বুধবার, অক্টোবর ১৬, ২০১৯
৩১০৭ ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সনদ বাতিল!
২৯জুন২০১৯,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, এ পর্যন্ত ৩ হাজার ১০৭ জন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সনদ বাতিল করা হয়েছে। আজ শনিবার সংসদে সরকারি দলের নূরুন্নবী চৌধুরীর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি আরো বলেন, এছাড়া গত ১০ বছরে বাদ পড়া মুক্তিযোদ্ধা ক্যাটাগরি অনুযায়ী অর্থাৎ বেসামরিক গেজেট, নারী মুক্তিযোদ্ধা (বীরাঙ্গনা), মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী, চিকিৎসাসেবা প্রদানকারী মেডিক্যাল টিম, শব্দ সৈনিক, শহীদ এবং যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাসহ ৪ হাজার ১৮৮ মুক্তিযোদ্ধার নাম গেজেট ভুক্তির জন্য সরকারের কাছে সুপারিশ করা হয়েছে। সরকারি দলের হাবিবা রহমান খানের অপর এক প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন,স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ডিজিটাইজেশন তথ্যের ডাটাবেজ সংরক্ষিত আছে। ডাটাবেজ বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল-বিসিসির ডাটা সেন্টারে সংরক্ষিত আছে। ডাটাবেজে মুক্তিযোদ্ধাদের ভারতীয় তালিকা, লাল মুক্তিবার্তা, সাময়িক সনদসহ বিভিন্ন ধরনের গেজেটের ডিজিটাইজেনশন করা তথ্য সংরক্ষিত রয়েছে। এ তালিকা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তথ্য বাতায়নে প্রদর্শিত হচ্ছে। মন্ত্রী বলেন, দেশের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ডিজিটাল সার্টিফিকেট বা পরিচয়পত্র প্রদানের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। এ লক্ষ্যে মুক্তিযোদ্ধাদের অনুকূলে ডিজিটাল সনদ প্রদান কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। অচিরেই সারাদেশের একদিনে একযোগে ডিজিটাল সনদ প্রদান করা হবে।-আলোকিত বাংলাদেশ
১২ হাজার হজযাত্রী পেয়েছেন ভিসা
২৯জুন২০১৯,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলতি বছরে হজ পালনের জন্য প্রায় ১২ হাজার হজযাত্রী ভিসা পেয়েছেন। ধর্ম মন্ত্রণালয় সূত্র মতে, ইতোমধ্যেই বাংলাদেশি হজযাত্রীদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ২ হাজার ২০০ জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৯ হাজার ১৩২ জন ভিসা পেয়েছেন। হজযাত্রীর বিস্তারিত তথ্য প্রাপ্ত অনলাইনে গ্রহণ করে যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে রাজকীয় সৌদি সরকারের হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সরাসরি ভিসা প্রদান করছে। তবে অনলাইনে পদ্ধতিগত জটিলতার কারণে ভিসা প্রদানে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। এদিকে আগামী ৪ জুলাই থেকে হজ ফ্লাইট শুরু হচ্ছে। ইতোমধ্যেই সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রথম ৪টি ফ্লাইটের যাত্রীদের নামের তালিকা প্রকাশ করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। আগামী ২ জুলাই রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ রাজধানীর আশকোনা হজ ক্যাম্পে চলতি বছরের হজ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন। জানা গেছে, অনলাইন ভিসা আবেদনের জন্য সৌদি হজ ও ওমরা হজ মন্ত্রণালয় যে সব প্রয়োজনীয় তথ্য উপাত্ত পূরণ করতে বলেছে তার যেকোনো একটি বাদ গেলে ভিসা প্রিন্ট হচ্ছে না অর্থাৎ ভিসা দেয়া হচ্ছে না। এসব কারণে ভিসা প্রাপ্তিতে বিলম্ব হচ্ছে। চলতি বছর সরকারি ব্যবস্থাপনায় সাত হাজার ১৯৮ জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এক লাখ ২০ হাজারসহ মোট এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ বাংলাদেশির পবিত্র হজ পালনের কথা রয়েছে। রাজধানীসহ সারাদেশে হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও টিকাদান কর্মসূচি দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।
পদ্মা সেতুর ১৪তম স্প্যান বসছে আজ
২৯জুন২০১৯,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: পদ্মা সেতুর ১৪তম স্প্যান আজ মাওয়া প্রান্তে ১৫-১৬ পিলারে স্থাপন করা হবে। বৈরি আবহাওয়া ও ১৫-১৬ নম্বর পিলারের কাছে পলি জমে থাকার কারণে নির্ধারিত দিনে স্প্যানটি বসানো সম্ভব হয়নি। এর আগে প্রথমে বৃহস্পতিবার এবং পরে শুক্রবার স্প্যানটি বসানোর কথা ছিল। কিন্তু প্রতিকূল আবহাওয়া ও পিলারের কাছে পলি জমার কারণে পদ্মা সেতুর ১৪তম স্প্যানটি শুক্রবারও বসানো সম্ভব হচ্ছে না। পদ্মা সেতুর দায়িত্বশীল এক প্রকৌশলী শুক্রবার জানান, ইতোমধ্যে পলির স্থান চিহ্নিত করতে সার্ভে শেষে ড্রেজিং শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল পর্যন্ত এই ড্রেজিং চলবে। পরে সকাল ১০টার পর স্প্যান ওঠানোর কাজ শুরু হবে। আশা করা যাচ্ছে, শনিবারই স্প্যানটি ওঠানো সম্ভব হবে। এর আগে বৃহস্পতিবার স্প্যান বহনকারী ক্রেনটি কুমারভোগ কন্সট্রাকশন ইর্য়াড থেকে রওয়ানা দিয়ে ১৫ নম্বর খুঁটির কাছে নোঙ্গর করে রাখা হয়। কিন্তু প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে নির্ধারিত সময়ে স্প্যানটি রওনা দিতে বিলম্ব হয়। এছাড়া ১৫-১৬ নম্বর পিলারের কাছে পলি জমে থাকার কারণে ড্রেজিং করে পলি অপসারণের কাজও চলছে। ভাসমান ক্রেনটি পলি থাকার কারণে নোঙর করতেও সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। তাই পলি অপসারণ করার পর এটি বসানো হবে। স্প্যানটি পিলারের উপর বসানো হলে সেতুর ২১শ’ মিটার দৃশ্যমান হবে। ধূসর রঙের ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের আর ৩ হাজার ১৪০ টন ওজনের ¯প্যানটিকে মাওয়া কন্সট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে বহন করে নিয়ে যায় তিন হাজার ৬০০ টন ধারণ ক্ষমতার ‘তিয়ান ই’ ক্রেন। পুরো সেতুতে ২ হাজার ৯৩১টি রোডওয়ে স্ল্যাব বসানো হবে। আর রেলওয়ে স্ল্যাব বসানো হবে ২ হাজার ৯৫৯টি। ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ৪২টি খুঁটির মধ্যে এ পর্যন্ত ২৯টি খুঁটি সম্পন্ন হয়েছে। ২৯৪টি পাইলের মধ্যে ২৯০টি পাইল স্থাপন হয়েগেছে। ৪১টি স্প্যানের এপর্যন্ত ১৩টি স্প্যান বসেছে। মূল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদী শাসনের কাজ করছে দেশটির আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ বহুমুখী সেতুর মূল আকৃতি হবে দোতলা। কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে এ সেতুর কাঠামো।
রিফাত হত্যা ঘটনার আসামিরা যেন দেশ ছাড়তে না পারে: আইজিপিকে হাইকোর্ট
২৭জুন২০১৯,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বরগুনায় রিফাত হত্যার ঘটনায় হত্যাকারীরা যেন দেশ ত্যাগ করতে না পারে সে বিষয়ে দেশের সকল থানায় অ্যালার্ট জারি করতে বলেছেন হাইকোর্ট। আজ বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) আদালত পুলিশের মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বলেছেন। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার আদালতে বলেন, একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। প্রত্যেক আসামিকে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনা হবে। এসময় রাষ্ট্রপক্ষের উদ্দেশ্যে আদালত বলেন, আইজি সাহেবকে বলেন আসামিরা যেন দেশত্যাগ, বর্ডার ক্রস করতে না পারে। সীমান্তে রেড অ্যালার্ট জারি করতে বলবেন। এর আগে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন আদালতের নজরে আনলে হাইকোর্টের বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। সেসময় আদালত বলেন, প্রকাশ্যে এভাবে কুপিয়ে হত্যা করল, অথচ স্ত্রী ছাড়া তাকে বাঁচাতে কেউ এগিয়ে আসলে না। সবাই পাশে দাঁড়িয়ে তাকিয়ে তাকিয়ে দেখল আর ভিডিও করল। এটা আমাদের জনগণের ব্যর্থতা। দেশের মানুষ তো এমন ছিল না। সামাজিকতা এখন কোথায় দাঁড়িয়েছে? এদিকে রিফাত শরীফ হত্যায় আসামিদের ধরতে বিভিন্নস্থানে চেক পোস্ট বসানো হয়েছে। এ ব্যাপারে বরগুনার এসপি মারুফ হোসেন জানান, আসামিদের ধরতে বরগুনার বিভিন্নস্পটে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। বুধবার (২৬ জুন) সকালে সাড়ে ১০ টার দিকে বরগুনা সরকারী কলেজ রোডে রিফাতকে কুপিয়ে জখম করে নয়ন বন্ড ও তার সহযোগীরা। পরে গুরুতর আহত রিফাতকে প্রথমে বরগুনা সদর হাসপাতাল ও পরে বরিশাল শেরে-ই বাংলা মেডিকেল (শেবাচিম) কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল ৪টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
রিফাত হত্যার ঘটনায় পুলিশ অপরাধীদের ধরতে কাজ শুরু করে দিয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
২৭জুন২০১৯,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, বরগুনার রিফাতকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় পুলিশ বসে নেই। ইতোমধ্যে পুলিশ দু জনকে গ্রেফতার করেছে। এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা সার্বিকভাবে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) চট্টগ্রাম বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন নেটওয়ার্ক আয়োজিত অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ অপরাধীদের ধরতে কাজ শুরু করে দিয়েছে। ১০ বছর আগের পুলিশ আর এখনকার পুলিশের দক্ষতায় পার্থক্য আছে। ইতোমধ্যে দু জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সবাইকে আইনের আওতায় আনবে বলেও জানান তিনি। এর আগে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রিফাত হত্যাকারীদের গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, এ ঘটনায় অলরেডি একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদেরও গ্রেফতার করার প্রক্রিয়া চলছে। প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, পুলিশ অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে আছে। যারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে। উল্লেখ্য, বুধবার (২৬ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে শত শত লোকের উপস্থিতিতে স্ত্রীর সামনে শাহ নেয়াজ রিফাত শরীফ নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।নিহত রিফাত শরীফের বাড়ি বরগুনা সদর উপজেলার ৬নং বুড়িরচর ইউনিয়নের বড় লবণগোলা গ্রামে। তার বাবার নাম আ. হালিম দুলাল শরীফ। মা-বাবার একমাত্র সন্তান ছিলেন রিফাত।
রিফাত হত্যা: অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
২৭জুন২০১৯,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রকাশ্যে সড়কে রিফাত শরীফ (২৩) নামে এক যুবককে তার স্ত্রীর সামনে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) দুপুরে তিনি এ নির্দেশ দেন। এদিকে বরগুনায় দিনে দুপুরে স্ত্রীর সামনে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে আদালত বিস্ময় প্রকাশ করেন। আদালত বলেন, একটা মানুষকে প্রকাশ্যে কোপানো হলো, কিন্তু একটা মানুষও এগিয়ে আসলো না? সবাই দাঁড়িয়ে ভিডিও করলেন, কিন্তু কেউ এগিয়ে আসলেন না? প্রত্যেকটা জনগণের ব্যর্থতা। আদালত বলেন, সবাই এগিয়ে আসলে তো খুনিরা সাহস পেত না। তবে খুনিরা পাওয়ারফুল বলে কেউ এগিয়ে আসেনি বলেও মন্তব্য করেন আদালত। এ ঘটনায় বরগুনার ডিসি ও এসপি কী পদক্ষেপ নিয়েছেন তা জানানোর নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। অন্যদিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে প্রকাশ্য দিবালোকে শাহ নেয়াজ রিফাত শরীফকে (২৫) কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় চন্দন নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৬ জুন) রাতে চন্দনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরগুনার পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসেন। তিনি বলেন, বুধবার রাতে নিহত রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেছেন। এ মামলার ৪ নম্বর আসামি চন্দন। ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বুধবার বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে সকাল ১০টার দিকে নয়নের নেতৃত্বে ৪-৫ জন সন্ত্রাসী রিফাতকে দা দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় ফেলে যায়। এ সময় বারবার সন্ত্রাসীদের হাত থেকে স্বামীকে বাঁচাতে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি। নিহত রিফাত শরীফের বাড়ি বরগুনা সদর উপজেলার ৬নং বুড়িরচর ইউনিয়নের বড় লবণগোলা গ্রামে। তার বাবার নাম আ. হালিম দুলাল শরীফ। মা-বাবার একমাত্র সন্তান ছিলেন রিফাত। এদিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে যে নৃশংস দৃশ্য দেখা যায়, যা কারও কাম্য নয়। কিন্তু যে দুই যুবক এই হত্যালীলা চালালেন, তারা কারা? এ প্রশ্ন এখন দেশবাসীর। সবাই জানতে চাচ্ছেন, এদের শক্তির উৎস কী? স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হত্যাকারী দুই জনের একজন রিফাত ফরাজী। আরেকজনের নাম নয়ন (২৫) বন্ড। দুইজনই অনেক আগে থেকেই অপরাধ জগতের পরিচিত মুখ। তাদের কারণে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ। স্থানীয় ও ভুক্তভোগী এলাকাবাসীরা জানান, মাদক ব্যবসা, মাদক সেবন ও ছিনতাইসহ নানা অপকর্মে যুক্ত ছিলেন রিফাত ফরাজী। এ কারণে স্থানীয়দের কাছে একটি আতঙ্কের নাম রিফাত ফরাজী। রিফাতের হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন, এমন মানুষের সংখ্যা কম নয়। প্রতিবেশী ও স্থানীয়দের ওপর হামলা, মারধর রিফাতের কাছে নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। এসব কারণে কয়েকবার গ্রেফতার হলেও অজ্ঞাত এক কারণে খুব স্বল্প সময়েই মুক্তি পান তিনি। ২০১৭ সালের ১৫ জুলাই সন্ধ্যায় তরিকুল ইসলাম (২১) নামে এক প্রতিবেশীকে কুপিয়ে মারাত্মক যখম করেন রিফাত ফরাজী। তরিকুল জানান, একদিন সামান্য কথা কাটাকাটি হয় রিফাত ফরাজীর সঙ্গে তার। তখন রিফাত ফরাজী তাকে কুপিয়ে যখম করার হুমকি দেন। রিফাত ফরাজীর ভয়ে তিনি দেড় মাস রিফাত ফরাজীর বাসার সামনে দিয়ে না গিয়ে আধা কিলোমিটার পথ ঘুরে তার বাসায় যাওয়া আসা করতেন। হুমকি দেয়ার দেড় মাস অতিবাহিত হওয়ার পর একদিন সন্ধ্যায় রিফাত ফরাজীর বাসার সামনে দিয়ে তরিকুল তার বাসায় যাওয়ার পথে রিফাত ফরাজী দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তার মাথায় গুরুতর যখম করেন। এ ঘটনায় তরিকুলের বাবা বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। একই বছর রিফাত বরগুনার হোমিও চিকিৎসক ডা. আলাউদ্দিন আহমেদের ডিকেপি রোডের বাসার ছাত্র মেসে গিয়ে ধারালো অস্ত্রের মুখে বাসায় থাকা সব ছাত্রদের জিম্মি করে, তাদের ১৪টি মোবাইল ছিনতাই করে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করা হলে পুলিশ রিফাতের বাবা দুলাল ফরাজীকে আটক করে মোবাইলগুলো উদ্ধার করেন। এ বিষয়ে ডা. আলাউদ্দিন আহমেদের ছেলে ডা. মো. মোয়াজ্জেম হোসেন জানান,ডিকেপি রোডের আমাদের ভাড়া দেয়া বরগুনা পলিট্যাকনিক ইনিস্টিটিউটের মেসে গিয়ে ধারালো অস্ত্রের মুখে ১৪টি মোবাইল ছিনতাই করেন রিফাত ফরাজী। এ ঘটনা জানার পর আমি বরগুনা সদর থানায় গিয়ে অভিযোগ করায় রিফাত ফরাজীর বাবা দুলাল ফরাজীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। পরে তিনি রিফাতের কাছ থেকে ছিনতাই করা ১৪টি মোবাইলের মধ্যে ১১টি উদ্ধার করেন। আর বাকি তিনটি মোবাইল উদ্ধার করতে না পেরে নতুন মোবাইল কিনে দিয়ে থানা থেকে মুক্তি পান। ২০১৭ সালে বরগুনায় ইয়াবা, ফেন্সিডিল, হেরোইন ও দেশীয় অস্ত্রসহ নয়নসহ দুইজনকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ বরগুনার বেতাগী উপজেলার কাজিরাবাদ ইউনিয়নের বাসিন্দা মারজানা মনি বলেন,২০১৭ সালের রমজানে আমার একমাত্র ছোট ভাই হাফেজ মো. মেহেদী হাসান বরগুনার হোমিও চিকিৎসক আলাউদ্দিন ডাক্তারের বাসা সংলগ্ন মসজিদে তারাবির নামাজ পড়ায়। তখন রিফাত ফরাজী একদিন মেহেদীর কাছ থেকে স্যামস্যাং গ্যালাক্সি কোর প্রাইম মডেলের বিদেশ থেকে আনা একটি ফোন ছিনিয়ে নেন। বিষয়টি রিফাত ফরাজীর মা-বাবাসহ স্থানীয় অনেককে জানানোর পরও আমার ভাইয়ের মোবাইলটি কেউ উদ্ধার করে দিতে পারেনি। পরে বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করার পর সাড়ে সাত হাজার টাকার বিনিময়ে মোবাইলটি ফিরিয়ে দিয়ে হুমকি দেন রিফাত ফরাজী। পরে রিফাত ফরাজীর হুমকিতে ওই এলাকা ছেড়ে একপ্রকার পালিয়ে আসে আমার ভাই। বরগুনা সরকারি কলেজের দক্ষিণ-পশ্চিমে বরগুনা পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডে নয়ন বন্ডের (২৫) বাসা। নয়নের বাবা মৃত ছিদ্দিকুর রহমান। দুই ভাইয়ের মধ্যে নয়ন ছোট। নয়নের বড় ভাই মিরাজ দীর্ঘদিন ধরে সিঙ্গাপুর প্রবাসী হওয়ার কারণে মাকে নিয়েই ওই বাসায় বসবাস করছেন নয়ন। ২০১৭ সালের ৫ মার্চ রাত ১১টার দিকে নয়ন বন্ডের বাসায় অভিযান চালায় বরগুনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় বিপুল পরিমাণ মাদক, দুটি দেশীয় অস্ত্র ও এক সহযোগীসহ নয়ন বন্ডকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এসব মাদকের মধ্যে ছিল ৩০০ পিস ইয়াবা, ১২ বোতল ফেনসিডিল ও ১০০ গ্রাম হেরোইন। এ ঘটনায় দেশের প্রধান প্রধান গণমাধ্যমে নয়ন বন্ড ও তার সহযোগী ইমামের গ্রেফতারের সংবাদ প্রকাশিত হয়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে বরগুনা সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও অস্ত্র আইনে দুটি মামলা করে নয়ন বন্ড ও তার সহযোগী ইমামের বিরুদ্ধে। পরে তাদের জেলহাজতে পাঠায় পুলিশ। দীর্ঘদিন জেলে থাকার পর সম্প্রতি জামিনে বেরিয়ে আসেন নয়ন বন্ড। জেল থেকেই বেরিয়ে মূলত এ হত্যাকাণ্ড ঘটান তিনি। এ বিষয়ে বরগুনা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবীর হোসেন মাহমুদ বলেন, নয়ন বন্ডের মাদক বাণিজ্যের কথা আমরা জানি। এছাড়া তার বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্র মামলাসহ একাধিক মামলার কথাও আমরা জেনেছি। এর আগে নয়ন ও তার সহযোগী জেল খেটেছে। জামিনে তারা বেরিয়ে যায়। রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডে জড়িত নয়নসহ সবাইকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলদের পদত্যাগের নির্দেশ
২৭জুন২০১৯,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ২০১৭ সালের আগে নিয়োগ পাওয়া সব ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলদের পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টার মধ্যে এ নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে। অ্যাটর্নি জেনারেলের এমন নির্দেশের পর ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মনিরুজ্জামান রুবেল জানান, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম তাদের ডেকে নিয়ে বিকাল ৪টার মধ্যে পদত্যাগ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি জানান, ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত যারা ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন, তাদের সবাইকেই পদত্যাগ করতে বলা হয়েছে। তবে এর সংখ্যা কত তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি। এরই মধ্যে কয়েকজন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তাদের পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।
আজ বসছে পদ্মাসেতুর ১৪তম স্প্যান
২৭জুন২০১৯,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজ পদ্মা সেতুতে বসবে ১৪তম স্প্যান। সকালে স্প্যানটি কুমারভোগের বিশেষায়িত ইয়ার্ড থেকে ভাসমান ক্রেনবাহী জাহাজে করে খুঁটির কাছে নেয়া হচ্ছে। ১৪তম স্প্যানটি বসানো হবে সেতুর মাওয়া প্রান্তের ১৫ ও ১৬ নম্বর খুঁটিতে। সেতু বিভাগের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন, খুঁটি দুটি স্প্যান বহনের সম্পূর্ণ উপযোগী করা হয়েছে। ৩-সি নম্বর স্প্যান বসানোর সব প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে। বসানোর উপযোগী করে স্প্যানটি ইয়ার্ডের জেটির কাছে রাখা হয়েছে। সেতুর মোট ২৯৪টি পাইলের মধ্যে পাইল ড্রাইভ সম্পন্ন হয়েছে ২৯০টি। বাকি চারটি পাইলের কাজ মধ্য জুলাইয়ে শেষ হওয়ার কথা আছে। সেতুর মোট ৪২টি পিলারের মধ্যে কাজ সম্পন্ন হয়েছে ২৯টির। জাজিরায় সেতুর ২৬ ও ২৭ নম্বর পিলারে পাইলের কাজ চলছে। ২৬, ২৭ নম্বর পিলারে সাতটি পাইলের মধ্যে ৫টি পাইল ড্রাইভ সম্পন্ন হয়ে গেছে। চীন থেকে আরও দুইটি স্প্যান মাওয়ার পথে রয়েছে। ৮টি স্প্যান ইয়ার্ডে ফিটিং করা হচ্ছে। ১৫ তম স্প্যান মাওয়ায় নিয়ে আসার প্রক্রিয়া চলছে। ডাঙ্গায় থাকা দুই পিলারে ১৬টি পাইল। পদ্মাসেতুর পিলারের একেকটি পাইল লোড ৮ হাজার ২০০ টন। সেতুর ৫ নম্বর মডিউল এর ৫-ডি স্প্যানটি স্টোর করা হয়েছে। ২৮ ও ২৯ নম্বর পিলারের কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় এর পাশে রাখা হয়েছে। ৫-ই স্প্যানটিও রাখা হয়েছে, যা বসবে ২৯ ও ৩০ নম্বর পিলারে। রেলওয়ে স্ল্যাব বসেছে ৩২০টি ও রোডওয়ে স্ল্যাব ৩০টি। এদিকে চীনে প্রস্তুত বাকি ১৫টি স্প্যান যথাসময়ে মাওয়ায় নিয়ে আসার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। প্রতিটি স্প্যানের দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার। ৬ দশমিক ১৫ কিলেমিটার মূল সেতুটির সংযোগ সেতুসহ দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ৯ কিলোমিটার। এ সেতু ২০২০ সালের শেষের দিকে চালু করা হবে। এদিকে চীন থেকে আরও দুটি স্প্যানবাহী জাহাজ মাওয়ার পথে রয়েছে। সমুদ্রপথে স্প্যান দুটি নিয়ে ১০ দিন আগে যাত্রা করা জাহাজটি কয়েক দিনের মধ্যে মোংলা বন্দরে পৌঁছবে। সেখান থেকে তা অন্য জাহাজে করে নদীপথে আনা হবে মাওয়া কুমারভোগের কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে। চীন থেকে এ পর্যন্ত আসা ২৪টি স্প্যানের মধ্যে ১৫টি পরিপূর্ণ অবস্থায় ইয়ার্ড থেকে বের করে আনা হয়েছে। যা ১৩টি খুঁটিতে উঠানো হয়েছে। আর দুটি স্টোর করা হয়েছে খুঁটির কাছাকাছি মাঝের চরের প্লাটফরমে এরমধ্য থেকেই একটি বসতে যাচ্ছে ১৫ ও ১৬ নম্বর খুঁটিতে। আর বাকি ৮টি স্প্যান ইয়ার্ডে ফিটিং করা হচ্ছে।
দেশের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারে রোহিঙ্গারা: প্রধানমন্ত্রী
২৬জুন২০১৯,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসন করা না গেলে বাংলাদেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা ব্যাহত হতে পারে। আজ বুধবার (২৬ জুন) জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য নূর মোহাম্মদের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা জানান। শেখ হাসিনা বলেন, বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা অধিবাসীরা অসন্তুষ্টিতে ভুগছে। তাদের অনেক অভাব অভিযোগ রয়েছে। তাদের প্রত্যাবাসনে সরকার কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মিয়ানমারের ১১ লাখের অধিক নাগরিকের জন্য অনির্দিষ্টকাল ধরে খাদ্য, পোশাক ও বাসস্থানের ব্যবস্থা করা আমাদের জন্য খুব কঠিন ব্যাপার,যোগ করেন তিনি। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারের নাগরিকদের স্বেচ্ছায় আসেননি এখানে। সেদেশের সেনাবাহিনী তাদের জোর করে বাস্তুভিটা থেকে উচ্ছেদ করেছে। তাদের খাদ্য, বাসস্থান ও স্বাস্থ্যসেবাসহ মৌলিক মানবিক সহায়তা জরুরি ছিল। আমরা তাদের সাময়িকভাবে আশ্রয় দিয়েছি। জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও স্থানীয় এনজিওর সঙ্গে সমন্বয় করে তাদের আমরা আশ্রয় ও মানবিক সহায়তা প্রদান করছি। রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমার অপপ্রচার চালাচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক মহল মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে যথাযথ সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টির জন্য চাপ অব্যাহত রেখেছে। আমরা বিভিন্ন ফোরামে বলেছি এসব বাস্তুচ্যুত জনগণের ফেরত মিয়ানমার সরকারের ওপর বর্তায় এবং তাদেরকেই উদ্যোগী ভূমিকা গ্রহণ করতে হবে। দুঃখজনক হলেও সত্য, মিয়ানমার সরকারের অনড় অবস্থানের কারণে দৃশ্যমান কোনও অগ্রগতি হয়নি। উপরন্তু মিয়ানমার বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহলে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে এবং বলছে, বাংলাদেশের অসহযোগিতার কারণে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বিলম্বিত হচ্ছে। বিশ্ব জনমত ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় অব্যাহতভাবে বাংলাদেশকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনে একটি রিপোর্ট প্রেরণ করেছে। কিন্তু মিয়ানমার সরকার তাদের এ বিষয়ে কাজ করতে দিচ্ছে না। মিয়ানমারের অসহযোগিতা সত্ত্বেও আমরা দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক দুইটি পথই খোলা রেখেছি।

জাতীয় পাতার আরো খবর