র -যা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত। নারায়নগঞ্জে পেট্রোল বোমা হামলায় যুবলীগ নেতাদের কিভাবে আটক হয়েছিল, রাবিতে ছাত্রলীগ কিভাবে বোমা হামলার স্বীকারোক্তি কিভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করেছিল। সুতরাং পেট্রোল -বোমা কালচার আওয়ামী লীগের আবিস্কৃত কালচার, সেটা তথ্যমন্ত্রী এড়িয়ে গেলেও দেশবাসী ঠিকই জানেন। বিএনপির এই নেতা বলেন, গত বছর নির্বাচনকে ঘিরে দেশজুড়ে গায়েবি মামলা, মৃতব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা, পক্ষঘাতগ্রস্ত ব্যক্তির নামে মামলা, পবিত্র হজব্রতরত ব্যক্তির নামে মামলায় প্রমাণিত হয়েছে আওয়ামী লীগ নিজেরা অপকর্ম করে অন্যের উপর দায় চাপায়। বিএসএমএমইউতে পেট্রোল বোমা সদৃশ্য বোতলও ক্ষমতাসীন মহলের ষড়যন্ত্রের অংশ এবং এটা কী উদ্দেশ্যে করা হয়েছে এটাও দেশবাসীর কাছে পরিস্কার। সুতরাং জনগনের উপর জবরদস্তি করে মিথ্যা কথার মায়াজাল বিস্তার করা যায় না। মিডনাইট নির্বাচন, নাগরিক স্বাধীনতা হরণ, রক্তপাতের সংস্কৃতি চালু রেখে আওয়ামী নেতাদের প্রাত্যহিক জীবন থেকে সৌজন্যবোধ ও হিতাহিত জ্ঞান লোপ পেয়েছে। তিনি বলেন, ক্ষমতাসীনদের আস্কারাতেই ক্ষমতাসীনরা শাস্তি থেকে রেহাই পেয়ে যাচ্ছে। তার একটি বড় প্রমাণ ফেনীর নুসরাত জাহানতে হাত-পা বেঁধে পুড়িয়ে মারার সাথে যারা প্রকাশে-অপ্রকাশ্যে জড়িত তাদের একজন ফেনীর সোনাগাজি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোয়াজ্জেম হোসেন। পরোয়ানা থাকার পরও ওই ওসি এখন ধরাছোঁয়ার বাহিরে। অতএব মন্ত্রীরা চাকরি রক্ষার বিবৃতি দিলেও দেশের অবস্থা ভয়ঙ্কর ও বিপজ্জনক। ব্রিফিংয়ে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট আহমেদ আযম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. মামুন আহমেদ, আবদুস সালাম আজাদ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।
শপথ নিলেন বিএনপির রুমিন ফারহানা
৯জুন২০১৯,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সংসদ সদস্য হিসাবে শপথ নিয়েছেন সংরক্ষিত আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রাপ্ত সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। রোববার (৯ জুন) জাতীয় সংসদ ভবনের নিজ কার্যালয়ে দুপুর ১২টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমীন চৌধুরী তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান। গত ২৮ মে একাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনে নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তিনি টেলিভিশন টকশোর পরিচিত মুখ হিসাবে বেশ পরিচিত। সংরক্ষিত এ আসনে আর কোনও প্রার্থী না থাকায় এবং নির্দিষ্ট দিনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় শেষ হওয়ায় তাকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবুল কাশেম। এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবুল কাশেম জানিয়েছিলেন, গত ২১ মে যাচাই-বাছাইয়ে তার মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছিল এবং তিনি প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি। তাই তাকে বেসরকারিভাবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। একাদশ জাতীয় সংসদে বিএনপির একমাত্র সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য হিসাবে তিনি প্রতিনিধিত্ব করবেন। প্রসঙ্গত গত ৩০ ডিসেম্বরের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতটি আসনে জয় লাভ করে বিএনপি। দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়া বাকি সবাই শপথ নিয়ে সংসদে গেছেন।