লন্ডন সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী
১১মে,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুক্তরাজ্যে ১০ দিনের সরকারি সফর শেষে আজ শনিবার দেশে ফিরেছেন। সকাল পৌনে ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এর আগে লন্ডনের স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৩৫ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এই ভিভিআইপি ফ্লাইটটি প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের নিয়ে হিথরো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে। যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাঈদা মুনা তাসনিম বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান। প্রধানমন্ত্রী গত ১ মে ১০ দিনের সরকারি সফরে লন্ডন যান। এর মধ্যে গত বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী লন্ডনে তাজ হোটেলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোর যুক্তরাজ্য শাখা আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন। প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর বাণিজ্য ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম প্রমুখ।
আওয়ামী লীগের প্রচার সেলের ইফতার মাহফিল
১০ মে,শুক্রবার ,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম :আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা উপকমিটির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার রাজধানীর ঢাকা ক্লাবের স্যামসন এইচ চৌধুরী লাউঞ্জে এই ইফতার মাহফিল হয়। ইফতারের আগে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি এবং সাংবাদিকদের কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।ইফতার মাহফিলের বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু। আরও উপস্থিত ছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এবং দলের প্রচার ও প্রকাশনা উপকমিটির চেয়ারম্যান এইচ টি ইমাম, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ।এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন, তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ ও উপপ্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।ইফতার মাহফিলে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক ও প্রধান নির্বাহী, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এবং কলামিস্টরা যোগ দেন। আরও ছিলেন শিল্পী, সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ।
মসজিদ-মন্দিরে হামলাকারীদের কোনো দল নেই : গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী
১০ মে,শুক্রবার ,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম :মাঝে মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা সাম্প্রদায়িক শক্তি মসজিদে, মন্দিরে, গীর্জায় আঘাত হানে উল্লেখ করে গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি বলেছেন, ওদের কোনো ধর্ম নেই, ওরা সন্ত্রাসী, ওরা অসুর। ওদের বিরুদ্ধে আমাদের সকলকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হবে। আজ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অসাম্প্রদায়িক সরকার কাজ করছে। শেখ হাসিনার পাশে সম্মিলিতভাবে আমাদের সকলকে দাঁড়াতে হবে।শুক্রবার রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে বাংলাদেশ সেবাশ্রম ফাউন্ডেশন, কেন্দ্রীয় কমিটি আয়োজিত বাংলাদেশ সেবাশ্রম ফাউন্ডেশন এর ১১তম বার্ষিক ধর্মীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।তিনি বলেন, জঙ্গিদের আমার নিবৃত করতে পেরেছি কিন্তু নিঃশেষ করতে পারিনি। অধিকাংশ জঙ্গিরা হচ্ছে স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক প্রতিক্রিয়াশীল মৌলবাদী। তাদের বিরুদ্ধে সকল ধর্ম, বর্ণের সকল মানুষ মিলে সোচ্চার হতে হবে। তাহলেই আমাদের ত্রিশ লাখ শহীদের রক্ত স্বার্থক হবে, দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রম স্বার্থক হবে, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আরাধ্য সাধনা সফল হবে।গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বাস করেন, এ দেশ হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানের দেশ। এ দেশ কোন একক ধর্মীয় সম্প্রদায়ের দেশ নয়। এ দেশের সকল ধর্মাবলম্বীরা সকল অধিকার ভোগ করবে, এটাই আমাদের সংবিধানের কথা। তিনি বলেন, আমরা পরিষ্কারভাবে বলতে চাই শেখ হাসিনা সরকারের আমল সকল ধর্ম, বর্ণ, নির্বিশেষে সকলের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য স্বর্ণালী অধ্যায় সৃষ্টি করেছে। আজকে দেশে মুসলিম সম্প্রদায়, হিন্দু সম্প্রদায়, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান সকলের জন্য রাষ্ট্রীয় সকল সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।
বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে গণপূর্ত মন্ত্রীর নেতৃত্বে কমিটি গঠন
১০ মে,শুক্রবার ,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম :বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপযাপন উপলক্ষে উপদেষ্টা কমিটি করেছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। এই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিমকে কমিটির প্রধান উপদেষ্টা করা হয়েছে। কমিটিতে আরও ১৩ জনকে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে।৮ মে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. ছিদ্দিকুর রহমান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপযাপনের জন্য গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সমন্বয় সভায় উপদেষ্টা কমিটি গঠন করে। যেখানে মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিমকে কমিটির প্রধান উপদেষ্টা করা হয়েছে। এছাড়া ১৩ জনকে সদস্য করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার, একই মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন), গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. সাহাদাত হোসেন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ( রাজউক) চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান, স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রধান স্থপতি কাজী গোলাম নাসির, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. রাশিদুল।এছাড়া চট্রগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (চউক), খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (খুউক), রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাউক), কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক), সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের পরিচালক, হাউজিং ও বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এইচবিআরআই) পরিচালক এবং নগর উন্নয়ন অধিপ্তরের পরিচালক রয়েছেন এই উপদেষ্টা কমিটিতে।
খুনি ও অর্থ পাচারকারীদের শাস্তি হবে :প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
১০ মে,শুক্রবার ,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম : যুক্তরাজ্য সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, খুনি ও দেশ থেকে অর্থ পাচারকারীদের অবশ্যই শাস্তি হবে।গতকাল বৃহস্পতিবার লন্ডনের তাজ হোটেলে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এ মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।সভায় শেখ হাসিনা বলেন, আদালত খুনি ও অর্থ পাচারকারীদের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছেন। এই রায় কার্যকরে পদক্ষেপ নেবে সরকার। তিনি বলেন, খুনি ও অর্থ পাচারকারীরা যেখানেই লুকিয়ে থাকুক, যত টাকাই খরচ করুক, তাদের ক্ষমা করা হবে না।সরকারের বিরুদ্ধে বিএনপি মিথ্যা প্রপাগান্ডা ছড়িয়ে বেড়াচ্ছে এমন অভিযোগ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যাদের জন্ম হয়েছে মিথ্যা ও বেআইনি উপায়ে, তাদের কাছে সবকিছুই অবৈধ মনে হয়। কাজেই এই অবৈধভাবে যারা ক্ষমতায় আসেন, তারা যে দল করবে সেটা তো অবৈধই হবে। মিথ্যার বেসাতি করাটাই তাদের চরিত্র।যেন কেউ বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে না পারে, ইতিহাস বিকৃতি করতে না পারে। বাংলাদেশ যে এগিয়ে যাচ্ছে, এই অগ্রযাত্রা যেন অব্যাহত থাকে। বাংলাদেশকে আমরা ক্ষুধামুক্ত ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ করতে কাজ করছি। এরই মধ্যে ক্ষুধামুক্ত করতে পেরেছি, দারিদ্র্যমুক্তও ইনশাআল্লাহ করতে পারব।সভায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় ও গত ১০ বছরে দেশের ব্যাপক উন্নতির তথ্য তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। ১০ দিনের যুক্তরাজ্য সফর শেষে আগামীকাল শনিবার দেশে ফেরার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট
১০ মে,শুক্রবার ,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম : ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গজারিয়ায় গোমতী টোল প্লাজা থেকে মেঘনা টোল প্লাজা, সোনারগাঁও মদনপুর অংশে কোনভাবেই নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না যানজট। ফলে প্রতিদিনই মহাসড়কে চলাচলকারী যানবাহনের হাজার হাজার যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।এদিকে গত ২দিন ধরে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রচণ্ড গরমে ঘন্টার পর ঘন্টা যানজটে আটকে রোজাদারদের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে।জানা যায়, দাউদকান্দির মেঘনা-গোমতী টোলপ্লাজায় ওজন নিয়ন্ত্রণে ধীরগতি, সাপ্তাহিক ছুটিতে মহাসড়কে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ, মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে অবৈধ পার্কিং, মাইক্রোবাস স্ট্যান্ড, বাজারসহ উল্টোপথে গন্তব্যে পৌঁছার চেষ্টায় প্রায় নিয়মিত যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার গভীর রাত থেকেই ছিল মহাসড়কে যানজট। এ সময় মেঘনা ব্রিজ ও সোনারগাঁও মদনপুরসহ প্রায় ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় যা শুক্রবার পর্যন্ত অব্যাহত ছিল।স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র ও হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি থেকে পাওয়া তথ্যে জানা যায়, দেশের প্রধান এই মহাসড়কের মাধ্যমে আমদানি-রপ্তানির সিংহভাগ সম্পন্ন হয়। ফলে প্রতিদিন কমপক্ষে ২৫ হাজারেরও বেশি যানবাহন চলাচল করে এই মহাসড়কে। ফলে কোনভাবেই মহাসড়কের গজারিয়া অংশের যানজট নিরসন সম্ভব হচ্ছে না।মহাসড়কের গজারিয়ায় অংশের বাউশিয়া, ভবেরচর রাস্তা, ভাটের চর, মেঘনা জামলদী, সোনারগাঁও, মদনপুর এলাকাজুড়ে রয়েছে যানবাহন স্ট্যান্ড, বাজার, অবৈধ পার্কিং। ফলে মহাসড়কে দ্রুতগতির যানবাহনগুলো উল্লেখিত স্থানে এসে গতি কমাতে বাধ্য হচ্ছে। এতে নিয়মিত যানজটের বাইরে অনেক স্থানে থেমে থেমেও যানজট সৃষ্ট হচ্ছে প্রতিদিন। ৬ মে মঙ্গলবার গভীর রাত থেকে মহাসড়কের মেঘনা-গোমতী ও মেঘনা ব্রিজ এলাকায় যানজটে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে এ রোডের যানবাহনের যাত্রীরা। একে তো গরম তার ওপর যানজট। মহাসড়কের যানজটের কবলে পড়ে সেহরি-ইফতারির সময় অসহনীয় দুর্ভোগ পোহাচ্ছে রোজদার মানুষ।ঢাকা-চট্টগ্রাম, গজারিয়া কুমিল্লা রুটে চলাচলকারী বিভিন্ন পরিবহনের একাধিক চালক জানান, কোন কারণ ছাড়াই হাইওয়ে পুলিশ এলাকায় খেয়ালখুশি মত দাঁড় করিয়ে অবৈধ মালামাল উদ্ধারের নামে তল্লাশি, মেঘনা-গোমতী টোলপ্লাজায় ওজন নিয়ন্ত্রণে ধীরগতি, বেশ কয়েকটি স্থানে উল্টোপথে গাড়ি চলাচল করায় যানবাহনের গতি কমে যাচ্ছে। ফলে সৃষ্ট হচ্ছে অপ্রত্যাশিত যানজট।এ অবস্থায় মঙ্গলবার গভীর রাত থেকেই মহাসড়কের ঢাকাগামী অংশের সোনারগাঁও, মেঘনা ঘাট, গজারিয়া পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার অংশজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে চালক, যাত্রীদের।
স্ট্যাচু অব লিবার্টির আদলে তৈরি করা হবে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি
১০ মে,শুক্রবার ,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম : জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে স্ট্যাচু অব লিবার্টির আদলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি তৈরি করবে সরকার।গতকাল বৃহস্পতিবার মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মুজিব বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক,জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ মুজিব বর্ষ সর্বোচ্চ আয়োজনে উদযাপন করা হবে জানিয়ে মোজাম্মেল হক বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে বছরব্যাপী বর্ণাঢ্য কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। এ লক্ষ্যে সব মন্ত্রণালয়, সংস্থা এবং দেশের স্বাধীনতার সপক্ষের সব শক্তি ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে।তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা নিয়ে মুজিব বর্ষ উদযাপন করবে। সরকার এ উপলক্ষে স্ট্যাচু অব লিবার্টির আদলে জাতির পিতার প্রতিকৃতি তৈরি করবে।মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, মুজিব বর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে মিত্রবাহিনীর সদস্যদের ৫০০ সন্তানকে বৃত্তির ব্যবস্থা করা হবে। তাদের বাছাই করার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারতীয় হাইকমিশনকে দায়িত্ব প্রদান করা হবে।তিনি বলেন, পাকিস্তানি শাসক ও শোষক গোষ্ঠীর কবল থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে জাতির পিতার ঋণ আমরা কোনো দিন শোধ করতে পারব না। জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ উদযাপন হবে জাতীয় জীবনের এক অনন্য সুন্দর বিষয়।জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে স্মরণকালের সবচাইতে বড় মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশের আয়োজন করা হবে জানিয়ে মোজাম্মেল হক বলেন, বছরব্যাপী মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক জাতীয় দিবসসমূহ উদযাপনে জাতির পিতার বর্ণাঢ্য জীবন ও কর্মকে অধিক গুরুত্ব প্রদান এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে মুজিব মেলার আয়োজন করা হবে।সভায় বক্তব্য রাখেন মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব এস এম আরিফুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ। অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় ও এর অধীনস্থ দপ্তরসমূহের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।সভায় মুজিব বর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে লিবারেসন ওয়ার হিউম্যানেটি এওয়ার্ড প্রদানের লক্ষ্যে বাছাই কমিটি গঠন করা হয়।
২০২০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা অর্ধেকে নামিয়ে আনতে হবে :ইলিয়াস কাঞ্চন
১০ মে,শুক্রবার ,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম : জাতিসংঘের টার্গেট অনুযায়ী, ২০২০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা অর্ধেকে নামিয়ে আনতে হবে। যদি তা করতে না পারি তাহলে সরকারের যে উন্নয়ন তা কখনও সফল করতে পারবো না।নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের (নিসচা) চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন শুক্রবার (১০ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলন আয়োজিত পঞ্চম আন্তর্জাতিক নিরাপদ সড়ক সপ্তাহ উপলক্ষে এক মানববন্ধনে তিনি এ কথা বলেন।তিনি আরও বলেন, এই জীবন একটাই, পৃথিবীতে আমরা একবারের জন্য এসেছি। আমাদের ভুলের কারণে কিংবা কারও ভুলের কারণে, কারও অবহেলা বা অদক্ষতার কারণে আমাদের জীবন রাস্তার মধ্যে চলে যাক এটা কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না।মানববন্ধনে উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, আমরা নিয়ম মেনে রাস্তায় চলবো। আমাদের জীবন যেন সড়কে চলে না যায়, আমরা যেন পঙ্গুত্ববরণ না করি সেই দিকে সচেতন হবো। রাস্তায় যখনই আমরা কোনও অনিয়ম দেখবো তখনই তার প্রতিবাদ করবো। মানববন্ধনে নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের কর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর