নারায়ণগঞ্জের ৩ স্বাস্থ্যকর্মীর করোনা শনাক্ত, ভিক্টোরিয়া হাসপাতালের জরুরি বিভাগ বন্ধ
0৭এপ্রিল,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাস(কভিড-১৯) সংক্রমণের শঙ্কায় নারায়ণগঞ্জের ভিক্টোরিয়া হাসপাতালের জরুরি বিভাগ সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ হাসপাতালের তিন স্বাস্থ্যকর্মীর করোনা শনাক্ত হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা সিভিল সার্জন। গত ৩০ মার্চ নারায়ণগঞ্জ বন্দরের রসুলবাগ এলাকার এক নারী করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তিনি এ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নেন। এর জেরে এ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কয়েকজনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়। পরে তাদের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। সোমবার রাতে তিন স্বাস্থ্যকর্মীর করোনা শনাক্ত হয়। এর পরপরই হাসপাতালের জরুরি বিভাগ সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করা হয়। তবে চালু থাকছে হাসপাতালের বর্হিবিভাগ ও অন্যান্য সেবা। জীবানুমুক্ত করার পর ফের খুলে দেয়া হতে পারে জরুরি বিভাগ। এর মধ্যে রোগীদের বিকল্প হিসেবে শহরের খানপুরের ৩শ' শয্যা বিশিষ্ট নারায়ণগঞ্জ হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়ার পরামর্শ দেন সিভিল সার্জন। নারায়ণগঞ্জে মৃত এ নারীর সংস্পর্শে আসা ৫৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়, যাদের মধ্যে ২৩ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।
চলতি মাসে করোনার প্রভাব আরো বাড়তে পারে,চিকিৎসকদের স্বাস্থ্য বীমা দেয়া হবে
0৭এপ্রিল,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলতি এপ্রিল মাসে করোনা ভাইরাসের(কভিড-১৯) প্রভাব আরো বাড়তে পারে বলে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ অবস্থায় ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার সকালে গণভবন থেকে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের জেলাসমূহের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে এ কথা জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে করোনা পরিস্থিতিতে অনেক মানুষ হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসক পাচ্ছেন না, সেবা পাচ্ছেন না, এটা খুবই দুঃখজনক। তবে যারা চিকিৎসা না দিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন তারা ভবিষ্যতে কিভাবে মানুষের সেবা দেন তাও পর্যবেক্ষণ করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। বিনা চিকিৎসায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মারা যাওয়ার ঘটনার জন্য যেসব চিকিৎসক দায়ী তাদের পরিচয় জানতে চাওয়ার পাশাপাশি চাকরি থেকে বের করে দেয়া উচিত বলেও হুঁশিয়ারি দেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংকটময় এ পরিস্থিতিতে চিকিৎসক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মীদের সবার ইনসিউরেন্সের ব্যবস্থা করা হবে। যারা জীবন বাজি রেখে কাজ করছে তারা যদি করোনায় আক্রান্ত হন তাহলে তার বা তাদের চিকিৎসার সব দায়িত্ব সরকার নেবে বলেও আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, করোনায় চিকিৎসাসেবা দানকারীদের ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা স্বাস্থ্য বীমা দেয়া হবে। চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট কেউ আক্রান্ত হলে দ্বিগুণ এবং কেউ মারা গেলে তার পরিবার ৫ গুণ অর্থ সহায়তা পাবে। পরে প্রধানমন্ত্রী পরিস্থিতি মোকাবেলায় জেলা, উপজেলা ইউনিয়ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধিদের তালিকা তৈরি করে বাড়িতে বাড়িতে খাবার পৌঁছে দেয়ার আহ্বান জানান। এছাড়াও প্রণোদনা প্যাকেজ নিয়ে দুর্নীতিতে জড়ালে কাউকে ছাড় না দেয়ার হুঁশিয়ারি দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। করোনা সারা বিশ্বে প্রলয় সৃষ্টি করেছে। এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। শুরু থেকে এ পরিস্থিতি মোকাবেলার চেষ্টা করছে সরকার। চলতি মাসে করোনার ধাক্কাটা বাংলাদেশে আসবে এমন ধারণা করা হচ্ছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সারাবিশ্ব হিমশিম খাচ্ছে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায়। আওয়ামী লীগ সরকার চায় রোগের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণ করতে। এজন্য সবাইকে নিয়ে কাজ করার পরামর্শ দেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশিরা মারা যাচ্ছে, এটা খুবই বেদনাদায়ক। এছাড়া দেশে যারা করোনায় মারা গেছেন তাদের বেশিরভাগেরই শারীরিক অবস্থা দুর্বল ছিল বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।
দুর্যোগে চিকিৎসা নিয়ে যারা শর্ত দিয়েছেন তাদের কাজ করার দরকার নাই:প্রধানমন্ত্রী
0৭এপ্রিল,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলতি মাসে দেশে আরও ব্যাপক আকারে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ার আভাস মিলছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকালে ভিডিও কনফারেন্সে তিনি এ কথা জানান। গণভবন থেকে এই ভিডিও কনফারেন্সে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের জেলাসমূহের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখচিব ড. আহমদ কায়কাউস। এসময় তিনি বলেন, দুর্যোগে চিকিৎসা নিয়ে যারা শর্ত দিয়েছেন তাদের কাজ করার দরকার নাই। করোনা পরিস্থিতিতে জরুরি সেবাদানকারীদের বিশেষ প্রণোদনা দেয়ারও ঘোষণা দেন তিনি।
করোনা: এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহ দেশের জন্য মারাত্মক সময়,ছুটি বাড়ানোর পরামর্শ
0৭এপ্রিল,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্ব পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রথম শনাক্তের এক থেকে দেড়মাস পরে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠে করোনা। সেই বিবেচনায় এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহে এ দেশের জন্য মারাত্মক সময় বলছেন বিশেষজ্ঞরা। সেক্ষেত্রে এলাকাভিত্তিক নয় দরকার দেশজুড়ে লকডাউন। তবে নিজেদের সীমাবদ্ধতা মাথায় রেখে পরিকল্পনা সাজালে করোনা মোকাবিলা সহজ হবে বলে মত তাদের। বিশ্বজুড়ে মহামারী তোলা করোনা বাংলাদেশে বলতে গেলে অনেকটা সহনীয় পর্যায়েই ছিলো। তবে শনাক্তের মাসখানেক পর এদেশেও স্বরূপে দেখা দিচ্ছে কোভিড-১৯। গত তিনমাসে বিশ্বব্যাপী করোনার প্রভাব পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়- প্রথম শনাক্ত হওয়ার পর রোগীর সংখ্যা বেড়েছে গাণিতিক হারে। তখনই সীমিত আকারে দেখা দেয় কমিউনিটি ট্রান্সমিশন। এর পরের ধাপে আক্রান্তের সংখ্যা ছড়াতে থাকে জ্যামিতিক হারে। এই পর্যায়ে শুরু হয় গণসংক্রমণ। এক থেকে দেড় মাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে একপর্যায়ে ছোঁয় চূড়ান্ত সীমা। এরপর ধীরে ধীরে কমতে থাকে সংখ্যা। তবে সেই সর্বোচ্চচূঁড়া কোথায় হবে তা নির্ভর করে সেই দেশের সার্বিক প্রস্তুতির ওপর। সেই হিসেবে এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহ এ দেশের জন্য সবচেয়ে কঠিন সময় হতে পারে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগে সাবেক পরিচালক অধ্যাপক বে নজির আহমেদ বলেন, এপ্রিলের মাঝামাঝি বা শেষেও হতে পারে। এটা সবশেষে এক রকমভাবে হচ্ছে না। এখন যেভাবে বাড়তেছে সেটা জ্যামিতি হারে বাড়তেছে। মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক রিদওয়ানুর রহমান বলেন, আগে টেস্ট কম হচ্ছিলো বলে কম পড়েছিলো। কিন্তু এখন টেস্ট বেশি হচ্ছে ধরাও বেশি পড়তেছে। তারা বলছেন, সাধারণ ছুটি ঘোষণায় অনেকটা সুফল মিলবে, তবে প্রতিদিনের টেস্টের রিপোর্ট দেখে ঠিক করতে হবে পরিকল্পনা। সুপরিকল্পিত পরিকল্পনা প্রনয়ন করতে পারলে দেশের বাস্তবতায় বর্তমান সামর্থ্যের মধ্যেই করোনার লাগাম নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে বলে মত তাদের। অধ্যাপক বে নজির আহমেদ আরও বলেন, ব্যবস্থাপনার জায়গা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ দিতে। আমার কত টাকা পয়সা ও জিনিসপত্র রয়েছে সেটা দেখার বিষয় নয়। ববং আমার যা আছে, সেটা কীভাবে সঠিকভাবে ব্যবহার করা যায় সেটা দেখতে হবে। অধ্যাপক রিদওয়ানুর রহমান বলেন, আমাদের ক্লাস্টার করে হবে না। পুরো দেশ লকডাউন করতে হবে। প্রয়োজনে চলমান ছুটি আরো বাড়ানোর পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।
করোনাভাইরাসে মৃত ব্যক্তিকে নির্ভয়ে দাফন-কাফন করুন
0৬এপ্রিল,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাসে মৃত ব্যক্তিকে নির্ভয়ে শরীয়তের নিয়ম অনুযায়ী দাফন-কাফন করার আহবান জানিয়েছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাষ্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। একই সঙ্গে অন্যদেরও নির্ভয়ে নিজ নিজ ধর্মের নিয়মানুযায়ী সৎকার করতে বলেছেন তিনি। সোমবার এক বিবৃতিতে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী আরো বলেন যে, মৃত ব্যক্তির শরীরে করোনাভাইরাস বাঁচতে পারেনা, তার বৃদ্ধিও হয় না। করোনায় মৃত ব্যক্তির শরীর থেকে অন্য কোনো ব্যক্তির শরীরে প্রসারিত হয় না। মৃত ব্যক্তিকে ধর্মীয় মতে সাবান দিয়ে গোসল করালে করোনার প্রসার বন্ধ হয়।
গণপরিবহন ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ থাকবে
0৬এপ্রিল,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা সংকটের সময় পারস্পরিক দোষারোপ না করে, ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে জনগণের পাশে দাঁড়াতে বিএনপিসহ সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।সোমবার দুপুরে রাজধানীর সরকারি বাসভবনে সংবাদ সম্মেলনে এ আহ্বান জানান তিনি।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্যাকেজ প্রণোদনা ঘোষিত হওয়ার পর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যে মন্তব্য করেছেন, সেটা ভিত্তিহীন, অযৌক্তিক এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, বিএনপি নেতারা যেকোনও পরিস্থিতিতেই রাজনৈতিক ফায়দা লোটার অপতৎপরতায় লিপ্ত থাকেন।সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, সরকারি ছুটি ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে গণপরিবহনও ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। তবে জরুরি সেবা,পণ্যবাহী যাবাহন,কাভার্ডভ্যান, ট্রাক চলাচল করবে,পণ্যবাহী পরিবহনে কোনোভাবেই জনগণ চলাচল করতে পারবে না।
মন্ত্রিসভার বৈঠকে রমজানে সময়সূচি নির্ধারণ
0৬এপ্রিল,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:আসন্ন রমজান মাসে সব সরকারি, আধা-সরকারি এবং স্বায়ত্বশাসিত ও আধা স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের জন্য অফিস সময় পরিবর্তন করে সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত করা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার (৬ এপ্রিল) গণভবনে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ সময়সূচি নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারি অফিস রোববার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত অফিস চলবে। দুপুর সোয়া ১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত যোহরের নামাজের বিরতি থাকবে। শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে।তবে ব্যাংক, বীমা, অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ডাক, রেলওয়ে, হাসপাতাল, রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠান, কলকারখানা এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠান যাদের সার্ভিস অতি জরুরি তারা তাদের নিজস্ব বিধি বিধান অনুযায়ী জনস্বার্থ বিবেচনা করে অফিসসূচি নির্ধারণ ও অনুসরণ করবে।চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৫ এপ্রিল থেকে রোজা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে মৎস্য বা মৎস্যপণ্য বাজারজাত করলে সাত বছরের কারাদণ্ড বা পাঁচ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রেখে মৎস্য ও মৎস্যপণ্য (পরিদর্শন ও মাননিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০২০ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার (৬ এপ্রিল) গণভবনে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ আইনের অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম। এরআগে আইনের খসড়া গত বছরের ১৯ মার্চ মন্ত্রিসভা বৈঠকে উপস্থাপন করা হলে নীতিগতভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়। আইনে বলা হয়েছে, লাইসেন্স গ্রহণ ছাড়া কোনো ব্যক্তি মৎস্য ও মৎস্যপণ্য রপ্তানি, কারখানা স্থাপন বা প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করতে পারবে না। পরিদর্শনকারী কর্মকর্তা পরিদর্শনকালে কারখানা বা স্থাপনার স্বাস্থ্যকর পরিবেশ বজায় না রাখা এবং প্রক্রিয়াজাতকরণে মানের ব্যত্যয় হলে অপরাধীর বিরুদ্ধে অনধিক পাঁচ লাখ টাকা প্রশাসনিক জরিমানা করার বিধান দেওয়া হয়েছে। কারখানা বা স্থাপনার মালিক নির্ধারিত পদ্ধতিতে কারখানা বা স্থাপনার স্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও স্যানিটারি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করবেন। মৎস্য ও মৎস্যপণ্য আমদানি ও রপ্তানি বিধানাবলী নিয়ে বলা হয়, রপ্তানির ক্ষেত্রে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অনাপত্তিপত্র গ্রহণ করতে হবে। বিদ্যমান অধ্যাদেশে বর্ণিত অপরাধের শাস্তি হিসেবে ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড নির্ধারণ করা আছে। প্রস্তাবিত আইনে কারাদণ্ডের মেয়াদ ও জরিমানার পরিমাণ যৌক্তিকভাবে বাড়ানো হয়েছে। কোনো ব্যক্তি রপ্তানি বা অভ্যন্তরীণ বাজারে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে মৎস্য বা মৎস্যপণ্য বাজারজাত করলে শাস্তি অনধিক সাত বছর (কিন্তু ৫ বছরের নিচে নয়) কারাদণ্ড বা পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। দূষিত মাছ বিক্রি করলে অনধিক পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানার বিধান আছে আইনে। এ আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের বিচার প্রথম শ্রেণির জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়াও মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ এর তফসিলভুক্ত করে বিচারে বিধান করা হয়েছে। অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের আদেশের বিরদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বা সরকারে কাছে প্রশাসনিক আপিল করতে পারবে। প্রস্তাবিত আইন কার্যকর হলে রপ্তানি বাজার ধরে রাখা এবং নতুন বাজারে অনুপ্রবেশের সুযোগ বাড়বে এবং একই সঙ্গে মানসম্পন্ন মৎস্য ও মৎস্যপণ্য আমদানি ও অভ্যন্তরীণ বাজারে বাজারজাতকরণ নিশ্চিত করা যাবে। আইন কার্যকরণে সরকার বিধি প্রণয়ন করতে পারবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়াও বাংলাদেশ রেফারেল ইনস্টিটিউট ফর কেমিক্যাল মেজারমেন্টস আইন, ২০২০ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

জাতীয় পাতার আরো খবর