বৃহস্পতিবার, জুলাই ২, ২০২০
কাঁচাবাজার ফাঁকা স্থানে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ ভুমি মন্ত্রণালয়ের
২৬এপ্রিল,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতে মূল হাট ও বাজারের চৌহদ্দি থেকে কাঁচাবাজার, মাছ বাজার, শাকসবজির বাজারসমূহ নিকটবর্তী সরকারি খাস বা অন্য কোনো সুবিধাজনক স্থানে সরিয়ে নিতে নির্দেশ দিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়৷ রোববার জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, স্থানান্তরিত হাট ও বাজারের ক্রেতা ও বিক্রেতার সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকরণের বিষয়ে বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটি, স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার সহায়তা গ্রহণ করবে। ওই নির্দেশনায় আরও বলা হয়, করোনাভাইরাসজনিত কারণে হাট ও বাজারে ব্যাপক জনসমাবেশ/উপস্থিতি সামাজিক দূরত্ব বজায় থাকার পরিপন্থী। ফলে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বিষয়ে সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে, বিশেষ করে কাঁচাবাজার, মাছ বাজার, শাকসবজির বাজারসমূহ মূল বাজার/তোহা বাজারের চৌহদ্দি থেকে নিকটবর্তী সুবিধাজনক স্থানে সরিয়ে নেওয়ার প্রয়োজন হওয়াতে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মাক্‌ছুদুর রহমান পাটওয়ারী-এর নির্দেশে আজ এ ব্যবস্থা গ্রহণ করে ভূমি মন্ত্রণালয়। উল্লেখ্য, হাট ও বাজারসমূহের মালিকানা ভূমি মন্ত্রণালয়ের এবং এগুলো The Hats and Bazars (Establishment and Acquisition) Ordinance, 1959-এর অধীনে পরিচালিত হয়ে আসছে। আর জেলায় নতুন হাট ও বাজার স্থাপন এবং বিলুপ্তির বিষয়টি জেলা কালেক্টরের (জেলা প্রশাসক) অন্যতম কাজ। এসব ক্ষেত্রে নতুন হাট বাজার সৃষ্টি আবশ্যক হলে কালেক্টর সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনারের মাধ্যমে ভূমি মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব প্রেরণ করেন। বিশেষ ক্ষেত্রে কিছু সৃষ্ট হাট ও বাজারের ব্যবস্থাপনা বর্তমানে স্থানীয় সরকার বিভাগকেও দেওয়া হয়েছে।
গণস্বাস্থ্যের কিট আজও নেয়নি ওষুধ প্রশাসন: ড. জাফরুল্লাহ চৌধুরী
২৬এপ্রিল,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কেন্দ্রের কিট আজও গ্রহণ করেনি ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর। জানালেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ড. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। তিনি বলেন, ব্যবসায়ীক স্বার্থ দ্বারা পরিচালিত হয়ে জনগণের স্বার্থের বিপক্ষে তারা অবস্থান নিচ্ছে। জনগণকে অকারণে ক্ষিপ্ত করছে। সরাসরি ঘুষ চাওয়া না হলেও করোনা পরীক্ষার কিট নিয়ে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রকে নানা অজুহাতে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্ট্রি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। বলেছেন, গত ৪৮ বছরে গণস্বাস্থ্য কাউকে ঘুষ দেয়নি, দেবে না। গণস্বাস্থ্যের উদ্ভাবিত কিট (ব্যবহারযোগ্য হয়ে) আসুক আর না আসুক, কাউকে ঘুষ দেব না। কিন্তু লড়াই করে যাব। এর আগে শনিবার (২৫ এপ্রিল) করোনা শনাক্তে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উৎপাদিত কিট সংগ্রহ করেনি ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর। সরকারের কোনো কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করতে না পারলেও গণস্বাস্থ্যের কিটের নমুনা নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন-সিডিসির প্রতিনিধিরা। এ বিষয়ে অধিদপ্তর বলছে, গণস্বাস্থ্যের উৎপাদিত কিট এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। যথাযথ প্রক্রিয়ায় গবেষণা সমাপ্ত না করে তারা এই কিট কাউকেই হস্তান্তর করতে পারে না। সারা বিশ্বেই সংকট রয়েছে করোনার কিটের। আবার যাও বা আছে সেসব কিটে শতভাগ সঠিক ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে না বলেও অভিযোগ বিস্তর। বিশ্বে করোনার দাপটের শুরু থেকেই কিট তৈরির চেষ্টা করে আসছে গণস্বাস্থ্যকেন্দ্র। শনিবার (২৫ এপ্রিল) সরকারের কাছে সেই কিট হস্তান্তরের ঘোষণা দেয় গণস্বাস্থ্য। তাদের দাবি, তারা শতাধিক ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করে উদ্ভাবিত কিটে সঠিক ফল পেয়েছেন। এরআগে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জানান, যথাযথ প্রক্রিয়া মেনে কাজ করছে না গণস্বাস্থ্য। ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর মহাপরিচালক মাহবুবুর রহমান বলেন, আমরা বলেছি যখন অ্যাপ্রুভ হবে তখন আপনারা বড় করে অনুষ্ঠান করবেন, করা যাবে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু এখন তো এটা স্বীকৃত কোনো কিট না যে আপনারা হস্তান্তর করবেন। এখন ট্রায়েল পর্যায়ে আছে। এটা কি এভাবে হস্তান্তর করা যায়? আমরা চিঠি দিয়ে জানিয়েছিলাম, এটি করা সমীচীন হবে না। এটি করবেন না।
ঈদের আগে শ্রমিকদের বেতন বোনাস পরিশোধের আহ্বান শ্রম প্রতিমন্ত্রীর
২৫এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঈদের আগে শ্রমিকদের বেতন বোনাস পরিশোধের জন্য মালিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান। আজ রাজধানীর বিজয়নগরে শ্রম ভবনের সম্মেলনকক্ষে সরকার, মালিক- শ্রমিক ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদ – টিসিসি’র ৬৪ তম সভায় সভাপতির বক্তৃতায় তিনি এ আহ্বান জানান। টিসিসির সদস্যরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এসভায় অংশ গ্রহণ করেন। শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, করোনা পরিস্থিতির মধ্যে কোন শ্রমিককে ছাঁটাই করা যাবে না। কোন কারখানা লে-অফ করা যাবে না। তিনি বলেন, অর্থনীতির গতি সচল রাখতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক মালিকরা কারখানা চালু করতে চাইলে অবশ্যই কঠোরভাবে স্বাস্থ্য বিধিমালা প্রতিপালন করতে হবে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দপ্তর, সংস্থা যেমন- শিল্প পুলিশ, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাথে সমন্বয় করে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তিনি বলেন, কারখানা চালু রাখার ক্ষেত্রে শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি আগে দেখতে হবে।বাসস। শ্রম মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. রেজাউল হকের সঞ্চালনায় সভায় মন্ত্রণালয়ের সচিব কে এম আলী আজম, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক শিবনাথ রায়, শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ কে এম মিজানুর রহমান এবং জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি ফজলুল হক মন্টু উপস্থিত ছিলেন। অন্য দিকে ভিডিও কনফারেন্সে সংযুক্ত ছিলেন বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন এর সভাপতি কামরান টি রহমান, বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক, বিকেএমইএ এর সিনিয়র সহ-সভাপতি হাতেম আলী, বাংলাদেশ চা সংসদের চেয়ারম্যান শাহ আলম, গ্রামীণ ফোন লিমিটেডের প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা তানভির হোসাইন, আইএলও প্রতিনিধি মুনিরা সুলতানা, বাংলাদেশ জাতীয় শ্রমিক জোট এর সভাপতি শিরিন আখতার এমপি প্রমুখ।
১৭ ব্র্যান্ডের পণ্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে বিএসটিআই
২৫এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ১৭ ব্র্যান্ডের পণ্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে পণ্যের মান প্রণয়ন এবং নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। আজ শনিবার বিএসটিআই থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, খোলাবাজারে সার্ভিলেন্স অভিযান চালিয়ে পণ্য কিনে বিএসটিআই ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করে বাংলাদেশ মানের (বিডিএস) চেয়ে নিম্নমান হওয়ায় এসব পণ্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি পরবর্তীতে ওই পণ্যসমূহের মানোন্নয়ন করে পুনঃঅনুমোদন ব্যতিরেকে সংশ্লিষ্ট উৎপাদনকারী, সরবরাহকারী, পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাদের বিক্রি-বিতরণ ও বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন প্রচার থেকে বিরত থাকা এবং উৎপাদনকারীদের বাজার থেকে বিক্রিত মালামাল প্রত্যাহারের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।মানবজমিন। নিম্নমানের পণ্যের প্রতিষ্ঠান, পণ্য ও ব্র্যান্ডের নাম চট্টগ্রামের কল্পনা কমোডিটিস কোম্পানির এপি-১ ব্র্যান্ডের ঘি, চট্টগ্রামের চিটাগাং ফ্লাওয়ার মিলস-এর এ্যাংকর ব্র্যান্ডের সুজি, যশোরের আল আমিন বেকারি অ্যান্ড কনফেকশনারির আল আমিন ব্র্যান্ডের লজেন্স, ঢাকার মি. বেকার অ্যান্ড পেস্ট্রি শপের মি. বেকার ব্র্যান্ডের বিস্কুট, ফরিদপুরের সেফ ফুড ইন্ডাস্ট্রিজের সাবা ব্র্যান্ডের চিপস (পটেটো), কক্সবাজারের রিয়াদ সল্ট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের বঙ্গ ব্র্যান্ডের আয়োডিনযুক্ত লবণ, রাজশাহী মিষ্টান্ন ভান্ডারের আর এম ব্র্যান্ডের ঘি, বগুড়ার জিনিয়াস সেফ ফুড অ্যান্ড কনজ্যুমারের জিনিয়াস স্পেশাল ব্র্যান্ডের ঘি, সয়াবিন তেল ও হলুদের গুঁড়া; বগুড়ার সীমা ফ্লাওয়ার মিলস লিমিটেডের সীমা ব্র্যান্ডের সুজি, গাজীপুরের জি এম ফুড প্রোডাক্টসের এবি-১ ব্র্যান্ডের বাটার অয়েল ও রাজা ব্র্যান্ডের ঘি, গাজীপুরের শাহ ইন্টারন্যাশনাল ফুড প্রোডাক্টসের নুরজাহান ব্র্যান্ডের বাটার, শরীয়তপুরের মাদার ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্টসের বেস্ট-১ ব্র্যান্ডের ঘি, মৌলভীবাজারের শাহী ফুড প্রোডাক্টসের শমসের নগর শাহী ব্র্যান্ডের ঘি এবং একটি নাম ঠিকানাবিহীন ড্রামের লুজ সয়াবিন তেল। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএসটিআই পণ্যের মান সনদ প্রদানের পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানগুলো মানসম্পন্ন পণ্য উৎপাদন করছে কি-না তা যাচাই করার জন্য বছরব্যাপী নিয়মিত সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে খোলাবাজার থেকে পণ্য সংগ্রহ করে বিএসটিআই ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করে থাকে। রমজান মাসের পবিত্রতা রক্ষায় অসাধু ব্যবসায়ী-বিক্রেতারা যেন ভেজাল বা নিম্নমানের খাদ্যপণ্য ও পানীয় প্রস্তুত এবং বিপণন থেকে বিরত থাকে সে লক্ষ্যে আগে থেকেই সার্ভিলেন্স জোরদার করা হয়। এ বছর রমজান মাসে ভেজালমুক্ত পণ্য সরবরাহ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গত ২ মাসে ইফতার ও সেহরির সঙ্গে সম্পৃক্ত বিভিন্ন ধরনের খাদ্য পণ্য সার্ভিলেন্স টিমের মাধ্যমে খোলাবাজার থেকে সংগ্রহপূর্বক বিএসটিআইয়ের ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হয়েছে, যার বিবরণ: মোট নমুনার সংখ্যা- ৫২১টি, পরীক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে-২৫৩টি, মানসম্মত নমুনা- ২৩৬টি, নিম্নমানের নমুনা- ১৭টি এবং পরীক্ষাধীন রয়েছে- ২৬৮টি নমুনা। উল্লেখ্য, দেশে উৎপাদিত পণ্য ও সেবার মান প্রণয়ন এবং মানোন্নয়নের পাশাপাশি আমদানিকৃত পণ্যের মান সংরক্ষণও বিএসটিআইয়ের অন্যতম দায়িত্ব। প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম কাজ হচ্ছে, প্রসেসড ফুড এবং শিল্পজাত পণ্যের মান প্রণয়ন, পরীক্ষণ ও মানসনদ প্রদান। সরকার বিভিন্ন সময়ে এসআরও জারির মাধ্যমে ১৮১টি পণ্যকে বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক মানসনদের আওতাভুক্ত করেছে। এসব পণ্যের মানসনদ প্রদানের পাশাপাশি ক্রেতা-ভোক্তার বৃহত্তর স্বার্থে এ প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করে পণ্য ও সেবার গুণগতমান বজায় রাখতে ভূমিকা পালন করে আসছে।
সোনালী ব্যাংকের আরো চার কর্মকর্তা করোনায় আক্রান্ত
২৫এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন সোনালী ব্যাংকের রংপুর বাজার শাখার চার জন কর্মকর্তা। শাখাটি কয়েকদিন ধরে বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। গত সপ্তাহে মোট ৭ জন কর্মকর্তার সর্দি-জ্বর ও কাশির উপসর্গ দেখা দিলে শাখাটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়। আজ শনিবার ওই কর্মকর্তাদের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট এসেছে। সাত জনের মধ্যে করোনা পজিটিভ এসেছে চারজন ব্যাংক কর্মকর্তার। সোনালী ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।মানবজমিন। এর আগে, গত ২০শে এপ্রিল সোমবার একজন কর্মকর্তার করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ায় রাজধানীর দিলকুশা শিল্প ভবনের সোনালী ব্যাংকের করপোরেট শাখা সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করা হয়। শাখাটি এখনও বন্ধ রয়েছে। ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আতাউর রহমান প্রধান জানান, যে কর্মকর্তা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, তার সঙ্গে আরও চার কর্মী ছিলেন। তারাসহ শাখার সবাইকে হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। এখন আপাতত ব্যাংকের শাখাটি বন্ধ থাকবে। বন্ধ শাখার কার্যক্রম মতিঝিল দিলকুশা শাখায় হবে বলেও জানান তিনি।
মহামারি প্রাদুর্ভাবের মধ্যে দেশে ধেয়ে আসছে ঝাঁকে ঝাঁকে পঙ্গপাল
২৫এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মহামারি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে দেশে পঙ্গপাল হানা দেয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। আফ্রিকা মহাদেশের কৃষিজমিতে তাণ্ডব চালিয়ে এবার এদিকেই ধেয়ে আসছে পঙ্গপাল। ভারতের সংবাদ মাধ্যম দ্য হিন্দু শস্যখেকো এই পোকার দলের সম্ভাব্য আক্রমণের খবর এ তথ্য জানিয়েছে। ভারতীয় সরকারি কর্মকতাদের একটি সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হচ্ছে, সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা। আফ্রিকার পূর্বতম অঞ্চলে এক ঝাঁক পঙ্গপাল মরু অঞ্চলের আরেক ঝাঁক পঙ্গপালের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। এসব পঙ্গপালের একটি দল ইয়েমেন, বাহরাইন, কুয়েত, কাতার, ইরান, সৌদি আরব ও পাকিস্তান হয়ে ভারতেও হানা দিতে পারে। ভারতে পঙ্গপালের হানার আশঙ্কার কথা ইতিপূর্বেও করা হয়েছিল। চলতি বছরের মে থেকে ভারতে পঙ্গপালের উপদ্রব শুরু হবে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছিল বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও)। তবে সেখানে বাংলাদেশের কথা উল্লেখ ছিল না। কর্মকর্তারা বলছেন, ইতিমধ্যে ভারতের পাঞ্জাব ও হারিয়ানা রাজ্যে ঢুকে পড়েছে একদল পঙ্গপাল। পঙ্গপালের আরেকটি দল ভারত মহাসাগর পাড়ি দিচ্ছে। ভারতের কৃষিজমিতে আক্রমণ করার পর এ দলটি বাংলাদেশের দিকে আসতে পারে। এই অঞ্চলে পঙ্গপালের এ দুই দল ফসলের মারাত্মক ক্ষতিসাধন করতে পারে; এতে খাদ্য নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে বলে তারা মনে করছেন। পঙ্গপাল আর ঘাসফড়িং দেখতে একই রকম। দল বেঁধে উড়তে উড়তে পঙ্গপাল পাড়ি দিতে পারে মাইলের পর মাইল। দুটো ক্ষুদে শিংওয়ালা এই পতঙ্গটি আধা থেকে তিন ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের তথ্যমতে, এই সময় এরা দানবের মত ক্ষুধার্ত হয়ে ওঠে। একেকটি পতঙ্গ প্রতিদিন নিজের ওজনের সমান ফসল খেতে পারে। এই পোকার দলের আক্রমণের কারণে উজাড় হতে পারে ক্ষেতের ফসল। তবে পঙ্গপালের মাধ্যমে মানুষ ও প্রাণী আক্রান্ত হওয়ার তথ্য এখনও নেই। মঙ্গলবার জাতিসংঘের নিরাপাত্তা কাউন্সিলকে এক ব্রিফিংয়ে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির নির্বাহী পরিচালক ডেভিড বেসলি হুশিয়ারি দিয়েছিলেন যে, বর্তমান মহামারীটি এখন ক্ষুধার্ত মহামারীতে পরিণত হতে পারে। প্রসঙ্গত গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় পঙ্গপাল উৎপাতের মধ্যে পড়তে যাচ্ছে বিশ্ব। এতে আফ্রিকাসহ বিশ্বের লাখ লাখ মানুষকে খাদ্যাভাবে ফেলে দিতে পারে। পঙ্গপাল উৎপাতের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাত কোটি ডলারের তহবিল চেয়ে আহ্বান জানিয়েছে এফএও এবং জাতিসংঘ।
দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে ১৬৬ জন বাংলাদেশিকে
২৫এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণের মধ্যেই দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে ভারতে আটকে পড়া দেড় শতাধিক বাংলাদেশিকে। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে চেন্নাই থেকে রওনা হয়ে ১৬৬ জন বাংলাদেশি আজ শনিবার (২৫ এপ্রিল) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এয়ারলাইন্সটির জনসংযোগ শাখার জিএম মো. কামরুল ইসলাম বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন। করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে বিমান চলাচল বন্ধ থাকায় নানা কারণে বিভিন্ন দেশে যাওয়া চাইলেও ফিরতে পারছেন না আটকেপড়া বাংলাদেশিরা। তবে এর আগে ভারতে আটকেপড়া সাড়ে ছয় শতাধিক বাংলাদেশিকে চার ধাপে বিশেষ ফ্লাইটে দেশে ফিরিয়ে আনে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। এছাড়াও সৌদি আরব, ব্যাংকক, সিঙ্গাপুর, তুরস্ক ও মালদ্বীপ থেকেও কয়েকশ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের বিশেষ ফ্লাইটে। প্রসঙ্গতঃ গত ১৬ মার্চ থেকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে যুক্তরাজ্য ছাড়া ইউরোপের অন্যান্য সব দেশ থেকে যাত্রীদের আসা বন্ধ করে বাংলাদেশ সরকার। এরপর ২১ মার্চ থেকে ভারত, সৌদি আরব, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, তুরস্ক, মালয়েশিয়া, ওমান ও সিঙ্গাপুরের সঙ্গে বন্ধ করে দেয়া হয় বিমান চলাচল। পরে যুক্তরাজ্যের সঙ্গেও ফ্লাইট বন্ধ করা হয়।
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কিট হস্তান্তর
২৫এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জিআর কোভিড-১৯ ডট ব্লোট প্রকল্পের আওতায় উদ্ভাবিত করোনাভাইরাসের টেস্ট কিটের স্যাম্পল হস্তান্তর করেছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। শনিবার সকালে ধানমন্ডির গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র হাসপাতালের গেরিলা কমান্ডার মেজর এ টি এম হায়দার বীর বিক্রম মিলনায়তনে নমুনা হস্তান্তর করা হয়। তবে আমন্ত্রণ জানানোর পরও মার্কিন গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার্স ফর ডিজিস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) ছাড়া গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র উদ্ভাবিত এ কিট গ্রহণের জন্য যায়নি সরকারের কোনো প্রতিষ্ঠান। ফলে প্রতিনিধি না থাকায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে কিট দেয়া যায়নি। কিট হস্তান্তরকালে বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীল বলেছেন, এই ডিভাইসের মাধ্যমে মাত্র পাঁচ মিনিটেই পরীক্ষা করা যাবে করোনাভাইরাস। এর আগে, করোনা টেস্টিং কিট প্রসঙ্গে জাফরুল্লাহ বলেন, আমরা কিট তৈরিতে সফল হয়েছি। রক্ত পরীক্ষা করার পরে আমরা শতভাগ সফল হয়েছি। আজ আমরা সরকারকে নমুনা দিচ্ছি, যাতে তারা পরীক্ষা করতে পারে। পরীক্ষা করার পর অনুমোদন দিলে প্রথমে দেব ১০ হাজার, তারপরে এক লাখ দেব। ডা. জাফরুল্লাহ আরও বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ঔষধ প্রশাসন, রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর), আর্মি প্যাথলজি ল্যাবরেটরি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ), বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ (ডাব্লিউএইচও) বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানকে এই কিট দেব। গত ৫ এপ্রিল চীন থেকে রিএজেন্ট আসার পর গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা জিআর কভিড-১৯ ডট ব্লোট-এর স্যাম্পল তৈরির কাজ শুরু করেন। এ উদ্ভাবনে রয়েছে ড. বিজন কুমার শীলের নেতৃত্বে একদল বিজ্ঞানী। প্রথম ধাপে চীন থেকে আসা রিএজেন্ট দিয়ে আপাতত ১০ হাজার স্যাম্পল তৈরির কাজ শেষ করেছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। কিট হস্তান্তরের সময় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, আমাদেরকে সিডিসি কনফার্ম করেছিল আসবে, একমাত্র তারাই এসেছে। সিডিসিকেই আমরা দিয়ে দেব। বাকিদেরকে আমরা কালকে সরকারিভাবে প্রত্যেকের অফিসে পৌঁছে দেব। আমাদের দুঃখ, আপনাদের সামনে হস্তান্তর করতে পারছি না।
রোজার শুরুতেই সবজিসহ নিত্যপণ্যের বাজার চড়া
২৫এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশব্যাপী করোনার প্রাদুর্ভাবে যাত্রী পরিবহন চলাচল বন্ধ। তবে চালু রয়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য তথা সবজিবাহী গাড়ি চলাচল। ফলে, পর্যাপ্ত পণ্য মজুদ রয়েছে আড়ৎগুলোতে। সংকট নেই চাল উৎপাদনেও। তবুও রাজধানীজুড়ে প্রতিটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে চড়া মূল্য গুনতে হচ্ছে ভোক্তা সাধারণকে। করোনা সংকটকে ঘিরে গত একমাসে কয়েক দফা বেড়েছে চাল, ডাল, তেল, আদা, রসুন ও সবজির দাম। এবার রোজার শুরুতে তা আরও প্রকট আকার ধারণ করেছে। একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী অধিক মুনাফার আশায় খাদ্য মজুদ করছে। এছাড়া আছে কিছু ক্রেতাদের অধিক পণ্য কেনার মানসিকতা। এই দুইয়ে সয়লাব বাজার ব্যবস্থা। সরবরাহ নিশ্চিত করতে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) মাঠে থাকলেও চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত নয়। ফলে, এর প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে। যার ভুক্তভোগী নিম্ন আয়ের মানুষ থেকে শুরু করে মধ্যবিত্তরা। রাজধানীর বিভিন্ন বাজার সূত্রে জানা যায়, খুচরা বাজারগুলোতে মোকামের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি দাম নেয়া হচ্ছে সবজিতে। শাক-সবজির কমতি না হলেও অধিক দাম রাখায় হিমশিম খেতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। খুচরা বিক্রেতাদের দাবি, মোকামে অধিক দাম রাখায় বেশি মূল্যে বিক্রি করতে হয় তাদের। অথচ, মোকামের চিত্র বলছে উল্টো কথা। বাজারের তুলনায় অর্ধেক দাম নেয়া হচ্ছে সেখানে। ব্যবসায়ীদের দাবি, কাঁচামাল দ্রুত পচনশীল। বিক্রি না হলে পচে যায়, যে কারণে মোকামের দামের সঙ্গে বড় পার্থক্য থাকে। তবে কোনো কোনো পণ্যের দাম দ্বিগুণ আবার কিছু পণ্যের দাম চারগুণও বাড়ে। আবার বাজার ভেদে দামের পার্থক্যও আছে। অধিকাংশ বাজারে লম্বা বেগুন নেয়া হচ্ছে ৪০-৫০ টাকা কেজি, শসার দামও একই। অথচ, ঢাকার বাহিরেই এ সবজিগুলো ১০ থেকে ১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কেজিতে ৩৫ থেকে ৪০ টাকার অধিক দাম রাখা হচ্ছে প্রতিটি সবজিতে। এছাড়া করলার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকা, উস্তা ৩০-৪০ টাকা, বরবটি ৪০-৫০ টাকা, পেঁপে ৩০-৪০ টাকা, পটল ৪০-৫০, ঝিঙা ৪০-৫০ এবং চিচিঙ্গা ২০-৩০ টাকা কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে। গাজর ৩৫-৪০ টাকা, টমেটো ২০-৩০ টাকা, কচুর লতি প্রতি কেজি ৬০, বড় কচু ৪৮-৫০, মুলা ৩০, প্রতি কেজি ধনিয়াপাতা ১৫০ এবং পুদিনা পাতা বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়। প্রতি হালি লেবু (ছোট) ৩০-৪০, বড় সাইজের লেবু ৬০-৭০, প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৪৫-৫০ টাকায়, প্রতি পিস বাঁধাকপি ৩০ টাকা এবং কাঁচা মরিচ ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে সবজির পাশাপাশি আবারও বেড়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। রোজাকে সামনে রেখা চাহিদা বৃদ্ধিতে সুযোগ পেয়েছে ব্যবসায়ীরা। এতে করেই চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ভোক্তাদের। রাজধানীর অধিকাংশ বাজারে অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে মসুর ডালের দাম। প্রতিকেজি মোটা মসুর ডাল এতদিন ৭০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে। গত তিন দিনে কেজিতে ৩০ টাকা বেড়ে এখন ১০০ টাকা হয়েছে। কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে মাঝারি দানা মসুর ডাল ১১০ থেকে ১১৫ টাকায় হয়েছে। সরু দানা মসুর ডাল ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রোজাার কেনাকাটা বেড়ে যাওয়ায় বেড়েছে হলুদ, মরিচ, পেঁয়াজ, রসুন ও আদার দামও। বর্তমানে চিনি বিক্রি হচ্ছে ৭০-৭৫ টাকা কেজিতে, যা গত সপ্তাহেও ছিল ৬৫ টাকা। আর পেঁয়াজ ৫৫ থেকে ৬৫, দেশি রসুন ১শ থেকে ১৩০ ও আমদানি রসুন ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। আদা হয়েছে এক লাফে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা। এছাড়া চিড়া, মুড়ি ও গুড়ের দাম কেজিতে বেড়েছে ১০ থেকে ২০ টাকা। এখন প্রতি কেজি চিড়া ৭০, মুড়ি ৮০ এবং গুড়ের কেজি ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কেজিতে ২০ থেকে ৫০ টাকা বেড়ে খেজুর ২৫০ থেকে হাজার টাকা হয়েছে। ফলের মধ্যে মাল্টার দাম কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ১৮০ টাকা হয়েছে। চাহিদা বেশি থাকায় লেবুর হালি গড়ে ৫০ টাকা হয়েছে। ব্রয়লার মুরগি দাম বেড়ে ১৩০ ও লেয়ার মুরগি ১৯০, সোনালি ২২০ টাকা হয়েছে। দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৪০০-৪৫০ টাকা কেজি, যা গত সপ্তাহে ছিল ৩৫০-৪০০ টাকা। গরুর মাংস ৬০০ ও খাসির মাংস ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে, বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রতিদিনই বাণিজ্যমন্ত্রণালয়ের অধীনে বিভিন্ন সংস্থার একাধিক টিম অভিযান চালাচ্ছে। জরিমানাও করা হচ্ছে। তারপরও অস্থিরতা থামছে না রাজধানীর বাজারগুলোতে। বিশেষ করে ডাল, তেল, আদা, রসুন ও সবজির দাম। গত কয়েকদিনে অতিরিক্ত দামে আদা বিক্রির অভিযোগে বেশ কয়েকটি দোকানকে জরিমানা ও সতর্ক করা হলেও তেমনটা কাজে আসেনি। অন্যদিকে সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে দাম নিয়ন্ত্রণে এবার আগেই কিছুটা প্রস্তুতি নিয়েছিল সরকারি বিপণন সংস্থা টিসিবি। অন্যান্য বছরের তুলনায় যার পরিমাণ ছিল কয়েকগুণ। কিন্তু সরবরাহ কম হওয়ায় তাতে তেমন সুফল আসছে না। এতে করে বাজারেই ভরসা করতে হচ্ছে ক্রেতাদের। বাণিজ্যমন্ত্রণালয়ের দাবি- অন্যান্য বছরের তুলনায় সরকারি-বেসরকারি গোডাউনগুলোতে এবার ৩০ শতাংশের বেশি খাদ্যপণ্য মজুদ রয়েছে। তারপরও রোজা শুরুর আগেই যেমনটা লাগাম ছাড়া ছিল নিত্যপণ্যের বাজার, রোজার শুরুতে তা আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।

জাতীয় পাতার আরো খবর