জনগণের জন্য কাজ করতে গিয়েই আওয়ামী নেতাকর্মীরা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন : তথ্যমন্ত্রী
১৯জুন,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, সংসদ সদস্য ও বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধিরা জনগণের জন্য কাজ করতে গিয়েই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তিনি আজ বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সদ্যপ্রয়াত নেতৃবৃন্দের রুহের মাগফেরাত ও অসুস্থ নেতাকর্মীদের আশু আরোগ্য কামনায় প্রার্থনা ও দোয়া মাহফিল শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, করোনা প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার শুরু থেকেই আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, মন্ত্রিপরিষদ ও সংসদ সদস্যবৃন্দ ও বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধিরা জনগণকে সুরক্ষা এবং সহায়তা করার জন্য ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। যে কারণে আমরা দেখতে পাচ্ছি, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ বহু নেতাকর্মী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। বিশেষ করে বরেণ্য নেতা মোহাম্মদ নাসিম, সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ আব্দুল্লাহ, সিলেটের সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান মৃত্যুবরণ করেছেন। এর মূল কারণ হচ্ছে, তারা জনগণের পাশে থেকে কাজ করছিলেন এবং তা করতে গিয়েই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, বলেন তথ্যমন্ত্রী। বিএনপি নেতাদের করোনায় আক্রান্তের খবর পাওয়া যাচ্ছে না- সাংবাদিকদের এমন মন্তব্যের প্রেক্ষিতে তথ্যমন্ত্রী বলেন, কেউ আক্রান্ত হোক, সেটি আমরা কখনো কামনা করি না। বিএনপি নেতারা সবাই সুস্থ থাকুন, আমরা এবং সব মানুষ যেন সুস্থ থাকে সেটিই আমরা কামনা করি। সেইসাথে এটিও সত্য যে, যারাই জনগণের পাশে থেকে কাজ করছেন, তারাই আক্রান্ত হচ্ছেন ও তাদেরই আক্রান্তের আশংকা বেশি। অপরদিকে বিএনপি নেতারা যারা হাতগুটিয়ে বসে আছেন, ঘরের মধ্যে থেকে প্রেস ব্রিফিং আর কিছু ফটোসেশনের মধ্যে কাজকর্ম সীমাবদ্ধ রেখেছেন, জনগণের পাশে দাঁড়াননি, তাদের আক্রান্ত হবার আশংকা কম। তবে, আমি সবসময় প্রার্থনা করি, বিএনপি নেতৃবৃন্দ সবাই সুস্থ থাকুন, বলেন তিনি। এসময় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদের দেশে স্বাস্থ্যসেবা ভেঙে পড়েছে মন্তব্যের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে মন্ত্রী ড. হাছান বলেন, দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা যতটুকু আছে, সেই সামর্থকে কাজে লাগিয়ে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও প্রশাসনের প্রাণান্তকর চেষ্টায় এখনো বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে কম মৃত্যুহারের দেশগুলোর একটি। সেইসাথে স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নের সকল উদ্যোগ হাতে নেয়া হয়েছে। সুতরাং, অর্বাচীনের মতো কথা না বলে তাদের জনগণের পাশে দাঁড়াতে অনুরোধ জানাই। এর আগে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের প্রয়াত নেতা মোহাম্মদ নাসিম, সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ আব্দুল্লাহ, সিলেটের সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরানসহ দলের সদ্যপ্রয়াত নেতৃবৃন্দের আত্মার মাগফেরাত ও অসুস্থ নেতাকর্মীদের আরোগ্য কামনা করে প্রার্থনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, জাহাঙ্গীর কবির নানক, ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সরাসরি উপস্থিত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, আ.ফ.ম বাহাউদ্দিন নাসিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, বি.এম মোজাম্মেল হক, এস.এম কামাল হোসেন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ এতে অংশ নেন। মাহফিল শেষে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দের দীর্ঘায়ু ও মঙ্গল কামনা এবং দেশ ও বিশ্বকে করোনা থেকে মুক্তির জন্য মুনাজাত করা হয়।
প্রয়াত নেতাকর্মীদের মাগফেরাত কামনায় আওয়ামী লীগের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
১৯জুন,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসে আক্রান্তসহ বিভিন্ন রোগে প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে আজ দলের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য এবং সাবেকমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, সিলেটের সাবেক মেয়র বদরুদ্দিন আহমেদ কামরান, সাবেক এমপি মকবুল হোসেনসহ প্রয়াত অন্যান্য নেতা-কর্মীদের রুহের মাগফেরাত কামনা এবং দেশবাসীর জন্য দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সাবেকমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুনের সুস্থতা কামনায়ও দোয়া করা হয়। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এতে অংশ নেন। দোয়া মাহফিলে আওয়ামী লীগ সভাপতিমন্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, জাহাঙ্গীর কবির নানক, তথ্যমন্ত্রী ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, আফম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, এস এম কামাল হোসেন, সাখাওয়াত হোসেন শফিক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সবুর, উপ দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, কেন্দ্রীয় নেতা শাহাবুদ্দিন ফরাজি, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। জাহাঙ্গীর কবির নানক এসময় বলেন,, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী এবং মন্ত্রীরা দেশের অসহায় মানুষেরর মাঝে ত্রান বিতরণ অব্যাহত রেখেছেন। তিনি বলেন,বিএনপি এই দু:সময়ে মানুষের পাশে না দাঁডিয়ে সরকারের সমালোচনা করছে। এটি বিএনপির পুরনো অভ্যাস।
বাংলাদেশী শুল্ক পণ্যের ৯৭ শতাংশ শুল্কমুক্ত সুবিধা দিল চীন
১৯জুন,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চীন বাংলাদেশের শুল্ক পণ্যের শতকরা ৯৭ ভাগ শুল্কমুক্ত সুবিধা দিয়েছে। আজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে চীন এ সুবিধা প্রদান করবে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারের অর্থনৈতিক কূটনীতির অংশ হিসেবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ সুবিধা দেয়ার অনুরোধ করে চীন সরকারকে চিঠি দেয়া হয়েছিল। এ অনুরোধের প্রেক্ষিতে চীনের স্টেট কাউন্সিলের ট্যারিফ কমিশন সম্প্রতি এ সুবিধা প্রদান করে নোটিশ জারি করে। স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে এ সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। ৫ হাজার ১৬১টি বাংলদেশী পণ্য এ শুল্কমুক্ত সুবিধার আওতায় থাকবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আরো বলা হয়, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে চীন থেকে এশিয়া প্যাসেফিক ট্রেড এগ্রিমেন্ট (আপটা)-র আওতায় ৩ হাজার ৯৫ টি পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা ভোগ করে থাকে। সেই সুবিধার বাইরে এই শতকরা ৯৭ ভাগ শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদান করা হলো। ফলে, শুল্কমুক্ত সুবিধার আওতায় বাংলাদেশকে চীনের পক্ষ থেকে ৮ হাজার ২৫৬ পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা দেয়া হলো।
সাবেক মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ করোনায় আক্রান্ত
১৯জুন,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী, ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তিনি বর্তমানে ঢাকায় নিজ বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে তিনি বলেন, আজ করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পেয়েছি। তাতে পজিটিভ এসেছে। আমি বাসাই আছি। স্বাভাবিক আছি, বড় কোনো সমস্যা মনে করছি না। কীভাবে আক্রান্ত হলাম বুঝতে পারছি না। আসলে হাজার হাজার মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে। আমার জন্য দোয়া করবেন। খন্দকার মোশারফ হোসেন একাদশ জাতীয় সংসদে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির দায়িত্ব পালন করছেন।
২৮০ সংসদ সদস্য পাচ্ছেন ৬৪৭৭ কোটি টাকা
১৯জুন,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কোভিড-১৯ এর কারণে সৃষ্ট সংকটে দেশের আর্থিক অবস্থা মহাসংকটে। এমন সময়ে সারাদেশের এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গতি বাড়াতে দেশের ২৮০টি সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্যরা (এমপি) বরাদ্দ পাবেন ৬ হাজার ৪৭৭ কোটি টাকা। অগ্রাধিকারভিত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ‘পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প-৩ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ২৮০ এমপি বরাদ্দ পাবেন। ২০২০ সালের জুলাই থেকে ২০২৪ সালের জুন মেয়াদে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর। রোববার (২১ জুন) প্রকল্পটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে। গণভবন থেকে একনেক সভায় সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপাসন শেখ হাসিনা। গণভবনে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ও পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান উপস্থিত থাকবেন। একনেক সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নেবেন পরিকল্পনা মন্ত্রী। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে প্রত্যন্ত পল্লী অঞ্চলেও আধুনিক নগর সুবিধা সম্প্রসারিত হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। পরিকল্পনা কমিশনের কৃষি, পানিসম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের (প্রধান) প্রশান্ত কুমার চক্রবর্তী বাংলানিউজকে বলেন, প্রকল্পটি রোববার একনেক সভায় উপস্থাপন করা হবে। প্রকল্পটি আগেই প্রস্তুত করেছি। তবে করোনা সংকটের কারণে স্বাস্থ্য ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের কিছু প্রকল্প একনেকে অনুমোদন দিয়েছি। এখন এই প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হবে। এমপিরা তৃতীয়বারের মতো বরাদ্দ পাচ্ছেন। এ দফায় বরাদ্দের পরিমাণ ২০ কোটি টাকা। এই টাকা দিয়ে তারা এলাকার রাস্তা, ব্রিজ, কালভার্ট, হাটবাজার ও বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন করতে পারবেন। তবে একবারে নয়, চার ভাগে প্রতিবছর পাঁচ কোটি টাকা করে এই টাকা বরাদ্দ পাবেন তারা। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে করোনা সংকট মোকাবিলায় অবদান রাখবে। সাধারণত গ্রামীণ এলাকায় প্রকল্পের কাজ হবে। তৃতীয় দফার এই প্রকল্পের আওতায় নতুন করে ৩০৫ কিলোমিটার উপজেলা সড়ক, ৩৬০ কিলোমিটার ইউনিয়ন সড়ক উন্নয়ন, ৫ হাজার ৭৫ কিলোমিটার গ্রাম সড়ক উন্নয়ন, এক হাজার ৯০ কিলামিটার গ্রামীণ সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ, ৭ হাজার ৯৯২ মিটার গ্রামীণ সড়কে (১০০ মিটারের কম দৈর্ঘ্যের) সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ করা হবে। এমপিদের জন্য এটি তৃতীয় ধাপের বরাদ্দ। এর আগে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর প্রত্যেক এমপি নিজ আসনের অবকাঠামো উন্নয়নে ১৫ কোটি টাকা করে বরাদ্দ পেয়েছিলেন। এসময় ব্যয় ছিল ৪ হাজার ৯৯২ কোটি টাকা। এটি ২০১০ সালের মার্চ থেকে ২০১৬ সালে জুনে শেষ হয়। আওয়ামী লীগ টানা দ্বিতীয় মেয়াদে সরকার গঠন করলে নিজ নিজ আসনের জন্য এমপিরা আরও ২০ কোটি টাকা করে বরাদ্দ পান। এসময় ৬ হাজার ৭৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। ২০১৫ সালের জুলাই থেকে ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত মেয়াদে ওই প্রকল্প চলমান। দেশে সংসদীয় আসন ৩০০টি হলেও এই প্রকল্পের আওতায় থাকছে ২৮০টি আসন। মূলত দেশের ১২টি সিটি করপোরেশন এলাকায় যে ২০টি সংসদীয় আসন রয়েছে, সেই আসনগুলোকে এই প্রকল্পের বাইরে রাখা হয়েছে। এছাড়া সংরক্ষিত নারী এমপিদেরও এই প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
আইসিইউতে সাহারা খাতুন
১৯জুন,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুনকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে। শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে সাহারা খাতুনের ব্যক্তিগত সহকারী মুজিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় আজ সকালে তাকে আইসিইউতে নেয়া হয়েছে। মুজিবুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার রাত ১২টায় চিকিৎসকদের মেডিকেল বোর্ড বৈঠক করেন। তখন হাসপাতালের এসডিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন সাহারা খাতুন। এর আগে শারীরিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় গত ২ জুন দিবাগত রাতে তাকে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। দফায় দফায় করোনা পরীক্ষা করে নেগেটিভ রিপোর্ট এসেছে তার।
সাংবাদিকরা করোনাভাইরাসের সম্মুখযোদ্ধা: তথ্যমন্ত্রী
১৮জুন,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন অগ্রগতিতে ঈর্ষান্বিত হয়ে এবং একইসাথে নিজেদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে শংকিত হয়ে পড়ায় সেই ঈর্ষা ও শঙ্কা থেকে রিজভী আহমেদসহ বিএনপি নেতৃবৃন্দ যে বক্তব্যগুলো রাখছেন তা উদভ্রান্তের প্রলাপের মতো। তিনি আজ দুপুরে রাজধানীতে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট নির্বাহী পরিষদের সভার শুরুতে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন। এসময় ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে বিএনপি শুভঙ্করের ফাঁকি বলে আখ্যা দিয়েছে -এ বিষয়ে প্রশ্নের উত্তরে তিনি একথা বলেন। তথ্য সচিব কামরুন নাহার, প্রধান তথ্য অফিসার সুরথ কুমার সরকার, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাফর ওয়াজেদ, নির্বাহী কমিটি সদস্যদের মধ্যে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজে সভাপতি মোল্লা জালাল, ঢাকা সংবাদিক ইউনিয়ন-ডিইউজে সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ, সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু ও তথ্য মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি গত ১১ বছওে কোনো বাজেটের প্রশংসা করতে পারে নাই। প্রতিবারেই তারা বাজেটকে উচ্চাকাঙ্খী ও বাস্তবায়নযোগ্য নয় বলেছেন। দেশের আরো কিছু প্রতিষ্ঠানও বিএনপির সাথে একই সুরে কথা বলেন। কিন্তু তাদের সমস্ত শঙ্কা, বিশেষজ্ঞতা ও বিরূপ মতামত ভুল প্রমাণ করে বাংলাদেশে গত ১১ বছর সব বাজেট বাস্তবায়িত হয়েছে। বাজেট বাস্তবায়নের হার উন্নয়ন বাজেটসহ ৯৩ থেকে ৯৭ শতাংশ। এ বাজেটগুলো বাস্তবায়িত হবার কারণে দেশে মানুষের মাথাপিছু আয় সাড়ে তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে, জিডিপির আকার বেড়েছে প্রায় তিনগুণ, বাংলাদেশ স্বল্পন্নোত থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে, দারিদ্র্য ৪১ থেকে ২০ শতাংশে নেমে এসেছে -এটিই হচ্ছে বাস্তবতা বলে উল্লেখ করেন ড. হাছান মাহমুদ। বাজেট পাসের আগেই মোবাইল অপারেটররা অতিরিক্ত টাকা কেটে রাখছে -এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রথমত বাজেট পাস হওয়ার আগেই মোবাইলে যদি অতিরিক্ত টাকা কাটা শুরু হয়ে থাকে, এটি অন্যায়। মোবাইল কোম্পানিগুলো প্রস্তাবিত বাজেটের কথা ধরে ৩০ জুন বাজেট পাস হওয়ার আগে এটি করা সমীচীন নয়, অন্যায় এবং আইনবহির্ভূত। তথ্যমন্ত্রী এসময় সাংবাদিকদের করোনাভাইরাসের সম্মুখযোদ্ধা হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, ইতোমধ্যে দেশে প্রায় তিনশত সাংবাদিক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। বেশ কজন সাংবাদিক বন্ধু করোনাভাইরাসে ও আরো কজন এ রোগের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। এসমস্ত প্রতিকূলতার মধ্যেও তারা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু এই পরিস্থিতিতেও দুঃখজনকভাবে অনেক মিডিয়া হাউজ সঠিক সময়ে বেতন ভাতা দেননি। অনেক হাউজে অনেক সাংবাদিক চাকুরিচ্যুতির শিকার হয়েছেন। ড. হাছান বলেন, এ বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, এই প্রেক্ষাপটে দুস্থ, অসহায় হয়ে পড়া সাংবাদিকদেরকে যাতে আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়। তিনি বলেন, সেই লক্ষ্যে আমরা পূর্বের সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের সভায় যারা চাকুরিচ্যুত, দীর্ঘদিন ধরে বেতন পাচ্ছেন না এ ধরণের যারা অসহায় অবস্থায় নিপতিত সাংবাদিকদের এককালীন ১০ হাজার টাকা করে অনুদান দেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিলাম। তথ্যমন্ত্রী আরো জানান, আজকে সেই অনুদানের প্রথম পর্যায়ে যারা সহায়তা পাবেন তাদের তালিকাটি চূড়ান্ত করবো। এই তালিকাটি সাংবাদিক নেতৃবৃন্দই চূড়ান্ত করেছেন এবং ট্রাস্টের নীতিমালা অনুযায়ী সাংবাদিক ইউনিয়ন এবং ডেপুটি কমিশনারদের মাধ্যমে যেগুলো এসেছে অর্থাৎ সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বা অন্য কোন সংগঠনের মাধ্যমে পাওয়া তালিকাও যে তারা বিবেচনায় নেননি তা নয়। সেই তালিকা আজকের সভায় উপস্থাপনের পর সেটি পরীক্ষা নিরীক্ষা করে চূড়ান্ত করা হবে জানিয়ে ড. হাছান বলেন, প্রথম পর্যায়ে দলমত নির্বিশেষে দেড় হাজার সাংবাদিকের তালিকা আমরা চূড়ান্ত করবো। পরবর্তী পর্যায়ে আরো সাংবাদিক এ সহায়তা পাবে। সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে তারা চেক গ্রহণ করবেন।
চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে ১ কোটি ৩০ লাখ মানুষ: বিশেষজ্ঞদের মত
১৮জুন,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে দেশে ১ কোটি ৩০ লাখ মানুষ চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছেন। যারা অস্থায়ী কিংবা খণ্ডকালীন পেশার সাথে জড়িত রয়েছেন তারাই এই ঝুঁকিতে পড়েছেন বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশের আয়োজনে এসডিজি'র নতুন চ্যালেঞ্জ ও বাজেট ২০২০-২১ শীর্ষক এক ভার্চুয়াল সংলাপে এ আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন এসডিজি প্ল্যাটফর্মের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এবং সিপিডির চেয়ারম্যান অধ্যাপক রেহমান সোবহান। এসডিজি প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক এবং সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য সংলাপে মূল প্রতিবেদন উপস্থান করেন। তিনি বলেন, ২০১৬-১৭ শ্রমশক্তি জরিপের উপাত্ত পর্যালোচনা করে এই প্রাক্কলন করা হচ্ছে। বর্তমান অবস্থা বিবেচনায় নিলে চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে থাকা মানুষের সংখ্যা আরও বাড়বে। দেশের পিছিয়ে পড়া ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন। চলমান অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সরকার একটি বিশেষ অর্থনীতি পুনরুদ্ধার কার্যক্রম বিবেচনা করতে পারে। সংলাপে বক্তরা বলেন, একটি বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করে পর্যায়ক্রমিক পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে চলমান সংকট থেকে পুনরুদ্ধারের কার্যক্রম গ্রহণ জরুরি। বর্তমানে করোনা মহামারির ফলে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দেশের অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় এসডিজি কাঠামোকে বিশেষভাবে সন্নিবদ্ধ করা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে দেশের পিছিয়ে পড়া ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে সহযোগিতার আওতায় আনার ক্ষেত্রে বিশেষ নজর জরুরি। সংলাপে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা, বরগুনা, সুনামগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও, বগুড়াসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে উন্নয়ন কর্মী-বিশেষজ্ঞ, অর্থনীতিবিদ, গবেষক, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, যুব প্রতিনিধি এবং সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর