আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি করি না
১৩ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিএনপিকে উদ্দেশ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি করি না। খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেবে আদালত।বৃহস্পতিবার দুপুরে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।মন্ত্রী আরও বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু আমাদের স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন। এখন তার কন্যা শোসন, দারিদ্র মুক্ত সোনার বাংলাদেশ আমাদের দিচ্ছেন। স্বাধীনতার জন্য পিতা, মুক্তির জন্য কন্যা। আমরা কোনো অপশক্তিকে এই বাংলার মাটিতে ক্ষমতায় দেখতে চাই না। বিএনপি এখন খালেদা জিয়ার সাস্থ্য নিয়ে রাজনীতি করছেন। তার শরীর নিয়ে দলের নেতারা বলে এক, চিকিৎসক বলে আরেক।টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ, শেখ হেলাল উদ্দিন এমপি, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব এ্যাড. সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়ছে
১৩ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়ছে, বর্তমানে ৬.৯ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য রয়েছে। বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়ে বলেন, আমরা উন্নত ও স্থিতিশীল দেশ হতে চাই, কিন্তু বাংলাদেশের একার পক্ষে তা সম্ভব নয়। এজন্য অন্যান্য দেশের সহায়তা প্রয়োজন। যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য দেশের সাথে পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, আমরা দারিদ্র সম্পূর্ণভাবে দূর করতে চাই। দেশটির সাথে রপ্তানি বানিজ্য বাড়াতে হবে, গার্মেন্টস পন্য রপ্তানী ছাড়াও অন্যান্য পন্য বাড়াতে হবে, রপ্তানি বানিজ্যে বৈচিত্র আনতে হবে। আমাদের বিশাল মানব সম্পদকে প্রশিক্ষন দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সাহায্য করতে পারে এবং তাদের কাজে লাগাতে পারে।
সংসদে কোম্পানি বিল উত্থাপন ও বাতিঘর বিল পাস
১৩ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ব্যবসা-বাণিজ্য সহজীকরণে ,কোম্পানি (সংশোধন) বিল-২০২০ নামে একটি বিল সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। গতকাল সংসদ অধিবেশনে বিলটি উত্থাপনের পর তা অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। এছাড়া সংসদ অধিবেশনে ,বাংলাদেশ বাতিঘর বিল-২০২০ নামে একটি বিল পাস হয়েছে। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনে বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুন্সী ,কোম্পানী (সংশোধন) বিল-২০২০ সংসদে উত্থাপনকালে এর বিরোধীতা করেন বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সদস্য মো. ফখরুল ইমাম। কিন্তু তার আপত্তি কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। পরে বিলটি অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। বিলটি পরীক্ষা শেষে কমিটিকে এক দিনের মধ্যে সংসদে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। বিলে কোম্পানি রেজিস্ট্রেশনের সময় লোগো রেজিস্ট্রেশনের বিধান তুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে এখন শুধু কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন করলেই চলবে। ফলে সংশোধিত বিলটি পাস হলে কোম্পানীর কমন সিল, সাধারণ সিল ও অফিসিয়াল সিল নিবন্ধনের বিধান বিলোপ হবে। বাতিঘর বিল, এদিকে, জাতীয় সংসদে ,বাংলাদেশ বাতিঘর বিল-২০২০, নামে একটি বিল পাস হয়েছে। নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী সংসদে বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। এরআগে বিলটির উপর বিরোধী দল জাতীয় পার্টি ও বিএনপি সদস্যদের আনা জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব নাকোচ হয়ে যায়। বিলে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের জলসীমায় চলাচলের সময় জাহাজের মালিক, এজেন্ট বা মাস্টারকে বাতিঘর মাশুল পরিশোধ করতে হবে। মাশুল আদায় করবেন সংশ্লিষ্ট কাস্টমস কমিশন। বাতিঘর মাশুল পরিশোধ না করে কোনো জাহাজ নৌপথে চলাচল করলে তা আটকে রাখা হবে। আটক জাহাজ অতিরিক্ত মাশুল দিয়ে ৬ মাসের মধ্যে আবেদন করলে তা ফেরত দেয়া হবে। এর আগে গত ১৫ই জানুয়ারি সংসদে বিলটি উত্থাপন করা হয়। ১৯২৭ সালের ,দ্য লাইট হাউজ অ্যাক্ট, বাতিল করে নতুন আইন করতে এই বিল আনা হয়।
সাংবাদিকদের ওপর হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে: তথ্যমন্ত্রী
১৩ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সংবাদ কর্মীদের উপর হামলা নিন্দনীয়। সরকার সাম্প্রতিক কয়েকটি হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে। এ ধরনের ঘটনা সরকার কঠোর হস্তে দমন করবে। বললেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তথ্যমন্ত্রী বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাঁধা দেয়া সমীচীন না। এক্ষেত্রে যিনিই জড়িত হোন, সরকার তাকে ছাড় দেবে না। সচিবালয়ে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার-বিজেসি নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিজেসির চেয়ারম্যান রেজোয়ানুল হক, ট্রাস্টি রাহুল রাহা, সাইফুল ইসলাম দিলাল, নির্বাহী সদস্য আলমগীর স্বপন, মিল্টন আনোয়ার ও রিজভী নেওয়াজ।
ইলিয়াস কাঞ্চনের মামলায় শাজাহান খানকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ
১৩ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের চেয়ারম্যান ও চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনের দায়ের করা ১০০ কোটি টাকার মানহানি মামলায় সাবেক নৌপরিবহন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শাজাহান খানকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ উৎপল ভট্টাচার্য ইলিয়াস কাঞ্চনের করা মামলাটি আমলে নিয়ে এ আদেশ দেন। গতকাল বুধবার উৎপল ভট্টাচার্যের আদালতে ১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে শাজাহান খানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন ইলিয়াস কাঞ্চন। ইলিয়াস কাঞ্চনের আইনজীবী মো. রেজাউল করিম গতকাল বুধবার জানিয়েছিলেন, মামলার গ্রহণযোগ্যতার বিষয়ে বৃহস্পতিবার শুনানি হবে। মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, গত বছরের ৮ ডিসেম্বর শাজাহান খান নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে একটি অনুষ্ঠানে বলেন,ইলিয়াস কাঞ্চন কোথা থেকে কত টাকা পান, কী উদ্দেশে পান, সেখান থেকে কত টাকা নিজে নেন, পুত্রের নামে নেন, পুত্রবধূর নামে নেন, সেই হিসাব আমি জনসম্মুখে তুলে ধরব। শাজাহান খানের ওই বক্তব্য বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হলে এ মন্তব্যকে উদ্ভট, বানোয়াট ও মিথ্যা আখ্যা দিয়ে বক্তব্য প্রত্যাহারের জন্য ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন ইলিয়াস কাঞ্চন। তবে শাজাহান খান তার বক্তব্য প্রত্যাহার কিংবা ক্ষমা প্রার্থনা না করায় ইলিয়াস কাঞ্চন এবার আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন। এজাহার থেকে আরও জানা যায়, গত বছরের ১৯ নভেম্বর বাংলাদেশ ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান মালিক ও শ্রমিক ঐক্য পরিষদ ধর্মঘটের ডাক দেয়। ওই ধর্মঘটে বিবাদীর (শাজাহান খান) প্ররোচনায় শ্রমিকরা ব্যানার টানিয়ে বাদীর (ইলিয়াস কাঞ্চন) কুশপুত্তলিকা তৈরি করে ও জুতার মালা দিয়ে হেয় প্রতিপন্ন করে। যা পরবর্তীতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এতে বাদীর ১০০ কোটি টাকার ক্ষতি সাধন হয়েছে বলে বাদী আদালতে এ মামলা করেন।
মুজিব বর্ষ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি সম্পন্ন
১৩ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী। ওই দিনই জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে মুজিব বর্ষ উদযাপন শুরু করবে জাতি। এরই মধ্যে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী। গতকাল বুধবার জাতীয় প্যারেড স্কয়ারসংলগ্ন বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ঘাঁটি বাশার-এর সম্মেলন কক্ষে এ-সংক্রান্ত এক সমন্বয় সভায় এ কথা জানান তিনি। সভায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্যান্ডেল স্থাপন, সব পর্যায়ের অতিথি ও দর্শকের আসন ব্যবস্থা, অতিথি ও দর্শকদের অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশের ব্যবস্থাপনা, গাড়ি পার্কিং, অনুষ্ঠান পরিবেশনা, স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ, অনুষ্ঠান সম্প্রচার এবং উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এ সময় এসব কার্যক্রম বাস্তবায়নকারী সংস্থা ও দপ্তরের প্রতিনিধিরা তাদের গৃহীত পদক্ষেপের অগ্রগতি তুলে ধরেন। সভায় ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী যুব বিশ্বকাপ জয়লাভ করায় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দলকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, যুব বিশ্বকাপ জয় মুজিব বর্ষে জাতির জন্য সেরা উপহার বলে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এ অর্জন মুজিব বর্ষের বর্ণিল আয়োজনে আমাদের প্রেরণা জোগাবে। সমন্বয় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন সাবেক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাহফুজুর রহমান, এয়ার ভাইস মার্শাল মো. নজরুল ইসলাম, গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার, তথ্য সচিব কামরুন নাহার, স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মজিবুর রহমান, র্যাব ফোর্সেসের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজি (প্রশাসন) মো. মইনুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ।
প্রতিটি গ্রাম শহরের সুবিধা পাবে: প্রধানমন্ত্রী
১৩ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দারিদ্রমুক্ত দেশ গঠনে গ্রাম ও প্রতিরক্ষা বাহিনীকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের সর্ববৃহৎ বাহিনী হিসেবে আনসার বাহিনীকে দেশের উন্নয়নে আরও কার্যকরি ভূমিকা পালন করতে হবে। এতে করে বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রাম আলোকিত হবে, শহরের সুবিধা পাবে। তিনি বলেন, আর্থ সামাজিক উন্নয়নে এ বাহিনীর উন্নতি করেছে বর্তমান সরকার। তাদের উন্নয়নে পদন্নতি থেকে শুরু করে আলাদা ব্যাংক প্রতিষ্ঠা ও ঝুঁকি ভাতা চালু করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৪০ তম জাতীয় সমাবেশে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসে আনসার বাহিনীর উন্নতি নিয়ে চিন্তা করে। ৯৮ সালে ক্ষমতাসীন সরকারই সর্বপ্রথম গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী হিসেবে সম্মান দেয়। আনসার বাহিনীর প্রশংসা করে তিনি বলেন, বর্তমানে সারাদেশে ৬৮ লাখ আনসার সদস্য রয়েছে। তারা দেশের অর্থনীতির চাকা সমুন্নত রাখতে ভূমিকা রাখছে। জাতীয় নির্বাচন থেকে শুরু করে সন্ত্রাস দমন, জঙ্গিবাদ নির্মূল, অগ্নিকাণ্ড ঠেকাতে ও জননিরাপত্তা কাজে এ বাহিনী গুরুত্বের সাথে তাদের দায়িত্ব পালন করে আসছে। এ বাহিনীর উন্নতিতে সরকার সবসময় গুরুত্ব দিয়ে আসছে। এ লক্ষ্যে ২টি মহিলা ব্যাটালিয়নসহ সারাদেশে ৪২টি ব্যাটালিয়ন টিম গঠন করা হয়েছে। যারা কূটনীতি থেকে শুরু করে প্রয়োজনে ব্যবসায়ীদেরও নিরাপত্তায় কাজ করছে। শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের আনসার বাহিনী শুধু দেশে নয়, আন্তর্জাতিক পর্যায়েও তারা সুনাম বয়ে আনছে। সম্প্রতি বিভিন্ন খেলাধুলায় ১৪২টি পদকের মধ্যে ৫৮টি পদক তারা ছিনিয়ে এনেছে। তাই তাদের সেবা ও সাহসিকতার পদকও প্রবর্তন করা হয়েছে। এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকার তেজগাঁও বিমানবন্দর থে‌কে হেলিকপ্টারযোগে সফিপুরে পৌঁছfন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী কর্তৃক আয়োজিত কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ করেন তিনি।

জাতীয় পাতার আরো খবর