বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৯, ২০২০
নতুন মাদ্রসা শিক্ষাবোর্ড আইন মন্ত্রীসভায় অনুমোদন
২৩ডিসেম্বর,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নতুন মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড আইন ২০১৯ এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সংবাদ ব্রিফিংয়ে এই অনুমোদনের কথা জানান। দ্য মাদ্রাসা এডুকেশন অর্ডিন্যান্স-১৯৭৮ অনুযায়ী মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের সার্বিক পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রিত হয় জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সুপ্রিম কোর্টের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত ছিল সামরিক শাসনামলের সব আইন বাংলায় করতে হবে, যেগুলো প্রযোজ্য নয় সেগুলো বাতিল করে দিতে হবে। সেই অর্ডিন্যান্সটি যুগোপযোগী করে বাংলায় প্রণয়ন করে নতুন আইন হিসেবে নিয়ে আসা হয়েছে বলে জানান তিনি। আগের আইনে ৪৩টি ধারা ছিল, এখন হলো ৩০টি ধারা। নতুন আইনে কিছু সংজ্ঞা পরিবর্তন করা হয়েছে, নতুন সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে। বোর্ডের সদস্য সংখ্যা ১৩ জনের পরিবর্তে ১৫ জন করা হয়েছে। বিদ্যমান অর্ডিন্যান্সে বোর্ডের কোনো সদস্য সচিব ছিলেন না। খসড়া আইনে রেজিস্ট্রারকে সদস্য সচিব হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। খসড়া আইন অনুযায়ী, বিশেষ জ্ঞান ও দক্ষতা প্রয়োজন হয় এমন কোনো কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য পরামর্শক বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করতে পারবে বোর্ড। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের তহবিলের উৎস হিসেবে সরকারের পূর্ব অনুমোদন নিয়ে বৈদেশিক উৎস থেকে অনুদান গ্রহণ করতে পারবে বলেও বিধান যুক্ত করা হয়েছে নতুন আইনে।
জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ
২৩ডিসেম্বর,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ডাকসুতে হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ডাকসু হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক এবং সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। ডাকসুতে যে হামলা হয়েছে তা নিন্দনীয়। হামলার সঙ্গে যারাই জড়িত হোক দলের পক্ষ থেকে এ হামলায় তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। আজ সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সমসাময়িক ইস্যুতে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এ ধরণের ঘটনায় সরকার অবশ্যই বিব্রত হয়। তবে কোনো ঘটনাতেই সরকার নির্বিকার থাকেনি। ঘরের লোক দলের লোকের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। অনুপ্রবেশকারীরাও অনেক সময় অবাঞ্ছিত ঘটনা ঘটায়। সার্বিক বিষয়গুলো সিরিয়াসলি দেখা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ সরাসরি আমাদের দলের সঙ্গে জড়িত নয়। মঞ্চের একজন ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কৃত। এ ধরনের নিন্দনীয় ঘটনা যারা ঘটায় তাদের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বিষয়টা শেয়ার করেছি।
সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য নানা ষড়যন্ত্র করছে
২৩ডিসেম্বর,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুরের ওপর হামলাকে দুঃখজনক, অনভিপ্রেত ও অগ্রহণযোগ্য হিসেবে বর্ণনা করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তবে তিনি বলেছেন, ছাত্রদের সম্পৃক্ত বিষয় বাদ দিয়ে ভারতের ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে আন্দোলন করার চেষ্টা ডাকসুর কাজ নয়। ডাকসুর কাজ হচ্ছে ছাত্রদের বিষয় নিয়ে কথা বলা। সেটি না করে ভারতের বিষয় নিয়ে আন্দোলন করার চেষ্টা, বহিরাগতদের নিয়ে ডাকসুতে যাওয়া এবং এই হামলা ঘটানোর জন্য ইন্ধন কি না, তা খতিয়ে দেখার প্রয়োজন রয়েছে। তিনি প্রশ্ন তুলেন, ডাকসু ভিপি কেন বহিরাগতদের নিয়ে ডাকসু ভবনে গেলেন। আজ সোমবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন। হাছান মাহমুদ বলেন, এখানে সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য দেশে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র আছে। রাজনৈতিকভাবে সরকারকে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ এবং যারা দেশের পরিস্থিতি ঘোলাটে করতে চায়, সেই পক্ষ যৌথভাবে দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য, সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য নানা ষড়যন্ত্র করছে। সেই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে এ ধরনের ঘটনা ঘটানো হয়েছে কি না এবং ঘটানোর ক্ষেত্রে কোনো উসকানি ছিল কি না? কারণ, অতীতে দেখা গেছে, ডাকসু ভিপি নুরুল হক এ ধরনের ঘটনার মাধ্যমে আলোচনায় থাকতে চান।
ত্যাগের বিনিময়ে সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
২২ডিসেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জলসীমার অতন্দ্র প্রহরী হিসাবে সর্বোচ্চ ত্যাগের বিনিময়ে হলেও সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করতে নৌ কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। চট্টগ্রামে বাংলাদেশ নৌ-বাহিনীর শীতকালীন রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। জাতীয় স্বার্থে সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে সশস্ত্র বাহিনীকে এগিয়ে আসারও আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত নেভাল একাডেমীতে পৌঁছার পর নৌ বাহিনী প্রধানসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা তাকে বরণ করে নেন। এসময় তিনি নবীন নৌ কর্মকর্তাদের কুচকাওয়াজ পরিদর্শনের পাশাপাশি প্যারেডের সালাম গ্রহণ করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সামরিক পরিমণ্ডল ছাড়াও বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের আবাসন প্রকল্প এবং ব্লু -ইকোনমিতে নৌ বাহিনীর গুরুত্ব তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নৌ বাহিনীকে আধুনিক ভাবে গড়ে তোলা হচ্ছে। নৌ বাহিনীর জন্য সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। চলতি বছর বাংলাদেশ নৌ বাহিনীর ৬১ জন মিডশীপ ম্যান এবং ১১ জন ডাইরেক্ট এন্ট্রি অফিসারসহ ৭২ নবীন অফিসার কমিশন লাভ করেন। এরমধ্যে ৭ জন মহিলা এবং ২ জন মালদ্বীপের কর্মকর্তা রয়েছেন। নবীন কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সরকারের নেয়া নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন। বিশেষ করে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে উন্নীত এবং ২১০০ সালের মধ্যে ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়নে সকলের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা আরো বলেন, নৌ সেনাদের জন্য ঢাকাসহ ২২টি অঞ্চলে বহুতল ভবণ নির্মানের কাজ শুরু হয়েছে। আন্তজার্তিক মানের সামরিক একাডেমি গঠন করা হয়েছে।
স্যার ফজলে হাসান আবেদের দাফন সম্পন্ন
২২ডিসেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। জানাজা শেষে স্যার ফজলে হাসান আবেদকে বনানী কবরস্থানে তাঁর প্রথম স্ত্রী আয়েশা আবেদের পাশে সমাহিত করা হয়। এর আগে রোববার (২২ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার কিছু আগে স্যার ফজলে হাসান আবেদের মরদেহ আর্মি স্টেডিয়ামে নেওয়া হয়। তার আগেই সেখানে জড়ো হতে শুরু করেন বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শুরু হয় শ্রদ্ধা নিবেদন। প্রথমেই রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে স্যার ফজলে হাসান আবেদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এরপর আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানান দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ মাহবুব উল আলম হানিফ, বাহাউদ্দিন নাছিম, দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ। এসময় ওবায়দুল কাদের বলেন, নিরবে নিঃশব্দে তিনি সেবামূলক কর্মকাণ্ড ছড়িয়েছেন। দেশের প্রত্যেকটি জনপদে ফজলে হাসান আবেদের কর্মকাণ্ড বিস্তৃত রয়েছে। বিএনপির মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, তিনি একজন ক্ষণজন্মা পুরুষ, যারা পৃথিবীকে বদলে দেয়ার চেষ্টা করেন। যুগে যুগে স্যার ফজলে হাসান আবেদের নাম লেখা থাকবে। নোবেলজয়ী ড মুহম্মদ ইউনূস বলেন, আমরা যে বাংলাদেশ দেখছি তিনি তার রূপকার। তার বিদায়ে বিরাট শূণ্যতা সৃষ্টি হয়েছে। ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা ও ইমেরিটাস চেয়ার স্যার ফজলে হাসান আবেদ দীর্ঘদিন ধরে তিনি অসুস্থ ছিলেন। ২৮ নভেম্বর তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) রাত ৮টা ২৮ মিনিটে রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
সারাদেশে বৃষ্টির পূর্বাভাস
২২ডিসেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে বৃষ্টি হতে পারে। এতে আবারো দেশের তাপমাত্রা হ্রাস পেতে পারে। আবহাওয়া পূর্বাভাস সংস্থা অ্যাকু ওয়েদার রবিবার জানিয়েছে, ২৫ ডিসেম্বর রাতে হালকা থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। আবহাওয়াবিদ মো. আফতাব উদ্দিন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ২৫ থেকে ২৭ ডিসেম্বর সারাদেশে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকবে এবং হালকা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা,বরিশাল, খুলনা ও রাজশাহী অঞ্চলে বৃষ্টির প্রবণতা বেশি থাকতে পারে। খুলনা, যশোর, পাবনা ও রাজশাহী অঞ্চলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত আছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস যশোরে রেকর্ড করা হয়েছে। তবে আগামীকাল পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে।
আর্মি স্টেডিয়ামে স্যার ফজলে হাসান আবেদের মরদেহ সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা
২২ডিসেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদের মরদেহ শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন সর্বস্তরের মানুষ। রোববার (২২ ডিসেম্বর) সকাল ১০টার দিকে ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে স্যার ফজলে হাসান আবেদের মরদেহ আনা হয়। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে শুরু হয়ে এই শ্রদ্ধা নিবেদন চলবে বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত। এরপর এখানেই তার নামাজে জানাজা সম্পন্ন হবে। প্রথমেই রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের পক্ষে মরহুমের কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান মেজর আশিকুর রহমান। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে শ্রদ্ধা জানান উপ-সামরিক সচিব কর্নেল সাইফুল্লাহ পিএসসি। তারপর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।একে একে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ সব শ্রেণী-পেশার মানুষ শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন তাদের প্রিয় আবেদ স্যারকে। এরপর একে একে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. তানিম, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পক্ষে রিদওয়ানুল হক। এছাড়াও শ্রদ্ধা জানিয়েছে জাতিসংঘের ঢাকা কার্যালয়, বিকাশ, জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন ঢাকা, কারিতাস, মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি, ফেডারেশন এনজিও অব বাংলাদেশ, বাংলা একাডেমী ও প্রশিকা। দুপুরে জানাজা শেষে স্যার ফজলে হাসান আবেদকে বনানী কবরস্থানে তার প্রথম স্ত্রী আয়েশা আবেদের কবরের পাশে সমাহিত করা হবে। শুক্রবার রাত ৮টা ২৮ মিনিটে রাজধানীর বসুন্ধরার অ্যাপোলো হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন স্যার ফজলে হাসান আবেদ। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। তিনি স্ত্রী, এক মেয়ে, এক ছেলে এবং তিন নাতি-নাতনি রেখে গেছেন।
আমি চাচ্ছিলাম, আমাকে একটু ছুটি দেবেন : শেখ হাসিনা
২১ডিসেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের ২১তম কাউন্সিলে টানা নবমবারের মতো দলের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ শনিবার আওয়ামী লীগের ২১তম কাউন্সিলের দ্বিতীয় দিনে সভাপতি নির্বাচিত হন বঙ্গবন্ধু কন্যা। সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় শেখ হাসিনা বলেন, আমি চাচ্ছিলাম, আমাকে একটু ছুটি দেবেন। আপনাদের ভাবতে হবে আমার বয়স হয়ে গেছে। আমার বয়স এখন ৭৩। এবারও আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন। আবেগতাড়িত হয়ে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ১৯৭৫ সালে মা-বাবা-ভাই-বোন সব হারিয়েছি। আপনজন যাদেরকে রেখে গিয়েছিলাম তারা আর কেউ নেই। আওয়ামী লীগকে আমার পরিবার হিসেবে নিয়েছি। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ভালোবাসাই ছিল আমার চলার শক্তি। শেখ হাসিনা বলেন, আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন সে দায়দায়িত্ব যেন সঠিকভাবে পালন করতে পারি। এদিকে, দ্বিতীয়বারের মতো দলটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আগামী তিন বছরের জন্য পদ দুটিতে আসীন হলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদের। শনিবার দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন প্রাঙ্গণে আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলনের দ্বিতীয় পর্বের কাউন্সিল অধিবেশনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদেরের নাম ঘোষণা করা হয়। দলের নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন এ নতুন কমিটি ঘোষণা করেন। এর আগে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা আগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে নতুন নির্বাচনের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনের হাতে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন।
কী পেলাম, কী পেলাম না তা নিয়ে ভাববেন না
২১ডিসেম্বর,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজনীতির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে কাজ করতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ শনিবার আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলনের দ্বিতীয় পর্বে কাউন্সিল অধিবেশনের শুরুতে তিনি এই আহ্বান জানান। রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন প্রাঙ্গণে দলটির কাউন্সিল অধিবেশন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হওয়া কাউন্সিল অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজনীতি করতে এসে কী পেলাম, কী পেলাম না তা নিয়ে ভাবা যাবে না। সাধারণ মানুষের অধিকার যেন আদায় হয়, আপনারা সেভাবে কাজ করবেন। মানুষের আস্থা বিশ্বাস যাতে অর্জন করা যায় সে লক্ষ্যে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন দলটির সভানেত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, বাংলাদেশকে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। সেজন্য সংগঠনকে শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে হবে। তিনি আরও বলেন, শীতের তীব্রতা বেড়েছে। সকালে রাজধানীতে তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে এসেছে। আমরা চাচ্ছি কর্মসূচি সংক্ষিপ্ত করে দ্রুত শেষ করতে। বিকেলের আগেই নতুন কমিটির নেতা নির্বাচিত করা হবে জানিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, এই অধিবেশনের শেষ পর্যায়ে আপনারা নতুন নেতা নির্বাচন করবেন। আমরা চাচ্ছি, কর্মসূচিগুলো সংক্ষিপ্ত করে বিকেলের আগেই নতুন নেতা নির্বাচনের কাজ সম্পন্ন করতে। এর আগে, টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধন করেছেন দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে সম্মেলন উদ্বোধন করেন তিনি।- আলোকিত বাংলাদেশ

জাতীয় পাতার আরো খবর