২০১৭ সালের চেয়ে ২০১৮ সালে সড়ক দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা কমেছে: নিসচা
২৯ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ২০১৮ সালে মোট তিন হাজার ১০৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন চার হাজার ৪৩৯ জন। আহত হয়েছেন সাত হাজার ৪২৫ জন ব্যক্তি। নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) সংগঠনের বার্ষিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে এ তথ্য জানান নিসচার চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন। একই সঙ্গে ইলিয়াস কাঞ্চন জানান, ২০১৭ সালের চেয়ে ২০১৮ সালে সড়ক দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা কমেছে। মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে ২১ দশমিক ৩৬ শতাংশ ও আহতের সংখ্যা কমেছে ৬ দশমিক ৫১ শতাংশ। গাড়িচাপা, মুখোমুখি সংঘর্ষ এবং উল্টো পথে গাড়ি চালানোর কারণে সড়ক দুর্ঘটনা সবচেয়ে বেশি হয়েছে। আর এসব দুর্ঘটনায় বেশি মারা গেছে মোটরসাইকেল চালক। বাস, ট্রাক ও মোটরসাইকেলের কারণে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম ও গাজীপুরে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে উল্লেখ করে সড়ক দুর্ঘটনা রোধে করণীয় বেশকিছু সুপারিশ তুলে ধরেন ইলিয়াস কাঞ্চন। সড়ক দুর্ঘটনায় অভিযুক্তদের বিচার না হওয়ার কারণ তুলে ধরে চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘বিচার হচ্ছে না। কারণ, সরকার পরিবহন সেক্টরের লোকজনদের, সংগঠনকে, নেতাদের খুবই ভয় পায়। এই ভয় পাওয়ার জন্য তাঁরা সেভাবে ব্যবস্থা নেন না। এখন অন্তত এই সড়কের মড়ক থেকে এ দেশের মানুষকে বাঁচানোর জন্য যুদ্ধ ঘোষণা করা উচিত। আমাদের যে সাজেশন আছে, সেগুলো যদি বাস্তবায়ন করা যায়, অবশ্যই আমরা জিরো টলারেন্সের মধ্যে আসতে পারব।
মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণ করুন : রাষ্ট্রপতি
২৯ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। তিনি বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী একটি চক্র সুযোগ পেলেই মুক্তিযু্দ্ধের ইতিহাস বিকৃত করতে উঠেপড়ে লাগে। অতীতেও এ চক্রটি আমাদের মুক্তিসংগ্রাম ও মহান মুক্তিযু্দ্ধের ইতিহাসকে বার বার বদলাবার অপচেষ্টা করেছে। সাময়িকভাবে তাদের চেষ্টা সফল হলেও চূড়ান্তভাবে তারা পরাস্ত হয়। ইতিহাস তার নিজস্ব গতিতে চলে। কেউ তা বদলাতে পারে না। বরং যারা এ অপচেষ্টা করে তারাই ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়, যোগ করেন তিনি। সোমবার বঙ্গভবনে একটি বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন। মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হামিদ বলেন, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যাতে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে পারে তা নিশ্চিত করা আমাদের সকলের পবিত্র দায়িত্ব ও কর্তব্য। রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মো. সরোয়ার হোসেন রচিত ১৯৭১: প্রতিরোধ সংগ্রাম বিজয় বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেন, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণাকর্ম। এতে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে গবেষণার অনেক উপকরণ রয়েছে। বইটি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্বলিত একটি ঐতিহাসিক দলিল। বইটিতে মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষিত ও পটভূমি, সামরিক অবস্থান, প্রাথমিক প্রতিরোধ, মুক্তিযুদ্ধকালীন সেক্টর কমান্ডার ও সেক্টর সমূহের বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়া নিয়মিত বাহিনীর পাশাপাশি অনিয়মিত বিভিন্ন বাহিনীর কর্মকাণ্ড, মুক্তিযুদ্ধে তাদের অবদান, রণকৌশল, সাফল্য, গণমাধ্যমের ভূমিকা ইত্যাদি বিষয়গুলোও বিশদভাবে স্থান পেয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের কৌশলগত বিভিন্ন দিক এবং প্রচলিত যুদ্ধের পাশাপাশি অপ্রচলিত ও গেরিলা যুদ্ধের বিষয়টিও গুরুত্বের সাথে উপস্থাপন করা হয়েছে,যোগ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, মুক্তিসংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অনেক লেখালেখি হলেও গবেষণাধর্মী বইয়ের সংখ্যা খুব একটা বেশি না। রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, লেখক, গবেষক, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবীরা মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিসংগ্রাম নিয়ে গবেষণা চালাবেন। এতে ভবিষ্যত মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে পারবে, নিজেদেরকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সমৃদ্ধ করতে পারবে। দেশ ও জাতি উপকৃত হবে। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সর্বত্র ছড়িয়ে পড়বে।-ইউএনবি
দুর্নীতিতে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩তম
২৯ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্বের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩তম। আগের বছর ছিল ১৭তম। ২০১৬ সালেও বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৩তম। তার পরের বছর বাংলাদেশ শীর্ষ দুর্নীতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে ১৫তম অবস্থানে ছিল। বার্লিনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের (টিআই) প্রকাশ করা বিশ্বজুড়ে দুর্নীতির ধারণাসূচক (সিপিআই) ২০১৮-এর প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। মঙ্গলবার ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারের নিজ কার্যালয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের (টিআই) এই প্রতিবেদন তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলন করে বাংলাদেশ চ্যাপ্টার টিআইবি। প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৮০টি দেশের মধ্যে সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত (নিম্নক্রম) দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৩তম। দেশটির স্কোর ২৬। গতবছর ২৮ স্কোর করে এই অবস্থান ছিল ১৭। বাংলাদেশ ২০১৬ সালে ১৫তম হলেও তার আগের বছর, ২০১৫ সালে ছিল ১৩তম অবস্থানে। এর আগে ২০০১ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত টানা পাঁচবার বাংলাদেশ দুর্নীতিতে সেরা অবস্থানের কলঙ্ক মাথায় নিয়েছিল। দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের চেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ কেবল আফগানিস্তান। দেশটির স্কোর ১৬। এবারের সূচকে দুর্নীতিতে সেরা সোমালিয়া। দেশটির স্কোর ১০। এরপর রয়েছে সিরিয়া (স্কোর ১৩) ও দক্ষিণ সুদান (স্কোর ১৩)। দুর্নীতির ধারণা সূচকে সবচেয়ে ভাল অবস্থানে রয়েছে ডেনমার্ক ও নিউজিল্যান্ড। দেশ দুটির স্কোর যথাক্রমে ৮৮ ও ৮৭।
লেখাপড়ায় মনোযোগী হতে শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান
২৯ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: লেখাপড়ায় আরো মনোযোগী হতে শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম। মঙ্গলবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে কেরানীগঞ্জের ইটাভাড়ায় কবি নজরুল উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এ আহ্বান জানান তিনি। জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে মনোজ্ঞ ডিসপ্লে উপভোগ করেন অতিথিরা। পরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বঙ্গবন্ধুকে ভালোভাবে জেনে তার আদর্শ ধারণ করে এগিয়ে যেতে শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান। এসময় কামরুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশকে উন্নত দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন পূরণে প্রত্যেকে আমাদের সাথে থাকবে। তোমাদেরকে নিয়েই আমরা স্বপ্ন পূরণের দিকে যেতে চাই। তোমরা লেখাপড়ার সকল ক্ষেত্রে করো সেটাই দেখতে চাই।
ইট বোঝাই ট্রাক উল্টে আগুলিয়ায় নিহত ২
২৯ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আশুলিয়ায় ইট বোঝাই একটি ট্রাক উল্টে নদীতে পড়ে ২ জন নিহত হয়েছেন। নিখোঁজ হয়েছেন আরো একজন। উদ্ধারে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট। ফায়ার সার্ভিস জানায়, মঙ্গলবার (২৯ ডিসেম্বর) ভোরে মরাগাঙ্গ এলাকার একটি ব্রিক ফিল্ড থেকে ইট বোঝাই করে ট্রাকটি যাওয়ার পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের তুরাগ নদে পড়ে যায়। এতে ট্রাকে থাকা শ্রমিক, চালক ও হেলপারসহ ৩ জন তুরাগে ডুবে যায়। খবর পেয়ে উত্তরা ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিট এবং টঙ্গি ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিটের ডুবুরি দলের সদস্য উদ্ধার কাজ শুরু করেন। পরে ঘটনাস্থল থেকে ২ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়। ট্রাকটি শনাক্ত করা হলেও এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
আগামীকাল শুরু হচ্ছে একাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন
২৯ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: একাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হচ্ছে যাচ্ছে বুধবার (৩০ জানুয়ারি) থেকে । বড় বিজয়ের পর এ সংসদের মাধ্যমে উন্নয়নের পাশাপাশি সুশাসন নিশ্চিত করতে চায় সরকারি দল। প্রথম অধিবেশনেই সংসদীয় কমিটি গঠিত হবে জানিয়ে ক্ষমতাসীনরা বলছে, গঠনমূলক বিরোধিতার সুযোগ সৃষ্টি করতে এসব কমিটিতেও রাখা হবে বিরোধী পক্ষের সদস্যদের। এদিকে জাতীয় পার্টি বলছে, সংসদে কার্যকর বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করে হারানো ভাবমূর্তি ফিরিয়ে আনতে চায় তারা। ২০১৪ তে বিরোধীপক্ষ বিহীন নির্বাচনের পর দশম সংসদের ২৩টি অধিবেশনে পাস হয়েছিলো দেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১৯৩টি বিল। ঐ সংসদেই সংবিধান সংশোধন হয়েছে দুবার। পাস হয়েছে বিচারপতি অপসারণে ষোড়শ সংশোধনী, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, সড়ক আইনসহ আলোচিত আইনগুলো। সদ্য সমাপ্ত একাদশ জাতীয় নির্বাচনে ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবার পর টানা ৩য় বার সরকার গঠন করা আওয়ামী লীগ একাদশ সংসদের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত সুশাসন নিশ্চিত করতে চায়। কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, মানুষ চায় উন্নয়নের পাশাপাশি দেশে সুশাসন হবে। মানুষের আশা আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন হবে জাতীয় সংসদের মাধ্যমে। সরকারের এ নীতিনির্ধারক আরও জানান, সংসদের কার্যক্রমকে জবাবদিহিতার মধ্যে আনতে প্রথম অধিবেশনেই গঠন করা হবে সংসদীয় কমিটিগুলো। কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক আরো বলেন, 'বিরোধীদল যত ছোটই হোক না কেন তাদের কেউ সংসদে দাড়িয়ে কোন ন্যায়সঙ্গত কথা বললে আমরা সে কথাকে অবশ্যই গুরুত্ব দেব। দশম জাতীয় সংসদে একই সাথে সরকারের মন্ত্রীসভা এবং বিরোধীদলীয় দায়িত্ব পালন করেছে জাতীয় পার্টি। একাদশ জাতীয় সংসদের শুরু থেকেই সরকারের অংশ না হবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি। জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, 'মন্ত্রিত্বে থেকে বিরোধীদলীয় দায়িত্ব পালন করলে তা আমাদের দেশের মানুষ বিশ্বাস করতে চায় না। বিশ্লেষকরা মনে করেন সংসদের প্রাণবন্ত হওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ নির্ভর করছে দুই পক্ষের রাজনৈতিক সদিচ্ছার উপর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বলেন, 'জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগেরই অংশ ছিল। এভাবে বিরোধীদল গঠন করাটা মানানসই নয়। সংসদ প্রাণবন্ত হবার জন্য শুধুমাত্র দাড়িয়ে কথা বললেই হবে না, কথায় সারবত্তা থাকতে হবে। গণতন্ত্রের স্বার্থে সব পক্ষকে সংসদে যাবার আহ্বান জানান এই রাজনৈতিক বিশ্লেষক।
ভোগান্তিতে সেবাগ্রহীতারা,আবারও বন্ধ এনআইডি সেবা
২৯ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সার্ভারে সমস্যা দেখা দেওয়ায় নির্বাচন কমিশনের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সেবা কার্যক্রম আবারও বন্ধ হয়ে গেছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরে এ নিয়ে দ্বিতীয় দফায় বন্ধ হলো এই কার্যক্রম। গত রোববার থেকে দ্বিতীয় দফায় এনআইডি সেবা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। এর আগে সার্ভার ডাউন হয়ে যাওয়ার কারণে ১০ থেকে ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত টানা ১২ দিন বন্ধ ছিল এনআইডি সেবা কার্যক্রম। তবে এ বিষয়ে কোনো নোটিশ না পাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে সেবা নিতে আসা সবাইকে। সোমবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন অফিসে গিয়ে দেখা যায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে সেবা নিতে আসা লোকজনের ভিড়। কিন্তু সার্ভার সমস্যার কারণে ফিঙ্গার প্রিন্ট দেওয়া, কার্ড হারানো কিংবা সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম করতে পারছেন না। তাঁরা জানেন না সার্ভারের সমস্যার কথা। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে সেবাগ্রহীতাদের। এদিকে কবে থেকে এই সেবা পুনরায় চালু হবে, তাও জানানো হচ্ছে না তাঁদের। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকে। ঢাকার উত্তরা থেকে রফিকুল ইসলাম এসেছিলেন জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করতে। তিনি বলেন, রোববার এসেছিলাম এখানে। কাজ হয়নি বলে সোমবার এসেছি। এখানকার লোকজন বলছে, সার্ভারে সমস্যা। এই রকম একটি অতি প্রয়োজনীয় জিনিস সার্ভারে সমস্যা বলে কাটানো অপরাধ। আবদুল করিম একজন স্কুলশিক্ষক। কয়েক মাস ঘোরাঘুরি করেও নারায়ণগঞ্জের জেলা নির্বাচন অফিস থেকে জাতীয় পরিচয়পত্রের নামের বানান ঠিক করতে পারেননি তিনি। জমি রেজিস্ট্রি-সংক্রান্ত ঝামেলা থাকায় কোনো উপায় না পেয়ে তিনি এসেছেন ঢাকার নির্বাচন কমিশনে। এসে শোনেন, ইন্টারনেটে ঝামেলা। তিনি বলেন, এত কষ্ট করে এলাম। এসে এই কথা শুনলাম। কষ্টও কোনো বিষয় না। এই নামের বানান ঠিক করতে না পারলে জমি রেজিস্ট্রি করতে পারছি না। কী যে মুশকিলে পড়লাম। এর পরে কবে ঠিক করতে পারব, তাও এখানকার লোকজন বলতে পারছে না। এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনু বিভাগের মহাপরিচালক মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, ইন্টারনেটের ব্যাপার, সার্ভারে সমস্যা হতেই পারে। তবে দ্রুতই সব সমস্যা কেটে যাবে এবং সেবা নিতে আসা লোকজন দ্রুতই সেবা পাবেন। সারা দেশে প্রতিদিন গড়ে প্রায় পাঁচ হাজারের মতো মানুষ এনআইডি সেবা নিয়ে থাকেন। সার্ভারে সমস্যা থাকায় তাঁদের সেবা পেতে সমস্যা হচ্ছে।
পাইলটকে একতরফা দায়ী করা হয়েছে নেপালের প্রতিবেদনে
২৮ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইউএস বাংলার বিমান দুর্ঘটনার বিষয়ে নেপালের তদন্ত প্রতিবেদনে কন্ট্রোল রুমের যথাযথ নির্দেশনা না দেয়ার বিষয়টি এড়িয়ে পাইলটকে একতরফাভাবে দায়ী করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন নেপাল তদন্ত কমিটির বাংলাদেশের সদস্য সালাউদ্দিন এম রহমাতুল্লাহ। বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশন কার্যালয়ে রোববার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে নেপালের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, প্রতিবেদনে বিমানটির কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল না বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। বেবিচকের চেয়ারম্যান এয়ারভাইস মার্শাল এম নাঈম হাসান বলেন, কন্ট্রোলার আরো বেশি একটিভ হতে পারতো। কমান্ড নিয়ে পাইলটকে গাইড করতে পারতো। তারা যে তদন্ত করেছে তা ভুল নয়, তবে আমরা আরও কিছু বিষয় যোগ করেছি সেগুলো নিয়ে পর্যবেক্ষণ দেয়া উচিত ছিল কিন্তু তারা সেগুলো দেয়নি। তদন্ত কমিশনের সদস্য সালাউদ্দিন এম রহমাতুল্লাহ বলেন,বিমানের কোনো ত্রুটি ছিল না, পাইলটের দক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন নেই। তবে, গাফিলতি ছিল কন্ট্রোল টাওয়ারের। তিনি বলেন, এটিসি সংক্রান্ত রিপোর্ট উনারা আমলে নেয়নি। আমাদের কিছু পর্যবেক্ষণ ছিল, তারা কিছুটা মেনেছেন কিছুটা মানেননি। বাংলাদেশের সুপারিশগুলো অন্তর্ভুক্ত করা না হলে প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল সংস্থা-আইকাওতে যাওয়া হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। ২০১৮ সালের ১২ মার্চ নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দরে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমান দুর্ঘটনায় ৭১ জনের মধ্যে বিমান ক্রুসহ ৫১ জন যাত্রী প্রাণ হারান। ওই দুর্ঘটনার পর ধুম্রজাল সৃষ্টি হয় দুর্ঘটনার কারণ নিয়ে। বাংলাদেশ ও নেপালের পক্ষ থেকে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য আসে। এরপর এপ্রিলে প্রাথমিক প্রতিবেদনেও দুর্ঘটনার জন্য পাইলটের ওপর দায় চাপায় নেপাল। যা প্রকাশিত হয় দেশটির একটি পত্রিকায়, যদিও সেসময় প্রতিবাদ করে বাংলাদেশ। দুর্ঘটনার প্রায় এক বছরের মাথায় চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদনেও দায়ী করা হয়েছে পাইলটের ভুলকে। তবে, প্রতিবেদন নিয়ে বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশনের অভিযোগ, ৫৩ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে করা সুপারিশ আমলে নেয়া হয়নি।
ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে ৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে: স্বাস্থ্য মন্ত্রী জাহিদ মালিক
২৮ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফেব্রুয়ারির ৯ তারিখের মধ্যে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কর্মসূচি পালন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রী জাহিদ মালিক। সোমবার (২৮ জানুয়ারি) ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জাপান ইস্ট-ওয়েস্ট হাসপাতালের একটি সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হাসপাতালে রোগীর সেবার ক্ষেত্রে ডাক্তার ও নার্সদের কোনো ছাড় দেয়া হবে না। বেসরকারি খাতের স্বাস্থ্যসেবাকে আরো উন্নত করতে হবে। তিনি আরো বলেন, চার্জ সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে রাখতে হবে। অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা দেয়া যাবে না বলেও জানিয়েছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রী।

জাতীয় পাতার আরো খবর