Rab এর নতুন ডিজি আবদুল্লাহ আল মামুন
0৮এপ্রিল,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিআইডি-প্রধানের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনকে Rapid Action Battalion (Rab) মহাপরিচালক (ডিজি) করা হয়েছে। তিনি বেনজীর আহমেদের স্থলাভিষিক্ত হবেন। বেনজীর আহমেদ হয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজি)। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে জননিরাপত্তা বিভাগ পুলিশ-১ শাখার উপসচিব ধনঞ্জয় কুমার দাস সাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে Rab ডিজি হিসেবে আবদুল্লাহ আল মামুনকে দায়িত্ব দেয় সরকার। এই আদেশ ১৫ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়। এর আগে গত বছরের ২৮ আগস্ট রাষ্ট্রপতির আদেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে আবদুল্লাহ আল মামুনকে সিআইডির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়। ১৯৬৪ সালের ১২ জানুয়ারি সুনামগঞ্জের মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন আবদুল্লাহ আল মামুন। তার গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার শ্রীহাইলে। ১৯৮২ সালে বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের ১৯৮৬ ব্যাচের কর্মকর্তা হিসেবে পুলিশের সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট (এএসপি) হিসেবে যোগ দেন। গত বছরের মে মাসে তিনি অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি পান। এর আগে তিনি ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি ছিলেন। কর্মজীবনে আবদুল্লাহ আল মামুন পুলিশ সদর দপ্তর, মেট্রোপলিটন পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন এবং বিভিন্ন জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটের দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া জাতিসংঘ শান্তি মিশনে কাজ করার মাধ্যমে তিনি বিশ্ব শান্তিরক্ষার জন্য উজ্জ্বল অবদান রেখেছেন। অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম) পেয়েছেন।
বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের মৃত্যু পরোয়ানা জারি
0৮এপ্রিল,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার আত্মস্বীকৃত খুনি মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আব্দুল মাজেদের মৃত্যু পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। আজ বুধবার দুপুরে এই পরোয়ানা জারি করা হয়। বর্তমানে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের (কেরানীগঞ্জ) ফাঁসির সেলে রাখা হয়েছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বরখাস্ত হওয়া ক্যাপ্টেন আব্দুল মাজেদ ২৩ বছর ধরে কলকাতায় আত্মগোপনে ছিলেন। গত ১৬ মার্চ তিনি ঢাকায় আসেন। এরপর সোমবার (৬ এপ্রিল) দিবাগত রাতে মিরপুর সাড়ে ১১ থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট ধানমণ্ডি ৩২ নম্বর রোডে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নিয়েছিলেন মাজেদ। তখন তিনি ছিলেন সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন।
ওবায়দুল কাদেরের ৭ নির্দেশনা
0৭এপ্রিল,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক , সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ৭ দফা নির্দেশনা দি‌য়ে‌ছেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে তিনি এসব নির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের প্রতি বিভিন্ন সাংগঠনিক নির্দেশনা প্রদান এবং সচেতন জনগণের প্রতি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। ৭ দফা নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে- ১. আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনসমূহের নেতাকর্মীরা ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি ও সতর্কতা মেনে চলে সারা দেশের জনগণের মধ্যে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ সম্পর্কিত গণসচেতনতা সৃষ্টি করবেন। করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে সঠিক তথ্য প্রদান করে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য জনগণকে উদ্বুদ্ধ করবেন এবং জনসমাগম হতে পারে এমন কর্মসূচি পরিহার করবেন। ২. করোনা পরীক্ষার কিট ব্যবহারের জন্য ড্রাগ এডমিনিস্ট্রেশন ও টেকনিক্যাল টিম কর্তৃক অনুমোদিত হতে হয়। একটি ষড়যন্ত্রকারী মহল দ্রুততম সময়ে টেস্ট করার কিট আবিষ্কৃত হয়েছে বলে গুজব ছড়িয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত এ ধরনের কিটে প্রাপ্ত ফলাফল শতভাগ সঠিক না হওয়ায় ড্রাগ এডমিনিস্ট্রেশন ও টেকনিক্যাল টিম সেটা অনুমোদন দেয়নি। এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকবেন এবং জনগণকে সচেতন করবেন। সরকার করোনা ভাইরাস টেস্টের পরিসর বিভাগীয় সদর পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে। চিকিৎসা সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে এবং চিকিৎসা সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মী ও চিকিৎসা সেবা প্রার্থীর মধ্যে সমন্বয়ের জন্য যথাসাধ্য সহযোগিতা করবেন। ৩. করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকার স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের পাশাপাশি প্রশাসনিক নির্দেশনা প্রদান করেছে। এই ভাইরাস প্রতিরোধে এখন পর্যন্ত নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়নি। জনস্বাস্থ্যের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার কথা চিন্তা করে নির্দিষ্ট সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে আমাদের পেশাদারী ও দায়িত্বশীল প্রশাসনের পাশাপাশি দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী মাঠে তৎপর রয়েছে। ব্যক্তিগত সুরক্ষার জন্য নিজেরা সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখবেন এবং সাধারণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে জনগণকে তা বজায় রাখতে উদ্বুদ্ধ করবেন। সঠিক তথ্য প্রদানের মাধ্যমে মানুষের মনে সৃষ্ট আতঙ্ক দূর করবেন এবং গণমাধ্যমে প্রচারিত সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার জন্য জনগণকে উৎসাহিত করবেন। ৪. প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির অভিভাবক হিসেবে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলায় ৩১ দফা নির্দেশনা প্রদান করেছেন। করোনা সম্পর্কিত সচেতনতা কার্যক্রম বাস্তবায়ন, করোনাভাইরাসের আক্রান্ত হওয়ার উপসর্গ দেখা দিলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া, সারা দেশে পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতকরণ ও তা আরও জোরদার করা, গরিব-দুস্থ অসহায় মানুষের মাঝে ঘরে ঘরে গিয়ে খাবার বিতরণ, গুজবের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকা ও গুজবে কান না দেয়াসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা এর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সারাদেশে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এগুলো মেনে চলবেন এবং জনগণকে মেনে চলার জন্য উদ্বুদ্ধ করবেন। ৫. খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে খোলা বাজারে ওএমএস পদ্ধতিতে ১০ টাকা কেজি দরে চাল ও আটা বিক্রি, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে সরকারি ভর্তুকি প্রদানের মাধ্যমে ট্রাকে করে সুলভমূল্যে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি বিক্রি এবং ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের অধীনে সকল উপজেলাতে সুবিধাবঞ্চিতদের মধ্যে নগদ অর্থ সহায়তা ও শিশু খাদ্য প্রদান করা হচ্ছে। এসব কার্যক্রম যথাযথভাবে পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগণ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সব স্তরের জনগণকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। সারা দেশে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা স্থানীয় প্রশাসনকে এসব কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবেন। ৬. প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্থানীয় পর্যায়ে গরিব-অসহায়-দুস্থদের তালিকা প্রণয়ন করে ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দেয়ার নির্দেশ প্রদান করেছেন। ইউনিয়ন, ওয়ার্ড, গ্রাম ও শহর পর্যায়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এই তালিকা প্রস্তুতিতে ও এই কার্যক্রম পরিচালনায় স্থানীয় প্রশাসনকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করবেন। ৭. প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য তথা দেশের প্রতিটি নাগরিকের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও জীবনের নিরাপত্তা রক্ষায় বদ্ধপরিকর। তিনি বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাস সংকট মোকাবিলার জন্য নিরলসভাবে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করে চলেছেন। দেশবাসীর সম্মিলিত সচেতনতা, সতর্কতা ও স্বাস্থ্যবিধি পালনই পারে ভয়াবহ এই সংকট থেকে আমাদের রক্ষা করতে। বাংলাদেশ তথা বিশ্ববাসীর এই ক্রান্তিলগ্নে সবাইকে ধৈর্য্য, সতর্কতা, দায়িত্বশীলতা, মানবিকতা ও দেশপ্রেমের সাথে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে। পরম করুণাময় আমাদের সহায় হোন।
বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের ফাঁসি যেকোনো সময়,আনুষ্ঠানিকতা শুরু
0৭এপ্রিল,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনি ক্যাপ্টেন (অব.) আবদুল মাজেদের ফাঁসি যেকোনো সময় কার্যকর হতে পারে। এরই মধ্যে সে আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। মঙ্গলবার গণমাধ্যমকে পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় এমন তথ্য দেন মন্ত্রী। আনিসুল হক বলেন, আবদুল মাজেদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়ে গেছে। আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে দণ্ড কার্যকর করা হবে। এ সময় মন্ত্রী আরও বলেন, কারাগারে অন্যান্য ফাঁসির দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামিদের মতো আবদুল মাজেদও সলিটারি কনফাইনমেন্টে থাকবেন। এ ক্ষেত্রে তার থেকে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়ানোর কোনো ঝুকি থাকবে না। এর আগে গতকাল সোমবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে মিরপুর সাড়ে ১১ নম্বর এলাকা থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ক্যাপ্টেন আবদুল মাজেদকে গ্রেপ্তার করে। মঙ্গলবার দুপুরে এই আসামিকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন। এরপর তাকে কেরানীগঞ্জে অবস্থিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। উল্লেখ্য, ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী জুনিয়র অফিসার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের নৃশংসভাবে হত্যা করে। হত্যাকাণ্ডের ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালের ২রা অক্টোবর ধানমন্ডি থানায় বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিগত সহকারী মহিতুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে ২০১০ সালে এই মামলার ১২ আসামিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন আদালত। ওই বছরের ২৭শে জানুয়ারি পাঁচ আসামির ফাঁসি কার্যকর করা হয়। তারা হলেন - সৈয়দ ফারুক রহমান, বজলুল হুদা, এ কে এম মহিউদ্দিন আহমেদ, সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান ও মুহিউদ্দিন আহমেদ। ২০০২ সালে পলাতক অবস্থায় জিম্বাবুয়েতে মৃত্যু হয় মামলার আরেক আসামি আজিজ পাশার।
বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদ জেলহত্যার সাথেও জড়িত,তার দণ্ডাদেশ কার্যকর হবে
0৭এপ্রিল,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গবন্ধুর খুনি ক্যাপ্টেন বরখাস্ত আবদুল মাজেদ জেলহত্যার সাথেও জড়িত। মঙ্গলবার এক ভিডিওবার্তায় এ কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মুজিববর্ষের অন্যতম সেরা উপহার এটি। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী তার দণ্ডাদেশ কার্যকর হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা দীর্ঘদিন দণ্ডপ্রাপ্ত বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে দণ্ডাদেশ কার্যকর করার জন্য অপেক্ষায় ছিলাম। তাদেরই একজন ক্যাপ্টেন আবদুল মাজেদ আমাদের পুলিশের কাছে ধরা পড়েছে। আমরা কিছুক্ষণ আগে তাকে আদালতে সোপর্দ করেছি। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, তার স্ত্রী সালেহা বেগম। বাড়ি নম্বর ১০/এ, রোড নম্বর ১, ক্যান্টনমেন্ট আবাসিক এলাকা। তিনি সেখানে বসবাস করতেন। আমাদের গোয়েন্দাদের কাছে তার সব তথ্য ছিল।
সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও প্রণোদনা দিতে সরকারকে আইনি নোটিশ
0৭এপ্রিল,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতিতে কর্মরত সাংবাদিকদের নিরাপত্তা এবং বিশেষ প্রণোদনা দিতে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। ই-মেইলের মাধ্যমে তথ্য মন্ত্রণালয় সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয় সচিব, বাংলাদেশ করোনা প্রতিরোধ সেল এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সচিবকে এ নোটিশ পাঠানো হয়। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনিরুজ্জামান লিংকন নোটিশটি পাঠিয়েছেন। নোটিশে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাস সারা বিশ্বে মহামারি আকার ধারণ করেছে। যার ব্যাপকতা আমার প্রিয় স্বদেশকে দারুণভাবে আক্রান্ত করেছে এবং এর প্রভাবে জনজীবন স্থবির হয়ে গেছে। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে এবং বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সর্বস্ব দিয়ে এই যুদ্ধে জয়ী হওয়ার জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। করোনাভাইরাসের সুনির্দিষ্ট কোনও ওষুধ এখন পর্যন্ত আবিষ্কার হয়নি এবং সামাজিক সচেতনতাই এই ভাইরাস নিবারণে একমাত্র স্বীকৃত পন্থা হিসেবে পরিগণিত হয়ে আসছে। সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সবচেয়ে বেশি অবদান রাখছে আমাদের মিডিয়া এবং এর সঙ্গে কর্মরত সাংবাদিক বন্ধুরা। খবরের ভেতরে গিয়ে খবর সংগ্রহ করেন আমাদের সাংবাদিক সমাজ। এ কারণে এই সাংবাদিক সমাজকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে গণ্য করা হয়। বর্তমানে এই ক্রান্তিকালে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে চিহ্নিত যে সাংবাদিক সমাজ, যারা এই যুদ্ধে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে জয়ী হওয়ার জন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করে মানুষকে অবহিত করছেন, মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য পথে-ঘাটে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের জন্য একান্ত আবশ্যকীয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংবাদ সরবরাহ করতে গিয়ে এক সাংবাদিক এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। করোনা প্রতিরোধ যুদ্ধে সম্মুখ সারির যোদ্ধা হিসেবে সাংবাদিকদের পিপিইসহ নিরাপত্তা সরঞ্জমাদি প্রদান এবং তাদের জন্য বিশেষ প্রণোদনা দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দেখা দিয়েছে।সংবাদ একুশে টেলিভিশন। তাই নোটিশ পাওয়ার পর আগামী সাত দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
ঢাকা ছেড়ে গেলেন রাশিয়ার ১৭৮ নাগরিক
0৭এপ্রিল,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসের ব্যাপক বিস্তারের আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, ভুটান, মালয়েশিয়ারর পর এবার ১৭৮ জন রাশিয়ান নাগরিকও ঢাকা ছেড়েছেন। সোমবার সন্ধ্যা পেগাস ফ্লাই নামের রাশিয়ার একটি বিমানের বিশেষ ফ্লাইটে (চাটার্ড) ৬টায় তাদের বহনকারী ইও-২৫৮৪ ফ্লাইটটি মস্কোর উদ্দেশ্যে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে।বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এএইচএম তৌহিদ-উল-আহসান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। অবশ্য আগের দিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রকৌশলীসহ অন্যান্য বিশেষজ্ঞ রাশিয়ান নাগরিকরা ফিরে যাচ্ছেন। সিভিল এভিয়েশন সূত্র জানায়, রোববার রাতেই তারা রুপপুর থেকে ঢাকায় পৌঁছান। এর ফেরারর যাবতীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। প্রকল্পটি করোনা পরিস্থিতিতে বন্ধ রয়েছে।