বিএনপির জন্য এই ধরণের আচরণ কোন নতুন ঘটনা নয়
০৬ডিসেম্বর,শুক্রবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় হাইকোর্টে খালেদা জিয়ার রায়ের সময় বিএনপি হট্টগোল সম্পর্কে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি বলেছেন, বিএনপি যে স্বাধীনতা বিরোধী চক্রের অংশ, সেটি তারা তাদের আচরণ দিয়ে প্রমাণ করে। বিএনপির জন্য এই ধরণের আচরণ কোন নতুন ঘটনা নয়। আপনারা জানেন বিএনপির এর আগে কোর্ট প্রাঙ্গনের ভিতরে মিছিল করা থেকে শুরু করে তৎকালীন বিচারপতির দরজায় লাথিও মেরেছিলো। শুক্রবার সকাল ১১টায় চাঁদপুর সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবানে তিনি এসব কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিএনপি তাদের আচার আচরণ সব সময়ই প্রকাশ করেছে। তারা বাংলাদেশের সংসদ ও আইন বিশ্বাস করে না। তারা সংসদকে তোয়াক্কা করে না। বৃহস্পতিবারের ঘটনাটিও আমি মনে করি ভিন্ন কিছু করেনি। সর্বোচ্চ আদালতে বিএনপির এই ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনা সারাদেশের মানুষের কাছে ফুটে উঠেছে। এ সময় চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক মো. মাজেদুর রহমান খান, পুলিশ সুপার মো. মাহবুবুর রহমান, ফরিদগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাড. জাহিদুল ইসলাম রোমান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কানিজ ফাতেমাসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশকে জনবান্ধব ও মানবিক পুলিশে পরিণত হতে হবে
০৫ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিউজ একাত্তর ডট কম:দক্ষতার সঙ্গে সঠিকভাবে মামলা তদন্ত ও তদারকির জন্য জেলার পুলিশ সুপারদের নির্দেশ দিয়েছেন আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী। তিনি বলেন, নারী নির্যাতন মামলা বিশেষ করে ধর্ষণ ও গণধর্ষণ মামলা নিবিড়ভাবে তদারকির মাধ্যমে অপরাধীদের দ্রত আইনের আওতায় আনতে হবে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর সেগুন বাগিচায় ঢাকা রেঞ্জ কার্যালয়ে রেঞ্জের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমন নির্দেশ দেন তিনি। আইজিপি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালের ১৫ জানুয়ারি রাজারবাগে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম পুলিশ সপ্তাহে পুলিশকে জনগণের পুলিশ হওয়ার আহবান জানিয়েছিলেন। আমরা বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনা অনুযায়ী জনগণের পুলিশ হতে চাই। পুলিশি সেবা জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। আমাদেরকে মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ জাগিয়ে তুলতে হবে। তাদের সঙ্গে আস্থার সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হয় সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। পুলিশকে জনবান্ধব ও মানবিক পুলিশে পরিণত হতে হবে। জাবেদ পাটোয়ারী বলেন, সাজা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নিয়ে কোনো ব্যক্তি যেনো পালিয়ে না থাকতে পারে সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। পরোয়ানা তামিলে গুরুত্ব দিতে হবে। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ১৩ জন পুলিশ কর্মকর্তাকে পুরস্কৃত করা হয়। গোপালগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মুহাম্মদ সাইদুর রহমান খান শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার নির্বাচিত হন। ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় রেঞ্জের ১৩টি জেলার পুলিশ সুপার এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে গণতন্ত্র উদ্ধার হয়
০৫ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিউজ চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম:রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে আমাদের উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ হয়। বন্ধ করে দেওয়া হয় সাধারণ মানুষের বাক-মতামত ও চিন্তার স্বাধীনতা। অনেক চক্রন্তার পর বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে গণতন্ত্র উদ্ধার হয়। শেখ হাসিনা একজন অনুকরনীয় নেতৃত্ব-খাদ্য নিরাপত্তা, শান্তি চুক্তি, সমুদ্র বিজয়, নারীর ক্ষমতায়ন, অর্থনৈতিক উন্নতি এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্বাধীনতার মর্যাদা রক্ষায় সমুজ্জ্বল। তার নেতৃত্বে দেশে গণতন্ত্র এখন মজবুত ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। বৃহস্পতিবার বিকেলে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) চতুর্থ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ আরো বলেন, ইতোমধ্যে আমাদের স্বাধীনতার ৪৮ বছর অতিক্রান্ত হয়েছে। মহান মুক্তিযুদ্ধে রাজনৈতিক স্বাধীনতার পাশাপাশি অর্থনৈতিক স্বাধীনতার যে লক্ষ্য ছিলো তা আজো আমরা পুরোপুরি অর্জন করতে পারিনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীকে সামনে রেখে একটি তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর জ্ঞানভিত্তিক সুখী-সমৃদ্ধ দেশ গঠনে রূপকল্প-২০২১ এবং রূপকল্প-২০৪১ সহ শতবছর মেয়াদী ব-দ্বীপ ২১০০ পরিকল্পনা নিয়েছেন। এসব মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে আমাদের নিরলস প্রচেষ্টা চালাতে হবে। আজকের শিক্ষিত তরুণরাই এ কার্যক্রমকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। এ আমার দৃঢ় বিশ্বাস। আততায়ীর হাতে নিহত বাবা মা, খুনীর রক্তে রঞ্জিত তার ভাইয়েরা, শেখ হাসিনা আসলে শত্রুর আগুনের ছাই থেকে উঠে আসা এক মানুষ যিনি দেশকে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন।
আদালতে বিশৃঙ্খলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: আইনমন্ত্রী
০৫ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জিয়া চ্যারিটেবল মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানিতে বিশৃঙ্খলা ও হট্টগোল করেছেন বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা। বৃহস্পতিবার খালেদা জিয়ার চিকিৎসার প্রতিবেদন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) থেকে না আসায় শুনানি পিছিয়ে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের ছয় সদস্যের বেঞ্চ। এরপরই হট্টগোল করেন বিএনপিপন্থীরা। এদিকে আদালতে বিএনপিপন্থীদের হট্টগোল নিয়ে কথা বলেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি বলেন, বিএনপির কাছে দেশের কোনো প্রতিষ্ঠানই নিরাপদ নয়। বৃহস্পতিবার গুলশানের নিজ বাসায় সাংবাদিকদের আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় উচ্চ আদালতে বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের বিশৃঙ্খলা ও হট্টগোলের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানান তিনি। আইনমন্ত্রী বলেন, বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা আদালতে বিশৃঙ্খলা করে। যা কোনোমতেই কাম্য নয়। বিএনপির কাছে দেশের কোনো প্রতিষ্ঠানই নিরাপদ নয়। আইনের শাসনের প্রতি তাদের শ্রদ্ধাবোধ নেই। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এজলাস কক্ষে যে আচরণ করেছেন তা নজিরবিহীন: প্রধান বিচারপতি
০৫ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেছেন, আপনারা এজলাস কক্ষে যে আচরণ করেছেন তা নজিরবিহীন। সব কিছুর সীমা থাকা উচিত। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার পরবর্তী জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট পরিস্থিতি নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৩৫ মিনিটে পুনরায় প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন ছয় বিচারপতির আপিল বেঞ্চের কার্যক্রম শুরু হয়। আজ সকালে খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি নিয়ে আদালতের এজলাস কক্ষে শুরু হয় নজিরবিহীন হট্টগোল। এক পর্যায়ে এজলাস কক্ষ ত্যাগ করেন বেঞ্চের ছয় বিচারপতি। শুনানির শুরুতে Attorney General মাহবুবে আলম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য বিষয়ক রিপোর্ট দাখিলের জন্য সময় আবেদন করেন। তবে এর বিরোধিতা করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। শুরু হয় বাকবিতণ্ডা।
আদালতে এমন ঘটনা আর দেখিনি: অ্যাটর্নি জেনারেল
০৫ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার জামিন শুনানিতে বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের হইচই ও হট্টগোলের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আমাদের সময়ে আদালতে এমন ঘটনা দেখিনি। মাহবুবে আলম বলেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে জানতে মেডিকেল বোর্ডের প্রতিবেদন ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে দাখিল করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন আদালত। এদিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, খালেদা জিয়ার কিছু টেস্ট হয়েছে, আরও কিছু বাকি। এগুলো শেষ করে প্রতিবেদন দিতে সপ্তাহখানেক লাগবে। এরপর আদালত আগামী ১১ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়ে ১২ ডিসেম্বর বিষয়টি পরবর্তী আদেশের জন্য দিন নির্ধারণ করেন। এরপরই বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা আদালতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন। আমাদের সময়ে আদালতে এমন বিশৃঙ্খলা কোনোদিন দেখিনি। তিনি বলেন, জনসভায় যেমন হট্টগোল হয় সেরকম হট্টগোল তারা আদালতে করেছেন। তাদের বিশৃঙ্খলার জন্য আজ আদালত উঠে যেতে বাধ্য হয়েছেন। তারা আদালতের কার্যক্রম ঠিকমতো চালাতে দেননি। এটা খুবই ন্যক্কারজনক। অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, আমরা সবাই এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এ ঘটনায় এদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমি প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন জানাবো।
খালেদার জামিন শুনানিতে আইনজীবীদের হট্টগোল, বিচারপতিদের এজলাস ত্যাগ
০৫ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সর্বশেষ স্বাস্থ্যগত অবস্থা জানাতে রিপোর্ট জমা না দেওয়ায় তার জামিন শুনানি পিছিয়ে আগামী বৃহস্পতিবার ধার্য করেছেন আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন ছয় বিচারপতির বেঞ্চ আজ বৃহস্পতিবার এই আদেশ দেন। এদিকে এই শুনানিকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রপক্ষ ও বিএনপির আইনজীবীরা হট্টগোল বাধান। এর কিছুক্ষণ পরই এজলাস ছেড়ে চলে যান বিচারপতিরা। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের ছয় সদস্যের বেঞ্চে এই শুনানি শুরু হয়। খালেদা জিয়ার আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীনসহ অন্যরা আজকের মধ্যেই শুনানি করার দাবি জানান। এর বিরোধিতা করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা। অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, প্রতিবেদন দেওয়ার কথা ছিল। কিছু পরীক্ষা শেষে প্রতিবেদন দিতে হবে বলে তাকে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এ জন্য সময় দরকার। তখন খালেদা জিয়ার পক্ষের আইনজীবী জয়নুল আবেদীন বলেন, আগের একটি রিপোর্ট আছে। শুনানি হতে পারে। অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ওই রিপোর্ট আমাদের দেওয়া হয়নি। পরে রিপোর্টটি অ্যাটর্নি জেনারেলকে দেখানো হয়। তখন তিনি বলেন, এটা গোপনীয়। এটা কীভাবে বাইরে আসে। জয়নুল আবেদীন বলেন, বোর্ড হয়েছে। খালেদা জিয়ার অবস্থা খারাপ। চিকিৎসার জন্য তাকে বাইরে নেওয়া দরকার। এমন বাকবিতণ্ডা চলাকালে প্রধান বিচারপতি বলেন, রিপোর্ট আসুক। বিষয়টি আগামী বৃহস্পতিবার থাকবে। স্বাস্থ্যগত রিপোর্ট জমা দেওয়ার সময় চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার নতুন তারিখ ধার্য করা হয়েছে। এদিন খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যগত অবস্থা জানাতে রিপোর্ট জমা দিতেও বলেছেন আপিল বিভাগ। এরপর বিএনপির আইনজীবীরা চিৎকার শুরু করেন। এ সময় দুপক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে কয়েক মিনিট ধরে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় চলে। এর কিছুক্ষণ পরই আপিল বিভাগের প্রধান বিচারপতিসহ ছয়জন বিচারপতি এজলাস ছেড়ে খাস কামরায় চলে যান। এ সময় আদালতে উপস্থিত বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা- শেইম শেইম বলে চিৎকার করতে থাকেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা, দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান।
সরকারি জমি দখলমুক্ত করে প্রতিবন্ধীদের উন্নয়নের নির্দেশ
০৫ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সরকারের যেসব জমি দখল হয়ে আছে সেগুলো দখলমুক্ত করে প্রতিবন্ধীদের উন্নয়নে কাজে লাগানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে ২৮তম আন্তর্জাতিক ও ২১তম জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। প্রতিবন্ধীদের অধিকার নিশ্চিতে কাজ করে যাচ্ছে বর্তমান সরকার, তাদের উন্নয়নের জন্য আরও বেশকিছু পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। রাজধানীর মিরপুরে প্রতিবন্ধী কমপ্লেক্স-সুবর্ণ ভবন উদ্বোধন করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। প্রতিবন্ধী দিবস উদযাপন উপলক্ষে দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য- অভিগম্য আগামীর পথে। ১৫তলা প্রতিবন্ধী কমপ্লেক্স- সুবর্ণ ভবন থেকে শিক্ষা, খেলাধুলা, প্রশিক্ষণ, চিত্ত-বিনোদন ও স্বাস্থ্যসহ নানা সেবা পাওয়া যাবে।অনুষ্ঠানে প্রতিবন্ধিতা থেকে উত্তরণের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফল এবং অবদান রাখার জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি, সংগঠন-সংস্থা ও পিতা-মাতাকে পুরস্কার তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। সমাজকল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ।স্বাগত বক্তব্য দেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জোয়েনা আজিজ। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন প্রতিবন্ধীদের পক্ষে ফেরসৌসী আক্তার, জাতীয় প্রতিবন্ধী ফোরামের প্রেসিডেন্ট সাইদুল হক।

জাতীয় পাতার আরো খবর