করোনাকে জয় করলেন ডিএমপির ২১ পুলিশ সদস্য
০৪মে,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়া পুলিশ সদস্যেদের মধ্যে ডিএমপির ২১ জন চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছেন। ডিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন) আশিক হাসান জানান, সুস্থ হওয়া পুলিশ সদস্যরা কাজে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন। আক্রান্তরা সবাই রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে করোনা ভাইরাসের চিকিৎসা গ্রহন করেন। করোনা সংকট মোকাবিলায় শুরু থেকে জনগনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ বহুমূখী সেবামূলক কার্যক্রমে সরাসরি সম্পৃক্ত হন। শহরের রাস্তায় জীবানুনাশক পানি ছিটানো থেকে শুরু করে, আইসোলেশন ও কোয়ারেন্টাইন ব্যবস্থা বলবৎ করতে সহায়তা, লকডাউন ব্যবস্থা কার্যকর, মৃত ব্যক্তির জানাযা ও দাফনে অংশ গ্রহণ, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে জনগণকে মোটিভেশন, কাঁচাবাজারে প্রবেশ ও বাহির একমুখী করা, বিক্রেতাগণ বাজারে যাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে পণ্যসামগ্রী বিক্রয় করার ব্যবস্থা করেন। এছাড়াও নিজস্ব উদ্যোগ ও অর্থায়নে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ, ত্রাণ বিতরণে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে সহায়তা, টিসিবির পণ্য বিক্রয়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে সহায়তা, জরুরি প্রয়োজন ব্যতিত মানুষ যাতে ঘর থেকে বের না হয় সে বিষয়ে সতর্ক দৃষ্টি রাখাসহ জনকল্যাণে বহুমুখী সেবামূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের ফলে বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়েছেন। ডিএমপির আক্রান্তদের মধ্যে এডিসি, এসি সহ পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তা ও সিভিল স্টাফ রয়েছেন। সংশ্লিষ্টরা জানান, করোনা যুদ্ধে জয়ী হয়ে কাজে যোগদানের অপেক্ষায় রয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সুস্থ হওয়া ২১ জন সদস্য।
সতর্ক নাহলে করোনা আরও বিধ্বংসী হয়ে উঠবে : কাদের
০৪মে,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের করোনা প্রতিরোধে সামাজিক দূরত্ব ও ঘরে থেকে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে চলার আহবান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, করোনা প্রতিরোধে সামাজিক দূরত্ব ও ঘরে থেকে স্বাস্থ্যবিধি যদি কঠোর ভাবে মেনে না চলি, তা হলে আমাদের দুর্বলতার সুযোগে করোনা আরও বিধ্বংসী হয়ে উঠবে। সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে, শক্তিশালী থাকতে হবে। কেউ আতঙ্কিত হবেন না। কেননা আমাদের দুর্বলতার কারণে সংক্রমণের বিস্তার ঘটবে। ওবায়দুল কাদের আজ সোমবার সকালে তার সরকারি বাসভবনে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত আনলাইন সংবাদ সম্মেলনে এ সব কথা বলেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারসহ পুরো জাতি করোনা সংকটের সম্মুখ যোদ্ধাদের পাশে আছেন। তাদের কোনও অবস্থাতেই মনোবল হারালে চলবে না। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সরকারের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ সারাদেশে যে ত্রাণ বিতরণ করছে তার তালিকা তৈরি করে দলীয় প্রধানের কাছে পাঠাতে হবে। স্বপ্নের পদ্মা সেতু ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের নির্মাণ কাজের অগ্রগতি জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রকল্প পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ এগিয়ে চলছে। কর্ণফুলী নদীর তলদেশে দেশের প্রথম সুড়ঙ্গপথ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের কাজও চলমান। তিনি বলেন, প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও প্রধানমন্ত্রীর সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রকল্প পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ এগিয়ে চলছে। ইতোমধ্য পদ্মাসেতুর ২৯তম স্প্যান বসানো হয়েছে। পদ্মা সেতু এখন ৪ হাজার ৩৫০ মিটার দৃশ্যমান। মূল সেতুর কাজ ৮৭ শতাংশ, নদীশাসনের কাজ ৭১ শতাংশ এবং সার্বিক অগ্রগতি হয়েছে ৭৯ শতাংশ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের কাজও চলমান। এরই মধ্যে ১৬৯০ মিটার খনন কাজ শেষ হয়েছে। সার্বিক অগ্রগতি ৫৩ দশমিক ৫ শতাংশ। ওবায়দুল কাদের বলেন, সাম্প্রতিক এক জরিপে এসেছে বিশ্বের ৬৬টি উদীয়মান অর্থনীতির মধ্যে বাংলাদেশ নবম স্থানে। পৃথিবীর অনেক উন্নত দেশের চেয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ভালো। খাদ্য নিরাপত্তায় আমাদের অবস্থান সন্তোষজনক। বর্তমানে ৮০ ভাগ ধান কাটার কাজ শেষ হয়েছে। আওয়ামী লীগের কর্মীরা সারাদেশে ধান কাটায় অংশ নিয়েছেন।
সাধারণ ছুটি পর্যন্ত গণপরিবহণ বন্ধ থাকবে
০৪মে,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাসের কারণে এর বিস্তার রোধে সরকার সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সাধারণ ছুটি আগামী ১৬ মে পর্যন্ত বর্ধিত করায় দেশব্যাপী চলমান গণপরিবহন বন্ধের সিদ্ধান্ত আগামী ১৬ মে পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে। আজ সোমবার সড়ক পরিবহন ও সড়ক বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জরুরি পরিষেবা যেমন-বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরসমূহের কার্যক্রম (স্থলবন্দর, নদীবন্দর ও সমুদ্রবন্দর), পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাকসেবা ও সংশ্লিষ্ট কাজ, খাদ্যদ্রব্য, সড়ক ও নৌপথে সকলপ্রকার পণ্য, রাষ্ট্রীয় প্রকল্পের মালামাল, ঔষধ, ঔষধশিল্প, চিকিৎসা সেবা ও চিকিৎসা বিষয়ক সামগ্রী পরিবহন, শিশুখাদ্য, ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া, ত্রাণবাহী পরিবহন, কৃষিপণ্য, শিল্পপণ্য, সার ও কীটনাশক, পশুখাদ্য, মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ খাতের উৎপাদিত পণ্য, দুগ্ধ ও দুগ্ধজাত পণ্য এবং জীবনধারণের মৌলিক পণ্য উৎপাদন ও পরিবহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত থাকবে। আরও বলা হয়, পণ্যবাহি যানবাহনে যাত্রী পরিবহণ করা যাবে না। এদিকে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ব্যাপকতা বাড়ায় সাধারণ ছুটি আরও ১১ দিন বাড়িয়েছে সরকার। আগামী ১৬ মে পর্যন্ত ছুটি বাড়ানো হয়েছে। আজ সোমবার এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় আদেশ জারি করেছে। আদেশে বলা হয়েছে, ৭-১৪ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। সাধারণ ছুটির সঙ্গে ৬ মে’র বুদ্ধ পূর্ণিমার ছুটি এবং ১৫ ও ১৬ মে’র সাপ্তাহিক ছুটিও যুক্ত হবে। সর্বশেষ গত ২৩ এপ্রিল সাধারণ ছুটি ২৬ এপ্রিল থেকে ৫ মে পর্যন্ত বাড়িয়ে আদেশ জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। গত ৮ মার্চ প্রথম ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী পাওয়ার পর গত ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করে সরকার। পরে ৫-৯ এপ্রিল, ১৪-২৫ এপ্রিল এবং সর্বশেষ ৫ মে পর্যন্ত ছুটি বাড়ানো হয়।
১০ মে থেকে শপিং মল খোলা
০৪মে,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঈদকে কেন্দ্র করে দোকান-পাট ও শপিং মল খোলার অনুমতি দিয়েছে সরকার। আগামী ১০ মে থেকে বেশ কয়েকটি শর্ত মেনে বিকাল ৪টা পর্যন্ত সারা দেশের শপিং মলগুলো খোলা রাখা যাবে। সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আলাদা আদেশ জারি করে এ নির্দেশনা দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, কেনাবেচার সময় পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ অন্য স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন করতে হবে। বড় বড় শপিংমলের প্রবেশমুখে হাত ধোয়ার ব্যবস্থাসহ স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা করতে হবে। তবে বন্ধ করতে হবে বিকাল ৪টার মধ্যে। এ নির্দেশনা জননিরাপত্তা বিভাগ, সুরক্ষা সেবা বিভাগ ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং সব বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকদের পাঠিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম-সচিব (জেলা ও মাঠ প্রশাসন অধিশাখা) মো. মুশফিকুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, শপিংমল সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। সারা দেশে হাট-বাজার, ব্যবসা কেন্দ্র, দোকানপাট ও শপিং মলগুলো এ সময়ের মধ্যে সীমিত পরিসরে খোলা রাখা যাবে। এদিকে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ব্যাপকতা বাড়ায় সাধারণ ছুটি আরও ১১ দিন বাড়িয়েছে সরকার। আগামী ১৬ মে পর্যন্ত ছুটি বাড়ানো হয়েছে। এতদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হওয়ায় নিষেধাজ্ঞা ছিল। এখন তা দুই ঘণ্টা শিথিল করা হয়েছে। এখন রাত ৮টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত বাহিরে বের হওয়া যাবে না।
জীবন ও জীবিকা রক্ষায় সরকারের পদক্ষেপ বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত : তথ্যমন্ত্রী
০৪মে,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন,মানুষের জীবন এবং জীবিকা রক্ষায় সঠিক পদক্ষেপ নেয়ার কারণেই সরকার আজ বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত। তিনি আজ ঢাকায় সচিবালয়ে নিজ দপ্তর থেকে অনলাইনে দেয়া সংক্ষিপ্ত ভিডিওবার্তায় একথা বলেন। করোনা ভাইরাসজনিত পরিস্থিতিতে বিশ্বব্যাপী সংকটের সময় মানুষের জীবন এবং জীবিকা রক্ষায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকার প্রথম থেকেই নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন তা ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরাম, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এমনকি বিশ্ববিখ্যাত ম্যাগাজিন ফোর্বস কর্তৃক প্রশংসিত হয়েছে। ড. হাছান বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে যে বিরাট ঝাঁকুনি সৃষ্টি হয়েছে, তা মোকাবেলার কথা মাথায় রেখে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। তিনি বলেন,অর্থনৈতিক ঝুঁকি মোকাবেলা করে মানুষের জীবিকা রক্ষায় প্রধানমন্ত্রী যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন, বিশ্ববিখ্যাত দি ইকনোমিস্ট পত্রিকায় সেগুলোর সঠিক পরিস্ফুটন হয়েছে। ড. হাছান বলেন, এখন অর্থনৈতিক ঝুঁকি মোকাবেলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশগুলোর ওপরে, এমনকি ভারত, পাকিস্তান, চীনের চেয়েও এক্ষেত্রে বাংলাদেশের সক্ষমতা অনেক ভালো -সেটিই দি ইকনোমিস্ট পত্রিকায় এসেছে। তিনি বলেন, কেউ প্রশংসা করুক আর না করুক এটিই হচ্ছে বাস্তবতা। এসময় উপস্থিত এক সাংবাদিক বিএনপি নেতা রুহুল কবীর রিজভী আহমেদের সরকারের আহম্মকির কারণে করোনায় অব্যবস্থাপনা মন্তব্যের প্রতি তার দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, যেখানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে যে বাংলাদেশ সরকার করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সঠিক পদক্ষেপ নিয়ে এগুচ্ছে, সেখানে রিজভী আহমেদসহ কারো কারো বক্তব্যে মনে হয় তারা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার চেয়েও স্বাস্থ্য বিষয়ে বেশি জ্ঞান রাখেন। চট্টগ্রাম ৭ আসনের সংসদ সদস্য তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ এসময় বিএনপিকে পেছনে ফিরে তাকানোর জন্য অনুরোধ জানিয়ে বলেন, আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে ৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ের কথা। সেসময় চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে বিমান বাহিনীর অনেকগুলো যুদ্ধবিমান ছিল। সেই বিমানগুলো তারা ঢাকায় না নিয়ে আসার কারণে প্রায় এক ডজনেরও বেশি বিমান ঘূর্ণিঝড়ে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ধ্বংস হয়ে ছিল। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের জাহাজগুলোকেও সেদিন তারা উজানে নিয়ে যেতে পারতো, সেটি না করার কারণে অনেকগুলো জাহাজ সেদিন নষ্ট হয়েছিল, এমনকি নোঙর ছিঁড়ে জাহাজ রাস্তর ওপর উঠে এসেছিল। অর্থাৎ তৎকালীন বিএনপি নেতৃত্বাধীন খালেদা জিয়ার সরকারের আহম্মকির কারণে এই ঘটনাগুলো ঘটেছিল। সেই আহম্মকের ভাগাড়ে বসে রিজভী সাহেব কথাগুলো বলছেন, আসলে তিনি নিজেই আহম্মকের মতো কথা বলছেন বলে মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান।
১৬ মে পর্যন্ত ছুটি বৃদ্ধি
০৪মে,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নোভেল করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ রোধে চলমান সাধারণ ছুটি আরও ১১ দিন বাড়ানো হয়েছে। জরুরি সেবা দেয়াসহ দফতরগুলোকে আওতার বাইরে রেখে বিভিন্ন নির্দেশনা মানা সাপেক্ষে আগামী ৬ থেকে ১৬ মে পর্যন্ত ছুটি বাড়ানো হয়েছে। সোমবার (৪ মে) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ষষ্ঠ দফায় ছুটি বাড়িয়ে আদেশ জারি করা হয়। করোনার কারণে সরকার প্রথমে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করে। পরে আরও পাঁচ দফায় ছুটি বাড়িয়ে ৫ মে পর্যন্ত করা হয়। ছুটি বাড়ানোর প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ৭ মে থেকে ১৪ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। সাধারণ ছুটির সঙ্গে ৬ মের বুদ্ধ পূর্ণিমার ছুটি এবং ১৫ ও ১৬ মের সাপ্তাহিক ছুটিও যুক্ত হবে।
এবারও ফিতরা সর্বনিম্ন ৭০ টাকা
০৪মে,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত বারের মতো এবারও সর্বনিম্ন ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭০ টাকা। খাদ্যপণ্যের বাজারমূল্য হিসাব করে এ ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ সোমবার ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভায় এই হার নির্ধারণ করা হয়। বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের ইমাম মাওলানা মিজানুর রহমান সভার পর ফিতরার হার ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, এ বছর জনপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা ৭০ টাকা ও সর্বোচ্চ ২ হাজার ২০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছর সর্বনিম্ন ফিতরা ৭০ টাকাই ছিল। তবে সর্বোচ্চ ফিতরা ছিল ১ হাজার ৯৮০ টাকা ছিল। উল্লেখ্য, এক কেজি ৬৫০ গ্রাম গম বা আটা অথবা খেজুর, কিসমিস, পনির বা যবের মধ্যে সামর্থ্য অনুযায়ী যে কোনো একটি পণ্যের ৩ কেজি ৩০০ গ্রামের বাজার মূল্য ফিতরা হিসেবে গরিবদের মধ্যে বিতরণ করা যায়।
ঈদের আগেই কেনাকাটার ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রী
০৪মে,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অর্থনীতির চাকা গতিশীল রাখতে স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে ঈদের আগে কেনাকাটা করার ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। সোমবার (০৪ মে) চলমান করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে রংপুর বিভাগের আট জেলার কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে মতবিনিময়কালে এ কথা জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোজার মাস উপলক্ষে বেশকিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। ধীরে ধীরে কিছু জিনিস উন্মুক্ত করে দেয়া হচ্ছে। কিন্তু সেখানে সবাইকে নিজেকে ও অপরকে সুরক্ষিত রাখতে হবে। তিনি আরও বলেন, রোজার মাসে যাতে কেনাবেচা চলতে পারে, সেজন্য দোকানপাট খোলা, বাজার-হাট চালু রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। প্রতিটি জেলায় জেলা-ভিত্তিক ক্ষুদ্র শিল্প চালানো যাবে। সাধারণ ছুটি ১৫ মে পর্যন্ত বাড়ানোর কথা জানিয়ে তিনি বলেন, সরকারি অফিস আদালত সব সীমিত করে চালু করে দিচ্ছি। সামনে ঈদ, তার আগে কেনাকাটা বা যা যা দরকার সেগুলোও যেন মানুষ করতে পারে। এর আগে, শেখ হাসিনা করোনা পরিস্থিতি নিয়ে ছয় দফা পৃথক ভিডিও কনফারেন্সে ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেট, রাজশাহী, বরিশাল এবং ময়মনসিংহ বিভাগের ৫৬টি জেলার সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন।
পদ্মা সেতুতে বসল ২৯তম স্প্যান
০৪মে,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসে কারনে স্থবিরতার মধ্যে পদ্মা সেতুতে ২৯ তম স্প্যান বসেছে। মুন্সিগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতুর ১৯ ও ২০ নম্বর পিলারের ওপর স্প্যানটি বসানো হয়েছে। আজ সোমবার সকালে স্প্যানটি বসানো হয়। এ স্প্যানটি বসানোর ফলে সেতুর ৪ হাজার ৩৫০ মিটার অংশ দৃশ্যমান হয়েছে। পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী (মূল সেতু) দেওয়ান মো. আব্দুল কাদের বলেন, রোববার সকালে মুন্সিগঞ্জের মাওয়া কুমারভোগ কন্সট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে তিয়ান-ই ভাসমান ক্রেনে স্প্যানটি নির্ধারিত দুটি পিলারের কাছে কাছে নোঙর করে রাখা হয়েছিল। সোমবার সকালে আবহাওয়া অনুকূল থাকায় নির্ধারিত সময় সকাল ৮টায় স্প্যানটি বসানোর কার্যক্রম শুরু হয়। প্রকৌশলী ও নির্মাণ শ্রমিকদের প্রচেষ্টায় সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে স্প্যান বসানো সম্পন্ন হয়। ২৯তম স্প্যানটি বসাতে সময় লাগে ২ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট। উলেখ্য, ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর খুঁটিতে প্রথম স্প্যানটি বসানোর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমাণ হয় পদ্মা সেতু। এরপর একে একে বসানো হলো ২৯টি স্প্যান। প্রতিটি স্পেনের দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার। ৪২টি পিলারের ওপর ৪১টি স্প্যান বসিয়ে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হবে।