বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৯, ২০২০
বাণিজ্যমেলার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
০১জানুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার (ডিআইটিএফ) উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ২৫ বছরে পা রাখা এই মেলার উদ্বোধন করেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন, ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান ফাতিমা ইয়াসমিনসহ বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ইপিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকতারা। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) মেলার মাঠে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি জানিয়েছেন, ৩২ একর জমির ওপর নতুন রূপে সাজানো হয়েছে এবারের বাণিজ্য মেলা। মেলার প্রধান গেট সাজানো হয়েছে জাতীয় স্মৃতিসৌধের আদলে, সঙ্গে থাকবে পদ্মা সেতুর মডেল। মেলায় আগত দেশি-বিদেশি অংশগ্রহণকারী এবং দর্শনার্থীদের জন্য সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হয়েছে। খোলামেলা পরিসরে গতবছরের তুলনায় এবার স্টলের সংখ্যা কমানো হয়েছে। গত বছর মোট ৬৩০টি ছোট-বড় স্টল কমিয়ে এবার করা হয়েছে ৪৮৩টি। এর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ক্যাটাগরির প্যাভেলিয়ন ১১২টি, মিনি প্যাভেলিয়ন ১২৮টি এবং বিভিন্ন ক্যাটাগরির স্টল ২৪৩টি। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ২০২১ সালে বাংলাদেশের রপ্তানি ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার নির্ধারণ করে সরকার এগিয়ে যাচ্ছে। ২০২৪ সালে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে। ২০২৭ সালের পর বাংলাদেশ আর এলডিসি দেশের সুবিধা ভোগ করতে পারবে না। সেজন্য বিভিন্ন দেশের সঙ্গে এফটিএ ও পিটিএ করার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
ছোট্ট সোনামনিদের সঙ্গে খেলায় মাতলেন প্রধানমন্ত্রী
৩১ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিশুদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মমতার প্রকাশ বিভিন্ন সময় দেখা গেছে। এবার আবারও দেখা গেলো মমতাময়ী প্রধানমন্ত্রীর শিশুদের প্রতি ভালোবাসার বহি:প্রকাশ। ২০২০ শিক্ষাবর্ষের জন্য বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন শেষে শিশুদের নিয়ে খেলায় মেতে ওঠেন তিনি। মঙ্গলবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিয়ে বই উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন শেখ হাসিনা। এরপর তিনি গণভবনের মাঠে সোনামনিদের সঙ্গে দোল খেলা সহ বিভিন্ন খেলায় মেতে ওঠেন। তিনি শিশুদের সঙ্গে দোলনা খেলেন। ছোট্ট বাচ্চাদের দোলনায় উঠিয়ে নিজ হাতে দোলনায় ধাক্কা দেন। শিশুরাও তার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে আনন্দে মেতে ওঠেন। প্রতিবন্ধী শিশুরাও তার সঙ্গে খেলাধুলায় অংশ নেন। এরআগে বই বিতরণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করতে চাই। আর সেটাকে আমরা পর্যায়ক্রমে করে দিচ্ছি। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগে পুরনো বই হাতে দেওয়া হত। বই কেনার ক্ষমতা ছিল না বাবা-মায়ের। এখন আর সেটা না। এখন সবার জন্য নতুন বই। আসলে নতুন বই হাতে পেলে তো ভালোও লাগে। নতুন বইয়ের ঘ্রাণটা শুনলে ভালো লাগে। শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এ দেশটাকে স্বাধীন করে দিয়ে গেছেন। কাজেই স্বাধীন দেশটাকে আমরা উন্নত করে গড়ে তুলতে চাই। এজন্য সবথেকে বেশি দরকার হচ্ছে, যারা ভবিষ্যৎ নাগরিক, তারা যেন শিক্ষায়-দীক্ষায় সব ধরণের প্রশিক্ষণে উন্নত হয়। আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ নাগরিকরা যেন আগামী দিনে সুন্দর একটা সমাজ পায়। সরকার প্রধান বলেন, একটা আদর্শ নিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। সে আদর্শটা হচ্ছে, এমন একটি সমাজ গড়ে তোলা যে সমাজে কোনও বৈষম্য থাকবে না; দারিদ্র্যমুক্ত সমাজ হবে; উন্নত সমাজ হবে, সমৃদ্ধশালী হবে এবং বাংলাদেশ উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে বিশ্ব মর্যাদা পাবে। শেখ হাসিনা বলেন, আমরা শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষকদের বেতন বাড়িয়ে দিয়েছি। এর পাশাপাশি স্বাধীনতার পর একটা যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ যখন জাতির পিতা গড়ে তোলেন, তখনই তিনি বিনামূল্য বই দেওয়া শুরু করেন। কাজেই আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর আবার আমরা বিনামূল্য বই বিতরণ শুরু করেছি। তিনি বলেন, বৃত্তি প্রদানে আমরা গুরুত্ব দিই। আমরা একেবারে উচ্চ শিক্ষা পর্যন্ত বৃত্তি দিচ্ছি। কারণ অনেক সময় অনেক বাবা-মা ছেলে-মেয়েদের পড়াতে পারে না। তাই তাদের ওপর যেন চাপ না পড়ে সেজন্য বিনা পয়সায় বই এবং বৃত্তি দিচ্ছি। সেই সঙ্গে সঙ্গে আমরা স্কুলে টিফিনের ব্যবস্থা, সেটা প্রত্যেকটা স্কুল-কলেজ যেন নিজে করতে পারে সেভাবে আমরা উৎসাহ দিচ্ছি এবং সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ সাহায্য আমরা করে যাচ্ছি। বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, যেহেতু জাতির পিতা মেয়েদের শিক্ষা অবৈতনিক করে দিয়েছিলেন কাজেই আমরা সেটা অব্যাহত রেখেছি। আমাদের দেশে এখন ছেলে-মেয়ে সবাই স্কুলে যায়; সবাই উৎসাহিত। আর আমরা আরেকটা ব্যবস্থা নিচ্ছি। সেটা হলো, আমরা খেলাধুলার দিকে নজর দিচ্ছি। এজন্য আমরা প্রত্যেকটা উপজেলায় একটা করে মিনি স্টেডিয়াম করে দিচ্ছি। যাতে আমাদের প্রত্যেক স্কুলের ছেলে-মেয়েরা সেখানে খেলাধুলা করতে পারে। অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা আরও বলেন, আজকে একটা বছর শেষ। আগামীকাল ইংরেজি নববর্ষ। সবাইকে আমি আগামীকালের জন্য ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। এর আগে একই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষার ফলাফল হস্তান্তর করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। এরপর জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি), জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার ফলাফল হস্তান্তর করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। একই সঙ্গে এ সময় নিজ নিজ বোর্ডের ফলাফল প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন দেশের বিভিন্ন শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যানেরা।
মাদক নিয়ন্ত্রণে হট লাইন চালু
৩১ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের মাদক নির্মূলে হট লাইন চালু করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। বাংলাদেশের যে কোন প্রান্ত থেকে যে কেউ মাদকের বিষয়ে এখন থেকে অভিযোগ জানাতে পারবে। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে সংস্থাটির ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জামাল উদ্দিন আহমেদ এ তথ্য জানান। আগামী ২ জানুয়ারি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ দিন নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে তারা দিবসটি উদযাপন করবেন। সংবাদ সম্মেলনে জামাল উদ্দিন বলেন, সারা দেশ থেকে মাদককে সমূলে নির্মূল করার জন্য এই হট লাইন চালু করা হয়েছে। দেশের যে কোন প্রান্তের মানুষ মাদক নিয়ে আমাদের তথ্য দিতে পারে। ০১৯০৮৮৮৮৮৮৮ এই নাম্বারে ফোন করলেই দ্রুত সেখানে আমাদের লোকজন পৌঁছে যাবে। কেউ প্রশাসনিক সহযোগিতা চইলে তাৎক্ষণিক সহযোগিতা করা হবে। কেউ কথা বলতে চাইলে কোন বিভাগের সঙ্গে কথা বলতে চায় সেটি জানালে সংশ্লিষ্ট বিভাগের সঙ্গে সঙ্গে কথা বলতে পারবে। তিনি বলেন, নতুন বছরে আমরা ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রবেশ করছি। ২০২০ সালে অনলাইনের মাধ্যমেই সবকিছু পরিচালিত হবে। লেনদেন থেকে সবকিছু হবে অনলাইনে। জামাল উদ্দিন বলেন, আগামী ২ জানুয়ারি ২০২০ সালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে এবার তার স্মৃতির প্রতি এটি উত্সর্গ করা হয়েছে। এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর থিম হচ্ছে 'মাদককে রুখবো, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়বো। এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারা দেশে Railly, আলোচনা সভা, মতবিনিময় এর মাধ্যমে আমরা দিবসটি পালন করবো। সমাজের মনুষকে মাদক এর নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে তুলে ধরে এ থেকে ফিরে আসার জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। এই মহাপরিচালক আরও বলেন, দেশে প্রায় ৩৬ লাখ মাদকসেবী রয়েছে। তাদেরকে মাদকাসক্তির চিকিৎসা ছাড়া সঠিক পথে নিয়ে আসা অসম্ভব। তাই তাদের চিকিৎসা অপরিহার্য। আমরা সামনের বছরে মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রগুলিকে ১ কোটি টাকা প্রণোদনা দিচ্ছি। এর মাধ্যমে তারা চিকিৎসা এবং অন্যান্য কাজগুলো আরো ভালোভাবে করতে পারবে। সেবার মানকে উন্নত করতে পারবে। মাদকাসক্তদের নিরাময়ে ভুমিকা রাখবে। তিনি বলেন, আমরা যখন এর কার্যক্রম শুরু করি তখন নিরাময় কেন্দ্র ছিল ৫০টি। আর এখন এর সংখ্যা ৩২৫টিতে উন্নীত করা হয়েছে। আমাদের কর্মীরা নিয়মিত এসব কেন্দ্র পরিদর্শন করে থাকেন। এছাড়া প্রতিটি নিরাময় কেন্দ্র থেকে আমরা তিনজনকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছি। যাতে তারা সঠিক চিকিৎসাটি মানুষকে দিতে পারে। তার মতে, বিশ্বে ৮৩টি পদ্ধতিতে চিকিৎসা দেওয়া হলেও আমার মাত্র দু একটি পদ্ধতিতে চিকিৎসা দিতে পারছি। জামাল উদ্দিন বলেন, আমাদের জনবলসহ নানা সংকট রয়েছে। এরপরও চেষ্টা করছি ভালো কিছু করার। আমাদের গাড়ির সংকট রয়েছে। সেটি নিরসনের চেষ্টা চলছে। এছাড়া জনবল কম হওয়ায় ৩৬৬০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। নতুন বছরে মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র নতুন শক্তিতে আবির্ভূত হচ্ছে।
পদ্মা সেতুর অর্ধেক দৃশ্যমান
৩১ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বছরের শেষ দিনে ২০তম স্প্যান (ইস্পাতের কাঠামো) বসানোর মাধ্যমে পদ্মা সেতুর অর্ধেক দৃশ্যমান হয়েছে। অর্থাৎ ৬.১৫ কিলোমিটার সেতুর তিন কিলোমিটার দৃশ্যমান হয়েছে। মাওয়া প্রান্তে মঙ্গলবার দুপুরে সেতুর ১৮ ও ১৯ নম্বর খুঁটির ওপর ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের স্প্যানটি বসানো হয়। এ স্প্যানটি বসানোর মাধ্যমে চলতি বছরে মোটি ১৪টি স্প্যান বসলো। যার মধ্যে শুধু এ ডিসেম্বরেই বসেছে তিনটি। পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান আব্দুল কাদের বলেন, এখন থেকে প্রতি মাসে তিনটি করে স্প্যান বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এ সিডিউল মানতে পারলে আগামী বছরের জুলাই নাগাদ ৪১টি স্প্যান বসানো শেষ হবে। চীন থেকে ইতিমধ্যে ৩৩টি স্প্যান মাওয়ায় এসেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ২০টি ইতিমধ্যে স্থায়ীভাবে বসে গেছে। আরো দুটি চীন থেকে দেশের পথে রওনা হয়েছে। আগামী বছরের মার্চের মধ্যে সব স্প্যান দেশে চলে আসবে।
শতবর্ষী ইসহাক আলী মাস্টারকে গণভবনে ডেকে নিলেন প্রধানমন্ত্রী
৩১ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সেই শতবর্ষী আওয়ামী লীগ নেতা ইসহাক আলী মাস্টারকে গণভবনে ডেকে নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফের মাধ্যমে তাকে ডেকে নেন দলীয় সভানেত্রী। এসময় ১৯৫০ সালে যশোরে জাতির পিতার জনসভার স্মৃতিচারণ মনোযোগ দিয়ে শোনেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। গত ২০ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের সম্মেলনে লাঠি ভর দিয়ে যোগদান করেন কুষ্টিয়ার ১০৪ বছর বয়সী ইসহাক আলী মাস্টার। আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম জানান, শতবর্ষী আওয়ামী লীগ নেতা ইসহাক আলী মাস্টারকে গণভবনে ডেকেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এসময় তিনি তার সঙ্গে দীর্ঘ সময় কথা বলেন। ১৯৫০ সালে জাতির পিতা যশোর সফর করেছিলেন। সেই সময় মঞ্চে কে কে উপস্থিত ছিলেন এবং সেই দিন ভাষণে কি বলেছিলেন সেসব স্মৃতিচারণ প্রধানমন্ত্রী তার কাছ থেকে শোনেন। এক পর্যায়ে শতবর্ষী ইসহাক আলী মাস্টার আবেগে আপ্লুত হয়ে প্রধানমন্ত্রীর মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে দোয়া করেন। এছাড়া গণভবনে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য তাকে ধন্যবাদ জানান শতবর্ষী এই আওয়ামী লীগ নেতা। এসময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আপনাদের মতো বঙ্গবন্ধুপ্রেমী আছে বলেই আওয়ামী লীগের ভীত এতো শক্ত। ইসহাক আলী মাস্টারের সঙ্গে ছিলেন তার ছেলে ও ছেলের বউ।- আরটিভি অনলাইন
৩৩ প্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করেনি
৩১ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ২০১৯ সালের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, এ বছর ৩৩ টি প্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করেনি। গত বছর এই সংখ্যা ছিলো ৪৩ টি। এ বছর জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায় পাসের হার শতকরা ৮৭.৯০ ভাগ। যা গতবছরের তুলনায় ২.০৭ ভাগ বেশি। নয়টি সাধারণ বোর্ড ও মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেয় ২৬,০২,০৫৩ জন শিক্ষার্থী। এরমধ্যে পাশ করেছে ২২,৮৭,২৭১ জন। পাসের হারের সঙ্গে বেড়েছে জিপিএ-৫ এর সংখ্যাও। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭৮,৪২৯ জন শিক্ষার্থী। গত বছর এই সংখ্যা ছিলো ৬৮,০৯৫ জন। এর আগে আজ মঙ্গলবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে পিইসি, জেএসসি, জেডিসি ও প্রাথমিক ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফলাফল তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।- আলোকিত বাংলাদেশ
সমাপনী পরীক্ষায় শিশুদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায়, বললেন প্রধানমন্ত্রী
৩১ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পিইসি ও জেএসসি পরীক্ষার ফলাফল গ্রহণ করে বক্তব্যে একথা বলেন। তিনি বলেন, দারিদ্রমুক্ত দেশ গড়তে শিক্ষিত জাতি দরকার, আগামী প্রজন্মের জন্য বৈষম্যমুক্ত সুস্থ সমাজ গড়ে তুলতে হবে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা ছাড়া একটি জাতি সম্মানের সঙ্গে বাঁচতে পারে না। তাই শিক্ষার সম্প্রসারণের ওপর আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। স্কুল ও কলেজ সরকারিকরণ করে দিচ্ছি। শিক্ষার্থীদের যেন নদী-নালা, খাল-বিল পার হতে না হয়, সেটা বিবেচনায় রেখে স্কুল করে দিচ্ছি। শেখ হাসিনা বলেন, শিক্ষা বিস্তারে আমরা বিনামূলে বই দিচ্ছি। শিক্ষকদের বেতন বাড়িয়ে দিয়েছি। উচ্চ শিক্ষাসহ সব স্তরে বৃত্তি দেওয়া হচ্ছে। স্কুলে টিফিনের ব্যবস্থা করছি। কোনও শিক্ষার্থী যেন ঝরে না পড়ে, এজন্য সরকারের পক্ষ থেকে সাহায্য করা হচ্ছে। এর আগে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) এবং জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার ফলাফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে হস্তান্তর করা হয়। সকাল ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। এরপর বিভিন্ন মাদ্রাসা বোর্ডের চেয়ারম্যান নিজ নিজ বোর্ডের ফলাফল প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন। এসময় শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
একাধিকবার বিদ্যুৎ-জ্বালানির দাম পরিবর্তন করা যাবে
৩০ডিসেম্বর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বছরে একাধিকবার বিদ্যুৎ-জ্বালানির দামে পরিবর্তনের সুযোগ রেখে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন আইন সংশোধনের খসড়া অনুমোদন দিয়েছে সরকার। সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আগের আইনটি ছিল ২০০৩ সালের। তাতে একটা প্রভিশন ছিল, কমিশনের নির্ধারিত ট্যারিফ কোনো অর্থবছরে একবারের বেশি পরিবর্তন করা যাবে না, যদি না জ্বালানি মূল্যের পরিবর্তনসহ অন্য কোনোরূপ পরিবর্তন ঘটে। সংশোধিত আইনে এটাকে পরিবর্তন করে করা হয়েছে। কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত ট্যারিফ কোনো অর্থবছরে কমিশনের একক বা পৃথক পৃথক আদেশ দ্বারা, প্রয়োজন অনুসারে এক বা একাধিকবার পরিবর্তন করতে পারবে। সংশোধিত আইনে শুধু এইটুকুই পরিবর্তন আনা হয়েছে। অন্যান্য যে বিধান আছে সেগুলো ঠিক আছে বলে জানান তিনি। খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ওনারা (বিইআরসি) দেখতেছেন অনেক সময়ই (বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম) পরিবর্তন করা প্রয়োজন হতে পারে। রিজিট না থেকে অপশন রইল, সেজন্যই। যদি ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটে...অনেক সিনারিও আসতে পারে, হঠাৎ করে চেইঞ্জ করা লাগতে পারে। কিন্তু আগের আইনে রিজিট (অনমনীয়) ছিল, এখন ফ্লেক্সিবল (নমনীয়) করা হলো। এর মানে এই আইন হলে বিদ্যুৎ, গ্যাস, ডিজেল, পেট্রলসহ জ্বালানির দাম বছরে একাধিকবার বাড়াতে পারবে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এক বা একাধিকবার পরিবর্তন করতে পারবে। বাড়াতে পারবে, কমাতেও পারবে। উল্লেখ্য, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং গ্যাস সম্পদ ও পেট্রোলিয়ামজাত পদার্থের সঞ্চালন, পরিবহন ও বাজারজাতকরণে বেসরকারি বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি, এ খাতে ব্যবস্থাপনা, পরিচালনা, ট্যারিফ নির্ধারণে স্বচ্ছতা আনা, ভোক্তার স্বার্থ সংরক্ষণ ও প্রতিযোগিতামূলক বাজার সৃষ্টিতে কাজ করে বিইআরসি।

জাতীয় পাতার আরো খবর