রবিবার, আগস্ট ২৫, ২০১৯
সড়ক দুর্ঘটনায় ১ হাজার ৫৫২ জনের মৃত্যু
১২মে,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:দেশের সড়ক মহাসড়কে গত চার মাসে দুর্ঘটনায় ১ হাজার ৫৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘটে যাওয়া এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন ৩ হাজার ৩৯জন। নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটি (এনসিপিএসআরআর) তাদের নিয়মিত মাসিক জরিপ ও পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরেছে। শনিবার সংগঠনটি এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ২২টি বাংলা ও ইংরেজি জাতীয় দৈনিক, ১০টি আঞ্চলিক সংবাদপত্র এবং আটটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও সংবাদ সংস্থার তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে এই পরিসংখ্যান তৈরি করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, জানুয়ারিতে ৩৮৩টি দুর্ঘটনায় ৫৩ নারী ও ৭১ শিশুসহ ৪১১ জনের প্রাণহানি এবং ৭২৫ জন আহত হয়েছেন। ফেব্রুয়ারিতে ৪০১টি দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত হয়েছেন যথাক্রমে ৪১৫ জন ও ৮৮৪ জন। নিহতের তালিকায় ৫৮ নারী ও ৬২ শিশু রয়েছে। মার্চে ৩৮৪টি দুর্ঘটনায় ৪৬ নারী ও ৮২ শিশুসহ ৩৮৬ জন নিহত ও ৮২০ জন আহত হয়েছেন।এপ্রিলে দুর্ঘটনা ঘটেছে ৩২৭টি। এতে ৩৪০ জন নিহত ও ৬১০ জন আহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ৩৮ নারী ও ৫৩ শিশু রয়েছে। প্রতিবেদনে দেখা যায়, মার্চ মাসের তুলনায় এপ্রিলে সড়ক দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা কমেছে। তবে এক মাসের তথ্যে দুর্ঘটনা-পরিস্থিতি মূল্যায়ন করা যাবে না বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া জাতীয় কমিটির পর্যবেক্ষণে সড়ক দুর্ঘটনার জন্য যে ১০টি প্রধান কারণ চিহ্নিত করা হয়েছিল সেগুলো অপরিবর্তিত রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। কারণগুলো হলো- চালকদের প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব ও বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো, দৈনিক-চুক্তিতে চালক, কন্ডাক্টর বা হেল্পারের কাছে গাড়ি ভাড়া দেয়া, অদক্ষ ও লাইসেন্সবিহীন চালক নিয়োগ, সড়কে চলাচলে পথচারীদের অসতর্কতা, বিধি লঙ্ঘণ করে ওভারলোডিং ও ওভারটেকিং, দীর্ঘক্ষণ বিরামহীনভাবে গাড়ি চালানো, ত্রুটিপূর্ণ গাড়ি চলাচল বন্ধে আইনের যথাযথ প্রয়োগের অভাব, জনবহুল এলাকাসহ দূরপাল্লার সড়কে ট্রাফিক আইন যথাযথভাবে অনুসরণ না করা, সড়ক-মহাসড়কে মোটরসাইকেলসহ তিন চাকার যানবাহন চলাচল বৃদ্ধি এবং স্থানীয়ভাবে তৈরি ইঞ্জিনচালিত ক্ষুদ্রযানে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন। নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আশীষ কুমার দে বলেন, শুধু কঠোর আইন প্রণয়ন করে সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করা সম্ভব না। এজন্য সুষ্ঠু পরিকল্পনার মাধ্যমে সড়কখাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন।
৪৮ বছরে ছয়বার মুক্তিযোদ্ধা তালিকা সংযোজন-বিয়োজন
১১মে,শনিবার,মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী ,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ (বামুস) কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সাময়িক সনদ স্থগিত করা হয়েছে। ফলে বামুসের সনদপ্রাপ্ত ৪৭ হাজার মুক্তিযোদ্ধাকে সরকার কর্তৃক প্রদত্ত চলমান ভাতা স্থগিত করা হচ্ছে।তবে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা প্রমাণের জন্য চারটি মানদণ্ডের মধ্যে অন্তত একটি থাকলে তিনি মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে দাবি করতে পারবেন। এক্ষেত্রে আগামী ৩০ জুনের মধ্যে তাকে মন্ত্রণালয় বরাবর আবেদন করতে হবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় যে চারটি মানদণ্ড নির্ধারণ করে দিয়েছে সেগুলো হলো, ভারতীয় তালিকা, লাল মুক্তিবার্তা, বেসামরিক গেজেট ও বাহিনীর গেজেট। এগুলোর মধ্যে অন্তত একটিতে নাম থাকলে তিনি নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে দাবি করতে পারবেন।আবার মহানগর বা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটি যাঁদের নাম মুক্তিযোদ্ধা তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে বা যাঁরা ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা বলে প্রমাণিত হয়েছেন, তাঁদের সম্মানী ভাতাও স্থগিত করা হয়েছে। কিন্তু তাঁদের কারও নাম যদি চারটি মানদণ্ডের একটিতে থাকে, তবে তিনি পুনরায় আবেদন করতে পারবেন। সব ইউএনওকে ৩০ জুনের মধ্যে এসব আবেদন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল জামুকা আবেদন পরীক্ষা করবে।মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, তদন্ত ও প্রমাণ ছাড়া যাদের মুক্তিযোদ্ধা সনদ দেয়া হয়েছে, তাদের সবার ভাতা স্থগিত থাকবে। কোনো প্রামাণিক দলিল ছাড়া কাউকে ভাতা দেয়া হবে না।প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষরিত সনদ স্থগিতের বিষয়ে মুক্তিযোদ্ধামন্ত্রী বলেন, এ সনদ খুব সহজ প্রক্রিয়ায় দেয়া হয়েছে। ফলে অনেকেই জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছেন। কেউ কেউ প্রধানমন্ত্রীর সই স্ক্যান করে সনদ জাল করেছেন। তাই পুনরায় যাচাই-বাছাই করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় যে চারটি মানদণ্ড নির্ধারণ করেছে, তার মধ্যে ভারতীয় তালিকায় একাধিক ভাগ আছে। যেমন মুক্তিযোদ্ধাদের ভারতীয় তালিকা পদ্মা, মেঘনা, সেক্টর এবং সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী। লাল মুক্তিবার্তার মধ্যে লাল মুক্তিবার্তা ও লাল মুক্তিবার্তা স্মরণীয় যারা বরণীয় যারা নামে দুটি ভাগ আছে।বেসামরিক গেজেটের মধ্যে বেসামরিক গেজেট, মুজিবনগর, বিসিএস ধারণাগত জ্যেষ্ঠতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, বিসিএস, স্বাধীন বাংলা বেতার শব্দসৈনিক, বীরাঙ্গনা, স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল, ন্যাপ কমিউনিস্ট পার্টি ছাত্র ইউনিয়ন বিশেষ গেরিলা বাহিনী ও বিশ্রামগঞ্জ হাসপাতালে দায়িত্ব পালনকারী মুক্তিযোদ্ধা গেজেট।বাহিনী গেজেটের মধ্যে রয়েছে সেনা, বিমান, নৌ, নৌ কমান্ড, বিজিবি, পুলিশ ও আনসার বাহিনী গেজেট।২০০৮-০৯ সালে ১ লাখ মুক্তিযোদ্ধা ভাতা পেলেও ২০১৭-১৮ সালে ভাতা দেয়া হয় প্রায় ১ লাখ ৮৬ হাজার জনকে। ২০০৯ সালে সম্মানী ভাতা ছিল ৯০০ টাকা। তা বাড়িয়ে সাধারণ মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা ১০ হাজার টাকা করেছে সরকার। দুটি উৎসব ভাতাও দেয়া হয়।একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের অর্ধেকই মারা গেছেন। অনেকেই প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাস করার কারণে এই সুবিধার আওতায় আসতেই পারেননি। তিনি বলেন, আমার তো মনে হয় ৮০ হাজারের বেশি ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা ভাতা নিচ্ছেন।উল্লেখ্য, গত ৪৮ বছরে ছয়বার মুক্তিযোদ্ধা তালিকা সংযোজন-বিয়োজন হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধার বয়স, সংজ্ঞা ও মানদণ্ড পাল্টেছে ১১ বার।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় মাঠে নেমেছেন কেন্দ্রীয় নেতারা
১০ মে,শুক্রবার ,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম : তিন সাংগঠনিক টার্গেট সামনে রেখে মাঠে নেমেছে আওয়ামী লীগ। এগুলো হচ্ছে- কাউন্সিলের মাধ্যমে দক্ষ ও মেধাবী নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা, তৃণমূলের কোন্দল নিরসন করে দলকে আরও শক্তিশালী এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী পালনে সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করা। এ টার্গেট পূরণে দলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একগুচ্ছ নির্দেশনা নিয়ে মাঠে নেমেছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। জেলায় জেলায় চলছে বর্ধিত সভা। দলীয় সূত্রমতে, ২০১৬ সালের ২২ ও ২৩ অক্টোবর আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আগামী অক্টোবরেই শেষ হচ্ছে কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ। দলের ২১তম জাতীয় সম্মেলন যথাসময়েই করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সে লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় নেতাদের দিকনির্দেশনা দিয়েছেন তিনি। অক্টোবরের কেন্দ্রীয় সম্মেলনের আগে মেয়াদোত্তীর্ণ জেলা-উপজেলার সম্মেলনের তাগাদা দিয়েছেন দলীয় প্রধান। দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা এখন সে লক্ষ্যে জেলায় জেলায় বর্ধিত সভা করে সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করছেন।গত বুধবার মাগুরা জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভাগীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমানসহ কেন্দ্রীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা উপস্থিত ছিলেন। গত শুক্রবার সিলেট বিভাগীয় বর্ধিত সভা করেন দায়িত্বপ্রাপ্ত বিভাগীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও দলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ। পরে জেলা নেতাদের নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন হানিফসহ দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা। বৈঠকে মেয়াদোত্তীর্ণ জেলা-উপজেলায় দ্রুত সম্মেলন করার তাগাদার পাশাপাশি অনুপ্রবেশকারীরা যেন দলের পদ-পদবিতে আসতে না পারে সে ব্যাপারে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। সিলেটের বৈঠক প্রসঙ্গে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদর উদ্দিন আহমেদ কামরান বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, যেসব সাংগঠনিক ইউনিটের মেয়াদ শেষ হয়েছে, সেসব জায়গায় আগামী অক্টোবরের আগে দ্রুত সম্মেলন করতে তাগাদা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। অভ্যন্তরীণ ছোটখাটো সমস্যা থাকলে সেগুলো সমাধানেরও তাগিদ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী পালনে সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করার কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া অনুপ্রবেশকারীদের ব্যাপারে কেন্দ্র থেকে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে, স্থানীয়ভাবেও সতর্ক থাকতে হবে।জানা গেছে, গত ২৯ মার্চ গণভবনে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে প্রেসিডিয়ামের বৈঠকে জাতীয় সম্মেলন সফলে ৮টি পৃথক কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। সভা থেকে কমিটিগুলোতে কার কী ভূমিকা থাকবে, তা নির্ধারণের জন্য সম্পাদকম লীর কয়েকজন সদস্যকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। দায়িত্ব পেয়েই নেতারা বিভাগীয় নেতাদের ঢাকায় ডেকে আনেন। গত ২৯ এপ্রিল আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা খুলনা বিভাগের জেলা নেতাদের নিয়ে বৈঠক করে এ বিভাগের জেলাগুলোতে বর্ধিত সভা করার সিদ্ধান্ত নেন। এর মধ্যে গত ৪ মে মাগুরায় বর্ধিত সভা করা হয়েছে। ১১ মে শনিবার চুয়াডাঙ্গা, ১২ মে রবিবার যশোর, ১৩ মে সোমবার নড়াইল, ১৪ মে মঙ্গলবার মেহেরপুর, ১৮ মে শনিবার খুলনা মহানগর, ১৯ মে রবিবার খুলনা জেলা, ২০ মে সোমবার কুষ্টিয়া, ২১ মে মঙ্গলবার ঝিনাইদহ জেলা কমিটির বর্ধিত সভার তারিখ নির্ধারণ করা আছে। এসব সভায় মেয়াদোত্তীর্ণ সাংগঠনিক ইউনিটের সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা করা হবে।অন্যদিকে ফেনীতেও বর্ধিত সভা করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বাকি বিভাগগুলোতে বর্ধিত সভা ডেকে সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা করা হবে জানিয়েছেন দলটির নেতারা। এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, আসন্ন জাতীয় কাউন্সিল সামনে রেখে তৃণমূলকে ঢেলে সাজাতে দলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের কিছু দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। সে মোতাবেক আমরা বিভিন্ন জেলায় বর্ধিত সভা করে সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করছি। ছোটখাটো বিরোধ থাকলে তা মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করছি। তিনি বলেন, তৃণমূলকে আমরা বার্তা দিচ্ছি, দলকে সুসংগঠিত করা, মেয়াদোত্তীর্ণ সাংগঠনিক কমিটিকে সম্মেলনের মাধ্যমে ঢেলে সাজানো। একই সঙ্গে ২০২০-২০২১ সালকে মুজিব বর্ষ ঘোষণা করা হয়েছে। সরকারের পাশাপাশি সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে নিয়ে পালন করতে চাই। এ জন্য যা যা করা প্রয়োজন সে দিকনির্দেশনা থাকছে জেলা সফরে। জানা গেছে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় অভ্যন্তরীণ কোন্দল প্রকাশ্যে চলে আসে। কোথাও এমপি বনাম আওয়ামী লীগ দ্বন্দ্ব চলে আসছে।জাতীয় সম্মেলনের আগে এমন কোন্দল নিরসনের তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সে লক্ষ্য নিয়ে জেলা-উপজেলায় বর্ধিত সভার পাশাপাশি ঢাকায় ডেকে এনে কোন্দল নিরসনে উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দলের অভ্যন্তরে সৃষ্ট সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য কেন্দ্রীয় টিম কাজ করছে। কিছু জেলা নেতাকে ঢাকায় ডেকে বা তৃণমূলে গিয়ে বৈঠক করে সমাধান করা হচ্ছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ২০২০-২০২১ সালকে মুজিববর্ষ ঘোষণা করা হয়েছে। ২০২০ সালের ১৭ মার্চ জাতির পিতার জন্মদিন থেকে মুজিববর্ষ শুরু হয়ে শেষ হবে ২০২১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে। ইতিমধ্যে মুজিববর্ষ উদযাপনে দুটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের বছরব্যাপী কর্মসূচি পালনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে সদস্য সচিব করে দলীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। আর জাতীয় অধ্যাপক ও নজরুল গবেষক রফিকুল ইসলামকে প্রধান করে উচ্চপর্যায়ের নাগরিক কমিটি গঠন করা হয়। সদস্য সচিব করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক মুখ্যসচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরীকে। দুটি কমিটির নেতৃত্বে গঠন করা হবে উপকমিটি। দলীয় সূত্রমতে, জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র নির্বিশেষে সব বয়সের শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে মুজিববর্ষ উদযাপিত হবে।এ অনুষ্ঠানের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সব সহযোগী সংগঠনগুলোকেও সম্পৃক্ত করা হবে। দেশের জ্ঞানী-গুণী-বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে থাকবে আলাদা আয়োজন। শুধু আওয়ামী লীগ নয়, পাশাপাশি সরকারিভাবেও এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য ইতিমধ্যে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জন্মশতবার্ষিকীতে শিশু-কিশোরদের জন্য ঢাকা থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্কুলভিত্তিক খেলাধুলা, চিত্রাঙ্কন, নাটক, কবিতা আবৃত্তি, রচনা প্রতিযোগিতা থাকবে। কামার, কুমার, জেলেসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যাদের জন্য বঙ্গবন্ধু সারা জীবন কাজ করেছেন তাদের জন্যও কর্মসূচি রাখবে আওয়ামী লীগ। জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে জাতির পিতার জীবন এবং কর্ম নিয়ে বেশ কিছু বইও প্রকাশের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
মুজিব বর্ষ উদযাপনে আওয়ামী লীগের কর্মসূচি ঘোষণা
১৩মার্চ,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মদিবস ১৭ মার্চ ২০২০ থেকে ২০২১ সালের ১৭ মার্চ পর্যন্ত সময়কে মুজিব বর্ষ হিসেবে পালনের জন্যে আওয়ামী লীগের প্রচার সেলের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এই ঘোষণা দেন। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা উপকমিটির সভাপতি এইচ টি ইমাম সভায় সভাপতিত্ব করেন। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, গত দশ বছরে বাংলাদেশের যে উন্নয়ন হয়েছে, তাতে সকল সূচকে পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এমনকি অনেক ক্ষেত্রে ভারতকেও পেছনে ফেলে বাংলাদেশ এগিয়ে গেছে। তিনি বলেন, প্রচার ও প্রকাশনা উপ-কমিটি গত দশ বছরের উন্নয়ন নিয়ে একটি বিশেষ প্রকাশনা করবে। আগামী ১৭ মার্চ জাতির পিতার ৯৯তম জন্মদিন ও ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের প্রস্তুতি চলছে এবং আগামী বছরের (২০২০ সালের) ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ১৭ মার্চ পর্যন্ত সময়কে মুজিব বর্ষ ঘোষণা করা হয়েছে। সে উপলক্ষে দলের পক্ষ থেকে প্রকাশনাসহ নানা কর্মসূচি নেয়া হয়েছে।- আরটিভি
শুরু হলো অদম্য সাহস আর আত্মপ্রত্যয়ের অগ্নিঝরা মার্চ
১মার্চ,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: শুরু হলো অদম্য সাহস আর আত্মপ্রত্যয়ের অগ্নিঝরা মার্চ। ১৯৭১ এর এই মাসকে ধরা হয় মুক্তি সংগ্রামের চূড়ান্ত ক্ষণ হিসাবে। এ মাসেই দেশজুড়ে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলেন স্বাধীনতাকামী জনতা। নতুন পতাকা, বজ্রকন্ঠ ঘোষণা ও কালোরাত- সব মিলিয়ে নানা ঘটনা প্রবাহে উত্তাল ছিল মার্চ মাস। ছিল শতবাধা, প্রতিবাদ কিংবা প্রতিরোধও ছিল অবিরত। শুরুটা বাহান্নতে, এরপর মুক্তি সংগ্রামের নানা ধাপ অতিক্রম করে, ৭০ এর সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশভাবে জয় পায় বাঙালি। শুরু হয় পাকিস্তানী সামরিক জান্তার নীল নকশা বাস্তবায়ন। বাঙালিও সমস্ত শক্তি দিয়ে প্রতিবাদ করেছিল। একাত্তরের সাতই মার্চ। দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয় নিয়ে বঙ্গবন্ধু দাঁড়ালেন জনতার সামনে। বললেন, বাঙালির বঞ্চনার কথা, শোষণ আর শাসিত হবার কথা। উনিশ মিনিটের এক জাদুকরী ভাষণে জাতিকে দীপ্ত মুক্তিসেনানিতে রূপান্তরিত করতে সক্ষম হয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। ২৫ শে মার্চ ১৯৭১। বাঙালি জীবনে আসে নিকষ কালো রাত। পাকিস্তানি বাহিনী ঝাঁপিয়ে পড়ে নির্বিচারে হত্যা করে ঘুমন্ত সাধারণ মানুষকে। এ রকম নানা ঘটনার সাক্ষী হয়ে থাকলো একাত্তরে মার্চ। উত্তাল সেই মার্চ একই সাথে অহংকার ও সাহসের। অপরিসীম ত্যাগের পর বাঙালি স্বাধীনতা অর্জন করেছে ঠিক। তবে এখনও অর্জনের আছে অনেক কিছু। আর তাই দীর্ঘ সময় পার করেও প্রতিবছরই মার্চ যেন বাঙালিকে নতুন বোধ ও চেতনায় জাগ্রত করে।
বঙ্গবন্ধু উপাধির অর্ধশত বছর
২৩ফেব্রুয়ারী,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি শেখ মুজিবুর রহমান বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত হয়েছিলেন এই দিনে। সেই উপাধি অর্জনের ৫০ বছর আজ (২৩ ফেব্রুয়ারি)। ১৯৬৬-র ৮ মে গভীর রাতে ৬ দফা কর্মসূচি প্রদানের অভিযোগে দেশরক্ষা আইনে শেখ মুজিব গ্রেফতার হয়েছিলেন। ৩৩ মাস পর ৬৯-এর ২২ ফেব্রুয়ারি মুক্তিলাভ করেন তিনি। আগরতলা মামলা থেকে সবেমাত্র মুক্তি লাভ করে ফিরে আসা শেখ মুজিবুর রহমানকে ২৩ ফেব্রুয়ারি গণসংবর্ধনা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সেদিনের রেসকোর্স বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নামে পরিচিত। রেসকোর্স ময়দানে লাখ লাখ সেদিন জনতার ঢল নেমেছিল। কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ আয়োজিত ওই বিশাল গণসংবর্ধনায় তৎকালীন ডাকসুর সভাপতি, শেখ মুজিবের একনিষ্ঠ সহচর তোফায়েল আহমেদ মাইকে ঘোষণা করেন, কৃতজ্ঞ বাঙালি জাতি ঋণের বোঝা হালকা করতে চায়। জাতির পক্ষ থেকে প্রিয় নেতাকে উপাধি দিতে চাই। রেসকোর্স ময়দান প্রকম্পিত করে প্রায় ১০ লাখ মানুষ দু হাত তুলে সমর্থন করেন তাকে। এরপর তোফায়েল আহমেদ বলেন, এবার বক্তৃতা করবেন আমাদের প্রিয় নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু, রবীন্দ্রনাথ যাকে মহাত্মা উপাধি দিয়েছিলেন সেই মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী, দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ, শেরে বাংলা একে ফজলুল হকসহ পৃথিবীতে অনেকেই বিভিন্ন সময় বিভিন্ন উপাধি পেয়েছেন। কিন্তু ফাঁসির মঞ্চ থেকে মুক্ত হয়ে, গণমানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে, এমন আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে কেউ উপাধি পাননি। এরপর থেকেই জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান হয়ে গেলেন বাঙালির প্রিয় বঙ্গবন্ধু।
আজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের শুভ জন্মদিন
৪ ফেব্রুয়ারী,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের আজ ১৫ তম জন্মদিন। মার্ক জাকারবার্গের হাত ধরে ২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি ফেসবুকের যাত্রা শুরু হয়। হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের অনলাইনে একত্রীকরণের পরিকল্পনা থেকে দ্য ফেসবুক নাম নিয়ে শুরু হয় ফেসবুকের যাত্রা। ৪৭৯ বিলিয়ন ডলার বাজারমূল্যের প্রতিষ্ঠানটির বর্তমানে ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ২৩২ কোটি। ২০১৮ সালে ফেসবুকের মোট মুনাফা ছিল ২২ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার, যা ২০১৭ সালের চেয়ে ৩৯ শতাংশ বেশি। ফেসবুকের বিরুদ্ধে গোপনীয়তা রক্ষা না করা এবং ক্ষতিকর কন্টেন্ট ছড়ানোয় ভূমিকা রাখার অভিযোগ উঠলেও ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
ফেসবুকের প্রতারণার শিকার লাখ লাখ শিশু
২৮ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সামাজিক মাধ্যম জায়ান্ট ফেসবুকের বিরুদ্ধে লাখ লাখ শিশুর সঙ্গে প্রতারণা করে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক মাধ্যমটি প্লাটফর্মে গেম খেলার সময় শিশুরা না বুঝেই বাবা-মায়ের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে ফেসবুককে অস্বাভাবিকভাবে অর্থ প্রদান করলেও চুপ থেকেছে প্রতিষ্ঠানটি। ফেসবুকের আয় বাড়ানোর জন্য তারা শিশুদের সঙ্গে এই প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছে বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। সেন্টার ফর ইনভেস্টিগেটিভ রিপোর্টিংয়ের কাছে পৌঁছানো কয়েক বছরের পুরনো নথিতে এমন তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ জানুয়ারি) প্রকাশিত আদালতের নথি অনুযায়ী, শিশুরা ফেসবুকে গেম খেলার সময় না বুঝেই মা-বাবার ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে বড় অংকের অর্থ খরচ করে ফেলে আর এ বিষয়ে জেনেও চুপ থাকে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। ২০১২ সালে এমন একটি অভিযোগে ফেসবুকের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়। ফেসবুকের এমন নিশ্চুপ থাকাকে বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতারণা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এ বিষয়ে গত শুক্রবার (২৫ জানুয়ারি) একটি বিবৃতি দিয়েছে ফেসবুক। সেখানে বলা হয়েছে, কর্তৃপক্ষ তাদের ব্যবসা নীতি নিয়মিত পর্যালোচনা করে। বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতারণার অভিযোগ নিষ্পত্তিতে নীতিমালা পরিবর্তনে সম্মত হয়ে অর্থ ফেরত দেয়ার পদক্ষেপ নেয়া হয়েছিল। পাশাপাশি যেসব শিশু ফেসবুকে গেম খেলার সময় মাত্রাতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করেছে, তাদের অভিভাবকদের ক্ষতিপূরণ দিতে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সেই অর্থ ফেরত বা ক্ষতিপূরণ দেয়নি ফেসবুক।-somoynews.tv
১৯৮৮ সালের ২৪ ই জানুয়ারির সেই ভয়াভহ দিনের কথা
সুজন আশ্চ্যার্য: ১৯৮৮ ইংরেজী তৎকালীন সৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে ২৪শে জানুয়ারী চট্টগ্রামের লালদীঘির পাড়ে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর ডাকা ঐতিহাসিক জন সভায় স্থলে তৎকালীন সরকারের নির্দেশে আওয়ামীলীগের নেতা কর্মিদের ওপড় পুলিশি নির্যাতন চলাকালীন সময়ে উপস্থিত তৎকালীন শ্রমিকলীগ নেতার ঐ দিনের ঘটনাবলি নিয়ে স্বাক্ষাতকার প্রদান করেন। স্বাক্ষতকারটি নিয়েছেন নিউজ একাত্তর এর চট্টগ্রাম প্রতিনিধি সুজন আশ্চার্য্য। আমি মোহাম্মদ তসলিম কাদের চৌধুরী ,পিতা-মরহুম ডাক্তার আহামদ হোসেন চৌধুরী, মাতা-মরহুমা আমেনা বেগম, সাং- আব্দুল আলী নগর, ৯ নং উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ড, ডাকঘর -ফিরোজশাহ কলোনি,থানা- পাহাড়তলী,জেলা-চট্টগ্রাম এর স্থায়ী বাসিন্দা হই এবং সহ সাধারন সম্পাদক বাংলাদেশ আওয়ামী পেশাজিবিলীগ,পাহাড়তলী থানা শাখায় দায়িত্ব রত আছি। আমার জাতীয় পরিচয় পত্র নং ১৫৯৫৫০৯৬৭০০৩১। লিখনির শুরুতে শ্রদ্ধার সহিত স্বরনকরিতেছি যে হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাংঙ্গালী জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ ৭৫ এর ১৫ ই আগষ্ট এর কালরাত্রের সকল সহিদের আত্বার মাগফেরাত ও সাধিনতা সংগ্রামের সকল সহিদ ও জাতীয় চার নেতা এবং সৈরাচার বিরুদ্ধি আন্দোলন ও বি.এন.পি জামায়াত বিরুদ্ধি আন্দোলন করতে গিয়ে যারা সহিদ হয়েছেন তাদের আত্বার মাগফেরাত কামনা করি।শিক্ষাজিবন হতে আমি আওয়ামীরিগের সমর্তক।আমার বাবাও আওয়ামীলিগ করতো বিধায় একাত্তরের যুদ্ধকালীন সময় পাঞ্জাবীর হাতে অনেক নির্যাতিত হয়েছিল। আমার চাকুরী জীবনে আমি চিটাগাং টেক্্রটাইল মিলস লি: শ্রমিকলীগ ২৫০ রেজি: এর ১৯৮৭ ইং শ্রমিকলীগ নেতা নির্বাচিত হই,ঐ সময় তৎকালিন বিশিষ্ট শ্রমিকলীগ নেতা ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলিগের সাধারন সম্পাদক এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর নেতৃত্বে আমরা ঐক্যবদ্ধ ছিলাম এবং দলিয় কর্মসুচি অনুযায়ী আমার নেতুত্বে মিলস শ্রমিক লীগের সদস্যরা ঝাপিয়ে পড়ত।তখন সৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলন চলছিল। দলের কর্মসুচি অনুযায়ী সকল আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে আন্দোলনরত অবস্থায় পুলিশি নির্যাতন ও একাদিক মামলার শিকার হয়েছিলাম। সেই রাজনৈতিক মামলায় (১৪) বৎসর পর্যন্ত আদালতে হাজিরা দিতে হয়। তবে দু:খের বিষয় তখন আমার দলের কোন সহযোগিতা পাইনি।এরশাদ বিরুধী আন্দোলন চলাকালিন সময় ২৪/০১/১৯৮৮ ইং চট্টগ্রাম লালদিঘীর ময়দানে আওয়ামীলিগের জনসভা করার কর্মসূচির ডাক দেন আমার নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমনাত্রী শেখ হাসিনা। ঐ জনসভায় আমি আমার সাথে দশজন কর্মী নিয়ে জনসভায় সেচ্ছাসেবকের দায়িত্বে ছিলাম। সেই জনসভায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথীর ভাষন দেওয়ার কথা ছিল ,তখন অন্যান্য নেতা,নেত্রীসহ ট্টাকে করে পথ সভা করতে করতে যখন সভাস্থলের কাছাকাছি চট্টগ্রাম আদালত ভবনের সামনে এসে পৈাছে তখন পুলিশ বেরিকেড দিয়ে সভাস্থলে আসা মিছিল কারিদের পেটাতে থাকে, এক পর্যায়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহড় ও আটকে ফেলে তখন চারদিকে পুলিশ গুলি চালালে মানুষ ছুটাছুটি করে পালাতে থাকে ,অনেক মানুষ সেই দিন পুলিশের গুলিতে শহিদ হয়েছিল। তখন আমাদের নেত্রী ট্টাকের উপর মাইকের মধ্যে পুলিশের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দিছিলেন।এমতাবস্থায় অমি আদালত ভবনের উপরে গিয়ে কয়েকজন পরিচিত আমাদের দলীয় এডভোকেটকে সাথে নিয়ে এসে নেত্রীর গাড়ি আদালতের উপরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করিলে পুলিশের বাধার মুখে পরি এবং পুলিশ হেন্ড মাইক দিয়ে বলতে ছিল ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে কেও সামনের দিকে এগুতে পারবেনা। এ অবস্থায় নিজের জিবনের ঝুকি নিয়ে পুলিশের গুলিকে উপেক্ষা করে নেত্রীর গাড়ির দিকে দৌড় দিয়ে লাফ মেরে ট্টাকে উঠে জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু বলে ধ্বনি দিয়ে গাড়ির ড্রাইভারকে গাড়ি চালাও বলে গাড়ি চট্টগ্রাম আদালতের উপর নিয়ে আসি, সেখানে আমাদের নেত্রী সেই তখনকার পরিস্থিতির উপর বক্তব্য রাখার পর আক্তারুজ্জামান চৌধুরী বাবু ভাইয়ের বাসায় চলে যায়।কিন্তু তখন আমি উচ্ছপর্যায়ের নেতা না হওয়ার কারনে আমার জিবন বাজি রেখে আমার নেত্রীকে আদালত চত্তরে নেওয়ার পরও উনার সামনে দাড়িয়ে আমার পরিচয় দেওয়ার বা কিছু বলার সুযোগ হয়নী এবং ঐ সময় আমার ডাকে যেই আইনজীবী গন এসেছিলেন তারাও আমার নেত্রীর সাথে আমাকে পরিচয় করিয়ে দেননী।সেই দিনের কথা এখও মনে হলে লোম শিহরে উঠে।তবে আমার জিবনকে আমি সার্থক মনে করি এই কারনে যে , আমি ঐ দিন পুলিশের গুলির সামনে থেকে আমার নেত্রীকে অক্ষত অবস্থায় আমি সরিয়ে নিয়ে আসতে পেরেছিলাম।জিবনের অনেকটা সময় পার করেছি সৎ ও নিষ্টার সহিত ,যাহাতে আমার দলের ও আমার নেত্রীর দূণার্ম না হয়।কিন্তু আজ আমি বরই মর্মাহত যে বর্তমানে অনেকেই আওয়ামী লীগ না হয়েও দলের পদপদবি নিয়ে আছেন,কিন্তু আমাদের মত ত্যগি নেতাদের আজ পর্যন্ত কেহই কোনো প্রকার কোজ খবর নেন নাই। আমি দলের জন্য আমার সহায় সম্ভল পৈত্রিক সম্পত্তি পর্যন্ত বিত্রুয় করেছি । বর্তমানে আমি আমার পরিবার পরিজনকে নিয়ে অতিব দু:খে কষ্টে ভাড়া বাসায় দিন কাটাচ্ছি। এমতা অবস্থায় আমার ইচ্ছে আমি আমার নেত্রীর সাথে দেখা করে বক্তব্যগুলি উনাকে বলা এবং উনার দোয়া নেওয়ার উদ্দেশ্যে সাক্ষাথের জন্য আবেদন করিয়াছিলাম। এখনো পর্যন্ত মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সহিত স্বাক্ষাতের চিটি পত্র বা আদেশ পাইনি। পরিশেষে আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দির্ঘায়ু ও সুসাস্থ্য কামনা করি।

বিশেষ প্রতিবেদন পাতার আরো খবর