জনপ্রিতিনিধির বিরুদ্ধে ত্রাণ আত্মসাতের অভিযোগ উঠলে তাৎক্ষণিক তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
১১এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:ত্রাণ আত্মসাৎকারীদের কঠোরভাবে দমন করতে জেলা প্রশাসকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ। তিনি বলেন, আমি অবাক হয়ে যাই কারা এসব মানুষ, যারা এই দুর্যোগের সময়ের অসহায় মানুষের ত্রাণ আত্মসাৎ করার কথা চিন্তা করে। এদেরকে মানুষ বলা যায় না। মানুষ রূপি জানোয়ার এদের প্রতি আমি তীব্র ঘৃণা প্রকাশ করি নিন্দা জানাই। আজ শনিবার দুপুরে এক ভিডিও বার্তায় প্রশাসনের প্রতি হানিফ এই আহ্বান জানান। আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা দুঃখের সাথে লক্ষ্য করছি, এই দুর্যোগময় সময়ে অসহায় মানুষদের জন্য দেয়া ত্রাণ নিয়ে কিছু আত্মসাতের অভিযোগ উঠছে। আমি অবাক হয়ে যাই, কারা এইসব মানুষ? যারা এই সময়ও এই অসহায় মানুষের ত্রাণ আত্মসাত করতে পারে? মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, আমি প্রশাসনকে অনুরোধ করবো, আপনাদের উপজেলা পর্য্যায়ের সকল কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিন। এই ত্রাণ যাতে কেউ আত্মসাত করতে না পারে, এবং সে ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা নিন। যদি কোন ব্যক্তি বা জনপ্রিতিনিধির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে ত্রাণ আত্মসাতের, তাহলে তাৎক্ষণিক ভাবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন। তিনি বলেন, আমরা এই অসহায় মানুষের জন্য বরাদ্ধকৃত ত্রাণ জালিয়াতি আমরা বরদাস্ত করবো না। আমরা কঠোর ভাবে এটা দমন করতে চাই। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সকল দেশবাসীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এই দুর্যোগ মোকাবেলা করতে সক্ষম হব। মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, বারবার সতর্ক করে দেওয়ার পরেও আমাদের কিছু মানুষের ভুলে সমগ্র দেশে আস্তে আস্তে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী দেশের জনগণকে ঘরে থাকার জন্য বারবার অনুরোধ করা হয়েছিল কিন্তু কিছু সংখ্যক মানুষের অসচেতনতার কারণেই এই লকডাউন পুরোপুরি কার্যকর করা সম্ভব হয়নি। আর ফলে করোনাভাইরাস ধীরে ধীরে ছড়িয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, আবারো সকলের প্রতি অনুরোধ করবো, সকলেই ঘরে থাকুন। নিজে বাঁচুন অন্যকে বাঁচতে দিন। এই দূর্যোগকালীন সময়ে যে সমস্ত ব্যক্তি বা সংগঠন বিশেষ করে ফ্রন্টলাইন এর সোলজার হিসেবে যারা কাজ করছেন চিকিৎসক নার্স ওয়ার্ড বয় প্যাথলজিস্টসহ আমাদের সেনাবাহিনী পুলিশ বাহিনী তারা চরম ঝুঁকি নিয়ে এই দুর্যোগ মোকাবেলা করে যাচ্ছেন তাদের সকলের প্রতি দেশবাসীর পক্ষ থেকে গভীর কৃতজ্ঞতা জানাই।
ঝুঁকি নিয়ে জনগণের কাছে সঠিক সংবাদ পৌঁছানোর জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী
১১এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের সাংবাদিক ও কর্মীদের স্বাস্থ্যসুরক্ষা নিশ্চিত করা ও বকেয়াসহ বেতন ভাতাদি পরিশোধের আহ্বান জানিয়েছেন । তিনি আজ দুপুরে রাজধানীর মিন্টু রোডের সরকারি বাসভবনে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এই আহ্বান জানান। তথ্যমন্ত্রী বলেন, করোনার এই বৈশ্বিক দুর্যোগের সময় সংবাদকর্মীরা অনেক ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন। টেলিভিশন সাংবাদিকদের বিভিন্ন জায়গায় ছুটে বেড়াতে হচ্ছে। তারা এ কাজটি শুরু থেকেই অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে করে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে কয়েকজন সংবাদকর্মী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, অনেক সংবাদকর্মীকে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হচ্ছে। সুতরাং তারা ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছে। এই ঝুঁকি নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে কিভাবে তাদের কি ধরনের সহায়তা করা যায়, স্বাস্থ্যসুরক্ষা দেয়া যায়- সেবিষয়ে আজ আলোচনা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ঝুঁকি নিয়ে কাজ করা এবং জনগণের কাছে সঠিক সংবাদ পৌঁছানোর জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, একই সঙ্গে গুজবের বিরুদ্ধে মূলধারার মিডিয়াগুলো, টেলিভিশন ও পত্রিকা যে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখছে এজন্যও তাদের ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাই।বাসস। অনেক টেলিভিশন চ্যানেল বেতন-ভাতা দেয়নি বলে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার জানিয়েছে উল্লেখ করে ড. হাছান মাহমুদ এই পরিস্থিতিতে কোন কারণে অসুবিধা হলেও তাদের বেতন-ভাতা এবং একইসঙ্গে বকেয়া পরিশোধের ব্যবস্থা করতে সংশ্লিষ্ট চ্যানেলগুলোর পরিচালনা পর্ষদকে অনুরোধ জানান। ড. হাছান আরও বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে কিভাবে সংবাদকর্মীদের স্বাস্থ্যসুরক্ষা দেয়া যায় এবং আজকে যে ঝুঁকির মধ্যে তারা কাজ করছেন এটার ক্ষেত্রেও কি করা যায় সেগুলো নিয়েও আমরা কাজ করছি। ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের সভাপতি রেজওয়ানুল হক রাজার নেতৃত্বে সেন্টার সচিব শাকিল আহমেদ এবং সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, নজরুল কবীর ও শাহনাজ শারমিন বৈঠকে অংশ নেন।
ছুটি বাড়ানোর প্রজ্ঞাপন,গণমাধ্যম এ ছুটির আওতাবহির্ভূত থাকবে
১১এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:করোনা মোকাবেলায় আবারো বাড়ানো হয়েছে সরকারি ছুটির মেয়াদ। সাধারণ ছুটি ও যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে শনিবার (১১ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে সংশোধিত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) পাঁচটি নির্দেশনা পালনের শর্তে আগামী ১৫ থেকে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে আদেশ জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সন্ধ্যা ৬টার পর কেউ ঘরের বাইরে বের হতে পারবেন না। এই নির্দেশ অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে এই নিষেধাজ্ঞা কোন সময় পর্যন্ত বলবৎ থাকবে তা প্রজ্ঞাপনে ছিল না। সংশোধিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সন্ধ্যা ৬টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত কেউ ঘরের বাইরে বের হতে পারবেন না। এই নির্দেশ অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জরুরি পরিষেবার (বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট ইত্যাদি) ক্ষেত্রে এ ব্যবস্থা প্রযোজ্য হবে না জানিয়ে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কৃষিপণ্য, সার, কীটনাশক, জ্বালানি, সংবাদপত্র, খাদ্য, শিল্প-পণ্য, চিকিৎসা সরঞ্জামাদি, জরুরি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহন এবং কাঁচাবাজার, খাবার, ওষুধের দোকান ও হাসপাতাল এ ছুটির আওতাবহির্ভূত থাকবে। জরুরি প্রয়োজনেও অফিস খোলা রাখা যাবে। সংশোধিত প্রজ্ঞাপনে সংবাদপত্র বাদ দিয়ে সেখানে গণমাধ্যম (ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া) প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।
আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত গণপরিবহন বন্ধ
১১এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাস রোধে দেশজুড়ে চলমান গণপরিবহন বন্ধের সিদ্ধান্ত আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত বর্ধিত করেছে সরকার। শনিবার সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উপপ্রধান তথ্য কর্মকর্তা আবু নাছেরের সই করা একটি প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য জানা গেছে। সাধারণ ছুটির মেয়াদ বাড়ানোর সঙ্গে তাল মিলিয়ে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ সময়ে পর্যন্ত সন্ধ্যা ৬টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত বাইরে বের হওয়াও নিষিদ্ধ করেছে সরকার। তবে জরুরি পরিষেবাসমূহ, খাদ্যদ্রব্য, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, জ্বালানি, ঔষধ, ঔষধশিল্প ও চিকিৎসা বিষয়ক সামগ্রী পরিবহন, কৃষিপণ্য, সার ও কীটনাশক, মৎস্য এবং প্রাণীসম্পদ খাতের দুগ্ধ ও দুগ্ধজাত পণ্য, শিশুখাদ্য, জীবনধারণের মৌলিক উপাদান উৎপাদন ও পরিবহন, গণমাধ্যম ও ত্রাণবাহী পরিবহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে। পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন করা যাবে না বলেও সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ জানিয়েছে। এদিকে করোনাভাইরাসের প্রকোপ মোকাবেলায় সাধারণ ছুটির মেয়াদ ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এ সময়ে পর্যন্ত সন্ধ্যা ৬টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত বাইরে বের হওয়াও নিষিদ্ধ করেছে সরকার।
কেন্দ্রীয় কারাগারে রাতেই কার্যকর হতে পারে বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের ফাঁসি
১১এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনি আব্দুল মাজেদের ফাঁসির রায় রাতেই কার্যকর হতে যাচ্ছে। এ জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ফাঁসির মঞ্চ। সূত্র জানায়, মাজেদের ফাঁসি কার্যকর হলে এটিই হবে কেরানীগঞ্জে কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রথম ফাঁসি। কারাগার সূত্র জানায়, এরইমধ্যে মঞ্চটি ধোয়া-মোছার কাজ শেষ হয়েছে। সম্পন্ন প্রস্তুত রয়েছে ফাঁসি কার্যকরের জন্য। প্রাথমিকভাবে বাছাই করা হয়েছে জল্লাদেরও। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় থেকে ফাঁসি কার্যকরের সময় পেলে মহড়া করা হবে। গতকাল মাজেদের সঙ্গে স্ত্রী সালেহা বেগমসহ তার পরিবারের পাঁচ সদস্য দেখা করেছেন।
ত্রাণ বিতরণে অনিয়ম হলে তা সহ্য করা হবে না:সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের
১১এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে ত্রাণ বিতরণে অনিয়ম হলে তা সহ্য করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। আজ শনিবার সকালে নিজ বাসভবনে ব্রিফিংকালে এই হুঁশিয়ারি দেন তিনি। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ত্রাণ বিতরণের নামে কোন রকম অনিয়ম সহ্য করা হবে না। খেটে খাওয়া মানুষের ত্রাণ ঘরে ঘরে গিয়ে পৌঁছে দিতে হবে। সমাজের বিত্তবান ও দলের নেতাকর্মীদের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহবান জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এই চলমান প্রয়াস আরও জোরদার করতে হবে। একটি কুচক্রী মহল গুজব ছড়াচ্ছে অভিযোগ করে তাদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোমার আহ্বান জানান সেতুমন্ত্রী। ঘরে অবস্থান এবং সামাজিক দূরত্ব যারা মানবেন না তারা নিজেরাই নিজেদের বিপদ ডেকে আনছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের। তিনি আরও বলেন, অচেনা ভাইরাসটি যেন ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে না পড়ে সেজন্য সাবধানতার অংশ হিসেবে সরকার বাস, ট্রেন, লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে। এছাড়া দেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু দেশ এক ধরনের লকডাউনের মধ্যে থাকায় বিপাকে পড়েছেন দিন এনে দিন খাওয়া মানুষরা। রোজগারের পথ বদ্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের কঠিন সময় পার হতে হচ্ছে। এ অবস্থায় তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে সরকার। কিন্তু ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করতে গিয়ে অনেক জায়গায় অনিয়মের খবর আসছে গণমাধ্যমে। ত্রাণ বিতরণে যেন অনিময় না হয় সেজন্য হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন ওবায়দুল কাদের। এ সময় সকল মতপার্থক্য ভুলে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সংস্কৃতিক, পেশাজীবী ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে ধৈর্য এবং সাহসিকতার সঙ্গে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলা করারও আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের। পদ্মাসেতু নিয়ে মন্ত্রী বলেন, এই সংকটের সময়েও সুখবর হচ্ছে দেশের বৃহত্তর প্রকল্প পদ্মাসেতুর ২৮ তম স্প্যান আজ বসানো হয়েছে। ফলে ৬ দশমিক এক পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সেতু এখন ৪ দশমিক দুই কিলোমিটার দৃশ্যমান হলো।
চাল চোরদের প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড দেয়া উচিত
১১এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কমলিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট ও জাতীয় মুক্তিমঞ্চের আহ্বায়ক ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, লকডাউনের কারণে সমগ্র দেশে কয়েক কোটি হতদরিদ্র এবং বেকার মানুষ অতি কষ্টে জীবন যাপন করছেন। জাতির এই ক্রান্তিকালে যারা গরিবের হক মেরে খায় তাদের প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড দেয়া উচিত। কারণ এরা দেশের শত্রু এবং মানবতার শক্রু। এ ধরনের পশুদের বেঁচে থাকার কোনো অধিকার নেই। শনিবার এলডিপির সাংগঠনিক সম্পাদক সালাহউদ্দিন রাজ্জাক স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, মানুষের এই কষ্ট লাঘবের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে স্বল্পমূল্যে চাল এবং নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী বিতরণের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। কিন্তু করোনাভাইরাসের মতো এতো বড় মহামারির মধ্যেও দুর্নীতিবাজরা এই ত্রাণ সামগ্রী ও স্বল্পমূল্যের চাল আত্মসাৎ করতে ব্যস্ত। প্রতিদিন আমরা মিডিয়াতে যে পরিমাণ করোনা ভাইরাসের রোগীর তালিকা পাচ্ছি তার চেয়েও বেশি পাচ্ছি চাল চোরের সংখ্যা। কর্নেল (অবঃ) অলি আহমদ সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, সরকারকে অনুরোধ করবো এই ত্রাণ সামগ্রী এবং স্বল্পমূল্যের চালগুলো সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের তত্ত্বাবধানে বিতরণ করা একান্তই প্রয়োজন। এতে হতদরিদ্র, বেকার শ্রমিকরা উপকৃত হবে এবং জনগণও শান্তিতে থাকবে ।
আগামীকাল ১৬টি জেলার সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্স প্রধানমন্ত্রীর
১১এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:এবার খুলনা ও বরিশাল বিভাগের করোনা সম্পর্কিত খোঁজ খবর নেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দুই বিভাগের ১৬টি জেলার সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে তিনি যুক্ত হবেন আগামীকাল রোববার। গণভবন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, রোববার সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে এই ভিডিও কনফারেন্স করবেন শেখ হাসিনা। কনফারেন্সটি বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতার সরাসরি সম্প্রচার করবে। এর আগে ৫ এপ্রিল ভিডিও কনফারেন্সে সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের ১৩টি জেলার করোনা সম্পর্কিত খোঁজ নেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জাতীয় পাতার আরো খবর