বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামে রাস্তাঘাটের নামকরণের নির্দেশ
১৪নভেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামে রাস্তাঘাটের নামকরণ করতে নির্দেশ প্রদান করেছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে সারাদেশের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) কাছে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে যে- বিভিন্ন রাস্তাঘাট বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামে নামকরণ করার জন্য সব উপজেলার ইউএনও এবং ডিসিদের পত্র দিয়ে জানিয়ে দেয়ার সুপারিশ করেছে কমিটি। গত বছরের ২৮ মার্চ স্থানীয় সরকার বিভাগের জারি করা অফিস আদেশ অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের আওতায় নির্মিত সড়ক ও অন্যান্য অবকাঠামো বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামে নামকরণ সংক্রান্ত আবেদন/প্রস্তাব যাচাই-বাছাইক্রমে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রণয়নের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিবের (উন্নয়ন) সভাপতিত্বে ছয় সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি রয়েছে। এ অবস্থায় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ১৩তম বৈঠকের সিদ্ধান্তের আলোকে সব জেলা/উপজেলার বিভিন্ন রাস্তাঘাট বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামে নামকরণের পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ডিসি ও ইউএনওদের নির্দেশনামূলক ওই চিঠি পাঠানো হয়েছে।
ফুটেজ দেখে সন্ত্রাসীদের শনাক্ত করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
১৪নভেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সন্ত্রাসী কার্মকাণ্ড কোনওভাবেই সহ্য করা হবে না উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, যারাই বাসে আগুন দিয়েছে সিসিটিভির ফুটেজ দেখে শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। শনিবার নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। স্বরাষ্টমন্ত্রী বলেন, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে যাদের জবানবন্দি নেয়া হচ্ছে সেগুলো বিশ্লেষণ করে যারাই এর সঙ্গে জড়িত, অবশ্যই তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সব ধরনের অপতৎপরতা বন্ধে বদ্ধ পরিকর। গোয়েন্দা সংস্থার কাছে যে তথ্য আছে, সেখানে দেখা যায়- নির্বাচনের ফল মেনে না নিতে পারায় এমন ঘটনা ঘটাতে পারে। এসময়, বিএনপি কয়েক বছর আগেও আগুন সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে চেয়েছিল বলেও মন্তব্য করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টিতে সহায়তা অব্যাহত থাকবে
১৪নভেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ডায়াবেটিস প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা সৃষ্টিতে সরকারের সহায়তা অব্যাহত থাকবে। এ ব্যাপারে নানা কার্যকর পদক্ষেপ নিতে তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান। বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস- উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে এ আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রতিবছরের মতো এবারও বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির উদ্যোগে- বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষে তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের উদ্যোগের কারণেই দিবসটি জাতিসংঘ দিবসের মর্যাদা লাভ করেছে যা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গর্বের। তিনি বলেন, বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ডায়াবেটিস-সেবায় পার্থক্য আনতে পারেন নার্সরাই সময়োচিত হয়েছে। এ প্রতিপাদ্য থেকে এটা স্পষ্ট যে এবার আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশন ডায়াবেটিস-সেবায় চিকিৎসকদের পাশাপাশি নার্সদের ভূমিকার ওপর আলোকপাত করেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডায়াবেটিক রোগীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমিয়ে আনা ও উপযুক্ত ডায়াবেটিস ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে চিকিৎসকদের পাশাপাশি নার্সরাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। কারণ ডায়াবেটিস সুনিয়ন্ত্রণে রাখার ওপরই একজন ডায়াবেটিক রোগীর সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন নির্ভরশীল। আর এ কারণে নার্সরা যদি ডায়াবেটিক রোগীকে রক্তপরীক্ষা, ইনসুলিন দেয়া ছাড়াও অন্যান্য বিষয় শিখিয়ে দিতে পারেন তবে ডায়াবেটিস-সেবায় বিশাল বদল আসতে পারে। এর জন্য নার্সদেরও উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দেয়ার উদ্যোগ নিতে হবে। শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাস্থ্যসেবায় বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তারই ধারাবাহিকতায় আওয়ামী লীগ সরকার সবসময়ই জনগণের সুস্বাস্থ্য রক্ষায় নানামুখী কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে আসছে। তিনি বলেন, আমরা জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছি। একটি গণমুখী স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়ন করে তা বাস্তবায়নেও আমাদের সরকার কাজ করছে। সারাদেশে সকল হাসপাতালে শয্যাসংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি নতুন নতুন মেডিকেল কলেজ, নার্সিং কলেজ ও নার্সিং ইনস্টিটিউট এবং মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। তিনি বলেন, এরই মধ্যে তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা বিস্তৃত করতে দেশব্যাপী সকল উপজেলায় এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে কমিউনিটি ক্লিনিক ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করতে সক্ষম হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
দেশের মানুষ ভালোভাবেই জানে কারা আগুন দিয়েছে : তথ্যমন্ত্রী
১৩নভেম্বর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বাসে আগুন দেয়ার ঘটনার সঙ্গে বিএনপি ও তার দোসররা যুক্ত দাবি করে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, দেশের মানুষ ভালোভাবেই জানে অতীতে কারা এভাবে বাস পুড়িয়েছে, কীভাবে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করেছে এবং শত শত মানুষকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করেছে। শুক্রবার (১৩ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডের বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা-১৮ আসনের উপনির্বাচন চলাকালে বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) রাজধানীর অন্তত ৯ স্থানে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত দেড় শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে মোট ৮টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তথ্যমন্ত্রী বলেন, পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, যেভাবে যাত্রীবেশে বাসে উঠে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়েছিল, গতকাল যে ৯-১০টি বাস পোড়ানো হয়েছে, সেগুলোর সঙ্গে ২০১৩-১৪ সালের ঘটনার মিল আছে। গতকাল প্রথম বাসটি পোড়ানো হয় নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে, একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের বাস। এই ঘটনার সঙ্গে বিএনপি এবং তার দোসররা যে যুক্ত, এটি সহজেই অনুমেয়। দেশকে অস্থিতিশীল করার একটি বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে বাসে আগুন দেয়া হয়েছে মন্তব্য করে হাছান মাহমুদ বলেন, বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই টিআইবি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে একটি প্রতিবেদন দিয়েছে। বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে বিভিন্ন মহল থেকে উস্কানিমূলক বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, তাদের (বিএনপি) অডিও বার্তার মাধ্যমে এটাই প্রমাণিত হয়েছে, ঘটনাগুলোর সঙ্গে তারা যুক্ত। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অবশ্য তার বক্তব্যে একটি সত্য কথা বলেছেন, এই ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত। তারা পূর্বপরিকল্পনা করেই এই ঘটনা ঘটিয়েছেন। আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করছেন। এতে কোনো লাভ হবে না। সরকার অতীতে যখন ২০১৩-১৪ সালে এই ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড কঠোর হস্তে দমন করেছে, আমরা ইনশাআল্লাহ এবারও জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এই ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড কঠোর হস্তে দমন করবো।
এএসপি শিপন হত্যা: জড়িতদের দ্রুত বিচার দাবি
১৩নভেম্বর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সাবেক শিক্ষার্থী ও জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার আনিসুল করিম শিপন হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়েছে জাবির প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন। শুক্রবার (১৩ নভেম্বর) বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে এ দাবি জানানো হয়। এ সময় জাবি ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য মেহেদী জামিল বলেন, শিপন হত্যার সঙ্গে জড়িতদের ফাঁসির দাবি নিয়ে আজ আমরা এখানে দাঁড়িয়েছি। শিপনের মতো মেধাবী পুলিশ কর্মকর্তাকে এভাবে মেরে ফেলা হলোম যা ভাবতেই অবাক লাগছে!ভিডিওতে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের অতিদ্রুত বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, শিপন হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত মাইন্ড এইড হাসপাতালের মালিকসহ প্রত্যেকের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষকরা একসঙ্গে সারাদেশে আন্দোলন গড়ে তুলবে এবং বিচারের দাবি নিশ্চিত করতে আন্দোলন অব্যাহত রাখবে। জাবির সাবেক শিক্ষার্থী এসএম সাজাদ হোসেনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ড. শাহাদত হোসেন, জাবি ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সোহেল পারভেজ, সাধারণ সম্পাদক নুর হোসেন সৈকতসহ বিভিন্ন বিভাগের সাবেক-বর্তমান শিক্ষার্থীরা বক্তব্য দেন। উল্লেখ্য, মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন আনিসুল করিম শিপন। চিকিৎসা নিতে তিনি রাজধানীর আদাবরে মাইন্ড এইড হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। গত সোমবার সকালে ভর্তির পর কয়েক মিনিটের মধ্যেই মারা যান তিনি। এএসআই শিপনের পরিবারের অভিযোগ, ভর্তির পরপর হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে। সিসিটিভি ফুটেজেও দেখা গেছে, ভর্তির পরই একটি কক্ষে নিয়ে হাসপাতালটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাকে মারধর করছেন।
বাসে আগুন: ৪ থানায় ৯ মামলা, গ্রেফতার ২০
১৩নভেম্বর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীতে ১০ বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনায় চার থানায় এ পর্যন্ত নয়টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব মামলায় ২০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ নভেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেসন্স বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. ওয়ালিদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত মতিঝিল, পল্টন, শাহবাগ ও বংশাল থানায় পুলিশ বাদী হয়ে নয়টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব মামলায় ২০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশ মাঠে কাজ করছে। এ পর্যন্ত মতিঝিল থানায় একজন, শাহবাগ থানায় চারজন, পল্টন থানায় ১০ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাসে আগুনের ঘটনায় চার থানায় নয়টি মামলায় মোট ২৮০ জনকে আসামি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্ককর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিকি বলেন, পল্টন থানায় দায়ের করা দুটি মামলায় ৫৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এদের মধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে ১০ জনকে। বংশাল থানার ওসি মো. শাহীন ফকির বলেন, বাসে আগুনের ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ মামলায় আসামি করা হয়েছে ৫৬ জনকে। শাহবাগ থানার ওসি মোহাম্মদ মামুন অর রশিদ বলেন, দুই মামলায় ৭৪ জনকে আসামি করা হয়েছে। এদের মধ্যে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে চারজনকে। এর আগে, বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) রাজধানীর শাহবাগ, প্রেসক্লাব, গুলিস্তান, মতিঝিল, নয়াবাজার, ভাটারা, শাহজাহানপুরসহ নয়টি স্থানে ১০টি বাসে আগুন দেওয়া হয়। তবে এতে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। ঢাকা মহানগর পুলিশের ক্রাইম কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টারের তথ্য মতে, বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে পল্টন থানাধীন বিএনপি পার্টি অফিসের উত্তর পাশের কর অঞ্চলের ১৫ পার্ক করা সরকারি গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এরপর বেলা ১টার দিকে মতিঝিল থানাধীন মধুমিতা সিনেমা হলের সামনে অগ্রণী ব্যাংকের স্টাফ বাসে, ১টা ২৫ মিনিটে রমনা হোটেলের সামনে চলতি ভিক্টর ক্লাসিক পরিবহনে, শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেটের সামনে দেড়টার দিকে দেওয়ান পরিবহনে, ২টা ১০ মিনিটে বাংলাদেশ সচিবালয়ের উত্তর পাশে রজনীগন্ধা পরিবহন এবং বংশাল থানাধীন নয়াবাজার এলাকায় ২টা ২৫ মিনিটে দিশারী পরিবহনে আগুন দেওয়া হয়। এছাড়া ২টা ৪৫ মিনিটে পল্টন থানাধীন পার্কলিং-এ জৈনপুরী পরিবহন, বিকেল ৩টায় মতিঝিল থানাধীন পূবালী পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন দোতলা বিআরটিসি বাসে, ভাটারা থানাধীন কোকাকোলা মোড়ে ভিক্টর ক্লাসিক পরিবহনে এবং রাতে উত্তরার আজমপুরে আগুন দেওয়া হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ধারণা করছে, ঢাকা-১৮ আসনে সংসদীয় উপ-নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরোধী কোনও পক্ষ নাশকতার উদ্দেশে একযোগে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বাসে আগুন দিয়েছে। নির্বাচনী এলাকার দুটি স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ও ভোটগ্রহণের সময় রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে গণপরিবহনে আগুন দেওয়ার ঘটনা এক কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
বাংলাদেশ এয়ার শো-২০২২-এর ওয়েব পেজ উদ্বোধন
১৩নভেম্বর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বাধীনতার সূবর্ণ জয়ন্তী উদযাপনের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ এয়ার শো ২০২২ নামে আন্তর্জাতিক এয়ার শোর আয়োজন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁওয়র বিএএফ ফ্যালকন হলে বাংলাদেশ এয়ার শো-২০২২ এর ওয়েব পেজ উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত। এর আগে সহকারী বিমান বাহিনী প্রধান (পরিকল্পনা) মো. শফিকুল আলম তাকে স্বাগত জানান। প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় জন্ম নেয়া বাংলাদেশ বিমান বাহিনী স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে যে এয়ার শোর আয়োজন করতে যাচ্ছে তার মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বের দরবারে নতুন ভাবে পরিচিতি লাভ করবে।- আইএসপিআর
দেশের প্রতি কর্তব্য পালনে ডিজিএফআই কর্মকর্তাদের নির্দেশনা
১২নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সততা, নিষ্ঠার সঙ্গে দেশ ও দেশের মানুষের প্রতি কর্তব্য পালনের জন্য ডিজিএফআই কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরে (ডিজিএফআই) কর্মরত অফিসার এবং অন্য পদবীর সদস্যদের জন্য নবনির্মিত বাসস্থানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি একথা বলেন। পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। অনুষ্ঠানে ডিজিএফআই কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্য প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি সব সময় চাই যে দেশের প্রতি যদি ভালোবাসা না থাকে, মানুষের প্রতি যদি দায়িত্ববোধ না থাকে, কর্তব্যবোধ না থাকে তাহলে যেকোনো দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে পালন করা যায় না। সততা, নিষ্ঠার সঙ্গে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের প্রতি, মানুষের প্রতি কর্তব্য পালন করবেন সেটাই আমাদের কামনা, আপনারা সেটাই করবেন। ইতিহাসটা জানতে হবে, দেশকে জানতে হবে, দেশকে ভালোবাসতে হবে, দেশের জন্য কাজ করতে হবে, দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে হবে। সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করতে হবে। শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের দেশে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস বা দুর্নীতি, মাদকের হাত থেকে আমাদের সমাজকে রক্ষা করতে হবে, সমাজকে এখান থেকে আমাদের বাঁচাতে হবে। তাহলেই আমাদের এই যুব সমাজ তাদের মেধা কাজে লাগাতে পারবো। আমাদের প্রত্যেকেরই যার যার কর্মস্থলে দায়িত্ব রয়েছে। সেই দায়িত্বটা যথাযথভাবে পালন করতে হবে। স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য সশস্ত্র বাহিনী একান্তভাবে অপরিহার্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর জাতির পিতা একদিকে যেমন যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ে তুলেছেন অপরদিকে সশস্ত্র বাহিনীকেও যথাযথভাবে গড়ে তুলেছেন। জাতির পিতার দেওয়া প্রতিরক্ষা নীতিমালা মেনেই আওয়ামী লীগ সরকার দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। জাতির পিতার আকাঙ্ক্ষা ছিল, এই দেশ হবে ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত দেশ, উন্নত সমৃদ্ধ দেশ, এদেশের প্রতিটি মানুষ পেটভরে খাবে, হেসে খেলে বাঁচবে। সুন্দরভাবে বাঁচবে সেটাই আমাদেরও লক্ষ্য। আমরা সেটাই করতে চাই। তাই দেশের শান্তি বজায় রাখা একান্তভাবে দরকার। এই সময় গণভবন প্রান্তে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু হেনা মোস্তফা কামাল, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম উপস্থিত ছিলেন।
বসানো হয়েছে পদ্মা সেতুর ৩৭তম স্প্যান
১২নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কোন প্রকার সমস্যা ছাড়াই বসানো হয়েছে পদ্মাসেতুর ৩৭তম স্প্যান (২-সি)। এটি মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তের ৯ ও ১০ নম্বর পিলারের উপর বসানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) দুপুর ২টা ৫০ মিনিটের দিকে ৩৭তম স্প্যানটি (২-সি) বসানো হয়। এর আগে গত ৬ নভেম্বর বসানো হয় সেতুর ৩৬তম স্প্যান। মাত্র ৬ দিনের মাথায় বসানো হলো এ স্প্যান। আর বাকি থাকলো ৪টি স্প্যান। এ মাসে আরও ২টি স্প্যান ও আগামী ডিসেম্বরে বাকি ২টি স্প্যান বসানোর সিডিউল রয়েছে বলে জানা গেছে। পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী (মূল সেতু) দেওয়ান আব্দুল কাদের জানান, সকালে মাওয়া কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে ৩ হাজার ৬শ টন ওজন ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন ভাসমান ক্রেন তিয়ান-ই এর মাধ্যমে ৩ হাজার ১৪০ টন ওজনের ধূসর রঙ এর ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের ৩৭তম স্প্যানটিকে নির্ধারিত ৯ ও ১০ নাম্বার পিলারের কাছে নিয়ে আসা হয়। পরে দুপুরে বসানো হয় ৩৭তম স্প্যান। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে দুইটি স্প্যানের রঙ বাকি আছে। এছাড়া বাকি স্প্যানগুলোর শতভাগ কাজ সম্পন্ন আছে। পদ্মাসেতু নির্মাণে প্রয়োজন হবে ২ হাজার ৯১৭টি রোডওয়ে স্ল্যাব। এছাড়া দুই হাজার ৯৫৯টি রেলওয়ে স্ল্যাব বসানো হবে। মাওয়া ও জাজিরা প্রান্তের বসানো স্প্যানগুলোতে এসব স্ল্যাব বসানোর কাজ চলমান আছে। উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের দ্বিতল সেতুটি কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে। চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেড (এমবিইসি) মূল সেতুর কাজ ও নদীশাসনের কাজ করছে চীনের আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন।

জাতীয় পাতার আরো খবর