বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার
১৩ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী’র সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত ফাম ভিয়েত চিয়েন আজ জাতীয় সংসদে তাঁর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাত করেছেন। সাক্ষাৎকালে তারা বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ, ব্যবসা-বাণিজ্য, রোহিঙ্গা ইস্যু, নারী উন্নয়ন এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করেন। বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের মধ্যকার বর্তমান সম্পর্ককে অত্যন্ত চমৎকার উল্লেখ করে স্পিকার বলেন, এই সম্পর্ক আগামী দিনগুলোতে আরও গভীর হবে। বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের মধ্যকার বিশেষ করে আবহাওয়া, পরিবেশ, জনসংখ্যা এবং ভৌগোলিক অবস্থাসহ বিভিন্ন বিষয় মিল রয়েছে। দু’টি দেশই যুদ্ধ সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করেছে বলে তিনি বলেন। দুই দেশের সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সফরের মাধ্যমে বর্তমান সম্পর্ক আরও জোরদার করা সম্ভব উল্লেখ করে শিরীন শারমিন আরও বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারেও দুই দেশের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হতে পারে। স্পিকার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী মুজিববর্ষ-২০২০ উদযাপন উপলক্ষে ভিয়েতনামের স্পিকারকে বাংলাদেশে আমন্ত্রণ জানাবেন বলে উল্লেখ করেন। রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন ইস্যুতে ভিয়েতনামকে বাংলাদেশের পাশে থেকে সহযোগিতার অনুরোধও জানান তিনি। এ সময় তিনি ২০১৭ সালে ভিয়েতনাম সফরের স্মৃতিচারণ করেন। শিরীন শারমিন বলেন, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক উন্নয়নে সঠিক পথে রয়েছে। তিনি রাষ্ট্রদূতকে ঢাকার বাইরে গিয়ে বাংলাদেশের উন্নয়ন বিশেষ করে নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়ন, নারী শিক্ষার প্রসার, দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন দেখার অনুরোধ করেন। এ সময় তিনি রাষ্ট্রদূতকে বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রশংসা করে রাষ্ট্রদূত ফাম ভিয়েত চিয়েন বলেন, সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাংলাদেশের অগ্রগতি এখন দৃশ্যমান। রোহিঙ্গাদের শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবাসনে ভিয়েতনাম বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এ সময় তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের মধ্যকার সম্পর্ক এক নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে। ফাম ভিয়েত চিয়েন বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দয্যের প্রশংসা করে বলেন, অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাংলাদেশ অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। এসময় তিনি বাংলাদেশের ধারাবাহিক জিডিপি ৮ শতাংশ অর্জনের প্রশংসা করেন। তিনি ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উন্নত দেশে পরিণত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অর্থনৈতিক উন্নয়নেও বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের মিল রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০৪৫ সালের মধ্যে ভিয়েতনামও উন্নত সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হবে।
আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি করি না
১৩ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিএনপিকে উদ্দেশ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি করি না। খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেবে আদালত।বৃহস্পতিবার দুপুরে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।মন্ত্রী আরও বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু আমাদের স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন। এখন তার কন্যা শোসন, দারিদ্র মুক্ত সোনার বাংলাদেশ আমাদের দিচ্ছেন। স্বাধীনতার জন্য পিতা, মুক্তির জন্য কন্যা। আমরা কোনো অপশক্তিকে এই বাংলার মাটিতে ক্ষমতায় দেখতে চাই না। বিএনপি এখন খালেদা জিয়ার সাস্থ্য নিয়ে রাজনীতি করছেন। তার শরীর নিয়ে দলের নেতারা বলে এক, চিকিৎসক বলে আরেক।টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ, শেখ হেলাল উদ্দিন এমপি, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব এ্যাড. সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়ছে
১৩ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়ছে, বর্তমানে ৬.৯ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য রয়েছে। বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়ে বলেন, আমরা উন্নত ও স্থিতিশীল দেশ হতে চাই, কিন্তু বাংলাদেশের একার পক্ষে তা সম্ভব নয়। এজন্য অন্যান্য দেশের সহায়তা প্রয়োজন। যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য দেশের সাথে পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, আমরা দারিদ্র সম্পূর্ণভাবে দূর করতে চাই। দেশটির সাথে রপ্তানি বানিজ্য বাড়াতে হবে, গার্মেন্টস পন্য রপ্তানী ছাড়াও অন্যান্য পন্য বাড়াতে হবে, রপ্তানি বানিজ্যে বৈচিত্র আনতে হবে। আমাদের বিশাল মানব সম্পদকে প্রশিক্ষন দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সাহায্য করতে পারে এবং তাদের কাজে লাগাতে পারে।
সংসদে কোম্পানি বিল উত্থাপন ও বাতিঘর বিল পাস
১৩ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণে ,কোম্পানি (সংশোধন) বিল-২০২০ নামে একটি বিল সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। গতকাল সংসদ অধিবেশনে বিলটি উত্থাপনের পর তা অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। এছাড়া সংসদ অধিবেশনে ,বাংলাদেশ বাতিঘর বিল-২০২০ নামে একটি বিল পাস হয়েছে। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনে বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুন্সী ,কোম্পানী (সংশোধন) বিল-২০২০ সংসদে উত্থাপনকালে এর বিরোধীতা করেন বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সদস্য মো. ফখরুল ইমাম। কিন্তু তার আপত্তি কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। পরে বিলটি অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। বিলটি পরীক্ষা শেষে কমিটিকে এক দিনের মধ্যে সংসদে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। বিলে কোম্পানি রেজিস্ট্রেশনের সময় লোগো রেজিস্ট্রেশনের বিধান তুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে এখন শুধু কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন করলেই চলবে। ফলে সংশোধিত বিলটি পাস হলে কোম্পানীর কমন সিল, সাধারণ সিল ও অফিসিয়াল সিল নিবন্ধনের বিধান বিলোপ হবে। বাতিঘর বিল, এদিকে, জাতীয় সংসদে ,বাংলাদেশ বাতিঘর বিল-২০২০, নামে একটি বিল পাস হয়েছে। নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী সংসদে বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। এরআগে বিলটির উপর বিরোধী দল জাতীয় পার্টি ও বিএনপি সদস্যদের আনা জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব নাকোচ হয়ে যায়। বিলে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের জলসীমায় চলাচলের সময় জাহাজের মালিক, এজেন্ট বা মাস্টারকে বাতিঘর মাশুল পরিশোধ করতে হবে। মাশুল আদায় করবেন সংশ্লিষ্ট কাস্টমস কমিশন। বাতিঘর মাশুল পরিশোধ না করে কোনো জাহাজ নৌপথে চলাচল করলে তা আটকে রাখা হবে। আটক জাহাজ অতিরিক্ত মাশুল দিয়ে ৬ মাসের মধ্যে আবেদন করলে তা ফেরত দেয়া হবে। এর আগে গত ১৫ই জানুয়ারি সংসদে বিলটি উত্থাপন করা হয়। ১৯২৭ সালের ,দ্য লাইট হাউজ অ্যাক্ট, বাতিল করে নতুন আইন করতে এই বিল আনা হয়।
সাংবাদিকদের ওপর হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে: তথ্যমন্ত্রী
১৩ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সংবাদ কর্মীদের উপর হামলা নিন্দনীয়। সরকার সাম্প্রতিক কয়েকটি হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে। এ ধরনের ঘটনা সরকার কঠোর হস্তে দমন করবে। বললেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তথ্যমন্ত্রী বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাঁধা দেয়া সমীচীন না। এক্ষেত্রে যিনিই জড়িত হোন, সরকার তাকে ছাড় দেবে না। সচিবালয়ে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার-বিজেসি নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিজেসির চেয়ারম্যান রেজোয়ানুল হক, ট্রাস্টি রাহুল রাহা, সাইফুল ইসলাম দিলাল, নির্বাহী সদস্য আলমগীর স্বপন, মিল্টন আনোয়ার ও রিজভী নেওয়াজ।
ইলিয়াস কাঞ্চনের মামলায় শাজাহান খানকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ
১৩ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের চেয়ারম্যান ও চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনের দায়ের করা ১০০ কোটি টাকার মানহানি মামলায় সাবেক নৌপরিবহন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শাজাহান খানকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ উৎপল ভট্টাচার্য ইলিয়াস কাঞ্চনের করা মামলাটি আমলে নিয়ে এ আদেশ দেন। গতকাল বুধবার উৎপল ভট্টাচার্যের আদালতে ১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে শাজাহান খানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন ইলিয়াস কাঞ্চন। ইলিয়াস কাঞ্চনের আইনজীবী মো. রেজাউল করিম গতকাল বুধবার জানিয়েছিলেন, মামলার গ্রহণযোগ্যতার বিষয়ে বৃহস্পতিবার শুনানি হবে। মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, গত বছরের ৮ ডিসেম্বর শাজাহান খান নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে একটি অনুষ্ঠানে বলেন,ইলিয়াস কাঞ্চন কোথা থেকে কত টাকা পান, কী উদ্দেশে পান, সেখান থেকে কত টাকা নিজে নেন, পুত্রের নামে নেন, পুত্রবধূর নামে নেন, সেই হিসাব আমি জনসম্মুখে তুলে ধরব। শাজাহান খানের ওই বক্তব্য বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হলে এ মন্তব্যকে উদ্ভট, বানোয়াট ও মিথ্যা আখ্যা দিয়ে বক্তব্য প্রত্যাহারের জন্য ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন ইলিয়াস কাঞ্চন। তবে শাজাহান খান তার বক্তব্য প্রত্যাহার কিংবা ক্ষমা প্রার্থনা না করায় ইলিয়াস কাঞ্চন এবার আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন। এজাহার থেকে আরও জানা যায়, গত বছরের ১৯ নভেম্বর বাংলাদেশ ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান মালিক ও শ্রমিক ঐক্য পরিষদ ধর্মঘটের ডাক দেয়। ওই ধর্মঘটে বিবাদীর (শাজাহান খান) প্ররোচনায় শ্রমিকরা ব্যানার টানিয়ে বাদীর (ইলিয়াস কাঞ্চন) কুশপুত্তলিকা তৈরি করে ও জুতার মালা দিয়ে হেয় প্রতিপন্ন করে। যা পরবর্তীতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এতে বাদীর ১০০ কোটি টাকার ক্ষতি সাধন হয়েছে বলে বাদী আদালতে এ মামলা করেন।
মুজিব বর্ষ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি সম্পন্ন
১৩ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী। ওই দিনই জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে মুজিব বর্ষ উদযাপন শুরু করবে জাতি। এরই মধ্যে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী। গতকাল বুধবার জাতীয় প্যারেড স্কয়ারসংলগ্ন বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ঘাঁটি বাশার-এর সম্মেলন কক্ষে এ-সংক্রান্ত এক সমন্বয় সভায় এ কথা জানান তিনি। সভায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্যান্ডেল স্থাপন, সব পর্যায়ের অতিথি ও দর্শকের আসন ব্যবস্থা, অতিথি ও দর্শকদের অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশের ব্যবস্থাপনা, গাড়ি পার্কিং, অনুষ্ঠান পরিবেশনা, স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ, অনুষ্ঠান সম্প্রচার এবং উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এ সময় এসব কার্যক্রম বাস্তবায়নকারী সংস্থা ও দপ্তরের প্রতিনিধিরা তাদের গৃহীত পদক্ষেপের অগ্রগতি তুলে ধরেন। সভায় ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী যুব বিশ্বকাপ জয়লাভ করায় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দলকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, যুব বিশ্বকাপ জয় মুজিব বর্ষে জাতির জন্য সেরা উপহার বলে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এ অর্জন মুজিব বর্ষের বর্ণিল আয়োজনে আমাদের প্রেরণা জোগাবে। সমন্বয় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন সাবেক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাহফুজুর রহমান, এয়ার ভাইস মার্শাল মো. নজরুল ইসলাম, গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার, তথ্য সচিব কামরুন নাহার, স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মজিবুর রহমান, র্যাব ফোর্সেসের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজি (প্রশাসন) মো. মইনুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ।