১৭৭ মন্ত্রী, এমপিসহ বিদ্রোহীর বিরুদ্ধে শোকজ
১৩সেপ্টেম্বর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিনিধি ,নিউজ একাত্তর ডট কম:সম্প্রতি পাঁচ ধাপে শেষ হওয়া উপজেলা নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীকে সমর্থন না দিয়ে বিদ্রোহী হিসেবে যারা নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন এমন ১৭৭ জনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। শুধুমাত্র দলীয় পদধারী নেতাদেরই প্রথম দফায় শোকজ লেটার পাঠনো হয়েছে। আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমণ্ডিস্থ রাজনৈতিক কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কেন স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে না জানতে চেয়ে ১৭৭ জন পদধারী নেতার ঠিকানায় ডাকযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। শোকজ লেটার ইস্যু হওয়া নেতাদের মধ্যে বর্তমান ও সাবেক এমপি, উপমন্ত্রী এবং মন্ত্রীর নামও রয়েছে। পর্যায়ক্রমে নির্বাচনে যারা বিদ্রোহী প্রার্থীদের সমর্থন ও বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছেন পরবর্তীতে তাদেরকেও শোকজ লেটার পাঠানো হবে। সম্প্রতি দলের যুগ্ম সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকদের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। পরবর্তীতে বিষয়টি চূড়ান্ত করেন তিনি। গত পাঁচ দফা উপজেলা নির্বাচনে ৪৭৩টি উপজেলার মধ্যে ১৪৯টিতে চেয়ারম্যান পদে জিতেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। এর মধ্যে ১৪৩ জনই আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী। এছাড়া বিভিন্ন উপজেলায় আওয়ামী লীগের স্থানীয় কোন্দলের কারণে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রাকাশ্যে ও গোপনে দলীয় প্রতীকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন বহু পদধারী নেতা। ফলে ভবিষ্যতে শৃঙ্খলা ভঙ্গের লাগাম টানতে শোকজ করা শুরু করলো টানা তিন মেয়াদে সরকার গঠনকারী দলটি।
প্রধানমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি লিখলেন রাব্বানী
১৩সেপ্টেম্বর,শুক্রবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অতীতে কোনো দিন ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে এমন পরিস্থিতিতে পড়তে হয়নি। যদিও এর আগে নানা সময়ে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছিলো আওয়ামী লীগের এই ছাত্র সংগঠনটি। কিন্তু প্রতিবারই পার পেয়ে যায় তারা। কিন্তু এবার আর শেষ রক্ষা হচ্ছে না বলে মনে করছেন অনেক নেতা। ছাত্রলীগের দুই নেতার ধারাবাহিক বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এমনকি নতুন নেতা খোঁজার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি। ছাত্রলীগ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এমন মনোভাবের ফলে অনেকটা একা হয়ে গেছেন সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। প্রধানমন্ত্রীর দেয়া দায়িত্বের কারণে আওয়ামী লীগের চার নেতার সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পেলেও কার্যত তাদের পাশে এখন কেউ নেই। কমিটি ভেঙে দেয়ার খবর শুনে শোভন-রাব্বানীর থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে চলছেন ছাত্রলীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা নেতাদের বড় একটি অংশ। এদিকে এ অবস্থায় ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার উদ্দেশে একটি চিঠি লিখেছেন। যা প্রধানমন্ত্রীকে পৌঁছে দিতে আওয়ামী লীগের এক জ্যেষ্ঠ নেতার হাতে দিয়েছেন তিনি। চিঠির শুরুতেই প্রধানমন্ত্রীকে মমতাময়ী নেত্রী সম্বোধন করে বলা হয়েছে- আপনি বিশ্বাস করে শিক্ষা-শান্তি-প্রগতির যে পবিত্র পতাকা আমাদের হাতে তুলে দিয়েছেন, তার মর্যাদা রক্ষায় সচেষ্ট ছিলাম। দায়িত্ব পালনের শুরু থেকেই চতুর্মুখী চাপ, সদ্য সাবেকদের অসহযোগিতা, নানা ষড়যন্ত্র, প্রতিকূলতা-প্রতিবন্ধকতা আর আমাদের জ্ঞাত-অজ্ঞাত কিছু ভুল ইতিবাচক পরিবর্তনের পথকে কণ্টকাকীর্ণ করেছে। আমাদের দায়িত্বশীল আচরণের ব্যর্থতা ও কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতির বাইরেও দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে চাই, প্রিয় নেত্রী দীর্ঘদিনের সিন্ডিকেট ভেঙে আপনি নিজে পছন্দ করে দায়িত্ব দিয়েছিলেন বলে আমরা একটি বিশেষ মহলের চক্ষুশূল। তারা বিভিন্ন মাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়ে ও প্রপাগাণ্ডা ছড়িয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সুকৌশলে আপনার এবং আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতাদের কান ভারী করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। চিঠিতে আরও বলা হয়- আপনার সন্তানরা এতটা খারাপ না। আমরা পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের শিকার হচ্ছি বারবার। অনেক অব্যক্ত কথা রয়েছে, যা আপনাকে বলার কখনও সুযোগ পাইনি। বিভিন্ন মাধ্যমে শ্রুত অভিযোগের ভিত্তিতে প্রকৃত সত্যটুকু উপস্থাপনের সুযোগ চাই। চিঠিতে বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ব্যাখ্যা তুলে ধরা হয়। তার বিভিন্ন অংশের উদ্ধৃতি এখানে দেওয়া হলো। অভিযোগ-১: ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউর নতুন পার্টি অফিসে আপনার আবেগের ঠিকানায় আমাদের ঠাঁই দিয়েছেন। আমরা দ্ব্যর্থহীনভাবে বলছি, আপনার আমানতকে সযত্নে রেখেছি। অফিস অপরিচ্ছন্ন ও নোংরা করা নিয়ে যে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। দায়িত্বপ্রাপ্ত শাহজাহান ভাই চায় না ছাত্রলীগ এখানে থাকুক। লোক দিয়ে বাইরে থেকে ময়লা ফেলে, বাথরুম ও দেয়াল অপরিচ্ছন্ন করে সেগুলোর ছবি তুলে আপনাকে দেখানো হয়েছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত মিন্টু ভাই, লোকমান ভাই এবং ক্লিনার জাবেদ ভাইয়ের কাছে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই প্রকৃত সত্য জানতে পারবেন। অভিযোগ-২: ২০ জুলাই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মেলনের দেরি প্রসঙ্গে- ১৮ জুলাই আপনি দেশের বাইরে যাবার আগে অনুমতি নিয়ে ১৯ তারিখ আম্মুর (সাধারণ সম্পাদক) ১ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আমি এবং সভাপতি মাদারীপুর গিয়েছিলাম। ওই দিন সারারাত নির্ঘুম জার্নি আর বেশ কয়েকটি পথসভা (সর্বশেষ সকাল ৮টায় সাভারে) করে সকাল ৯টায় ঢাকা ফিরি। রেস্ট নিয়ে পূর্বনির্ধারিত ১২টার সম্মেলনে পৌঁছাতে আমাদের ৪০ মিনিট দেরি হয়, যা অনিচ্ছাকৃত এবং অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পূর্বেই অবগত। সকালে ঘুম থেকে দেরিতে ওঠার বিষয়টিও অতিরঞ্জিত। গত ১ বছরে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সকল কর্মসূচিতে (সকাল ৭টা-৯টা পর্যন্ত) আমরা উপস্থিত থেকেছি এবং যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করেছি। ডাকসুর জিএস হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে মধুর ক্যান্টিনে কম উপস্থিতি নিয়ে যে অভিযোগ দেয়া হয়েছে তা অতিরঞ্জিত। অভিযোগ-৩: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে অভিযোগ আপনার কাছে ভিন্নভাবে উত্থাপন করা হয়েছে। উপাচার্য ম্যামের স্বামী ও ছেলে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগকে ব্যবহার করে কাজের ডিলিংস করে মোটা অঙ্কের কমিশন বাণিজ্য করেছেন। যার পরিপ্রেক্ষিতে ঈদুল আজহার পূর্বে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগকে ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা দেওয়া হয়। এ খবর জানাজানি হলে বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি শুরু হয় এবং এরই পরিপ্রেক্ষিতে উপাচার্য ম্যাম আমাদের স্মরণ করেন। আমরা দেখা করে আমাদের অজ্ঞাতসারে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগকে টাকা দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন তোলায় তিনি বিব্রতবোধ করেন। নেত্রী, ওই পরিস্থিতিতে আমরা কিছু কথা বলি, যা সমীচীন হয়নি। এজন্য আমরা ক্ষমাপ্রার্থী। সবকিছুর পরেও আমাদের জ্ঞাত-অজ্ঞাত ভুলগুলোর জন্য অনুতপ্ত ও ক্ষমাপ্রার্থী। আপনি বঙ্গবন্ধুর কন্যা, মানবতার মা। নিজ বদান্যতায় আমাদের ক্ষমা করে ভুলগুলো শুধরে আপনার আস্থার প্রতিদান দেওয়ার সুযোগটুকু দিন। আপনি মুখ ফিরিয়ে নিলে যাবার কোনো জায়গা নেই। -আপনার স্নেহের রাব্বানী
গাজীপুরে মাইওয়ানের মিনিস্টার ফ্রিজ কারখানায় আগুন
১৩সেপ্টেম্বর,শুক্রবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গাজীপুরের ধীরাশ্রম এলাকায় মাইওয়ানের মিনিস্টার ফ্রিজ কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আজ শুক্রবার সকাল সোয়া ৭টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিট। টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. আতিকুর রহমান জানিয়েছেন, ধীরাশ্রম এলাকায় মাইওয়ানের মিনিস্টার ফ্রিজ তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে জয়দেবপুর ও টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিটের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন। আগুন কারখানার ছয়তলার গুদামে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ জানা যায়নি।
রংপুরের উপনির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হবে: ওবায়দুল কাদের
১০সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, রংপুরের উপনির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হবে। অবাধ, সুষ্ঠু, সুন্দর ও ভালো নির্বাচন হবে। তিনি বলেন,রংপুরের উপনির্বাচনে জাতীয় পার্টি আছে, আমরাও প্রার্থী দিয়েছি এবং বিএনপিও অংশ নিচ্ছে। আশা করি এ নির্বাচনটা প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হবে। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, সুন্দর ও ভালো হবে। মঙ্গলবার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে চলমান বাস Rapid ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের কাজ পরিদর্শনে এসে ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বলেন, স্বাধীনভাবে ভূমিকা পালনে নির্বাচন কমিশনকে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। বিএনপি অনেকগুলো নির্বাচন বর্জন করেছে, অংশগ্রহণ করেনি। তবে এখন তারা বলেছে, স্থানীয় সরকার থেকে শুরু করে জাতীয় নির্বাচনসহ প্রতিটি নির্বাচনেই তারা অংশগ্রহণ করবে। আমরা তাদের স্বাগত জানাই। তারা সংসদেও এসেছে, এটা একটা ভালো দিক। সেতুমন্ত্রী জানান, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে চলমান বাস Rapid ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের কাজ ২০২১ সালের জুন মাস নাগাদ শেষ হবে। তিনি বলেন,শেখ হাসিনা সরকারের উদ্যোগে চলমান এই মেগা প্রকল্পের কাজ ২০২১ সালের জুন নাগাদ শেষ হবে (বাস Rapid ট্রানজিট)। বিএনপির আমলে দেশ কোনো রাস্তা-সড়কের মুখ দেখেনি। বর্তমানে ফ্লাইওভার, বাস Rapid ট্রানজিট, মেট্রোরেল, ফোর লেন হচ্ছে। এগুলো তারা স্বপ্নেও দেখেনি কোনোদিন। সড়কে টোল আদায় সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, টোল দিলে রাস্তা চলাচলের যেই সুবিধাটুকু জনগণ পাবে, পৃথিবীর সব দেশেই এই ব্যবস্থা আছে। জনগণ যে রাস্তাটি ব্যবহার করছে, এটা মেরামত-সংস্কার করতে হয়। সংস্কারের টাকাটা কোথা থেকে আসবে? সরকার বারবার শুধু নতুন নতুন রাস্তা করবে, সেই রাস্তার ব্যবহার যারা করবে তাদেরও তো দায়-দায়িত্ব রয়েছে। তিনি বলেন,বিএনপি কোন রাস্তা করেনি। কাজেই এ সম্পর্কে তাদের অভিজ্ঞতা নেই। অন্য দেশের অভিজ্ঞতা তাদের যদি জানাও থাকে, তাহলে বলতে হবে, চোখ থাকতেও তারা অন্ধ। এ সময় গাজীপুর সিটি করর্পোরেশনের মেয়র মো. জাহাঙ্গীর আলম, সড়ক ও জনপথের ঢাকা বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক সবুজ উদ্দিন খান, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) কমিশনার মো. আনোয়ার হোসেন, গাজীপুর জেলা প্রশাসক এস এম তরিকুল ইসলাম, গাজীপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী সাইফুদ্দিন এবং সড়ক ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়টি জাতিসংঘে জোরালোভাবে তোলা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
১০সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামীতে যেকোনো সময় প্রত্যাবাসন শুরু হবে জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বলেছেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়টি জাতিসংঘের আগামী অধিবেশনে জোরালোভাবে উত্থাপন করা হবে। মঙ্গলবার রাজধানীর ইস্কাটনে ঢাকা লেডিস ক্লাবে আয়োজিত কুসুম কলি স্কুলে শেভরনের সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠান শেষে বের হওয়ার সময় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। মোমেন বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুটি আমাদের অগ্রাধিকার হিসেবে রয়েছে। অবশ্যই সেখানে বিভিন্ন ফোরামে বিষয়টি তোলা হবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রোহিঙ্গা ইস্যুতে আমাদের সহযোগিতা করছে, কিন্তু, এটা যথেষ্ট নয়। একদিকে রোহিঙ্গাদের সহযোগিতা করছে, অন্যদিকে মিয়ানমারের সঙ্গে সকল সম্পর্ক বজায় রেখেছে। সারা মিয়ানমারে যুক্তরাষ্ট্র বিনিযোগ করছে। মিয়ানমারের ওপর এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী ভূমিকা রাখা উচিত। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান না হলে এই এলাকায় যতগুলো রাষ্ট্র আছে, চীন, ভারত, মিয়ানমার, বাংলাদেশ- এসব দেশে আগামীতে কিছুটা অনিশ্চয়তা তৈরি হবে। আর অনিশ্চয়তা তৈরি হলে উন্নয়ন হয় না। লক্ষ্যবস্তু অর্জন সম্ভব হয় না। আমরা তাদেরকে এটাই বলেছি। এখানে যদি ঝামেলা হয়, তাহলে সেটা সবার জন্যই অমঙ্গল হবে। কবে নাগাদ রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো যাবে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা আমাদের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবো। আশা করছি আগামীতে যেকোনো সময় প্রত্যাবাসন শুরু হবে। রোহিঙ্গাদের হাতে পাসপোর্ট এবং জাতীয় পরিচয়পত্র যাওয়ার বিষয়টি খুবই দুঃখজনক জানিয়ে মোমেন বলেন, এ ব্যাপারে আমরা শক্ত অবস্থান নিয়েছি। ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে তারা যাতে পাসপোর্ট ও জাতীয় পরিচয়পত্র নিতে না পারে সেজন্য উদ্যোগ নিয়েছি। আসামের জাতীয় নাগরিকপঞ্জি (এনআরসি) নিয়ে আমিত শাহর বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভারতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলে গেছেন এটা তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এ নিয়ে আমরা ভাবছি না।
তাজিয়া মিছিলে হাজারো মানুষ
১০সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যদিয়ে পালিত হচ্ছে পবিত্র আশুরা । কারবালার শোকাবহ ও হৃদয়বিদারক ঘটনার এ দিনটি মুসলিম বিশ্বে ত্যাগ ও শোকের প্রতীক হিসেবে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। আশুরা উপলক্ষে পুরান ঢাকার চানখাঁরপুল এলাকার হোসেনি দালান থেকে তাজিয়া মিছিল বের হয় সকাল সোয়া ১০টার দিকে। পুলিশের কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে শিয়া সম্প্রদায় এই ঐতিহ্যবাহী মিছিলের আয়োজন করেছে। সকাল ১০টার দিকে কবুতর ও নিশান উড়িয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তাজিয়া মিছিল শুরু হয়। হোসেনি দালান প্রাঙ্গণ থেকে তাজিয়া মিছিলটি শুরু হয়ে বকশীবাজার, উমেশ দত্ত রোড, লালবাগ চৌরাস্তা, এতিমখানা রোড, আজিমপুর মেটারনিটি, নীলক্ষেত মোড়, সিটি কলেজ, ধানমণ্ডি-২, রাইফেলস স্কয়ার হয়ে অস্থায়ী কারবালায়(বিজিবি সদর দপ্তরের গেটের উল্টো দিকে) মিছিলটি শেষ হয়। এর আগে তাজিয়া মিছিলে অংশ নিতে সকাল থেকেই হোসেনি দালান এলাকায় জড়ো হতে থাকেন ধর্মপ্রাণ শিয়া মুসলিমরা। ম হানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র ইমাম হোসেইন (রা.) এবং তার পরিবার ও অনুসারীরা হিজরি ৬১ সনের ১০ই মহররম সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে যুদ্ধ করতে গিয়ে ফোরাত নদীর তীরে কারবালা প্রান্তরে ইয়াজিদ বাহিনীর হাতে শহীদ হন। এ ঘটনা স্মরণ করে মুসলিমবিশ্ব যথাযোগ্য মর্যাদায় দিনটি পালন করে থাকে। হোসেনি দালান ইমামবাড়ার প্রশাসনিক কর্মকর্তা মির্জা মোহাম্মদ নাকি আসলাম জানান, ৪০০ বছর ধরে পুরান ঢাকায় তাজিয়া মিছিল বের করা হয়। কারবালায় ইমাম হোসেনসহ তার পরিবারকে হত্যার মধ্যদিয়ে যে বিষাদময় ঘটনা ঘটেছে, তার স্মরণে এই মিছিলে বিভিন্ন ধর্ম ও গোষ্ঠীর মানুষ অংশ নিয়েছে। পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। এ উপলক্ষে আজ সরকারি ছুটি। দিবসটি উপলক্ষে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
বাংলাদেশের উন্নয়নে জাপানের দীর্ঘমেয়াদী সহায়তা
১০সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:গত ১০ বছরে বাংলাদেশের চমৎকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করে দেশের সার্বিক উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদী সহায়তা দিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত হিরোইয়াসু ইজুমি। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ গত ১০ বছরে আর্থ-সামাজিক খাতে, বিশেষ করে জিডিপির প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে চমৎকার উন্নয়নে সাফল্য অর্জন করেছে। বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নে জাপান দীর্ঘমেয়াদী সহায়তা দিয়ে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সোমবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় সংসদ কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার বিদায়ী সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত এসব কথা বলেন। সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এ ব্যাপারে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। প্রেস সচিব জাপানের রাষ্ট্রদূতের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, আপনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের জনগণ উন্নয়নের এক ঐতিহাসিক সুযোগ পেয়েছে। হিরোইয়াসু ইজুমি বলেন, জাপানের উদ্যোক্তারা বাংলাদেশে আরো বিনিয়োগে আগ্রহী। তিনি বলেন, জাপানের বহুজাতিক গাড়ি নির্মাতা মাজদা মটর কর্পোরেশন বাংলাদেশে একটি অটোমোবাইল প্ল্যান্ট স্থাপনে আগ্রহী। রাষ্ট্রদূত বলেন, জাপান বাংলাদেশে একটি এলপিজি টার্মিনাল স্থাপনেও আগ্রহী। রোহিঙ্গা ইস্যু প্রসঙ্গে হিরোইয়াসু ইজুমি বলেন, এ ব্যাপারে বাংলাদেশের প্রতি সব সময় আমাদের সহানুভূতি রয়েছে। তিনি মিয়ানমার সীমান্ত বরাবর কাঁটাতারের বেড়া না দেয়ায় এবং রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার জন্য বাংলাদেশের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন। রাষ্ট্রদূত রোহিঙ্গা সংকট শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানে বাংলাদেশের প্রচেষ্টারও প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের যে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে তা খুবই প্রশংসনীয়। বাংলাদেশের উন্নয়নে জাপানের সহায়তার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে জাপান দেশের অর্থনীতির উন্নয়নে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। এ প্রসঙ্গে তিনি মেট্রোরেল, মাতারবাড়ি পাওয়ার প্ল্যান্ট ও হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণে জাপানের সহায়তার বিশেষ প্রশংসা করেন। এ অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এতে ব্যবসা-বাণিজ্য আরো বাড়বে। এ প্রসঙ্গে তিনি এতদাঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে যোগাযোগ আরো বৃদ্ধিতে বিসিআইএম ও বিবিআইএন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন। শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর সরকার কক্সবাজারের সাবরাংয়ে শিল্প প্রতিষ্ঠায় জাপানকে জমি দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। জাপান সেখানে সমুদ্র সৈকতও করতে পারে। রোহিঙ্গা ইস্যু প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে তাদের রাজি করানোর জন্য জাপানের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এটি বাংলাদেশের জন্য একটি বিরাট বোঝা। মিয়ানমারকে অবশ্যই তাদের নাগরিকদের এখান থেকে ফেরত নিতে হবে। প্রেস সচিব বলেন, জাপানের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রীকে তাঁর দেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। জবাবে শেখ হাসিনা রাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে জাপানের প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান। দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের জনগণের হৃদয়ে জাপানের জন্য একটি বিশেষ স্থান রয়েছে। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস
সৌরবিদ্যুৎ যুক্ত হচ্ছে জাতীয় গ্রিডে
১০সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:কাপ্তাই পানিবিদ্যুৎকেন্দ্রের বাঁধ বিভক্ত করেছে কর্ণফুলীকে। ওপরের অর্থাৎ উজানের অংশটি এখন হ্রদ। নিচের দিকে বহমান কর্ণফুলী। বাঁধের ওপর দাঁড়ালে উত্তরে হ্রদের বিশাল জলরাশি। দক্ষিণে কর্ণফুলীর স্রোতোধারা। তার আগে বাঁধলাগোয়া নদীতীরে বসেছে সারি সারি সৌর প্যানেল, রোদ পড়ে চিক চিক করছে। এই সৌর প্যানেল থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ যুক্ত হচ্ছে জাতীয় গ্রিডে। সরকারিভাবে স্থাপিত সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যুক্ত হওয়ার ঘটনা দেশে এটা প্রথম। আগামীকাল বুধবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কাপ্তাইয়ের এই সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্বোধন করবেন। এর নাম কাপ্তাই ৭.৪ মেগাওয়াট সোলার পিডি গ্রিড কানেকটেড বিদ্যুৎকেন্দ্র। রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার পানিবিদ্যুৎকেন্দ্রের ভেতরে বাঁধের পাশে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের এই সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের অবস্থান। এশীয় উন্নয়ন বোর্ডের আর্থিক সহযোগিতায় প্রায় সাড়ে ৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে এই বিদ্যুৎকেন্দ্র করা হয়। বিদ্যুৎকেন্দ্রটির মূল ঠিকাদার চীনের জেডটিই করপোরেশন। ২০১৭ সালের ৯ জুলাই এটি নির্মাণের চুক্তি হয়। পানিবিদ্যুতের প্রায় সাড়ে ১৯ একর জমিতে এই বিদ্যুৎকেন্দ্র করা হয়। কর্ণফুলী পানিবিদ্যুৎকেন্দ্রের আবাসিক প্রকৌশলী এ টি এম আবদুজ্জাহের বলেন, সরকারিভাবে এটি প্রথম সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র, যেখান থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে। মে মাস থেকে এটি পরীক্ষামূলকভাবে উৎপাদন শুরু করেছে। সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে যদি এক মেগাওয়াট বিদ্যুৎও উৎপাদন করা যায়, তা ও ভালো, পরিবেশসম্মত। এতে খরচ কম পড়বে। প্রথম দুই বছর এর সার্বিক দায়িত্ব থাকবে জেডটিইর কাছে। এর পর তা পানিবিদ্যুৎকেন্দ্রের কাছে হস্তান্তর করা হবে। গত রোববার সরেজমিনে দেখা গেছে, এখানে মোট প্যানেল রয়েছে ২৪ হাজার ১২টি। ইনভার্টার রয়েছে ২৪০টি। সর্বোচ্চ পাওয়া গেছে ৬ দশমিক ৫ মেগাওয়াট। অপারেশনের দায়িত্বে নিয়োজিত জেডটিইর প্রকৌশলী মো. আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, সৌর প্যানেলগুলোর মেয়াদ ২৫ বছর। আর ইনভার্টারের ১০ বছর ওয়ারেন্টি। এরপর পরিবর্তন করে উৎপাদন চালিয়ে নেওয়া যাবে। এখন আবহাওয়া অনুযায়ী উৎপাদন কমবেশি হচ্ছে। এই কেন্দ্রের প্রথম দিকের কারিগরি পরামর্শক ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক শাহরিয়ার আহমেদ চৌধুরী বলেন, সরকারিভাবে এটি প্রথম সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র। এর প্যানেলগুলো বসানো হয়েছে পূর্ব ও পশ্চিমমুখী। এর ফলে জায়গা কম লেগেছে। পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ব্যবহার করে বছরে এক কোটি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব এই কেন্দ্র থেকে।
দেশে ফিরেছেন ৯৫ হাজার ১৫ হাজি
১০সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:পবিত্র হজ পালন শেষে ২৭৪টি ফিরতি হজ ফ্লাইটে ৯৫ হাজার ১৫ জন হাজি দেশে ফিরেছেন। সোমবার পর্যন্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পরিচালিত ১৩২টি এবং সৌদি এয়ারলাইন্স পরিচালিত ১৪২টি ফিরতি হজ ফ্লাইটে এই হাজিরা দেশে ফিরেছেন বলে হজ অফিস সূত্রে জানা যায়। এ বছর বাংলাদেশ বিমান ও সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে মোট ৩৬৫টি হজ ফ্লাইটে বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার ১৫২ সৌদি আরব গিয়েছেন। গত ১০ আগস্ট পবিত্র হজ পালন শেষে ১৭ আগস্ট থেকে হাজিরা দেশে ফিরতে শুরু করেন। শেষ ফিরতি হজ ফ্লাইট আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর। সৌদি আরবে বাংলাদেশের চিকিৎসা কেন্দ্র থেকে এ পর্যন্ত ১ লাখ ২০ হাজার ৭৩২ জনকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়েছে। সোমবার পর্যন্ত ১৭ জন মহিলাসহ সর্বমোট ১১৭ জন হজ যাত্রী সৌদি আরবে ইন্তেকাল করেছেন। এর মধ্যে মক্কায় ১০২ জন, মদিনায় ১৩ জন ও জেদ্দায় ২ জন হজ যাত্রী ইন্তেকাল করেন বলে হজ অফিস সূত্রে জানা যায়।

জাতীয় পাতার আরো খবর