আজ দেশের উন্নয়নের যে অগ্রযাত্রা সেটা অব্যাহত থাকবে
১৩আগস্ট,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন,আওয়ামী লীগ সরকার বিশ্ব পরিমন্ডলে মর্যাদার আসন ধরে রেখে দেশের উন্নয়ন অব্যাহত রেখেছে। এটা সম্ভব হয়েছে দেশের জনগণের কল্যাণে আওয়ামী লীগ সরকারের ব্যাপক উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে সাফল্য অর্জনের মাধ্যমে। তাই সরকার বর্তমান বিশ্বে বাংলাদেশ যে মর্যাদার আসনে আসীন হয়েছে তা ধরে রাখতে চায়। প্রধানমন্ত্রী বলেন,আজ দেশের উন্নয়নের যে অগ্রযাত্রা সেটা অব্যাহত থাকবে। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে এগিয়ে যাবে। মানুষ উন্নত, সুন্দর জীবন পাক।এ লক্ষে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। তার সরকার শত প্রতিকূলতা অতিক্রম করে বাংলাদেশকে আজ বিশ্বে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন,আমরা চাই মাথা উঁচু করেই এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ। শেখ হাসিনা আজ সোমবার সকালে তার সরকারী বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবন্দ,পদস্থ কর্মকর্তা, কবি, সাহিত্যিক, লেখক, সাংবাদিক, শিক্ষক, বুদ্বিজীবী এবং বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ সহ সাধারণ জনগণের সঙ্গে ঈদ উল আযহার শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এসব কথা বলেন। জনগণের সুখী ও সমৃদ্ধ জীবন নিশ্চিত করা তার অঙ্গীকার পুণর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেউ যেন বাংলাদেশকে খাটো করে দেখতে না পারে, এদেশের মানুষ সর্বত্র মর্যাদা পায় সেই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি।তিনি বলেন,বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত সোনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করাই আমাদের লক্ষ্য। তিনি এ সময় তাঁর এবং আওয়ামী লীগের ওপর আস্থা রেখে দেশের জনগন ভোট দিয়ে আরেকবার দেশ সেবার সুযোগ দেওয়ায় দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। শেখ হাসিনা বলেন, ভোট দিয়ে আমাকে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করার মর্যাদা আমি রক্ষা করবো। ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়াই আমার লক্ষ্য। প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন,আমি সব কিছু উৎসর্গ করে এদেশের জনগণের ভাগ্য গড়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। তিনি বলেন,জাতির পিতা এদেশের মানুষের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন। এদেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন করতে পারলে আমার বাবার আত্মা শান্তি পাবে। বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী দেশবাসী ও প্রবাসী বাঙালি যারা আছেন সবাইকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানান। সেই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমগ্র মুসলিম উম্মাকেও ঈদের শুভেচ্ছা জানান। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চারনেতা, ১৫ আগষ্টের শহীদ সহ মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা বলেন, ত্যাগের মহিমায় মহিমান্বিত ঈদ আমাদের যেকোনো ত্যাগ স্বীকার করার প্রেরণা দেয়। এসময় যারা হজ করতে গেছেন তাদেরও ঈদের শুভেচ্ছা জানান তিনি । সেইসঙ্গে সবার দোয়া ও কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী। সম্প্রতি নিজের চোখের ছানি অপারেশনসহ নানা প্রসঙ্গ টেনে সবার দোয়া চান তিনি। পবিত্র ঈদুল আযহার এই দিনে গণভবনের সবুজ চত্বর বর্নাঢ্য সাজে সজ্জিত করা হয়। বিভিন্ন বয়সের এবং শ্রেনী পেশার লোকজন দীর্ঘ সাাঁড়িতে অপেক্ষমান থেকে প্রধানমন্ত্রীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান। বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ,শিক্ষাবিদ, সিনিয়র সাংবাদিক,আইনজীবীসহ বিভিন্ন পেশাজীবী , বিশিষ্ট নাগরিকবৃন্দ, বিভিন্ন ব্যবসায়িক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ,আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী এবং সর্বোপরি সাধারণ জনতার ভীড়ে এ সময় গণভবন চত্বর মুখরিত হয়ে ওঠে। অন্যান্য বছরের মত বছরের এই বিশেষ দিনটিতে রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহীর সঙ্গে সরাসরি স্বাক্ষাতের সুযোগ পেয়ে অনেকেই এ সময় নিজস্ব অভাব অভিযোগ তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে। প্রধানমন্ত্রী ধৈর্য ধরে অভাব-অভিযোগ শোনেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন। বিচারক, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, তিন বাহিনী প্রধান, বিদেশি কূটনীতিক, সিনিয়র সচিব এবং সচিব মর্যাদার অন্যান্য বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে পৃথক শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মুহম্মদ ফারুক খান এবং অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, দলের যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং অন্যান্য কেন্দ্রিয় নেতৃবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
ঈদযাত্রায় জনগণের ভোগান্তিতে দুঃখপ্রকাশ করেছেন ওবায়দুল কাদের
১১আগস্ট,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:ঈদযাত্রায় জনগণের ভোগান্তিতে দুঃখপ্রকাশ করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। টাঙ্গাইল বাইপাস সড়কে যানজট থাকলেও পুরো দেশের চিত্র এক নয় বলেও জানান তিনি। রোববার সাকলে সায়েদাবাদ টার্মিনাল পরিদর্শনে এসে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ঈদযাত্রার প্রথম দিকে বৈরি আবহাওয়া ও সড়কে কিছু সমস্যা থাকায় ভোগান্তি হয়েছে। তবে পুরো দেশের চিত্র এক নয়। টাঙ্গাইল বাইপাস সড়কে যানজট আছে। এটা দুপুরের পর থেকে উন্নতি হবে। একটি মাত্র রুটেই মানুষের দুর্ভোগ হয়েছে। এজন্য আন্তরিক ভাবে দুঃখিত। জ্যামের পরিস্থিতি বিষয়ে তিনি বলেন, জ্যাম কী কারণে হচ্ছে সেটা বুঝতে হবে। রাস্তা চার লেন, কিন্তু সেতু দুই লেন, তখনই সমস্যাটা হয়। রংপুর পর্যন্ত চার লেনের পরিকল্পনা আছে, সেটা হয়ে গেলে এ সমস্যা হবে না। আর নদীর তীব্র স্রোতের কারণে ফেরি চলাচল বিঘ্ন হচ্ছে। ফলে ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে। একসাথে অনেক মানুষ যাত্রা শুরু করেন, এই চাপ হাইওয়ে পুলিশের পক্ষে সামলানো সম্ভব নয়। তবে চেষ্টা চলছে পরিস্থিতি উন্নত করার। ঈদযাত্রায় বিভিন্ন পরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়ার বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, সায়েদাবাদে অতিরিক্ত ভাড়া নেয়া হচ্ছে, এ অভিযোগে অনেক পরিবহনকে জরিমানা করা হয়েছে। ফরিদপুরে আওয়ামী লীগের কয়েকজনকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে, এটি তৃণমুলে আওয়ামীলীগের দ্বন্দ্বের ফল কিনা? এ বিষয়ে কাদের বলেন, বড় দল তাই নানা ঘটনা ঘটতে পারে। কিন্তু যারা অপরাধী প্রত্যেককেই বিচারের আওতায আনা হবে।
রাজধানীতে পবিত্র ঈদুল-আজহার প্রধান জামাত সকাল ৮টায়
১১আগস্ট,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:রাজধানীতে পবিত্র ঈদুল-আজহার প্রধান জামাত সকাল ৮টায় জাতীয় ঈদগাহে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। তবে আবহাওয়া প্রতিকূল হলে ঈদের প্রধান জামাত সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। রোববার (১১ আগস্ট) ডিএসসিসির জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বাংলা ট্রিবিউন এতে বলা হয়, জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের লক্ষ্যে ধর্ম মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্ত অনুসরণে ঈদের প্রধান জামাত সকাল ৮ টায় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে। তবে আবহাওয়া প্রতিকূল হলে ঈদের প্রধান জামাত সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রায় একলাখ মুসল্লির ঈদের নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া, জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাতের পাশে পর্দা দিয়ে নারীদের ঈদের নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের সুবিধার্থে ওজু করার ব্যবস্থা রাখাসহ মোবাইল টয়লেটেরও ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ডিএসসিসির উদ্যোগ ও ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় সময়সূচি অনুযায়ী ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অন্তর্ভুক্ত ৭৫টি ওয়ার্ডে (জাতীয় ঈদগাহ মাঠসহ) মোট ৩১২টি স্থানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
ঈদের দিন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন
১১আগস্ট,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঈদের দিন বঙ্গভবনে সর্বস্তরের জনগণের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মোহম্মদ জয়নাল আবেদিন আজ বাসসকে জানান, ওইদিন বঙ্গভবনে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে অনুষ্ঠান শুরু হবে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখবেন। তিনি বলেন, সিনিয়র রাজনীতিবিদ, বিচারক, কবি, সাহিত্যিক, লেখক, সাংবাদিক, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী এবং বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাসহ সর্বস্তরের জনগণ এবং পেশাজীবীদের সঙ্গে রাষ্ট্রপতি ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। প্রেস সচিব আরো জানান, এর আগে রাষ্ট্রপতি ঈদের দিন সকাল ৮টায় হাইকোর্টের সামনে জাতীয় ঈদগায় ঈদের নামাজ আদায় করবেন।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ১২ আগস্ট তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে দলীয় নেতা ও কর্মী, বিচারক এবং বিদেশী কূটনীতিকসহ সর্বস্তরের জনগণের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম আজ বাসসকে জানান, প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা প্রথমে সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত দলীয় নেতা ও কর্মী, কবি, সাহিত্যিক, লেখক, সাংবাদিক, শিক্ষক ও বুদ্বিজীবী এবং সকল শ্রেণী ও পেশার জনগণের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। প্রেস সচিব বলেন, পরে প্রধানমন্ত্রী একই স্থানে সকাল ১১টা থেকে বিচারক, মন্ত্রী পরিষদ সচিব, তিন বাহিনী প্রধানগণ, বিদেশী কূটনীতিক, সিনিয়র সচিবগণ এবং সচিব মর্যাদার অন্যান্য বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। বাসস
ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা
১১আগস্ট,রবিবার,নিজস্ব প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম:ত্যাগের মহিমা ও উৎসবের আমেজে আগামীকাল সারা দেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ঈদের নামাজ ও পশু কোরবানির মধ্য দিয়ে পালন করবেন অন্যতম বৃহত্তম এই ধর্মীয় উৎসব। হযরত ইবরাহীম (আ.)-এর আত্মত্যাগ ও অনুপম আদর্শের প্রতীকী নিদর্শন হিসেবে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার বছর আগে থেকে শুরু হয় কোরবানির এই প্রচলন। আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের নির্দেশে হযরত ইবরাহীম (আ.) তাঁর প্রাণপ্রিয় পুত্র হযরত ইসমাইল (আ.) কে কোরবানি করতে উদ্যত হয়েছিলেন। ওই অনন্য ঘটনার স্মরণেই ঈদুল আজহায় পশু কোরবানির এ রেওয়াজ চালু হয়। মহান আল্লাহ পাকের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ, তাঁর সন্তুষ্টি অর্জন এবং তাঁরই রাস্তায় সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের এ ঐতিহাসিক ঘটনার ধারাবাহিকতায় মুসলিম বিশ্বে কোরবানি ও ঈদুল আজহা উদযাপিত হয়ে আসছে।মুসলিম সমপ্রদায়ের অন্যতম প্রধান এ ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন নিউজ একাত্তর ডট কম এর সম্পাদক মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী ।পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে নিউজ একাত্তর ডট কম এর সম্মানিত পাঠক, লেখক, শুভানুধ্যায়ী, ও বিজ্ঞাপনদাতাদের আন্তরিক শুভেচ্ছা।সম্পাদক ।
আগামীকাল পবিত্র ঈদুল আজহা
১১আগস্ট,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:ত্যাগের মহিমা ও উৎসবের আমেজে আগামীকাল সারা দেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদ্যাপিত হবে। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ঈদের নামাজ ও পশু কোরবানির মধ্য দিয়ে পালন করবেন অন্যতম বৃহত্তম এই ধর্মীয় উৎসব। হযরত ইবরাহীম (আ.)-এর আত্মত্যাগ ও অনুপম আদর্শের প্রতীকী নিদর্শন হিসেবে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার বছর আগে থেকে শুরু হয় কোরবানির এই প্রচলন। আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের নির্দেশে হযরত ইবরাহীম (আ.) তাঁর প্রাণপ্রিয় পুত্র হযরত ইসমাইল (আ.) কে কোরবানি করতে উদ্যত হয়েছিলেন। ওই অনন্য ঘটনার স্মরণেই ঈদুল আজহায় পশু কোরবানির এ রেওয়াজ চালু হয়। মহান আল্লাহ পাকের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ, তাঁর সন্তুষ্টি অর্জন এবং তাঁরই রাস্তায় সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের এ ঐতিহাসিক ঘটনার ধারাবাহিকতায় মুসলিম বিশ্বে কোরবানি ও ঈদুল আজহা উদ্যাপিত হয়ে আসছে। মুসলিম সমপ্রদায়ের অন্যতম প্রধান এ ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে পৃথক বাণী দিয়েছেন। মুসলিমদের ধর্মীয় এ উৎসব উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দও দেশবাসীকে ঈদ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও সড়ক দ্বীপসমূহে জাতীয় ও ঈদ মোবারক খচিত পতাকা দিয়ে সুশোভিত করা হয়েছে। পাশাপাশি সকল সরকারি-বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা ও ঈদ মোবারক খচিত পতাকা উত্তোলন করা হবে। এছাড়াও নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবনগুলো আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হবে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে কেন্দ্রীয় কারাগারসহ দেশের সকল কারাগার, সরকারি হাসপাতাল, ভবঘুরে কল্যাণ কেন্দ্র, বৃদ্ধাশ্রম, শিশুসদন, ছোটমণি নিবাস, সামাজিক প্রতিবন্ধী কেন্দ্র, সরকারি আশ্রয় কেন্দ্র, সেফ হোম্স, দুস্থ কল্যাণ কেন্দ্র এবং শিশু ও মাতৃসদনে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেসরকারি টিভি চ্যানেল ও রেডিও বিনোদনমূলক বিশেষ অনুষ্ঠানমালা সমপ্রচারের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসসমূহে সরকারি কর্মসূচির আলোকে ঈদুল আজহা উদ্যাপনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাত সকাল ৮টায় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে। প্রতি বছরের মতো এবারও কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় দেশের সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ইতিমধ্যে সেখানেও ঈদ জামাতের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
আজ পবিত্র হজ
১০আগস্ট,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজ ৯ জিলহজ, পবিত্র হজের দিন। এরই মধ্যে আরাফাতের ময়দানে অবস্থানের জন্য মিনা থেকে আরাফার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছেন মুসল্লিরা। আরাফার ময়দানে জোহর-আসর নামাজ একত্রে আদায় করে ইবাদত বন্দেগীর মধ্যে সূর্যাস্ত পর্যন্ত অবস্থান করবেন তারা। মিনায় ইবাদত বন্দেগীর মাঝে রাত্রি যাপন শেষে আরাফার ময়দানে সমবেত হওয়ার জন্য সূর্য উদয়ের পরপরই মুসল্লিরা যাত্রা শুরু করেছেন। দলবদ্ধভাবে পায়ে হেঁটে, গাড়ীতে চড়ে এবং ট্রেনে করে আরাফার নির্ধারিত স্থানে উপস্থিত হচ্ছেন তারা। আরাফার ময়দানে খোতবার মধ্য দিয়ে শনিবার দেওয়া হবে সমগ্র বিশ্বের মুসলিম জাতির জন্য দিক নির্দেশনা। ইসলামের আদর্শকে সমুন্নত রাখতে মুসলিম নেতৃবৃন্দকে দেওয়া হবে তাদের আগামী দিনের পরিকল্পনা। এছাড়া আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করা হবে মুসলিম উম্মাহর নাজাতের জন্য। আরাফার ময়দানে উপস্থিত সকল হাজীরা তাদের জীবনের গুনাহ মাফের জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবেন। নিজেদের গুনাহ মাফ চাওয়ার পাশাপাশি আত্মীয় স্বজন সকলের সমৃদ্ধ জীবনের জন্য দোয়া করবেন। আরাফার ময়দানে জোহর-আসর নামাজ একত্রে আদায় করে ইবাদত বন্দেগীর মধ্যে সূর্যাস্ত পর্যন্ত অবস্থান করবেন মুসল্লিরা। এরপর তারা ফিরে যাবেন মুজদালিফায় খোলা আকাশের নিচে রাত্রি যাপনের জন্য।
আজ হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু
০৮আগস্ট,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:মুসলমানদের অন্যতম আবশ্যকীয় ইবাদত পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হচ্ছে আজ। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা প্রায় ১৮ লাখের বেশি মুসল্লি এশার নামাজ আদায় করে মক্কার মসজিদুল হারাম থেকে প্রায় নয় কিলোমিটার দূরে মিনায় যাবেন। সেখানে রাতযাপন হজের অন্যতম সুন্নত। রাতযাপন শেষে মুসল্লিরা সারা দিন মিনাতেই থাকবেন। এখানে জোহর, আসর, মাগরিব, এশা ও ফজরের নামাজ আদায় করা মুস্তাহাব।এখান থেকে পরশু সূর্যোদয়ের পর মুসল্লিরা যাবেন প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে আরাফাতের ময়দানে। এ ময়দানে অবস্থান হজের মূল আনুষ্ঠানিকতার একটি (ফরজ)। ইহরামের কাপড় (আড়াই হাত বহরের আড়াই গজ কাপড় আর গায়ের চাদরের জন্য একই বহরের তিন গজ কাপড়) পরে জিকির-আসগারে মিনার পথে চলবেন হজযাত্রীরা। কেউ যাবেন গাড়িতে, কেউ বা হেঁটে।প্রত্যেক হজযাত্রীকে নিজ নিজ মুয়াল্লিম কার্যালয় থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, কখন মিনার উদ্দেশে রওনা দেওয়া হবে। একই সঙ্গে দেওয়া হয়েছে মিনার তাঁবু নম্বরসংবলিত কার্ড। ওই কার্ড সব সময় গলায় ঝুলিয়ে রাখতে হয়। ৯ জিলহজ আরাফাতের ময়দানে মুসল্লিরা সূর্যাস্ত পর্যন্ত অবস্থান করবেন। সূর্যাস্তের পর প্রায় আট কিলোমিটার দূরে মুজদালিফার উদ্দেশে রওনা দেবেন মুসল্লিরা। সেখানে রাতযাপন ও পাথর সংগ্রহ করবেন হাজিরা। পরদিন ফজরের নামাজ আদায় করে মুজদালিফা থেকে আবার মিনায় ফিরে আসবেন তাঁরা।মিনায় এসে বড় জামারাকে কঙ্কর নিক্ষেপ, কোরবানি ও মাথা মুণ্ডন বা চুল ছেঁটে স্বাভাবিক পোশাকে মক্কায় কাবা শরিফ তাওয়াফ করবেন। তাওয়াফ, সাই শেষে মিনায় ফিরে গিয়ে ১১ ও ১২ জিলহজ অবস্থান ও প্রতিদিন শয়তানকে তিনটি করে পাথর নিক্ষেপ করবেন।এদিকে মক্কা বাংলাদেশ হজ কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, মিনায় জামারাতের কাছে মুয়াল্লিম নম্বর ৭ ও ৮-এর অধীনে থাকবেন বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় আসা হাজিরা। আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এজেন্সির মাধ্যমে আসা হাজিরা থাকবেন ৩, ৪, ৬, ১১, ২০, ৫৭, ৫৯, ৬০, ৭৫-৭৭, ৯৯, ১০১, ১০৩ থেকে ১৩৭ মুয়াল্লিম নম্বরের অধীনে। মিনায় হাজিদের সহায়তার জন্য ২৪/৬২ নম্বর তাঁবুতে পাঁচ দিন বাংলাদেশ হজ কার্যালয়ের কার্যক্রম চালানো হবে।

জাতীয় পাতার আরো খবর