মেট্রোরেল নির্মাণ কাজের অগ্রগতি ৬১.৪৯ শতাংশ : ওবায়দুল কাদের
২২,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের প্রথম মেট্রোরেলের নির্মাণকাজের সার্বিক অগ্রগতি ৬১.৪৯ শতাংশ বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আজ বৃহস্পতিবার তার সরকারি বাসভবনে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজের সর্বশেষ অগ্রগতি সম্পর্কে তিনি এ তথ্য জানান। ওবায়দুল কাদের বলেন, মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজের সার্বিক অগ্রগতি ৬১.৪৯ ভাগ। প্রথম পর্যায়ে নির্মাণের জন্য নির্ধারিত উত্তরা তৃতীয় পর্ব থেকে আগারগাঁও অংশের পূর্ত কাজের অগ্রগতি শতকরা ৮৩.৫২ ভাগ। তিনি জানান, ইলেকট্রিক্যাল ও মেকানিক্যাল সিস্টেম এবং রোলিং স্টক ডিপো ইকুইপমেন্ট সংগ্রহ কাজের সমন্বিত অগ্রগতি শতকরা ৫২.২২ ভাগ। প্রথম উড়াল মেট্রোরেল ছয় কোচ বিশিষ্ট চব্বিশ সেট মেট্রোরেলে মোট কোচের সংখ্যা ১৪৪টি জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, তার মধ্যে গতকাল বুধবার ছয় কোচ বিশিষ্ট প্রথম মেট্রোরেল সেট ঢাকার উত্তরাস্থ ডিপোর নবনির্মিত ডিএমটিসিএল জেটিতে পৌঁছেছে। দ্বিতীয় মেট্রোরেল সেটের জাহাজীকরণ জাপানের কোবে সমুদ্রবন্দরে গত বুধবার সম্পন্ন হয়েছে জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, আশা করা হচ্ছে আগামী ১৬ জুনের মধ্যে দ্বিতীয় সেটটি দেশের মংলা বন্দর হয়ে উত্তরাস্থ ডিপোতে পৌঁছবে। তৃতীয় ও চতুর্থ মেট্রোরেল সেটের শিপমেন্টের সম্ভাব্য তারিখ আগামী ১১ জুন ও ১৩ আগস্টের মধ্যে মংলা বন্দর হয়ে উত্তরাস্থ ডিপোতে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে বলে আশা করছেন তিনি। সেতুমন্ত্রী জানান, পঞ্চম ট্রেন সেটের জাপান থেকে শিপমেন্টের সম্ভাব্য তারিখ আগামী ১৬ জুলাই ও বাংলাদেশে পৌঁছানোর সম্ভাব্য তারিখ ১৭ সেপ্টেম্বর। পরে সেতুমন্ত্রী গোপালগঞ্জ সড়ক জোন, বিআরটিসি ও বিআরটিএর কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি মতবিনিময় সভায় যুক্ত হন। এ সময় ওবায়দুল কাদের গোপালগঞ্জ জোনের প্রকৌশলীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিস্থলকে কেন্দ্র করে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ শ্রদ্ধা জানাতে আসা-যাওয়া করে। তাই জোনের অধীন সড়কগুলোকে সারা বছরই মেইনটেইন ও মনিটরিং আরো জোরদার করতে হবে। বিআরটিএর সেবা কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, দ্রুত ড্রাইভিং লাইসেন্স কার্ড সংগ্রহ করে লাইসেন্স প্রদান করা এখন জরুরি। প্রয়োজনে ধাপে ধাপে কার্ডের সরবরাহ করতে হবে।
রিজভীর শারীরিক অবস্থার আরও উন্নতি
২১,এপ্রিল,বুধবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ আসার পর তার শারীরিক অবস্থা আরও উন্নতি হয়েছে। বর্তমানে তিনি রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বুধবার (২১ এপ্রিল) চিকিৎসকের বরাত দিয়ে এ কথা জানান রিজভীর ব্যক্তিগত সহকারী আরিফুর রহমান তুষার। তিনি বলেন, রুহুল কবির রিজভীর অক্সিজেন স্যাচুরেশনও এখন ভালো। তাকে নরমালি যে অক্সিজেন দেয়া হতো তা এখন প্রায় লাগছেই না। চিকিৎসকরা আশা করছেন এভাবে উন্নতি হলে দু-একদিনের মধ্যে আর অক্সিজেন সাপোর্ট লাগবে না। তার ব্লাডপেশার ও ডায়াবেটিকসও এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সব মিলিয়ে তার শারীরিক অবস্থা অনেকটাই ভালো। তিনি স্বাভাবিক খাবার খেতেও পারছেন। প্রতিদিন তাকে ফিজিওথেরাপি দেয়া হচ্ছে এবং ব্যায়াম করানো হচ্ছে। গত ১৬ মার্চ করোনা আক্রান্ত হন রুহুল কবির রিজভী। এরপর ১৭ মার্চ তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। গত ১ এপ্রিল হঠাৎ করেই রিজভীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে এবং অক্সিজেন লেভেল কমে গেলে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়েছিল। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান রিজভীসহ দলের অন্যান্য অসুস্থ নেতাদের খোঁজ রাখছেন বলে জানা গেছে। এদিকে রুহুল কবির রিজভীর সুস্থতার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে দলীয় নেতাকর্মী ও দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।
খাদ্যের ব্যবস্থা না করে লকডাউন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত অবাস্তব : ন্যাপ
২০,এপ্রিল,মঙ্গলবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের বর্তমান করোনা দুর্যোগ ও লকডাউনের ফলে খেটে খাওয়া মানুষ আজ সংকটাপন্ন। এই অবস্থায় নিম্ন ও নিম্ন মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষের খাবারের ব্যবস্থা না করে লকডাউন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত অবাস্তব চিন্তার ফসল ছাড়া অন্য কিছুই নয় বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (বাংলাদেশ ন্যাপ) চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া। তারা বলেছেন, কঠোর লকডাউনের কোনো আলামত নেই সাধারণের চোখে। ব্যাংক, কলকারখানা, গার্মেন্টস, সীমিত পরিসর ও সময়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় দোকান-প্রতিষ্ঠান খোলা, বন্ধ গণপরিবহন, সাধারণ যানবাহন। এতে কেউ হাঁটে, কেউ ঘাটে আর সাধারণ জনগণ নিরুপায় নিষ্ক্রিয় হয়ে ঘরে আটকা। মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় এসব কথা বলেন। তারা আরও বলেন, করোনা মহামারির থাবা থেকে আমরা কীভাবে মুক্তি পাব, সে প্রশ্নে যাওয়ার আগে আমাদের আর্থিক সামর্থ্যকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আনা উচিত। আমাদের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি শ্রমনির্ভর, কৃষি-গার্মেন্টস ও প্রবাসীর অর্জননির্ভর। সাম্প্রতিকালে কৃষি থেকে খাদ্য নিরাপত্তা মোটামুটি নিশ্চিত থাকলেও দেশের অর্থনীতির নিয়ামক গার্মেন্টসশিল্প ও প্রবাসীর আয় করোনার প্রাদুর্ভাবে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। দেশের অভ্যন্তরে শ্রমজীবী, প্রাতিষ্ঠানিক শ্রমিক/কর্মচারী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, সাধারণ জনগোষ্ঠীর অর্থনীতি মারাত্মক বিপর্যযয়ে পড়েছে। নেতৃদ্বয় বলেন, লকডাউন কঠোর করতে হলে সংকটে থাকা সাধারণ মানুষকে ঘরে রাখতে হবে। ঘরে রাখা সম্ভব তাদের আর্থিক প্রণোদনা দেয়ার মাধ্যমে। সরকারঘোষিত আড়াই হাজার টাকা করে মাসিক প্রণোদনা দিলে ১ মাসে ৩০-৩৫ হাজার কোটি টাকার বিষয়। যদি লকডাউন দীর্ঘমেয়াদে করতে হয়, তবে কি দেশ সে ভার বহন করতে সক্ষম হবে? সরকার যদি তা করেও, তবে কি পরবর্তী সময়ে ঘুরে দাড়াঁনোর শক্তি অবশিষ্ট থাকবে? বর্তমানে তা বাস্তবায়ন করা অনেকের মতে অসম্ভব। এ অবস্থায় ঢিলেঢালা লকডাউনের ভার দেশ আর বহন করতে পারে না। তারা বলেন, করোনা প্রতিরোধে আমাদের গতানুগতিক কৌশলকে নতুন করে ঢেলে সাজানো উচিত। লকডাউনের কার্যকারিতা যেহেতু আশানুরূপ পর্যায়ে নেই, তাই তা প্রত্যাহার করে মানুষের জীবনের গতিকে ফিরিয়ে আনা উচিত। গত বছরের লকডাউনে প্রান্তিক মানুষ দুর্দশায় পড়েছিলেন। দুর্দশা লাঘবে সরকারি প্রচেষ্টা খুব একটা সফল হয়নি, রিলিফের চাল-ডাল প্রচলিত নিয়মে অনেকটাই স্থানীয় প্রভাবশালীদের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। বিশেষ করে শহরাঞ্চলের প্রান্তিক কর্মজীবীরা রোজগারের ব্যবস্থা হারিয়ে এবারও কষ্টে পড়েছেন। নেতৃদ্বয় বলেন, বিজ্ঞানীরা শুরু থেকেই বলছেন, দ্বিতীয় এমনকি তৃতীয় ধাক্কা আসবে। তাতে কর্ণপাত না করে আমরা মগ্ন ছিলাম সংক্রমণ এবং মৃত্যু হ্রাসের কৃতিত্বে অবগাহনে। পরিস্থিতি যখন আবার খারাপের দিকে, তখন আইসিইউ, অক্সিজেন ও ন্যাজাল ক্যানোলার অভাব স্বাস্থ্যকর্মীদের দুশ্চিন্তায় ফেলছে। এই অভাব দূর করে সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য যথেষ্ট সময় পেয়েছিলাম আমরা, যার সঠিক ব্যবহার হয়নি। অর্থহীন বাক্যব্যয় না করে, এখনো এসবেই দ্বিগুণ মনোযোগ দেয়া প্রয়োজন দেশের স্বাস্থ্য নেতৃত্বের।
আরও এক সপ্তাহ বাড়ছে লকডাউন : ওবায়দুল কাদের
১৯,এপ্রিল,সোমবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে সরকার সারাদেশে আরও এক সপ্তাহ সর্বাত্মক লকডাউন বাড়ানোর চিন্তাভাবনা করছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, জীবন ও জীবিকার প্রয়োজনে সরকার ঈদের আগে লকডাউন শিথিলেরও চিন্তাভাবনা করছে। সোমবার (১৯ এপ্রিল) রাজধানীর সরকারি বাসভবন থেকে দেয়া ভিডিওবার্তায় এসব কথা বলেন কাদের। এর আগে, রোববার এক ভার্চুয়াল বৈঠকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে আরও এক সপ্তাহের জন্য কঠোর লকডাউন আরোপের সুপারিশ করে কোভিড ১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। প্রস্তাবিত এই লকডাউন শেষ হওয়ার আগে সংক্রমণের হার বিবেচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়ারও পরামর্শ দেয় কমিটি। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি থেকে দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়তে শুরু করে। মার্চের শুরুতে এসে যা তীব্র আকার ধারণ করে। সংক্রমণ ঠেকাতে ৫ এপ্রিল থেকে প্রথম দফায় সাত দিনের জন্য কঠোর বিধিনিষেধ শুরু হয়। ১১ এপ্রিল শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এই বিধিনিষেধ চলে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত। এরপর ১৪ এপ্রিল থেকে দ্বিতীয় সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা করে সরকার, যা চলবে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত।
অভ্যন্তরীণ কোন্দলের বহিঃপ্রকাশ করোনা পরিস্থিতি জটিল করবে : কাদের
১৬,এপ্রিল,শুক্রবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি, কলহ-কোন্দলের বহিঃপ্রকাশ এই মুহূর্তে দেশের করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, আপন ঘরে যাদের শত্রু, তাদের শত্রুতার জন্য বাইরের শত্রুর প্রয়োজন হয় না। তাই সবাইকে আজ নিজ ঘরে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপকমিটি আয়োজিত সুরক্ষসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যুক্ত হন। এতে কয়েকটি সাংবাদিক সংগঠন ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের মাঝে করোনা সুরক্ষাসামগ্রী বিতরণ করা হয়। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, যারা অভ্যন্তরীণ কোন্দলে জড়াবে, দল তাদের কোনো প্রশ্রয় দেবে না। তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রশাসনিক ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হবে। ওবায়দুল কাদের ঘরে ঘরে সচেতনতার দুর্গ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সাম্প্রদায়িক অপশক্তি এবং ভয়ংকর করোনার বিরুদ্ধেও সচেতনতার দুর্গ গড়ে তুলতে হবে। ধানমন্ডি প্রান্তে এসময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, শিক্ষা ও মানবসম্পদ সম্পাদক সামছুন্নাহার চাঁপা, উপ-দফতর সম্পাদক সায়েম খান ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আবদুল মজিদ প্রমুখ।
করোনার বিরুদ্ধে ঘরে ঘরে সচেতনতার দুর্গ গড়ে তুলুন: ওবায়দুল কাদের
১৪,এপ্রিল,বুধবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অদৃশ্য শত্রু করোনার বিরুদ্ধে ঘরে ঘরে সচেতনতার দুর্গ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। একই সঙ্গে তিনি সবাইকে বাংলা নববর্ষ ও রমজানের শুভেচ্ছা জানান। বুধবার (১৪ এপ্রিল) সকালে ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবন থেকে নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ আহ্বান জানান। ওবায়দুল কাদের আওয়ামী লীগের পক্ষে দেশের সর্বস্তরের জনগণকে বাংলা নববর্ষ ও রমজানের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, করোনাকবলিত বাংলাদেশে আবার এসেছে বাঙালির উৎসবের সবচেয়ে প্রাণবন্ত দিন পহেলা বৈশাখ। এবারকার বৈশাখ এসেছে প্রাণহীন এক বৈরী পরিবেশে, জীবনের এক নিষ্ঠুর বাতাবরণে। চিরচেনা পহেলা বৈশাখকে আজ চেনাই যায় না। এই দিনের সব রূপ-রস-গন্ধ হারিয়ে গেছে। হারিয়ে গেছে হাসি আনন্দের চিরচেনা বাঁশির সুর। ওবায়দুল কাদের বলেন, তবুও নতুন আশার মালা গেঁথে বাঙালির বেঁচে থাকার নিরন্তর লড়াই চলছে। সম্মিলিত শক্তি দিয়ে প্রতিহত ও পরাজিত করতে হবে প্রাণঘাতী করোনাকে। ওবায়দুল কাদের আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সময়ের সাহসী কাণ্ডারি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিজয়ী হই করোনার বিরুদ্ধে, বিজয়ী হই বৈশাখীর চেতনার শত্রু সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে।
পহেলা বৈশাখ আমাদের এক পথে চলতে সাহসী করে: জিএম কাদের
১৪,এপ্রিল,বুধবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলা নববর্ষ ১৪২৮ উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে অবস্থানরত বাংলা ভাষাভাষীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের। বুধবার (১৪ এপ্রিল) এক বাণীতে সকল বাংলাভাষীর জন্য অফুরান শুভকামনা প্রকাশ করেছেন তিনি। জিএম কাদের বলেন, পুরনো, জরাজীর্ণ এবং অশুভকে পেছনে ফেলে নতুন উদ্যমে সামনে এগিয়ে চলতে পহেলা বৈশাখ আমাদের অনুপ্রেরণা যোগায়। ব্যর্থতার গ্লানী মুছে সাফল্যের সিঁড়ি বেয়ে উজ্জ্বল আলোর রথে চলতে শেখায় পহেলা বৈশাখ। বাংলা নববর্ষ ১৪২৮ উপলক্ষে দেয়া বাণীতে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান আরও বলেন, পহেলা বৈশাখ হচ্ছে বঙ্গাব্দের প্রথম দিন বা বাংলা নববর্ষ। পহেলা বৈশাখ বাঙালির মহা ঐক্যের দিন। ধর্ম, বর্ণ, জাত বা গোত্রের সীমারেখা ভেঙে পহেলা বৈশাখের উৎসব আয়োজন আমাদের এক পথে চলতে সাহসী করে। সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি, সুন্দর ও কল্যাণের জয়গানে শুভ পহেলা বৈশাখকে স্বাগত জানাতে আমরা প্রস্তুত। জিএম কাদের বলেন, মুঘল সম্রাট আকবরের আমলে কর বা রাজস্ব আদায়ের জন্য বাংলা সন গণনা শুরু হলেও, পহেলা বৈশাখ দিনে দিনে বাঙালি সংস্কৃতি লালন ও বিকাশের অসাধারণ অধ্যায়ে পরিণত হয়েছে। জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান বলেন, এবার পহেলা বৈশাখ এমন একটি সময়ে আমাদের সামনে হাজির, যখন করোনাভাইরাস মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে সারাবিশ্বে। মৃত্যু আতঙ্ক বিশ্বের প্রতিটি মানুষের অন্তরে। তাই, এই আতঙ্কময় কোভিড-১৯ এর কবল থেকে বাঁচতে প্রত্যেকে নিজ ঘরে থেকেই মহান স্রষ্টার অনুগ্রহ প্রার্থনা করুন। ঘরে থাকুন, নিরাপদে থাকুন। এই দুর্যোগ কেটে গেলে আমরা আবারো মিলবো প্রাণের উৎসবে।
স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্বকে গুরুত্ব না দিলে সংক্রমণ আরও অবনতির দিকে নিয়ে যেতে পারে: কাদের
১২,এপ্রিল,সোমবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি বলেছেন, সর্বাত্মক লকডাউন চলাকালে পণ্যবাহী পরিবহন যাতে কোনোভাবেই যাত্রীবাহী পরিবহনে রূপ না নিতে পারে সেদিকে নজর রাখতে হবে। বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) চলমান কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময় সভায় সোমবার (১২ এপ্রিল) সকালে তিনি এসব কথা বলেন। সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে তিনি এ সভায় যুক্ত হন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ১৪ এপ্রিল থেকে সর্বাত্মক লকডাউনের ঘোষণায় লঞ্চ ও ফেরিঘাটে ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কেউ স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্বের বিষয়কে গুরুত্ব দিচ্ছে না। এ ধরনের মনোভাব করোনা সংক্রমণকে আরও অবনতির দিকে নিয়ে যেতে পারে। ড্রাইভিং লাইসেন্স বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, দীর্ঘদিন সীমিত পর্যায়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছে। লাইসেন্সের এনরোলমেন্ট এবং বায়োমেট্রিক প্রদানের কাজ শুরু হলেও তেমন গতি পায়নি। তাই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও বিআরটিএর চেয়ারম্যানকে দ্রুততম সময়ে লাইসেন্স কার্ড প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে।
খালেদা জিয়া করোনা আক্রান্ত : স্বাস্থ্য অধিদফতর
১১,এপ্রিল,রবিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার করোনা শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। ১১ এপ্রিল প্রকাশিত রিপোর্টে খালেদা জিয়ার করোনা পরীক্ষার রেজাল্ট পজিটিভ আসে বলে জানানো হয়। করোনা পরীক্ষার ওই প্রতিবেদনে দেখা যায়, আইসিডিডিআর,বি ল্যাবরেটরিতে ১০ তারিখ তার করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা জমা হয়। এরপর আরটি পিসিআর পদ্ধতিতে করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হয়। যদিও শনিবার বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, দলটির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা দিয়েছেন এমন খবর সঠিক নয়। খালেদা জিয়ার চিকিৎসক ডা. মামুনের বরাত দিয়ে তার প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, আমি ডা. মামুনের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি বলেছেন, তারা নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবন ফিরোজাতে গিয়েছিলেন। করোনা পরীক্ষার জন্য তারা ম্যাডামের নমুনা নেননি। খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. মামুন রোববার দুপুরেও নমুনা দেয়ার খবর নাকচ করে দিয়েছেন। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, তিন দিন আগেই খালেদা জিয়ার পরিচর্যায় নিযুক্ত গৃহপরিচারিকা ফাতেমার করোনা শনাক্ত হয়। এরপর শনিবার (১০ এপ্রিল) দুই দফায় খালেদা জিয়ার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। অন্যদিকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাইদুল ইসলাম প্রধান জানিয়েছেন, বেগম খালেদা জিয়া করোনায় আক্রান্ত, বিষয়টি শতভাগ সঠিক।

রাজনীতি পাতার আরো খবর