মঙ্গলবার, আগস্ট ২০, ২০১৯
প্রধানমন্ত্রীকে বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি ও ব্যবসায়ীর শুভেচ্ছা
অনলাইন ডেস্ক: সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিপুল জয়ের সাথে ৭০ ও ৭৩ সালের নির্বাচনের তুলনা করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, এবার মানুষের মধ্যে ভোট দেওয়ার প্রবল আকাঙ্খা ছিলে। বুধবার (২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় গণভবনে ব্যবসায়ী, ব্যাংকারসহ বিভিন্ন সংগঠন সংস্থার প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানাতে এলে তাদের একথা বলেন তিনি। একটি সময় একটি সুন্দর দেশ গঠনে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। টানা তৃতীয়বার নির্বাচনে জিতে সরকার গঠন করতে যাওয়া আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানাতে ভোটের পরদিন থেকেই গণভবনে যাচ্ছেন বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ। বুধবার সন্ধ্যায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান, দেশের ব্যবসায়ী, ব্যাংকারসহ বিভিন্ন সংগঠন ও সংস্থার প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন স্তরের মানুষ। শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় প্রধানমন্ত্রী সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন। নির্বাচনে নৌকা মার্কাকে নিরঙ্কুশ সমর্থন দেয়ায় সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। বলেছেন, দেশের মানুষের আস্থার প্রতিদান দেবেন তিনি। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন। একটাই লক্ষ আমার সামনে, নিজের জন্য কিছুই চাওয়ার নাই। বাংলাদেশের মানুষের ঘর হবে, তাদের ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া শিখবে তারা রোগের চিকিৎসা পাবে, তারা পেট ভরে খাবার খাবে, তাঁরা খাদ্য নিবাপত্তা পুষ্টি সবই পাবে। তাদের জীবনটা উন্নত হবে। সুন্দর হবে এটাই আমার চাওয়া। এর আগে, বুধবার (২ ডিসেম্বর) সকালে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান সাবেক সামরিক বেসামরিক কর্মকর্তা, উর্ধ্বতন সাবেক আমলা, রাজনীতিক ও স্কাউট শিক্ষার্থীরা। সবার সহযোগিতায় মাদক-দুর্নীতিমুক্ত অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা আরো বলেন, বাংলাদেশ হবে একটা উন্নত সমৃদ্ধ দেশ বিশ্বে আমরা মাথা উচু করে চলবো। যে দায়িত্ব পেলাম সকলের সহযোগিতা কামনা করি। দেশটাকে যেন অরো সুন্দরভাবে গড়তে পারি। বিজয়ের মাসে আমাদের বিজয় আমরা অর্জন করতে পেরেছি। তিনি আরো বলেন, অসম্প্রদায়ীক চেতনার বাংলাদেশ হবে। কোন যুদ্ধাপরাধী, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, মাদক, দুর্নীতিবাজদের এদেশে কোন স্থান হবেনা। বাংলাদেশ একটা উন্নত সমৃদ্ধ সোনার বাংলা হবে। বিশ্বে আমরা মাথা উচু করে দাঁড়াবো। টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করতে যাওয়া তাকে শুভেচ্ছা জানানোয় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে একটি সুন্দর দেশ গঠনে আবারো সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ আজ
অনলাইন ডেস্ক: সদ্য সমাপ্ত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এখন অপেক্ষা শুধু সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের। সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শেরেবাংলা নগরের সংসদ ভবনের পূর্ব ব্লকের প্রথম লেভেলের শপথকক্ষে এই শপথ অনুষ্ঠিত হবে। সংবিধান অনুযায়ী দশম জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন বলে বার্তা সংস্থা বাসসের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে নির্বাচন কমিশন থেকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ফল গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়। গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৮টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৫৯টি, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি ২০টি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি পাঁচটি, ওয়ার্কার্স পার্টি তিনটি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল দুটি, বিকল্পধারা বাংলাদেশ দুটি, গণফোরাম দুটি, জাতীয় পার্টি জেপি একটি এবং তরীকত ফেডারেশন একটি আসনে বিজয়ী হয়েছে। এ ছাড়া নির্বাচনে তিনজন স্বতন্ত্র সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এদিকে, একজন প্রার্থীর মৃত্যুতে গাইবান্ধা-৩ আসনের ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়। এ ছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের তিনটি কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ স্থগিত করায় ফলও স্থগিত করা হয়েছে।
৯০ দিনের মধ্যে শপথ না নিলে পদ শূন্য
অনলাইন ডেস্ক: সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরুর ৯০ দিনের মধ্যে কোনো বিএনপির নির্বাচিত সদস্য শপথ না নিলে সেই আসন শূন্য হবে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি। বিএনপির নির্বাচিত এমপিরা শপথ না নিলে আইনি প্রক্রিয়া কী হবে- জানতে চাইলে হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নেবেন। এরপর ৩০ দিনের মধ্যে নতুন সংসদের অধিবেশন বসবে। তার ৯০ দিনের মধ্যে যদি কেউ শপথ না নেন বা কোনো প্রকাশ রেসপন্স না করেন, তখন সংসদ সচিবালয় থেকেই এই পদটি শূন্য ঘোষণা করা হবে। প্রসঙ্গত, গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ (নৌকা) ২৫৯, জাতীয় পার্টি (লাঙ্গল) ২০, বিএনপি (ধানের শীষ) ৫, গণফোরাম ২, বিকল্পধারা বাংলাদেশ ২, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) ২, বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি ৩, তরিকত ফেডারেশন ১, জাতীয় পার্টি (জেপি) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৩টি আসনে জয় লাভ করেছেন।
নিরঙ্কুশ জয় লাভ করায় শেখ হাসিনাকে সোনিয়া গান্ধীর অভিনন্দন
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ জয় লাভ করায় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের কংগ্রেস পার্লামেন্টারি পার্টির চেয়ারপারসন সোনিয়া গান্ধী। খবর ইউএনবির প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহ্সানুল করিম জানান, আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ জয় লাভ করায় সোনিয়া গান্ধী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বুধবার এক অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন। সোনিয়া গান্ধী অভিনন্দন বার্তায় প্রধানমন্ত্রীর সাফল্য কামনা করেন এবং বাংলাদেশের জনগণের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।
নতুন এমপিদের গেজেট প্রকাশ, শপথ বৃহস্পতিবার
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ২৯৮ প্রার্থীর গেজেট প্রকাশ হয়েছে। নির্বাচনের একদিন পরই মঙ্গলবার এই গেজেটে সই করেছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। আজ বুধবার সকালে ইসির যুগ্ম সচিব এস এম আসাদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ইসি সচিবের সই করা ২৯৮ নির্বাচিত প্রার্থীর গেজেট ছাপানোর কাজ চলছে সরকারি মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান বিজি প্রেসে। রাতের মধ্যেই গেজেট ছাপানোর কাজ শেষ হবে। গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে নবনির্বাচিতদের শপথ নেওয়ার বিধান থাকলেও কাল বৃহস্পতিবার শপথ অনুষ্ঠিত হবে বলে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু জানিয়েছেন। এর আগে, ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ২৯৯ আসনে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে তিনটি ভোটকেন্দ্রের ফল স্থগিত করায় ওই আসনের ফল স্থগিত রেখে বাকি ২৯৮ আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয় নির্বাচন কমিশন থেকে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার স্থগিত তিন কেন্দ্রে আগামী ৯ জানুয়ারি পুনঃভোট হওয়ার পর ওই আসনে বিজয়ীর নাম জানা যাবে। এর আগে, ইসির যুগ্মসচিব ফরহাদ আহম্মদ খান বলেছিলেন, নির্বাচিতদের গেজেট প্রকাশের সব প্রস্তুতি চলছে। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। গেজেট প্রকাশের পর শপথের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্পিকারের কাছে তা পাঠাবে ইসি সচিবালয়। বিধি অনুযায়ী, সংসদ নির্বাচনের ফল গেজেট আকারে প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে শপথের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এরপর ৩০ দিনের মধ্যে অধিবেশন ডাকতে হবে। তবে, ভোটের কত দিন পর গেজেট হবে, সে বিষয়ে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। সংবিধান অনুযায়ী, সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরুর ৯০ দিনের মধ্যে স্পিকারকে অবহিত না করলে বা শপথ না নিলে সদস্য পদ খারিজ হবে। আলোকিত বাংলাদেশ
শেখ হাসিনাকে সৌদি বাদশাহ ও যুবরাজের অভিনন্দন
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ জয় লাভ করায় সৌদি আরবের বাদশাহ ও পবিত্র দুই মসজিদের রক্ষক সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সউদ আজ প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহ্সানুল করিম জানান, সৌদি বাদশাহ রোববার অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ জয়লাভ করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আজ এক অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন। সৌদি বাদশাহ্ বার্তায় প্রধানমন্ত্রীর সাফল্য কামনা করেন এবং বাংলাদেশের জনগনের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। প্রেস সচিব আরও জানান, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সউদ অপর এক বার্তায় দলের নিরঙ্কুশ বিজয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানান।-বাসস
মন্ত্রিসভায় থাকছে চমক
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৮টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৫৯টি আসনসহ মহাজোটগতভাবে ২৮৮ আসনে বিজয়ী হয়ে টানা তৃতীয় বারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগের এ নিরঙ্কুশ জয়ে ৫৪ ও ৭০ এর নির্বাচনের প্রতিফলন দেখছেন আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা। এরই মধ্যে প্রতিবেশী দুই পরাশক্তি ভারত, চীনসহ শ্রীলঙ্কা, সৌদি আরব এবং বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। সব অনিশ্চয়তা ও শঙ্কা দূর করে সব দলের অংশগ্রহণে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্পন্ন করার পর এবার দ্রুত সরকার গঠনের কথা ভাবছে আওয়ামী লীগের হাই কমান্ড। কালক্ষেপণ না করে দ্রুত সরকার গঠন করে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস জাঁকজমকভাবে করার মধ্য দিয়ে বিজয় উৎসব করতে চান আওয়ামী লীগের শীর্ষ মহল। এজন্য বৃহস্পতিবার এমপিদের শপথ অনুষ্ঠান শেষ করার পর ৬ জানুয়ারি (রোববার) মন্ত্রিদের শপথের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিতকা সম্পন্ন করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে। এরই মধ্যে সরকারের দুই মন্ত্রী সরকার গঠন ও শপথ নিয়ে কথা বলেছেন। কাল বৃহস্পতিবার নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ অনুষ্ঠান ও ১০ জানুয়ারির মধ্যে সরকার গঠনের কথা জানিয়েছেন তারা। এদিকে আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল একটি সূত্রে জানা গেছে, রোববার মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেওয়ার মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে টানা তৃতীয় বারের মতো সরকার গঠন করবে মহাজোট। সূত্রটি আরও জানায়, এবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যে মন্ত্রিসভা গঠন হবে। তাতে কিছুটা চমক থাকবে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার মতোই। মূলত বয়স্ক ও বিতর্কিতদের বিষয়ে নতুন করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে এবার। তবে, যেসব মন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়ের অধীনে বৃহৎ বা মেগা প্রজেক্ট চলমান রয়েছে তাদের পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম বলেও দাবি করেন সূত্রটি। অপর একটি সূত্র দাবি করেছেন, ২০১৪ সালের মন্ত্রিসভায় যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তারা বাদ পড়তে পারেন নতুন মন্ত্রিসভা থেকে। এবারের মন্ত্রিসভায় তারুণ্যের প্রাধান্য থাকবে। দলের ক্লিন ইমেজের নেতাদের দিয়ে নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ে হতে পারে নতুন মন্ত্রিসভা। এবারের মন্ত্রিসভাতেও টেকনোকেট কোটায় মন্ত্রী করা হবে বলেও দাবি করে সূত্রটি। ২০১৮ সালের নির্বাচনে অংশ না নেওয়ায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের পরিবর্তে কাকে অর্থমন্ত্রী করা হবে, তা নিয়ে বেশ আলোচনা শুরু হয়েছে। আওয়ামী লীগের নতুন মন্ত্রিসভায় কারা থাকছেন, সেই আলোচনায় মুহিতের নামও আসছে। সংসদে না থাকলেও মুহিতকে আরও কিছুদিন অর্থমন্ত্রীর দায়িত্বে দেখা যেতে পারে বলে গুঞ্জন চলছে দুই দিন ধরে। এ প্রসঙ্গে আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, সেটা ঠিক। আমাদের সরকার পর পর দুই মেয়াদে ক্ষমতায় থাকার কারণে যে ধারাবাহিকতার সৃষ্টি হয়েছিল; সেজন্যই এ উন্নয়ন হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে অবিশ্বাস্য উন্নয়ন হবে বলে আমি মনে করি। তিনি বলেন, সেই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী যদি আমাকে অনুরোধ করেন অর্থমন্ত্রী থাকতে, তাহলে তো আমি না করতে পারব না। সেক্ষেত্রে আরও কিছুদিন আমি দায়িত্ব পালন করে যাব। এদিকে এমপিদের শপথ ও নতুন মন্ত্রিসভা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের অন্যতম প্রেসিডিয়াম সদস্য কর্নেল (অব.) ফারুক খান আলোকিত বাংলাদেশকে বলেন, বৃহস্পতিবার নবনির্বাচিত এমপিরা শপথ নেবেন। আর ৫ কিংবা ৬ জানুয়ারি মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা শপথ নেবেন বলে শুনেছি। জনগণ উন্নয়নের পক্ষে শান্তির পক্ষে নিজেদের জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করেছেন। এর মধ্যে থেকেই মন্ত্রিসভার সদস্য নির্বাচিত করবেন আমাদের নেত্রী। বরাবরের মতো এবারের মন্ত্রী সভাতেও নতুন মুখ থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, নতুন পুরানোর সমন্বয় ঘটিয়ে একটি ভালো মন্ত্রিসভা গঠন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এদিকে আওয়ামী লীগের উচ্চপর্যায়ের একটি সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন আনা হবে- এটা নিয়ে সন্দেহ নেই। তবে পরিবর্তনের ব্যাপ্তি কেমন হবে- সেটা এখনও বোঝা যাচ্ছে না। ২০০৮ সালের নির্বাচনের বিপুল বিজয়ের পর সরকার গঠনে শেখ হাসিনা সবাইকে চমকে দেন। ওই সময় আওয়ামী লীগের হেভি ওয়েট নেতাদের বাদ দিয়ে নতুনদের প্রধান্য দিয়ে মন্ত্রিসভা গঠন করে চমক সৃষ্টি করেন শেখ হাসিনা। ১৯৯৬ সালের আওয়ামী লীগ সরকারের বেগম মতিয়া চৌধুরী, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ছাড়া কেউই ২০০৮ সালের মন্ত্রিসভায় সুযোগ পাননি। আবার ২০১৩ সালে এসে নির্বাচনকালীন মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদের মতো আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতাদের মন্ত্রিসভায় ফিরিয়ে আনেন। আর শরিকদের মধ্য থেকে আনেন রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনুর মতো বড় নেতাদের। আবার ২০১৪ সালের মন্ত্রিসভায় তিনি ২০০৮ সালের অধিকাংশ মন্ত্রীদের বাদ দেন। কর্নেল (অব.) ফারুক খান, ড. দীপু মনি, হাসান মাহমুদ, ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ, জাহাঙ্গীর কবির নানক বাদ পড়েন মন্ত্রিসভা থেকে। গেল মেয়াদে এদের বারবার মন্ত্রিসভায় ফিরিয়ে আনার গুঞ্জন শোনা গেলেও পাঁচ বছরে মন্ত্রিসভায় বড় রদবদল হয়নি খুব একটা। এদিকে ১০ জানুয়ারির মধ্যেই সরকার গঠন হতে পারে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, আজ-কালের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট হতে পারে। গেজেট হওয়ার পর এমপিদের শপথ হবে। তারপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করবেন। রাষ্ট্রপতি তাকে বিজয়ী দলের প্রধান হিসেবে সরকার গঠনের আহ্বান জানাবেন। আমার মনে হয়, এমপিদের শপথ, মন্ত্রীদের শপথ এবং সরকার গঠনসহ সব আনুষ্ঠানিকতা ১০ জানুয়ারির মধ্যেই সম্পন্ন হবে। তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার শপথ নেবেন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। বুধবার গেজেট প্রকাশ হবে। তিনি বলেন, মহাজোট বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছে। এটি নিশ্চিত যে, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আগামী সরকার গঠিত হতে যাচ্ছে। মহাজোট মানুষের জোট। শয়তান বা ফেরেস্তার জোট নয়। তাই চলার পথে যদি কোনো ভুল হয়ে থাকে তবে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিপুল বিজয়ে কাতারের আমীরের অভিনন্দন
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ব্যাপক বিজয় অর্জনের জন্য দেশের প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন কাতারের আমীর শেখ তামীম বিন হামাদ আল থানি। খবর বাসস’র প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বলেন, রোববার অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে বার্তা পাঠিয়েছেন কাতারের আমীর। তিনি বলেন, বার্তায় কাতারের আমীর বাংলাদেশের অব্যাহত শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাফল্য কামনা করেন।
দুর্নীতি বন্ধে গুরুত্ব দিতে হবে নতুন সরকারকে: অর্থমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, দেশের উন্নয়নধারা অব্যাহত রাখতে নতুন সরকারকে দুর্নীতি বন্ধে বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে। তিনি মঙ্গলবার তার সচিবালয়ের কার্যালয়ে নববর্ষ ২০১৯-এর শুভেচ্ছা বিনিময়কালে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, নতুন সরকারকে দুর্নীতি দমনের মাধ্যমে সব ক্ষেত্রে সুশাসন নিশ্চিত করতে কাজ করতে হবে। আর্থিক খাতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্ব দিতে হবে। মুহিত বলেন, অতীতের মতো আওয়ামী লীগ সরকারকে দারিদ্র্য বিমোচনে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। বিগত ১০ বছরে দারিদ্র্য বিমোচনে আমরা উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধন করেছি। আমরা নতুন মেয়াদে দেশকে দারিদ্র্যমুক্ত করতে চাই। অর্থমন্ত্রী এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, প্রধানমন্ত্রী নতুন মন্ত্রিসভায় যোগ দিতে আহবান জানালে তিনি সাড়া দিবেন। কেননা তিনি সবসময় প্রধানমন্ত্রীকে মান্য করে চলেন। তিনি বলেন, একাদশ সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। জনগণ শেখ হাসিনার পক্ষে ভোট দিয়েছে। তারা জানে শেখ হাসিনা ছাড়া দেশের উন্নয়ন হবে না।

জাতীয় পাতার আরো খবর