আজ বসছে পদ্মাসেতুর ১৪তম স্প্যান
২৭জুন২০১৯,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজ পদ্মা সেতুতে বসবে ১৪তম স্প্যান। সকালে স্প্যানটি কুমারভোগের বিশেষায়িত ইয়ার্ড থেকে ভাসমান ক্রেনবাহী জাহাজে করে খুঁটির কাছে নেয়া হচ্ছে। ১৪তম স্প্যানটি বসানো হবে সেতুর মাওয়া প্রান্তের ১৫ ও ১৬ নম্বর খুঁটিতে। সেতু বিভাগের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন, খুঁটি দুটি স্প্যান বহনের সম্পূর্ণ উপযোগী করা হয়েছে। ৩-সি নম্বর স্প্যান বসানোর সব প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে। বসানোর উপযোগী করে স্প্যানটি ইয়ার্ডের জেটির কাছে রাখা হয়েছে। সেতুর মোট ২৯৪টি পাইলের মধ্যে পাইল ড্রাইভ সম্পন্ন হয়েছে ২৯০টি। বাকি চারটি পাইলের কাজ মধ্য জুলাইয়ে শেষ হওয়ার কথা আছে। সেতুর মোট ৪২টি পিলারের মধ্যে কাজ সম্পন্ন হয়েছে ২৯টির। জাজিরায় সেতুর ২৬ ও ২৭ নম্বর পিলারে পাইলের কাজ চলছে। ২৬, ২৭ নম্বর পিলারে সাতটি পাইলের মধ্যে ৫টি পাইল ড্রাইভ সম্পন্ন হয়ে গেছে। চীন থেকে আরও দুইটি স্প্যান মাওয়ার পথে রয়েছে। ৮টি স্প্যান ইয়ার্ডে ফিটিং করা হচ্ছে। ১৫ তম স্প্যান মাওয়ায় নিয়ে আসার প্রক্রিয়া চলছে। ডাঙ্গায় থাকা দুই পিলারে ১৬টি পাইল। পদ্মাসেতুর পিলারের একেকটি পাইল লোড ৮ হাজার ২০০ টন। সেতুর ৫ নম্বর মডিউল এর ৫-ডি স্প্যানটি স্টোর করা হয়েছে। ২৮ ও ২৯ নম্বর পিলারের কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় এর পাশে রাখা হয়েছে। ৫-ই স্প্যানটিও রাখা হয়েছে, যা বসবে ২৯ ও ৩০ নম্বর পিলারে। রেলওয়ে স্ল্যাব বসেছে ৩২০টি ও রোডওয়ে স্ল্যাব ৩০টি। এদিকে চীনে প্রস্তুত বাকি ১৫টি স্প্যান যথাসময়ে মাওয়ায় নিয়ে আসার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। প্রতিটি স্প্যানের দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার। ৬ দশমিক ১৫ কিলেমিটার মূল সেতুটির সংযোগ সেতুসহ দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ৯ কিলোমিটার। এ সেতু ২০২০ সালের শেষের দিকে চালু করা হবে। এদিকে চীন থেকে আরও দুটি স্প্যানবাহী জাহাজ মাওয়ার পথে রয়েছে। সমুদ্রপথে স্প্যান দুটি নিয়ে ১০ দিন আগে যাত্রা করা জাহাজটি কয়েক দিনের মধ্যে মোংলা বন্দরে পৌঁছবে। সেখান থেকে তা অন্য জাহাজে করে নদীপথে আনা হবে মাওয়া কুমারভোগের কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে। চীন থেকে এ পর্যন্ত আসা ২৪টি স্প্যানের মধ্যে ১৫টি পরিপূর্ণ অবস্থায় ইয়ার্ড থেকে বের করে আনা হয়েছে। যা ১৩টি খুঁটিতে উঠানো হয়েছে। আর দুটি স্টোর করা হয়েছে খুঁটির কাছাকাছি মাঝের চরের প্লাটফরমে এরমধ্য থেকেই একটি বসতে যাচ্ছে ১৫ ও ১৬ নম্বর খুঁটিতে। আর বাকি ৮টি স্প্যান ইয়ার্ডে ফিটিং করা হচ্ছে।
দেশের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারে রোহিঙ্গারা: প্রধানমন্ত্রী
২৬জুন২০১৯,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসন করা না গেলে বাংলাদেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা ব্যাহত হতে পারে। আজ বুধবার (২৬ জুন) জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য নূর মোহাম্মদের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা জানান। শেখ হাসিনা বলেন, বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা অধিবাসীরা অসন্তুষ্টিতে ভুগছে। তাদের অনেক অভাব অভিযোগ রয়েছে। তাদের প্রত্যাবাসনে সরকার কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মিয়ানমারের ১১ লাখের অধিক নাগরিকের জন্য অনির্দিষ্টকাল ধরে খাদ্য, পোশাক ও বাসস্থানের ব্যবস্থা করা আমাদের জন্য খুব কঠিন ব্যাপার,যোগ করেন তিনি। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারের নাগরিকদের স্বেচ্ছায় আসেননি এখানে। সেদেশের সেনাবাহিনী তাদের জোর করে বাস্তুভিটা থেকে উচ্ছেদ করেছে। তাদের খাদ্য, বাসস্থান ও স্বাস্থ্যসেবাসহ মৌলিক মানবিক সহায়তা জরুরি ছিল। আমরা তাদের সাময়িকভাবে আশ্রয় দিয়েছি। জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও স্থানীয় এনজিওর সঙ্গে সমন্বয় করে তাদের আমরা আশ্রয় ও মানবিক সহায়তা প্রদান করছি। রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমার অপপ্রচার চালাচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক মহল মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে যথাযথ সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টির জন্য চাপ অব্যাহত রেখেছে। আমরা বিভিন্ন ফোরামে বলেছি এসব বাস্তুচ্যুত জনগণের ফেরত মিয়ানমার সরকারের ওপর বর্তায় এবং তাদেরকেই উদ্যোগী ভূমিকা গ্রহণ করতে হবে। দুঃখজনক হলেও সত্য, মিয়ানমার সরকারের অনড় অবস্থানের কারণে দৃশ্যমান কোনও অগ্রগতি হয়নি। উপরন্তু মিয়ানমার বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহলে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে এবং বলছে, বাংলাদেশের অসহযোগিতার কারণে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বিলম্বিত হচ্ছে। বিশ্ব জনমত ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় অব্যাহতভাবে বাংলাদেশকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনে একটি রিপোর্ট প্রেরণ করেছে। কিন্তু মিয়ানমার সরকার তাদের এ বিষয়ে কাজ করতে দিচ্ছে না। মিয়ানমারের অসহযোগিতা সত্ত্বেও আমরা দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক দুইটি পথই খোলা রেখেছি।
১০ লাখ টাকা পাবে রেল দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবার
২৬জুন২০১৯,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় ট্রেন দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে। নিহতদের পরিবার পাবে ১০ লাখ টাকা ও আহতদের দেয়া হবে ১০ হাজার টাকা বলে জানিয়েছেন রেলপথমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন। বুধবার সকালে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আহতদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেয়ার সময় এ কথা বলেন রেলমন্ত্রী। তিনি বলেন, আহতদের সুচিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা রয়েছে, আহতদের চিকিৎসায় যেন কোনো রকম অবহেলা করা না হয়। এ ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের ব্যবস্থাই রাখা হবে। এর আগে রোববার রাতে মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার বরমচালে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনার পর আহতদের খোঁজখবর এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে মঙ্গলবার রাত ১০টায় উপবন এক্সপ্রেসে ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশে রওনা হন রেলপথমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন। ৮ ঘণ্টায় ৩১৯ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে সকাল ৫টা ৪০ মিনিটে সিলেটে পৌঁছান রেলপথমন্ত্রী। সিলেট রেলস্টেশনে কথা বলেন যুগান্তরের সঙ্গে। প্রথমেই তার কাছে জানতে চাওয়া হয়, ৩১৯ কিলোমিটার ৮ ঘণ্টা সময় লেগেছে ট্রেনের এটি স্বাভাবিক কিনা। এমন প্রশ্নে রেলপথমন্ত্রী নূরুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত ছিল এই রেল বিভাগ। ২০১১ সাল থেকে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর রেলপথের উন্নয়নে হাত দিয়েছে। সারা দেশেই মিটারগেজ রেললাইনগুলো ডুয়েল গেজে রূপান্তরের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়া এই লাইনগুলো যতক্ষণ পর্যন্ত ভালো অবস্থায় নেয়া না যাবে ততক্ষণ পর্যন্ত সময় তো লাগবেই। তিনি আরও বলেন, ঢাকা-সিলেট রেলপথে আখাউড়া পর্যন্ত ডুয়েল গেজে রূপান্তরিত হয়েছে। আখাউড়া থেকে সিলেট পর্যন্ত ডুয়েল গেজে রূপান্তরিত করতে ইতিমধ্যে ১৬ হাজার ১৪৪ লাখ টাকার একটি প্রকল্প জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (একনেক) নির্বাহী কমিটি অনুমোদন করেছে। দ্রুত তা বাস্তবায়নে কাজ চলছে। এই প্রকল্পের অধীনে এই রুটে আরও ১৬টি নতুন রেলস্টেশন নির্মাণ হবে এবং সিলেট রেলস্টেশনকে আরও আধুনিকভাবে নির্মাণ করা হবে। সবশেষে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত কারও গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেছে কিনা এমন প্রশ্নে মন্ত্রী জানান, তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে, তদন্তে কারও গাফিলতি কিংবা কাজে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। সফরসূচি অনুযায়ী, সকাল ৯টায় প্রথমে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুর্ঘটনায় আহতদের দেখতে যান মন্ত্রী। পরে সেখান থেকে কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং সবশেষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করার কথা রয়েছে তার।
সরকারি চাকরিতে ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
২৫জুন২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল জানিয়েছেন, সরকারি চাকরিতে প্রবেশে ডোপ টেস্ট (মাদক পরীক্ষা) বাধ্যতামূলক হতে যাচ্ছে। তিনি বলেন, এ বিষয়ে সরকারের নীতিগত অনুমোদন নেয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২৫ জুন) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ওই তথ্য জানান তিনি। আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, সরকারি চাকরিজীবীরা মাদকাসক্ত হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এখন চাকরিতে প্রবেশের সময় আমার ডোপ টেস্ট বাস্তবায়ন করছি। চাকরি প্রার্থীর রক্তে যদি মাদকের আলামত পাওয়া যায় তাহলে তার আবেদন হয়তো বাতিল করে দেয়া হবে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে তিনি বলেন, মিয়ানমারের সরকার প্রধান আমাদের সঙ্গে তারা অনেক কথাই বলেন কিন্তু কিছুই কার্যকর হয় না।
ক্রিকেটারদের আরো সুযোগ-সুবিধা দেয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী
২৫জুন২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ক্রিকেটারদের আরো সুযোগ-সুবিধা দেয়া হবে। সব ধরনের জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড়রা অবসরের পরেও যাতে সুযোগ-সুবিধা পায় সে ব্যবস্থা করা হবে। আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। আগামীতে যাতে খেলোয়াড়েরা সারাবছর খেলাধুলার সাথে থাকতে পারেন সেজন্য বিশেষ তহবিল করার নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। ক্রিকেট খেলায় জয়ের ধারা ধরে রাখায় খেলোয়াড়দেরও প্রশংসা করেন। ক্রিকেটারদের জন্য আরো সুযোগ-সুবিধা দেয়াসহ অবসরের পরেও সব ধরনের জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড়রা যাতে সুবিধা পায় সে ব্যবস্থা করার নির্দেশনা দেন তিনি। একনেক সভায় আজ ৬ হাজার ৯৬৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ১০টি উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। সন্ত্রাস মোকাবেলা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধিসহ মোট ১০টি উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন দেয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি একনেক। একনেক সূত্রে জানা যায়, গাজীপুর সিটি করপোরেশন এলাকার রাস্তাঘাট সংস্কার, ফুটপাত, ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য অর্থ বরাদ্দের অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়। সেই সাথে রেলওয়ের ২১টি মিটারগেজ ডিজেল ইলেক্ট্রনিক লোকোমিটিভ নব রূপায়ন প্রকল্পটিও উপস্থাপন করা হয়। এসময় সরকার প্রধান প্রকল্পগুলোর গুণগত মান নিশ্চিতসহ নির্দিষ্ট সময় শেষ করার তাগিদ দেন।
বাজারে পাস্তুরিত দুধে ডিটারজেন্ট ও অ্যান্টিবায়োটিক
২৫জুন২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাজারে যেসব কোম্পানি পাস্তুরিত তরল দুধ বিক্রি করছে তার অধিকাংশ দুধে ডিটারজেন্ট ও অ্যান্টিবায়োটিক পাওয়া গেছে। আজ মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্সেমি বিভাগের শিক্ষক ও বায়োমেডিকেল রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক আ ব ম ফারুক। যেসব কোম্পানির দুধে ডিটারজেন্ট ও অ্যান্টিবায়োটিকের সন্ধান পাওয়া গেছে সেগুলো হলো- প্রাণ, মিল্ক ভিটা, ইগলু, ইগলু চকোলেট, ইগলু ম্যাংগো, আড়ং ও ফার্ম ফ্রেশ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ সেন্টার ও ফার্মেসি অনুষদের যৌথ গবেষণায় এই তথ্য উঠে আসে। অধ্যাপক আ ব ম ফারুক বলেন, আমরা এসব কোম্পানি উৎপাদিত পাস্তুরিত ও অপাস্তুরিত কাঁচা দুধ পরীক্ষা করে তাতে ডিটারজেন্ট ও অ্যান্টিবায়োটিক পেয়েছি। তিনি বলেন, আমরা যে অ্যান্টিবায়োটিকের সন্ধান পেয়েছি সেগুলো মানুষের ব্যবহারের জন্য। মানুষ ও প্রাণির অ্যান্টিবায়োটিক সম্পূর্ণ আলাদা। মানুষের অ্যান্টিবায়োটিক প্রাণির ওপর ব্যবহার বন্ধ করা দরকার। অধ্যাপক ফারুক বলেন, অ্যান্টিবায়োটিক যে গরুকে খাওয়ানো হলো ওই গরুর দুধ ও মাংস আমরা খেলে তা আমাদের শরীরে প্রবেশ করবে। মানুষকে বাঁচাতে আপনারা এখনই গরুকে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ানো বন্ধ করুন। তিনি বলেন, আমাদের পরীক্ষায় পাস্তুরিত দুধের সবকটি নমুনাতে মানবচিকিৎসায় ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিক লেভোফ্লক্সসিন, সিপ্রোফ্লক্সাসিন ও এজিথ্রোমাইসিনের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এছাড়াও অপাস্তুরিত দুধের একটি নমুনাতে ফরমালিন পাওয়া মিলেছে।আর অন্য একটিতে পাওয়া গেছে ডিটারজেন্ট। এসব দুধে অ্যান্টিবায়োটিকের উপস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। সংবাদ সম্মেলনে দুধ ছাড়াও ফ্রুট ড্রিংকস, সরিষার তেল, সয়াবিন তেল, ঘি, গুঁড়া মশলা, শুকনা মরিচ, হলুদ, পাম অয়েল নিয়েও পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়।
প্রয়োজন ছাড়া প্রসূতির সিজার বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে রিট
২৫জুন২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: গর্ভবতী মায়েদের অপ্রয়োজনীয় সিজার বন্ধের দাবিতে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন আজ মঙ্গলবার বাদী হয়ে এই রিট দায়ের করেন। রিট আবেদনটি বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের বেঞ্চে শুনানির জন্য উত্থাপন করা হয়। ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন জানিয়েছেন, আগামীকাল রিট আবেদনটির শুনানি হতে পারে। তিনি সাংবাদিকদের বলেন,ওয়ার্ল্ড হেলথ অরগানাইজেশন (ডব্লিউিএইচও), ইউনিসেফের রিপোর্টে বলা হয়েছে, গত বছর বাংলাদেশের যে পরিমাণ সিজার করা হয়েছে, তার ৭৭ শতাংশ ছিল অপ্রয়োজনীয়। এ ছাড়া গত দুবছরের তুলনায় ৫১ শতাংশ সিজার বেড়ে গেছে। কোনো কনসালটেশন না করেই এভাবে সিজার করা হচ্ছে। ফলে ভবিষ্যতে এটা বড় ধরনের সংকটে পরিণত হবে। এ কারণে রিটটি করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। রিট আবেদনে বলা হয়, অপ্রয়োজনীয় সিজার মনিটরিংয়ে সরকারের নিস্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং অপ্রয়োজনীয় সিজার কেন বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হবে না-তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
৪৫ দেশের মধ্যে শীর্ষে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা
২৪জুন২০১৯,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের ৪৫টি দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক উন্নয়ন বিবেচনায় বাংলাদেশ শীর্ষে অবস্থান করায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সদস্যরা। সোমবার (২৪ জুন) সকালে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে এডিবি প্রকাশিত প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়। এ সময় মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা তাকে শুভেচ্ছা জানান। এসময় দেশবাসীকে অভিনন্দন জানান শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, জনগণ ভোট দিয়ে নির্বাচিত করায় দেশের উন্নয়নের সুযোগ পাচ্ছে তার সরকার। দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখার তাগিদ দিয়ে কেউ যেন এই ধারা বাধাগ্রস্ত করতে না পারে সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। কাঙিক্ষত সময়ের আগেই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের বিষয়ে আশাবাদ পুনর্ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণ নির্বাচিত করায় দেশের কল্যাণে কাজ করার সুযোগ পেয়েছে তার সরকার। উন্নয়নের ধারা কেউ যেন বাধাগ্রস্ত করতে না পারে, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। সকালে, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে তিনি এসব বলেন। এর আগে গত বুধবার এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক- এডিবি এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক অবস্থা পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন করে তাদের প্রতিবেদনে জানায়। অর্থনৈতিক উন্নয়ন বিবেচনায় ৪৫টি দেশের মধ্যে শীর্ষে অবস্থান করছে বাংলাদেশ। ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশ হবে বলেও জানানো হয় প্রতিবেদনে। বাংলাদেশের উচ্চ প্রবৃদ্ধির তথ্য তুলে ধরে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) বলছে, ১৯৭৪ সালের পর বাংলাদেশের অর্থনীতির দ্রুততম প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২০১৮ সালে, ৭ দশমিক ৯০ শতাংশ। এটি এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের ৪৫টি অর্থনীতির মধ্যে দ্রুততম। এডিবির আউটলুকে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৮ শতাংশ। তবে আগামী অর্থবছরে প্রস্তাবিত বাজেটে প্রবৃদ্ধির প্রাক্কলন করা হয়েছে ৮ দশমিক ২০ শতাংশ। আট শতাংশ প্রবৃদ্ধি হলে তা নতুন রেকর্ড হবে উল্লেখ করে আউটলুকে বলা হয়েছে, এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে বাংলাদেশের দ্রুত বিকাশের ধারা অব্যাহত থাকবে। এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের ৪৫ দেশের অর্থনীতির গতিধারা মূল্যায়ন করে এডিবি তাদের এ আউটলুক প্রস্তুত করেছে। বাংলাদেশ ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধিতে পৌঁছে গেলেও দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চল প্রবৃদ্ধিতে বাংলাদেশের পেছনে পড়ে যাচ্ছে বলে এডিবির মূল্যায়নে দেখানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ার শ্লথ গতির কারণে ২০১৯ সালে এ অঞ্চলে প্রবৃদ্ধি হবে ৬ দশমিক ৮০ শতাংশ এবং ২০২০ সালে হবে ৬ দশমিক ৯০ শতাংশ হারে। এডিবি মনে করছে, বাংলাদেশের উচ্চ প্রবৃদ্ধির পেছনে কাজ করেছে, দক্ষ নেতৃত্ব, সুশাসন, স্থিতিশীল সরকার ও শান্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতি, বলিষ্ঠ সামষ্টিক অর্থনৈতিক নীতিমালা ও সঠিকভাবে উন্নয়ন অগ্রাধিকার দেওয়া।

জাতীয় পাতার আরো খবর