বনানীর এফআর টাওয়ার নির্মাণে ত্রুটি, দোষী ৬৭ জন
২২মে,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বনানীর এফ আর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। বুধবার সচিবালয়ে গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। তদন্ত প্রতিবেদনে এফআর টাওয়ারের নকশা অনুমোদন এবং নির্মাণ কাজের ত্রুটির জন্য গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) কর্মকর্তা-কর্মচারী, সংশ্লিষ্ট আবাসন প্রতিষ্ঠানসহ অন্তত ৬৭ জনকে দায়ী করেছে সরকার। দায়ী ব্যক্তিদের তালিকায় রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. হুমায়ুন খাদেমও রয়েছেন। এ সময় মন্ত্রী বলেন, এফআর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের পর গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ইয়াকুব আলী পাটওয়ারীর নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। রাজউকও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত কমিটি আন্তরিকতা ও নিষ্ঠা নিয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতার সাথে তদন্ত করে রিপোর্ট দিয়েছে। আমাদের রেওয়াজ আছে তদন্ত প্রতিবেদন আলোর মুখ দেখে না। আমি অঙ্গীকার করেছিলাম সেই সনাতনী ধারণার বাইরে বেরিয়ে আসব। তিনি বলেন, আমাদের টার্গেট ছিল এই ভবনটি নির্মাণ পদ্ধতির মধ্যে কোনো অনিয়ম বা ব্যত্যয় ছিল কি-না। হয়ে থাকলে তা কোন ধরনের। এফ আর টাওয়ারের ১৫তলা পর্যন্ত অনুমোদন নেওয়া হয়। এই অনুমোদন যথাযথ ছিল। রেজাউল করিম বলেন, এরপর ১৮তলা পর্যন্ত নির্মাণ প্রক্রিয়া যথাযথ ছিল, কিন্তু যে উপায়ে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে সেটা সঙ্গত ছিল না। অনুমোদন দেওয়ার সময় যে আইন ছিল সেই আইনের আওতায় অনুমোদন দেওয়া হয়নি, অনুমোদন দেওয়া হয় আগের আইনে। এফআর টাওয়ারের ১৮তলা থেকে ২৩তলা পর্যন্ত সম্পূর্ণ অবৈধ বলেও উল্লেখ করেছে তদন্ত কমিটি। প্রসঙ্গত, ২৮ মার্চ দুপুরে বনানীর এফআর টাওয়ারের ৮তলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। দীর্ঘ ৬ ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিস। এ ঘটনায় ২৬ জনের মৃত্যু হয়।
আদালতের ক্ষমা পাননি পটুয়াখালীর সিভিল সার্জন মোজাহিদুল ইসলাম
২২মে,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ১৩ বছর বয়সী সীমা পটুয়াখালীর একটি মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত বছর ২৪ অক্টোবর সীমাকে গণধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ডা. রেজাউর রহমান প্রতিবেদনে লিখেন, গলায় দাগ রয়েছে, শ্বাসরোধে মেয়েটির মৃত্যু হয়েছে। তবে এটা দুর্ঘটনাজনিত কারণে হতে পারে। ওই প্রতিবেদনের সঙ্গে একমত পোষণ করেন পটুয়াখালীর সিভিল সার্জন ডা. শাহ মো. মোজাহিদুল ইসলাম। হাইকোর্টের তলবে আজ বুধবার আদালতে হাজির হন সিভিল সার্জন ডা. শাহ মো. মোজাহিদুল ইসলাম। আদালতে হাজির হয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা চান তিনি। তবে আদালত তাঁকে ক্ষমা করেননি। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে বিপরীতধর্মী তথ্য দেওয়ায় সিভিল সার্জন ডা. শাহ মো. মোজাহিদুল ইসলাম ও মেডিক্যাল অফিসার রেজাউর রহমানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে নির্দেশ দেন আদালত। আজ বুধবার বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বেঞ্চ ওই আদেশ দেন। শুনানির সময় রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ইউসুফ মাহমুদ মোর্শেদ। আদালত সিভিল সার্জনকে বলেন, এভাবে যদি ময়নাতদন্ত রিপোর্ট দেন তাহলে জাতির কাছে কী বার্তা যায়? এভাবে রিপোর্ট দেওয়ার কারণে একটা মামলার বিচার প্রভাবিত হয়, এমনকি রায় ভিন্ন হয়। যেখানে বাদী ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হয়।পরে আদালত ক্ষমার আবেদন নাকচ করে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। জানা যায়, সীমা পটুয়াখালী রাঙ্গাবালী হামিদিয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত বছরের ২৪ অক্টোবর সীমাকে গণধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। ঘটনার তিন মাস পর গত ৩ জানুয়ারি পটুয়াখালীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি নালিশি অভিযোগ করা হয়। সীমার মা তাসলিমা বেগম বাদী হয়ে আটজনের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেন। প্রথমে থানায় মামলা করতে গেলে থানা পুলিশ মামলা গ্রহণ করেনি। এ মামলার আসামি দানেশ চৌকিদার হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন। ওই জামিন আবেদনে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে আসামি পক্ষ। সেখানে ময়না তদন্তকারী চিকিৎসক ডা. রেজাউর রহমান প্রতিবেদনে ওইসব তথ্য লেখেন। ওই প্রতিবেদনের সঙ্গে একমত পোষণ করেন সিভিল সার্জন। আদালত বলেন, যেখানে মেয়েটির মা ধর্ষণের পর হত্যা করার অভিযোগে মামলা করেছেন, সেখানে চিকিৎসক ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে কীভাবে অসঙ্গতিপূর্ণ মন্তব্য করেন?
ধানক্ষেতে আগুন দেওয়ার ঘটনাটি তদন্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
২২মে,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ধানের সঠিক মূল্য না পেয়ে ক্ষোভ থেকে ধানি জমিতে আগুন দেওয়ার ঘটনাটি সরকারের সুনাম ক্ষুণ্ণের চেষ্টা কি না, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে তা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার (২২ মে) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এ কথা জানান। এর আগে তিনি বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলী দাসের সঙ্গে বৈঠক করেন। ধানের কম দামের প্রতিবাদে দেশের বিভিন্ন স্থানে কৃষকরা ধানক্ষেতে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিলেন। এ বিষয়ে সেতুমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন উপস্থিত সাংবাদিকরা। তখন তিনি বলেন, এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশ দিয়েছেন বিষয়টি খতিয়ে দেখতে। তিনি বলেন, এখানে ঘটনাগুলো স্যাবোটাজ কি-না, আর কেউ কোনোভাবে সরকারের সুনাম ক্ষুণ্ন করার জন্য করছে কি-না তা খতিয়ে দেখা হবে। এরকম সংকটের উদ্ভব হতে পারে, কিন্তু এভাবে আগুন জ্বালিয়ে ধানক্ষেতের ঘটনাগুলো বিশেষ বিশেষ জায়গায় ঘটছে কেন? প্রধানমন্ত্রী এটা তদন্ত করে জানাতে বলেছেন। এছাড়া দলীয়ভাবেও আমরা খোঁজখবর নেব।
অবশেষে সেই নির্বাহী প্রকৌশলী প্রত্যাহার
২২মে,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের আওতাধীন গ্রিন সিটি প্রকল্পের আসবাবপত্র কেনা ও ফ্লাটে ওঠানোয় অনিয়মের ঘটনায় নির্বাহী প্রকৌশলীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বুধবার (২২ মে) গণপূর্ত বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী মো. শাহাদাৎ হোসেন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এছাড়া এ বিষয়ে তদন্তে গত রোববার দুটি কমিটি গঠন করেছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। ওই দিন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইফতেখার হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলা হয় পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিব এবং গণপূর্ত অধিদফতর থেকে একজন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর নেতৃত্বে পৃথক এ কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সব প্রকার বিল বন্ধ রাখার জন্য গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে ইতোমধ্যে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি দেশের অন্যতম মেগা প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বসবাসের জন্য নির্মিত গ্রিনসিটিতে আসবাবপত্র ও অন্যান্য জিনিসপত্র ক্রয়ে লাগামছাড়া দুর্নীতির তথ্য ফাঁস হয়েছে। একটি বালিশের পেছনে ব্যয় দেখানো হয়েছে ৬ হাজার ৭১৭ টাকা। এর মধ্যে এর দাম বাবদ ৫ হাজার ৯৫৭ টাকা আর সেই বালিশ নিচ থেকে ফ্ল্যাটে ওঠাতে খরচ ৭৬০ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। শুধু আসবাবপত্র কেনা ও ফ্ল্যাটে ওঠাতে ব্যয় হয়েছে ২৫ কোটি ৬৯ লাখ ৯২ হাজার ২৯২ টাকা। এরই মধ্যে নথিপত্র ঘেঁটে দেখা যায়, এ প্রকল্পের সব পদেই অস্বাভাবিক বেতন-ভাতা ধরা হয়েছে। বেতন ছাড়াও আরও কয়েকটি খাতে অস্বাভাবিক ব্যয় ধরে চূড়ান্ত করা হয়েছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণকাজ। এ প্রকল্পের প্রকল্প-পরিচালকের বেতন ধরা হয়েছে চার লাখ ৯৬ হাজার টাকা। পাশাপাশি প্রকল্পের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করবেন, এজন্য আরও দুই লাখ টাকা পাবেন। সব মিলিয়ে প্রকল্প পরিচালক পাবেন ছয় লাখ ৯৬ হাজার টাকা। এ ছাড়া গাড়ি চালকের বেতন ধরা হয়েছে ৭৩ হাজার ৭০৮ টাকা, রাঁধুনি আর মালির বেতন ৬৩ হাজার ৭০৮ টাকা।
২৫ জুন পর্যন্ত সময় দিলেন গ্রিনলাইনকে হাইকোর্ট
২২মে,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ক্ষতিপূরণের বাকি টাকা পরিশোধ না করায় গ্রিনলাইন পরিবহনের প্রতি তীব্র ক্ষোভ জানিয়েছেন হাইকোর্ট। ওই পরিবহনের বাসের চাপায় পা হারানো প্রাইভেট কারের চালক রাসেল সরকারকে ক্ষতিপূরণের বাকি টাকা দিতে আগামী ২৫ জুন পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছেন। এর মধ্যে টাকা পরিশোধ না করলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের আদেশ দেবেন বলেও জানিয়েছেন আদালত। বুধবার বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এর আগে, রাসেলের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করে দায়ের করা রিটের শুনানি নিয়ে আদালত ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ পরিশোধের আদেশ দেন গ্রিনলাইন পরিবহনকে। আদালতের একাধিক তাগাদার পর গত ১০ এপ্রিল ক্ষতিপূরণের ৫ লাখ টাকা পরিশোধ করেছিল গ্রিনলাইন। বাকি টাকা পরিশোধের জন্য ২২ মে পর্যন্ত সময় দিয়েছিলেন আদালত। আদালতের নির্ধারিত আজকের তারিখ পর্যন্তও ক্ষতিপূরণের বাকি টাকার কিছুই পরিশোধ করেনি গ্রিনলাইন। এ বিষয়ে আদালতের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগও করেনি তারা। আদালতের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গ্রিনলাইন ক্ষতিপূরণের এই টাকা পরিশোধ না করায় তাতে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ জানিয়েছেন হাইকোর্ট। এ সময় গ্রিনলাইন কর্তৃপক্ষের উদ্দেশে আদালত বলেন,আদালতের উদারতাকে দুর্বলতা হিসেবে নেবেন না। পরে আদালত রাসেল সরকারের কাছে ক্ষতিপূরণের বাকি টাকা পরিশোধের জন্য গ্রিনলাইন পরিবহনকে আগামী ২৫ জুন পর্যন্ত সময় বেঁধে দেন। আদালত আরও বলেন, এই সময়ের মধ্যে টাকা না দিলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেবেন। এদিকে, গ্রিনলাইন পরিবহন কর্তৃপক্ষ তার সঙ্গেও যোগাযোগ করেনি উল্লেখ করে আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. অজি উল্লাহ ওকালতনামা থেকে না প্রত্যাহার চেয়েছেন। গ্রিনলাইন পরিবহনের পক্ষের এই আইনজীবী আদালতকে বলেন, পরিবহন কর্তৃপক্ষ আমার সঙ্গেও কোনো যোগাযোগ করেনি। আমি আর গ্রিনলাইনের পক্ষে থাকব না। ওকালতনামা থেকে নাম প্রত্যাহারের আবেদন জানাচ্ছি। এসময় আদালত বলেন, আপনি জানিয়েছেন, নোট রাখলাম। এখন নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করুন। আমরা দেখব। পরে রাসেল সরকারের আইনজীবী খোন্দকার শামসুল হক রেজা সাংবাদিকদের বলেন, গ্রিনলাইন কর্তৃপক্ষ ক্ষতিপূরণের টাকা পরিশোধে গড়িমসি করছে। আজ তাদের ক্ষতিপূরণের বাকি টাকা পরিশোধের কথা থাকলেও তারা এ বিষয়ে কোনো যোগাযোগই করেনি। এতে আদালত গ্রিনলাইন পরিবহন কর্তৃপক্ষের প্রতি ক্ষোভ ও অসন্তোষ জানিয়েছেন।
৬০০ বাস আসছে ভারত থেকে: সেতুমন্ত্রী
২২মে,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঈদযাত্রা নির্বিঘ্নে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে বিআরটিসির ৬০০ বাস আসবে ভারত থেকে; এরই মধ্যে ১৭৯টি বাস দেশে এসেছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আজ বুধবার সকালে সচিবালয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান। ওবায়দুল কাদের বলেন, ভারতের যে দল বা জোট ক্ষমতায় আসুক তাদের সাথে বাংলাদেশের সুসম্পর্ক থাকবে। ভারতের নির্বাচনের পর দুদেশের অমীমাংসিত বিষয়গুলোর সমাধান হবে। পাশাপাশি দুদেশের যোগাযোগ আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। ধানের চলমান সংকট প্রসঙ্গে সেতুমন্ত্রী বলেন, সরকার কৃষক বান্ধব। আগুন জ্বালিয়ে ধান পুড়িয়ে সমস্যার সমাধান হবে না।ধানের দাম নিয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। এ সময় ধানের দাম নিয়ে সংকট ষড়যন্ত্র কিনা তা খতিয়ে দেখা হবে বলেও মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।
বাজেটে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য থাকছে সুখবর
২২মে,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী অর্থবছরের (২০১৯-২০) বাজেটে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সুখবর থাকছে। তাদের মাসিক সম্মানী ভাতা দুই হাজার টাকা বাড়ানো হচ্ছে। এই সম্মানী ভাতা ছাড়াও দেশের এ বীর সন্তানরা অন্য যেসব সুবিধা ভোগ করেন তা বহাল রাখা হচ্ছে আসছে বাজেটে। এতে সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় হবে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। সূত্র মতে, দেশে প্রায় দুই লাখ মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন। তারা মাসিক সম্মানী ভাতা হিসেবে নগদ ১০ হাজার টাকা করে পান। মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্ন সংগঠন মাসিক এ সম্মানী ভাতা ৩৫ হাজার টাকা করার দাবি জানিয়ে আসছে। সর্বশেষ গত রবিবার জাতীয় সম্মিলিত মুক্তিযোদ্ধা ফাউন্ডেশন নামের একটি সংগঠন এ দাবি জানিয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন করে। আগামী বাজেটে মাসিক সম্মানী ভাতা দুই হাজার টাকা বাড়িয়ে ১২ হাজার টাকা করা হচ্ছে। এর বাইরে মুক্তিযোদ্ধারা বর্তমানে দুই ঈদে সমপরিমাণ দুটি উৎসব ভাতা, বিজয় দিবস ভাতা ও নববর্ষ ভাতা ভোগ করছেন। এসব সুবিধা আগের মতোই অব্যাহত থাকছে। মুক্তিযোদ্ধারা প্রতিবছর বিজয় দিবস ভাতা বাবদ এককালীন পাঁচ হাজার টাকা পাচ্ছেন। এতে সরকারের বরাদ্দ রয়েছে ৬৫ কোটি টাকা। আর নববর্ষ ভাতা পাচ্ছেন দুই হাজার টাকা করে। এ জন্য সরকারের বরাদ্দ রয়েছে ৪০ কোটি টাকা। আর দুই ঈদে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য দুটি উৎসব ভাতার জন্য সরকারের বরাদ্দ আছে ৪০০ কোটি টাকা। এসব সুবিধাসহ দুই হাজার টাকা ভাতা বাড়ানোর ফলে আগামী অর্থবছরের নতুন বাজেটে সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় হবে ৪৮০ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য তিন হাজার ৮০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। সে হিসাবে বরাদ্দের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়াচ্ছে চার হাজার ২৮০ কোটি টাকা। এ ব্যাপারে অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা দেশের সূর্য সন্তান। প্রতি অর্থবছরই তাঁদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর জন্য আমরা চেষ্টা করি। তাঁদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর জন্য বিশেষ দিকনির্দেশনা রয়েছে। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এ ব্যাপারে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। তাই আগামী অর্থবছরে ভাতার পরিমাণ বাড়ানো হচ্ছে। ভবিষ্যতেও মুক্তিযোদ্ধাদের সুযোগ-সুবিধা অব্যাহত থাকবে।
অ্যাপসের জন্য দু:খ প্রকাশ করলেন রেলমন্ত্রী
২২মে,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন ঈদুল ফিতরে রেলের অগ্রিম টিকেট রেল সেবা অ্যাপ-এর মাধ্যমে বাসায় বসে ইন্টারনেটের মাধ্যমে কিনতে পারবেন টিকিট প্রত্যাশীরা- এমনটিই জানিয়েছিল রেল মন্ত্রণালয়। কিন্তু বিভিন্ন জটিলতার কারণে টিকিট প্রত্যাশীরা এই কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন না। বুধবার সকালে রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনের টিকিট প্রত্যাশী যাত্রীরা এই অভিযোগ করেন। বিষয়টি স্বীকার করেছেন রেলপথমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। মন্ত্রী বলেন, অ্যাপসে সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান সিএনএসের সঙ্গে ২০০৭ সাল থেকে চুক্তি। এ চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে আর বাড়ানো হবে না। সিএনএসের ব্যর্থতার দায় আমরা এড়াতে পারি না। তাই অবশ্যই সিএনএসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, এবার কার্যক্রমে ভিন্নতা রয়েছে। অ্যাপসে ৫০ শতাংশ টিকিট দেওয়া হয়েছে। অনেক অভিযোগ করেছেন, যে সেবা পাওয়ার কথা, সেই কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন না। এটা দুঃখজনক। যাতে ভবিষ্যতে বিড়ম্বনা না হয়, ঈদের পর আমরা ব্যবস্থা নেবো। জানা যায়, আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ২৭০০০ হাজার অগ্রিম টিকিট দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এর অর্ধেক দেওয়া হবে রেল সেবা অ্যাপের মাধ্যমে। কিন্তু রেল সেবা অ্যাপ ব্যবহার করে টিকিট কাটতে পারছেন না টিকিট প্রত্যাশী যাত্রীরা। অ্যাপের মাধ্যমে সব টিকিট বিক্রি না করা গেলে সেসব টিকিট কাউন্টারে বিক্রি করা হবে বলে জানান মন্ত্রী। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রেলের আগাম টিকিট বিক্রি আজ থেকে শুরু হয়েছে। অগ্রিম টিকিট বিক্রি বুধবার থেকে থেকে শুরু হয়ে ২৬ মে পর্যন্ত চলবে। কমলাপুরের পাশাপাশি এবারই প্রথম অগ্রিম টিকেট ঢাকা স্টেশন, বিমানবন্দর, বনানী, তেজগাঁও স্টেশন এবং ফুলবাড়িয়া থেকে বিক্রয় করা হচ্ছে। দীর্ঘ ১৮ ঘন্টা লাইনে দাড়িয়ে অপেক্ষার পর টিকিট পেয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র কনক। টিকিট পেয়ে যেন চাঁদকেই হাতে পেয়েছেন তিনি। কনক জানালো, পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে তিনি এবার ঈদে পঞ্চগড়ে গ্রামের বাড়িতে যাবেন। চারটি টিকিট কিনেছেন কনক। মঙ্গলবার বিকেল ৩টা থেকে তিনি কমলাপুরে এসে লাইনে দাড়িয়ে অপেক্ষায় ছিলেন। বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় টিকিট হাতে পেয়ে খুব খুশি হয়েছেন তিনি। এদিকে, কমলাপুরে সব ধরনের বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে তৎপর রয়েছে পুলিশ, আনসার ও রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী। টিকিট কিনতে জাতীয় পরিচয়পত্র আবশ্যিক হওয়ায় এবার কিছুটা হলেও টিকিট কালোবাজারিদের দৌরাত্ম্য কমেছে। রেলওয়ের তথ্য মতে, বুধবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত টিকিট বিক্রি চলবে। আজ দেওয়া হবে ৩১ মে'র টিকিট। একজন যাত্রী একসঙ্গে সর্বোচ্চ চারটি টিকিট কিনতে পারছেন। কমলাপুর ছাড়াও বিমানবন্দর স্টেশন থেকে চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীগামী সব আন্তঃনগর ট্রেন, তেজগাঁও স্টেশন থেকে ময়মনসিংহ ও জামালপুরগামী সব আন্তঃনগর ট্রেন, বনানী স্টেশন থেকে নেত্রকোনাগামী মোহনগঞ্জ ও হাওড় এক্সপ্রেস ট্রেন এবং ফুলবাড়িয়া (পুরাতন রেলভবন) থেকে সিলেট ও কিশোরগঞ্জগামী সব আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট বিক্রি একই সময়ে শুরু হয়েছে। রেলওয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২৩ মে দেওয়া হবে ১ জুনের টিকিট, ২৪ মে দেওয়া হবে ২ জুনের টিকিট, ২৫ মে দেওয়া হবে ৩ জুনের টিকিট এবং ২৬ মে দেওয়া হবে ৪ জুনের টিকিট। ফেরত যাত্রীদের জন্য ২৯ মে দেওয়া হবে ৭ জুনের টিকিট, একইভাবে ৩০ ও ৩১ মে এবং ১ ও ২ জুন দেওয়া হবে যথাক্রমে ৮, ৯, ১০ ও ১১ জুনের টিকিট।
দুই লাখ কোটি টাকার এডিপি অনুমোদন
২১মে,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) আগামী ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য ২ লাখ ২ হাজার ৭২১ কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) অনুমোদন করেছে। একইসাথে স্বায়ত্বশাসিত সংস্থা বা কর্পোরেশনের প্রায় ১২ হাজার ৩৯৩ কোটি টাকার এডিপিও অনুমোদন দেয়া মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলানগর এনইসি সম্মেলন কক্ষে এনইসি চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এনইসি সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠকশেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। পরিকল্পনা মন্ত্রী জানান, চলতি অর্থবছরের মূল এডিপিতে বরাদ্দ রয়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা। সেই তুলনায় নতুন অর্থবছরের এডিপির আকার বাড়ছে ১৭ দশমিক ১৮ শতাংশ। আর সংশোধিত এডিপির তুলনায় নতুন এডিপিতে বরাদ্দ বাড়ছে ২১ দশমিক ৩৯ শতাংশ। নতুন এডিপিতে পদ্মা সেতু ও পদ্মা সেতুতে রেলসংযোগসহ অন্যান্য গুরুত্ব বিবেচনায় সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে পরিবহন খাতে। এছাড়া মন্ত্রণালয় হিসেবে সর্বোচ্চ ২৯ হাজার ৭৭৬ কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। আগামী অর্থবছরে জন্য খাত ভিত্তিক বরাদ্দের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বরাদ্দ ধরা হয়েছে পরিহন খাতে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন,পদ্মা সেতু ও পদ্মা সেতুতে রেল সংযোগ প্রকল্পের গুরুত্ব বিবেচনায় পরিবহন খাতে বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে ৫২ হাজার ৮০৬ কোটি টাকা,যা মোট এডিপির ২৬ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ। এছাড়া অগ্রাধিকার খাত বিবেচনায় বিদ্যুৎ খাতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ ধরা হয়েছে ২৬ হাজার ১৭ কোটি ১৩ লাখ টাকা,যা মোট এডিপির ১২ দশমিক ৮৩ শতাংশ। ভৌত পরিকল্পনা,পানি সরবরাহ ও গৃহায়ণ খাতে তৃতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ ধরা হয়েছে ২৪ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা,যা মোট এডিপির ১২ শতাংশ। অন্যান্য খাতে বরাদ্দের পরিমাণ হচ্ছে-শিক্ষার প্রসার ও গুনগত মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে শিক্ষা ও ধর্ম খাতে চতুর্থ সর্বোচ্চ বরাদ্দ ধরা হয়েছে ২১ হাজার ৩ ৭৯ কোটি ১২ লাখ টাকা,যা মোট এডিপির ১০ দশমিক ৫৫ শতাংশ। এছাড়া রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ নির্মাণসহ তথ্য ও প্রযুক্তি প্রসারের লক্ষ্যে বিজ্ঞান,তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে পঞ্চম সর্বোচ্চ বরাদ্দ ১৭ হাজার ৫৪১ কোটি ২৬ লাখ টাকা,যা মোট এডিপির ৮ দশমিক ৬৫ শতাংশ। গ্রামীণ অর্থনীতিতে গতিশীলতা আনা ও অধিক কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য পল্লী উন্নয়ন ও পল্লী প্রতিষ্ঠান খাতে ১৫ হাজার ১৫৭ কোটি ৪০ লাখ টাকা বা ৭ দশমিক ৪৮ শতাংশ বরাদ্দ ধরা হয়েছে। স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নয়নে স্বাস্থ্য,পুষ্টি, জনসংখ্যা ও পরিবার কল্যাণ খাতে ১৩ হাজার ৫৫ কোটি ৪৭ লাখ টাকা যা মোট এডিপির ৬ দশমিক ৪৪ শতাংশ। খাদ্যে স্বয়ংসম্পুর্ণতা অর্জনে কৃষিখাতে খাতে ৭ হাজার ৬১৬ কোটি টাকা বা ৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ বরাদ্দ ধরা হয়েছে। নদী ভাঙ্গন রোধ ও নদীর ব্যবস্থাপনার জন্য পানি সম্পদ খাতে ৫ হাজার ৬৫২ কোটি ৯০ লাখ টাকা বা ২ দশমিক ৭৯ শতাংশ বরাদ্দ ধরা হচ্ছে এবং মানব সম্পদ উন্নয়নসহ দক্ষতা বৃদ্ধিতে জনপ্রশাসন খাতে ৫ হাজার ২৪ কোটি টাকা বা ২ দশমিক ৪৮ শতাংশ বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পেয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ ২৯ হাজার ৭৭৬ কোটি টাকা। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ ২৬ হাজার ১৪ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ ২৫ হাজার ১৬৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। এছাড়া বরাদ্দের ক্ষেত্রে প্রথম দশ নম্বরে থাকা মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো হচ্ছে-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ১৫ হাজার ৯০৮ কোটি ৪৭ লাখ টাকা,রেলপথ মন্ত্রণালয় ১২ হাজার ৫৯৮ কোটি ৬৪ লাখ টাকা,স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ ৯ হাজার ৯৩৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ৯ হাজার ২৭০ কোটি টাকা, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগ ৮ হাজার ৯২৬ কোটি টাকা, সেতু বিভাগ ৮ হাজার ৫৬১ কোটি টাকা এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় ৬ হাজার ২৫৬ কোটি ৬৩ লাখ টাকা খসড়া বরাদ্দ ধরা হয়েছে। নতুন এডিপিতে মোট প্রকল্পের সংখ্যা ১ হাজার ৫৬৪টি। এর মধ্যে বিনিয়োগ প্রকল্প রয়েছে ১ হাজার ৩৫৮টি, কারিগরি সহায়তা প্রকল্প ১১৬টি, জেডিসিএফ প্রকল্প ১টি এবং স্বায়ত্বশাসিত সংস্থার নিজস্ব প্রকল্প রয়েছে ৮৯ টি। অন্যদিকে সমাপ্তর জন্য নির্ধারিত প্রকল্প ধরা হয়েছে ৩৫৫টি। পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) প্রকল্প ৬২টি।বৈদেশিক সাহায্য প্রাপ্তির সুবিধার্থে বরাদ্দহীন অননুমোদিত নতুন প্রকল্প ২৪২টি এবং বরাদ্দহীন অননুমোদিত নতুন প্রকল্প রয়েছে ১ হাজার ৪৫টি। এছাড়া বরাদ্দসহ অনুমোদিত নতুন প্রকল্প রয়েছে ৪১টি। পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, প্রকল্পের নামে অহেতুক ও অতিরিক্ত জমি নেওয়া যাবে না।ফসলী জমিতে হাত দেয়া যাবেনা। যেসব প্রকল্প সমাপ্ত হচ্ছেনা, সেগুলো কেন হচ্ছেনা প্রধানমন্ত্রী তা খতিয়ে দেখতে বলেছেন।প্রয়োজনে সহায়তা দিয়ে হলেও শেষ করার ব্যবস্থা নিতে বলেছেন। এদিকে পরিকল্পনামন্ত্রী এডিপি বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে জানান, চলতি অর্থবছরের ১০ মাসে এডিপি বাস্তবায়ন (জুলাই-থেকে) ৫৪ দশমিক ৯৪ শতাংশ। এ সময়ে ব্যয় হয়েছিল ৯৭ হাজার ৩০ কোটি টাকা। গত বছরের একই সময়ে বাস্তবায়ন হয়েছে ৫২ দশমিক ৪২ শতাংশ,ওই সময়ে ব্যয় হয়েছিল ৮২ হাজার ৬০৩ কোটি টাকা।

জাতীয় পাতার আরো খবর