ডাক্তার-নার্সদের দ্রুত নিরাপত্তা সরঞ্জাম দিতে হাইকোর্টের নির্দেশ
২২মার্চ,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাস থেকে রক্ষায় হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসা কর্মীদের নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ ও সরবরাহের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে করোনায় প্রতিরোধে কি কি উপকরণ দরকার সেটি নির্ধারণ করতে কমিটি করারও নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ওই কমিটিকে তালিকা করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে । বিচারপতি আশরাফুল কামাল ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীর সমন্বয়ে গঠিত একটি অবকাশকালীন হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ আজ এ আদেশ দেন। আইনজীবী মনজিল মোরশেদ আদেশের বিষয়টি জানান। স্বাস্থ্য সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ( ডিজি), ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি), আইইডিসিআরের পরিচালক ও সেন্ট্রাল মেডিসিন স্টোরের পরিচালককে কমিটিতে রাখতে বলা হয়েছে। ওই তালিকা বাস্তবায়নে অর্থ মন্ত্রণালয়কে অর্থ বরাদ্দ দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এ সংক্রান্ত হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছেন মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি)। সংগঠনটির পক্ষে আইনজীবী এখলাছ উদ্দিন ভুঁইয়াসহ তিন আইনজীবী রিটটি দায়ের করেন। রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মঞ্জিল মোরশেদ।
পবিত্র শবেমেরাজের তাৎপর্য ও গুরুত্ব
২২মার্চ,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনের অন্যতম অলৌকিক ও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হলো মেরাজ। মেরাজে গমন করে আল্লাহতায়ালার কাছ থেকে উম্মতের জন্য রাসূলুল্লাহ (সা.) পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের আদেশসহ ইসলামি সমাজ পরিচালনার দিকনির্দেশনা পেয়েছিলেন মেরাজের রাতে। এ জন্য এ রাতটি মুসলমানের কাছে অতীব গুরুপূর্ণ। পবিত্র কোরআনুল কারিমে এ সম্পর্কে সূরা বনি ইসরাইলে বর্ণিত হয়েছে, পবিত্র মহামহিম তিনি, যিনি তাঁর বান্দাকে এক রাতে তাঁর অসীম কুদরতে কিছু নিদর্শন দেখানোর জন্য মসজিদুল হারাম থেকে নিয়ে যান বরকতময় পরিবেশপূর্ণ মসজিদুল আকসায়। নিশ্চয়ই তিনি সব শোনেন, সব দেখেন। মহানবী (সা.)-এর সব মুজেযার মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুজেযা হলো মেরাজ। এ রাতে তিনি বায়তুল মোকাদ্দাসে নামাজে সব নবীর ইমাম হয়ে সাইয়্যিদুল মুরসালিনের আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। ফলে এ রাতটি নিঃসন্দেহে তার শ্রেষ্ঠত্বের গৌরবোজ্জ্বল নিদর্শন বহন করে। মেরাজ রজনীতে রাসূলুল্লাহ (সা.) কাবা শরীফের চত্বর হাতিমে কাবায় অথবা কোনো কোনো গবেষকের মতে, উম্মে হানী বিনতে আবু তালিবের ঘরে ঘুমিয়েছিলেন। এমন সময় ফেরেশতা জিবরাইল (আ.) এসে রাসূলুল্লাহ (সা.)কে ঘুম থেকে জাগালেন, অজু করালেন। তাঁর বুক বিদীর্ণ করে জমজম কূপের পানি দিয়ে সীনা মোবারক ধৌত করে শক্তিশালী করেন। মহানবী (সা.)-এর জীবনে অন্তত তিনবার এমনটা হয়েছে। তারপর সেখান থেকে তিনি বোরাক নামক এক ঐশী বাহনে চড়ে বায়তুল মোকাদ্দাস পৌঁছালেন। সেখানে নবীজি (সা.) ইমামুল মুরসালিন হিসেবে সব নবী-রাসূলকে নিয়ে দু রাকাত নফল নামাজের ইমামতি করলেন। তারপর তিনি বোরাকে চড়ে ঊর্ধ্ব আকাশে গমন করলেন। একের পর এক আসমান অতিক্রম করতে থাকেন। পথিমধ্যে হযরত মূসা (আ.)সহ অনেক নবী-রাসূলের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়। সপ্তম আসমানের পর নবীজি (সা.)কে বায়তুল মামুর পরিদর্শন করানো হয়। এর পর হযরত স্বচক্ষে জান্নাত ও জাহান্নাম প্রত্যক্ষ করেন। বায়তুল মামুরে রাসূলুল্লাহ (সা.) জিবরাইল (আ.)কে রেখে তিনি রফরফ নামক আরেকটি ঐশী বাহনে চড়ে আল্লাহতায়ালার দরবারে হাজির হন। কোনো কোনো বর্ণনায় আছে, মেরাজ রজনীতে রাসূলুল্লাহ (সা.) আল্লাহতায়ালার এতটা কাছাকাছি গিয়েছিলেন যে দু জনের মধ্যখানে মাত্র এক ধনুক পরিমাণ ব্যবধান ছিল। এখানে হযরত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর উম্মতের ওপর ৫০ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করা হলো। পরবর্তী সময়ে পুনঃ পুনঃ আবেদনের প্রেক্ষিতে আল্লাহপাক দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ উম্মতে মুহাম্মদির ওপর ফরজ করেন। যা ইসলামের পাঁচটি রুকনের অন্যতম রুকন বা ভিত্তি। আর এই নামাজই মানুষকে যাবতীয় পাপাচার ও অনাচার থেকে রক্ষা করে সত্যিকারের মানুষ হিসেবে তৈরি করে। আল্লাহতায়ালা এক বিশেষ উদ্দেশ্যে অর্থাৎ তাঁর মহান কুদরত, অলৌকিক নিদর্শন, নবুয়তের সপক্ষে এক বিরাট আলামত, জ্ঞানীদের জন্য উপদেশ, মুমিনদের জন্য জ্বলন্ত প্রমাণ, হেদায়েত, নিয়ামত ও রহমত, ঊর্ধ্বলোক সম্পর্কে বিস্তারিত জ্ঞানার্জন, সৃষ্টিজগতের রহস্য উন্মোচন, সরাসরি বেহেশত-দোজখ দেখা, পূর্ববর্তী নবী-রাসূলদের সঙ্গে পারস্পরিক সাক্ষাৎ ও পরিচিতি, সুবিশাল নভোমণ্ডল ভ্রমণ, মহাকাশ, আরশ, কুরসি, লওহ, কলম প্রভৃতি সামনাসামনি দেখিয়ে দেয়ার জন্য তার প্রিয় হাবিবকে নিজের একান্ত সান্নিধ্যে তুলে নিয়েছিলেন; যাতে তিনি প্রবল আত্মবিশ্বাস নিয়ে ইসলামের মর্মবাণী প্রচার করতে পারেন। আল্লাহ রাসূল (সা.)কে ইসলামের বাস্তবায়ন রূপরেখা, ভবিষ্যতের কর্মপন্থা এবং মুমিনদের জন্য সর্বোত্তম ইবাদত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ নিয়ামতস্বরূপ দান করেন। সে জন্য বলা হয়েছে, নামাজ মুমিনদের জন্য মিরাজস্বরূপ। ইসলামের প্রত্যেকটি ইবাদতের বিধান আল্লাহতায়ালা হজরত জিবরাঈল (আ.)-এর মাধ্যমে মহানবী (সা.)-এর কাছে প্রেরণ করেন। কিন্তু নামাজই একমাত্র ইবাদত যা কোনো মাধ্যম ছাড়া আল্লাহতায়ালা সরাসরি মহানবী (সা.)-এর ওপর ফরজ করেছেন। সুতরাং আমাদের উচিত হলো সমাজে নামাজ কায়েম করতে সচেষ্ট হওয়া। মিরাজের রাত অতি বরকতময় একটি রাত। এ রাতে নফল ইবাদত-বন্দেগি করা অলি-বুজুর্গদের স্বভাব। সুফিরা এ মহামিলনের রাতকে নিজেদের মুক্তির জন্য অসিলা মনে করতেন। আজ বিশ্বব্যাপী যে মহামারী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব চলছে, এ সময় এমন একটি সোনালি রাত নিঃসন্দেহে আমাদের জন্য সুবর্ণ সুযোগ। এ রাতে আমরা খোদার দরবারে কেঁদে তওবা করব। নবীজির মেরাজকে অসিলা করে বিশ্ববাসীর মুক্তি ও শেফার জন্য দোয়া করব। নিশ্চয়ই, আল্লাহতায়ালা আমাদের দোয়া কবুল করবেন।- একুশে টেলিভিশন
কেন্দ্রীয় কারাগারে যুদ্ধাপরাধ মামলার আসামির মৃত্যু
২২মার্চ,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এ বন্দী যুদ্ধাপরাধ মামলায় মিজানুর রহমান মিন্টু নামের এক আসামির মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মিজানুর (৬৭) ময়মনসিংহের কোতোয়ালি থানার নাওমহন এলাকার মৃত লুৎফর রহমানের ছেলে। কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এর জেলার মো. বাহারুল ইসলাম জানান, সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে কারাগারের ভেতর বুকে ব্যথা অনুভব করে অসুস্থ হয়ে পড়েন মিজানুর। এ সময় তাকে কারা হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখান থেকে তাকে দ্রুত গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পাঠানো হয়। পরে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মিজানুর রহমান মিন্টুকে মৃত ঘোষণা করেন। তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা বিচারাধীন ছিল। তার হাজতি নং-৩৫৫৫/২০১৫।- বিডি প্রতিদিন
আজ পবিত্র শবে মেরাজ
২২মার্চ,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পবিত্র শবে মেরাজ রোববার (২২ মার্চ, ২৬ রজব)। এই দিন রাতে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আরশে আজিমে যান। এ কারণেই হিজরি রজব মাসের ২৬ তারিখের রাতটি মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত মহিমাপূর্ণ ও তাৎপর্যবহ। হাদিস ও সাহাবিদের বর্ণনা অনুযায়ী, মেরাজের রাতে ফেরেশতা জিবরাইল (আ.) রাসুল (সা.) নিয়ে কাবা শরিফের হাতিমে যান। জমজমের পানিতে অজুর পর বোরাক নামক বাহনে জেরুজালেমের বায়তুল মুকাদ্দাসে গিয়ে নামাজ আদায় করেন। এরপর প্রথম আকাশে পৌঁছান মহানবী (সা.)। সেখানে হজরত আদম (আ.)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এভাবে সাত আকাশ পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে সাক্ষাৎ করেন হজরত ঈসা (আ.), হজরত ইয়াহইয়া (আ.), হজরত ইদ্রিস (আ.), হজরত হারুন (আ.), হজরত মুসা (আ.) এবং হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর সঙ্গে। সপ্তম আকাশ থেকে সিদরাতুল মুনতাহায় গমন করেন মহানবী (সা.)। সেখান থেকে আরশে আজিম যান। এক ধনুক দূরত্ব থেকে আল্লাহর সঙ্গে কথোপকথন হয়। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করা হয় মহানবী (সা.)-এর উম্মতদের জন্য। পৃথিবীতে ফিরে রাসুল (সা.) পুরো ঘটনা হজরত আবু বকর (রা.)-এর কাছে বর্ণনা করেন। মক্কার কাফেররা রাসুল (সা.) মেরাজের ঘটনাকে অবিশ্বাস করলেও তিনি নিঃসংশয়ে তা বিশ্বাস করেন। রাসুল (সা.) আবু বকর (রা.) কে সিদ্দিকি বা বিশ্বাসী উপাধি দেন। নানা অনুষ্ঠানিকতায় দিনটি পালন করে মুসলমানরা। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা নফল ইবাদত বন্দেগির মধ্য দিয়ে এই মূল্যবান রাত কাটান। অনেকে নফল রোজাও রাখেন এ দিন।
দেশে সব ধরনের নির্বাচন স্থগিত
২১মার্চ,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের কারণে দেশে সব ধরনের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। ভাইরাসটির প্রকোপ থাকা পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে। এ হিসেবে আগামী ২৯ মার্চ অনুষ্ঠেয় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচন স্থগিত হয়ে গেছে। একইসঙ্গে স্থগিত হয়ে গেছে বগুড়া-১ ও যশোর-৬ আসনের উপ-নির্বাচনও। শনিবার (২১ মার্চ) দুপুর ১টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের সভাকক্ষে নির্বাচন স্থগিত হবে কি-না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, ২১ মার্চের পরে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ থাকা পর্যন্ত আর কোনো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে না দেশে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২৯ মার্চ চট্টগ্রাম সিটির ভোটগ্রহণ হওয়ার কথা ছিল। এ নির্বাচনে বৈধ ছয় প্রার্থী হলেন- আওয়ামী লীগের এম রেজাউল করিম চৌধুরী, বিএনপির শাহাদাত হোসেন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এমএ মতিন, পিপলস পার্টির আবুল মনজুর, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. জান্নাতুল ইসলাম। এছাড়া কাউন্সিলর পদে ২ শতাধিক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রয়েছেন। ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ করেছিল ইসি। এ সিটির মেয়াদ শেষ হবে ২০২০ সালের ৫ আগস্ট। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, ৫ আগস্টের পূর্ববর্তী ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। অন্যদিকে, গত ১৮ জানয়ারি বগুড়া-১ আসন আর যশোর-৬ আসনটি শূন্য হয়েছে ২১ জানুয়ারি। সংবিধান অনুযায়ী, আসন শূন্য হওয়ার পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এক্ষেত্রে বগুড়া-১ আসনে ১৬ এপ্রিল আর যশোহর-৬ আসনে ১৯ এপ্রিলের মধ্যে ভোটগ্রহণ করতে হবে।
গোলাপগঞ্জে মাথা গোঁজার ঠাঁই পাচ্ছেন- ৩০সুবর্ণ নাগরিক
২১মার্চ,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ বা মুজিববর্ষ উপলক্ষে সিলেটের গোলাপগঞ্জের ৩০ জন গৃহহীন সুবর্ণ নাগরিক বা প্রতিবন্ধী পাচ্ছেন স্থায়ী মাথা গোঁজার ঠাঁই। মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা পাওয়ার পর এসব নাগরিকের একটি তালিকা করে ইতোমধ্যে পাঠানো হয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে। উপজেলার সমাজসেবা কার্যালয়ে তালিকাভুক্ত তিন হাজার ৭২১ জন প্রতিবন্ধী নাগরিকের মধ্য থেকে এ তালিকা করা হয়। এছাড়া মুজিববর্ষে উপজেলার সব প্রতিবন্ধীকেই ডিজিটাল কার্ডের মাধ্যমে ভাতার আওতায় আনা হয়েছে। তাদের জন্য করা হয়েছে ই-পেমেন্ট ব্যবস্থা। জানতে চাইলে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নুরুল হক বলেন, সমাজসেবা অধিদফতর থেকে নির্দেশ পাওয়ার পর উপজেলার ৩০ জন গৃহহীন অসহায় সুবর্ণ নাগরিক বা প্রতিবন্ধীর তালিকা করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। জরিপ কার্যক্রম এখনও অব্যাহত আছে। আর কোনো গৃহহীন প্রতিবন্ধীর খোঁজ পেলে মন্ত্রণালয়ে তাদের নাম পাঠানো হবে। ইতিমধ্যে পাঠানো ৩০ জনের তালিকা কার্যকর হলে তাদের ঘর নির্মাণ করে স্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করে দেয়া হবে। এছাড়া উপজেলার তিন হাজার ৭২১ জন প্রতিবন্ধী বা সুবর্ণ নাগরিক কে ডিজিটাল কার্ডের মাধ্যমে ভাতার আওতায় আনা হয়েছে। তারা এখন থেকে ই-পেমেন্টের মাধ্যমে ভাতা পাবেন।
খাদ্যের পর্যাপ্ত মজুদ আছে, চাপ সৃষ্টি করবেন না : প্রধানমন্ত্রী
২১মার্চ,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি কিছু লোক আতঙ্কগ্রস্থ। তারা খাদ্য মজুদ করতে শুরু করেছে। আমি পরিস্কার ভাবে বলতে চাই- আমাদের খাদ্যের কোন সমস্যা নেই। আমাদের পর্যাপ্ত মজুদ আছে। তাই অহেতুক বাজারে চাপ সৃষ্টি করবেন না। তিনি আজ শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ৯টা ১০ মিনিটে রাজধানীর সিটি কলেজ কেন্দ্রে গিয়ে ঢাকা-১০ আসনের উপ-নির্বাচনে ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা কয়েকটি হাসপাতাল সুনিদৃষ্ট করে দিয়েছি যেখানে করোনা ভাইরাসে আক্রন্ত রোগীদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ডাক্তার-নার্স সহ যারা কর্মরত রয়েছেন তাদেরও নিরাপত্তার ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি। এ সময় যারা খাদ্য মজুদ করতে শুরু করেছে তাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী অহেতুক বাজারে চাপ সৃষ্টি না করার তাগিদ দেন। উল্লেখ্য, আজ শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ৯টা ১০ মিনিটে রাজধানীর সিটি কলেজ কেন্দ্রে গিয়ে ঢাকা-১০ আসনের উপ-নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এ আসনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) অনুষ্ঠিত হচ্ছে ভোটগ্রহণ। ভোটগ্রহণ কার্যক্রম সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলবে। এদিকে একই দিনে গাইবান্ধা-৩ আসন ও বাগেরহাট-৪ আসনের উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তবে এ দুই আসনে ব্যালটের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গত ২৯ ডিসেম্বর ঢাকা-১০ আসন, ২৭ ডিসেম্বর গাইবান্ধা-৩ আসন ও ১০ জানুয়ারি বাগেরহাট-৪ আসন শূন্য হয়। ঢাকা-১০ আসনের উপ-নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ছয়জন প্রার্থী। আসনটিতে উপ-নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দের পর আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. শফিউল ইসলাম নৌকা, বিএনপি প্রার্থী শেখ রবিউল আলম ধানের শীর্ষ, জাতীয় পার্টির (জাপা) মো. শাহজাহান লাঙল, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মিজানুর রহমান চৌধুরী, ডাব, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের নবাব খাজা আলী হাসান আসকারী হারিকেন ও প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের (পিডিপি) আব্দুর রহীম বাঘ প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে প্রচার চালিয়েছেন। আসনটিতে মোট ভোটার ৩ লাখ ১২ হাজার ২৮১ জন। নির্বাচনে ১১৭টি ভোটকেন্দ্রের ৭৭৬টি ভোটকক্ষে ভোটগ্রহণ করা হচ্ছে। ঢাকা-১০ আসনটি ধানমন্ডি ও হাজারীবাগ থানা এলাকা নিয়ে গঠিত। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ১৪-১৮ নম্বর ওয়ার্ড ও ২২ নম্বর ওয়ার্ড এ আসনের অন্তর্ভুক্ত।
করোনা শনাক্তে দেশে পৌঁছাল ২ হাজার কিট
২০মার্চ,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশে করোনা রোগী শনাক্ত করার লক্ষ্যে গতকাল চীন থেকে এসে পৌঁছেছে ২ হাজার নতুন কিট। আর অল্প সময়ের মধ্যে নতুন ১ লাখ কিট দেশে এসে পৌঁছাবে বলে জানানো হয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে। শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও জানায়, শীঘ্রই ঢাকার বাইরে বিভিন্ন বিভাগে এই পরীক্ষা সম্প্রারণ করা হবে। ঢাকার বাইরে করোনা শনাক্ত করণে কেবলমাত্র বরিশাল বিভাগ ছাড়া প্রতিটি বিভাগে এ পরীক্ষা করার সুবিধা রয়েছে। এছাড়া ১৬টি অতিরিক্ত পিসিআর মেশিন সংগ্রহ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সেন্ট্রাল মেডিক্যাল স্টোর ডিপো (সিএমএসডি)-কে। তারমধ্যে সাতটি ইতোমধ্যে সংগ্রহ করা হয়েছে। ব্যাকআপ সাপোর্ট নেওয়ার জন্য সব জায়গায় অতিরিক্ত পিসিআর মেশিন রাখা হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত কর্মীদের জন্য ১০ লাখ পারসোনাল প্রটেকশন ইক্যুইপমেন্ট (পিপিই) সংগ্রহ করা হচ্ছে। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৫০০ পিপিই দেওয়া হয়েছে, সিএমএসডি ১০ হাজার পিপিই সংগ্রহ করেছে।

জাতীয় পাতার আরো খবর