বুধবার, অক্টোবর ১৬, ২০১৯
রাজধানীর কোনো গণপরিবহনে টিকিট ছাড়া যাতায়াত করা যাবে না: সাঈদ খোকন
২১মে,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর কোনো গণপরিবহনে টিকিট ছাড়া যাত্রী যাতায়াত করতে পারবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। তিনি বলেন, রাজধানীর গণপরিবহনে শৃঙ্খলা আনতে টিকিট ব্যবস্থা চালু করার এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, রাজধানীতে বিদ্যমান গণপরিবহনসমূহ টিকিট ছাড়া কোনো যাত্রী চলাচল করতে পারবে না। আসন্ন ঈদের পর থেকে এটা কার্যকর হবে। সোমবার (২০ মে) ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) সভাকক্ষে রাজধানীর গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে গঠিত বাস রুট রেশনালাইজেসন সংক্রান্ত কমিটির বৈঠক শেষে এসব কথা জানান তিনি। মেয়র বলেন, বাস রুট রেশনালাইজেশন কমিটির বৈঠকে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে ঢাকার শহরের কোথাও টিকিট ছাড়া গণপরিবহনে যাত্রী চলাচল করতে পারবেন না। এতে করে বিদ্যমান যে বাস সংকট এবং যাত্রীদের দুর্ভোগ সেটির পরিত্রাণ হবে। তাই ডিটিসি, বিআরটিএ, বিআরটিসি, ডিএসসিসি এবং ডিএনসিসি এবং পরিবহন মালিকদের সমন্বয়ে বাসের টিকিট এবং কাউন্টার স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে মাঠ পর্যায়ে পরিদর্শন করে পরিকল্পনা গ্রহণ করবে। ঈদের পর পরই যাতে এটি কার্যকর করা যায় সেজন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। মেয়র আরও বলেন, বেঠকে আমরা আরও সিদ্ধান্ত নিয়েছি আগামী ২৭ মে থেকে রাজধানীর উত্তরায় চক্রাকার বাস সার্ভিস চালু হবে। ইতোমধ্যে এই সেবা চালু হয়েছে ধানমন্ডি এলাকায়। তাই উত্তরায় চালু হবার পর মতিঝিল ও সদরঘাট এলাকায়ও চক্রাকার বাস সার্ভিস চালু করা হবে। ডিএসসিসি মেয়র সাঈদ খোকনের সভাপতিত্বে সভায় ডিএমপি প্রতিনিধি, বিআরটিসি,রাজউক, বিআরটিএ কর্মকর্তাসহ মহানগরীর বাস মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ ও গণপরিবহন বিশেষজ্ঞগণ উপস্থিত ছিলেন।
সব ধর্মই শান্তির কথা বলে : প্রধানমন্ত্রী
২০মে,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি গ্রহণযোগ্য নয়, সব ধর্মই শান্তির কথা বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এই দেশে বসবাসকারী সবাই সম্মানের সাথে স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম পালন করবে। এটাই তার সরকারের চাওয়া। বৌদ্ধপূর্ণিমা উপলক্ষে আজ সোমবার গণভবনে বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, সব ধর্মই শান্তির কথা বলে। এটাই বিশ্বাস করি যে ধর্ম যার যার, উৎসব সবার এবং এভাবেই বাংলাদেশে উৎসবগুলো পালন করা হয়। যে ধর্মের উৎসবই হোক, সবাই মিলেই কিন্তু সেটা উদযাপন করে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বাংলাদেশ বিশ্বে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন,সহনশীলতা ও এই ভাতৃত্ববোধ সবার মাঝে থাকুক। যেকোনো সম্প্রদায় যেন নিজেদের অবহেলিত মনে না করে। এ সময় সন্ত্রাসী ও জঙ্গি কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে সরকার প্রধান বলেন,সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ এগুলো এখন সারা বিশ্বে সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। আসলে জঙ্গি জঙ্গিই, তাদের কোনো ধর্ম নাই, দেশ নাই, সমাজ নাই। তারা জঙ্গিই এটাই হলো বাস্তবতা। সেই জায়গা থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত রেখে আমরা অর্থনৈতিক অগ্রগতি তরান্বিত করতে চাই। উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন,দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করা, ধর্ম-বর্ণ, দল-মত নির্বিশেষে সকল মানুষেরই জীবনমান উন্নত হোক সেটাই আমরা চাই। দেশকে পুরোপুরিভাবে দারিদ্র্যমুক্ত তার সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
রূপপুরের বালিশসহ আসবাব ক্রয়ের তদন্ত রিপোর্ট চেয়েছেন হাইকোর্ট
২০মে,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের থাকার জন্য নির্মিত ভবনের জন্য কেনা বালিশসহ আসবাবপত্র কেলেঙ্কারির বিষয়ে গণপূর্ত অধিদফতরের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। সোমবার (২০ মে) বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি মো. সরওয়ারদীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে এ আদেশ দেন। রিটের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার সৈয়দ সাইয়্যেদুল হক সুমন। এর আগে রবিবার (১৯ মে) জনস্বার্থে এ রিটটি দায়ের করেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সাইয়্যেদুল হক সুমন। উল্লেখ্য, পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের থাকার জন্য নির্মিত ভবনের জন্য কেনা বালিশসহ আসবাবপত্র ক্রয় নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ হয় কয়েকটি জাতীয় পত্রিকায়। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ওই ভবনের জন্য ১ হাজার ৩২০টি বালিশ কেনা হয়েছে। এদের প্রতিটির মূল্য দেখানো হয়েছে ৫ হাজার ৯৫৭ টাকা। আর সেই প্রতিটি বালিশ নিচ থেকে ভবনের ওপরে তুলতে খরচ দেখানো হয়েছে ৭৬০ টাকা! এছাড়াও প্রকল্পের ১১০ ফ্ল্যাটের জন্য অস্বাভাবিক মূল্যে আসবাবপত্র কেনা ও ভবনে উঠানোর ব্যয় করা হয়েছে। শুধু একটি ভবনের ১১০টি ফ্ল্যাটের আসবাবপত্র কেনা ও তা ভবনে ওঠাতে সব মিলে ব্যয় দেখানো হয়েছে ২৫ কোটি ৬৯ লাখ ৯২ হাজার ২৯২ টাকা। ৮৬ হাজার ৯৭০ টাকা করে ১১০টি টেলিভিশন ক্রয় করা হয় যার মোট মূল্য ৯৫ লাখ ৬৬ হাজার টাকায়। আর সেসব টিভি ফ্ল্যাটে ওঠানোর খরচ দেখানো হয়েছে ৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা। ৯৪ হাজার ২৫০ টাকায় ১১০টি ফ্রিজ ক্রয় করতে খরচ হয়েছে ১ কোটি ৩৬ লাখ সাড়ে ৭ হাজার টাকা। সেগুলোর প্রতিটি ওঠাতে খরচ দেখানো হয়েছে ১২ হাজার ৫২১ টাকা। সে হিসাবে ফ্রিজ ওঠাতে মোট খরচ ১৩ লাখ ৭৭ হাজার ৩১০ টাকা। একইভাবে ১ লাখ ৩৬ হাজার ১১২ টাকা দরে মোট এক কোটি ৫০ লাখ টাকায় ক্রয় করা ১১০টি ওয়াশিং মেশিন ওঠাতে খরচ দেখানো হয় ৩৩ লাখ ৪৬ হাজার টাকা। প্রতিটি ইক্রোওয়েভ ওভেন কেনা হয়েছে ৩৮ হাজার ২৭৪ টাকায় যার প্রতিটি ফ্ল্যাটে ওঠাতে খরচ দেখানো হয় ৬ হাজার ৮৪০ টাকা করে। এছাড়াও প্রতিটি কেটলি ভবনে ওঠাতে ২ হাজার ৯৪৫ টাকা, প্রতিটি ইলেক্ট্রিক আয়রন ফ্ল্যাটে ওঠাতে ২ হাজার ৯৪৫ টাকা খরচ দেখানো হয়েছে। এরপর প্রতিটি চুলার ক্রয়মূল্য দেখানো হয়েছে ৭ হাজার ৭৪৭ টাকা। তা আর তা ওঠানোর খরচ দেখানো হয় ৬ হাজার ৬৫০ টাকা। খাট, সোফা, টেবিল, তোশক, চেয়ারসহ জন্য অন্যান্য আসবাব ক্রয় ও এসব আসবাব ফ্ল্যাটে তোলার ক্ষেত্রেও বিপুল অর্থ ব্যয় দেখানো হয়েছে। বালিশ ও আসবাবপত্রের পেছনে এমন অসংঙ্গতিপূর্ণ ব্যয়ের কথা বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে সমালোচনা ঝড় বইছে।
বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে জাপান
২০মে,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত হিরোইয়াসু ইজুমি বলেছেন, জাপান বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে তার চলমান সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। জাপানের রাষ্ট্রদূত আজ সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে একথা বলেন। সাক্ষাতের পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। তিনি বলেন, জাপানের দূত প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আসন্ন জাপান সফরে দুই দেশের মধ্যে আড়াই বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের ৪০তম অফিসিয়াল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসিসটেন্স (ওডিএ) চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। যা গত বছরের চাইতে ৩৫ শতাংশ বেশি। রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো অ্যাবে জাপানে তার আসন্ন সফরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। বিগত নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিপুল ভোটে বিজয়ী হওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাপানের দূত বলেন, আগামী ৫ বছর বাংলাদেশ ও দেশের অর্থনীতির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ এই সময়ে উন্নয়নের ক্ষেত্রে দেশের অর্থনীতি আরো এগিয়ে যাবে। জাপানের রাষ্ট্রদূত এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে জানান, জাপানের সহায়তার নির্মাণাধীন কক্সবাজার জেলার মহেশখালীর মাতারবাড়িতে ১২শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের আগ্রগতিতে এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে তাদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। প্রধানমন্ত্রী এ সময় জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো অ্যাবেকে তার শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, তিনিও জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে জাপানের বিভিন্ন অবদনের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাপান বাংলাদেশের এক মহান বন্ধু। তিনি এ প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধুর শাসনামলে দেশে রূপসা সেতু নির্মাণে জাপানের সহযোগিতার কথাও স্মরণ করেন। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক মো. আবুল কালাম আজাদ এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
যে কারণে হঠাৎ মন্ত্রী সভায় রদল বদল
২০মে,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: একাদশ সংসদ নির্বাচন-উত্তর নতুন সরকার গঠনের ১৩২ দিনের মাথায় মন্ত্রিসভা পুনর্বিন্যাস করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পাঁচ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর পুনর্বণ্টন করেছেন টানা তৃতীয়বারের এ প্রধানমন্ত্রী। এর ফলে দুই মন্ত্রীর কর্মক্ষেত্র কমবে। অন্যদিকে দুই প্রতিমন্ত্রীর কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে গতকাল রবিবার মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম স্বাক্ষরিত পৃথক দুই আদেশপত্রে পাঁচ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর পুনর্বণ্টন করা হয়। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলামকে এখন শুধু স্থানীয় সরকার বিভাগের মন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্যকে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে একক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারকে শুধু ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মন্ত্রী করা হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে এখন থেকে এককভাবে দায়িত্ব পালন করবেন জুনাইদ আহমেদ পলক। এ বিভাগে আর পূর্ণমন্ত্রী থাকলেন না। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানকে করা হয়েছে তথ্য প্রতিমন্ত্রী। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬-এর রুল ৩ (৪) অনুযায়ী মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে মন্ত্রণালয়/বিভাগের দায়িত্ব পুনর্বণ্টন করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট আদেশে বলা হয়েছে। মন্ত্রিসভায় রদবদল, দপ্তর পুনর্বণ্টন কিংবা আকার বাড়ানো সরকারের নিয়মিত কাজেরই অংশ হলেও সরকার গঠনের পর স্বল্প সময়ের মধ্যে পাঁচ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর পুনর্বণ্টনের বিষয়টি রাজনৈতিক মহলে ও সরকারের উচ্চপর্যায়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম দ্রুত সম্পাদন এবং মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব নিরসনের জন্যই প্রধানমন্ত্রী এ উদ্যোগ নিয়েছেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামালপুর-৪ আসন থেকে নির্বাচিত ডা. মুরাদ হাসান এবারই প্রথম মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন। কুমিল্লা-৯ আসন থেকে নির্বাচিত মো. তাজুল ইসলামও প্রথমবারের মন্ত্রী। পুনর্বণ্টন প্রক্রিয়ায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়কে ভাগ করে তাকে শুধু স্থানীয় সরকার বিভাগের মন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আর পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের একক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে একই মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করে আসা প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্যকে। যশোর-৫ আসন থেকে নির্বাচিত এই সাংসদও এবারই প্রথম মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন। টেকনোক্র্যাট কোটায় এবার দ্বিতীয়বারের মতো ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পান মোস্তাফা জব্বার। সর্বশেষ পুনর্বণ্টনে তার দায়িত্বের ক্ষেত্র কমবে। তাকে শুধু ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আর তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগে এককভাবে দায়িত্ব পালন করবেন প্রতিমন্ত্রী নাটোর-৩ আসনের এমপি জুনাইদ আহমেদ পলক। সূত্র জানায়, বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক ও সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মোর্ত্তজাকে নিয়ে গত মাসে ফেসবুকে অশ্লীল ভাষায় মন্তব্য করায় চিকিৎসকদের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান। নিজের নির্বাচনী এলাকার একটি হাসপাতালে এক চিকিৎসককে কর্মক্ষেত্রে না পেয়ে তাকে ফোন করে ধমক দিয়েছিলেন মাশরাফি। এর প্রতিবাদে চিকিৎসকরা মাশরাফির সমালোচনা শুরু করলে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চিকিৎসকদের সমালোচনা করেন। সে সময় ডা. মুরাদ বলেন, মাশরাফি জাতীয় সংসদের সদস্য। শ্রদ্ধা-সম্মান কোনোদিন কেউ চেয়ে নিতে পারে না। এটা স্বয়ং আল্লাহতায়ালা দেন। ভুলেও ভাববেন না যে একজন সম্মানের জায়গায় প্রতিষ্ঠিত থাকা মানুষকে অসম্মানিত করে আপনি সম্মানিত হবেন। কোনোদিনও হবেন না। কখনো হতে পারবেন না। এটা দয়া করে মনে রাখবেন চিকিৎসক ভাইয়েরা। সে সময় তিনি চিকিৎসকদের উদ্দেশে আরও প্রশ্ন রাখেন, একজন মাশরাফি সৃষ্টি করতে পারবেন আপনারা? হতে পারবেন নাকি জাতীয় দলের ক্যাপ্টেন? হতে পারবেন একজন জাতীয় ডাক্তার? হয়ে প্রমাণ করুন যে, আপনি মাশরাফিকে নিয়ে কথা বলার যোগ্যতা রাখেন। সূত্র জানায়, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর এমন বক্তব্যকে আক্রমণাত্মক দৃষ্টিতে দেখেছে চিকিৎসকসমাজ। চিকিৎসকদের কেন্দ্রীয় সংগঠন বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) নেতারা এ নিয়ে ক্ষুব্ধ হন। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিবর্তে তথ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করায় কেউ কেউ ধারণা করছেন, এর নেপথ্যে বিএমএ নেতাদের ক্ষোভ প্রভাব ফেলেছে। এদিকে অন্য একটি সূত্র বলেছে, নানা বিষয়ে ডা. মুরাদের সঙ্গে তার মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রী জাহেদ মালেক স্বপনেরও বনিবনা হচ্ছিল না বলে আলোচনায় ছিল। এটিও মুরাদকে এ মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে দেওয়ার আরেক কারণ হতে পারে। সূত্র জানায়, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দুই মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর মধ্যেও নানা বিষয়ে মতভিন্নতা দেখা দেয়। কাজে গতি আনতে মন্ত্রণালয়টি দুই ভাগে ভাগ করে দুজনকে দুই বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অনেকে মনে করেন, একই কারণ কাজ করেছে মোস্তাফা জব্বার ও জুনাইদ আহমেদ পলকের ক্ষেত্রেও। সরকার গঠনের মাত্র সাড়ে চার মাসের মাথায় কেন হঠাৎ দপ্তর পুনর্বণ্টন-এমন প্রশ্নে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, কাজের সুবিধার্থে মন্ত্রণালয়কে ভাগ করে পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে। এতে করে দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা যে কোনো সিদ্ধান্ত এককভাবে নিতে পারবেন। প্রতিমন্ত্রী ফাইলে সই করলে মন্ত্রীর জন্য অপেক্ষা করতে হবে না। আবার মন্ত্রীকেও প্রতিমন্ত্রীর জন্য অপেক্ষা করতে হবে না। এতে করে কাজের গতি আসবে। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল বিজয়ের পর গত ৭ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে টানা তৃতীয় মেয়াদে সরকার গঠন করেন শেখ হাসিনা। দশম সংসদের মন্ত্রিসভার হেভিওয়েট মন্ত্রীদের বেশিরভাগই নতুন মন্ত্রিপরিষদে ঠাঁই পাননি। ২৪ মন্ত্রী, ১৯ প্রতিমন্ত্রী ও ৩ উপমন্ত্রীর সমন্বয়ে নতুন সরকারের মন্ত্রিসভা সাজান প্রধানমন্ত্রী।
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের মাধ্যমে যেসব সুবিধা পাবে টেলিভিশন চ্যানেলগুলো
২০মে,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের একমাত্র স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর ব্যান্ডউইথ বিনামূল্যে ব্যবহার করার জন্যে স্যাটেলাইটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিসিএসসিএল এবং বাংলাদেশের বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলগুলো একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। স্যাটেলাইটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ জানান, চুক্তি অনুযায়ী রোববার থেকে পরের তিন মাস বিনামূল্যে টেলিভিশন চ্যানেলগুলো বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের ব্যান্ডউইথ ব্যবহার করতে পারবে। শাহজাহান মাহমুদ বলেন, মে থেকে আগস্ট পর্যন্ত তিনমাস বিনামূল্যে ব্যান্ডউইথ ব্যবহারের সুবিধা পাবে টেলিভিশন চ্যানেলগুলো। সেপ্টেম্বর থেকে তাদেরকে এর জন্য ফি দিতে হবে। তিনি জানান, বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলগুলো বিসিএসসিএলের সাথে সমঝোতার ভিত্তিতেই বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের ব্যান্ডউইথ ব্যবহার করার বিষয়ে একমত হয়। বাংলাদেশের বেসরকারি টেলিভিশনের মালিকদের সংস্থা অ্যাটকোর ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং একাত্তর টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল হক বলেন, চুক্তিটি বড় বিষয় নয়, আমরা বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের ব্যান্ডউইথ ব্যবহার করার বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এদিকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের পর বলা হয়েছিল এটির অবস্থান এবং দূরত্বের কারণে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলগুলো এর থেকে পাওয়া সেবা ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছুটা সমস্যার মুখে পড়বে। বাংলাদেশের টিভি চ্যানেলগুলো বর্তমানে অ্যাপস্টার নামে যে স্যাটেলাইট ব্যবহার করছে সেটি বাংলাদেশের উপরে ৯০ ডিগ্রিতে অবস্থান করছে। অ্যাপস্টার সেভেনের মাধ্যমে একদিকে দুবাই এবং অন্যদিকে মালয়েশিয়া পর্যন্ত সম্প্রচারের সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে। মোজাম্মেল হক বলেন, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের অবস্থানের কারণে এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্য পর্যন্ত সরাসরি পৌঁছানো সম্ভব হবে না। আরেকটি স্যাটেলাইটের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাতে হবে। কিন্তু তারপরেও এ বিষয়টিকে খুব বড় কোন সমস্যা হিসেবে দেখছেন না টকোর ভাইস প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট অবস্থানের দিক দিয়ে কিছুটা অসুবিধাজনক অবস্থানে থাকলেও এটি যেই ব্যান্ডে অপারেট করছে সেটির ক্ষেত্রে আমরা অ্যাপস্টারের চেয়েও বেশি শক্তিশালী সিগন্যাল পাবো। বঙ্গবন্ধু অন্য স্যাটেলাইটের সাথে হপ অ্যারেঞ্জ করে দিলে এর সিগন্যালের মান আরো স্ট্যান্ডার্ড হবে। কাজেই বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের ব্যান্ডউইথ ব্যবহারে কিছু ক্ষেত্রে অসুবিধা থাকলেও অন্যান্য ক্ষেত্রে সেটি সুবিধা দেবে বলে আশা প্রকাশ করেন মোজাম্মেল হক। বিসিএসিএলের চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ গত সপ্তাহে বলেন, দেশি চ্যানেলগুলো বিদেশি স্যাটেলাইটের ভাড়া বাবদ যে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা খরচ করে তা সাশ্রয়ের সুযোগ থাকায় বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ব্যবহার করে নিজেদের ব্যান্ডউইথে নির্ভরশীল হতে আগ্রহী হবে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ব্যবহার করা হলে বিদেশি স্যাটেলাইট ভাড়া বাবদ বাংলাদেশের টিভি চ্যানেলগুলো যে অর্থ খরচ করে তা সাশ্রয় করা সম্ভব হবে বলে ধারণা করছেন মোজাম্মেল হক। তিনি বলেন, ধরুন আমরা এখন বিদেশি কোম্পানিকে যে টাকা ভাড়া দেই, সেই টাকাও যদি বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট কর্তৃপক্ষকে দিতে হয় তবুও তো টাকাটা দেশেই থাকলো।
আজ থেকে শুরু লঞ্চের কেবিনের আগাম টিকিট বিক্রি
২০মে,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঢাকা থেকে বরিশালসহ পুরো দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীদের বাড়ি ফেরার জন্য লঞ্চ কেবিনের আগাম টিকিট বিক্রি সোমবার (২০ মে) সকাল থেকে শুরু হচ্ছে। বাসস জানায়, রোববার সদরঘাটে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) সাথে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে বিআইডব্লিউটিএ-এর চেয়ারম্যান কমডোর এম মাহবুব-উল ইসলাম বলেন,লঞ্চ কেবিনের আগাম টিকিট ৩০ শতাংশ অনলাইনে এবং ৭০ শতাংশ টিকিট সংশ্লিষ্ট লঞ্চ কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত কাউন্টারে বিক্রি করবে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) চেয়ারম্যান প্রণয় কান্তি বিশ্বাস আজ রোববার বিকেলে বলেন, ঈদের সময় সদরঘাট থেকে বরিশালের উদ্দেশ্যে বিআইডব্লিউটিসির পাঁচটি জাহাজ চলাচল করবে। এছাড়া চট্টগ্রাম-হাতিয়া-বরিশাল রুটে তিনটি জাহাজ চলাচল করবে। তিনি বলেন, আমাদের অগ্রিম টিকিট বলে সেরকম কিছু নেই। যে কোনো সময় যে কেউ এলে জাহাজের টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন। যাত্রী পরিবহনের বিষয়টি মূলত বেসরকারি খাতই নিয়ন্ত্রণ করে। লঞ্চ মালিকরা জানিয়েছেন, আগাম টিকিটি বিক্রির তারিখ নির্ধারণের পর লঞ্চ কর্তৃপক্ষ অনলাইনে এবং আগে এলে আগে পাবেন ভিত্তিতে টিকিট বিক্রি শুরু করবে। দীর্ঘ সরকারি ছুটি থাকায় যাত্রীর চাপ বেশি থাকার সম্ভাবনা আছে। তাই ডকে উঠিয়ে রাখা লঞ্চগুলোকেও প্রস্তুত করা হচ্ছে। ঢাকা নদী বন্দরের (সদরঘাট) নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের যুগ্ম পরিচালক আলমগীর কবীর ঈদের তিন-চার দিন আগে ৩০ থেকে ৩৫ লাখ লোক সদরঘাট দিয়ে নদীপথে গ্রামের বাড়িতে যাবে। চাহিদা থাকা সাপেক্ষে আগামী ৩০ মে সদরঘাট থেকে স্পেশাল লঞ্চ সার্ভিস শুরু হবে জানিয়ে যুগ্ম-পরিচালক আরও বলেন, বর্তমানে বেসরকারি ২১৫টি লঞ্চ আছে। সদরঘাট থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে ৪৩টি রুটে লঞ্চ চলাচল করে। ঈদে ঘরমুখো মানুষকে স্বাচ্ছন্দে গন্তব্যে পৌঁছানোর লক্ষে আমরা (বিআইডব্লিউটিএ) ৩০ মে থেকে পুরোপুরি প্রস্তুত থাকবো। ৩০ মে বৃহস্পতিবার অফিস করে অনেকেই পরিবার পরিজন নিয়ে নাড়ির টানে বাড়ী যেতে পারে। তবে স্পেশাল সার্ভিসে কয়টি লঞ্চ আমরা ব্যবহার করব তা যাত্রীদের চাপের ওপর নির্ভর করছে বলে আলমগীর কবীর উল্লেখ করেন। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল (যাত্রী পরিবহন) সংস্থার সচিব মো. সিদ্দিকুর রহমান পাটওয়ারী বলেন, বরিশাল রুটে এখন দিনে একটি লঞ্চ চলে। কিন্তু ঈদ উপলক্ষে বরিশাল রুটে দিনে তিনটি লঞ্চ এবং রাতে ২১টি লঞ্চ চলবে। বরিশালের উদ্দেশ্যে দিনের লঞ্চগুলো সকাল ৮টা, সাড়ে ৮টা ও বেলা আড়াইটায় ঢাকা ছেড়ে যাবে। এছাড়া যাত্রী সাধারণের সুবিধার জন্য ঢাকা থেকে চাঁদপুর, শরীয়তপুর ও ডামুড্যা রুটে ঈদ উপলক্ষে মোট ২৬টি লঞ্চ দিন-রাত চলাচল করবে। বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. সফিকুল ইসলাম টেলিফোনে বলেন, ঈদের আগে ও পরে ৬ দিন এ রুটে পণ্যবাহী ট্রাক পারাপার বন্ধ থাকবে এবং যাত্রীদের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে চলাচল করবে ২০টি ফেরি। ফেরিগুলো ঈদের যাত্রী ও যানবাহনের চাপ শুরুর আগেই বহরে যুক্ত হবে। ঈদের আগে ও পরে এ ফেরিগুলো চলাচল করবে। দৌলতদিয়া প্রান্তের ৬টি ঘাটের সবগুলোই সচল রয়েছে।
মুক্তিযোদ্ধার বয়স সাড়ে ১২ বছর নিয়ে পরিপত্র অবৈধ: হাইকোর্ট
১৯মে,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ১৯৭১ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধাদের বয়স ন্যূনতম ১২ বছর ৬ মাস নির্ধারণ করে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জারি করা সংশোধিত পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। বাংলাদেশ ভূতাত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের পরিচালক মাহমুদ হাসানের করা রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে রোববার বেলা ১১টা ১৫ মিনিটের দিকে হাইকোর্টের বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রায় ঘোষণা শুরু করেন। আদালতে আজ রিটের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার ওমর সাদাত। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোখলেসুর রহমান। এর আগে ২০১৮ সালের বিভিন্ন সময় একাধিক রিটের শুনানি নিয়ে আদালত ১৯৭১ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধাদের বয়স ন্যূনতম ১২ বছর ছয় মাস নির্ধারণ করে সংশোধিত পরিপত্র কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, এই মর্মে রুল জারি করা হয়। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়, মুক্তিযোদ্ধা সচিব, যুগ্ম সচিব, বিদ্যুৎ-জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, অর্থ সচিব, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের (জামুকা) মহাপরিচালক ও বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়। ২০১৮ সালের ১৭ জানুয়ারি মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক পরিপত্রের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধাদের ন্যূনতম বয়স ১৩ বছরের স্থলে ১২ বছর ছয় মাস নির্ধারণ করা হয়। পরে এই পরিপত্র চ্যালেঞ্জ করে একাধিক সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি হাইকোর্টে রিট করেন। ২০১৬ সালে প্রথমে গেজেট প্রকাশ করে বলা হয়, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধার ন্যূনতম বয়স হতে হবে ১৩ বছর। এরপর গত ১৭ জানুয়ারি একটা পরিপত্রের মাধ্যমে সে গেজেট সংশোধন করে বলা হয় ১৯৭১ সালের ৩০ নভেম্বর পর পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধাদের ন্যূনতম বয়স হতে হবে ১২ বছর ৬ মাস।
রাজধানীর উত্তরায় কুরিয়ারে এলো এক লাখ পিস ইয়াবা
১৯মে,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর উত্তরায় এসএ পরিবহন অফিসে অভিযান চালিয়ে Rapid Action Battalion (Rab) এক লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে। উত্তরার ৬ নম্বরের সেক্টরের আলাওল অ্যাভিনিউ এলাকার ২০ নম্বর বাড়ির ওই এসএ পরিবহনের অফিস থেকে রোববার (১৯ মে) সকালে ইয়াবাগুলো জব্দ করে Rab-3 এর একটি দল। Rab-3 এর অধিনায়ক (সিও) লে. কর্নেল এমরানুল হাসান জানান, আমাদের কাছে তথ্য ছিল কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ইয়াবার একটি চালান ঢাকায় এসেছে। পরে এসএ পরিবহনের অফিসে অভিযান চালিয়ে ইয়াবাগুলো পাওয়া যায়। দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানানো হবে বলেও জানান তিনি।

জাতীয় পাতার আরো খবর