রবিবার, আগস্ট ১৮, ২০১৯
নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘন করলে দণ্ড
অনলাইন ডেস্ক :সুষ্ঠু, সুন্দর ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের লক্ষ্যে নির্বাচন পরিচালনায় নিয়োজিতদের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দিয়েছেন বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল মান্নান। শুক্রবার (২৮ ডিসেম্বর) সকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে চট্টগ্রামের ১৬টি আসনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী দায়িত্ব পাওয়া ৭৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ব্রিফিং সেশনে এ নির্দেশনা দেন।চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন আয়োজিত ব্রিফিং সেশনে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) শংকর রঞ্জন সাহা, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মো. নুরুল আলম নিজামী, চট্টগ্রাম বিভাগের স্থানীয় সরকারের পরিচালক দীপক চক্রবর্ত্তী, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) মোহাম্মদ শহীদুল আলম। সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াস হোসেন।চট্টগ্রাম বিভাগের স্থানীয় সরকারের পরিচালক দীপক চক্রবর্ত্তী জানান, নগর কেন্দ্রিক ৬টি এবং জেলার ১০টি সংসদীয় আসনে ৭৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালনের বিষয়ে দায়িত্ব পালন করবেন। সেনাবাহিনী, বিজিবি এমনকি চাহিদা অনুযায়ী পুলিশের সঙ্গে প্রতিটি আসনে ৪-৫ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন। আইন ও বিধি অনুযায়ী তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্যগুলো সম্পর্কে আলোচনা ছাড়াও সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পন্নের লক্ষ্যে সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বিভাগীয় কমিশনার। সূত্র জানায়, কোনো ব্যক্তি নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা লঙ্ঘন করলে তাকে সর্বোচ্চ ৬ মাসের সাজা ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রয়েছে। রাজনৈতিক দল নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা লঙ্ঘন করলে তাদেরও ৫০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান আছে।
উৎসবমুখর ভোট হবে এটাই আশা :সিইসি
অনলাইন ডেস্ক :আগামী ৩০শে ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবশ্যই উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা। তিনি বলেছেন, ব্যাপকসংখ্যক ও সর্বাধিক প্রার্থী এবারের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। উৎসবমুখর ভোট হবে এটাই আশা।আজ শুক্রবার সকালে নির্বাচন ভবনে ফলাফল ঘোষণা কেন্দ্র ও গণমাধ্যম বুথ পরিদর্শন করতে গেলে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। ৩০শে ডিসেম্বরের নির্বাচন নিয়ে আতঙ্ক রয়েছে বিএনপি ও বিরোধীপক্ষের এমন অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সিইসি বলেন, অবশ্যই ভুল প্রমাণ হবে। আমরা প্রস্তুত, ভোটররা সবাই উৎসবমুখর এবং আনন্দঘন পরিবেশে ভোটে অংশগ্রহণ করবে।তিনি বলেন, নির্বাচনের প্রচারণা আজ শুক্রবার সকাল আটটা থেকে বন্ধ হয়ে গেছে। এখন যারা প্রার্থী ও প্রার্থীর সমর্থক সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যার যার অবস্থান থেকে নির্বাচনে অংশ নিবেন।কাউকে কোন রকমে কেউ যেন বাধা দিতে না পারে। যার যার ভোট যেন সে দিতে পারে। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার বিষয়ে সকলকে খেয়াল রাখার আহ্বান জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার। তিনি বলেন, যাতে করে ভোট দিয়ে নিরাপদে বাড়ি যেতে পারেন। সকলের জন্য নিরাপত্তা, সকলের জন্য নিরাপদ অবস্থান সৃষ্টি করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অনুরোধ করবো। দেশবাসী যারা ভোটার তারা যেন ভোটকেন্দ্রে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারেন সে আশাই করবো।
শেষ হলো নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা,রোববার সকাল ৮টা থেকে ভোট গ্রহণ
অনলাইন ডেস্ক :আজ শুক্রবার সকাল ৮টার আগেই বন্ধ হয়ে গেছে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের সব ধরনের প্রচার। এর মাধ্যমে শেষ হলো একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা। টানা ১৮ দিনের প্রচার শেষে অঙ্ক মেলাতে ব্যস্ত রাজনৈতিক প্রধান দুই জোটের (মহাজোট ও ২০ দলীয় জোট) পাশাপাশি অন্য জোট ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। ভোটারদের পক্ষে টানতে কতটুকু প্রতিশ্রুতি দিতে পেরেছেন তারও হিসাব-নিকাষ চলতে থাকবে আগামীকাল শনিবার গভীর রাত পর্যন্ত। কারণ রোববার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ চলবে। এ দিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ব্যাংকও বন্ধ রাখা হয়েছে ২৮ থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। যানবাহন চলাচলের ওপরে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। কমিশনের অনুমোদিত পরিচয়পত্রধারীর বাইরে কোনো যান চলাচল করবে না। নিবন্ধিত ৩৯টি রাজনৈতিক দল এবারের নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। এর পাশাপাশি অনিবন্ধিত অনেক রাজনৈতিক দল প্রধান দুই জোটের সঙ্গে এ নির্বাচনে লড়ছেন। এর বাইরে বাম মোর্চা ও ইসলামী কয়েকটি দলের সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা মাঠ চষে বেড়িয়েছেন। এত কিছুর পরও আগামী ৩০ ডিসেম্বর ভোটে মূল লড়াই হবে নৌকা-ধানের শীষের মধ্যে। ভোটের লড়াইয়ে যারা বিজয়ী হবেন তারই আগামী ৫ বছর সরকার পরিচালনা করবেন। তবে প্রচার শেষ হলেও নৌকার চেয়ে প্রচারে পিছিয়ে ছিলেন ধানের শীষের প্রার্থীরা। এবার বিএনপি ব্যাপকভাবে প্রচার চালাতে পারেনি। তবে নৌকা-ধানের শীষের প্রতীক থাকার কারণে কেন্দ্র গিয়েই ভোটারদের পছন্দের প্রতীক ও প্রার্থীকে চিনে নিতে বেগ পেতে হবে না। প্রচার নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে বক্তব্য রেখেছেন আওয়ামী লীগ-বিএনপি। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গতকাল অভিযোগ করে বলেছেন, ভোটের দিন ভোটকেন্দ্রে না যেতে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগ সমর্থিতরা। একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের পক্ষ থেকে। এ দুই জোট নির্বাচন নিয়ে যাই বলুক না কেন, নির্বাচন নিয়ে শঙ্কায় রয়েছে সাধারণ ভোটার, প্রার্থী ও বিদেশি কূটনীতিক মিশনগুলো। বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে তার দফতরে সাক্ষাৎ করে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বরার্ট মুলার বলেন, গত এক সপ্তাহে নির্বাচনের প্রচারে ব্যাপক সহিংসতা হয়েছে। এদিকে, গতকাল প্রচারণার শেষ দিনে সাতক্ষীরার শ্যামনগরসহ অনেক সংসদীয় আসনে সহিংতার খবর পাওয়া গেছে। সাতক্ষীরা-৪ আসনে নৌকা ও কুলা প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সহিংসতার ঘটনা ঘটে। এতে কয়েকজন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। এদিন বিএনপির অনেক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিশেষ করে জেলা-উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের প্রথম শ্রেণির নেতাদের গ্রেফতার বেশি করা হচ্ছে বলেও দলটির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। একই ধরনের অভিযোগ করা হয়েছে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে। দলটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য আকতারুজামান বলেন, বগুড়াসহ অনেক জেলায় বিএনপির নেতাকর্মীরা তাদের কর্মী-সমর্থকদের ওপরে হামলা চালাচ্ছেন। এ সময় পর্যন্ত প্রতিপক্ষের হামলার শিকার হয়ে তাদের পাঁচজন নেতা নিহত হয়েছেন। ফলে শেষ দিনের প্রচারণায় ভোট উৎসবের সঙ্গে যোগ হয়েছে নানা শঙ্কা। কিন্তু নির্বাচন কমিশন (ইসি) বলছে, নির্বাচন নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই। আর নির্বাচন কমিশনার ব্রি. জে. (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী বলেন, একদিনে ৩০০ আসনে নির্বাচন করা বড়ই চ্যালেঞ্জ। নির্বাচনে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি আছে বলে আমি মনে করি না। রাজনৈতিক চাপ ও উত্তেজনা বিরাজ করতে পারে। তবে তিনি বলেন, নির্বাচনে সহিংসতারোধে মাঠে দায়িত্ব পালন করা RAB ও বিজিবি এসব অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে সেখানে হস্তক্ষেপ করবে সেনাবাহিনী। এদিকে, নির্বাচনের ভোটকেন্দ্র ও কক্ষের নিয়ন্ত্রণে আজ থেকে মাঠে নামছে পুলিশ-আনসার। এর আগে গত ২৬ ডিসেম্বর মাঠে নামে RAB। এর আগে ২৪ ডিসেম্বর সেনাবাহিনী এবং গত ২০ ডিসেম্বর মাঠে নামে বিজিবি। তিন স্তরের নিরাপত্তায় টহল দিচ্ছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। পুরো নির্বাচনের এলাকা সেই অর্থে বলা যায়, নিরাপত্তার চাদরে মোড়ানো থাকবে। এর আগে নির্বাচনপূর্ব অনিয়ম রোধে ১২২টি নির্বাচন তদন্তে কমিটির জন্য ৩০০ সংসদীয় আসনের বিপরীতে ২৪৪ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে রয়েছে। আজ থেকে আরো ৬৪০ জন প্রথম শ্রেণির বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে নামছেন। ভোটগ্রহণের আগে-পরে পাঁচ দিন মাঠে থাকবেন। এছাড়া প্রার্থীদের আচরণ বিধি লঙ্ঘনের কারণে ৬৭৬ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন। ইসি সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচনী অভিযোগের বেশিরভাগই পুলিশ ও রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এ পর্যন্ত প্রশাসন ও পুলিশের কয়েকজন কর্মকর্তাকে নিজ কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার ছাড়া কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। এছাড়া অর্ধ শতাধিক অভিযোগ তদন্ত করার জন্য নির্বাচন তদন্ত কমিটির কাছে পাঠিয়েছে ইসি। এর মধ্যে বেশিরভাগ অভিযোগের সত্যতা পায়নি বলে জানিয়েছে কমিটিগুলো।
নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতারা
অনলাইন ডেস্ক :আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতারা। আজ বৃহস্পতিবার (২৭ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে জয়বাংলা সাংবাদিক মঞ্চব্যানারে এক সংহতি সমাবেশে এ আহ্বান জানান সাংবাদিক নেতারা।সমাবেশে উপস্থিত হয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য বিষয়ক উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, আজ সময় এসেছে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে, অসাম্প্রদায়িকতার স্বপক্ষে কাজ করার। নির্বাচনে আমরা সবাই মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে শক্তি ভোট দিয়ে বিজয়ী করবো।তিনি বলেন, আমরা আশা করি, আগামী ৩০ ডিসেম্বর দেশের জনগণ নিরঙ্কুশভাবে নৌকা মার্কায় ভোট দেবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জয়যুক্ত করবে। তিনি চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হয়ে দেশের গণতন্ত্র ধরে রাখবেন এবং অসাম্প্রদায়িকতা প্রতিষ্ঠা করবেন।ইকবাল সোবহান চৌধুরী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দরকার নেই। কিন্তু তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমাদের দরকার। কারণ, গণতন্ত্র ধরে রাখতে, অসাম্প্রদায়িকতা প্রতিষ্ঠা করতে এবং বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়তে তার প্রধানমন্ত্রী হওয়া জরুরি। তাই ৩০ ডিসেম্বর সারাদিন নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে দেশের গণতন্ত্র ধরে রাখার জন্য সাংবাদিক সমাজসহ জনগণকে আহ্বান করছি।সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব শাবান মাহমুদ, , ওমর ফারুক, সোহেল হায়দার চৌধুরী, শুক্কুর আলী শুভ, কুদ্দুস আফ্রাদ, আব্দুল জলিল ভূঁইয়া প্রমুখ।
অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন প্রত্যাশা যুক্তরাষ্ট্রের
অনলাইন ডেস্ক :প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে প্রায় এক ঘণ্টা বৈঠক করেছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত রবার্ট মিলার। বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, 'স্বল্প সময়ের মধ্যে আমার সঙ্গে বৈঠক করার জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য সকল কমিশনারকে ধন্যবাদ জানাই। গত দুই সপ্তাহের প্রচারণার সময় উচ্চ মাত্রার সহিংসতায় যুক্তরাষ্ট্র উদ্বিগ্ন। এ কারণে যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচন কমিশনের কাছে বৈঠকটি চেয়েছে। সহিংসতায় সকল দল আক্রান্ত হয়েছে। সেই সঙ্গে সংখ্যালঘু ও নারী প্রার্থীরাও শিকার হয়েছে। বিরোধী দলের প্রার্থীরা বেশি সহিংসতার শিকার হয়েছে।তিনি বলেন, 'দল-মতে নির্বিশেষে সকল বাংলাদেশী যাতে রবিবার ভোট দেওয়ার নিরাপদ পরিবেশ অনুভব করে এবং নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারে সেই সহায়ক পরিবেশ তৈরিতে নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনার হলো।তিনি বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচনে ৭০ শতাংশের বেশি ভোট পড়ে থাকে। যার ফলে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি নিয়ে বাংলাদেশ গর্ব করতে পারে। একটি গণতান্ত্রিক নির্বাচনে শান্তিপূর্ণভাবে মত প্রকাশ এবং সমাবেশের সুযোগ থাকতে হবে।তিনি আরও বলেন, 'নির্বাচনী সংবাদ প্রকাশের স্বাধীন গণমাধ্যম যাতে কাজ করার সুযোগ পায় সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। নির্বাচনের অংশীজন সবাইকে অবাধে তথ্য পাওয়ার সুযোগ তৈরি করতে হবে। সকে যাতে হয়রানী, উস্কানী ও সহিংসতামুক্ত নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারে তা নিশ্চিত করতে হবে। ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনের দিনে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু, সহিংঞ্চু এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন প্রত্যাশা করে।
বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ওপর হামলার আশঙ্কা প্রধানমন্ত্রীর
অনলাইন ডেস্ক :সরকারি কোনো সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার না করেই ব্যক্তিগত বাসভবন সুধা সদন থেকে সারাদেশের নেতাকর্মীদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ধারাবাহিক নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।বুধবার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার শেষ দিনে ভিডিও কনফারেন্সে কুমিল্লা, যশোর, টাঙ্গাইল, পাবনা ও পঞ্চগড়ের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।কুমিল্লা জেলার ১১টি আসনের আওয়ামী লীগ ও মহাজোটের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘নির্বাচনে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে তাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দিতে হবে।বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ওপর হামলার আশঙ্কা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘বিএনপির সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ দেশবাসী কখনো পছন্দ করেনি, ভবিষ্যতেও করবে না।৩০ ডিসেম্বর শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হবে এবং সেখানে আওয়ামী লীগ জয়লাভ করে সরকার গঠন করবে বলেও আশাবাদ প্রধানমন্ত্রীর।
সরে দাঁড়ালেন এরশাদ ,ফারুককে সমর্থন
অনলাইন ডেস্ক :চিত্রনায়ক ফারুককে সমর্থন দিয়ে ঢাকা-১৭ আসন থেকে সরে দাঁড়ালেন জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। বৃহস্পতিবার বিকালে বারিধারার প্রেসিডেন্ট পার্কে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলন এই ঘোষণা দেন তিনি।গত ১০ ডিসেম্বর রাতে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে যান জাপা চেয়ারম্যান। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। চিকিৎসা শেষে বুধবার রাতে দেশে ফেরেন।এরশাদ বলেন, মহাজোটকে সমর্থন করবে জাতীয় পার্টি। মহাজোট যে সিদ্ধান্ত নেবে প্রার্থীদের তা মেনে নিতে হবে।গুলশান, বনানী, ক্যান্টনমেন্ট, মহাখালীর নিউ ডিওএইচএস, ভাসানটেক, বারিধারা ও শাহজাদপুর এলাকা নিয়ে ঢাকা-১৭ আসন। এই আসনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পান অভিনেতা আকবর হোসেন পাঠান ফারুক। তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন।অপরদিকে বিএনপি তাদের দলীয় প্রতীক ধানের শীষ দিয়েছে বিজেপির আন্দালিব রহমান পার্থকে। বিএনপি আমলের মন্ত্রী নাজমুল হুদাও সিংহ প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন এখানে। আসনটির বর্তমান সংসদ সদস্য বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের আবুল কালাম আজাদও রয়েছেন ভোটের লড়াইয়ে।
এ উন্নয়নের ধারা বহাল রাখতে হবে :প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
অনলাইন ডেস্ক :টানা দ্বিতীয় মেয়াদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শেষ কার্যদিবস ছিল আজ বৃহস্পতিবার। এ কারণে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি। আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ নির্বাচনে যারা সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পাবেন তারাই সরকার গঠন করবেন। বিদায় বেলায় বক্তব্য দিতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার কার্যালয়ের কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সকলের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে। শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে সকলের সহযোগিতা চান। গত ১০ বছরে বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যে উন্নয়ন হয়েছে তার চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, এ উন্নয়নের ধারা বহাল রাখতে হবে। সরকার ২০২০ সালের মার্চ থেকে ২০২১ সালের মার্চ পর্যন্ত মুজিব বর্ষ ঘোষণা করেছে। এ ছাড়া এ সময়ে আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করব। ক্ষুধা এবং দারিদ্র্যমুক্ত অবস্থায় আমরা মুজিব বর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করতে চাই। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ, সামরিক সচিব মেজর মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন, কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান ও প্রেস সচিব ইহসানুল করিম অনুভুতি ব্যক্ত করে বক্তব্য দেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর