টুঙ্গিপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী
১৭মার্চ,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার (১৭ মার্চ) সকাল ১০ টা ২০ মিনিটের দিকে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধ কমপ্লেক্সে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত জাতীয় শিশু দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন। এছাড়া জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র ও জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। এরআগে সকাল ৯টার পর রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক হেলিকপ্টারে করে টুঙ্গীপাড়ার উদ্দেশে রওনা দেন।
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
১৭মার্চ,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা। আজ রোববার সকাল ৭টায় ধানমন্ডি ৩২ বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বঙ্গবন্ধু প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি। পরে আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে দলের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে আবারও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর আওয়ামী লীগের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে। এর আগে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সকাল সাড়ে ৬টায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু ভবন ও দেশব্যাপী দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করে। এ উপলক্ষে আজ সব সরকারি, আধাসরকারি, বেসরকারিসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
আজ বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মদিন
১৭মার্চ,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস আজ রোববার। দেশব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি উদযাপন করা হবে। রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই দিন গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকায় বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। দিবসটি উপলক্ষে টুঙ্গিপাড়ায় আলোচনা সভা, শিশু সমাবেশ, বঙ্গবন্ধুর জীবনীভিত্তিক পুস্তক প্রদর্শনী, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ-শীর্ষক বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের আঁকা চিত্র প্রদর্শনী, বঙ্গবন্ধুকে লেখা চিঠি শিরোনামে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিশুদের লেখা নিয়ে গ্রন্থ প্রকাশ, আমার কথা শোন-শীর্ষক ভিডিও প্রদর্শনী এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে জেলা, উপজেলা সদরে আনন্দ র;্যালি, শিশু সমাবেশ, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভা, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। তথ্য মন্ত্রণালয় এ উপলক্ষে পত্রিকায় ক্রোড়পত্র প্রকাশ, জেলা, উপজেলা সদরে সপ্তাহব্যাপী বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ, বঙ্গবন্ধুর জীবনী ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, জনবহুল স্থানে পোস্টার প্রদর্শনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল, কমিউনিটি রেডিও এবং এফএম রেডিও বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচারের কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, শিশু একাডেমি এবং গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের জেলা তথ্য অফিসসমূহ বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় শিশুর স্বাস্থ্য সচেতনতা, পুষ্টি ও খাদ্য সম্পর্কে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোতেও দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হবে। দেশের সকল ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের এই দিনে তদানীন্তন ভারত উপমহাদেশের পূর্ববঙ্গ প্রদেশের অন্তর্ভুক্ত ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম শেখ লুৎফর রহমান এবং মাতার নাম সায়েরা খাতুন। পরিবারের চার কন্যা এবং দুই পুত্রের সংসারে শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন তাদের তৃতীয় সন্তান। সেদিনের টুঙ্গিপাড়ার অজপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করা সেই শিশুটি পরবর্তীতে হয়ে উঠেন নির্যাতিত-নিপীড়িত বাঙালি জাতির মুক্তির দিশারী। গভীর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, আত্মত্যাগ ও জনগণের প্রতি অসাধারণ মমত্ববোধের কারণেই পরিণত বয়সে হয়ে ওঠেন বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু।
প্রধানমন্ত্রীর মাঝে মাতৃত্বের ছায়া খুঁজে পেয়েছি: নুর
১৬মার্চ,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নবনির্বাচিত সহ-সভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুর বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মাঝে নিজের মায়ের ছায়া দেখতে পেয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে ভিপি নুরুল হক নুর বলেন, ছোটবেলায় আমি মাকে হারিয়েছি। আপনার মাঝে আমি আমার মায়ের প্রতিচ্ছবি খুঁজে পাই। তখন প্রধানমন্ত্রী তাকে পাশে বসান। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পা ছুঁয়ে সালাম করেন নুর। শনিবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গণভবনে তার সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে বক্তৃতার সময় নুর আরও বলেন, আড়াই বছর বয়সে মাকে হারানোর পর আমার একজন স্কুলশিক্ষিকার মাঝে মায়ের ছায়া দেখতে পেয়েছি। আর একজনের মধ্যে আমি মাতৃত্বকে খুঁজে পেয়েছি, প্রধানমন্ত্রীর মাঝে আমি মাতৃত্বের ছায়া খুঁজে পেয়েছি। ডাকসু ভিপির বক্তব্য দেয়ার পর আমন্ত্রিত নেতাদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে যে বিজয়ী হয়েছে সে সব ছাত্রদের জন্য কাজ করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কে ভোট দিল কে দিল না, এটা নয়। এসব মাথায় রাখা যাবে না। যে নির্বাচিত হয়েছে সে সব শিক্ষার্থীর জন্য কাজ করবে। কে হলো কে হলো না সেটা নিয়ে আমার মাথাব্যথা নেই। ভোটটা সুষ্ঠু হোক। তিনি বলেন, 'আমাদের ভিপি পদে শোভন জয় লাভ করে নাই। আমার কাছে আসছে, আমি বলেছি- যে জিতেছে তাকে অভিনন্দন জানাতে। ধন্যবাদ জানাই শোভনকে। আমি তাদের পরিবারের সবাইকে চিনি। এটাই হচ্ছে রাজনীতি। রাজনীতিতে হারজিত তো থাকবেই। কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আন্দোলন আমরাও করে এসেছি। আন্দোলনে সহিংসতা চাই না। সাহস থাকা ভালো। কিন্তু পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, দীর্ঘ ২৮ বছর ডাকসু নির্বাচন বন্ধ ছিল। আমরা আসলে নেতৃত্ব খুঁজি। এই নেতৃত্ব ছাত্র জীবন থেকে গড়ে উঠতে হবে।
নিখোঁজ হওয়ার ১৫ মাস পর বাসায় ফিরলেন সাবেক রাষ্ট্রদূত মারুফ
১৬মার্চ,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর ধানমণ্ডির বাসা থেকে বিমানবন্দর যাওয়ার পথে হঠাৎ নিখোঁজ হওয়ার সাড়ে ১৫ মাস পর পরিবারের কাছে ফিরেছেন সাবেক রাষ্ট্রদূত মারুফ জামান। শনিবার (১৬ মার্চ) সন্ধ্যায় তার এক স্বজনের বরাত দিয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ধানমণ্ডি থানার ওসি আবদুল লতিফ। ২০১৭ সালের ৪ ডিসেম্বর রাজধানীর ধানমণ্ডির বাসা থেকে বিমানবন্দর যাওয়ার পথে রহস্যজনক নিখোঁজ হয়েছিলেন তিনি। বিষয়টি সে সময় ব্যাপক আলোচিত হয় দেশজুড়ে। তার নিখোঁজের ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা ধানমণ্ডি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন। পরে তার ব্যবহৃত গাড়িটি পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় খিলক্ষেতের তিনশ' ফুট সড়কের পাশ থেকে। কিন্তু তাকে পাওয়া যায়নি। প্রায় সাড়ে ১৫ মাস পর শুক্রবার গভীর রাতে বাসায় ফিরেছেন সাবেক এই রাষ্ট্রদূত। পুলিশের ধানমণ্ডি জোনের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার আব্দুল্লাহহেল কাফি সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, শুক্রবার রাত দেড়টার দিকে ধানমণ্ডির ৯/এ সড়কে ঘোরাফেরা করছিলেন মারুফ জামান। ওই সড়কের ৮৯ নম্বর বাড়ির তৃতীয় তলার বাসিন্দা তিনি। তার বাসার আশপাশের ভবনের দারোয়ান তাকে চিনতে পেরে বাসায় নিয়ে যায়। তার নিখোঁজ থাকার বিষয়টি জানার জন্য বাসায় পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু তিনি অসুস্থ থাকায় বিশ্রামে আছেন বলে জানিয়েছেন তার মেয়ে। তার পরিবারের কেউ কথা বলতে রাজি হয়নি। মারুফ জামানের দুই মেয়ে। ২০১৭ সালের ৪ ডিসেম্বর রাতে তার ছোটো মেয়ে সামিহা জামান বেলজিয়াম থেকে দেশে ফেরেন। মেয়েকে আনার জন্য মারুফ জামান ধানমণ্ডির বাসা থেকে সন্ধ্যা ৬টার দিকে বের হন নিজের গাড়ি নিয়ে। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তিনি বাসার ল্যান্ডফোনে গৃহকর্মীকে ফোন করে বলেছিলেন, তিনজন লোক বাসায় যাবে নষ্ট কম্পিউটার মেরামতের জন্য। এরপরই রাত ৮টা ৫ মিনিটের দিকে তিন ব্যক্তি বাসায় যান এবং মারুফের ব্যবহৃত একটি ল্যাপটপ, কম্পিউটার, মোবাইল ফোন ও ক্যামেরা নিয়ে বের হয়ে যান। মারুফের গাড়িটি ৫ ডিসেম্বর খিলক্ষেত থানা পুলিশ তিনশ' ফুট সড়কের পাশে পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। এ ঘটনায় তার মেয়ে সামিহা ধানমণ্ডি থানায় জিডি করেন। সে সময় পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, অনেক খোঁজাখুঁজি করে মারুফ জামানকে পাওয়া যাচ্ছে না। দীর্ঘ প্রায় সাড়ে ১৫ মাস পর সেই মারুফ জামানই শুক্রবার রাতে হঠাৎ করেই ফিরলেন বাড়িতে।
২য় কাঁচপুর সেতু ও ভুলতা ফ্লাইওভার উদ্বোধন
১৬মার্চ,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দ্বিতীয় কাঁচপুর সেতু, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভুলতায় চার লেন ফ্লাইওভার এবং লতিফপুর রেলওয়ে ওভারপাস উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (১৬ মার্চ) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এসব উন্নয়নকাজের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। দ্বিতীয় কাঁচপুর সেতু নির্মাণের ফলে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট যেতে এখানকার দীর্ঘদিনের যানজট, দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবে বলে আশাবাদী এ রুটে চলাচলকারী মানুষ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ওবায়দুল কাদেরের জন্য দোয়া করবেন, যেন তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে এসে পুরো উদ্যমে কাজ করতে পারেন। তিনি বলেন, দ্বিতীয় কাঁচপুর সেতু নিয়ে আমাদের মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের অনেক আগ্রহ ছিল। কথা ছিল সেখানে গিয়ে আমি ব্রিজটি উদ্বোধন করব। কিন্তু দুর্ভাগ্য ওবায়দুল কাদের হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। ওবায়দুল কাদের ফিরে এলে তাকে নিয়ে ব্রিজ পরিদর্শনে যাব। জানা গেছে, বাংলাদেশ সরকার ও জাইকার অর্থায়নে নির্মিত ৩৯৭ দশমিক ৩ মিটার দৈর্ঘ্যের চার লেনবিশিষ্ট দ্বিতীয় কাঁচপুর সেতু নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৯৫০ কোটি টাকা। আগের কাঁচপুর সেতুর সমান উচ্চতায় এই সেতু নির্মাণে ব্যবহার করা হয়েছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি। বাংলাদেশে এই প্রথম এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। আগের কাঁচপুর সেতু পুনর্বাসনের ফলে এর আয়ুষ্কাল নির্ধারিত ৫০ বছর মেয়াদের সঙ্গে আরো ৪০ বছর বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভুলতায় চার লেনবিশিষ্ট ফ্লাইওভার নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৩৫৩ দশমিক ৩৬ কোটি টাকা। এছাড়া জয়দেবপুর-চন্দ্রা-টাঙ্গাইল-এলেঙ্গা মহাসড়কে ৫৪ দশমিক ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে লতিফপুর রেলওয়ে ওভারপাস নির্মাণ করা হয়েছে।
আরপি সাহাকে অনুসরণ করলে মানুষের কষ্ট থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী
১৪মার্চ,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দানবীর রণদা প্রসাদ সাহার দৃষ্টান্ত অনুসরণ করে আর্তমানবতার সেবায় এগিয়ে আসার জন্য দেশের বিত্তশালীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, তাহলে আর দেশের জনগণের কষ্ট থাকবে না। তিনি বলেন,রণদা প্রসাদ সাহা আমাদের দেশের নারী শিক্ষার প্রসার ঘটানো থেকে শুরু করে মানবতার সেবার যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন সেই দৃষ্টান্ত অনুসরণ করার আমাদের দেশে অনেক বিত্তশালী আছেন, তারাও করতে পারে। তাহলে আমাদের দেশের মানুষের আর কোনো কষ্ট থাকবে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার অপরাহ্নে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে কুমুদিনী ট্রাস্ট কমপ্লেক্সে দানবীর রণদা প্রসাদ সাহা স্মারক স্বর্ণপদক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন। জাতির পিতার ছোট মেয়ে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট বোন শেখ রেহানা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দানবীর রণদা প্রসাদ সাহা ব্যাপকভাবে মানুষের জন্য কাজ করেছিলেন। তিনি বিধবাদের জন্য কাজ করেছিলেন। তিনি শুধু মানুষের সেবা করার জন্য এবং মানুষকে মানুষের মতো বেঁচে থাকার সুযোগ করে দেবার জন্য বিরাট এক কর্মযজ্ঞ গড়ে তুলেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, রণদা প্রসাদ দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করা সত্ত্বেও পরিশ্রম ও বুদ্ধিমত্তায় তিনি বাংলার অন্যতম ধনী হিসেবে পরিণত হয়েছিলেন। তবে, অর্থ-বিত্তের মালিক হওয়ার পরও তিনি ভোগ-বিলাসে ডুবে যাননি। বরং অর্জিত অর্থ মানবকল্যাণে ব্যয় করেছেন। নারী শিক্ষার প্রসারে রণদা প্রসাদের ভূমিকা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি একে একে ভারতেশ্বরী হোমস, কুমুদিনী কলেজ এবং পিতার নামে দেবেন্দ্র কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন এবং দেশের বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে তিনি আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের পরবর্তী প্রজন্ম প্রতিষ্ঠাতার মানবিক প্রয়াস- প্রান্তিক অসহায় জনপদে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান ও নারী শিক্ষা প্রসারে নিজেদের নিবেদিত রেখেছেন। ট্রাস্টের সেবা কর্মযজ্ঞে যুক্ত হয়েছে কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজ, কুমুদিনী নার্সিং স্কুল ও কলেজ এবং রণদা প্রসাদ সাহা বিশ্ববিদ্যালয়। অনগ্রসর মানুষের কল্যাণের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কুমুদিনী ট্রেড ট্রেনিং ইনস্টিটিউট। কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট অব বেঙ্গল (বিডি) ৮৬ বছর কার্যকাল পূর্তি উপলক্ষে চারজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে এ বছরের দানবীর রণদা প্রসাদ সাহা স্বর্ণপদকে ভূষিত করা হয়। তারা হচ্ছেন- গণতন্ত্রের মানসপুত্র এবং কিংবদন্তীতুল্য রাজনৈতিক নেতা ও তদানিন্তন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী (মরণোত্তর), জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর), ১৯৫২ সালের ভাষাসৈনিক ও জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম ও প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী শাহবুদ্দীন আহমেদ। সোহরাওয়ার্দীর পক্ষে শেখ রেহানা এবং জাতীয় কবির পক্ষে কবির নাতনী খিলখিল কাজী প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে স্বর্ণপদক গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজিব প্রসাদ সাহা। অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন ট্রাস্টের পরিচালক ও ভাষাসৈনিক প্রতিভা মুৎসুদ্দি এবং পরিচালক শ্রীমতি সাহা। স্বাগত বক্তৃতা করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য একাব্বর হোসেন। অনুষ্ঠানে রণদা প্রসাদ সাহার জীবন এবং কর্মের ওপর একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়। জাতীয় সংগীত এবং দেশাত্মবোধক গানের মধ্যদিয়ে শুরু এই অনুষ্ঠানে ভারতেশ্বরী হোমসের মেয়েরা বর্ণাঢ্য ডিসপ্লে প্রদর্শন করে। অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবৃন্দ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাবৃন্দ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক এবং উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার সদস্যবৃন্দ, বিশিষ্ট নাগরিকগণ এবং আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টারে চড়ে দিনব্যাপী টাঙ্গাইল সফরে মির্জাপুর হেলিপ্যাডে পৌঁছলে জেলা পুলিশ প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। পরে প্রধানমন্ত্রী কুমুদিনী কমপ্লেক্স থেকে ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে জেলার ৩১টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং দানবীর রণদা প্রসাদ সাহা স্বর্ণপদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন। বিকেলে প্রধানমন্ত্রী একই স্থানে জেলার সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। আরপি সাহা নামে পরিচিত রণদা প্রসাদ সাহা ছিলেন একজন প্রখ্যাত ব্যবসায়ী ও জনহিতৈষী ব্যক্তিত্ব। তিনি তার সব সম্পদ দেশ ও মানুষের জন্য দান করেছেন। ভারতেশ্বরী হোমস, কুমুদিনী উইমেনস মেডিকেল কলেজ, কুমুদিনী হাসপাতাল, রণদা প্রসাদ সাহা বিশ্ববিদ্যালয়, কুমুদিনী নার্সিং স্কুল ও কলেজ, টাঙ্গাইল কুমুদিনী গার্লস কলেজ, মির্জাপুর ডিগ্রি কলেজ, মির্জাপুর এসকে পাইলট বয়েজ এন্ড গার্লস হাইস্কুল, মানিকগঞ্জ দেবেন্দ্র কলেজের মতো অনেক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেছেন আরপি সাহা। ১৯৭১ সালের ৭ মে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী আরপি সাহা ও তার একমাত্র ছেলে ভবানী প্রসাদ সাহাকে তাদের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। কুমুদিনী পরিবার এই মহান দানবীরের নামে ২০১৫ সালে রণদা প্রসাদ সাহা স্বর্ণপদক প্রবর্তন করে।
টাঙ্গাইলে ৩১টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী
১৪মার্চ,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বৃহস্পতিবার টাঙ্গাইল জেলায় ৩১টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন। প্রধানমন্ত্রী কুমুদিনী কমপ্লেক্সের ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে ১৪টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও আরো ১৭টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। প্রধানমন্ত্রী যে ১৪টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন সেগুলো হচ্ছে- ধেরুয়া রেলওয়ে ওভারপাস , ৩৩/১১ কেভি সুইচিং স্টেশন, গ্রীড সাবস্টেশন বৈল্যা, রাবনা বাইপাস, টাঙ্গাইল ৩৩/১১ কেভি ২০ এমভিএ ইনডোর উপকেন্দ্র, ইন্দ্রবেলতা, পোড়াবাড়ি, টাঙ্গাইল নির্মাণ, বাসাইল,দেলদুয়ার ও নাগরপুর উপজেলা শতভাগ বিদ্যুতায়ন, সখিপুর উপজেলা কমপ্লেক্সের প্রশাসনিক ভবন ও হলরুম সম্প্রসারণ, কালিহাতি (ধুনাইল)-সয়ারহাট হাতিয়া জেবিএ রাস্তা, মির্জাপুর উপজেলা কমপ্লেক্স সম্প্রসারিত ভবন, টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবের বঙ্গবন্ধু ভিআইপি অডিটরিয়াম, মির্জাপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স, মির্জাপুর ও টাঙ্গাইল উপজেলা প্রাণী সম্পদ উন্নয়ন কেন্দ্র নির্মাণ কাজ। তিনি এলেঙ্গা-জামালপুর জাতীয় মহাসড়ক (এন-৪) প্রশস্তকরণ প্রকল্পের (টাঙ্গাইল অংশ) ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন, এলেঙ্গা-ভুঞাপুর-চরগাবসারা সড়কে ১০টি ক্ষতিগ্রস্ত সেতু ও একটি কালভার্ট পুনঃনির্মাণ, আঞ্চলিক মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন, টাঙ্গাইল-দেলদুয়ার মহাসড়ক, করটিয়া-বাসাইল সড়ক এবং পাকুল্লা-দেলদুয়ার-এলাসিন সড়কের প্রশস্তকরণ প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন, কালিহাতি উপজেলা কমপ্লেক্সের প্রশাসনিক ভবন সম্প্রসারণ ও হলরুম নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন, করটিয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাসাইল নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন, দেলদুয়ারে বাতেন বাহিনী মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন, ঘাটাইলে রসুলপুর ভূমি অফিস, লোকরেপাড়া ভূমি অফিসের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন, দেলদুয়ার উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অফিসের নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন, টাঙ্গাইল সদরের মডেল মসজিদ নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন, বাসাইল উপজেলা মডেল মসজিদ নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন, সখিপুর, মধুপুর ও মির্জাপুর উপজেলা ভূমি অফিস নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন এবং টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজের নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন করেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী ভারতেশ্বরী হোমস মাল্টিপার্পাস হল এবং ইনস্টিটিউট অব পোস্ট গ্রাজুয়েট নার্সিং কমপ্লেক্স অন কমুদিনী কমপ্লেক্সের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। অনুষ্ঠানে দেশের অব্যাহত শান্তি, অগ্রগতি ও উন্নয়ন কামনা করে মোনাজাত করা হয়। এরআগে শেখ হাসিনা দানবীর রনোদা প্রসাদ সাহা স্বর্ণ পদক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিতে কুমুদিনী কমপ্লেক্সে পৌঁছান।
১০ উপজেলায় ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ করা হবে: সিইসি
১৩মার্চ,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: উপজেলা নির্বাচনের চতুর্থ ও পঞ্চম দফায় ১০ উপজেলায় ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন-ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা। বুধবার (১৩ মার্চ) দুপুরে সিলেট জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় একথা বলেন তিনি। সিইসি বলেন, বড় একটি রাজনৈতিক দল উপজেলা নির্বাচনে অংশ না নেয়ায় ভোটার উপস্থিতি কম ছিল। সিইসি জানান, তফসিল ঘোষণার আগে বিধি তৈরি করতে হয়, সেটা না হওয়ায় চতুর্থ ও পঞ্চম ধাপের আগে ইভিএম ব্যবহার করা যাবে না। প্রধানত সদর উপজেলাগুলোতে ইভিএম ব্যবহার করা হবে, মোট ১০টি উপজেলায়।

জাতীয় পাতার আরো খবর