রবিবার, আগস্ট ১৮, ২০১৯
বুধবারই ঈদ
৪জুন২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ায় আগামীকাল বুধবার (৪ জুন) বাংলাদেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। মঙ্গলবার রাতে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির ফের বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর সভাপতিত্বে ওই বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে সন্ধ্যায় বৈঠকে বসেছিল কমিটি। তখন দেশের কোথায় চাঁদ দেখার খবর পাওয়া যায়নি বলে জানায় কমিটি। এই সংবাদ ও আবাহাওয়া অফিসের তথ্য বিশ্লেষণ করে তখন কমিটি জানায়, চলতি বছর দেশে ৩০টি রোজা পালিত হবে এবং ঈদ উদযাপিত হবে বৃহস্পতিবার। তবে এর কিছুক্ষণ পর আবারও বৈঠকে বসে কমিটি।
রাজধানীতে ঈদের জামাত কখন কোথায়
৪জুন২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজ শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেলে বুধবার পালিত হবে পবিত্র ঈদুল ফিতর। রাজধানীসহ সারা দেশের বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহ এরই মধ্যে ঈদের জামাতের জন্য পূর্ণ প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। রাজধানী ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে এবার সাড়ে ৫ শতাধিক স্থানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) ৫৪টি ওয়ার্ডে মোট ২৭০টি স্থানে ঈদ জামাতের জন্য প্যান্ডেলের অনুমতি দেয়া হয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৫৭টি ওয়ার্ডে ২৮৫টি স্থানে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এর বাইরে মসজিদ, মাদ্রাসায়ও ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, রাজধানীতে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত জাতীয় ঈদগাহে সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। এখানে রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রিসভার সদস্য, কূটনৈতিকসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা নামাজ আদায় করবেন। এখানে ইমামতি করবেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান। বিকল্প ইমাম হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মিরপুর জামেয়া আরাবিয়ার শায়খুল হাদিস মাওলানা সৈয়দ ওয়াহীদুযযামান। আর আবহাওয়া অনুকূলে না থাকলে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে সকাল ৯টায় প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ডিএসসিসি এরই মধ্যে জাতীয় ঈদগাহে লাখো মুসল্লির জন্য ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায়ের যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। ঈদগাহের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সোমবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া জানান, জাতীয় ঈদগাহে নামাজ পড়তে আসা মুসল্লিরা জায়নামাজ ও ছাতা ছাড়া কোনো কিছু সঙ্গে আনতে পারবেন না। জাতীয় ঈদগাহে প্রবেশ করার আগে প্রত্যেক মুসল্লিকে তিন ধাপে তল্লাশি করা হবে। বায়তুল মোকাররমে পাঁচ জামাত বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পর্যায়ক্রমে ৫টি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম জামাত সকাল ৭টায়, দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টায়, তৃতীয় জামাত সকাল ৯টায়, চতুর্থ জামাত সকাল ১০টায় এবং পঞ্চম ও সর্বশেষ জামাত বেলা পৌনে ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম ও দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করবেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মুহিবুল্লাহিল বাকী নদভী ও হাফেজ মাওলানা মহিউদ্দিন কাসেম। তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম তথা শেষ জামাতে ইমামতি করবেন যথাক্রমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মাওলানা মুশতাক আহমাদ, মুহাদ্দিস মুফতি মাওলানা ওয়ালীয়ূর রহমান খান এবং সহকারী পরিচালক মাওলানা জুবাইর আহাম্মদ আল আযহারী। সংসদ ভবনের জামাত সকাল ৮টায় বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৮টায়। এতে মন্ত্রিসভার সদস্য, জাতীয় সংসদের হুইপ, সংসদ সদস্য ও সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ এলাকার মুসল্লিরা অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ঢাবি কেন্দ্রীয় মসজিদে দুটি জামাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কেন্দ্রীয় মসজিদে ঈদুল ফিতরের দুটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৮টায় প্রথম জামাত ও সকাল ৯টায় দ্বিতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের প্রধান গেটসংলগ্ন মাঠ এবং শহীদুল্লাহ হলের প্রধান গেটসংলগ্ন মাঠে সকাল ৮টায়, বাংলাদেশ জমঈয়তে আহলে হাদীসের উদ্যোগে সকাল সাড়ে ৭টায় ঢাবি খেলার মাঠে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। বুয়েট খেলার মাঠে জামাত পৌনে ৮টায় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত সকাল পৌনে ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। আবহাওয়া অনুকূলে না থাকলে ওই জামাত বুয়েট কেন্দ্রীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৮টায়। মসজিদ মিশনের কেন্দ্রীয় মসজিদ কাঁটাবনে ঈদুল ফিতরের তিনটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম জামাত সকাল ৭টায়, দ্বিতীয়টি পৌনে ৮টায় এবং তৃতীয়টি হবে সকাল সাড়ে ৮টায়। এছাড়া সায়েদাবাদ চিশতিয়া সাইদিয়া দরবার শরিফ জামে মসজিদে সকাল ৮টায়, নয়াপল্টন জামে মসজিদে (২৬ নয়া পল্টন) সকাল ৮টায়, ইসলামবাগ ঈদগাহ ময়দান (প্রথম জামাত) ও হাজারীবাগ পার্ক মাঠে সকাল ৭টায়। সকাল সাড়ে ৭টায় ঈদ জামাত হবে- সায়েদাবাদ আরজুশাহ দরবার শরীফ বড় মসজিদ (প্রথম জামাত), শনিরআখড়া পলাশপুর বায়তুর রহমত জামে মসজিদ (প্রথম জামাত), মানিকনগর পুকুরপাড় জামে মসজিদ, দক্ষিণ মুগদা ব্যাংক কলোনি রসূলবাগ জামে মসজিদ, মিরপুর-১১ নম্বর সেকশনের মসজিদে বায়তুল ফালাহ, মিরপুর-১২ নম্বর সেকশনের হারুন মোল্লা ঈদগাহ পার্ক ও খেলার মাঠ এবং কামরাঙ্গীরচর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে। উত্তর-পূর্ব মুগদা মদিনাবাগ কেন্দ্রীয় শাহী জামে মসজিদ, হাজারীবাগ ভাগলপুর শাহমস্তান জামে মসজিদে ঈদ জামাত হবে সকাল পৌনে ৮টায়। সকাল ৮টায় ঈদ জামাত হবে গুলশান সেন্ট্রাল মসজিদ ও ঈদগাহ ময়দান (প্রথম জামাত), বনশ্রী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ (প্রথম জামাত), লালবাগ শাহী মসজিদ, ধূপখোলার ইস্ট অ্যান্ড ক্লাব ময়দান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ, ধানমন্ডি ঈদগাহ জামে মসজিদ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী মসজিদে নূর ও খানকায়ে মোহাম্মদীয়া (প্রথম জামাত), ইসলামবাগ ঈদগাহ ময়দান (দ্বিতীয় জামাত), নয়াপল্টন জামে মসজিদ, টিকাটুলির ব্রাদার্স ইউনিয়ন খেলার মাঠ, মিরপুর ৯নং ওয়ার্ড শহীদ বুদ্ধিজীবী ঈদগাহ মাঠ, মোহাম্মদপুর বায়তুল ফালাহ জামে মসজিদ, খিলগাঁও সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠ (প্রথম জামাত), হাজারীবাগ পার্ক মাঠ (দ্বিতীয় জামাত), খিলক্ষেত কুর্মিটোলা হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠ, মগবাজার টিঅ্যান্ডটি কলোনি জামে মসজিদ, উত্তরা ৫নং সেক্টর সংলগ্ন ইসলামিক এডুকেশন সোসাইটি মসজিদে। সকাল সাড়ে ৮টায় ঈদ জামাত হবে নারিন্দা মুশুরীখোলা শাহ সাহেববাড়ী জামে মসজিদ, ফার্মগেটের বায়তুশ শরফ জামে মসজিদ, বনানী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, নীলক্ষেত বাবুপুরা শাহ সাহেব বাড়ি মরিয়ম বিবি শাহী মসজিদ (প্রথম জামাত), দক্ষিণ মুগদা ব্যাংক কলোনি রসূলবাগ জামে মসজিদ (দ্বিতীয় জামাত), খিলক্ষেত কুর্মিটোলা হাইস্কুল ঈদগাহ (দ্বিতীয় জামাত), মিরপুর বায়তুল ফালাহ মসজিদ (দ্বিতীয় জামাত), মিরপুরের দারুস সালাম ফুরফুরা দরবার শরীফের মারকাজে ইশা’আতে ইসলাম জামে মসজিদ, রূপনগর আরামবাগ ঈদগাহ ময়দান, মিরপুর বঙ্গবন্ধু শিশু উদ্যান, মোহাম্মদপুর শেখেরটেক ৩নং রোডস্থ মসজিদ আত তাকওয়া, বছিলা রোডস্থ হাজী লাট মিয়া ঘাট জামে মসজিদ, কামরাঙ্গীচর কেন্দ্রীয় ঈদগাহে দ্বিতীয় জামাত, বসুগাও মীর বাড়ি ঈদগাহ ময়দানে ঈদের দ্বিতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হবে। রাজধানীতে ঈদুল ফিতরের সর্বশেষ জামাত অনুষ্ঠিত হবে বেলা ১১টা ৩৫ মিনিটে চ্যানেল আই জামে মসজিদে।
ঈদ আনন্দ,নিরাপত্তা দিতে ব্যস্ত পুলিশ
৪ জুন২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: শুরু হয়ে গেছে ঈদ আনন্দ। ঈদের ছুটিতে প্রিয় মানুষকে কাছে পেয়ে আনন্দে মাতোয়ারা সবাই। এমন আনন্দ এখন ঘরে ঘরে হলেও কিছু মানুষের নেই কোনো ফুরসত। মেলে না ছুটি। উৎসব আনন্দে শামিল হতে পারেন না তারা। পেশাগত দায়িত্ব পালনেই তৎপর থাকতে হয়।ঘরমুখো মানুষের যাতায়াতে, রাস্তাঘাটে, ঈদগাহে, ঘরবাড়ি, ব্যাংক-বীমা আর বিনোদন কেন্দ্রে নিরাপত্তা দিতে বরাবরের মতো এবারো ঈদ-উল-ফিতরে ব্যস্ত রয়েছেন পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা। দায়িত্ব পালনে ব্যস্ত থাকা এসব মানুষ বলছেন, পরিবার-পরিজনের জন্য সবারই মন কাঁদে। আমাদেরও কাঁদে। তবে এই ভেবে ভালো লাগে যে, বৃহত্তর মানব গোষ্ঠী ও দেশের জন্য কাজ করতে গিয়ে আনন্দ ত্যাগ করতে পেরেছি।ঈদের সরকারি ছুটিতে অফিস আদালত যখন বন্ধ, তখন পুরোপুরিই খোলা রয়েছে থানা-ফাঁড়ি, তদন্ত কেন্দ্র, সচল রয়েছে পুলিশের সব অফিস। ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট, ময়মনসিংহ ও খুলনার মতো বড় শহরে মানুষের ফাঁকা ঘর-বাড়ির নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জও মোকাবিলা করতে হচ্ছে তাদের। হঠাৎ নিরাপত্তা সমস্যা যাতে না হয় সেজন্য সর্বদা প্রস্তুত থাকতে হচ্ছে পুলিশকে। ব্যারাক এবং অস্থায়ী আবাসে ঈদ কাটছে বলে কোনো দুঃখ নেই তাদের। বাবা-মা, ভাই-বোন, স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে রয়েছে অনেক দূরে। মানুষের কষ্ট লাঘবের জন্য তারা কাজ করে যাচ্ছেন।
পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা
৪ জুন২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নিউজ একাত্তর ডট কম এর সম্পাদক মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী বাণী দিয়েছেন, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাংলাদেশ ও সারা বিশ্বের মুসলমানদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক। আমি বিশ্ব মুসলিমের অব্যাহত সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করি। মাসব্যাপী কঠোর সিয়াম সাধনার পর মুসলমানদের জীবনে অনাবিল শান্তি ও আনন্দের বার্তা নিয়ে আসে ঈদুল ফিতর। ঈদুল ফিতরের উৎসব মুসলমানদের নিবিড় ভ্রাতৃত্ববোধে উদ্বুদ্ধ করে। সকল সামাজিক ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে মুসলমানরা এক কাতারে দাঁড়িয়ে ঈদের আনন্দ নিজেরা ভাগ করে নেয়। তাই ঈদুল ফিতরের শিক্ষা থেকে আমাদের অঙ্গীকার হোক সকল হিংসা, বিদ্বেষ ও হানাহানি থেকে মুক্ত হয়ে ঐক্যবদ্ধ ও ভালোবাসাপূর্ণ সমাজ এবং দেশ গঠনের জন্য একযোগে কাজ করা। আজকে এই পবিত্র দিনে বাংলাদেশের প্রতিটি গৃহে প্রবাহিত হোক শান্তির অমীয় ধারা। পবিত্র ঈদুল ফিতরের এই দিনে আমি এই কামনা করি।
মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ঈদুল ফিতর উদযাপন
৪জুন২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে মঙ্গলবার মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে। ঈদুল ফিতরে দেশসহ বিশ্বের সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ ও ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। আরব নিউজ এদিন ঈদের নামাজ আদায়সহ নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন মানুষ। এদিকে পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ব্যাংকক, জাপান, অষ্ট্রেলিয়াতে সোমবার পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। এ কারণে এসব দেশে বুধবার ঈদুল ফিতরের ঘোষণা দিয়েছে।
পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে রাষ্ট্রপতির শুভেচ্ছা
৪জুন২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্ববাসীকে শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন। সোমবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি দেশবাসীকে এই শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানান। রাষ্ট্রপতি বলেন, ঈদ-উল-ফিতর মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা ও সংযম পালনের পর অপার খুশি আর আনন্দের বারতা নিয়ে আমাদের মাঝে সমাগত হয় পবিত্র ঈদুল ফিতর। দিনটি বড়ই আনন্দের, খুশির। তিনি বলেন, এ আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে সবার মাঝে, গ্রাম-গঞ্জে, সারা বাংলায়, সারা বিশ্বে। শহরবাসী মানুষ শিকড়ের টানে ফিরে যান আপনজনের কাছে, মিলিত হয় আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে। এ দিন সকল শ্রেণি পেশার মানুষ এক কাতারে শামিল হন এবং ঈদের আনন্দকে ভাগাভাগি করে নেন। আবদুল হামিদ বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। আবহমানকাল থেকে এখানে সব ধর্মের মানুষ মিলেমিশে বসবাস করছে। এই সম্প্রীতি আমাদের জাতীয় ঐতিহ্য। রাষ্ট্রপতি বলেন, ইসলাম শান্তি ও কল্যাণের ধর্ম। এখানে হিংসা-বিদ্বেষ, হানাহানির কোনো স্থান নেই। মানবিক মূল্যবোধ, পারস্পরিক সহাবস্থান, পরমতসহিষ্ণুতা ও সাম্যসহ বিশ্বজনীন কল্যাণকে ইসলাম ধারণ করে। তিনি বলেন, ইসলামের এই সুমহান বার্তা ও আদর্শ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে। ইসলামের মর্মার্থ ও অন্তর্নিহিত তাৎপর্য মানবতার মুক্তির দিশারি হিসেবে দিকে দিকে ছড়িয়ে পড়ুক, বিশ্ব ভরে উঠুক শান্তি আর সৌহার্দ্যে-পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরে এ প্রত্যাশা করি। বাসস।
শাহরিয়ারের বদলির আদেশ স্থগিত
৪জুন২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আড়ংকে জরিমানা করা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের উপ পরিচালক মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ারের বদলির আদেশ স্থগিত করা হয়েছে। একইসঙ্গে তাকে স্বপদে বহালের নির্দেশ দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।আজ মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।উল্লেখ্য, এর আগে অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রির অপরাধে আড়ং এর উত্তরা শাখাকে জরিমানা করা কর্মকর্তা মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ারকে বদলি করা হয়েছিল।জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক থেকে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের আওতাধীন সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের খুলনা জোনের এস্টেট ও আইন কর্মকর্তা হিসেবে বদলি করা হয়েছিল।সোমবার (৩ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রেষণ-১ অধিশাখা থেকে জারি করা ও উপসচিব মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ স্বাক্ষরিত এক স্ট্যান্ড রিলিজ এর মাধ্যমে তাকে ওই আদেশ দেওয়া হয়েছিল।
পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা
৪জুন২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুসলিম জাহানের প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে দেশবাসী ও বিশ্বের সকল মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে তিনি সোমবার এ শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। এতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ঈদ শান্তি, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের অনুপম শিক্ষা দেয়। হিংসা ও হানাহানি ভুলে মানুষ সাম্য, মৈত্রী ও সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হয়। ঈদ ধনী-গরীব নির্বিশেষে সকলের জীবনে আনন্দের বার্তা বয়ে নিয়ে আসে। তিনি বলেন, ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে মুসলমানদের আত্মশুদ্ধি, সংযম, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির মেলবন্ধন পরিব্যাপ্তি লাভ করুক- এটাই হোক ঈদ উৎসবের ঐকান্তিক কামনা। হাসি-খুশি ও ঈদের অনাবিল আনন্দে প্রতিটি মানুষের জীবন পূর্ণতায় ভরে উঠুক। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরো বলেন, বিশ্বের সকল মানুষের সুখ-শান্তি, কল্যাণ ও উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি হোক-আজকের দিনে আমি মহান আল্লাহর কাছে এই প্রার্থনা করি। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের নিকট প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ ও মুসলিম উম্মাহর উত্তরোত্তর উন্নতি, সমৃদ্ধি ও অব্যাহত শান্তি কামনা করছি।
নাড়ির টানে ছুটছে মানুষ ,ব্যাপক জনস্রোত
৪জুন২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: নাড়ির টানে ছুটছে মানুষ। বাস, ট্রেন ও লঞ্চে তিল ধারণের ঠাঁই নেই। যে যেভাবে পারেন ছুটছেন নিজ নিজ গন্তব্যে। যানবাহন সংকট, বাড়তি ভাড়ার সঙ্গে কোনো কোনো স্থানে মহাসড়কে যাত্রীদের সঙ্গী হয়েছে যানজটও। কিঞ্চিত দুর্ভোগ হলেও হাসি মুখেই বাড়ি ফিরছে মানুষ। তবে এবার অন্যান্য বছরের তুলনায় সড়ক পথে স্বস্তিতে বাড়ি যাচ্ছেন ঘরমুখো মানুষ । সোমবার সকাল থেকেই রাস্তায় রাস্তায় দেখা গেছে ব্যাপক জনস্রোত। এই স্রোত যেন বাঁধভাঙার মতোই।মানুষের স্রোত বাস টার্মিনাল, লঞ্চঘাট আর রেলস্টেশনের দিকে। ট্রেন, বাস, লঞ্চ ও বিমানে যে যেভাবে পারছেন বাড়ির দিকে ছুটছেন। এসব পরিবহনে তাই তিল পরিমাণ ঠাঁই নেই অবস্থা। কিছু ট্রেনে শিডিউল বিপর্যয়ে যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়িয়ে দেয়। মহানগরসহ কোথাও কোথাও হালকা যানজট ছিল। অনেক যাত্রীর সময়মতো টিকিট না পাওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। অতিরিক্ত ভাড়া নেয়ার অহরহ অভিযোগ করেছেন বহু যাত্রী। বাসে অতিরিক্ত ভাড়া নেয়ায় বিষয়টি নিয়ে গতকাল সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন। গতকাল সরকারি ও পোশাক শিল্পের কর্মীসহ বেসরকারি অফিসের কর্মীরা কোনো রকম হাজিরা দিয়েই বাড়ির দিকে রওয়ানা দিয়েছেন। এর আগে সরকারি অফিস শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি এবং রোববার শবেকদরের সরকারি ছুটি থাকায় কিছু চাকরিজীবী ঈদের ছুটির সঙ্গে সোমবার ছুটি নিয়ে আগেই বৃহস্পতিবার ঢাকা ছেড়েছেন। আজ থেকে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বন্ধ হওয়ার ফলে চিরচেনা এই শহর অনেকটা ফাঁকা হয়ে গেছে। এদিকে গতকাল রাজধানীর গাবতলী, সায়েদাবাদ, মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে দূরপল্লার বাস ছেড়ে যায় দেশের সব রুটে। মহাসড়কের কোথাও কোথাও বৃষ্টি হওয়ায় ধীরগতিতে চলছিল যানবাহন। অন্যদিকে কমলাপুর এবং এয়ারপোর্ট স্টেশনে হাজার হাজার যাত্রী অপেক্ষায় ছিলেন বাড়ি ফেরার। ট্রেনগুলোতে ছিল প্রচণ্ড ভিড়। ছাদে চড়ে ও দরজায় দাঁড়িয়ে ভোগান্তি মাথায় নিয়ে বাড়ি ফিরছে মানুষ। ট্রেনের ভেতরে তিল ধারণের ঠাঁই নেই অবস্থা। বাধ্য হয়ে মানুষ প্রখর রৌদ্রের মধ্যে ট্রেনের ছাদে চড়ে পলিথিন মুড়িয়ে বাড়ি যাচ্ছিলেন। বেশি যাত্রী নিয়ে ট্রেনগুলোকে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যেতে হয়েছে। কারণ আসন কিংবা টিকিট না পাওয়া গেলেও ঈদে বাড়িতে যে যেতে হবে। ট্রেনের দরজায় ঝুলে, ছাদে উঠে অনেকে গন্তব্যে গেছেন। ভিড়ের কারণে কেউ কেউ চেষ্টা করেও ট্রেনে উঠতে পারেননি। আর টিকিট করে সিট পেলেও অনেকে সিট খোঁজে পাননি। স্টেশনে পুলিশ যাত্রীদের ছাদে উঠতে বাধা দিলেও কিছুক্ষণ পর পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে আবার ছাদে উঠেছেন ঘরমুখো মানুষ। আর প্রতিদিনই শিডিউল বিপর্যয় হচ্ছিল। ঈদের বিশেষ ট্রেনের ক্ষেত্রে এ ঘটনা বেশি ঘটছে। ঈদ উপলক্ষে অগ্রিম টিকিট কাটা যাত্রীরা ৩১শে মে থেকে যাত্রা শুরু করেছেন। ওই দিন থেকেই বিভিন্ন ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় ঘটেছে। গতকালও অনেক ট্রেনই নির্দিষ্ট সময়ের অনেক দেরি করে ছেড়ে গেছে। কমলাপুর স্টেশনের প্যাটফর্মগুলোর কোথাও ফাঁকা ছিল না, সব দিকে যাত্রী আর যাত্রী। স্টেশনে পৌঁছানোর পর যারা কাঙ্ক্ষিত ট্রেনের দেখা পেয়ে যাচ্ছেন তারা ছুটছেন গন্তব্যে, বাকিরা থাকছেন অপেক্ষায়। সকাল ৮টার নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি কমলাপুর ছেড়েছে বেলা ১টা ৩০ মিনিটে। ট্রেনটির জন্য অপেক্ষা করছিলেন কামাল হোসেন। তিনি বলছিলেন নিজের ক্ষোভের কথা। বিলম্বে ছেড়েছে লালমনিরহাট এক্সপ্রেস। ট্রেনটি ছাড়ার কথা ছিল ৯টায়, ছেড়েছে পৌনে ১১টায়। এ ছাড়া বিলম্বে ছেড়েছে রংপুর এক্সপ্রেস, ইশা খাঁন এক্সপ্রেস, রাজশাহীগামী সিল্কসিটি। ঈদযাত্রার সার্বিক বিষয় নিয়ে কমলাপুর স্টেশন ম্যানেজার মোহাম্মদ আমিনুল হক বলেন, সারাদিনে কমলাপুর থেকে ৫২টি ট্রেন ছেড়ে যাবে। দুই-একটি ট্রেন বিলম্বিত হয়েছে। তবে আমরা চেষ্টা করছি যেন সঠিক সময়েই সব ট্রেন ছেড়ে যেতে পারে। এদিকে সকাল থেকেই সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে ছিল গ্রামমুখী মানুষের উপচে পড়া ভিড়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা আরও তীব্র আকার ধারণ করে। যাত্রী বেশি থাকায় লঞ্চগুলো তাড়াতাড়ি ঘাট ছেড়েছে। সিট পাওয়ার জন্য অনেকেই রাত কাটিয়েছেন টার্মিনালে। এমন একজন ভোলাগামী যাত্রী হাসান মিয়া। তিনি থাকেন নারায়ণগঞ্জ। গত রোববার রাতে এসে টার্মিনালে ঘুমান। কারণ হিসেবে বললেন, সিট না পেলে অনেক কষ্ট হয়। তার পক্ষে এক হাজার থেকে ১২শ’টাকার কেবিন নিয়ে বাড়ি ফেরা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, বাড়িতে যেতে কষ্ট হলেও গ্রামে আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে ঈদ আনন্দ অন্যরকম মজা। রাস্তায় সিএনজি ভাড়া দ্বিগুণ। বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী প্রায় সব লঞ্চের ছাদে যাত্রীদের দেখা গেছে। বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ জানায়, ঈদযাত্রায় বিশেষ করে নির্ধারিত সময়ে লঞ্চ ছেড়েছে। অন্যদিকে ভোর থেকে গাবতলী-মহাখালী বাস টার্মিনালে যাত্রীদের বেশ ভিড় ছিল। সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালের ইউনিক পরিবহনেরর কর্মকর্তারা বলেন, সকালে যাত্রীর বেশি চাপ ছিল। দুপুরে তেমন যাত্রী নেই। তবে রাতে চাপ বাড়বে। পর্যাপ্ত গাড়ি রয়েছে। সঠিক সময় ঢাকা ছেড়ে যাচ্ছে গাড়িগুলো। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ক্ষোভ প্রকাশ: গতকাল সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বাসে অতিরিক্ত ভাড়া নেয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, টার্মিনালগুলো পরিদর্শন করেছি। যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেয়ার অভিযোগ আছে। বাস মালিকরা বলছেন, ফেরার পথে খালি আসতে হয় বলেই অতিরিক্ত ভাড়া নেয়া হচ্ছে। তাই, বাস মালিকদের বলেছি, সংযমী হোন। অতিরিক্ত ভাড়া নেয়া প্রসঙ্গে মন্ত্রী আরও বলেন, কথায় কাজ হলে দেশ আগেই সোনার বাংলা হয়ে যেত। প্রবলেম আমরাই তৈরি করি। সততা নিয়ে কাজ করা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইতিহাসে এমন স্বস্তি দায়ক ঈদ যাত্রা হয়নি জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সংশ্লিষ্ট সব বিভাগের সবাইকে সমন্বয় করে কাজ করতে বলা হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ হচ্ছে, বাড়ি ফেরা মানুষের যাত্রা স্বস্তিদায়ক করা। বৃষ্টি হলে গাড়ি ধীরগতিতে চলতে পারে বলে জানান ওবায়দুল কাদের। ঢাকা ও ঢাকার বাইরে অতিরিক্ত ভাড়া নেয়ার বিষয়ে মোবাইল কোর্ট কাজ করছে। দুরপাল্লার বাসের মধ্যে শাহ ফতেহ আলী, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, শ্যামলী পরিবহন ও মানিক এক্সপ্রেসের বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তিতে ৬৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া, রাজধানীর ভেতরে সায়েদাবাদ টার্মিনালে ২১শে পরিবহনের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ভাড়া নেয়ার অভিযোগে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করে মোবাইল কোর্ট। এসব বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর