আগামীকাল বসছে পদ্মা সেতুর অষ্টম স্প্যান
১৯ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: এক মাসেরও কম সময়ের ব্যবধানে বুধবার (২০ ফেব্রুয়ারি) জাজিরা প্রান্তে বসছে স্বপ্নের পদ্মা সেতুর সপ্তম স্প্যান। ৩৫ ও ৩৬ নম্বর পিলারের মধ্যে বসবে এ স্প্যান। এটি বসানোর মধ্য দিয়ে নদীর দু প্রান্তে দৃশ্যমান হবে সেতুর ১২শ মিটার। এর আগে মাওয়া প্রান্তে ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি স্প্যান স্থাপন করা হয়েছে। ফলে, নতুন স্প্যানটি বসানো হলে পদ্মা সেতুতে মোট স্প্যানের সংখ্যা হবে আট। মঙ্গলবার সকালে নদীর মাওয়া প্রান্ত থেকে এ দুটি পিলারের দিকে রওয়ানা হয়েছে স্প্যানবাহী ক্রেনটি। কেটে গেছে নকশা জটিলতা, শুকনো মৌসুম বলে প্রমত্তা পদ্মায় নেই তীব্র স্রোতের দাপট। সময়টা অনুকূলে, আর সেটাকে কাজে লাগিয়ে নদী জুড়ে এখন চলছে কাজ। ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রথম স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে সেতু দৃশ্যমান করার কাজ শুরু হয়। গত বছরের জুনে ৫ম স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে শেষ হয় ৬ পিলারের একটি মডিউলের কাজ। তার পাশেই নতুন মডিউলের প্রথম আর জাজিরা প্রান্তে ৬ষ্ঠ স্প্যানটি বসানো হয় গত মাসের ২৩ তারিখ। এবার অপেক্ষা জাজিরা প্রন্তের সপ্তম স্প্যান বসানোর। মঙ্গলবার সকাল ৭টায় শুরু হয় মাওয়া ইয়ার্ড থেকে স্প্যানটি নির্ধারিত ৩৫ ও ৩৬ নম্বর পিলারের কাছে নিয়ে যাওয়ার কাজ। প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরের এ পিলারের কাছে নিয়ে যেতে পুরো একদিন সময় লাগে। তবে এবার স্প্যানবাহী ৩৬শ' মেট্রিক টন ওজন বহনে সক্ষম ক্রেনটি মাওয়া থেকে শুরুতে সর্বোচ্চ গতিবেগে নিয়ে যাওয়া হবে চাঁদপুরে দিকে ভাটিতে। এখন নদীতে স্রোত কম থাকায় বর্ষা মৌসুমে তীব্র স্রোতের বিপরীতে ক্রেনটি কতটা কাজ করতে সক্ষম হবে, সেটি পরীক্ষা করতেই এটিকে ভাটির দিকে ৭ কিলোমিটার পথ ঘুরিয়ে নির্ধারিত পিলারের কাছে নেয়া হবে। পদ্মা সেতুর প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম জানান, মাওয়া থেকে স্প্যানটি ৩ হাজার ৬০০ ট‌ন ক্ষমতাসম্পন্ন একটি ক্রেনে তুলে জাজিরা প্রান্তে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আগামীকাল (বুধবার) সকালে পিলারের ওপর এটি তোলা হবে। নদীর জাজিরা প্রান্তে আগের ৩৬ নম্বর পিলার থেকে এগিয়ে মাওয়া প্রান্তের দিকে ৩৫ নম্বর পিলারের মধ্যে যোগ হবে নতুন স্প্যানটি। এছাড়া ৩৪ নম্বর পিলারও শতভাগ প্রস্তুত করে তোলায় কিছুদিনের মধ্যে আরও একটি স্প্যান বসানো সম্ভব হবে।
স্বাস্থ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা দরকার
১৫ ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সারা বিশ্বের বর্তমান স্বাস্থ্যব্যবস্থার আরও আধুনিকায়ন ও রূপান্তর প্রয়োজন মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে অঙ্গীকারের পাশাপশি নিবিড় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা দরকার। শুক্রবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিস অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ এবং ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন (ডব্লিউএইচও) আয়োজিত হেলথ ইন ক্রাইসিস- ডব্লিউএইচও কেয়ার্স শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইবোলা, কলেরা, যক্ষ্মার মতো সংক্রামক রোগের মহামারী থেকে বিশ্ব এখনও মুক্ত হতে পারেনি। এটা প্রমাণ করে যে, বিশ্বের বর্তমান স্বাস্থ্যব্যবস্থার আরও আধুনিকায়ন ও রূপান্তর প্রয়োজন। বাংলাদেশে শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার কমিয়ে আনা, টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়ন, এইচআইভি প্রতিরোধ, ম্যালেরিয়া, যক্ষ্মাসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগ প্রতিরোধে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা যেভাবে সহযোগিতা দিয়ে গেছে, সে কথা উল্লেখ করে সংস্থাটিকে ধন্যবাদ দেন প্রধানমন্ত্রী। সবার জন্য স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতে অসংখ্য চ্যালেঞ্জ রয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, এটা বিশ্ব সম্প্রদায়ের দায়িত্বেরই অংশ। বিশ্ব সংস্থা হিসেবে ডব্লিউএইচওকেই সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এ বিষয়ে নেতৃত্ব দিয়ে যেতে হবে। মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে যোগ দিতে বৃহস্পতিবার জার্মানিতে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। ছয় দিনের এই সফরে জার্মানির পর সংযুক্ত আরব আমিরাতে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। সফর শেষে ২০ ফেব্রুয়ারি তিনি ঢাকায় ফিরবেন।
উন্মুক্ত হচ্ছে শিল্প কারখানায় গ্যাসের সংযোগ
১৫ ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিল্প কারখানায় উন্মুক্ত করা হচ্ছে গ্যাসের সংযোগ। শিগগিরই বিষয়টি চূড়ান্ত হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী। এটি করা সম্ভব হলে, বিলুপ্ত হবে গ্যাস সংযোগ অনুমোদনের দায়িত্বে থাকা উচ্চতর কমিটি। নীতিমালার আলোকে আবেদন করলেই সপ্তাহের মধ্যেই শিল্প মালিকরা পাবেন গ্যাস সংযোগ। সরকারের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন, এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে বাড়তি গতি পাবে শিল্পখাত। গেলো বছরের শেষ দিকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি যুগে প্রবেশ করেছে দেশের জ্বালানি খাত। বর্তমানে দৈনিক প্রায় চার'শ পঞ্চাশ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হচ্ছে জাতীয় সঞ্চালন গ্রিডে। যদিও লক্ষ্যমাত্রা ছিলো এক হাজার ঘনফুট। দেশজ গ্যাসের উৎপাদন স্বল্পতায় গত দশ বছরে শিল্প প্রতিষ্ঠানে সংযোগ প্রদানে স্থিতাবস্থা রয়েছে। বিদেশ থেকে আমদানি করা এলএনজি'র ভরসায় শিল্পে গেলো ২-৩ বছর থেকে বন্ধ থাকা গ্যাস সংযোগের সুযোগ খুলছে ক্রমেই। তবে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কমিটির হাত ধরে সংযোগ পেতে অপেক্ষা করতে হয় বছরের পর বছর। ২০২১ সালের আগেই মধ্যম আয়ের অর্থনীতির কাতারে দেশকে নিয়ে যেতে ঘটাতে হবে শিল্পের প্রসার। আর তাই, এ খাতে গ্যাস সংযোগ সহজীকরণে সরকার মনোযোগি বলে জানালেন প্রতিমন্ত্রী। বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, ইন্ডাস্ট্রিতে এখন আর কোনো কমিটি নয়, সরাসরি আবেদন করলেই যত দ্রুত সম্ভব গ্যাস লাইন দেওয়া উচিত।শিল্পে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ করতে চায় সরকার, তাই এ ক্ষেত্রে মূল্য আরো বাড়বে বলেও জানান নসরুল হামিদ। এদিকে, সরকারের এ উদ্যোগে আশাবাদী দেশের ব্যবসায়ী মহল। তাদের দাবি, শিগগিরই কার্যকর করা উচিত নতুন গ্যাস সংযোগ নীতিমালা। বিজিএমই সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, 'কমিটি যত কমে আসবে কাজের অগ্রগতি তত বাড়বে। যতো দ্রুত সম্ভব, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাতে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ করতে চায় জ্বালানি বিভাগ।
প্রথমবারের মতো চার দিনের ইজতেমা শুরু আজ
১৫ ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: নানা সংকট-সংঘাতের পর অবশেষে আজ টঙ্গীর তুরাগ তীরে শুরু হয়েছে তাবলিগ জামাতের সর্ববৃহৎ সম্মিলন ইজতেমা। এবার এটি ৫৪তম আয়োজন। এবারই প্রথমবারের মতো চার দিনের ইজতেমা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তাবলিগের বিবদমান দুটি পক্ষ দুই দিন করে পৃথকভাবে ইজতেমা পরিচালনা করবে। ইজতেমায় অংশ নিতে দলে দলে মুসল্লিরা ময়দানে আসতে শুরু করেছেন। তুরাগ তীরে ঢল নেমেছে মুসল্লিদের। প্রথম দিনে আজ শুক্রবার দেশের সর্ববৃহৎ জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে ইজতেমা ময়দানে। আজ বাদ ফজর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে ইজতেমা। আগামীকাল শনিবার দুপুরের আগে আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে মাওলানা জোবায়ের পন্থীদের পরিচালনায় প্রথম পর্বের ইজতেমা। তারপর তারা ইজতেমা ময়দান বুঝিয়ে দেবেন দ্বিতীয় পক্ষ সাদপন্থীদের কাছে। তাদের পরিচালনায় ইজতেমা শুরু হবে রবিবার ভোরে। সোমবার আখেরি মোনাজাত শেষে এবারের ইজতেমার পরিসমাপ্তি হবে। সাদপন্থী ইজতেমার মালামাল বুঝিয়ে দেবেন প্রশাসনের কাছে। গতকাল ইজতেমা ময়দান ঘুরে দেখা গেছে, পুরো ময়দানকে ৫০টি খিত্তায় ভাগ করা হয়েছে। ৬৪টি জেলার মুসল্লিরা এ ৫০টি খিত্তায় অবস্থান নেবেন। এরই মধ্যে অনেক মুসল্লি ইজতেমায় অংশ নিতে বুধবার থেকেই তুরাগ তীরে জমায়েত হতে শুরু করেন। সারা দেশ থেকে ট্রেন, নৌকা, বাসসহ বিভিন্ন যানবাহনে মুসল্লিরা দলে দলে ইজতেমা মাঠে সমবেত হচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা রাস্তার মোড়ে মোড়ে অবস্থান নিয়েছেন। বিভিন্ন স্থানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন এবং ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণ করা হয়েছে। বিদেশি মুসল্লিদের জন্য নিরাপত্তাব্যবস্থাসহ তাদের থাকার জায়গাও সুন্দরভাবে তৈরি করা হয়েছে। ইজতেমার সার্বিক প্রস্তুতি সুষ্ঠু সুন্দরভাবেই সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন গাজীপুরের জেলা প্রশাসক দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর। ১৯৬৭ সাল থেকে গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ তীরে বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। মাঠে মুসল্লিদের স্থান সংকুলান না হওয়ায় ২০১১ সাল থেকে টঙ্গীতে দুই পর্বে বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম বছর যারা (৩২ জেলার মুসল্লি) টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমায় অংশ নিতেন তারা পরবর্তী পর্বে সেখানে যেতেন না। ২০১৫ সাল থেকে প্রতি বছর টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমার পাশাপাশি জেলায় জেলায় আঞ্চলিক ইজতেমা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। চলতি বছর ইজতেমার মুসল্লিদের দুটি পক্ষের সংঘর্ষ ও মতবিরোধের কারণে আলাদাভাবে চার দিনব্যাপী ইজতেমা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সরকারের মধ্যস্থতায় সমঝোতার পর ১০টি শর্তে দুই পক্ষ পৃথকভাবে দুই দিন করে ইজতেমা পরিচালনার সিদ্ধান্ত মেনে নেয়। আজ শুক্র ও কাল শনিবার দুদিন মাওলানা জোবায়েরপন্থীরা এবং রবি ও সোমবার দুদিন মাওলানা সাদপন্থীরা ইজতেমা পরিচালনা করবেন। আইনশৃঙ্খলা জোরদার: বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে টঙ্গীতে আইনশৃঙ্খলা জোরদার করা হয়েছে। পাঁচ সেক্টরে ভাগ করে ছয় স্তরের নিরাপত্তার লক্ষ্যে ইজতেমার ময়দানসহ আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ইজতেমা মাঠের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গতকাল থেকে প্রায় ৯ হাজার পুলিশসহ Rab সাদা পোশাকধারী বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। তবে গত বুধবার থেকেই ময়দানের প্রতিটি প্রবেশপথে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। নিরাপত্তা জোরদার করতে Rabর কমিউনিকেশন উইং ও পুলিশের পক্ষ থেকে ১৮টি প্রবেশপথসহ চারপাশের গুরুত্বপূর্ণস্থানে শতাধিক ক্লোজসার্কিট ক্যামেরা বসানো হয়েছে। এ ছাড়াও থাকছে মেটাল ডিটেক্টর, নাইটভিশন গগল্স, বাইনোকুলার, বোম্ব ডিসপোজাল টিম, ডগ স্কোয়াড, হেলিকপ্টার-নৌ টহল ও স্টাইকিং ফোর্স। Rabর ইন্টেলিজেন্সের সদস্যরা সন্ত্রাসী কর্মকা-সহ ইজতেমা মাঠে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটতে পারে সে ব্যাপারে কড়া নজরদারি রাখবেন। প্রতিটি খিত্তায় বিশেষ টুপি পরিহিত ও সাদা পোশাকধারী গোয়েন্দা সদস্য অবস্থান করবেন। তারা কোন প্রকার সন্ত্রাসী তৎপরতার ইঙ্গিত পেলে বিশেষ সংকেতের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তৎক্ষণিক অবহিত করবেন। এ ছাড়াও তারা ইজতেমা মাঠসহ আশপাশের কোথায় কি হচ্ছে না হচ্ছে প্রত্যক্ষ করার জন্য ল্যাপটপ কম্পিউটারের স্ক্রিনে সার্বক্ষণিক দৃষ্টি রাখবেন। ১২টি গাড়িসহ ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে বিভিন্ন স্থানে বসানো Rab ১০টি ও পুলিশের ১৫টি পর্যবেক্ষণ টাওয়ার থেকে পর্যবেক্ষক দল সার্বক্ষণিক বিশ্ব ইজতেমা ময়দানের পর্যবেক্ষণ করবেন।
সৌদি আরবের সঙ্গে প্রতিরক্ষা বিষয়ে সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) সই করেছে বাংলাদেশ
১৫ ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সৌদি আরবের সঙ্গে প্রতিরক্ষা বিষয়ে সহযোগিতা বাড়াতে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) সই করেছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার রিয়াদে দুই দেশের প্রতিনিধিরা এই সমঝোতা স্মারকে সই করেন। বাংলাদেশের পক্ষে এমওইউতে সই করেন সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপ্যাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাহফুজুর রহমান। সৌদি আরবের পক্ষে সই করেন দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর ডেপুটি চিফ অব স্টাফ লেফটেনেন্ট জেনারেল মুতলাক বিন সালিম আল উজাইমিয়া। এমওইউ সইয়ের সময় সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম মসীহ, দূতাবাসের মিশন উপ-প্রধান ড. নজরুল ইসলাম ও ডিফেন্স অ্যাটাশে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ শাহ আলম চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। রিয়াদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তিতে এবং পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করে প্রতিরক্ষা বিষয়ক এমওইউ সই হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা বিষয়ে সহযোগিতার ক্ষেত্র উন্নয়ন এবং শক্তিশালী করার লক্ষে এই স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এমওইউটি আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বৃদ্ধিতে সহযোগিতা করবে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এমওইউর আওতায় সৌদি আরব ও বাংলাদেশ সামরিক প্রশিক্ষণ, অনুশীলন ও শিক্ষা, দক্ষতা বিনিময়, সামরিক ও গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, প্রতিরক্ষা শিল্প, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম পরিদর্শন, সরবরাহ ও রক্ষণাবেক্ষণে পরস্পরকে সহযোগিতা করবে। এছাড়াও সহযোগিতার আওতায় থাকবে সামরিক চিকিৎসা ও গবেষণা, ক্রীড়া, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, সামরিক সদস্যদের সফর বিনিময়, সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও জলদস্যুরোধের কার্যক্রম। সৌদি আরব ও বাংলাদেশ প্রতিরক্ষা বিষয়ে সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য কর্মসূচি গ্রহণ করতে এবং এমওইউর উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।
তৃতীয়বার সরকার গঠন করায় প্রধানমন্ত্রীকে মিউনিখ শহরে নাগরিক সংবর্ধনা
১৫ ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টানা তৃতীয়বার সরকার গঠন করায় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে মিউনিখ শহরে নাগরিক সংবর্ধনা দিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় হোটেল শেরাটন আরাবেলা পার্কের কনফারেন্স রুমে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল বিজয়ের কথা তুলে ধরে বলেন, কৃষক-শ্রমিক-জেলে, কামার-কুমার থেকে শুরু করে সব শ্রেণির মানুষ নৌকা মার্কায় ভোট দিয়েছে। তিনি বলেন, আমরা দেখেছি প্রত্যেকের মধ্যে একটা বিষয় ছিল- যে আওয়ামী লীগ আসলে দেশের উন্নতি হবে। উন্নয়নের ছোঁয়া জনগণের কাছে পৌঁছাবে, কারো পকেটে ঢুকবে না। উন্নয়নের ছোঁয়া একেবারে গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছাবে। শেখ হাসিনা বলেন, এবারের নির্বাচনে প্রতিটি দল অংশগ্রহণ করেছে। এত বিশাল আকারে অংশগ্রহণ অতীতে কখনো দেখা যায়নি। নির্বাচনে বিএনপির ভরাডুবির কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ২০১৮ সালের নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করাই ছিলো তাদের একটা উদ্দেশ্য, তারা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করেছে। এর আগে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ১০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিট) জার্মানির মিউনিখ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি। মিউনিখ বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানান জার্মানিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ইমতিয়াজ আহমেদ। বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে সফরকালীন আবাসস্থল হোটেল শেরাটন আরাবেলা পার্কে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান ইউরোপ আওয়ামী লীগ নেতারাসহ প্রবাসী বাংলাদেশিরা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৫-১৭ ফেব্রুয়ারি জার্মানির মিউনিখে ৫৫তম নিরাপত্তা সম্মেলনে অংশ নেবেন। ১৭-১৯ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে আবুধাবির আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি।
অগ্নিকাণ্ডের পর ধীরে ধীরে শুরু হচ্ছে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের কার্যক্রম
১৫ ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: অগ্নিকাণ্ডের পর ধীরে ধীরে শুরু হচ্ছে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের কার্যক্রম। চিকিৎসা সেবা পুরোপুরি চালুর সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। কিন্তু অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় শিশু, গাইনি ও মহিলা সার্জারি ওয়ার্ড সংস্কারের আগে চালু করা সম্ভব নয় বলে জানানো হয়। দুর্ঘটনার কারণে বিভিন্ন হাসপাতালে সরিয়ে নেয়া রোগীদের কয়েকজনকে সকালে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। জরুরি বিভাগ ও অন্যান্য ওয়ার্ড চালু হলেও সেবা প্রত্যাশীদের ভিড় অন্যান্য দিনের তুলনায় কম। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মুখপাত্র বলেন, আল্লাহতায়লার অসীম কৃপায় এবং আমাদের সকলের সহযোগিতায় কোনোরকম ক্যাজুয়ালটি ছাড়াই আমরা সব রোগীকে ইভাকুয়েট করতে পেরেছি। রাত থেকেই আমাদের ইমার্জেন্সি সেবা চালু করেছি আমরা। যে রোগীরা অন্যান্য হাসপাতালে যেতে পারেন নাই, আত্মীয়-স্বজন নাই তাদের জন্য সীমিতভাবে দুটো ওয়ার্ডের ব্যবস্থাও করেছি।
রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে আগুন
১৪ ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আগুন লেগেছে। বৃহস্পতিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) হাসপাতালের নতুন ভবনের দ্বিতীয় তলায় স্টোররুমে অগ্নিকাণ্ড ঘটে বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস সদর দফতরের ডিউটি অফিসার মো. রাসেল। তিনি জানান, আজ সন্ধ্যা ৬টার দিকে হাসপাতালের নতুন ভবনের দ্বিতীয় তলায় স্টোররুমে আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট। এক রোগীর স্বজন সংবাদ মাধ্যমকে জানান, আগুনের কথা শোনার পর তিনি ধোঁয়া উড়তে দেখেন। এই পরিস্থিতি দেখে তিনি তার রোগীকে বাসায় নিয়ে গেছেন। আরও অনেক রোগী আগুন আতঙ্কে বেরিয়ে আসেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে সেখানে উপস্থিত হয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন। আগুনের সূত্রপাত ঘটার পরপরই সাড়ে ৬টার দিকে হাসপাতালটির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়েছিল। সোয়া ৭টার দিকে বিদ্যুৎ ফিরে আসে। আগুন লাগার খবর পেয়ে দমকল বাহিনীর সদস্যরা তা নেভাতে কাজ করছেন।
জার্মানির উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী
১৪ ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকালে জার্মানির উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন। টানা তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তাঁর প্রথম বিদেশ সফর। দেশে ফেরার পথে তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) সফর করবেন। দেশ দুটিতে ছয় দিনের সফরকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জার্মানির মিউনিখে একটি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সম্মেলনে যোগ দেবেন। এছাড়া তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে একটি প্রতিরক্ষা প্রদর্শনীতে যোগ দেবেন। এছাড়াও তিনি মধ্যপ্রাচ্যের দেশটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে একটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তাঁর সফরসঙ্গীদের নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইট আজ সকাল ৮টা ২০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মিউনিখের উদ্দেশে রওয়ানা দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানাতে মন্ত্রীবর্গ, প্রধানমন্ত্রী উপদেষ্টাম-লী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, তিন বাহিনীর প্রধানগণ, কূটনীতিক কোরের ডিন এবং উচ্চপদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানটি মিউনিখ সময় দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে মিউনিখ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছবে। ১৪ ফেব্রুয়ারি দুই দিনব্যাপী মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন শুরু হবে। সম্মেলনে অংশগ্রহণ ছাড়াও বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী সেখানে বেশ কয়েকটি বৈঠক করবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও হেলথ ক্যাম্পেইনারদের সাথেও বৈঠক করবেন। শেখ হাসিনা ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আবুধাবিতে সফর করবেন। সেখানে তিনি ১৪তম আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা প্রদর্শনীতে (আইডিইএক্স-২০১৯) অংশ নেবেন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। মিউনিখে পৌঁছার কয়েক ঘন্টা পর প্রধানমন্ত্রী হোটেল শেরাটনে প্রবাসী বাংলাদেশীদের দেয়া একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।সফরকালে তিনি সেখানেই অবস্থান করবেন। প্রধানমন্ত্রী কাল নিরাপত্তা সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ভাষণ দেবেন এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ওপর আলোচনায় অংশ নেবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিস অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ এবং ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন (হু) আয়োজিত হেলথ ইন ক্রাইসিস-হু কেয়ার্স শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে যোগ দেয়ার কথা রয়েছে। তিনি ২০১৭ সালের নোবেল বিজয়ী পরমাণু অস্ত্র ধ্বংস বিষয়ক আন্তর্জাতিক প্রচারণা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক বিয়াট্রিস ফিন এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) শীর্ষ প্রসিকিউটর ড. ফাতৌ বেনসৌদার সঙ্গে বৈঠক করবেন। বিকেলে প্রধানমন্ত্রী সিমেন্স এজির প্রেসিডেন্ট ও সিইও জোয়ে কায়িজার এবং ভারিদোসের সিইও হ্যান্স উল্ফগং কুঞ্জের সঙ্গে বৈঠক করবেন। তিনি ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট বোর্জ ব্রেন্ডি এবং জিগসাওয়ের সিইও জারেড কোহেনের যৌথভাবে আয়োজিত এক নৈশভোজ সভায় অংশ নেবেন। আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যাজ এ সিকিউরিটি থ্রেট শীর্ষক একটি প্যানেল আলোচনায় যোগ দেবেন। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি সকালে প্রধানমন্ত্রী মিউনিখ থেকে আবুধাবিতে পৌঁছাবেন এবং আবুধাবি ন্যাশনাল এক্সিবিশন সেন্টারে (এডিএনইসি) ইন্টারন্যাশনাল ডিফেন্স এক্সিবিশনের (আইডিইএক্স-২০১০) উদ্বোধনী সেশনে যোগ দেবেন। এ সফরকালে প্রধানমন্ত্রী আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স শেখ মোহাম্মাদ বিন জায়েদ বিন সুলতান আল-নাহিয়ানের সঙ্গে বৈঠক এবং ইউএইর ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী এবং আমিরাত অব দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মাদ বিন রশিদ আল মাকতুম ও অন্যান্য নেতার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। শেখ হাসিনা আল বাহার প্যালেসে ইউএইর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম প্রেসিডেন্ট এবং আবুধাবির শাসক মরহুম শেখ জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ানের স্ত্রী শেখা ফাতিমা বিনতে মুবারক আল কেতবির সঙ্গে সাক্ষাত করবেন। প্রধানমন্ত্রী সেন্ট রেগিস আবুধাবি হোটেলে অনুষ্ঠেয় প্রবাসী বাংলাদেশীদের এক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। এ সফর চলাকালে তিনি সেখানে অবস্থান করবেন। শেখ হাসিনা আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি সকালে দেশে ফিরবেন।-বাসস

জাতীয় পাতার আরো খবর