বুধবার, এপ্রিল ৮, ২০২০
লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশে সরকার বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে
২২অক্টোবর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:আইন মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, শক্তিশালী নেতৃত্বের পাশাপাশি সুশাসন, স্থিতিশীল সরকার, অব্যাহত রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সুষ্ঠু সামষ্টিক অর্থনৈতিক নীতি এবং সঠিক উন্নয়নের অগ্রাধিকার বাংলাদেশকে এক অনন্য উন্নয়নের মডেল করে তুলেছে। মরক্কোর প্রাচীন রাজধানী মারাকাসে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক বিচার সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। জাস্টিস এন্ড ইনভেস্টমেন্ট : চ্যালেঞ্জ এন্ড স্টেকস প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ২১ ও ২২শে অক্টোবর দুইদিনব্যাপী এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে তিনি বলেন, ২০০৯ সাল থেকে বাংলাদেশ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব ও অসাধারণ সাফল্য অর্জন শুরু করে এবং তথাকথিত 'তলাবিহীন ঝুড়ি' থেকে বাংলাদেশ এখন বিস্ময়কর উন্নয়নের দেশে পরিণত হয়েছে, বিশ্বের অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের জন্য উন্নয়নের উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলস্বরূপ, বিশ্ব সম্প্রদায় বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসাবে স্বীকৃতি দিতে শুরু করেছে। তিনি বলেন, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক আউটলুক-২০১৯ বাংলাদেশকে এশীয় প্যাসিফিক অঞ্চলে দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ হিসেবে উল্লেখ করেছে। এইচএসবিসি ২০১৮ সালের প্রতিবেদনে ভবিষ্যদ্বাণী করেছে, ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে ২৬ তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ এবং বিশ্বের তিনটি দ্রুততম অর্থনীতির দেশের একটি হয়ে উঠবে বাংলাদেশ। আনিসুল হক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে রূপান্তর করতে অঙ্গীকারাবদ্ধ। ২০২১ সালের লক্ষ্য অর্জন করতে বাংলাদেশকে জিডিপির বার্ষিক প্রবৃদ্ধির হার ১০ শতাংশ অর্জন এবং তা বজায় রাখতে হবে, দারিদ্র্যসীমা ও বেকারত্বের হারকে ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনতে হবে; কর্মসংস্থানে কৃষি, শিল্প ও সেবার খাতের অবদানকে যথাক্রমে ৩০ শতাংশ, ২৫ শতাংশ এবং ৪৫ শতাংশে রূপান্তর করতে হবে। এইসব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিকল্প নেই। সেজন্য সরকার বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। এ বছরের জানুয়ারিতে পরপর তৃতীয় বারের মতো দায়িত্ব গ্রহণের পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুর্নীতি ও সন্ত্রাসবাদের প্রতি তার জিরো টলারেন্স নীতিকে আরো জোরদার করেছেন।
এটা ষড়যন্ত্রেরই অংশ
২২অক্টোবর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:দেশের ক্রিকেটকে ধ্বংস করতে ক্রিকেটারদের এই ধর্মঘট দাবি করে আজ দুপুরের দিকে জরুরি বৈঠকে বসেন বিসিবি পরিচালকরা। এরপরই বিকেল সংবাদ সম্মেলন করেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। সংবাদ সম্মেলনে পাপন বলেন, আমাদের কাছে দাবি না তুলে তারা যে উদ্দেশ্যে মিডিয়ার সামনে তুলে ধরলো, সে উদ্দেশ্যে আপাতত তারা সাকসেস। এসিসি-আইসিসি থেকে শুরু করে সবাই ফোন করে বলছে, বাংলাদেশের ক্রিকেট নষ্ট হয়ে গেছে। তার মানে, বাংলাদেশের ইমেজ এবং ক্রিকেটের ইমেজ নষ্ট করতে সফল হয়েছে তারা। বিসিবি সভাপতি আক্ষেপ করে বলেন, আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ না করেই খেলা বন্ধ। এমন এক সময়ে বন্ধ করলো- যখন ফিটনেস এবং ক্যাম্প শুরু করার কথা রয়েছে। নতুন কোচ এসেছে, সামনে ভেট্টরিও আসবেন। আমার মনে হয়, ওদের বিদেশি এসব কোচ পছন্দ নয়। তারা তো এমনও বলেছে, কোচই চাই না। এখন চায় দেশি কোচ। কিন্তু তাদের মতো করে তো আমরা কোচ নিয়োগ দিতে পারি না। ভারত সফরের আগে এই আন্দোলনে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে বলেন, ভারতে পূর্ণাঙ্গ সিরিজে এই প্রথম যাচ্ছে। এত কষ্ট করে একটি ফুল সিরিজ ভারত থেকে আসলো। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হচ্ছে এবং প্রথম খেলাটাই ভারতের সাথে। অথচ তার আগেই তারা বলে দিলো, আমরা খেলবো না। কখন থেকে এই ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে? পাপনের ধারণা বিসিবির এক পরিচালক (ক্যাসিনো ইস্যুতে) গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই এই ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। তিনি বলেন,আমাদের এক ডাইরেক্টর এরেস্ট হওয়ার পর থেকেই সবার টার্গেটে পরিণত হয়েছি আমি নিজে এবং আমার বোর্ড। তারা প্রথমে চেষ্টা করেছে নানাভাবে আমাদের ক্ষতি করার। আমাদের আক্রমণ করে যদি বাইরে পাঠানো যায়, বোর্ডকে নিষিদ্ধ করার চেষ্টা করছে। ওটাতে তারা সফল হয়নি। এখন সেকেন্ড স্টেপ চলছে। যদি কোনোভাবে ভারত সফরটা মিস করা যায়, তাহলে বড় ধরনের একটা সমস্যায় পড়তে পারি। পাপনের বিশ্বাস এটা ষড়যন্ত্রেরই অংশ। তিনি বলেন, তারা (ক্রিকেটাররা) কেন আমাদের কাছে কিছু না চেয়ে খেলা বন্ধ করলো? ক্যাম্পেও যোগ দেবে না। সবই ষড়যন্ত্রের অংশ। বাংলাদেশ ক্রিকেটকে ধ্বংস করে দিতে চাচ্ছে।
অবশেষে বসল পদ্মা সেতুর ১৫তম স্প্যান
২২অক্টোবর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্প্যান নিয়ে যাওয়ার ৮ দিন পরে সব অনিশ্চয়তা কাটিয়ে অবশেষে বসানো হয়েছে পদ্মা সেতুর ১৫তম স্প্যান। সেতুর ২৩ ও ২৪ নম্বর পিলারের উপর এ স্প্যান বসানোর মধ্যদিয়ে দৃশ্যমান হলো সোয়া দুই কিলোমিটার। নদীর তলদেশে পলি কমে এলে আগামী দিনগুলোতে কাজের গতি বাড়বে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রকল্প পরিচালক। প্রাথমিকভাবে একটি স্প্যান বয়ে নিয়ে পিলারের উপর তুলতে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা সময় নেয়া হলেও এবার নদীর তলদেশে পলির কথা বিবেচনায় রেখে সময় নেয়া হয়েছিলো ৪৮ ঘণ্টা। কিন্তু এত লম্বা সময়ের প্রয়োজন হবে, সেটা ধারণায় ছিল না প্রকৌশলীদের। সেতুর কাজে ব্যবহৃত ৩টি ড্রেজার কাজ করেছে ২৪ ঘণ্টা। নদীর তলদেশ থেকে পলি কেটে পরিষ্কার করা হয়েছে ক্রেন চলার পথ। কিন্তু তাতেও পর্যাপ্ত গভীরতা তৈরি করা যাচ্ছিল না। তাই বাড়তে থাকে অপেক্ষার প্রহর। গত ১৪ তারিখ জাজিরা থেকে স্প্যান নিয়ে রওয়ানা দেয়ার পর দীর্ঘ সময় ক্রেনেই ঝুলিয়ে রাখা হয় স্প্যান। আগের স্প্যানটির সঙ্গে নতুন স্প্যান জোড়া দিতে যে Rapting ক্রেন ব্যবহার করা হয় সেটিও বহন করে নেয়া যাচ্ছিল না নির্ধারিত পিলারের কাছে। এর আগেও নাব্য সঙ্কটের কারণে দ্বিতীয় স্প্যান বসাতে বাড়তি একদিন সময় লেগেছিল। কিন্তু এবার লাগল প্রায় এক সপ্তাহ। অবশেষে সমাধান আসায় মিলেছে স্বস্তি। হঠাৎ পদ্মায় বেড়ে যাওয়া পানি বয়ে এনেছে এ পলি। এমনিতে প্রতি সপ্তাহে নদীর তলদেশে জমে ৫ থেকে ৮ ফুট পলি। ড্রেজিং করে এ পলি সরিয়েই কাজ চালিয়ে নিতে হচ্ছে সেতু কর্তৃপক্ষকে।
পিআইবিতে ডেটা সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
২২অক্টোবর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশে (পিআইবি) ডেটা সাংবাদিকতা বিষয়ক তিন দিনব্যাপি (২০-২২ অক্টোবর ২০১৯) প্রশিক্ষণ কর্মশালা আজ শেষ হয়েছে। ঢাকায় কর্মরত সাংবাদিকদের নিয়ে এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির তৃতীয় কর্মশালা এটি। মঙ্গলবার পিআইবি সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত কর্মশালার সমাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় সংসদ সদস্য ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মুহম্মদ শফিকুর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পিআইবি মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তবে মুহম্মদ শফিকুর রহমান বলেন, প্রশিক্ষণ সাংবাদিকদের সমৃদ্ধ করে। ডেটা ভিত্তিক সাংবাদিকতার এই প্রশিক্ষণ আমাদের গণমাধ্যমকর্মীদের দক্ষতাকে আরও শানিত করবে বলে আমার বিশ্বাস। এছাড়া এটি বাংলাদেশে ডেটা সাংবাদিকতার চর্চাকেও তরান্বিত করবে। সভাপতির বক্তব্যে পিআইবি মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদ বলেন, বাংলাদেশের সাংবাদিকরা যাতে সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে এগিয়ে যেতে পারেন, তাই ডেটা সাংবাদিকতার এ প্রশিক্ষণের আয়োজন। এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আমাদের সংবাদকর্মীরা ডেটাভিত্তিক সাংবাদিকতার চর্চায় উৎসাহিত হবে বলে আমরা মনে করি। সরকারি অর্থায়নে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সাংবাদিকদের মান উন্নয়নে পিআইবি যে প্রশিক্ষণ সেবা সরবরাহ করছে, তা অতুলনীয়। আমরা সমৃদ্ধ ও দক্ষ গণমাধ্যমকর্মী তৈরি করতে চাই, যারা দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেবে। প্রশিক্ষণে ঢাকায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত মোট ৩৪ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালায় মুখ্য প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ডেটাফুল প্রকল্পের প্রজেক্ট লিড পলাশ দত্ত। কর্মশালাটির সার্বিক সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করেন পিআইবির সহকারী প্রশিক্ষক নাসিমূল আহসান।
অতিরিক্ত মুনাফা থেকে মালিকদের দূরে থাকতে হবে : প্রধানমন্ত্রী
২২অক্টোবর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অতিরিক্ত মুনাফা থেকে মালিকদের দূরে থাকতে এবং ড্রাইভারদের দিয়ে অতিরিক্ত ডিউটি না করানোর নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাজধানীর কৃষিবিদ ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার সকালে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসের আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচল বন্ধ করতে ও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশনাও দেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কেবল ড্রাইভার নয় সাধারণ মানুষকেও সমান সচেতন হতে হবে। জীবনের আগে জীবিকা নয়, সড়ক দুর্ঘটনা আর নয় এই স্লোগানে রাজধানীসহ সারাদেশে পালিত হচ্ছে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০১৯। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কেবল চালক নয়; সাধারণ মানুষকেও সমান সচেতন হতে হবে। স্কুল পর্যায় থেকেই ট্র্যাফিক সচেতনতা বাড়াতে হবে। শেখ হাসিনা আরও বলেন, মালিকদের গাড়ি চালকের বিষয়ে আরো সচেতন হওয়া, প্রয়োজনীয় বিশ্রাম ও সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা করা উচিত। চালকদের ওভারটেকিং ও অসুস্থ প্রতিযোগিতার মানসিকতা থেকে বের হতে হবে। অতিরিক্ত মুনাফা থেকে মালিকদের দূরে থাকতে হবে। তিনি আরও বলেন, সরকার এখন যথেষ্ট স্বাবলম্বী। তাই নিজেদের টাকায় সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে। উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা হচ্ছে। নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে সবাই সচেতন থাকবেন। তাহলে সড়ক দুর্ঘটনা অনেকটা কমবে। এসময় ফিটনেসবিহীন গাড়ি রাস্তায় চলাচল বন্ধ করতে ও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।
ভোলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী
২১অক্টোবর,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভোলার ঘটনায় যারা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে। বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আমি এ ব্যাপারে দেশবাসীকে বলব ধৈর্য ধরতে। আর যারা এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় তাদের খুঁজে বের করা এবং তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। রোববার প্রধানমন্ত্রী সরকারি বাসভবন গণভবনে যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে এক বৈঠকে সূচনা বক্তব্যে এসব কথা বলেন। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতকারী ফেসবুক পোস্ট দেয়া এক ব্যক্তির শাস্তির দাবিতে রবিবার ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় বিক্ষোভ করা জনতার সাথে পুলিশের সংঘর্ষে চারজন নিহত ও শতাধিক মানুষ হন। শেখ হাসিনা বলেন, অস্থিতিশীলতা তৈরির জন্য একদল মানুষ ইচ্ছাকৃতভাবে এমন জঘন্য কাজ করছে। তিনি বলেন, চর বোরহানউদ্দিনে এক হিন্দু ছেলের ফেসবুক আইডি হ্যাক করে সেখানে কতগুলো মিথ্যাচার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ছেলেটি থানায় জিডি করে এবং পুলিশ আইডি হ্যাককারীকে গ্রেপ্তারও করে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সেখানে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে গেছে। হিন্দু ছেলেটির নাম করে যে কথাগুলো লিখেছে সে তো মুসলমান ছেলে। তো একজন মুসলমান হয়ে সে কীভাবে নবী করিম (স.) এর প্রতি বাজে কথা লিখে আরেকজনকে জড়ানোর চেষ্টা করতে পারে। তিনি বলেন, বিক্ষোভকারীদের যারা বুঝাতে গিয়েছিলেন তাদের রক্ষার জন্য পুলিশ গুলি ছুড়েছিল। আইডি হ্যাক, তাতে বাজে কথা লেখা ও সেটাকে কেন্দ্র করে যারা সমাবেত হয়ে পুলিশের ওপর আক্রমণ করল তাদের উদ্দেশ্য কী ছিল তা নিয়ে প্রশ্ন করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেখা যাচ্ছে সব জায়গায় ফেসবুকে অপপ্রচার ছড়ানো হচ্ছে অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টি করার জন্য। এটা কারা? এদের উদ্দেশ্য কী?
শিল্পী কালিদাস কর্মকারের প্রতি জাতির শেষ শ্রদ্ধা
২১অক্টোবর,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলায় ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিত্রশিল্পী কালিদাস কর্মকারের প্রতি। দেশবরণ্য এ শিল্পীর অকালে চলে যাওয়ায় জাতির অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। শ্রদ্ধা জানাতে এসে তার কর্মময় জীবনের স্মৃতিচারণ করলেন তার বন্ধু-সহকর্মীরা। গেলো শুক্রবার মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে মারা যান কালিদাস কর্মকার। শেষবারের মতো তাকে আনা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে। সেখানে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানান তার সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। একুশে পদক পাওয়া এ চিত্রশিল্পীর চলে যাওয়ায় ব্যথিত তাকে কাছ থেকে দেখা অন্যান্য শিল্পীরা। চারুকলা অনুষদ থেকে তাকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেয়া হয়। সেখানে আরেক দফা শ্রদ্ধা নিবেন করা হয় শিল্পীর প্রতি। এখানে রাজনৈতিক সামাজিক সাংস্কৃতিক নানা ব্যক্তি ও সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে তার মরদেহ সবুজবাগ কালিমন্দিরের শ্মশানঘাটে নিয়ে যাওয়া হয় শেষকৃত্যের জন্য। রাজধানীর ইস্কাটনের বাসায় বাথরুমে গিয়ে স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে পা পিছলে পড়ে গেলে তাকে উদ্ধার করে গত শুক্রবার বেলা পৌনে একটার দিকে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এরপর শিল্পীর মরদেহ রাখা হয় বারডেমের হিমঘরে। গতকাল শিল্পীর দুই কন্যা দেশে ফিরলে শেষকৃত্যের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কালিদাস কর্মকার বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা চিত্রশিল্পী যিনি নিরীক্ষাধর্মীতার জন্য বিখ্যাত। ১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দে ফরিদপুরে তাঁর জন্ম। শৈশবেই তিনি আঁকতে শুরু করেন। স্কুল জীবন শেষে ঢাকা ইনস্টিটিউট অব ফাইন আর্টস থেকে তিনি ১৯৬৩-৬৪ খ্রিস্টাব্দে চিত্রকলায় আনুষ্ঠানিক শিক্ষা লাভ করেন। পরবর্তীকালে কলকাতার গভর্নমেন্ট কলেজ অব ফাইন আর্টস অ্যান্ড ক্রাফট থেকে ১৯৬৯ খ্রিস্টাব্দে প্রথম বিভাগে প্রথম স্থান নিয়ে চারুকলায় স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ইয়োরোপীয় আধুনিকতার ঘরানার শিল্পী। চিত্র, ছাপচিত্র, স্থাপনা ও মিশ্রমাধ্যমে তাঁর অসামান্য নিরীক্ষাপ্রবণতার কাজ বাংলাদেশের চিত্রকলার ইতিহাসে তাকে অমর করে রাখবে। চিত্রশিল্পী কালিদাস কর্মকার এর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শপথ নিলেন হাইকোর্টের অতিরিক্ত নয় বিচারপতি
২১অক্টোবর,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে নবনিযুক্ত অতিরিক্ত নয় বিচারপতি শপথ নিয়েছেন। সোমবার সকালে সুপ্রিম কোর্ট জাজেস লাউঞ্জে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন তাদের শপথ পড়ান। শপথ গ্রহণের পর তাদের নিয়োগ কার্যকর হয়। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিরা। রাষ্ট্রপতি তাদের নিয়োগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেয়ার পর রোববার এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন মন্ত্রণালয়। সংবিধানের ৯৮ অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি দুই বছরের জন্য তাদের নিয়োগ দিয়েছেন। নবনিযুক্ত নয় অতিরিক্ত বিচারপতি হলেন- মুহম্মদ মাহবুব-উল-ইসলাম, শাহেদ নূরউদ্দিন, ড. মোঃ জাকির হোসেন, ড. মোঃ আখতারুজ্জামান, মোঃ মাহমুদ হাসান তালুকদার, কাজী ইবাদত হোসেন, কে এম জাহিদ সারওয়ার, এ কে এম জহিরুল হক ও কাজী জিনাত হক। নতুন নয়জনকে নিয়ে হাইকোর্টে বিচারকের সংখ্যা দাঁড়াল ১০০ জনে।
সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত শেষ না হওয়ায় হাইকোর্টের ক্ষোভ
২০অক্টোবর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত শেষ না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দেশের উচ্চ আদালত। একই সঙ্গে মামলার যাবতীয় কাগজসহ আগামী ৬ নভেম্বর তদন্ত কর্মকর্তাকে হাজির হতে বলা হয়েছে। তানভীর নামে এক আসামির আবেদনের শুনানি শেষে বিচাপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচাপতি মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি নিজ বাসায় খুন হন সাংবাদিক দম্পতির সাগর সরোয়ার ও মেহেরুন রুনী। বর্তমানে এ মামলার তদন্ত করছে Rab।

জাতীয় পাতার আরো খবর