ফায়ার সার্ভিস-সিভিল ডিফেন্সকে প্রধানমন্ত্রীর উপহার প্রদান
২৪নভেম্বর,রবিবার,স্পেশাল প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: অগ্নি দুর্ঘটনায় উদ্ধার কাজে ব্যবহারের জন্য ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরকে ৩টি ফায়ার সেইফটি জাম্বো কুশন বা বিশেষ আকৃতির অগ্নি নিরাপত্তা বালিশ হস্তান্তর করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সূত্র: সময় টিভি রোববার (২৪ নভেম্বর) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব বিশেষ সরঞ্জাম হস্তান্তর করেন। জার্মানি থেকে আমদানি করা বিশেষ আকৃতির অগ্নিনিরাপত্তা বালিশ ৭ থেকে ৮ তলা ভবনে অগ্নিদুর্ঘটনায় উদ্ধারকাজে ব্যবহার করা যাবে। অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
গ্রামীণফোনকে ২ হাজার কোটি টাকা পরিশোধের নির্দেশ
২৪নভেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) দাবিকৃত প্রায় ১২ হাজার ৫৮০ কোটি টাকার মধ্যে এখন ২ হাজার কোটি টাকা দিতে গ্রামীণফোনকে নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। আগামী তিন মাসের মধ্যে এই টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে সাত বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন। তবে এই টাকা না দেওয়া হলে দাবি আদায়ের ওপর হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকবে না বলেও আদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। তখন গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে যে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যাবে বলে বিটিআরসির আইনজীবী জানিয়েছেন। এর আগে গত ১৮ নভেম্বর প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চে এ বিষয়ক আদেশের জন্য ২৪ নভেম্বর দিন ধার্য করেন। তবে এ সময়ের মধ্যে মধ্যস্থতার জন্য গ্রামীণফোন কোনো ফোরামে যেতে পারবে না বলে বলা হয়। আদালতে গ্রামীণফোনের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী এএম আমিন উদ্দিন ও ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। তাদের সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার মেহেদী হাসান চৌধুরী। অন্যদিকে বিটিআরসির পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মাহবুবে আলম ও আইনজীবী ব্যারিস্টার খন্দকার রেজা-ই-রাকিব। গত ১৭ অক্টোবর বিচারপতি একেএম আবদুল হাকিম ও বিচারপতি ফাতেমা নজীবের হাইকোর্ট বেঞ্চ গ্রামীণফোনের কাছে বিটিআরসির প্রায় ১২ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা দাবি আদায়ের ওপর দুই মাসের অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা দেন। পরে গ্রামীণফোনের কাছে ওই টাকা দাবি আদায়ের ওপর হাইকোর্টের দুমাসের অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা স্থগিত চেয়ে বিটিআরসি আপিল বিভাগে আবেদন করেন। এই বিষয়ে ১৭ অক্টোবর গ্রামীণফোনের আইনজীবী তানিম হোসেইন শাওন বলেন, চলতি বছরের ২ এপ্রিল বিভিন্ন খাতে ১২ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা দাবি করে বিটিআরসি গ্রামীণফোনকে চিঠি দিয়েছিল। পরে গ্রামীণফোন ওই চিঠির বিষয়ে নিম্ন আদালতে টাইটেল স্যুট (মামলা) করে। সেই সঙ্গে ওই মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত অর্থ আদায়ের ওপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করা হয়। পরে ২৮ আগস্ট নিম্ন আদালত গ্রামীণফোনের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন খারিজ করে দিলে ওই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করে গ্রামীণফোন। পরবর্তীতে শুনানি শেষে ১৭ অক্টোবর আদালত আপিলটি শুনানির জন্য গ্রহণ করে টাকা আদায়ের ওপর দুই মাসের অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা দেন।
মুনাফাখোর ও অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি
২৩নভেম্বর,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ অসাধু ব্যবসায়ী, লুটেরা, মুনাফাখোর ও মজুতদারদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহবান জানিয়ে বলেছেন, এরা গুজব ছড়িয়ে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে। শনিবার রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে এ কথা বলেন। (বাসস) তিনি বলেন, পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা ঐক্যবদ্ধ রয়েছে। অসাধু ব্যবসায়ী, মুনাফাখোর, লুটেরা ও মজুতদারদের মধ্যেও ঐক্য রয়েছে। এখন এই সব দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। সম্প্রতি পেঁয়াজ, লবন ও চালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে তিনি এই পরিস্থিতির তীব্র নিন্দা করেন। তিনি বলেন, এতে সাধারণ জনগণকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। পেঁয়াজ, লবন ও চালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মজুদের ব্যাপারে গুজব সম্পর্কে সতর্ক থাকার জন্যও দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। এসময় গণমাধ্যম কর্মীদের এর বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রচারণা চালাতে হবে উল্লেখ করেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, পবিত্র রমজান মাসে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির ব্যাপারে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে আব্দুল হামিদ বলেন, বিভিন্ন দেশে ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম হ্রাস পায়। এমনকি রমজান মাসে মধ্যপ্রাচ্যের মানুষও পণ্যের মূল্যহ্রাস করে। কিন্তু বাংলাদেশে আমরা ভিন্ন চিত্র দেখতে পাই। এদেশে রমজান মাস এলেই ইফতারি তৈরিতে ব্যবহৃত বেগুন, শশা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যায়। জনগণকে অবশ্যই এই দুষ্কর্মের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
স্বর্ণের বারসহ শাহজালালে বিমান জব্দ
২৩নভেম্বর,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা কাস্টম হাউসের প্রিভেনটিভ দল ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৭৮৭ ড্রিমলাইনার গাঙচিল এর একটি সিটের পেছনের স্ক্র খুলে আনুমানিক ২ কোটি ৩২ লাখ টাকা মূল্যের ৪০টি সোনার বার উদ্ধার করে। এ সময় বিমানটিও জব্দ করা হয়েছে। শনিবার (২৩ নভেম্বর) ভোরে বারগুলো উদ্ধার করা হয়। ঢাকা কাস্টমস হাউজের সহকারী কমিশনার (প্রিভেনটিভ) সাজ্জাদ হোসে জানান, আগেই বিশেষ সূত্রে সংবাদ আসে, ড্রিমলাইনার গাঙচিলের এ ফ্লাইটে সোনা পাচার হবে। এ তথ্যে কাস্টমস কর্মকর্তারা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে অবস্থান নেয়। বিমান বন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে সব যাত্রী চলে যান। তবে কোন সোনা পাওয়া যায়নি। পরে ৬ নম্বর বোর্ডিং ব্রিজে অবতরণ করা সন্দেহভাজন গাংচিলে তল্লাশি করা হয়। একপর্যায়ে উড়োজাহাজের ১৫-এফ নম্বর সিটের ভেতরে লুকানো ৪০টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়।
ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম
২৩নভেম্বর,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বেড়েছে। ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরিতে ১ হাজার ১৬৬ টাকা বাড়লেও অপরিবর্তিত রয়েছে সনাতন পদ্ধতিতে প্রতিভরির দাম। শনিবার বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতির (বাজুস) প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে স্বর্ণের দাম বাড়ানোর খবর গণমাধ্যমে জানানো হয়েছে। রোববার (২৪ নভেম্বর) থেকে নতুন দামে বিক্রি হবে অলংকার তৈরির এ ধাতু। এর আগে স্বর্ণের দাম বেড়েছিল চলতি বছরের ১১ সেপ্টেম্বর। বাজুস নির্ধারিত নতুন মূল্য তালিকায় দেখা গেছে, ২২ ক্যারেটের প্রতিভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৮ হাজার ২৮ টাকা। শনিবার পর্যন্ত এ মানের স্বর্ণের দাম রয়েছে ৫৬ হাজার ৮৬২ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতিভরির দাম ধরা হয়েছে ৫৫ হাজার ৬৯৬ টাকা। বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৫৪ হাজার ৫২৯ টাকা। একইভাবে ১৮ ক্যারেটের প্রতিভরির দাম হবে ৫০ হাজার ৬৮০ টাকা। এখন রয়েছে ৪৯ হাজার ৫১৩ টাকা। সনাতন পদ্ধতিতে প্রতিভরির অপরিবর্তিত দাম রয়েছে ২৯ হাজার ১৬০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট ক্যাডমিয়াম রূপার দাম প্রতিভরি ৯৩৩ টাকা। বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতির সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা বলেন, আর্ন্তজাতিক বাজারের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে।
দুর্নীতির টাকায় চাকচিক্য থাকলেও সম্মান পাওয়া যায় না: প্রধানমন্ত্রী
২৩নভেম্বর,শনিবার,স্পেশাল প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, দুর্নীতির টাকায় চাকচিক্য থাকলেও সম্মান পাওয়া যায় না।তিনি আরও বলেন, এ টাকা দিয়ে হয়তো জৌলুস বাড়াতে পারে, চাকচিক্য বাড়াতে পারে; আন্তর্জাতিক বড় বড় ব্রান্ডের জিনিস পরাতে পারে। কিন্তু তাতে সম্মান পাওয়া যায় না। শনিবার ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যুবলীগের ৭ম কংগ্রেস উদ্বোধনের পর প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের সকলকে এ কথাটাই মনে রাখতে হবে- ভোগে নয়, ত্যাগই মহত্ব। ভোগে নয়, ত্যাগেই সুখ। কতটুকু মানুষের জন্য করতে পারলাম, সেটাই হবে একজন রাজনীতিবিদের চিন্তা। তিনি বলেন, আমাদের যুব সমাজকে আমরা সেভাবেই গড়ে তুলতে চাই। মাদক সন্ত্রাস দুর্নীতি এগুলো থেকে দূরে থাকতে হবে। নিজে কি পেয়েছি কি পেলাম এই চিন্তা না করে, সাধারণ মানুষের জন্য কতোটুকু করতে পারলাম এই চিন্তা থেকে যারা রাজনীতি করে তারাই সফল হতে পারে।
সন্তানরা আবার রাস্তায় নামলে পিঠের চামড়া থাকবে না: ডিএমপি কমিশনার
২১নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,স্পেশাল প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: আমাদের সন্তানরা আবারও রাস্তায় নামলে কারও পিঠের চামড়া থাকবে না। সেটা আমি পুলিশ কমিশনারই হই কিংবা পরিবহন মালিক সমিতির বড় নেতাই হোন। বললেন ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনে ট্রাফিক সচেতনতামূলক পক্ষ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ডিএমপি কমিশনার বলেন, সড়কে শৃঙ্খলা আনতে নতুন আইন করা হয়েছে। আমরা মালিক-শ্রমিক-পুলিশ মিলে যদি সড়কে শৃঙ্খলা আনতে না পারি, তাহলে সন্তানরা সম্মিলিতভাবে আমাদের রাস্তা থেকে তুলে দেবে। তখন রাস্তায় আপনিও নামতে পারবেন না, আমিও ডিউটি করতে পারব না। তিনি বলেন, একটা ভুল বা আমার একটা ত্রুটির কারণে এমন একজন মানুষ মারা গেল, যার বাসায় দুটি বাচ্চা রয়েছে এবং তাদের মুখে ভাত দেয়ার মতো কর্মক্ষম কেউ নেই। সেই মানুষটির কথা কি আমরা কেউ চিন্তা করি? অব্যাহতভাবে আমার সন্তান রক্তাক্ত হবে আর আমরা আনফিট গাড়ি নিয়ে, অদক্ষ চালক দিয়ে বছরের পর বছর গাড়ি চালিয়ে যাব। এটা কেউ বেশি দিন সহ্য করবে না। তিনি আরও বলেন, নতুন সড়ক-পরিবহন আইন করা হয়েছে সড়কে শৃঙ্খলা আনার জন্য। জরিমানা আদায়ের উদ্দেশ্যে নয়। ঢাকা মহানগরীতে এখন প্রতি মাসে ৬-৭ কোটি টাকা জরিমানা করি। সরকারের কাছে এ টাকা একেবারেই নগন্য। সরকারের এ টাকার প্রয়োজনই নেই। আমি ট্রাফিকে যারা আছেন তাদের বলে দিয়েছি, মামলার কোনও টার্গেট নেই। সড়কে শৃঙ্খলা থাকলে মামলার প্রয়োজন নেই। মূল বিষয় হলো সবাই যদি আইন মেনে চলেন তাহলে মামলার প্রয়োজন নেই।
সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে শিখা অনির্বাণে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
২১নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সশস্ত্র বাহিনী দিবসে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮ টায় রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ এবং সোয়া ৮ টায় প্রধানমন্ত্রী শিখা ঢাকা সেনানিবাসের শিখা অনির্বাণে পৃথকভাবে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। রাষ্ট্রপতি হামিদ শিখা অনির্বাণে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল এ সময় অভিবাদন জানায়। বিউগলে বাজানো হয় করুণ সুর। এর পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিখা অনির্বাণে ফুল দিয়ে শহীদ সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল এ সময় গার্ড অব অনার দেয়। এর আগে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ এবং সরকারপ্রধান ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকা সেনানিবাসে পৌঁছলে তিন বাহিনীর প্রধান ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার তাদের স্বাগত জানান। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পর সম্মিলিতভাবে সেনাবাহিনীপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, নৌবাহিনীপ্রধান অ্যাডমিরাল আবু মোজাফফর মহিউদ্দিন মোহাম্মদ আওরঙ্গজেব এবং বিমানবাহিনীপ্রধান চিফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত নিজ নিজ বাহিনীর পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানান শিখা অনির্বাণে। ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর বাংলাদেশের সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী সম্মিলিতভাবে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে আক্রমণ চালায়। সেদিন থেকেই দিবসটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। আগে তিন বাহিনী ভিন্ন ভিন্ন দিনে দিবসটি পালন করত। আশির দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে তিন বাহিনী দিবসটিকে সম্মিলিতভাবে পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়। সেই থেকে ২১ নভেম্বরকে সশস্ত্র বাহিনী দিবস হিসেবে পালন করা হচ্ছে। সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালনের পেছনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা জড়িয়ে রয়েছে। মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর অবদানকে সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগের সঙ্গে একীভূত করে নেওয়াই এই দিবসের মূল তাৎপর্য।
অপপ্রচারে কান না দিয়ে মোকাবিলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
২১নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,স্পেশাল প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: গুজব ছড়িয়ে দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করছে একটি গোষ্ঠী। তাই অপপ্রচারে কান না দিয়ে মোকাবিলা করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) ঢাকা সেনানিবাসের আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে বীরশ্রেষ্ঠদের উত্তরাধিকারী এবং নির্বাচিত সংখ্যক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। এর আগে সকালে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের স্মৃতির প্রতি শিখা অনির্বাণে শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি ও সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী শেখ হাসিনা। যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালন করছে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ। এর আগে রাষ্ট্রপতি ও সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী শেখ হাসিনা দিবসটি উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন। আজ এ অনুষ্ঠানে ৯ জন সেনা, ২ জন নৌ এবং ৩ জন বিমান বাহিনী সদস্যকে ২০১৮-২০১৯ সালের শান্তিকালীন পদকে ভূষিত করা হয়। অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা, সেনাবাহিনী প্রধান, নৌবাহিনী প্রধান, বিমান বাহিনী প্রধান, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও), প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী, সামরিক সচিব, প্রেস সচিব ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর