শুক্রবার, এপ্রিল ৩, ২০২০
নুসরাত হত্যা : আসামিদের ডেথ রেফারেন্স নথি যাচ্ছে হাইকোর্টে
২৯অক্টোবর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসার ছাত্রী নুসরাত জাহান হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ডেথ রেফারেন্সের (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) নথি মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) হাইকোর্টে পাঠানো হচ্ছে। ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) হাফেজ আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা মোতাবেক মৃত্যুদণ্ডের রায় অনুমোদনের জন্য মামলার নথি ডেথ রেফারেন্স আকারে হাইকোর্টে পাঠাতে হয়। সে জন্য ডেথ রেফারেন্সের নথি হাইকোর্টে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। আদালত যখন মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করেন, তখন হাইকোর্ট বিভাগের কাছে কার্যক্রম পেশ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। হাইকোর্ট বিভাগ অনুমোদন না করা পর্যন্ত দণ্ড কার্যকর করা হবে না। বাদীর আইনজীবী এম শাহজাহান সাজু বলেন, নুসরাত হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উচ্চ আদালতে শুনানির জন্য আইন মন্ত্রণালয় থেকে ইতোমধ্যে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়কে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গত ২৪ অক্টোবর নুসরাত হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মামুনুর রশিদ। রায়ে এ মামলার প্রধান আসামি মাদরাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ আসামির সবাইকে ফাঁসির রশিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আদেশ দেন আদালত। এ ছাড়া প্রত্যেক আসামিকে এক লাখ টাকা জরিমানাও করা হয়। মৃত্যুদণ্ড পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন- সোনাগাজী মাদরাসার বহিষ্কৃত অধ্যক্ষ এস এম সিরাজ উদদৌলা, উপজেলা আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সভাপতি মো. রুহুল আমিন, ছাত্র নুর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন ওরফে শামীম, পৌরসভার কাউন্সিলর মাকসুদ আলম, সাইফুর রহমান মো. জোবায়ের, জাবেদ হোসেন ওরফে শাখাওয়াত হোসেন জাবেদ, শিক্ষক হাফেজ আবদুল কাদের, প্রভাষক আবছার উদ্দিন, নুসরাতের সহপাঠী কামরুন নাহার মণি ও উম্মে সুলতানা পপি; আবদুর রহিম শরীফ, ইফতেখার উদ্দিন রানা, ইমরান হোসেন ওরফে মামুন, মো. শামীম ও মহি উদ্দিন ওরফে শাকিল। আদালত জানান, রায় ও দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে সাত কার্যদিবসের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আসামিরা আপিল করতে পারবেন। নুসরাত হত্যা মামলায় চলতি বছরের ২০ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। এর ৪ মাস ৪ দিন পর এ মামলার রায় হয়। গত ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় তার মা শিরিনা আক্তার সোনাগাজী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করলে অধ্যক্ষকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মামলা তুলে না নেয়ায় ৬ এপ্রিল মাদরাসার প্রশাসনিক ভবনের ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয় বোরকা পরা পাঁচজন। ১০ এপ্রিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে নুসরাতের মৃত্যু হয়। মৃত্যুর আগে জবানবন্দিতে তাকে অগ্নিসংযোগকারীদের নাম উল্লেখ করেন নুসরাত।
১৯৭২ সালের মন্ত্রিসভা বৈঠকের কার্যবিবরণী গ্রহণ করলেন প্রধানমন্ত্রী
২৮অক্টোবর,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ১৯৭২ সালে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকের ৩ কপি কার্যবিবরণী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেয়া হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সোমবার মন্ত্রিসভা বৈঠকের শুরুতে ৭২ সালের বৈঠকসমূহের মূল ইংরেজি থেকে স্ক্যান করা ১ কপি, এর নতুন ইংরেজি কপি এবং বাংলা অনুবাদ প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তার তেজগাঁও কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া মন্ত্রিপরিষদ সচিব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ সব কর্মকাণ্ডের চেক-লিস্টের একটি কপি প্রধানমন্ত্রীকে দেন।আইসিটি বিভাগ প্রণীত কৌশলপত্রের একটি কপিও প্রধানমন্ত্রীকে দেয়া হয়। আইসিটি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক ও এ বিভাগের সিনিয়র সচিব প্রণীত কপিটি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন। সকল পর্যায়ে তথ্য পযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে গৃহীত কর্মপরিকল্পনার আলোকে এই কৌশলপত্র প্রণয়ন করা হয়। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার অনুসরণে এই কর্মপরিকল্পনা ও পরবর্তী কৌশল প্রণীত হয়। প্রতিমন্ত্রী ও সচিব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ডিজিটাল বাংলাদেশ- অগ্রগতির ১০ বছর শীর্ষক একটি প্রকাশনাও প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।মন্ত্রীবর্গ, প্রতিমন্ত্রীবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট সচিবগণ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। বাসস
পেঁয়াজের বড় চালান আসছে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই: মন্ত্রণালয়
২৮অক্টোবর,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দুই একদিনের মধ্যে পেঁয়াজের বড় চালান দেশে আসছে। এজন্য আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। আজ সোমবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাজারে প্রচুর পেঁয়াজ রয়েছে, প্রতিদিন আমদানিকৃত পেঁয়াজ আসছে। পেঁয়াজের সরবরাহ ও দাম স্বাভাবিক রাখতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বেশকিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। দাম কম ও সহজ পরিবহনের কারণে ভারত থেকে প্রয়োজনীয় পেঁয়াজ আমদানি করা হয়। ভারতের মহারাষ্ট্র ও অন্য এলাকায় বন্যার কারণে পেঁয়াজের ফলন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে কিছুদিন আগে রফতানির ক্ষেত্রে ভারত প্রতি টন পেঁয়াজের মিনিমাম এক্সপোর্ট প্রাইস (এমইপি) নির্ধারণ করে। গত ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ রাখলেও বিকল্প হিসেবে মিয়ানমার থেকে এলসি এবং বর্ডার ট্রেডের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পেঁয়াজ আমদানি শুরু করে। পাশাপাশি মিসর ও তুরস্ক থেকেও এলসির মাধ্যমে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়। সম্প্রতি মিয়ানমারও পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি করেছে। ফলে বাংলাদেশের বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় পেঁয়াজ আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের নিয়ে অনেকবার সভা করেছে, নিয়মিতভাবে আমদানিকারকদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের পেঁয়াজ আমদানি বৃদ্ধি এবং নৈতিকতার সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনার অনুরোধ করা হয়েছে। এরপরও কোনো ব্যবসায়ী অবৈধ পেঁয়াজ মজুত, কৃত্রিম উপায়ে মূল্যবৃদ্ধির চেষ্টা, স্বাভাবিক সরবরাহে ব্যাঘাত সৃষ্টি করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দেয়া হয়। প্রতিদিনই অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
২০২০ সালের সরকারি ছুটির তালিকা ঘোষণা
২৮অক্টোবর,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ২০২০ সালের ছুটির তালিকা অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। ২০২০ সালে সাধারণ ছুটি ১৪ দিন ও নির্বাহী আদেশে ছুটি ৮ দিন। মোট ২২ দিন সাধারণ ও নির্বাহী আদেশের ছুটি হলেও এর মধ্যে শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি রয়েছে ৮ দিন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সোমবার (২৮ অক্টোবর) মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২০২০ খ্রিস্টাব্দের ছুটির তালিকা অনুমোদন দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম ছুটির তালিকা অনুমোদনের কথা জানান। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, জাতীয় দিবস ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিবসে ১৪ দিন সাধারণ ছুটি থাকবে। সাধারণ ছুটির মধ্যে ৩ দিন সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) পড়েছে। এছাড়া বাংলা নববর্ষ ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিবসে ৮ দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে।
জাপান ও সিঙ্গাপুর সফর শেষে দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি
২৮অক্টোবর,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাপান ও সিঙ্গাপুরে আট দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। রোববার (২৮ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টায় রাষ্ট্রপতি এবং তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এ সময় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, কূটনৈতিক কোরের ডিন, বাংলাদেশে জাপানের রাষ্ট্রদূত, তিন বাহিনী প্রধান, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব এবং ঢাকায় সিঙ্গাপুরের কনস্যুলেট জেনারেল বিমান বন্দরে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানান। রাষ্ট্রপতি হামিদ সিঙ্গাপুরে তার দুদিনের যাত্রাবিরতি শেষে রোববার রাত (স্থানীয় সময়) ৮টা ৫০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেন। সিঙ্গাপুরে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মুস্তাফিজুর রহমান বিমানবন্দরে রাষ্ট্রপতিকে বিদায় জানান। রাষ্ট্রপতি গত ২০ অক্টোবর থেকে জাপানে ছয় দিনের সরকারি সফর শেষে শুক্রবার সিঙ্গাপুরে পৌঁছেন। তিনি মঙ্গলবার টোকিওতে জাপানের নতুন সম্রাট নারুহিতোর অভিষেক অনুষ্ঠানে যোগ দেন। নারুহিতো টোকিওতে রাজপ্রাসাদে বিভিন্ন দেশের প্রায় দুই হাজার নেতা এবং ১৭৪ দেশ ও অঞ্চলের প্রতিনিধিদের সামনে নিজেকে সে দেশের ১২৬তম সম্রাট হিসেবে ঘোষণা দেন। রাষ্ট্রপতি একই দিনে জাপানের নতুন সম্রাট নারুহিতো এবং সম্রাজ্ঞী মাসাকোর দেয়া ভোজসভায় যোগ দেন। তিনি পর দিন জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের দেয়া অপর এক ভোজসভায়ও যোগ দেন। রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ জাপান ও সিঙ্গাপুর সফরে গত ২০ অক্টোবর ঢাকা ত্যাগ করেন।
হজযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ২০২০ সালে সবার ইমিগ্রেশন ঢাকায়, বললেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী
২৭অক্টোবর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আশকোনার হজ ক্যাম্পের সম্প্রসারণ ও সংস্কার কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আব্দুল্লাহ। কারণ আগামী বছর থেকে হজযাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে ইমিগ্রেশন হবে আশকোতেই। রোববার হজ ক্যাম্প সম্প্রসারণ ও সংস্কার কার্যক্রম সংক্রান্ত সভায় তিনি এ কথা বলেন। ২০০৯ সাল থেকে হজযাত্রীর সংখ্যা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। ২০০৯ সালে হজযাত্রীর ছিল ৫৮ হাজার ৬২৮ জন, ২০১৯ সালে হজযাত্রীর সংখ্যা এক লাখ ২৬ হাজার ৯২৩ জন। প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ভবিষ্যতে হজযাত্রীর সংখ্যা যেমন বৃদ্ধি পাবে একইসঙ্গে এ সংক্রান্ত কার্যক্রমও বাড়বে। তাই এখন থেকে হজ ক্যাম্প সম্প্রসারণ ও সংস্কার সংক্রান্ত কার্যক্রম গ্রহণ করা প্রয়োজন। তিনি জানান, ২০১৯ সালে মোট ৩৬৬টি হজ ফ্লাইট পরিচালিত হয়। সৌদি এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে পরিচালিত হজযাত্রীদের মধ্যে যারা মক্কা রুট ইনিশিয়েটিভ কর্মসূচির অধীন হজে গিয়েছেন তাদেরকে লাগেজ ট্যাগ গ্রহণ ও ইমিগ্রেশন নিয়ে বিড়ম্বনার সম্মুখীন হতে হয়েছে। তাই ২০২০ সালের সব হজযাত্রীদের বাংলাদেশ অংশের ইমিগ্রেশন হজ ক্যাম্পে করার পরিকল্পনা নেওয়া করা হয়েছে। এ বছর রাজকীয় সৌদি সরকারের মক্কা রুট ইনিশিয়েটিভ কর্মসূচির অধীনে প্রায় অর্ধেক হজযাত্রী সৌদি আরব অংশের ইমিগ্রেশন জেদ্দার পরিবর্তে ঢাকায় সম্পন্ন করেছেন। ২০২০ সালে সব হজযাত্রীকে এ কর্মসূচির অধীনে আনা হবে বলে মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের বাসায় মাদকদ্রব্য অধিদফতরের অভিযান
২৭অক্টোবর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর গুলশানে চলচ্চিত্র প্রযোজক ও ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের বাসায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফরের অভিযান চলছে। ওই বাসা থেকে বিপুল পরিমান মাদক ও ক্যাসিনোর সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (২৭ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে গুলশান-২ এর ৫৭ নম্বর সড়কের ১১/এ বাড়িতে এ অভিযান শুরু হয়। বাসাটি থেকে এ যাবৎকালীন উদ্ধার হওয়া সবচেয়ে বেশি মদ পাওয়া যায়। এর আগে বিকেলে মাদক দ্রব্য অধিদফতর গুলশান-২-এর ৫৭ নম্বর রোডের ১১/এ বাসায় অভিযান চালাতে চাইলে আজিজ মোহাম্মদের বোন তাদের বাধা দেয়। এর পর অধিদফতরের লোকজন কৌশলে বাড়ির ছাদ গেলে সেখান থেকে ক্যাসিনো সামগ্রী ও বিপুল পরমান মদ উদ্ধার। এব্যাপারে আজিজ মোহাম্মদের বোন জানান, ওই বাসার মালিক সেখানে থাকেন না। ঘরটিতে তালা মারা ছিল। বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ও ক্যাসিনোর সরঞ্জাম উদ্ধারের ঘটনায় ওই বাসার দুই দারওয়ানকে আটক করা করেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক খুরশিদ আলম। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক জানান, গোপন সংবাদে ভিত্তিতে অভিযান চালানো হচ্ছে। অভিযানে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ ও ক্যাসিনো সরঞ্জাম পাওয়া গেছে। অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো হবে বলেও জানান ফজলুর রহমান।
ফিলিস্তিনি সড়কের নামকরণ বঙ্গবন্ধুর নামে
২৭অক্টোবর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফিলিস্তিনের হেবরন শহরের একটি সড়কের নামকরণ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে হবে বলে জানিয়েছে দেশটি। আজারবাইজানের বাকুতে আয়োজিত ১৮তম ন্যাম সম্মেলনে শনিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রিয়াদ আল মালকি। ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে তার দেশ সফরেরও আমন্ত্রণ জানান। শেখ হাসিনা শুক্রবার সকালে বাকু কংগ্রেস সেন্টারের প্ল্যানারি হলে ১৮তম ন্যাম সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে সাধারণ অধিবেশনে যোগ দেন। শেখ হাসিনা এবং সম্মেলনে যোগদানকারী অন্যান্য দেশের নেতৃবৃন্দ এদিন বিকেলে অনুষ্ঠেয় দু’দিনব্যাপী সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনেও যোগ দেবেন। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং অংশগ্রহণকারী দেশের প্রতিনিধি বাকু কংগ্রেস সেন্টারে অনুষ্ঠেয় এই অনুষ্ঠানে বাকু ঘোষণা গ্রহণ করবেন। এদিকে প্রধানমন্ত্রী সম্মেলনের সাইড লাইনে বাকু কংগ্রেস সেন্টারের দ্বিপাক্ষিক বুথে আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম এলিয়েভ এবং নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শার্মা ওলীর সঙ্গেও বৈঠকে মিলিত হন। পাশাপাশি, সন্ধ্যায় হোটেল হিলটনে তার সম্মানে আজারবাইজানের দায়িত্বপ্রাপ্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মো. আল্লামা সিদ্দিকি আয়েজিত নৈশভোজেও যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। পররাষ্ট্রসচিব মো. শহিদুল হক সাংবাদিকদের এসব ব্রিফ করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিমও উপস্থিত ছিলেন। পররাষ্ট্রসচিব বলেন, ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীকে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে ফিলিস্তিনের অধিকারের বিষয়টি তুলে ধরার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদও জানান।খবর বাসস।
সব প্রতিষ্ঠানে- ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার স্থাপনের বিষয়ে হাইকোর্টের রুল
২৭অক্টোবর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের সব কর্মক্ষেত্র, এয়ারপোর্ট, বাসস্টেশন, রেলস্টেশন, শপিং মলে ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার ও বেবি কেয়ার কর্নার স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। এছাড়া পাবলিক প্লেস ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার স্থাপনে নীতিমালা তৈরি করতে নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়কে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, রুলে তাও জানতে চেয়েছেন আদালত। এ সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রবিবার (২৭ অক্টোবর) বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এসব রুল জারি করেন। চার সপ্তাহের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মো. আব্দুল হালিম। তার সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট রাশিদুল হাসান ও জামিউল হক ফয়সাল। এর আগে গত ২২ অক্টোবর নিরাপদ পরিবেশে ও স্বাচ্ছন্দ্যে মায়ের বুকের দুধ পান করাতে ৯ মাসের শিশু উমাইর বিন সাদিকের পক্ষে তার মা ইশরাত হাসান এই রিট দায়ের করেন। রিটে কর্মক্ষেত্র, শপিং মল, এয়ারপোর্ট, বাসস্টেশন, রেলস্টেশনে ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার স্থাপনের নির্দেশনা চাওয়া হয়। রিটে বলা হয় এমন পরিবেশে ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার স্থাপন করতে হবে, যেখানে কোনও মা সন্তানকে বুকের দুধ পান করাতে কোনও অস্বস্তি বোধ করবেন না, বা যৌন হয়রানির শিকার হবেন না। রিটকারী ইশরাত হাসান বলেন, অনেক কর্মস্থলে বা বাস, ট্রেনস্টেশনে ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার না থাকায় মায়েদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। নিরাপদ পরিবেশের অভাবে ও যৌন হয়রানির ভয়ে মায়েরা শিশুদের বুকের দুধ পান করাতে পারেন না। অথচ একজন শিশুর মানসিক ও শারীরিক বৃদ্ধি ও পুষ্টির জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন মায়ের বুকের দুধ। আমার মতো হাজার হাজার মা এই সমস্যার মুখোমুখি হন। রিটে এ বিষয়ে পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করা হয়। ওই প্রতিবেদনে বলা হয় সুন্দর, সুস্থ ও সবলভাবে শিশুকে বেড়ে তুলতে এবং নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিতে সরকারি বেসকারি প্রতিটি কর্মস্থলে ডে কেয়ার সেন্টার ও মাতৃদুগ্ধ দান কক্ষ স্থাপন করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৯ সালে নির্দেশনা দিয়েছিলেন। এরপর ৯ বছর অতিবাহিত হলেও এক্ষেত্রে দৃশ্যমান কোনও উন্নতি লক্ষ করা যায়নি। বেশিরভাগ কর্মক্ষেত্রে কর্মজীবী মায়েদের জন্য নেই ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় উল্লেখ কর্মক্ষেত্রে শিশুকে মায়ের দুধ খাওয়াতে যেন একজন কর্মজীবী মা সমর্থ হন, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, বিমা-ব্যাংক, শপিং মল, কল-কারখানা, পেশাজীবী সংগঠন, ট্রেড ইউনিয়ন ও মানবাধিকার সংগঠনসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। কিন্তু নির্দেশনা অনুযায়ী, সরকারি হাসপাতালসহ অফিস, ব্যাংক-বিমা প্রতিষ্ঠান এবং শপিং মলে ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার স্থাপন করা হয়নি। ফলে একদিকে যেমন বিঘ্নিত হচ্ছে মাতৃদুগ্ধ পান কর্মসূচি, অন্যদিকে শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ ব্যাহত হচ্ছে। ফলে শিশু বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নানা সমস্যা দেখা দিচ্ছে।

জাতীয় পাতার আরো খবর