কয়েকটি দেশ থেকে প্রবাসীদের দেশে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার
0৫এপ্রিল,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মানবিক কারণে কয়েকটি দেশ থেকে প্রবাসী বাংলাদেশীদের যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে দেশে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার আজ সকালে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয়ের এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদের সভাপতিত্বে করোনা ভাইরাসে উদ্ভুত পরিস্থিতিতে বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য করণীয় বিষয়ে নিয়ে এই আন্ত;মন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ও পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ. কে আব্দুল মোমেন উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোঃ মহিবুল হক, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব মাসুদ বিন মোমেন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ সেলিম রেজা, সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব মোঃ শহিদুজ্জামান, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মোঃ আসাদুল ইসলাম, জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো’র মহাপরিচালক মোঃ শামছুল আলম, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক মোঃ হামিদুর রহমান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন প্রমুখ সভায় উপস্থিত ছিলেন । সভায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ বলেন, বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সরকার খাদ্য, চিকিৎসাসহ সামগ্রিক সুরক্ষার জন্য সবধরনের সহযোগিতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এজন্য দূতাবাসগুলোর চাহিদা অনুসারে প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকা অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এছাড়াও, করোনা ভাইরাসের কারণে মানবিক বিবেচনায় কয়েকটি দেশ থেকে যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে বিপদগ্রস্ত বাংলাদেশি কর্মীদের দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সভায় নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে প্রাথমিকভাবে কুয়েত থেকে ৩১৬ জন প্রবাসী বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত আনা হবে এবং কুয়েতের সেই ফিরতি ফ্লাইটে ত্রাণ ও খাদ্যসামগ্রী পাঠানোর সুপারিশ করা হয়। এছাড়াও ইপিএস এর আওতায় দক্ষিণ কোরিয়ায় কমরত ১৫০জন কর্মী এবং সেখানে অধ্যয়নরত ২৬ জন শিক্ষার্থীকে বাংলাদেশ বিমানের একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে কোরিয়ায় পাঠানো হবে। মন্ত্রী আরো বলেন, যেসব বাংলাদেশি প্রবাসীদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়েছে অথবা ইকামার মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে তাদের ভিসা/ইকামার মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য সংশ্লিষ্ট দেশের সাথে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। কোন কর্মী বিদেশে চাকুরিচ্যুত হলে, অথবা নিয়োগকারী কোম্পানি যদি কর্মী ছাটাই করে সেক্ষেত্রে তাদেরকে দেশে না পাঠিয়ে সেদেশের অন্য কোনো কোম্পানিতে নিয়োগের জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে। এছাড়াও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীর যৌথ স্বাক্ষরে বিভিন্ন দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পত্র প্রেরণ করা হবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী আরো বলেন, প্রবাসীদের আবসনের সমস্যা হলে সংশ্রিষ্ট মিশনসমূহকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বিদেশ ফেরত কর্মীদের পুনর্বাসনের জন্য অর্থ ঋণ সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের তহবিল থেকে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে বিভিন্ন অর্থ-ঋণ সহায়তা প্রদান করা হবে। এছাড়াও তাদেরকে অধিকতর প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতার মান উন্নয়ন করে পুনরায় বৈদেশিক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। বিদেশ ফেরত কর্মীদের পুনর্বাসনের নিমিত্ত সরকার ও উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার কাছে আর্থিক সহযোগিতার জন্য অনুরোধ করা হবে। ইতোমধ্যে যারা ছুটিতে দেশে এসেছেন এবং যাদের ভিসার মেয়াদ উত্তীর্ণ হতে যাচ্ছে, তারা যাতে পুনরায় যেতে পারেন সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দেশ থেকে আশ্বাস পাওয়া গেছে। আমরা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে নিয়ে সমন্বিতভাবে প্রবাসীদের এই দুর্যোগ মোকাবেলা করছি। সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশীদের যাচাই-বাছাই করে বাংলাদেশে ফেরত আনা হবে। তবে তাদের মধ্যে কেউ যদি গুরুতর অপরাধে জড়িত থাকে তাহলে তাদের ব্যাপারে অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হতে পারে। দেশে ফেরত আনা প্রবাসীকে বাধ্যতামূলকভাবে কোয়ারেন্টিনে রাখা হবে। সভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে আব্দুল মোমেন বলেন, প্রবাসীরা দেশের সম্পদ। এই দুঃসময়ে তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের মানবিক দায়িত্ব। তিনি বলেন, বিভিন্ন দেশের অনুরোধের প্রেক্ষিতে কিছু প্রবাসী বাংলাদেশীকে ফেরত আনা হচ্ছে। এর ফলে সেসব দেশের সাথে বাংলাদেশের শ্রম কূটনৈতিক সম্পর্ক সুসংহত হবে এবং কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ প্রাধান্য পাবে।বাসস
প্রধানমন্ত্রীর এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত সর্বমহলে অভিনন্দিত হয়েছে
0৫এপ্রিল,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত অর্থনৈতিক প্যাকেজে ভিক্ষুক থেকে শিল্পপতি সবার জীবন ও জীবিকা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনের পর রোববার দুপুরে ঢাকায় মিন্টু রোডের সরকারি বাসভবন থেকে দেয়া বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ যে ঐতিহাসিক ও সাহসী ঘোষণা দিয়েছেন, এটি আশপাশের দেশ এমনকি ভারতের তুলনায় আনুপাতিক হারে অনেক বড় প্যাকেজ। ভারতে তারা তাদের জিডিপির ০.৮ শতাংশ অর্থনৈতিক প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। আর বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী যে ৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন, তা আমাদের মোট জিডিপির ২.৫২ শতাংশ। ঘোষিত অর্থনৈতিক প্যাকেজের বিশেষত্ব বিশ্লেষণ করে ড. হাছান বলেন, এর মধ্যে কয়েকটি প্যাকেজ রিভলভিং যা থেকে প্রকৃতপক্ষে ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি অর্থায়ন সম্ভব। তথ্যমন্ত্রী জানান, এই প্যাকেজের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী কয়েক মিলিয়ন পরিবারের জন্য ৬৮০ কোটি টাকা নগদ বরাদ্দ ও অপেক্ষাকৃত অধিক দারিদ্র্যপীড়িত ১০০ উপজেলার সকল বয়স্ক ও বিধবাকে ভাতা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন। হাছান মাহমুদ বলেন, বৈশ্বিক মন্দার আশঙ্কা ও বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এর সম্ভাব্য প্রভাবসহ সমস্ত বিষয়গুলোকে বিবেচনায় এনে বাংলাদেশের সমস্ত মানুষ- ভিক্ষুক থেকে শুরু করে শিল্পপতি সবাইকে এই প্যাকেজের আওতায় এনে তিনি (শেখ হাসিনা) যে ঘোষণা দিয়েছেন, যুগান্তকারী এই সিদ্ধান্ত সর্বমহলে অভিনন্দিত হয়েছে।
আগামীকাল গণভবনে বসছে মন্ত্রিসভার বৈঠক
0৫এপ্রিল,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটিতে মন্ত্রিসভার গত সোমবারের নিয়মিত বৈঠকটি হয়নি। তবে আগামীকালকের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার সকাল ১১টায় তার সরকারি বাসভবন গণভবনে এই বৈঠক শুরু হবে। সাধারণত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অথবা সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।একুশে টেলিভিশন । মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সোমবারের মন্ত্রিসভা বৈঠকে খুব একটা এজেন্ডা নেই। তাই এই বৈঠকে খুব বেশি মন্ত্রীও অংশ নেবেন না। আর সামাজিক দূরত্ব নিশ্চত করেই বৈঠকে মন্ত্রীদের বসার ব্যবস্থা করা হবে। উল্লেখ্য, সাধারণত প্রতি সোমবার মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠক হয়। প্রধানমন্ত্রী দেশের বাইরে থাকলে মন্ত্রিসভার বৈঠক হয় না। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী চাইলে যে কোনো সময় মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠক আহ্বান করতে পারেন। মুজিববর্ষ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ২২-২৩ মার্চ সংসদের বিশেষ অধিবেশন আহ্বান করায় ২৩ মার্চ মন্ত্রিসভা বৈঠকের সূচি রাখা হয়নি। এরপর করোনার বিস্তার ঠেকাতে সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটির মধ্যে ৩০ মার্চ মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠক হয়নি।
ঢাকায় আসা যাওয়া বন্ধ করতে মাঠে নেমেছে পুলিশ
0৫এপ্রিল,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকায় প্রবেশ ও বের হওয়া নিয়ে কড়া অবস্থান নিয়েছে পুলিশ। সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে পুলিশের আইজি ড. মোহাম্মদ জাভেদ পাটোয়ারি ঢাকার বাইরে থেকে ঢাকার ভেতরে প্রবেশ এবং ঢাকা থেকে বাইরে যাওয়া বন্ধ করার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন। এরপর থেকে হাইওয়ে পুলিশ ও রেঞ্জ ও জেলা পুলিশ ঢাকায় আসা যাওয়া বন্ধ করতে মাঠে নেমেছে। ইতোমধ্যে ঢাকায় প্রবেশ করতে চাচ্ছে ও ঢাকা থেকে বের হতে চাচ্ছে এমন অনেককে আটকে দিয়েছে পুলিশ। বিষয়টি পুলিশ সদরদপ্তর থেকে তদারকি করা হচ্ছে। তবে মানুষের আসা যাওয়ায় বাধা থাকলেও জরুরি সেবা, নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহনে কোনো বাধা বা কড়াকড়ি নেই। সেগুলো আগের মতই চলবে। আজ থেকে পোশাক কারখানা চালু হচ্ছে এমন খবরে শনিবার হাজার হাজার পোশাক শ্রমিক ঢাকায় এসে ভীড় করে। করোনা পরিস্থিতিতে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার কথা বলা হলেও শ্রমিকরা সেটির তোয়াক্কা না করে ঝঁকি নিয়ে ঢাকায় ভীড় জমান। এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠে। যদিও মালিক সংগঠন সিদ্ধান্ত বদলে ছুটি আরো বাড়িয়ে দেয়। এরপর থেকে শ্রমিকরা নিজ বাড়িতে ফিরতে শুরু করেন। পুলিশ সদরদপ্তরের এআইজি সোহেল রানা বলেন, করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু শ্রমিকরা শনিবার যেভাবে দলে দলে ঢাকায় এসে জনসমাগম করছিলো তাতে পরিস্থিতি খারাপের দিকে যেতো। আমরা চাচ্ছি কোথাও যেন জনসমাগম না হয়। তাই শ্রমিকদের জনসমাগমের খবর পেয়ে পুলিশ ঢাকায় আসা যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। মূলত সরকারের নির্দেশে সামাজিক দূরত্ব মানার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে এমনটা করা হয়েছে। সরকারি নির্দেশ না মানলে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি বলেন, তবে মানুষ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও জরুরি সেবার সাথে সংশ্লিষ্ট সব ধরণের পণ্য পরিবহন অব্যাহত থাকবে।
বাংলাদেশ বিমানের সকল ফ্লাইট ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ
0৫এপ্রিল,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে বাংলাদেশ বিমানের আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ সকল ফ্লাইট বন্ধের সময়সীমা ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। রোববার (৫ এপ্রিল) সংস্থাটির পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এদিকে বিশ্বে এখন পর্যন্ত ১২ লাখ ১ হাজার ৯৩৩ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৬৪ হাজার ৭২০ জন। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ২ লাখ ৪৬ হাজার ৬৩৪ জন। এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লাখ ১১ হাজার ৩৫৭। সেখানে প্রাণ হারিয়েছেন ৮ হাজার ৪৫২ জন। আক্রান্তের সংখ্যায় দ্বিতীয়স্থানে স্পেন। সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ২৬ হাজার ১৬৮ জন এবং মৃতের সংখ্যা ১১ হাজার ৯৪৭ জন। মৃতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ইতালিতে। সেখানে মারা গেছেন ১৫ হাজার ৩৬২ জন এবং আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৬৩২ জন। আক্রান্তের সংখ্যায় এর পরের অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে জার্মানি ও ফ্রান্স। আক্রান্তের সংখ্যা হিসাবে শীর্ষ পাঁচটি দেশের মধ্যে নেই চীন। এই সংখ্যার হিসাবে তাদের অবস্থান এখন ছয়ে।
বাংলাদেশে করোনায় নতুন আক্রান্ত ১৮ জন, মোট ৮৮
0৫এপ্রিল,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড সংখ্যক আক্রান্তের ঘটনা ঘটেছে। গেল ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৮ জন। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৮৮ জনে।রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুরে করোনা ভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। এদিকে বিশ্বে এখন পর্যন্ত ১২ লাখ ১ হাজার ৯৩৩ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৬৪ হাজার ৭২০ জন। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ২ লাখ ৪৬ হাজার ৬৩৪ জন।এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লাখ ১১ হাজার ৩৫৭। সেখানে প্রাণ হারিয়েছেন ৮ হাজার ৪৫২ জন।আক্রান্তের সংখ্যায় দ্বিতীয়স্থানে স্পেন। সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ২৬ হাজার ১৬৮ জন এবং মৃতের সংখ্যা ১১ হাজার ৯৪৭ জন। মৃতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ইতালিতে। সেখানে মারা গেছেন ১৫ হাজার ৩৬২ জন এবং আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৬৩২ জন।আক্রান্তের সংখ্যায় এর পরের অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে জার্মানি ও ফ্রান্স। আক্রান্তের সংখ্যা হিসাবে শীর্ষ পাঁচটি দেশের মধ্যে নেই চীন। এই সংখ্যার হিসাবে তাদের অবস্থান এখন ছয়ে।
করোনাভাইরাসের প্রভাবে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, আশা করি, তা দ্রুত কেটে যাবে
0৫এপ্রিল,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনার প্রভাবে অর্থনীতি যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার যে প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন, তা বাস্তবায়িত হলে অর্থনীতি আবার ঘুরে দাঁড়াবে। আজ সকালে গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পর অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এসব কথা বলেন। আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, প্রধানমন্ত্রী যে প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন, তার সুবিধা সব শ্রেণি-পেশার মানুষ পাবে। কৃষক, কামার, কুমার, জেলে, তাঁতীসহ সব পেশার মানুষকে এর আওতায় আনা হবে। অর্থমন্ত্রী বলেন, করোনা মহামারিতে সারা বিশ্ব আজ আক্রান্ত। এটি কতো দিন থাকে আমরা জানি না। শুধু বাংলাদেশের নয়, সারা বিশ্বের অর্থনীতির ওপর এর প্রভাব রয়েছে। তাছাড়া এখন বিশ্বের এক প্রান্তে কিছু ঘটলে তা অপর প্রান্তের মানুষের ওপর প্রভাব ফেলে। তাই বাংলাদেশের অর্থনীতির ওপরও এটি প্রভাব ফেলবে। তবে এই পরিস্থিতিতে আমরা প্রত্যেক মানুষের পাশে আছি। তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের প্রভাবে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, আশা করি, তা দ্রুত কেটে যাবে। তখন আবার সব কিছু স্বাভাবিক হবে। অর্থমন্ত্রী বলেন, গত মাসেও আমাদের ৮.১৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ছিল। রপ্তানি খাত বিশেষ করে রেমিটেন্স থেকে আমাদের প্রবৃদ্ধির একটি বড় অংশ আসে। এবার করোনার কারণে কিছুটা কমলেও অপরাপর দেশের থেকে আমরা ভালো অবস্থানে থাকবো। অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে নিজের লক্ষ থেকে সরবেন না বলেও দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন অর্থমন্ত্রী।
আমি চাই না সাংবাদিকরা করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হোক
0৫এপ্রিল,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংবাদ সম্মেলন হচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমি চাই না সাংবাদিকরা ঘোরাঘুরি করে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হোক।রোববার (৫ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে সংবাদ সম্মেলন শুরু হয়েছে। এবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংবাদ সম্মেলন হচ্ছে। কারণ আমি চাই না সাংবাদিকরা ঘোরাঘুরি করে সংক্রমিত হোক।এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনাভাইরাস ঠেকাতে তার সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরেন।তিনি বলেন, করোনাভাইরাস মোকাবেলায় আমরা সময় মতো ব্যবস্থা গ্রহণ করায় সংক্রমণ ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়েনি। পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে।