মুজিব বর্ষ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি সম্পন্ন
১৩ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী। ওই দিনই জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে মুজিব বর্ষ উদযাপন শুরু করবে জাতি। এরই মধ্যে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী। গতকাল বুধবার জাতীয় প্যারেড স্কয়ারসংলগ্ন বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ঘাঁটি বাশার-এর সম্মেলন কক্ষে এ-সংক্রান্ত এক সমন্বয় সভায় এ কথা জানান তিনি। সভায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্যান্ডেল স্থাপন, সব পর্যায়ের অতিথি ও দর্শকের আসন ব্যবস্থা, অতিথি ও দর্শকদের অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশের ব্যবস্থাপনা, গাড়ি পার্কিং, অনুষ্ঠান পরিবেশনা, স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ, অনুষ্ঠান সম্প্রচার এবং উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এ সময় এসব কার্যক্রম বাস্তবায়নকারী সংস্থা ও দপ্তরের প্রতিনিধিরা তাদের গৃহীত পদক্ষেপের অগ্রগতি তুলে ধরেন। সভায় ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী যুব বিশ্বকাপ জয়লাভ করায় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দলকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, যুব বিশ্বকাপ জয় মুজিব বর্ষে জাতির জন্য সেরা উপহার বলে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এ অর্জন মুজিব বর্ষের বর্ণিল আয়োজনে আমাদের প্রেরণা জোগাবে। সমন্বয় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন সাবেক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাহফুজুর রহমান, এয়ার ভাইস মার্শাল মো. নজরুল ইসলাম, গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার, তথ্য সচিব কামরুন নাহার, স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মজিবুর রহমান, র্যাব ফোর্সেসের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজি (প্রশাসন) মো. মইনুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ।
প্রতিটি গ্রাম শহরের সুবিধা পাবে: প্রধানমন্ত্রী
১৩ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দারিদ্রমুক্ত দেশ গঠনে গ্রাম ও প্রতিরক্ষা বাহিনীকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের সর্ববৃহৎ বাহিনী হিসেবে আনসার বাহিনীকে দেশের উন্নয়নে আরও কার্যকরি ভূমিকা পালন করতে হবে। এতে করে বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রাম আলোকিত হবে, শহরের সুবিধা পাবে। তিনি বলেন, আর্থ সামাজিক উন্নয়নে এ বাহিনীর উন্নতি করেছে বর্তমান সরকার। তাদের উন্নয়নে পদন্নতি থেকে শুরু করে আলাদা ব্যাংক প্রতিষ্ঠা ও ঝুঁকি ভাতা চালু করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৪০ তম জাতীয় সমাবেশে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসে আনসার বাহিনীর উন্নতি নিয়ে চিন্তা করে। ৯৮ সালে ক্ষমতাসীন সরকারই সর্বপ্রথম গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী হিসেবে সম্মান দেয়। আনসার বাহিনীর প্রশংসা করে তিনি বলেন, বর্তমানে সারাদেশে ৬৮ লাখ আনসার সদস্য রয়েছে। তারা দেশের অর্থনীতির চাকা সমুন্নত রাখতে ভূমিকা রাখছে। জাতীয় নির্বাচন থেকে শুরু করে সন্ত্রাস দমন, জঙ্গিবাদ নির্মূল, অগ্নিকাণ্ড ঠেকাতে ও জননিরাপত্তা কাজে এ বাহিনী গুরুত্বের সাথে তাদের দায়িত্ব পালন করে আসছে। এ বাহিনীর উন্নতিতে সরকার সবসময় গুরুত্ব দিয়ে আসছে। এ লক্ষ্যে ২টি মহিলা ব্যাটালিয়নসহ সারাদেশে ৪২টি ব্যাটালিয়ন টিম গঠন করা হয়েছে। যারা কূটনীতি থেকে শুরু করে প্রয়োজনে ব্যবসায়ীদেরও নিরাপত্তায় কাজ করছে। শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের আনসার বাহিনী শুধু দেশে নয়, আন্তর্জাতিক পর্যায়েও তারা সুনাম বয়ে আনছে। সম্প্রতি বিভিন্ন খেলাধুলায় ১৪২টি পদকের মধ্যে ৫৮টি পদক তারা ছিনিয়ে এনেছে। তাই তাদের সেবা ও সাহসিকতার পদকও প্রবর্তন করা হয়েছে। এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকার তেজগাঁও বিমানবন্দর থে‌কে হেলিকপ্টারযোগে সফিপুরে পৌঁছfন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী কর্তৃক আয়োজিত কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ করেন তিনি।
আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল থেকে ব্যারিস্টার সুমনের পদত্যাগ
১৩ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। বৃহস্পতিবার প্রসিকিউটর পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে চিফ প্রসিকিউটরের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন নিজেই। তিনি জানান, সামাজিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে স্বেচ্ছায় জড়িত হয়ে যাওয়ায় ট্রাইব্যুনালে সময় দিতে পারছি না। এ অবস্থায় সরকারের কোষাগার থেকে বেতন নেয়া অনৈতিক মনে করায় আমি পদত্যাগ করেছি। পদত্যাগপত্রে ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন লিখেন, যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন মামলায় অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে পরিচালনা করেছি। ইদানিং বিভিন্ন সামাজিক স্বেচ্ছামূলক কাজে নিবিড়ভাবে জড়িত হয়ে যাওয়ার কারণে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে সম্পূর্ণ নিষ্ঠার সাথে সময় দিতে পারছি না। এমতাবস্থায় সরকারি কোষাগার থেকে বেতন নেয়া আমি অনৈতিক মনে করি। এই কারণে আমি বর্তমান পদ (প্রসিকিউটর) থেকে অব্যাহতি প্রার্থনা করছি। ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন ২০১২ সালের ১৩ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর পদে যোগদান করেন। ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটরের কাজ ছাড়াও হাইকোর্টের এ আইনজীবী ফেসবুক লাইভে এসে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বেশ পরিচিত পান। সূত্র: একুশে টেলিভিশন
মুজিববর্ষে জাতীয় সংসদের বর্ষব্যাপী পরিকল্পনা
১২ফেব্রুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে জাতীয় সংসদ বর্ষব্যাপী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। বুধবার জাতীয় সংসদের শপথ কক্ষে মুজিববর্ষ উদযাপন উপলক্ষ আয়োজিত সভায় তিনি এ কথা বলেন। এর আগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী মুজিববর্ষ ২০২০-২০২১ উদযাপন অনুষ্ঠানমালা অবহিতকরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন তিনি। স্পিকার বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন উপলক্ষ্যে জাতীয় সংসদের পক্ষ থেকে বর্ষব্যাপী কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ১৭মার্চ জাতীয় পর্যায়ে মুজিববর্ষ কার্যক্রম উদ্বোধন হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ ১৯ মার্চ দক্ষিণ প্লাজায় শিশু মেলা আয়োজনের মধ্য দিয়ে মুজিববর্ষ কার্যক্রম শুরু করবে। ১৭মার্চ শিশু মেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জাতীয় সংসদ আয়োজিত বর্ষব্যাপী মুজিববর্ষের অনুষ্ঠানমালার শুভ উদ্বোধন করবেন। সভায় জানানো হয়, ১৭মার্চ মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইটও উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। উদ্বোধন অনুষ্ঠানটি বিকেল ৪.৩০ মিনিটে শুরু হয়ে ৭.৩০ মিনিট পর্যন্ত চলবে। মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে আগামী ২২-২৩ মার্চ বিশেষ অধিবেশন আয়োজন করা হচ্ছে। একজন বিশ্বখ্যাত ব্যক্তিত্বকে বিশেষ অধিবেশনে বক্তা হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। ২২ মার্চ অধিবেশন শুরুর ২ ঘণ্টা আগে একাদশ জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্যগণ ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করবেন। সভায় জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর ই আলম চৌধুরী, ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া, বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আমির হোসেন আমু, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি তোফায়েল আহমেদ, কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মতিয়া চৌধুরী, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ এবং সাবেক চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ সভায় বক্তব্য রাখেন। সভায় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের পক্ষ থেকে আয়োজিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানমালা উপস্থাপন করেন সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান। এ সময় সংসদ সদস্যগণ যথাযোগ্য মর্যাদায় মুজিববর্ষ উদযাপনে মূল্যবান মতামত প্রদান করেন।
মুজিববর্ষেই পুরো দেশ আলোকিত হবে: প্রধানমন্ত্রী
১২ফেব্রুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ৬৪ জেলার ৪০টি জেলা এবং ৪১০টি উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়ন করে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাকি জেলাগুলোতে মুজিববর্ষেই আলো জ্বালানোর কাজ চলছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) গণভবনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। শতভাগ বিদ্যুতায়িত ৭টি জেলা, ফেনীতে ১টি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র এবং ১৮টি জেলার ২৩ উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়ন উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়াও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাই টেক পার্ক, রাজশাহীতে নির্মিত শেখ কামাল আইটি কিনকিউবেটর প্রকল্পেরও উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। উদ্বোধন শেষে আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন মেয়াদে বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আসলে ৬৪টি জেলা আমাদের। সেখানে ৪০টা জেলা এখন শতভাগ বিদ্যুৎ হয়ে গেল। আর প্রায় ৪১০টি উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুৎ দিতে পারলাম। আর বাকি যেগুলো আছে, এই মুজিববর্ষেই সেগুলোতে আলো জ্বালাব ইনশাল্লাহ। এই বিশেষ লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’ বুধবার ঢাকা, ফেনী, গোলাপগঞ্জ, নাটোর, পাবনা, জয়পুরহাট ও মেহেরপুর এই সাতটি জেলার শতভাগ বিদ্যুতায়ন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী।
শাজাহান খানের বিরুদ্ধে ইলিয়াস কাঞ্চনের মামলা
১২ফেব্রুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের চেয়ারম্যান ও চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন ১০০ কোটি টাকার মানহানি মামলা করেছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খানের বিরুদ্ধে। বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ আদালতে এ মামলা দায়ের হয়েছে। বিকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে নিরাপদ সড়ক চাই কর্তৃপক্ষ। প্রতিষ্ঠানটির যুগ্ম মহাসচিব লিটন এরশাদ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পরিবহন শ্রমিক নেতা শাজাহান খান এমপির বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগ এনে ১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলা করেছেন ইলিয়াস কাঞ্চন। ইলিয়াস কাঞ্চনের পক্ষে মামলাটি দায়ের করেছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. রেজাউল করিম। মামলা নং- ০৯/২০২০। শাজাহান খান কিছুদিন আগে ইলিয়াস কাঞ্চনকে নিয়ে তীর্যক মন্তব্য করেন। ফলে দুপক্ষের মধ্যে নেতাকর্মীদের মধ্যে স্যোশাল মিডিয়াও নানা নেতিবাচক কথা প্রচার হতে থাকে। ইলিয়াস কাঞ্চনের অভিযোগ গত বছরের ৮ ডিসেম্বর শাজাহান খান নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে একটি অনুষ্ঠানে তার ও তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মিথ্যাচারের মাধ্যমে অসত্য, বানোয়াট ও উদ্ভট তথ্য দিয়েছেন। যাতে তার মানহানি হয়েছে। শাজাহান খান ওই সময় বলেছিলেন, ইলিয়াস কাঞ্চন কোথা থেকে কত টাকা পান, কি উদ্দেশ্যে পান, সেখান থেকে কত টাকা নিজে নেন, পুত্রের নামে নেন, পুত্রবধূর নামে নেন সেই হিসেবটা আমি জনসম্মুখে তুলে ধরবো- যা বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। শাহজাহান খানের এমন বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানায় নিরাপদ সড়ক চাই। শাজাহান খানকে এই বক্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়। কিন্তু সাবেক নৌমন্ত্রী বক্তব্য প্রত্যাহার না করলে ইলিয়াস কাঞ্চন ১১ ডিসেম্বর জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন এবং আবারও শাজাহান খানকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান। শাজাহান খান এ সময়ের মধ্যে তার বক্তব্য প্রত্যাহার না করায় আজ তার বিরুদ্ধে মানহানি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সব উপজেলায় মুজিবমঞ্চ হবে: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী
১২ফেব্রুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের সব উপজেলায় একটি করে মুজিবমঞ্চ স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ। সম্প্রতি জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সদস্য অসীম কুমার উকিলের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মুজিববর্ষ উপলক্ষে থিম সং নির্বাচনসহ সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ২৫টি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে আছে সব উপজেলায় মুজিবমঞ্চ স্থাপন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, মুজিববর্ষ উপলক্ষে ক্ষণগণনার জন্য জেলা পর্যায়ে ৫০ হাজার এবং উপজেলা পর্যায়ে ২৫ হাজার টাকা করে প্রদান করা হয়েছে। আর আগামী ৭ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন সাংস্কৃতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। এ উপলক্ষে সব জেলা-উপজেলায়- তোমাকেই খুঁজছে বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ শীর্ষক সাংস্কৃতিক প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। এ ছাড়া যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ৯ থেকে ২৪ জুলাই ঢাকা ওআইসি ইয়ুথ ক্যাপিটাল এবং বঙ্গবন্ধু ওআইসি ইয়ুথ আর্ট প্রদর্শনী এবং ১৫ থেকে ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ ডিবেট কম্পিটিশন হবে। তিনি বলেন, ২০২০ সালকে মুজিববর্ষ, ২০২১ সালকে ডিজিটাল বাংলাদেশ বর্ষ, ২০৩০ সালকে এসডিজিবর্ষ ও ২০৪১ সালকে উন্নত বাংলাদেশবর্ষ হিসেবে উদ্যাপন করতে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী জানান, আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের সুস্থ সংস্কৃতি বিকাশে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। ১০ জানুয়ারি থেকে মুজিববর্ষের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোয় সংস্কৃতিচর্চা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ৫০৯টি পুরাকীর্তি সংরক্ষণ করা হয়েছে। জাতীয় জাদুঘরের আধুনিকায়ন করা হচ্ছে এবং ভার্চুয়াল গ্যালারি প্রবর্তন করা হয়েছে। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ৭টি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নিজস্ব জীবনধারা সম্পর্কে প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ বর্ষে ই-কপিরাইট রেজিস্ট্রেশন, জাদুঘরগুলোয় ই-টিকিটিংসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।
জরিমানা দিয়ে লেবানন থেকে ফিরছেন ৪৭১ বাংলাদেশি
১২ফেব্রুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: লেবানন থেকে এক বছরের জরিমানা ও বিমানের টিকিটের মূল্য পরিশোধ করে দেশে ফিরে আসছেন ৪৭১ বাংলাদেশি। আগামী ১৫ থেকে ২৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তিন দফায় তারা দেশে ফিরবেন। তাদের মধ্যে শারীরিকভাবে অসুস্থ রয়েছেন ২৪ জন। লেবাননে বাংলাদেশ দূতাবাস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বৈরুত থেকে এয়ার এরাবিয়ার ৬টি ফ্লাইটে দেশে ফিরবেন ওই ৪৭১ প্রবাসী বাংলাদেশি। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানী বৈরুতে বাংলাদেশ দূতাবাসের হলরুমে নারী-পুরুষ মিলিয়ে ৪৭১ জনের হাতে বিমান টিকিট তুলে দেন লেবাননে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আব্দুল মোতালেব সরকার। প্রবাসীরা টিকিট পেয়ে বৈরুতস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসকে ধন্যবাদ জানান। এ সময় শ্রম সচিব আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ দূতাবাসের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত বলেন, গত পাঁচ মাস ধরে লেবাননে চলমান অর্থনৈতিক অস্থিরতা ও ডলার সংকটের প্রভাব পড়েছে বিদেশি শ্রমিকদের উপর। বেশিরভাগ শ্রমিক চাকরিচ্যুত হওয়ার পাশাপাশি তাদের বৈধতা হারিয়ে স্বেচ্ছায় দেশে যাওয়ার জন্য দূতাবাসের সাহায্য কামনা করেছেন। রাষ্ট্রদূত আশ্বস্ত করেন, যারা স্বেচ্ছায় দেশে যেতে ইচ্ছুক তাদের সবারই নাম নিবন্ধন পর্যায়ক্রমে নেওয়া হবে। বিমানের টিকিট নিতে আসা বৈধ কাগজবিহীন প্রবাসীরা জানান, লেবাননের বর্তমান অবস্থা খুবই ভয়াবহ। আগের মতো কাজ পাওয়া যাচ্ছে না। কাজ করলেও মালিক সঠিকভাবে বেতন পরিশোধ করছেন না। কাজ হারিয়ে অনেকেই বেকার সময় পার করছেন। অনেকেই দেশ থেকে টাকা এনে বাসা ভাড়া দিচ্ছেন। লেবানন প্রবাসীদের একজন বলেন, অপেক্ষায় ছিলাম পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে। এখন আর পারছি না। তাই দেশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বৈরুত দূতাবাসকে অনুরোধ জানাই যেন আমাদেরকে স্বল্প সময়ে দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করে। এর আগে দুই ধাপে বৈরুত দূতাবাসের বিশেষ কর্মসূচির আওতায় স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে ইচ্ছুক প্রায় ৫ হাজার অবৈধ প্রবাসী বাংলাদেশি দূতাবাসে নাম নিবন্ধন করেছিলেন। এ নিয়ে তিন দফায় ১ হাজার অবৈধ প্রবাসী দেশে ফেরার সুযোগ পেলেন। আরও প্রায় ২০ হাজার কাগজপত্রবিহীন বাংলাদেশি বৈরুত দূতাবাসে স্বেচ্ছায় নাম নিবন্ধন করে দেশে যাওয়ার অপেক্ষায় আছে। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই নারী শ্রমিক।- আলোকিত বাংলাদেশ
আ.লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশের উন্নতি হয় সেটি প্রমাণিত
১২ফেব্রুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশের উন্নতি হয়- সেটি আজ প্রমাণিত সত্য বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বুধবার সকালে গণভবনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে পাঁচটি প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাই-টেক পার্ক, রাজশাহীতে নির্মিত শেখ কামাল আইটি ইনকিউবেটর অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার, শতভাগ বিদ্যুতায়িত সাতটি জেলা, একটি বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র এবং ১৮টি জেলার ২৩টি উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়ন। অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেন, দেশের মানুষের কথা ভেবেই উন্নয়নকাজ অব্যাহত রেখেছে সরকার। নতুন প্রজন্ম যেন বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারে তাদের সেভাবেই শিক্ষিত করতে হবে। এ লক্ষ্যে সরকার প্রযুক্তি শিক্ষায় জোর দিয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রকল্পগুলোর উদ্বোধনের পর সংশ্লিষ্ট উপকারভোগীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস। অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাই-টেক পার্ক, রাজশাহীতে নির্মিত শেখ কামাল আইটি ইনকিউবেটর অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার, এর ওপর একটি ভিডিওচিত্র পরিবেশন করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব এ এন এম জিয়াউল আলম। বিদ্যুৎ বিভাগের ওপর উপস্থাপনা এবং ভিডিওচিত্র প্রদর্শন করেন বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. সুলতান আহমদ।

জাতীয় পাতার আরো খবর