সচিবদের আরও বেশি করে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
১৩ জুলাই২০১৯,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম/ঢাকা :সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা সচিবদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশ ও দেশের মানুষের ভালো থাকার স্বার্থে সবাই মনোযোগ দিয়ে আরও বেশি করে কাজ করবেন। তিনি বলেন, শুধু ১০টি মন্ত্রণালয়/বিভাগ কেন? আগামীতে প্রত্যেক মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে পুরস্কার দিতে চাই। পুরস্কার পাওয়ার বিষয়টি মাথায় রেখে কাজ করবেন, আশা করি। শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে মন্ত্রণালয়/বিভাগগুলোর ২০১৯ ও ২০২০ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম। এ ছাড়া জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান ও বিদ্যুৎ সচিব আহমদ কায়কাউস বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কাজের উন্নয়নের ওপর একটি ভিডিও চিত্র প্রদর্শন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, প্রসাশনের কর্মকর্তাদের আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার ফলেই দেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের মানুষ অপনাদের কাজের সুফল পাচ্ছে। কর্মকর্তাদের কাজের ফলেই আমাদের প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি পেয়েছে, মাথা পিছু আয় বেড়েছে। দেশ এগিয়ে যাওয়া এবং মানুষের মাথাপিছু আয় বেড়ে যাওয়ার ফলেই আজ আমরা ৫ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকার বাজেট দিতে পেরেছি। ৫ লাখ কোটি টাকার বাজেট কবে দিতে পারব, এটা নিয়ে আমি এবং সাবেক অর্থমন্ত্রী মুহিত সাহেবের সঙ্গে অনেক দিন আলাপ করেছি। শেষ পর্যন্ত সেই বাজেট আমরা দিলাম কিন্তু মুহিত সাহেব দিতে পারলেন না, যা হোক ওনার বয়স হয়ে গেছে। এ কারণে সম্ভব হয়নি। শেখ হাসিনা বলেন, দীর্ঘ প্লান ছাড়া দেশকে এগিয়ে নেয়া সম্ভব না। এ কারণে আমরা সবসময় দীর্ঘ মেয়াদি প্লান নিয়ে কাজ করছি। আগামী ২১ এবং ৪১ সালকে সামনে রেখে আমরা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। এ পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায় হলে ৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে দক্ষিণ এশিয়ার উন্নত একটি দেশ। তিনি বলেন, গ্রামের ও শহরের মধ্যে সুযোগ সুবিধার ষৈম্য কমাতে চাই। তৃণমূল পর্যায়ের মানুষকে আধুনিক সুযোগ সুবিধা দিতে চাই। এ জন্য আমরা নির্বাচনী ইশতেহারে আমার গ্রাম আমার শহর কর্মসূচি ঘোষণা করেছি।
অচিরেই রাজধানীকে ডেঙ্গুমুক্ত নগর হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা
১৩ জুলাই২০১৯,শনিবার,নিউজ একাত্তর ডট কম/ঢাকা :অচিরেই রাজধানীকে ডেঙ্গুমুক্ত নগর হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র সাঈদ খোকন। তিনি বলেছেন, গত কয়েক বছরের তুলনায় এ বছর ডেঙ্গুর প্রকোপ অনেক বেশি। এটা মোকাবেলায় আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। ইতোমধ্যে আমাদের মশক নিধন শুরু হয়েছে, পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল টিম কাজ শুরুর অপেক্ষায় রয়েছে। শনিবার রাজধানীর খিলগাঁও এলাকায় ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত সুমি আক্তারের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে এসে মেয়র এ কথা বলেন। ডিএসসিসি মেয়র বলেন, রাজধানী ঢাকায় গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি। আমরা এর মোকাবেলায় সর্বোচ্চ কার্যক্রম পরিচালনা করছি। আগামীকাল রোববার (১৪ জুলাই) থেকে ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল টিম পরিচালনা করা হবে। নগরবাসীকে বিনামূল্যে ওষুধ সরবরাহ করা হবে। কোনো নাগরিক যদি এ মেডিকেল টিমের সঙ্গে যোগাযোগ না করতে পারেন, তবে চাইলে আমাকে ফোন করতে পারেন, আমি আমার নাগরিকের জন্য চলে আসবো। তিনি বলেন, আমার এলাকায় বসবাস করা একজন নাগরিক (সুমি আক্তার) ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন, আমি তাকে সম্পূর্ণ নিজ দায়িত্ব থেকে দেখতে এসেছি। তার খোঁজখবর নিয়েছি এবং তাকে আশ্বস্ত করেছি, আমরা সবাই মিলে একটি বাসযোগ্য নগর গড়ে তুলবো। আমাদের সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে আমরা মশক নিধন করার চেষ্টা করছি। আশা করি আমরা সফল হবো। তবে এ বিষয়ে সব নাগরিকের সহযোগিতা প্রয়োজন, তাদের সচেতনতা জরুরি। ডেঙ্গু আক্রান্ত সুমি আক্তারের জন্য ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৫০ লাখ টাকা চেয়ে তার স্বামী সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তানজিম আল ইসলামের রিটের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে মেয়র বলেন, এটা আইনের বিষয়। একজন নাগরিক রিট করেছেন, এটা নেতিবাচক কিছু নয়। আমাদের আইন বিভাগ এটা দেখছে। যেহেতু আইনের মাধ্যমে এটা মোকাবেলা হবে, এ নিয়ে আমি কিছু বলতে পারবো না। তবে এখানে আসা আমার নিজ উদ্যোগে, আমার নাগরিক কষ্ট পেলে আমি বসে থাকতে পারি না। রিটকারী আইনজীবী তানজিম আল ইসলাম বলেন, ক্ষতিপূরণ চাওয়া মানেই ক্ষতিপূরণ পাওয়া নয়। আমি সব নাগরিকের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেছি কোর্টে। তবে মেয়রের আন্তরিকতা দেখে আমরা মুগ্ধ। পরবর্তী বিষয় বিবেচনা করে দেখবো আমি মামলা করবো কি-না। এ সময় ডিএসসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মোহাম্মদ শরিফ মাহমুদ, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপক এয়ার কমোডর জাহিদ হাসান, অতিরিক্ত প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপক খন্দকার মিল্লাতুন ইসলামসহ সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট এলাকার কাউন্সিলররা উপস্থিত ছিলেন।
৩৯ হাজার ৯৫৩ জন হজযাত্রী সৌদি আরব পৌঁছেছেন
১৩ জুলাই২০১৯,শনিবার,নিউজ একাত্তর ডট কম :সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে ১০৯টি হজ ফ্লাইটে ৩৯ হাজার ৯শ ৫৩ জন হজযাত্রী সৌদি আরব পৌঁছেছেন। আজ ঢাকায় হজ অফিসের ৯ম বুলেটিনে জানানো হয়, সরকারি ব্যবস্থাপনায় বিমান বাংলাদেশের ৫৪টি হজ ফ্লাইট ও সৌদি এয়ার লাইন্সের ৫৫টি হজ ফ্লাইটে এসব হজ যাত্রী সৌদি আরবের বাদশাহ আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে নিরাপদে অবতরণ করেন। শুক্রবার পর্যন্ত ১০৯টি বিমানে ৩৯ হাজার শ ৫৩ জন হজ যাত্রীর মধ্যে ৪হাজার ১৮৫ জন সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৩৫ হাজার ৭ শ ৬৮ জন হজযাত্রী সৌদি আরব গিয়েছেন। প্রথমবারের মত সৌদি আরবের (পিঅ্যারাইভাল ইমিগ্রেশন) ঢাকায় বাংলাদেশ বিমান বন্দর থেকে চালু হয়েছে। যার ফলে সৌদি আরবের বিমান বন্দরে পৌছেঁ হজযাত্রীরা ইমিগ্রেশনের জন্য অপেক্ষা না করে সরাসরি বের হয়ে সহজেই গন্তেব্যে পৌঁছতে পারছেন। এবার সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ লাখ ২৬ হাজার ৯ শ ২৩ জন হজযাত্রী সৌদি আরব যাবেন। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১০ আগস্ট হজ অনুষ্ঠিত হবে বলে ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। সৌদি আরবে হজ যাত্রীদের যাত্রার শেষ ফ্লাইট হবে আগামী ৫ আগস্ট এবং আগামী ১৭ আগস্ট থেকে প্রথম ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে।বাসস । ১৩ জুলাই২০১৯,শনিবার,নিউজ একাত্তর ডট কম / ঢাকা
বিএনপি জিয়া হত্যার বিচার চায়নি কেন:তথ্যমন্ত্রী
১৩ জুলাই২০১৯,শনিবার,স্টাফ রিপোর্টার,নিউজ একাত্তর ডট কম:শনিবার বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে বিএনপির ঊর্ধ্বতন নেতারা জড়িত কি-না সেটাও দেখা দরকার বলে মন্তব্য করেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ । বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস উপলক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।আলোচনা সভায় তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে বিএনপির ঊর্ধ্বতন নেতারা জড়িত কিনা সেটাও দেখা দরকার। জিয়া হত্যার পর সবচেয়ে বেশি বেনিফিশিয়ারি, সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছেন তারেক রহমানের মা খালেদা জিয়া।তিনি দুইবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। বিএনপির মতো একটি দলের চেয়ারপারসন হয়েছেন। দুই দুবার রাষ্ট্র পরিচালনায় থেকেও বিএনপি জিয়া হত্যার বিচার চায়নি কেন- এ রহস্য উন্মোচন প্রয়োজন। জিয়ার হত্যাকাণ্ড নিয়ে মামলা করলেন না কেন, মামলাটা চালালেন না কেন?,প্রশ্ন করেন তথ্যমন্ত্রী। আয়োজক সংগঠনের সহ-সভাপতি ও স্বাধীন বংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী খন্দকার রফিকুল আলমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, কামাল চৌধুরী, অরুণ সরকার রানা প্রমুখ। ১৩ জুলাই২০১৯,শনিবার,নিউজ একাত্তর ডট কম / ঢাকা
দুর্নীতির কারণে উন্নয়নের ক্ষতি বরদাশত করব না: প্রধানমন্ত্রী
১৩জুলাই২০১৯,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সারাদিন আমরা খেটে এতো কাজ করি। যদি দুর্নীতির কারণে সব নষ্ট হয়ে যায়, তা সত্যি দুঃখজনক। যারা কাজ করে তাদের এ ব্যাপারে সচেতন করতে হবে যে এটা কখনোই আমরা বরদাশত করবো না। আজ শনিবার (১৩ জুলাই) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ২০১৯-২০ অর্থবছরে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা সচিবদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ ও দেশের মানুষের স্বার্থে সবাই মনোযোগ দিয়ে বেশি করে কাজ করবেন। শেখ হাসিনা বলেন, আন্তরিকতার সঙ্গে প্রশাসনের কর্মকর্তারা কাজ করার ফলেই আজ দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। মানুষ আপনাদের কাজের সুফল পাচ্ছে। কর্মকর্তাদের কাজের ফলেই প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি পেয়েছে, আয় বেড়েছে মাথা পিছু। তিনি বলেন, দেশকে দীর্ঘ প্লান ছাড়া এগিয়ে নেয়া সম্ভব না। সবসময় আমরা দীর্ঘ মেয়াদি প্লান নিয়ে কাজ করছি। আমরা আগামী ২১ এবং ৪১ সালকে সামনে রেখে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। তা বাস্তবায়ন হলে ৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে দক্ষিণ এশিয়ার উন্নত একটি দেশ ক্ষুধা দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আমরা ২০২১ সালে আমাদের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করবো। জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী ও ২০২১ সালকে মুজিব বর্ষ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছি। বাংলাদেশে এর মধ্যে একটা ভিক্ষুক, একটা মানুষ গৃহহারা থাকবে না। না খেয়ে কষ্ট পাবে না একটা মানুষ। মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলো আমরা পূরণ করব। অনুষ্ঠানে গেল অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ পারফরম্যান্সকারী মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরগুলোকে পুরস্কৃত করা হয়।
বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও তথ্য সংগ্রহে কন্ট্রোল রুম চালু
১৩জুলাই২০১৯,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সারাদেশের বন্যা পরিস্থিতির সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ ও তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ লক্ষ্যে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে (সচিবালয়স্থ ৬নং ভবনের ৫ম তলা) কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ৪২৫ নম্বর রুমে স্থাপিত কন্ট্রোল রুমের ফোন নম্বর ০২৯৫৭০০২৮। এই কন্ট্রোল রুমে সারাদেশে বন্যা সংক্রান্ত তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করা হবে। বন্যা সংক্রান্ত তথ্য প্রদানের জন্য জনগণকে কন্ট্রোল রুমের বর্ণিত নাম্বারে ফোন করার অনুরোধ করা হয়েছে। এ ছাড়াও মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের টোল ফ্রি ১০৯০ নাম্বারে ফোন করার পর ৫ প্রেস করে বন্যার পূর্বাভাস সংক্রান্ত তথ্য জানা যাবে।
দেশের বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার প্রস্তুত,স্থাপন করা হয়েছেকন্ট্রোল রুম
১৩জুলাই২০১৯,শনিবার,স্টাফ রিপোর্টার,নিউজ একাত্তর ডট কম:এখন বৃষ্টি, বন্যা হচ্ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের কোথায় কী ঘটছে তা প্রতিনিয়ত খবর নিচ্ছেন তারা। যার যার দায়িত্ব সবাই পালন করছে। এখানে শৈথিল্য নাই।শুক্রবার গণভবনে দলের উপদেষ্টা পরিষদ ও কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকের আগে দেওয়া বক্তব্যে আওয়ামী লীগ সভাপতি এ কথা বলেন। তিনি প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকারের পাশাপাশি দলের নেতা-কর্মীদেরকেও সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলার সক্ষমতা বাংলাদেশের রয়েছে। এখন বলার প্রয়োজন হয় না। এমনভাবে সিস্টেম করা আছে যেকোন প্রাকৃতিক দূর্যোগ আসলে কার কী করণীয় সঙ্গে সঙ্গে তারা সেই কাজগুলো করে।আমাদের রাজনৈতিক দলকেও সক্রিয় থাকতে হবে। যে কোন দুর্যোগ মোকাবেলায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মানুষের পাশে দাঁড়ায়।আমরা মানুষকে অবহেলা করে রাষ্ট্র পরিচালনা করি না। আমরা মানুষের সুখ-দুঃখের সাথী হয়ে, মানুষের বিপদে তাদের পাশে দাঁড়াব। মানুষের কল্যাণে কাজ করার নীতি নিয়ে কাজ করি বলেই আজকে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর দেশ গড়তে বঙ্গবন্ধুর চেষ্টার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে দেশের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করা হয়।২১ বছর (১৯৯৬) পরে আমরা যখন ক্ষমতায় আসি তখন আমাদের লক্ষ্যই ছিল অর্থনৈতিকভাবে বাংলাদেশকে স্বাবলম্বী করা। বাংলাদেশকে মর্যদাশীল জাতি হিসাবে গড়ে তোলা। বাংলাদেশ যেন বিশ্বের বুকে তাদের হারানো যেন ফিরে পায় সেটা আমাদের প্রচেষ্টা ছিল। কিন্তু তখন আমরা পাঁচবছর ক্ষমতায় থাকতে পেরেছিলাম। ওই পাঁচবছরে আমরা যথেষ্ট উন্নয়ন কাজ করেছিলাম। কিন্তু সেটার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারেনি। এরপর ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠনের এখন ২০১৯ পর্যন্ত আমরা ক্ষমতায় আছি। এই এক দশকের মধ্যে আজকে বাংলাদেশ সমগ্র বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। আমাদের এই চলার পথ সহজ ছিলো তা না, কঠিন ছিলো। পদে পদে বাধা, অগ্নিসন্ত্রাস, খুন, নির্যাতন অনেক কিছু সহ্য করতে হয়েছে। তারপরেও আমরা কিন্তু এগিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছি।আমরা যে উন্নয়নশীল দেশ হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছি তা ধরে রাখা। যার জন্য রাজনৈতিক শক্তি খুব প্রয়োজন, সংগঠন প্রয়োজন। জনগণের সমর্থন প্রয়োজন। আজকে বাংলাদেশকে আমরা এখানে নিয়ে আসতে পেরেছি জনগণের শক্তির কারণে।উন্নয়নে সরকারের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক দল হিসাবে নিজেদের একটা চিন্তাভাবনা, পরিকল্পনা ছিল যে আমরা সরকারে আসলে কী করব? কোথায় যাব? সেগুলো তৈরি করা ছিলো বলেই আমরা সরকারে আসার পরেই কাজগুলো করতে পেরেছি।আগামীদিনে দেশকে কোথায় নিয়ে যেতে চাই, সেই পরিকল্পনাও আমাদের রয়েছে। সেই প্রস্তুতিও আমাদের নিতে হবে। সেই পথগুলো আমাদের ধাপে ধাপে এগিয়ে যেতে হবে। বাধাগুলো আমাদের অতিক্রম করতে হবে।এই লক্ষ্য পূরণে আওয়ামী লীগকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করাও তাগিদ দেন দলের সভাপতি। বলেন, আমাদের চিন্তাচেতনার নিরিখে সমন্বিত করে প্রতি পদক্ষেপে যেন পরিকল্পনা নিয়ে সুষ্ঠুভাবে সকল বাধাকে অতিক্রম করে এগোতে পারি ।উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা আমাদের থিংকট্যাঙ্কের মতো। আপনাদের সকলকে আরেকটু সক্রিয় হতে হবে। আমাদের অফিসসহ সব ব্যবস্থাই করা রয়েছে। আমাদের প্রতিটি বিষয়ের উপ-কমিটিও রয়েছে সেখানে আপনারা অনেকেই বসেন। সেখানে আপনারা মিটিং করেন সেটা অব্যাহত রাখতে হবে এবং ভবিষ্যতে আরও পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।দেশের কিছু লোক রয়েছে তাদের কিছুই ভালো লাগে না- এমন মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা অর্থনৈতিক ভাবে যতদূরই আগাই, কিন্তু কিছু লোকের এটাকে সবসময় ভিন্ন চোখে দেখা অভ্যাস। এরা আসলে কখনও গণতান্ত্রিক ধারাটা চায় না। গণতান্ত্রিক ধারাটা হলে আমার মনে হয় তাদের দম বন্ধ হয়ে যায়, তারা বোধহয় নিঃশ্বাস নিতে পারেন না। অস্বাভাবিক কিছু থাকলে তাদের মনে হয় তাদের দাম বাড়ে।সারা দেশের বন্যা পরিস্থিতির সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ ও তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের লক্ষ্যে কন্ট্রোল রুম চালু করেছে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়। আজ শুক্রবার পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।বার্তায় বলা হয়, দেশের বন্যা পরিস্থিতির পর্যবেক্ষণ ও তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের লক্ষ্যে সচিবালয়ের ৬ নম্বর ভবনের পঞ্চম তলায় কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে। ৪২৫ নম্বর রুমে স্থাপিত কন্ট্রোল রুমের ০২৯৫৭০০২৮ ফোন নম্বরে বন্যাসংক্রান্ত তথ্য দেওয়ার জন্য জনগণকে অনুরোধ করা হয়েছে।এ ছাড়া মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের টোল ফ্রি ১০৯০ নম্বরে ফোন করার পর ৫ প্রেস করে বন্যার পূর্বাভাসসংক্রান্ত তথ্য জানা যাবে বলেও জানানো হয়েছে ওই বার্তায়।
নদী-সমুদ্রে দূষণ বন্ধ করতে হবে : পরিবেশমন্ত্রী
১২জুলাই২০১৯,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:নদী-সমুদ্রে দূষণ বন্ধ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী শাহাবউদ্দিন। তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী আজ সচেতনতা তৈরির সময় হয়েছে। সমুদ্র হচ্ছে পৃথিবীর শরীরের রক্তপ্রবাহ। রক্তপ্রবাহ দূষিত হলে যেমন মানুষ বাঁচে না, তেমনি সমুদ্র দূষিত হলেও পৃথিবী বাঁচবে না। শুক্রবার (১২ জুলাই) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে পরিবেশ মন্ত্রণালয়, ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশন ও সাউথ এশিয়া কো-অপারেটিভ এনভায়রনমেন্টাল প্রোগ্রামের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত লন্ডন প্রটোকল এর ওপর অনুষ্ঠিত এক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার ও পরিবেশ সচিব আবদুল্লাহ আল মোহসীন চৌধুরী। মন্ত্রী বলেন, পরিবেশের একটি বড় অংশ ও পানির প্রধান উৎস হচ্ছে সমুদ্র। এই প্রধান উৎসকে আমরা নষ্ট করে দিচ্ছি নানা রকম দূষণের মাধ্যমে। মানবসমাজের আচরণ দেখে মনে হয় বর্জ্য অপসারণের সবচেয়ে উপযোগী স্থান হচ্ছে সমুদ্র, যা মোটেই উচিত হচ্ছে না। বছরে ২৫০ মিলিয়ন টন বর্জ্য নিক্ষিপ্ত হচ্ছে সমুদ্রে। সবচেয়ে ভয়াবহ হচ্ছে প্লাস্টিক বর্জ্যে সমুদ্র দূষণ। তারপর রয়েছে তেলজাতীয় পদার্থ ও জাহাজ থেকে নিক্ষিপ্ত অন্যান্য বর্জ্য। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ উপমন্ত্রী বলেন, শুধু সমুদ্র নয়, নদীমাতৃক এই দেশ, দেশের পরিবেশ রক্ষা করতে হলে আমাদের নদীগুলোকে দূষণের হাত থেকে রক্ষা করতে হবে। যারা নদীদূষণ করছে আমরা চেষ্টা করছি তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে। পাশাপাশি জনগণকেও এ বিষয়ে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। বর্জ্য ও অন্যান্য পদার্থের ডাম্পিংয়ে সামুদ্রিক দূষণ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালে ৮৭টি দেশের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় সংক্ষিপ্ত লন্ডন কনভেনশন। সামুদ্রিক দূষণের উৎসগুলি চিহ্নিত করা, দূষণ প্রতিরোধে বর্জ্য পদার্থ ও অন্যান্য বিষয়গুলির কার্যকর নিয়ন্ত্রণ করাই ছিল ওই কনভেনশনের লক্ষ্য। তারই ধারাবাহিকতায় কনভেনশনের সিদ্ধান্তগুলো আধুনিকায়ন ও যুগোপযোগী করার জন্য ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত হয় লন্ডন প্রটোকল। বাংলাদেশসহ ৫১টি রাষ্ট্র এতে সই করে। ২০০৬ সালের ২৪ মার্চ থেকে ৫১টি রাষ্ট্রের স্বাক্ষরিত লন্ডন প্রটোকল কার্যকর হয়। অনুষ্ঠানে সাউথ এশিয়া কো-অপারেটিভ এনভায়রনমেন্টাল প্রোগ্রামের ডিরেক্টর জেনারেল ড. আবাস বাসির ও ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের প্রতিনিধি অ্যান্ড্রো ব্রিকেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
আমাদের লক্ষ্য একটি মানুষও দরিদ্র থাকবে না, গৃহহারা থাকবে না :প্রধানমন্ত্রী
১২জুলাই২০১৯,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:সারাদেশের বন্যপরিস্থিতি বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যে কোনো দুর্যোগ মোকাবিলার প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে। বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে আমি নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানাই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে শুক্রবার (১২ জুলাই) উপদেষ্টা পরিষদ ও কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে তিনি এ আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা মানুষকে অবহেলা করে রাষ্ট্র চালাই না। মানুষের পাশে থেকে, বিপদে তাদের পাশে থেকে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। এভাবেই আমাদের দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য একটি মানুষও দরিদ্র থাকবে না, গৃহহারা থাকবে না। কোনো মানুষ বিনা চিকিৎসায় কষ্ট পাবে না। শুক্রবার বিকেল চারটায় উপদেষ্টা পরিষদ এবং বিকেল সাড়ে চারটায় কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠক শুরু হয়। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। আওয়ামী লীগের দলীয় সূত্র জানায়, এ দুটি বৈঠকে দলের আগামী সম্মেলন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং দলের অভ্যন্তরীণ সাংগঠনিক অবস্থা নিয়ে আলোচনা হবে। বৈঠকে উপজেলা নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে যারা নির্বাচন করেছেন এবং যারা তাদের সমর্থন করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে শাস্তির সিদ্ধান্ত আসতে পারে। এছাড়া, দলের নেতাদের সাংগঠনিক সফরের প্রতিবেদন নিয়েও কথা হতে পারে।

জাতীয় পাতার আরো খবর