শপথ নিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের এমপিরা
২০ফেব্রুয়ারী,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: শপথ নিয়েছেন একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত আসনের নারী সংসদ সদস্যরা (এমপি)। বুধবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় স্পিকার ড. শিরীর শারমিন চৌধুরী তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান। সংসদ ভবনের নিচতলায় শপথ কক্ষে তাদের শপথ পাঠ করানো হয়। সংসদের দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব আ ই ম গোলাম কিবরিয়া শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন। এর আগে নারী সংসদ সদস্যদের নির্বাচিত ঘোষণা করে রোববার প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির যুগ্ম সচিব ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কাসেম বলেন, ৪৯টি নারী আসনের কোনোটিতে একাধিক প্রার্থী না থাকায় কমিশন সবাইকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করে। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিতদের মধ্যে আওয়ামী লীগের ৪৩ জন, জাতীয় পার্টির চারজন, ওয়ার্কার্স পার্টির একজন এবং স্বতন্ত্র একজন প্রার্থী রয়েছেন। বিএনপি এমপিরা এখনও শপথ না নেয়ায় তাদের নির্ধারিত ১টি আসন এখনও শূন্য। যারা শপথ নিলেন তাদের মধ্যে : আওয়ামী লীগের ৪৩ জন হলেন- ঢাকার শিরীন আহমেদ, জিন্নাতুল বাকিয়া, শবনম জাহান শিলা, সুবর্ণা মোস্তফা ও নাহিদ ইজহার খান, চট্টগ্রামের খাদিজাতুল আনোয়ার ও ওয়াশিকা আয়েশা খানম, কক্সবাজারের কানিজ ফাতেমা আহমেদ, খাগড়াছড়ির বাসন্তী চাকমা, কুমিল্লার আঞ্জুম সুলতানা ও অ্যারোমা দত্ত, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম, গাজীপুরের শামসুন্নাহার ভূঁইয়া ও রুমানা আলী, বরগুনার সুলতানা নাদিরা, জামালপুরের মিসেস হোসনে আরা, নেত্রকোনার হাবিবা রহমান খান ও জাকিয়া পারভীন খানম, পিরোজপুরের শেখ এ্যানী রহমান, টাঙ্গাইলের অপরাজিতা হক ও খন্দকার মমতা হেনা লাভলী, সুনামগঞ্জের শামীমা আক্তার খানম, মুন্সীগঞ্জের ফজিলাতুন্নেছা, নীলফামারীর রাবেয়া আলী, নরসিংদীর তামান্না নুসরাত বুবলী, গোপালগঞ্জের নার্গিস রহমান, ময়মনসিংহের মনিরা সুলতানা, ঝিনাইদহের খালেদা খানম, বরিশালের সৈয়দা রুবিনা মিরা, পটুয়াখালীর কানিজ সুলতানা, খুলনার অ্যাডভোকেট গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার, দিনাজপুরের জাকিয়া তাবাসসুম, নোয়াখালীর ফরিদা খানম সাকী, ফরিদপুরের রুশেমা বেগম, কুষ্টিয়ার সৈয়দা রাশেদা বেগম, মৌলভীবাজারের সৈয়দা জোহরা আলাউদ্দিন, রাজশাহীর আদিবা আনজুম মিতা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফেরদৌসী ইসলাম জেসী, শরীয়তপুরের পারভীন হক শিকদার, রাজবাড়ীর খোদেজা নাসরীন আক্তার হোসেন, মাদারীপুরের তাহমীনা বেগম, পাবনার নাদিয়া ইয়াসমিন জলি ও নাটোরের রত্না আহমেদ। জাতীয় পার্টির চারজন হলেন-অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম, অধ্যাপিকা মাসুদা এম রশিদ চৌধুরী, অধ্যক্ষ রওশন আরা মান্নান ও নাজমা আকতার। অন্যদিকে ওয়ার্কার্স পাটির মনোনীত প্রার্থী লুৎফুন নেসা খান ও স্বতন্ত্র সেলিনা ইসলাম।
আপ্রাণ চেষ্টার অঙ্গীকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণে: প্রধানমন্ত্রী
২০ফেব্রুয়ারী,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জনগণ যে আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে নির্বাচনে ভোট দিয়ে তাঁদের বিজয়ী করেছেন, তাঁদের সেই প্রত্যাশা পূরণে তিনি সাধ্যমত প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশটা আমাদের, কাজেই এটা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব দেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ করে গড়ে তোলার। বাংলাদেশকে মাদক, সন্ত্রাস এবং জঙ্গিবাদ মুক্ত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে যা যা করণীয় তার সবই তাঁর সরকার করবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। আজ সন্ধ্যায় সেন্ট রেগিজ হোটেলে আরব আমিরাতের বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে সেখানে বসবাবকারী বাংলাদেশীদের প্রদত্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁকে পুনর্নির্বাচিত করায় জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, এই দেশকে সোনার বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য আমার প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। প্রবাসীকল্যাণ এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী ইমরান আহমেদ, জায়েদ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হাবিবুল হক খন্দোকার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি ইফতেখার ইসলাম বকুল অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। সেখানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। আরব আমিরাতে বাংলাদেশ মহিলা সমিতি শাখার নেত্রী জাকিয়া হাসনাত ইমরান, প্রবাশী বাংলাদেশী বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ, জনতা ব্যাংক আরব আমিরাত শাখার কর্মকর্তাবৃন্দ, বাংলাদেশ বিমান এবং সেখানকার দুটি বাংলাদেশের বিদ্যালয়, আরব আমিরাতে বসবাসকারী বাংলাদেশের শীর্ষ ব্যবসায়িক নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধানমন্ত্রীকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। শেখ হাসিনা বলেন, বিগত নির্বাচনে তরুণ প্রজন্ম এবং দেশের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার জনগণ বিপুলভাবে আওয়ামী লীগ ভোট প্রদান করে কারণ তাঁরা জানে যে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলেই কেবল দেশের উন্নয়ন হয়। আরব আমিরাতের আইন-কানুন মেনে চলার জন্য তিনি প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, তাঁর সরকার সেখানে বিভিন্ন অপরাধে সাজাভোগকারী প্রায় ৭শ’ বাংলাদেশীকে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ গ্রহণ করবে। প্রধানমন্ত্রী এ সময় দেশে বিনিয়োগে এগিয়ে আসার জন্য প্রবাসীদের প্রতি আহবান জানিয়ে তাঁদের কষ্টার্জিত অর্থ দেশের স্বার্থে প্রচলিত ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে দেশে পাঠানোর অনুরোধ করেন। তাঁদের কষ্টার্জিত আয়ের প্রতিটি পয়সা যথাযথ ব্যবহারের বিষয়ে প্রবাসীদের আশ্বস্থ করে প্রধানমন্ত্রী তাঁদেরকে দেশব্যাপী কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সারাদেশে গড়ে তোলা বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে বিনিয়োগের আহবান জানান। প্রধানমন্ত্রী তাঁর এবারের আরব আমিরাত সফরকে অত্যন্ত সফল আখ্যায়িত করে বলেন, জাতির পিতার ১৯৭৪ সালে এদেশ সফরের সময়ই আরব অমিরাতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের গোড়াপত্তন হয়। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরকার এবং একইসঙ্গে দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়িক সংস্থাগুলো বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন বিদেশী বিনিয়োগের জন্য একটি আকর্ষণীয় স্থান। সফরকালে প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনিয়োগের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারের ব্যাপক সাড়া পেয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন। প্রবাসীদের কল্যাণে তাঁর সরকার গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক স্থাপন করা হয়েছে। যার মাধ্যমে আগের মত ভিটেমাটি বিক্রী না করেও বিদেশগামী জনগণ এই ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে বিদেশে যাবার সুযোগ পাচ্ছেন। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্মানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আয়োজিত এক নৈশ ভোজেও তিনি অংশগ্রহণ করেন।
আরব আমিরাত সফর সফল হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
২০ফেব্রুয়ারী,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সংযুক্ত আরব-আমিরাতে বর্তমান সরকারের মেয়াদের প্রথম দ্বিপাক্ষিক সফর সফল হয়েছে। বাংলাদেশে বিনিয়োগে বিদেশি ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এতে অর্থনৈতিকভাবে দেশ আরো সমৃদ্ধ হবে। আবুধাবিতে বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। সরকার প্রবাসীদের কল্যাণে নানা উদ্যোগ নিয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা আরো বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নের ছোঁয়া জনগণের পর্যায়ে পৌঁছেছে বলেই ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনে মানুষ আবারও আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছে। সংযুক্ত আরব-আমিরাতে তৃতীয় দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের শেষদিন মঙ্গলবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় আবুধাবির সেন্ট রেজিস হোটেলে বাংলাদেশের দূতাবাস আয়োজিত মতবিনিময় সভায় যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ ও আরব-আমিরাতের জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে সভার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। শুরুতে সেখানে বসবাসরত বাঙালি বিভিন্ন কমিউনিটির নেতারা প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। পরে প্রবাসীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন সরকার প্রধান। বলেন, আরব আমিরাত বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধু। বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সু-সম্পর্ক আছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী টানা তৃতীয় মেয়াদে প্রথম এই দ্বিপাক্ষিক সফর সফল হয়েছে বলে জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার গঠন করার পর এটা আমার প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর, দ্বিপাক্ষিক সফর। আমার মতে, প্রথম সফর ভালভাবে সফল হয়েছে। বিশেষ করে বিনিয়োগের জন্য আমরা আলোচনা করে খুব ভাল সাড়া পেয়েছি। আওয়ামী লীগ সরকার প্রবাসীদের প্রশিক্ষণসহ বিশেষ সুবিধা তৈরি করে দিচ্ছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আরব আমিরাতের কারাগারে থাকা ৭'শ বাংলাদেশিকে ফিরিয়ে নিতে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এসময় তিনি বিদেশে নিয়ম-কানুন মেনে চলার জন্য প্রবাসীদের আহ্বান জানান। এসময় প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ৭শ বাঙালী কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত আছে। আমরা তাদেরকে ফেরত নেবার ব্যবস্থা করছি। এছাড়া আপনারা যে দেশে যাবেন সেখানকার আইন মেনে চলবেন। শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের প্রতি জনগণের আস্থার প্রতিফলন ছিল ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন। যেখানে তরুণ ও নারীরা ব্যাপকভাবে আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছে। এর আগে দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করেন সংযুক্ত আরব-আমিরাতের শীর্ষ দুই ব্যবসায়ী লুলু গ্রুপের চেয়ারম্যান ইউসুফ আলী এবং এনএমসি গ্রুপের চেয়ারম্যান বি আর শেঠি। তারা বাংলাদেশে স্বাস্থ্য, পর্যটন, রিটেইল চেইন শপসহ বিভিন্ন খাতে বড় আকারের বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেন। এর মধ্যে লুলু গ্রুপ পাঁচ তারা হোটেল নির্মাণে আগ্রহ জানিয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগের নীতিগত সিদ্ধান্তের কথা প্রধানমন্ত্রীকে জানান। এনএমসি গ্রুপের চেয়ারম্যান বি আর শেঠি বাংলাদেশে ক্যান্সার ও হৃদরোগের জন্য বিশেষায়িত হাসপাতাল তৈরিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের নানা সুযোগ-সুবিধার কথা তুলে ধরেন।
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন অমান্যে ২৪ ঘণ্টায় ৬১৫১ মামলা
২০ফেব্রুয়ারী,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে ৬ হাজার ১৫১টি মামলা ও ৩০ লাখ ৫৭ লাখ ৫০ টাকা জরিমানা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশর ট্রাফিক বিভাগ। এছাড়াও অভিযানকালে ২৮টি গাড়ি ডাম্পিং ও ৮৫৯টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে। সোমবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) এসব মামলা ও জরিমানা করা হয় বলে জানিয়েছে ডিএমপি নিউজ। ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ সূত্রের বরাতে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়, উল্টোপথে গাড়ি চালানোয় ১ হাজার ২১৫টি গাড়ির বিরুদ্ধে, হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহার করার দায়ে ১৭৫টি, হুটার ও বিকনলাইট ব্যবহার করার জন্য ছয়টি, মাইক্রোবাসে কালো গ্লাস লাগানোর জন্য ১৪টি গাড়ির বিরুদ্ধে, ট্রাফিক আইন অমান্য করার কারণে ২ হাজার ৫১৪টি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে মামলা ও ১৫২টি মোটরসাইকেল আটক করা হয়। সেই সঙ্গে গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করার অপরাধে চালকের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা দেয়া হয়।
আমরা আইনি লড়াই লড়ে যাবো: মানবাধিকার কমিশন
১৯ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাহালমকে রাষ্ট্রীয় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার বিষয়ে আইনি লড়াই চালাবে মানবাধিকার কমিশন। মঙ্গলবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে সংস্থাটির কার্যালয়ে একথা জানান মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক। এসময় তিনি আরো জানান, ভারতে আটক হওয়া ও দশ বছর কারাভোগ করা বাদল ফারাজিকে বাংলাদেশের কারাগার থেকে মুক্ত করার বিষয়েও কাজ করবে মানবাধিকার কমিশন। তিনি বলেন, জাহালমের জীবন থেকে ৩টি বছর চলে গেল, তার পরিবার থেকে তাকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা হলো, তার মাকে মানুষের বাড়ি গিয়ে কাজ করতে হলো, বিনা অপরাধে ৩টি বছর চলে গেল তার জীবন থেকে তার জন্য রাষ্ট্রকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। ক্ষতিপূরণ যাতে পায় তার জন্য আমরা আইনি লড়াই লড়ে যাবো।
অচল রাস্তা সচল করার নির্দেশ: কাদের
১৯ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: তিন মাসের মধ্যে সারা দেশের বেহাল সড়ক চলাচলের উপযুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। মঙ্গলবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে এ নির্দেশনা দেন তিনি। রোজার ঈদের আগেই কাঁচপুর, গোমতি ও মেঘনা সেতু যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হবে বলে জানান তিনি। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন,মে মাসে রমজান এরপর ঈদ। সব মিলিয়ে ৩ মাস। এই তিন মাসে অচল রাস্তাগুলোকে সচল করতে হবে। ঈদের আগে কাঁচপুর, গোমতি ও মেঘনা সেতু যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হবে।
আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হলো বিশ্ব ইজতেমা
১৯ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সাদপন্থিদের আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হলো তাবলিগ জামায়াতের দু পক্ষের বিশ্ব ইজতেমার ৫ দিনের আয়োজন। মোনাজাতে বিশ্ব শান্তি ও কল্যাণের পাশাপাশি অতীতের পাপ থেকে মুক্তি চেয়ে আল্লাহর দরবারে হাত তোলেন লাখ লাখ মুসল্লি। ইজতেমা শেষে গন্তব্যে রওয়ানা হন তারা। অশ্রুসজল চোখে আল্লাহর দরবারে উঠেছে লাখো হাত। নিজেকে মহান স্রষ্টার কাছে সঁপে দিয়ে সবার ফরিয়াদ অতীতের পাপ থেকে মুক্তির। মনে আশা মহান আল্লাহ কবুল করে নেবেন প্রার্থনা। এ পর্বের আয়োজনের শুরুর দিনই ছিলো প্রকৃতির বৈরিতা। তবে কোনো কিছুই আমলে না নিয়ে মুসল্লিরা অবস্থান করেছেন ময়দানে। তারা বলছেন, শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্যই তাদের এই ত্যাগ। নির্ধারিত সময়ের প্রায় দু'ঘণ্টা পর শুরু হয় সাদপন্থিদের আখেরি মোনাজাত। পরিচালনা করেন ভারত থেকে আসা মাওলানা মোহাম্মদ শামীম। হিন্দি ভাষায় পরিচালিত মোনাজাত বাংলায় অনুবাদ করে দেয়া হয়। এদিকে মোনাজাত শেষে রাস্তায় ঢল নামে বাড়ি ফেরা মানুষের বাস ও ট্রেনের ছাদে দেখা যায় উপচে পড়া ভিড়। শুক্রবার শুরু হয়ে রোববার সকাল পর্যন্ত চলার কথা থাকলেও হঠাৎ বৃষ্টিতে ইজতেমার কার্যক্রম সোমবার পর্যন্ত বাড়ানো হয়।
অভিযান চলবে অনুমোদনহীন পানি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে
১৯ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: নিরাপদ পানি নিশ্চিত করতে অনুমোদনহীন পানি সরবরাহ, বাজারজাতকরণ ও বিক্রির বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছে বিএসটিআই। রাজধানীর মোহাম্মদপুর, কল্যাণপুরসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় সকালে শুরু হয় এ অভিযান। এসময় অনুমোদনহীন পানি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে পানির জার ও যন্ত্রাংশ ধ্বংস করে কারখানা সিলগালা করে দেয়া হয়। এছাড়াও বিভিন্ন রেস্তোরাঁতেও অভিযান চালানো হয়। বিএসটিআইয়ের উপ পরিচালক মোহাম্মদ রিয়াজুল হক বলেন, পানি সরবরাহকারী এ ধরনের সব অবৈধ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

জাতীয় পাতার আরো খবর