বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য বছরে ১৩০টি বৃত্তি দিবে হাঙ্গেরি : সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
০২জুলাই,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ থেকে প্রতি-বছর ১৩০ জন করে আগামী তিন বছরের জন্য মোট ৩৯০ জন ছাত্রছাত্রী হাঙ্গেরিতে পূর্ণ বৃত্তি নিয়ে স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ে পড়াশোনা করার সুযোগ পাবেন। বাংলাদেশ ও হাঙ্গেরির মধ্যে স্টাইপেনডিয়াম হাঙ্গেরিকাম প্রোগ্রাম শীর্ষক সমঝোতা চুক্তি অনুযায়ি এসব বাংলাদেশী শিক্ষার্থী হাঙ্গেরিতে পড়াশোনা করার সুযোগ পাবেন। গত ৩০ জুন হাঙ্গেরি ও বাংলাদেশের মধ্যে এ সংক্রান্ত একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, স্লোভেনিয়া এবং স্লোভাকিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ আবদুল মুহিত বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে এবং হাঙ্গেরির পক্ষে সে দেশের পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রণলয়ের কূটনীতিক একাডেমি ও স্টাইপেনডিয়াম হাঙ্গেরিকাম বিষয়ক স্টেট সেক্রেটারি ড. ওরসোলিয়া প্যাকসে-তোমাসসি এ সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। ভিয়েনায় বাংলাদেশ দূতবাসের মিনিস্টার ও মিশন উপপ্রধান রাহাত বিন জামান এবং বুদাপেস্টে বাংলাদেশের অনারারি কনসাল ডঃ গ্রেগ পাতাকি এ সময় উপস্থিত ছিলেন। বুদাপেস্টে হাঙ্গেরির পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকায় প্রাপ্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়। এতে বলা হয়, নতুন সমঝোতা স্মারকে বাংলাদেশী শিক্ষার্থী ও পেশাজীবিদের নিউক্লিয়ার এনারজেটিকস বিষয়ে পড়াশোনার জন্য বছরে নতুন ৩০ জন শিক্ষার্থীর বৃত্তি নতুনভাবে সংযোজিত হয়েছে। উল্লেখ্য্য, ২০১৭ সালে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী গত তিন বছর ধরে হাঙ্গেরি সরকার বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য বার্ষিক ১০০-টি বৃত্তি প্রদান করে আসছে। নতুন সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী হাঙ্গেরি আগামী তিন বছর বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের বার্ষিক ১৩০ টি করে বৃত্তি প্রদান করবে। সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের আগে দু দেশের প্রতিনিধিদের বৈঠককালে বাংলাদেশ ও হাঙ্গেরির মধ্যে ক্রমবর্ধমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ভবিষ্যৎ রোডম্যাপ নিয়েও কার্যকর আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্পর্কিত চুক্তি স্বাক্ষর, যৌথ অর্থনৈতিক কমিশন প্রতিষ্ঠা, স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর, পানি ব্যবস্থাপনা ও কৃষিসহ বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা স্মারক ও ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের যৌথ ঘোষণার ফলোআপ, ২০২১ সালে বুদাপেস্টে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষে যৌথ উদযাপন, বহুপাক্ষিক বিষয়াবলীতে সহযোগিতা ও পারস্পরিক সমর্থন এবং হাঙ্গেরির কূটনীতিক একাডেমিতে বাংলাদেশী তরুণ কূটনীতিকদের প্রশিক্ষণের জন্য একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরসহ প্রভৃতি বিষয়ে আলোচনা হয়।
শিল্পে অবদানে পুরস্কার পাচ্ছে ৪২ প্রতিষ্ঠান
০২জুলাই,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের শিল্প খাতে অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ ৪২ প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার দিতে যাচ্ছে শিল্প মন্ত্রণালয়। ২০২০ সালের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প পুরস্কার ও ২০১৯ সালের জন্য রাষ্ট্রপতি শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার পাচ্ছে কোম্পানিগুলো। শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কাজী সাখাওয়াত হোসেন বলেন, উদ্যোক্তা এবং প্রতিষ্ঠানকে শিল্প খাতে অবদানের স্বীকৃতি প্রদান, প্রণোদনা সৃষ্টি ও সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করতে দেয়া হচ্ছে এ পুরস্কার। প্রথমবারের মতো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প পুরস্কার দেয়া হচ্ছে। এছাড়া অন্যান্য বছরের মতো রাষ্ট্রপতি শিল্প উন্নয়ন পুরস্কারও দেয়া হচ্ছে। এ পুরস্কার দিতে এখন প্রস্তুতি চলছে। তবে করোনা পরিস্থিতি ও লকডাউনের কারণে এখন দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। পরিস্থিতির উন্নতি হলে দেয়া হবে।
পারস্পারিক স্বার্থে আওয়ামী লীগ ও সিপিসির মধ্যে বৃহত্তর সহযোগিতা কামনা প্রধানমন্ত্রীর
০১ জুলাই,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কমিউনিস্ট পার্টি অব চায়না (সিপিসি)র শততম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আজ চীনের জনগণ, দেশটির প্রেসিডেন্ট ও সিপিসির মহাসচিব শি জিনপিংকে শুভেচ্ছা জানিয়ে পারস্পারিক স্বার্থে আওয়ামী লীগ ও সিপিসির মধ্যে বৃহত্তর সহযোগিতা কামনা করেছেন। সিপিসির শততম প্রতিষ্ঠা-বার্ষিকী উপলক্ষে পাঠানো এক শুভেচ্ছা বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি বিশ্বাস করি যে, আমাদের দুই দলের মধ্যে ব্যাপক সহযোগিতা আমাদের দু দেশের নাগরিকদের অধিকতর কল্যাণ বয়ে আনবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে পারস্পারিক শ্রদ্ধা, অভিন্ন মূল্যবোধ ও জাতীয় মৌলিক স্বার্থের ভিত্তিতে চমৎকার সৌহাদ্যপূর্ণ সম্পর্ক বিরাজ করছে। বাংলাদেশ তার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে চীনকে একটি বিশ্বস্ত অংশীদার বলে মনে করে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা কৃতজ্ঞতার সাথে সম্প্রতি সিপিসির পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগকে ভ্যাকসিন ও চিকিৎসা সরঞ্জামাদি উপহার দেয়াসহ কোভিড-১৯ এর এই বৈশ্বিক মহামারিকালে চীন বাংলাদেশকে যে সহযোগিতা ও সহায়তা দিয়েছে তার উল্লেখ করেন। প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, আমরা বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিদ্যমান কৌশলগত অংশীদারিত্বকে একটি নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য নতুন নতুন পথ খুঁজছি। পাশাপাশি, আমরা শান্তি, নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের মতো আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ইস্যু নিয়েও কাজ করছি। তিনি বলেন, আমি এ ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী যে-আমাদের দুদেশের মধ্যে বিদ্যমান আন্তরিক ও হৃদত্যপূর্ণ সম্পর্ক আগামী দিনগুলোতে আরো জোরদার হবে। শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে এবং সরকার ও বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে আপনাকে (চীনের প্রেসিডেন্ট ও সিপিসির মহাসচিব শী জিনপিং) এবং আপনার মাধ্যমে চীন সরকার, সিপিসির সদস্যবৃন্দ ও চীনের বন্ধু-প্রতিম জনগণকে আমাদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন জানাচ্ছি। আওয়ামী লীগ সভাপতি বিগত কয়েক দশকে বেশ কয়েকজন সিপিসি নেতার বাংলাদেশ-চীন এবং সিপিসি-বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সম্পর্ক উন্নয়নে অবদানের কথা তুলে ধরে, তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এ প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, সাউদার্ন সিল্ক রুট- এর মধ্য দিয়ে দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপিত হয়েছে- যা দুটি প্রাচীন সভ্যতার মধ্যে জ্ঞান, সংস্কৃতি ও বাণিজ্যের দুয়ার খুলে দিয়েছে। সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি ও বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৫২ ও ১৯৫৭ সালের চীন সফরের বিষয়টি তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগের একজন তরুণ নেতা হিসেবে- বঙ্গবন্ধু তৎকালীন সিপিসি নেতৃবৃন্দের সাথে মতামত ও দৃষ্টিভঙ্গি বিনিময়ের আরো সুযোগ করে দিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু তাঁর বই আমার দেয়া নয়াচীন-১৯৫২ এ সিপিসির নেতৃত্বে চীনকে একটি সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চীনের জনগণের প্রবল উদ্যম, কঠোর-প্রত্যয় ও দৃঢ়-প্রতিজ্ঞ মনোভাবের প্রশংসা করেন। শেখ হাসিনা তাঁর অভিনন্দন বার্তায় বলেন, সুবিবেচনাপূর্ণ রাজনীতি ও দূরদর্শী নেতৃত্বের মাধ্যমে কমিউনিস্ট পার্টি অব চায়না সকলের জন্য সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে দেশটিকে একটি আধুনিক রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করেছে। মাত্র অল্প কয়েক দশকের মধ্যেই চীন আশ্চর্যজনক ও উৎসাহ-ব্যঞ্জক অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি লাভ করেছে। দেশটি আজ উচ্চ-মানসম্মত শিক্ষার মাধ্যমে মহাকাশ থেকে ন্যানো প্রযুক্তি, রবোটিক্স থেকে অ্যাভিওনিক্স সব ক্ষেত্রে উন্নতি ঘটিয়েছে। এছাড়াও, দেশটি আজ বিশ্বমানের পণ্য ও সেবা প্রদান করছে। তিনি আরো বলেন, এমনকি চীনের প্রত্যন্ত এলাকাগুলোর সাধারণ মানুষও উন্নয়ন এই সুফল ভোগ করছে। শেখ হাসিনা বলেন, অনুরূপভাবে এক সময়ে জাতির পিতার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়ে একটি স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছে। আর এখন বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা- একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে দলটি কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আরো বলেন, ২০৪১ সাল নাগাদ সকল নাগরিক স্বচ্ছলতা আনয়নই আমাদের লক্ষ্য। প্রধানমন্ত্রী প্রেসিডেন্ট শী জিনপিংয়ের বিচক্ষণ নেতৃত্ব ও কমিউনিস্ট পার্টি অব চায়নার নির্দেশনায় চীনের বন্ধু-প্রতিম জনগণের সুস্বাস্থ্য, সুখ ও অব্যহত শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নতি কামনা করেন।
২০২১-২২ অর্থবছরের ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকার বাজেট সংসদে পাস
৩০,জুন,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বৈশ্বিক মহামারি করোনা (কোভিড-১৯) মোকাবলা করে জীবন-জীবিকার ওপর প্রাধান্য দিয়ে সুদৃঢ় আগামীর পথে বাংলাদেশ শ্লোগান সম্বলিত ২০২১-২২ অর্থবছরের জন্য ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকার বাজেট আজ সংসদে পাস হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আ.হ.ম মুস্তফা কামাল গত ৩ জুন জাতীয় সংসদে এ বাজেট পেশ করেন। তিনি সেদিন পাওয়ার পয়েন্টে প্রস্তাবিত বাজেটের গুরুত্বপূর্ণ দিক, সরকারের পদক্ষেপ এবং বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ প্রস্তাব তুলে ধরেন। আজ বাজেট পাসের প্রক্রিয়ায় মন্ত্রীগণ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ব্যয় নির্বাহের যৌক্তিকতা তুলে ধরে মোট ৫৯টি মঞ্জুরি দাবি সংসদে উত্থাপন করেন। এই মঞ্জুরি দাবিগুলো সংসদে কণ্ঠভোটে অনুমোদিত হয়। এসব মঞ্জুরি দাবির যৌক্তিকতা নিয়ে বিরোধীদলের ১২ জন সংসদ সদস্য মোট ৬২৫টি ছাঁটাই প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এর মধ্যে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ ও আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা খাতের ৩টি মঞ্জুরী দাবিতে আনীত ছাঁটাই প্রস্তাবের ওপর বিরোধী দলের সদস্যরা আলোচনা করেন। পরে কণ্ঠভোটে ছাঁটাই প্রস্তাবগুলো নাকচ হয়ে যায়। ছাঁটাই প্রস্তাবে আলোচনা করেন জাতীয় পার্টির কাজী ফিরােজ রশীদ, রুস্তম আলী ফরাজী, পীর ফজলুর রহমান, মজবিুল হক, রওশন আরা মান্নান, শামীম হায়দার পাটোয়ারী, বিএনপির হারুনুর রশীদ, মোশাররফ হোসেন, রুমীন ফারহানা এবং গণফোরামের মোক্কাবির খান। এরপর সংসদ সদস্যগণ টেবিল চাপড়িয়ে নির্দিষ্টকরণ বিল-২০২১ পাসের মাধ্যমে ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট অনুমোদন করেন। বাজেটে মোট রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৮৯ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সূত্রে আয় ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা এবং এনবিআর বহির্ভূত সূত্র থেকে কর রাজস্ব ধরা হয়েছে ১৬ হাজার কোটি টাকা। কর বহির্ভুত খাত থেকে রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ৪৩ হাজার কোটি টাকা। বাজেটে পরিচালনসহ অন্যান্য খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৬২ হাজার ৮৫৫ কোটি টাকা। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ২৫ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা। শিল্পে, রাষ্টায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংকে আর্থিক বিনিয়োগ সহায়তা, ভর্তুকি খাতে ৩৪ হাজার ৬৪৮ কোটি টাকা, সুদ পরিশোধ বাবত ৬৮ হাজার ৫৮৯ কোটি টাকা এবং অন্যান্য খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫ হাজার ১০৩ কোটি টাকা। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৫ হাজার ১৪৫ কোটি টাকা। এছাড়া বাজেটে সামাজিক অবকাঠামো খাতে বরাদ্দ ১ লাখ ৭০ হাজার ৫১০ কোটি টাকা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য খাতে ১ লাখ ৮৪৭ কোটি টাকা, ভৌত অবকাঠামো খাতে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ভৌত অবকাঠামো খাতের মধ্যে কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন খাতে ৭৪ হাজার ১০২ কোটি টাকা, যোগাযোগ অবকাঠামো খাতে ৬৯ হাজার ৪৭৪ কোটি টাকা এবং বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে ২৭ হাজার ৪৮৪ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। এর বাইরে সাধারণ সেবা খাতে ১ লাখ ৪৫ হাজার ১৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। বাজেটে সামগ্রিক বাজেট ঘাটতি ২ লাখ ১৪ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৬.২শতাংশ। এ ঘাটতি অর্থায়নে বৈদেশিক সূত্র থেকে ১ লাখ ১ হাজার ২২৮ কোটি টাকা, অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৫২ কোটি টাকা আহরণ করা হবে। অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ৭৬ হাজার ৪৫২ কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য ব্যাংক বহির্ভূত খাত থেকে ৩৭ হাজার ১ কোটি টাকা সংস্থানের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৭.২ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া বাজেটে মূল্যস্ফীতি ৫.৩ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠনের পর এটি হচ্ছে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের এ মেয়াদের তৃতীয় বাজেট। আর অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালেরও তৃতীয় বাজেট। বৈশ্বিক মহামারি করোনা পরিস্থিতিতে এবার সংক্ষিপ্ত পরিসরে বাজেট পেশ এবং পাস করা হয়। বাজেট পাসের সময় সংসদ সচিবালয়ের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী নির্দিষ্ট সংখ্যক সংসদ সদস্য বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। অধিবেশন কক্ষে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে আসন বিন্যাস করা হয়। বাজেটে শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে মোট বাজেটের ১৫.৭ শতাংশ, পরিবহন-যোগাযোগ খাতে ১১.৯ শতাংশ, সুদ খাতে ১১.৪ শতাংশ, স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন খাতে ৭ শতাংশ, জনপ্রশাসন খাতে ১৮.৭ শতাংশ, প্রতিরক্ষা খাতে ৬.২ শতাংশ, স্বাস্থ্য খাতে ৫.৪ শতাংশ, সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণ খাতে ৫.৭ শতাংশ, জনশৃঙ্খখলা ও নিরাপত্তা খাতে ৪.৮ শতাংশ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ৪.৫ শতাংশ, কৃষি খাতে ৫.৩ শতাংশ, গৃহায়ন খাতে ১.১ শতাংশ, বিনোদন, সংস্কৃতি ও ধর্ম খাতে ০.৮ শতাংশ, শিল্প ও অর্থনৈতিক সার্ভিস খাতে ০.৭ শতাংশ এবং বিবিধ খাতে ০.৮ শতাংশ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। বাজেটে বৈশ্বিক মহামারি করোনা (কোভিড-১৯) মোকাবেলার লক্ষ্যে সামাজিক নিরাপত্তা, যোগাযোগ অবকাঠামো, ভৌত অবকাঠামো, আবাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি, কৃষি, মানবসম্পদ উন্নয়নসহ সার্বিক সেবা খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে।
বিনা কারণে কেউ বের হলে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে : ডিএমপি কমিশনার
৩০,জুন,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ১ জুলাই থেকে রাজধানীতে জরুরী প্রয়োজন ছাড়া বের হলে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহা: শফিকুল ইসলাম। বুধবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান ডিএমপি কমিশনার। তিনি বলেন, নির্দেশনা বাস্তবায়নে মাঠ পর্যায়ে অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে থাকবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। বিধি-নিষেধ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে দন্ডবিধির ২৬৯ ধারা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি আরো বলেন, দৈনন্দিন নিত্যপ্রয়োজনীয় বাজার ও কাচাঁবাজার খোলা থাকবে। কাচাঁবাজার উন্মুক্ত স্থানে সরিয়ে আনা হবে। নিকটতম কাচাঁবাজারে প্রয়োজনে রিকশা ব্যবহার করে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে কেনাকাটা করতে পারবেন। তবে ব্যাটারী চালিত রিকশা চলাচল করবে না। পুলিশ কমিশনার বলেন, আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু থাকবে এবং বিদেশগামী যাত্রীরা তাদের আন্তর্জাতিক ভ্রমণের টিকেট ও পাসপোর্ট প্রদর্শন করে গাড়ি ব্যবহার করে যাতায়াত করতে পারবেন। নাগরিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, পুলিশ যতটা কঠোর হবে আপনারা ততটা নিরাপদ থাকবেন। তিনি আরো বলেন, গণমাধ্যমের সাংবাদিকগণ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র প্র্দর্শন করে চলাচল করতে পারবেন। কুরিয়ার সার্ভিসের গাড়ি চলাচলে কোন অসুবিধা নাই। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, সকল ধরণের ক্লাব বন্ধ থাকবে। অলি-গলিতে থাকা সকল দোকান বন্ধ থাকবে। এছাড়া জনসমাবেশ হয় এ ধরনের সামাজিক ও রাজনৈতিক অনুষ্ঠান বন্ধ থাকবে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জরুরী সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তিগণ যিনি নিজ প্রতিষ্ঠান থেকে যাতায়াতের সুবিধা পাবেন না শুধুমাত্র তিনি ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার করে যাতায়াত করতে পারবেন। জরুরী প্রয়োজনে যারা বের হবেন তাদেরকে অবশ্যই মাস্ক পরার অনুরোধ জানান তিনি। করোনাভাইরাসজনিত রোগ (কোভিড-১৯) এর বিস্তার রোধকল্পে ১ জুলাই, ২০২১ (বৃহস্পতিবার) সকাল ৬ টা থেকে ৭ জুলাই, ২০২১ মধ্যরাত পর্যন্ত সার্বিক কার্যাবলী ও চলাচলে বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সপ্তাহব্যাপী জারিকৃত এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে কাজ করবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
স্বাস্থ্যবিধি মেনে চালু থাকবে শিল্প-কারখানা
৩০,জুন,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে ৭ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার। তবে এর মধ্যেও শিল্পকারখানা স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিজস্ব ব্যবস্থায় চালু থাকবে। বুধবার (৩০ জুন) বিধিনিষেধ আরোপ করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানা গেছে। এর আগে মঙ্গলবার (২৯ জুন) এক সরকারি তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) ভোর ৬টা থেকে সারাদেশে সাতদিনের কঠোর বিধিনিষেধ দেবে সরকার। এই সময়ে জরুরি সেবা দেয়া ব্যক্তি ছাড়া এবং জরুরি কারণ ছাড়া ঘরের বাইরে কেউ বের হলেই তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে। এতে বলা হয়, কোভিড-১৯ সংক্রমণ রোধকল্পে আগামী ১ জুলাই ভোর ৬টা থেকে সারাদেশে সাতদিনের জন্য জনসাধারণ ও যানবাহন চলাচল এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধের বিষয়ে সরকার বিধিনিষেধ ও নিষেধাজ্ঞা পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এ সময় মাস্ক পরিধানসহ সব স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য অনুরোধ জানানো হয় তথ্য বিবরণীতে।
সংসদে অর্থ বিল ২০২১ পাস
২৯,জুন,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতীয় সংসদে আজ কতিপয় সংশোধনীসহ অর্থ বিল-২০২১ পাস করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন। বিলে ২০২১ সালের ১ জুলাই থেকে শুরু অর্থ বছরের জন্য আর্থিক বিধান, বিদ্যমান কতিপয় আইন সংশোধনসহ কর প্রস্তাবসমূহ অনুমোদন করা হয়েছে। বিল পাসের প্রক্রিয়ায় সরকারি দলের উপাধ্যক্ষ আবদুস শহীদ, হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, বেগম ওয়াসিকা আয়েশা খান, জাতীয় পার্টির মুজিবুল হক, পীর ফজলুর রহমান, শামীম হায়দার পাটোয়ারী, রওশন আরা মান্নান, বিএনপির হারুনুর রশীদ, মোশাররফ হোসেন, রুমীন ফারহানা এবং স্বতন্ত্র সদস্য রেজাউল করিম বাবলু বিলের ওপর জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে প্রেরণ ও সংশোধনী প্রস্তাব আনলে সরকারি দলের সদস্যদের আনা সংশোধন প্রস্তাবগুলো গ্রহণ করা হয়। বাকী প্রস্তাবগুলো কন্ঠ ভোটে নাকচ হয়ে যায়।
করোনা নিয়ন্ত্রণে এলে প্রাথমিক-মাধ্যমিক স্কুল খোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী
২৯,জুন,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের করোনা টিকা দেয়া শুরু হয়েছে। টিকা কার্যক্রম সম্পন্ন হলে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেয়া হবে। করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে। মঙ্গলবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনাকালে প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য জানান। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা মতে ভ্যাকসিন দেয়ার বয়সের একটি সীমাবদ্ধতা রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা স্কুল থেকে শুরু করে উচ্চ শিক্ষায় যারা আছে সবাই যেন ভ্যাকসিন পর্যায়ে আনতে পারি এবং দ্রুত যেন আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে পারি সেই ব্যবস্থাটা আমার নেব। সরকার শিক্ষাকে সব থেকে গুরুত্ব দেয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নসহ সার্বিক মানবসম্পদ উন্নয়নকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে বাজেটে। করোনাকালে শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত থাকার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, করোনা মহামারি প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকেই শিক্ষার্থীদের পাঠ্যক্রমের ধারাবাহিকতা রক্ষায় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। আমার গৃহ আমার স্কুল, ঘরে বসে শিখিসহ সংসদ টেলিভিশনের মাধ্যমে দূরশিক্ষণের কার্যক্রম চলছে। বাংলাদেশ বেতার, কমিউনিটি রেডিও এবং অনলাইনের মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছে। এতে প্রায় চার কোটি শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ এক বছর শিক্ষা কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত রাখা সম্ভব হয়েছে। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া বৃত্তি, উপবৃত্তি দেয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালু না থাকায় শিক্ষার্থীদের খুব কষ্ট হচ্ছে উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের টিকা প্রদান ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। এ কার্যক্রম সম্পন্ন হলে আমরা কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দিতে সক্ষম হবো। কোভিড-১৯ সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুল-মাদরাসা খুলে দেয়া হবে।
অসাম্প্রদায়িক শোষণমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে
২৭,জুন,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, স্বাধীনতার চেতনা ও মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ধারণ করে অসাম্প্রদায়িক শোষণমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি আজ রাজধানীতে আজকের পত্রিকার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ কথা বলেন। এসময় স্পিকার পত্রিকাটির উদ্বোধন করেন। স্পিকার বলেন, তথ্য প্রবাহ ও প্রযুক্তির এক সুবর্ণ সময় অতিক্রম করছে বাংলাদেশ। আজকের ডিজিটাল বাংলাদেশের পরিপূর্ণ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে করোনা মহামারিকালেও প্রযুক্তির সাহায্যে একে অপরের সাথে সকলে যুক্ত থাকতে পারছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষিতে পত্রিকা, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া অবাধে সংবাদ প্রচার করছে। আজকের পত্রিকার যাত্রা সাহসী একটি পদক্ষেপ। স্পিকার বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে অর্জিত স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী জাতি উদযাপন করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে দেশকে যেভাবে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে উন্নত দেশের দিকে আমাদের যে অগ্রগতি তা আজকের পত্রিকার মধ্য দিয়ে ফুটে উঠবে এবং গণমানুষের কথা তাদের মুখপাত্র হয়ে আজকের পত্রিকায় প্রকাশিত হবে। ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, বিশ্বের আনাচে কানাচের বিভিন্ন খবর একত্রিত করে চলমান ঘটনাবলী উপস্থাপনের মাধ্যমে সকলকে অবগত করে গণমাধ্যম। বর্তমানে সামাজিক মাধ্যমের যে ব্যাপক প্রসার, তার মধ্য দিয়েও অনেক ধরণের ইস্যু চ্যালেঞ্জ হিসেবে নতুনভাবে আর্বিভূত হচ্ছে। এক্ষেত্রে, আজকের পত্রিকা বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মধ্য দিয়ে জনগণকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে কার্যকরভাবে সহায়তা করবে। স্পিকার বলেন, প্রতিযোগিতার এ যুগে পত্রিকাটি বাংলাদেশের যেকোন বিভাগে পাঠকের প্রত্যাশা নিয়ে তথ্য উপস্থাপন করেছে। একটি নতুন পত্রিকা উদ্বোধনের ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অন্যান্য পত্রিকার পাশাপাশি জনগণ আজকের পত্রিকা থেকে কি বিষয় খুঁজে বের করবে, সেই আকর্ষণ ও বৈচিত্র্য তৈরির প্রতি মনোযোগী হতে হবে। কোভিড মহামারির এই দুঃসময়ে দেশের মানুষ সহজেই যেন পত্রিকাটি পেতে পারে সেদিকে গুরুত্ব দিতে হবে। আজকের পত্রিকার সম্পাদক ড. মোঃ গোলাম রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সংবাদকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর