হজযাত্রীর নিবন্ধন শেষ হবে ১৫ মে
৭মে,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সরকারি ব্যবস্থাপনায় চলতি বছরের হজযাত্রীদের কোটা এখনও খালি রয়েছে। নির্ধারিত সময়ে কোটা পূরণ না হওয়ায় নিবন্ধনের সময় আবারও বাড়িয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। ১৫ মে পর্যন্ত চলতি বছরের সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীদের নিবন্ধন চলবে। সোমবার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এ বছরের সরকারি হজযাত্রীদের নিবন্ধন শেষ হয় ৩০ এপ্রিল। কিন্তু সরকারি কোটা পূরণ না হওয়ায় নিবন্ধনের সময় বাড়ানো হয়েছে। তবে প্যাকেজ-১ এর কোটা খালি না থাকায় সরকারি হজযাত্রীদের প্যাকেজ-২ এর অধীনে নিবন্ধন করতে হবে। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ অফিস থেকে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীদের কোটা এখনও খালি রয়েছে। ইতঃপূর্বে যারা কোনো কারণে নিবন্ধন করতে পারেননি, তাদের মধ্যে ২০১৯ সালে হজ পালনে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের ১৫ মের আগেই নিবন্ধনের জন্য হজ অফিসের পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। কিংবা বিষয়টি লিখিত আবেদনের মাধ্যমে ই-মেইলে কিংবা সরাসরি যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। তাছাড়া নিবন্ধনে আগ্রহীদের ১৪ মের আগেই পাসপোর্ট দাখিলের জন্য বলা হয়েছে, যাতে দ্রুত পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন করতে পারে।
সুবীর নন্দীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শোক
৭মে,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য সংগীতশিল্পী সুবীর নন্দীর মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো.আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ মঙ্গলবার পৃথক শোকবার্তায় সদ্য প্রয়াত এ শিল্পীর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশ সময় আজ মঙ্গলবার ভোর সাড়ে চারটায় সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সুবীর নন্দী। জনপ্রিয় এ শিল্পীর মেয়ে ফাল্গুনী নন্দী গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেন, সুবীর নন্দীর মৃত্যু বাংলাদেশের সংগীত জগতের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক শোকবার্তায় বলেন, পাঁচবারের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই জনপ্রিয় শিল্পী তার কর্মের মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন। এ ছাড়া সুবীর নন্দীর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।
আর নেই সুবীর নন্দী
৭মে,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বরেণ্য সংগীতশিল্পী সুবীর নন্দী আর নেই। সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাংলাদেশ সময় ভোর সাড়ে ৪টায় মারা যান তিনি। জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সমন্বয়ক অধ্যাপক সামন্তলাল সেন এনটিভি অনলাইনকে ওই তথ্য জানান। তিনি জানান, সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরপর তিনবার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন সুবীর নন্দী। এর আগে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায়ও একবার হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল তাঁর। ১৮ দিন ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ৩০ এপ্রিল সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয় সুবীর নন্দীকে। বাংলাদেশে সুবীর নন্দীর চিকিৎসার বিষয়টি সমন্বয় করছিলেন অধ্যাপক সামন্তলাল সেন। তিনি বলেন, বারবার হার্ট অ্যাটাক হয়েছে তাঁর, সেইসঙ্গে সুবীর নন্দীর মাল্টিপল অর্গান ফেইলিউর হচ্ছিল। সংগীতে অবদানের জন্য এ বছরই সুবীর নন্দীকে একুশে পদকে ভূষিত করে সরকার। বেতার, টেলিভিশন এবং চলচ্চিত্রের প্লেব্যাকে তাঁর অসংখ্য জনপ্রিয় গান রয়েছে। চলচ্চিত্রে প্লেব্যাকের জন্য চারবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছেন তিনি। গত ১২ এপ্রিল শ্রীমঙ্গলে একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন সুবীর নন্দী ও তাঁর পরিবার। পয়লা বৈশাখে শ্রীমঙ্গল থেকে ঢাকা ফেরার পথে উত্তরায় কাছাকাছি আসতেই শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে সুবীর নন্দীর। এরপরই তাঁকে সেখান থেকে সরাসরি সিএমএইচে নেওয়া হয়। দেশের জনপ্রিয় এই সংগীতশিল্পীর ১৯৮১ সালে প্রথম একক অ্যালবাম সুবীর নন্দীর গান প্রকাশ হয়। ১৯৭৬ সালে সূর্যগ্রহণ চলচ্চিত্রে প্রথম প্লে-ব্যাক করেন তিনি। দীর্ঘ ৪০ বছরের সংগীত ক্যারিয়ারে আড়াই হাজারেরও বেশি গান গেয়েছেন তিনি। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন পাঁচবার। সংগীতে অবদানের জন্য এ বছর তিনি পান দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদক। সুবীর নন্দীর গাওয়া উল্লেখযোগ্য গানগুলো হলো ও আমার উড়াল পঙ্খী রে, কেন ভালোবাসা হারিয়ে যায়, চাঁদে কলঙ্ক আছে যেমন, বধূ তোমার আমার এই যে পিরিতি,একটা ছিল সোনার কন্যা , কত যে তোমাকে বেসেছি ভালো, আমি বৃষ্টির কাছ থেকে, দিন যায় কথা থাকে, আশা ছিল মনে মনে ইত্যাদি।
বিজ্ঞাপন নয় টিভি সংবাদ শিরোনামে: হাইকোর্ট
৬মে,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে সংবাদ প্রচারের সময় শিরোনামের বিভিন্ন অংশে কোনও ধরনের বাণিজ্যিক স্পন্সরের বিজ্ঞাপন প্রচার করা যাবে না। এ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন হাইকোর্ট। আজ সোমবার এ সংক্রান্ত রিটের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ও বিচারপতি শশাংক শেখর সরকারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বেঞ্চ এ রায় দেন। রায়ে আগামী ৩১ আগস্টের পর অর্থাৎ ১ সেপ্টেম্বর থেকে বেসরকারি সব টেলিভিশন চ্যানেলকে এ রায় মেনে চলার নির্দেশনা দিয়েছেন আদালত। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ব্যারিস্টার মাসুদ আহমেদ সাঈদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তাপস কুমার বিশ্বাস। চ্যানেল ২৪-এর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আসাদুল ইসলাম। ব্যারিস্টার মাসুদ আহমেদ জানান, আদালত রায়ে বলেছেন- অমুক ব্যাংক বাণিজ্য সংবাদ, তমুক হাসপাতাল স্বাস্থ্য সংবাদ- এ ধরনের কোনও টাইটেল স্পন্সর করে আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে কোনও সংবাদ পরিবেশন করা যাবে না। তিনি জানান, ২০১১ সালে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করেন এম এ মতিন নামের এক স্কুলশিক্ষক। রিটে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বিজ্ঞাপন নিলে সেই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে করা সংবাদের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়। তবে রিটকারীর মৃত্যুর পর ফারুক মো. হাসিব নামের এক ব্যবসায়ী রিটে পক্ষভুক্ত হয়ে মামলার কার্যক্রম চলমান রাখেন। পরে ওই রিটের ওপর রুল জারি করেন হাইকোর্ট। আজ ওই রিটের ওপর জারি করা রুলের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে রায় ঘোষণা করেন হাইকোর্ট।
পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে,কাল থেকে রোজা
৬মে,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আহলান সাহলান, মোবারক হো মাহে রমজান। খোশ আমদেদ মাহে রমজান। পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। কাল থেকে রোজা। আজ (সোমবার) সন্ধ্যায় বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ তথ্য জানানো হয়। সভায় জানানো হয়, বাংলাদেশে আকাশে ১৪৪০ হিজরি সনের পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। সেই হিসাবে মঙ্গলবার (৭ মে) থেকে রমজান মাস গণনা শুরু হবে। আজ রাত থেকে তারাবির নামাজ শুরু হচ্ছে। আজ সেহরি খেয়ে ধর্মপ্রাণ প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানরা রোজা রাখরেন। বাংলাদেশের জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আব্দুল্লাহ। তিনি জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটিরও সভাপতি। ইসলাম ধর্মে রমজান মাসে রোজা রাখা প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমান নর-নারীর জন্য ফরজ। রহমত ও বরকতের দিক দিয়ে রমজান মাস অন্য ১১ মাস থেকে ভিন্ন। এ সম্পর্কে হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন,রমজান মাসের প্রথমাংশে রহমত, দ্বিতীয়াংশে মাগফিরাত অর্থাৎ ক্ষমা আর তৃতীয়াংশে নাজাত তথা দোজখ থেকে মুক্তি। (বুখারি)। এদিকে রোববার পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ায় সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে আজ (সোমবার) থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হয়েছে।
এক হচ্ছে গ্রামীণফোন ও রবির মূল কোম্পানি
৬মে,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের গ্রামীণফোনের মূল কোম্পানি টেলিনর ও রবির মূল কোম্পানি আজিয়াটা এক হতে যাচ্ছে। এশিয়ায় মোবাইল ফোন অপারেটর খাতে নেতৃত্ব দেয়া এই দুই কোম্পানি বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছে। টেলিনর সূত্রে জানা গেছে, এশিয়ার বাজারে তারা একীভূত হতে যাচ্ছে। ভৌগোলিক অবস্থান হিসেবে মালয়েশিয়া ও নরওয়ে ভিত্তিক কোম্পানি দুটি এশিয়ায় বড় বাজার দখল করে আছে। তবে কিছু দেশে আজিয়াটার ব্যবসা থাকলেও টেলিনরের নেই। কোম্পানি দুটি এক হলে সেসব দেশেও টেলিনর ব্যবসা শুরু করবে। এতে করে এশিয়ার অন্তত ৯টি দেশের টেলিকম ব্যবসা তাদের দখলে চলে যাবে। এশিয়ার মধ্যে মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে ব্যবসা রয়েছে টেলিনর ও আজিয়াটার। তবে ভারত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, কম্বোডিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায় আজিয়াটা থাকলেও এসব দেশে টেলিনর তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি। একীভূত হলে টেলিনরের হাতে থাকবে ৫৬ দশমিক ৫ শতাংশ শেয়ার। আজিয়াটার দখলে থাকবে ৪৩ দশমিক ৫ শতাংশ শেয়ার। চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে এই চুক্তি সম্পন্ন হতে পারে।
লন্ডন থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা
৬মে,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: লন্ডন থেকে মোবাইল ফোনে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর যারা উত্তীর্ণ হতে পারেননি তাদের ধৈর্য ধরে মনোযোগ সহকারে পুনরায় প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। আজ সোমবার রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল হস্তান্তর এবং ফলপ্রকাশ অনুষ্ঠানের সময় মোবাইল ফোনে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। এর আগে প্রধানমন্ত্রীর একটি শুভেচ্ছা বাণী পড়ে শোনান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, শিক্ষা সচিব মো. সোহরাব হোসাইন প্রমুখ। প্রধানমন্ত্রী তার শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন, আমি প্রতি বছর ফলাফল প্রকাশের সময় থাকতে পারলেও এ বছর তা সম্ভব হয়নি। আমি উত্তীর্ণ সকল শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানাই। সেইসঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের শুভেচ্ছা জানাই। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শিক্ষামন্ত্রীকেও ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, যারা পাস করতে পারনি, তাদের মন খারাপ করার কিছু নেই। আরও ভালোভাবে পড়ালেখা করে আগামীতে পাস করতে হবে। শেখ হাসিনা তার বাণীতে আরও বলেন, প্রতি বছর আমি সশরীরে উপস্থিত থেকে এসএসসি এবং সমমানের পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করি এবং তোমাদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করি। এবছর আমি লন্ডনে সফরে থাকার কারণে এ সুযোগ থেকে বঞ্চিত হলাম। এজন্য আমি তোমাদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘তোমরা তোমাদের মেধা-মননের সবটুকু উজার করে দিয়ে নিজেদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলবে এবং আগামীতে দেশ পরিচালনার জন্য নিজেদের যোগ্য করে প্রস্তুত করবে— এই প্রত্যাশা করছি। মহান আল্লাহ আমাদের সবার সহায় হোন।
আজ বসছে পদ্মা সেতুর ১২তম স্প্যান
৬মে,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: দ্রুত গতিতে এগুচ্ছে পদ্মা সেতু নির্মাণের কাজ। শুরুটা চ্যালেঞ্জিং হলেও সে বাঁধা এরইমধ্যে প্রায় পার করে ফেলেছে সরকার। এখন আগের চেয়ে দ্রুততম সময়ে এর স্প্যান বসানো হচ্ছে। পদ্মা সেতু প্রকল্পের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আজ সোমবার সেতুতে আরও একটি স্প্যান বসানো হচ্ছে। এটি হবে পদ্মা সেতুর ১২তম স্প্যান। এই স্প্যান বসানো হলে পদ্মা সেতু দৃশ্যমান হবে ১৮০০ মিটার। সেতুর সর্বশেষ একাদশ স্প্যানটি বসানো হয় গত ২৩ এপ্রিল। এর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হয় ১ হাজার ৬৫০ মিটার। তার আগে ১০ এপ্রিল বসে দশম স্প্যান। একাদশ স্প্যান বসানোর মাত্র ১০ দিনের ব্যবধানে দ্বাদশ স্প্যানটি বসানোর কার্যক্রম শুরু হয়। গত ৩ মে এই স্প্যান বসানোর কথা ছিল। কিন্তু ঘূর্ণিঝড় ফণীর কারণে এই সময় পিছিয়ে দেয়া হয়। আজ সেতুর দ্বাদশ স্প্যানটি বসানো হচ্ছে। সোমবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে স্প্যানটি ক্রেনে তুলে পিলারের কাছে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। সেখানে ২০ ও ২১ নম্বর পিয়ারের (পিলার) উপরে বসিয়ে দেয়া হবে নতুন স্প্যানটি। পদ্মাসেতুর প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম জানান, চলতি মাস থেকে স্প্যান বসানো বেড়ে যাবে। মাসে ৩/৪টি তারপরে প্রতি সপ্তাহে একটি করে স্প্যান বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে। ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর পিয়ারে প্রথম স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো দৃশ্যমান হয় পদ্মা সেতু। এরপর ধীরে ধীরে তা ২ কিলোমিটার দৃশ্যমান হওয়ার পথে এগুচ্ছে।
কঙ্গোতে সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশের এআইজি রওশন আরা নিহত
৬মে,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: কঙ্গোতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত পুলিশের অ্যাডিশনাল আইজিপি রওশন আরা সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। একইসঙ্গে এই ঘটনায় এসপি ফারজানা এবং তাদের গাড়িচালক আহত হয়েছেন। নিহত রৌশন আরা বেগম জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত ছিলেন। জানা গেছে, কঙ্গোর স্থানীয় সময় রোববার (০৫ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে একটি লরি রৌশন আরাকে বহনকারী গাড়িটি চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। এসময় গাড়িতে থাকা পুলিশ সুপার ফারজানা এবং গাড়িচালক গুরুতর আহত হন। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত রওশন আরা বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস উইমেন্স নেটওয়ার্কের প্রতিষ্ঠাকালীন নির্বাহী সদস্য এবং বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন নেটওয়ার্কের সাবেক সভাপতি ছিলেন। আইএডব্লিউপি-এর ইন্টারন্যাশনাল স্কলারশিপ অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হন। তিনি এক কন্যা সন্তানের জননী। বাংলাদেশ পুলিশের দ্বিতীয় নারী হিসেবে অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি পেয়েছিলেন তিনি । রৌশন আরা বেগম, পিপিএম, এনডিসি ১৯৮৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে পুলিশ ক্যাডারে যোগ দেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর