বিশেষ ভাতা পাবেন হাওর অঞ্চলের সরকারি চাকরিজীবীরা
১২মে,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের হাওর অঞ্চলের সরকারি চাকুরেদের জন্য হাওর ভাতা চালু করলো সরকার। গত ৫ মে এই সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে অর্থ মন্ত্রণালয়। অতরিক্ত সচিব মো. শাহজাহান কর্তৃক স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন বলা হয়, প্রজ্ঞাপন জারির থেকে এই বিশেষ ভাতা কার্যকর হবে। বিশেষ এই ভাতার আওতায় ২০তম গ্রেডে বেতনপ্রাপ্তরা পাবেন মাসিক ১৬৫০ টাকা। অন্যদিকে ৭ ও তদুর্ধ্ব গ্রেডপ্রাপ্তরা পাবেন ৫ হাজার টাকা। জানা গেছে, কয়েক বছর ধরেই হাওরপ্রবণ জেলার ডিসিরা দুর্গম এলাকা হিসেবে হাওর খাতা চালুর প্রস্তাব করে আসছেন। সর্বশেষ গত বছরের ডিসি সম্মেলনে কিশোরগঞ্জের তৎকালীন জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. আজিমুদ্দিন বিশ্বাস হাওর ভাতা চালু করার জন্য একটি প্রস্তাব পাঠান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে। ডিসিদের দীর্ঘদিনের এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে হাওর এলাকায় কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এ ভাতা প্রদানের উদ্যোগ নেয় সরকার। বাংলাদেশের হাওর ও পাহাড়ি এলাকা অন্যান্য এলাকার চেয়ে অনেক বেশি অনুন্নত। দুর্গম এসব এলাকায় নাগরিক সুবিধা বলতে কিছুই নেই। তবে বিদেশি সংস্থাগুলোর কড়া নজরদারির ফলে পাহাড়ি এলাকায় এখন শিক্ষার আলোসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা কিছুটা বেড়েছে। শিক্ষা, চাকরি ও ভূমিসহ বিভিন্ন দাবি-দাওয়া পাহাড়িরা আদায় করে নিয়েছেন। কিন্তু হাওর অঞ্চলের মানুষ এখনও এসব সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। ফলে এ সুযোগ হাওরেও সম্প্রসারণের দাবি দীর্ঘদিনের। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তার দাবি, হাওর ভাতা চালু হলে দেশের সাতটি জেলার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ ভাতা পাবেন। সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ ও নেত্রকোনা জেলাকে হাওর অঞ্চল হিসেবে ধরা হয়। হাওর মূলত বিস্তৃত প্রান্তর, অনেকটা গামলা আকৃতির জলাভূমি, যা প্রতি বছর মৌসুমি বৃষ্টির সময় পানিপূর্ণ হয়ে ওঠে। বর্ষাকালজুড়ে হাওরের পানিকে সাগর বলে মনে হয় এবং এর মধ্যে অবস্থিত গ্রামগুলোকে দ্বীপ বলে প্রতীয়মান হয়। বাংলাদেশে প্রায় ৪০০ হাওর রয়েছে। হাওরগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। পাহাড়ের পাদদেশে বা পাহাড়ের কাছাকাছি অবস্থিত হাওর, প্লাবিত এলাকার হাওর, গভীর পানিতে প্লাবিত এলাকার হাওর। বিশেষে ভাতার আওতায় ১৬ উপজেলা হলো: কিশোরগঞ্জের ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম। চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ, কক্সবাজারের কুতুবদিয়া, নোয়াখালীর হাতিয়া, সিরাজগঞ্জের চৌহালী, কুড়িগ্রামের রৌমারী ও চররাজিবপুর, পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী এবং ভোলার মনপুরা। এ ছাড়া সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা, শাল্লা ও দোয়ারাবাজার, হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ এবং নেত্রকোনার খালিয়াজুরী উপজেলাকে হাওর, দ্বীপ বা চর উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করে সরকার।
খাদ্যে ভেজাল রোধে প্রয়োজনে মৃত্যুদণ্ডের বিধান করা হবে: খাদ্যমন্ত্রী
১২মে,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধে প্রয়োজনে নিরাপদ খাদ্য আইন সংশোধন করে শাস্তির মাত্রা বাড়িয়ে যাবজ্জীবন বা মৃত্যুদণ্ডের বিধান করা হবে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। রোববার (১২ মে) সচিবালয়ের ২ নম্বর গেটে নিরাপদ খাদ্য ও সচেতনতামূলক কর্মসূচির উদ্বোধনের সময় এসব কথা বলেন খাদ্যমন্ত্রী। সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, ভেজাল প্রতিরোধে প্রয়োজনে যাবজ্জীবনসহ মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে আইন সংশোধন করা হবে। তবে কেবল আইন করলেই হবে না, সচেতনতাও বাড়াতে হবে। জনগণ সচেতন থাকলে এই আইনের প্রয়োজন হবে না। তবে এখন আর আগের মতো খাদ্যে ভেজাল নেই জানিয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, খাদ্যে ভেজাল দেওয়ার প্রবণতা অনেকটা কমে এসেছে। মানুষের মধ্যে সচেতনতাও বাড়ছে। এসময় সাধন চন্দ্র মজুমদার খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধে সারা বছর অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
জেলেদের বীমার আওতায় আনার সুপারিশ স্থায়ী কমিটির
১২মে,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:জেলেদের বীমা সহায়তার আওতায় আনার উদ্যোগ নিতে মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করেছে জাতীয় সংসদের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি।আজ সংসদ ভবনে কমিটির সভাপতি ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এ সুপারিশ করা হয়।বৈঠকে বলা হয়, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে জেলেদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জেলেরা সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে অনেকে নিখোঁজ হন, মারা যান, ক্ষতিগ্রস্ত হন এবং অনেককে জলদস্যুরা ধরে নিয়ে যাওয়ার ফলে এই জেলে পরিবারের সদস্যরা অসহায় হয়ে পড়েন।এ পরিপ্রেক্ষিতে জেলেদের বীমা সহায়তা প্রদানের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করার জন্য মন্ত্রণালয়কে উদ্যোগ গ্রহণের সুপারিশ করা হয় বলে বৈঠক শেষে জানানো হয়।কমিটি সদস্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আশরাফ আলী খান খসরু, মো. শহিদুল ইসলাম (বকুল), মোছাঃ শামীমা আক্তার খানম এবং কানিজ ফাতেমা আহমেদ বেঠকে অংশগ্রহণ করেন।কমিটি মা-ইলিশ রক্ষা ও জাটকা নিধন বন্ধে জেলেদের মাছ ধরা থেকে বিরত রাখার জন্য সরকার গৃহীত কার্যক্রম কঠোরভাবে পরিচালনার সুপারিশ করে।মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।বাসস ।
ওয়াসার পানি নিরাপদ করতে সরকারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার নির্দেশ
১২মে,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:ওয়াসার পানি নিরাপদ করতে সরকারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ওয়াসার পানি নিয়ে অ্যাডভোকেট তানভীর এক রিট দায়ের করেন। রিটের জবাবে রোববার (১২ মে) হাইকোর্ট এ নির্দেশ দিয়েছেন।বেশ কিছু দিন ধরে ওয়াসার পানি কতটা সুপেয় তা নিয়ে উঠেছে নানা বিতর্ক। রাজধানী ঢাকায় ওয়াসার পানি নিয়ে মাঝে মধ্যেই বিভিন্ন ধরণের অভিযোগ দেখা যায় গণমাধ্যমগুলোতে। চলতি বছরের এপ্রিলে ওয়াসার এমডি এক বক্তব্যে বলেছিলেন ওয়াসার পানি শতভাগ সুপেয়। এর প্রতিবাদে ২৩ এপ্রিল মঙ্গলবার ওয়াসার এমডিকে সুপেয় পানির তৈরি শরবত খাওয়ানোর জন্য কারওয়ানবাজারে ওয়াসা ভবনের সামনে হাজির হয়েছিলেন ঢাকার জুরাইনের কয়েকজন বাসিন্দা।গণমাধ্যমের কল্যাণে এ অভিনব প্রতিবাদের ঘটনা সারা দেশের আলোচনার বস্তুতে পরিণত হয়। রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে নাগরিকরা প্রতিবাদ করা শুরু করেন। সম্প্রতি অ্যাডভোকেট তানভীর আদালতে ওয়াসার পানির মান নিয়ে রিট করলে আদালত ওয়াসার পানির মান সম্পর্কে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কাছে মতামত চান। সে রিটের ফলাফল হিসেবেই সরকারকে এ নির্দেশ প্রদান করেন আদালত।
সাংবাদিক দম্পতির হত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিল পেছালো
১২মে,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:৬৫ বারের মতো পেছালো সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল। রোববার ১২ মে প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য থাকলেও জমা দেয়নি মামলার তদন্ত সংস্থা RAB। ঢাকা মহানগর হাকিম দেবব্রত বিশ্বাস আগামী ২৬ জুন প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পরবর্তী দিন ধার্য করেন। শেরেবাংলা নগর থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা ইউসুফ এ তথ্য জানিয়েছেন। সময় টিভি ।২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। পরের দিন ভোরে তাদের ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।এ ঘটনায় রুনির ভাই বাদী হয়ে আদালতে একটি মামলা করেন। পরে চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।এ মামলায় মোট আসামি ৮ জন। এরা হলো, রুনির বন্ধু তানভীর রহমান, বাড়ির নিরাপত্তারক্ষী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুণ, পলাশ রুদ্র পাল ও আবু সাঈদ। আসামিদের প্রত্যেককে একাধিবার রিমান্ডে নেওয়া হলেও তাদের কেউই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়নি।
ভেজাল ও নিম্নমানের পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহার এবং ধ্বংসের আদেশ
১২মে,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:ভেজাল ও নিম্নমানের ৫২ পণ্য উৎপাদন, বিক্রয় ও বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে এইসব পণ্য বাজার থেকে জব্দ করে ধ্বংসের আদেশ দেয়া হয়েছে। আজ রবিবার বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ এক রিটের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।হাইকোর্টের আদেশে বলা হয়, বিএসটিআই, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর যৌথভাবে এসব পণ্যের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করবে। অভিযান শেষে ১০ দিনের মধ্যে অগ্রগতি প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিল করবে তিন সংস্থা।আদেশে আরও বলা হয়, ভেজাল ও নিম্নমানের পণ্য ও খাবারের কারণে এদেশে বাস করাটা অনিরাপদ হয়ে উঠেছে। যাদের দ্বৈত নাগরিকত্ব নেই তাদের তো এদেশেই থাকতে হবে।এর আগে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্স অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) পরীক্ষায় নিম্নমান প্রমাণিত হওয়ায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৫২ পণ্য জব্দ করে বাজার থেকে প্রত্যাহার এবং এসব পণ্য উত্পাদন বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। বৃহস্পতিবার কনসাস কনজুমার সোসাইটির পক্ষে সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান জনস্বার্থে রিটটি দায়ের করেন।গত ৬ মে বিএসটিআই কর্তৃক বাজারে এসব পণ্যে ভেজাল ধরা পড়ার পরও জব্দ না করা, সেগুলো বাজার থেকে প্রত্যাহারের ব্যবস্থা না নেওয়া ও প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ না নেওয়ায় আইনি নোটিশ পাঠান ভোক্তা অধিকার সংস্থা কনসাস কনজুমার্স সোসাইটি (সিসিএস)। কিন্তু কোনো জবাব না পাওয়ায় বৃহস্পতিবার এ রিট দায়ের করা হয়। রিটে ওইসব প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট পণ্য কেনো জব্দ করা হবে না বা বাজার থেকে কেনো প্রত্যাহার করা হবে না এবং তাদের বিরুদ্ধে কেনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারির আর্জি পেশ করা হয়।
ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে অন্তত ৩৭ বাংলাদেশির মৃত্যু
১২মে,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে তিউনিসিয়ার উপকূলে ভূমধ্যসাগরে অভিবাসীবাহী একটি নৌকা ডুবে অন্তত ৩৭ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে ত্রিপলির বাংলাদেশ দূতাবাস। লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম কাউন্সেলর আ স ম আশরাফুল ইসলাম আজ বলেছেন, আমরা তিউনিসীয় রেড ক্রিসেন্টের সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হয়েছি যে, ইউরোপগামী নৌকাটিতে অন্যান্যদের সঙ্গে ৫১ বাংলাদেশি নাগরিক ছিলেন। নৌকাডুবি থেকে বেঁচে ফেরাদের মধ্যে পাঁচজন অসুস্থ এবং তাদেরকে তিউনিসিয়ায় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া জীবিত উদ্ধার বাকিরা রেড ক্রিসেন্ট এবং তিউনিসিয়ায় শরণার্থীদের নিয়ে কাজ করা একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার হেফাজতে রয়েছেন বলেও জানান তিনি। আশরাফুল আরও জানান, দুর্ঘটনার বিষয়ে তদন্তের জন্য তিনি ত্রিপলি থেকে তিউনিসিয়া যাবেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন।
আজ মা দিবস
১২মে,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ত্রিভুবনে প্রিয়, পবিত্র, সর্বজনীন শব্দ মা। মা শব্দটি উচ্চারণের সঙ্গে সঙ্গে অন্যরকম এক আবেগ-অনুভূতির জন্ম হয় হৃদয়ের অতল গহিনে। অনাবিল সুখ প্রশান্তির রেশ ছড়িয়ে দেয়। মা শব্দটি উচ্চারিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের হৃদয়ের মানসপটে ভেসে উঠে অসীম, চিরন্তন, আত্মত্যাগ, ভালবাসার প্রতিচ্ছবি, এক মমতাময়ী প্রতিমূর্তি। আজ বিশ্ব মা দিবস। এদিন মাতৃ অন্তঃপ্রাণ সন্তানেরা জননী আমার তুমি, পৃথিবী আমার, মধুর আমার মায়ের হাসি চাঁদের মুখে ঝরে-এই কথাটুকু প্রমাণে সারা বিশ্বেই নানা আয়োজনে সন্তানরা উদযাপন করেন মা দিবস। মা শব্দটি ছোট হলেও এর পরিধি বিশাল। যে ভাষায় তাকে সম্বোধন করা হোক না কেন, সর্বকালে সর্বক্ষেত্রে সৃষ্টির আদিলগ্ন থেকে দেশ ও কালের সীমানা অতিক্রম করেও মায়ের আত্মত্যাগের ভালবাসার রূপ অনেকটা অভিন্ন। মায়ের অনুগ্রহ ছাড়া কোন প্রাণীরই প্রাণধারণ করা অসম্ভব। পরিবারে মা হচ্ছেন এক স্বর্গীয় বিস্ময়কর প্রতিষ্ঠান। মা প্রথম কথা বলা শেখান বলেই মায়ের ভাষা হয় মাতৃভাষা। মা হচ্ছেন মমতা-নিরাপত্তা-অস্তিত্ব, নিশ্চয়তা ও আশ্রয়। মা সন্তানের অভিভাবক, পরিচালক, দার্শনিক, শ্রেষ্ঠ শিক্ষক ও বড় বন্ধু। মা দিবস, প্রচলন নিয়ে রয়েছে নানা গল্প, ইতিহাস। জুলিয়া ওয়ার্ড হোই রচিত মাদার্স ডে প্রক্লামেশন প্রচেষ্টাগুলোর মধ্যে অন্যতম। আমেরিকান গৃহযুদ্ধ ও ফ্রাঙ্কো-প্রুশীয় যুদ্ধের নৃশংসতার বিরুদ্ধে ১৮৭০ সালে রচিত হোই-এর মা দিবসের ঘাষণাপত্রটি ছিল একটি শান্তিকামী প্রতিক্রিয়া। রাজনৈতিক স্তরে সমাজকে গঠন করার ক্ষেত্রে নারীর একটি দায়িত্ব আছে, হোই-এর এই নারীবাদী বিশ্বাস ঘোষণাপত্রটির মধ্যে নিহিত ছিল। ১৯১২ সালে আনা জার্ভিস স্থাপন করেন মাদারস ডে ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোশিয়েশন (আন্তর্জাতিক মা দিবস সমিতি) এবং মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার মা দিবস-এর বহুল প্রচার করেন। পরে মা দিবসটি সর্বজনীন করে তোলার লক্ষ্যে এগিয়ে আসেন জুলিয়া ওয়ার্ড নামের এক আমেরিকান। ১৯১৪ সালে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন দিবসটিকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেন। এরপর মা দিবস পালনের রেওয়াজ ছড়িয়ে পড়ে পৃথিবীর সব দেশে।

জাতীয় পাতার আরো খবর