বাংলাদেশি ছাড়া কাউকে দেশের মাটিতে ঢুকতে দেব না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
০৩ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশি ছাড়া অন্য কাউকে সীমান্ত দিয়ে ঢুকতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। আজ মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে অনুপ্রবেশের প্রচেষ্টা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। সম্প্রতি ভারত থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের প্রবণতা বেড়ে গেছে। ইতিমধ্যেই দুই শতাধিক ব্যক্তিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। কোনো কোনো এলাকায় স্থানীয়রাও অনুপ্রবেশ ঠেকাতে পাহারা দিচ্ছেন। এই বিষয়টিকে অনেকেই আতঙ্ক হিসেবে দেখছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটা মোটেই আতঙ্কের বিষয় নয়। আমরা কোনোভাবেই বাংলাদেশি ছাড়া কাউকে বাংলাদেশের মাটিতে ঢুকতে দেব না। ঢুকতে দেব না মানে, আমরা তো রোঙ্গিাদের ঢুকতে দিয়েছি, সেই বিষয় নয়। আমাদের সুনিশ্চিত হতে হবে যেগুলো পুশইন করাচ্ছে সেগুলো বাংলাদেশের নাগরিক কি-না। যদি বাংলাদেশের নাগরিক হয় তাহলে আমরা এগুলোকে রিসিভ করতে পারি। যদি তারা বাংলাদেশের নাগরিক না হয় তাহলে তাদেরকে কোনো ক্রমেই গ্রহণ করব না। তিনি বলেন, আপনারা হয়তো দেখেছেন কিছু কিছু বাঙালি, এরা বাংলাদেশি কি-না আমি সঠিকভাবে এখনো নিশ্চিত নই। বাঙালিদের ভেতরে ঢোকানোর চেষ্টা করেছেন। আমাদের বিজিবি কয়েক জায়গা থেকে এদেরকে ঢুকতে দেয়নি, অ্যালাউ করেনি। এদের সংখ্যা হাজার হাজার নয়, কয়েকশ।
সেনাবাহিনীকে জনগণের পাশে দাঁড়াতে হবে: রাষ্ট্রপতি
০৩ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জনগণের কষ্টার্জিত করের টাকায় দেশের উন্নয়ন হয় স্মরণ করিয়ে দিয়ে সেনাবাহিনীকে জনগণের পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। তিনি বলেছেন, গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় জনগণই সকল ক্ষমতার মালিক। রাষ্ট্র ও সরকারের সকল কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয় জনগণের কল্যাণে। তাই আপনাদের দায়িত্ব পালনকালে জনস্বার্থ ও জনকল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। মঙ্গলবার যশোরে সেনাবাহিনীর সিগন্যাল কোরের ষষ্ঠ কোর পুনর্মিলনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে আবদুল হামিদ এসব কথা বলেন। যশোর সেনানিবাসের শহীদ ক্যাপ্টেন আব্দুল হামিদ প্যারেড গ্রাউন্ডে এই কুচকাওয়াজে রাষ্ট্রপতি সালাম গ্রহণ করেন। এর আগে খোলা জিপে চড়ে সামরিক পোশাক পরিহিত আবদুল হামিদ প্যারেড পরিদর্শন করেন। সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক আবদুল হামিদ বলেন,মনে রাখতে হবে জনগণের কষ্টার্জিত করের টাকায়ই দেশের উন্নয়ন এবং রাষ্ট্রের যাবতীয় ব্যয়ভার মেটানো হয়। তাই জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি জনগণের সুখ-দুঃখে তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে। আমি আশা করি, দায়িত্ব পালনকালে আপনারা শুদ্ধাচার কৌশল যথাযথভাবে প্রতিপালন করবেন। নিজেদের দায়িত্ব সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে পালন করবেন। সরকার প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক বাংলাদেশ গড়তে তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ খাতকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন,বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ অভিজাত স্যাটেলাইট ক্লাবের সদস্য হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। বিদেশি স্যাটেলাইটের নির্ভরতা পরিহার করে ইতোমধ্যে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যমে অত্যন্ত কার্যকরভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে, যার সুফল দেশবাসী উপভোগ করছে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ইতোমধ্যে স্যাটেলাইট হাব-স্টেশন স্থাপন করে পার্বত্য চট্টগ্রামসহ সারাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়নে কাজ করছে, এটি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে সেনাবাহিনীর সামগ্রিক যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে একটি অনন্য মাত্রা যোগ হবে। সেনাবাহিনীর উন্নয়নে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে আবদুল হামিদ বলেন, সেনাবাহিনীর সার্বিক উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি সারা দেশে দুইটি সিগন্যাল ব্যাটালিয়ন, বরিশাল, সিলেট ও রামুতে তিনটি স্ট্যাটিক সিগন্যাল কোম্পানি ও চারটি ব্রিগেড সিগন্যাল কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। যোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তির আধুনিকায়নের লক্ষ্যে ফোর্সেস গোল-২০৩০ এর আওতার সেনাবাহিনীতে সাইবার ওয়ারফেয়ার গ্রুপ, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার ইউনিট, স্যাটকম ইউনিট এবং স্ট্রাটেজিক ট্রান্সমিশন ইউনিট ইত্যাদি অন্তর্ভুক্তির পরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে, যা সামগ্রিকভাবে সেনাবাহিনীর সমরশক্তি ও যোগাযোগ সক্ষমতা আরো সুসংহত করবে। সেনাবাহিনীর অপারেশনাল যোগাযোগ ব্যবস্থার এই সামগ্রিক উন্নয়নকে আপনারা যথাযথ ব্যবহার করে রাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরো জোরদার করতে সচেষ্ট হবেন বলে আমি আশা করি। সিগন্যাল কোরের সদস্যদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি বলেন, সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে জাতীয় পরিচয়পত্র ও ভোটার তালিকা প্রণয়ন প্রকল্পে সিগন্যাল কোরের সদস্যরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। গৃহহীনদের জন্য আশ্রয়ন প্রকল্পসহ বিভিন্ন উন্নয়ন ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডে সেনাবাহিনীর অংশ হিসেবে সিগন্যাল কোরের সদস্যদের অবদান প্রশংসনীয়। তিনি আরও বলেন,জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে এবং কুয়েত পুনর্বাসন মিশনে দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করে সিগন্যাল কোর আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও প্রশংসা অর্জনে সক্ষম হয়েছে। দেশ ও জাতির প্রয়োজনে ভবিষ্যতেও একইভাবে জনকল্যাণমূলক কাজে সশস্ত্রবাহিনীকে অবদান রাখতে হবে। এর আগে রাষ্ট্রপতি প্যারেড গ্রাউন্ডে পৌঁছালে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ তাকে স্বাগত জানান। এসময় সিগন্যাল কোরের কর্নেল কমান্ডেন্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল শেখ মামুন খালেদসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে রাষ্ট্রপতি কোর পুনর্মিলনী উপলক্ষ্যে আয়োজিত প্রীতিভোজে অংশ নেন। সোমবার বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টারে করে যশোর পৌঁছান রাষ্ট্রপতি। এই সফরে তার স্ত্রী রাশিদা খানমও সঙ্গে রয়েছেন।
দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী
০৩ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্পেনের মাদ্রিদে জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনে যোগদান শেষে মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) দেশের পথে রওনা দিয়েছেন। এর আগে সোমবার স্পেনের মাদ্রিদে আগামী বছর ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের (সিভিএফ) সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণে সম্মত হন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন সাংবাদিকদের জানান, কপ ২৫ নামে পরিচিত ২৫তম জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনের উদ্বোধনী দিনে মার্শাল আইল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট হিলডা হেইনির এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী গ্রহণ করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, সবাই যদি চায় আমি সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণে প্রস্তুত রয়েছি। ২০০৯ সালে কোপেনহেগেনে জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনের সময় মালদ্বীপ সরকার সিভিএফ গঠন করে। পরিবেশের আরও অবনতি রোধকল্পে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি সময়োপযোগী কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ এবং প্যারিস চুক্তির সব ধারাসহ প্রাসঙ্গিক বৈশ্বিক চুক্তি ও প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (কপ২৫)-এর সাধারণ গোলটেবিল আলোচনায় বলেন, জলবায়ু কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের ব্যর্থতার ফলাফল সব দেশের ওপর সমানভাগে, বিশেষ করে যেসব দেশ জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য বেশি দায়ী তাদের ওপর বর্তাবে এবং আমাদের নিষ্ক্রিয়তা প্রত্যেক জীবিত মানুষের জন্য হবে মারাত্মক। মার্শাল আইল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট হিলডা হেইনি বর্তমানে সিভিএফ-এর সভাপতি। এই ফোরামের কাজ হচ্ছে বৈশ্বিক উষ্ণতার নেতিবাচক প্রভাব চিহ্নিত করা। কেননা এই উষ্ণতার ফলে আর্থ-সামাজিক ও পরিবেশের ক্ষতি হয়। এছাড়াও বেশ কয়েকটি আলোচনা সভা ও বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন তিনি।
অনিয়মের অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টের এফিডেভিট শাখার সবাইকে বদলি
০৩ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অনিয়মের অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টের এফিডেভিট শাখার সব কর্মচারীকে বদলি করা হয়েছে। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের স্পেশাল অফিসার ব্যারিস্টার মো. সাইফুর রহমান। তিনি জানান, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের এফিডেভিট শাখার সবাইকে বদলি করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছেন সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। তবে কতজনকে বদলি করা হয়েছে তার সঠিক সংখ্যা তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেননি এই কর্মকর্তা। এর আগে সোমবার সুপ্রিম কোর্টের এফিডেভিট শাখায় সিসি ক্যামেরা বসানোর পরও চলা অনিয়ম রোধ করতে না পারায় হতাশা প্রকাশ করেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। এক মামলার শুনানিকে কেন্দ্র করে সোমবার সকালে ৫ সদস্যের আপিল বেঞ্চে এই হতাশা প্রকাশ করেন তিনি। সোমবার এক মামলা আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় ৩ নম্বর ক্রমিকে থাকার কথা থাকলেও সেটি ৮৯ নম্বর ক্রমিকে দেখা যায়। এই অনিয়মের বিষয়টি আদালতের নজরে আনেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। এ সময় প্রধান বিচারপতি বলেন, হলফনামা (এফিডেভিট) শাখায় সিসি ক্যামেরা বসানোর পরও অনিয়ম রুখতে পারছি না। প্রধান বিচারপতি বলেন, কী আর করব? এফিডেভিট শাখায় সিসি ক্যামেরা (ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা) বসালাম, এখন সবাই বাইরে এসে এফিডেভিট করে। তখন অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, অনেকেই মামলার তালিকা ওপর নিচ করে কোটিপতি হয়ে গেছে। নির্ধারিত মামলার শুনানি করতে গিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আদালতকে বলেন,একটি মামলা আজ (সোমবার) তিন নম্বর সিরিয়ালে (আপিল বিভাগের কার্যতালিকায়) থাকার কথা। কিন্তু অদৃশ্যভাবে তা ৮৯ নম্বর সিরিয়ালে গেছে। কীভাবে গেলো, তা আপিল বিভাগের কাছে জানতে চান তিনি। এসময় প্রধান বিচারপতি বলেন,সিসি ক্যামেরা বসালাম (এফিডেভিট শাখা কক্ষে), এখন সবাই বাইরে এসে এফিডেভিট করে। সিসি ক্যামেরা বসিয়েও অনিয়ম রুখতে পারছি না। এরপর প্রধান বিচারপতি তাৎক্ষণিক এক আদেশে ডেপুটি রেজিস্ট্রার মেহেদী হাসানকে আপিল বিভাগে তলব করেন। তবে মামলার সিরিয়াল করা নিয়ে মেহেদী হাসানের ব্যাখ্যায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ। পরে ডেপুটি রেজিস্ট্রারকে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতি।
শাহজালালে যাত্রীর ব্যাগে সাড়ে ৮ কেজি স্বর্ণ
০৩ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চার কোটি টাকা মূল্যের প্রায় সাড়ে আট কেজি স্বর্ণ জব্দ করেছে শুল্ক বিভাগ। আটক করা হয়েছে দুবাই থেকে আসা হিমেল খান নামে এক যাত্রীকে। সোমবার দিবাগত রাতে এসব স্বর্ণসহ তাকে আটক করা হয়। জব্দ করা স্বর্ণের দাম চার কোটি ২২ লাখ ৫০ হাজা টাকা বলে জানিয়েছে শুল্ক বিভাগ। ঢাকা কাস্টমস হাউজের একটি সূত্র জানায়, কমিশনারের কাছে আসা গোপন খবরের ভিত্তিতে চোরাচালান প্রতিরোধে প্রিভেন্টিভ কর্মকর্তারা শাহজালাল বিমানবন্দরের বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে নজরদারি করতে থাকে। গ্রিনচ্যানেলে নজরদারি ও তল্লাশির একপর্যায়ে রাত ১১টার দিকে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ইকে-৫৮৪ নম্বর ফ্লাইটের যাত্রী হিমেল খানকে চ্যালেঞ্জ করে তল্লাশি করা হয়। পরে তার পিঠ থাকা ব্যাগে ৭২ পিস স্বর্ণবার ও ৯৮ গ্রাম স্বর্ণালঙ্কার পাওয়া যায়। জব্দ করা স্বর্ণের ওজন আট কেজি ৪৫০ গ্রাম, যেগুলোর আনুমানিক মূল্য চার কোটি ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। কাস্টমসের সহকারী কমিশনার মো. সাজ্জাদ হোসেন ঢাকাটাইমসকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আটক যাত্রী হিমেলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
আবরার হত্যা: পলাতক চার আসামির সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ
০৩ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ রাব্বী (২২) হত্যা মামলায় পলাতক চার আসামির সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া আগামী ৫ জানুয়ারি পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। মঙ্গলবার ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মূখ্য মহানগর হাকিম মো. কায়সারুল ইসলাম এ আদেশ দেন। সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হেমায়েত উদ্দিন খান হিরণ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গত ১৮ নভেম্বর আদালত ওই আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। গ্রেপ্তার এড়াতে আসামিরা পলাতক রয়েছেন মর্মে মঙ্গলবার পুলিশ আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। এরপর আদালত পলাতকদের সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন। এছাড়া আজ মামলাটিতে স্বীকারোক্তিকারী আসামি মো. মেফতাহুল ইসলাম জিয়নের পক্ষে আইনজীবী গোলাম নূর-ই-আজমতার কাজল স্বীকারোক্তি প্রত্যাহারের আবেদন করেন। যা আদালত আসামির স্বাক্ষর করিয়ে নথিভুক্তের আদেশ দিয়েছেন। মামলাটিতে কারাগারে থাকা ২১ আসামিকে সকালে কারাগার থেকে সিএমএম আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। তবে নিরাপত্তা জনিত কারণে তাদের আদালতে ওঠানো হয়নি। যাদের সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দেওয়া হয়েছে তারা হলেন- রংপুর জেলার কোতয়ালি থানার পাকপাড়ার বাসিন্দা ডা. মো. আব্দুল জলিল মন্ডলের ছেলে বুয়েটের ইলেকট্রিক এন্ড ইলেকট্রনিক্স বিভাগের ১৭তম ব্যাচের ছাত্র মুহাম্মাদ মোর্শেদ-উজ-জামান মন্ডল ওরফে জিসান (২২), নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর থানার নেয়ামতপুর মুন্সিপাড়ার আবু মো. কাউছার ওরফে পিন্টুর ছেলে বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারং বিভাগের ১৭তম ব্যাচের ছাত্র এহতেশামুল রাব্বি ওরফে তানিম (২০), চাঁপাইনাবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর থানার কাজী গ্রামের মো. রবিউল ইসলামের ছেলে বুয়েটের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারং বিভাগের ১৭তম ব্যাচের ছাত্র মোর্শেদ অমত্য ইসলাম (২২) এবং দিনাজপুর জেলার কোতয়ালি থানার উত্তর বালু বাড়ির ছায়েদুল হকের ছেলে বুয়েটের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৬তম ব্যাচের ছাত্র মুজতবা রাফিদ (২১)। এর আগে গত ১৩ নভেম্বর মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. ওয়াহিদুজ্জামান আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছেন। কারাগারে থাকা আসামিরা হলেন, বুয়েট ছাত্রলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মো. অনিক সরকার, উপ-সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক ইফতি মোশাররেফ সকাল, ক্রীড়া সম্পাদক মো. মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রবিন, মো. মনিরুজ্জামান মনির, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভীর, শিক্ষার্থী মো. মুজাহিদুর রহমান ও এএসএম নাজমুস সাদাত, বুয়েট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল, আইন বিষয়ক উপ-সম্পাদক অমিত সাহা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহতামিম ফুয়াদ, আইন বিষয়ক উপ-সম্পাদক অমিত সাহা, কর্মী মুনতাসির আল জেমি, গ্রন্থ ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক ইসাতিয়াক আহম্মেদ মুন্না, শিক্ষার্থী আবরারের রুমমেট মিজানুর রহমান, শিক্ষার্থী শাসছুল আরেফিন রাফাত, আকাশ হোসেন, মো. মাজেদুর রহমান মাজেদ, শামীম বিল্লাহ, মুয়াজ ওরফে আবু হুরায়রা ও এস এম মাহমুদ সেতু। যাদের মধ্যে প্রথম ৮ জন আদালতে স্বীকারোক্তি করেছেন। উল্লেখ্য, আবরার বুয়েটের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের (১৭তম ব্যাচ) ছাত্র ছিলেন। তিনি থাকতেন বুয়েটের শেরেবাংলা হলের নিচতলার ১০১১ নম্বর কক্ষে। গত ৬ অক্টোবর একই হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে তাঁকে নির্যাতন করে তাকে হত্যা করা হয়। রাত তিনটার দিকে হল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের পর তার বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে ১৯ জনকে আসামি করে গত ৭ অক্টোবর সন্ধ্যার পর চকবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে তারা ক্ষমা করবে না: প্রধানমন্ত্রী
০২ডিসেম্বর,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় এখন থেকেই কাজ শুরু করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা যদি আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হই, তাহলে তারা ক্ষমা করবে না। প্রতি মুহূর্তে আমাদের নিষ্ক্রিয়তা পৃথিবীর প্রতিটি জীবিত মানুষকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। এখনই সময় কাজ করার। সোমবার স্পেনের ফেরিয়া দা মাদ্রিদে (আইএফইএমএ) অ্যাকশন ফর সারফাইভাল: ভালনারেবল নেশনস কপ-২৫ লিডার্স সামিট এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সিভিএফ এবং ভি -২০ দক্ষিণ-দক্ষিণ এবং ত্রিমুখী সহযোগিতার অসাধারণ উদাহরণ এবং আমরা বর্তমান সাফল্যকে আরও এগিয়ে নিতে চাই। শেখ হাসিনা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন বিশ্বের জন্য একটি কঠিন বাস্তবতা। এটি এখন মানুষের জীবন ও পরিবেশ, বাস্তুশাস্ত্র এবং প্রাকৃতিক সম্পদের অপূরণীয় ক্ষতি করেছে। ১৯৯২ সালে আর্থ সামিটের পর থেকে আমরা গ্রিনহাউস গ্যাস হ্রাসে খুব বেশি অগ্রগতি অর্জন করতে পারিনি, এর নির্গমণ এখনও বেড়ে চলেছে। এই প্রবণতা পৃথিবীকে অস্থিতিশীল করে তুলছে। তিনি বলেন, ঝুঁকিতে থাকা আমাদের মতো দেশগুলো, এই পরিস্থিতি মোকাবেলা সীমিত ক্ষমতা এবং নির্দিষ্ট ভৌগলিক বৈশিষ্ট্যের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হই। ক্ষয়ক্ষতির জন্য তুচ্ছ বা কোনো অবদান না রাখলেও ক্ষতির ধাক্কাটা আমাদেরকেই সামলাতে হচ্ছে। এটি একটি অবিচার এবং অবশ্যই বিশ্ব সম্প্রদায়কে বিষয়টি স্বীকার করতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত জাতিসংঘ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনের ২৫তম বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিতে তিন দিনের সফরে রবিবার স্পেন পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
নুসরাত হত্যা: অধ্যক্ষ সিরাজসহ চার আসামির আপিল
০২ডিসেম্বর,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফেনীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত ১৬ আসামির মধ্যে চারজন সাজা থেকে খালাস চেয়ে আপিল করেছেন। সোমবার সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আসামিপক্ষে আপিল করেন জামিউল হক ফয়সাল। চার আসামি হলেন- মাদ্রাসা অধ্যক্ষ এস এম সিরাজউদ্দৌলা, নুর উদ্দিন, উম্মে সুলতানা পপি ও জাবেদ হোসেন। চাঞ্চল্যকর নুসরাত হত্যা মামলায় ১৬ আসামির সবাইকে গত ২৪ অক্টোবর মৃত্যুদণ্ড দিয়ে রায় ঘোষণা করে ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। চলতি বছরের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। এ ঘটনায় তার মা শিরিনা আক্তার বাদী হয়ে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা করার পর অধ্যক্ষকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার প্রশাসনিক ভবনের ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয় বোরকা পরা পাঁচ দুর্বৃত্ত। ১০ এপ্রিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় নুসরাত। অগ্নিসন্ত্রাসের এই ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়। গত ২৮ মে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তদন্ত শেষে মাদ্রাসার অধ্যক্ষসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে ৮৬৯ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্র দাখিল করে। মাত্র ৬১ কার্যদিবসে মামলার কার্যক্রম শেষ হয়। আর মামলার তদন্ত কার্যক্রম শেষ করতে পিবিআইয়ের লাগে ৩৩ কার্যদিবস। আলোচিত এই মামলার রায়ে ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত ১৬ আসামি হলেন সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা, সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি রুহুল আমিন, সোনাগাজী পৌরসভার কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম, মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ আবদুল কাদের, প্রভাষক আফসার উদ্দিন, মাদ্রাসার ছাত্র নুর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন শামীম, সাইফুর রহমান মোহাম্মদ যোবায়ের, জাবেদ হোসেন ওরফে সাখাওয়াত হোসেন জাবেদ, কামরুন নাহার মনি, উম্মে সুলতানা পপি ওরফে তুহিন, আবদুর রহিম শরিফ, ইফতেখার উদ্দিন রানা, ইমরান হোসেন মামুন, মোহাম্মদ শামীম ও মহি উদ্দিন শাকিল।
ফুলবাড়ীতে বিজিবি কর্তৃক ৫ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস
০২ডিসেম্বর,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে চারকোটি ৯২ লাখ ৯ হাজার টাকা মূল্যের জব্দকৃত মাদক ধ্বংস করেছে ফুলবাড়ী ২৯ বডার গার্ড ব্যাটলিয়ন। সোমবার সকাল ১১ টায়, ফুলবাড়ী ২৯ বডার গার্ড ব্যাটলিয়নের সদর দপ্তরে এক সুধী সমাবেশে এই মাদক ধ্বংস করা হয়। মাদক ধ্বংস করণ ও সুধি সমাবেশে ফুলবাড়ী ২৯ বডার গার্ড ব্যাটলিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মো. শরিফুল্ল্যাহ আবেদ এর সভাপতিতে,প্রধান অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর-৫ এর জাতীয় সংসদ সদস্য, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতি, সাবেক মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বডার গার্ড (বিজিবি) এর দিনাজপুর সেক্টর কমান্ডার কর্নেল সোহরাব হোসেন পিবিজিএম পিএসসি জিপ্লাস, দিনাজপুর ৪২ বিজিবির অধিনায়ক লেঃ কর্নেল গাজী নাহিদুজ্জামান পিএসসি, দিনাজপুর জেলা প্রশাসক মাহমুদুল আলম, দিনাজপুর পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন, ৪২ বিজিবির অতিরিক্ত পরিচালক মেজর সামসুজ্জামান মোহাম্মদ আরিফ-উল-ইসলাম, Rab- ১৩ এর অধিনায়ক কমান্ডার রেজা আহম্মেদ ফেরদৌস, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিঞা আশিষ বীন হাছান, জুটিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট লিমেন্ট রায়, ফুলবাড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মিল্টন, মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর দিনাজপুর এর সহকারী পরিচালক রাজিউর রহমান, ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুস সালাম চৌধুরী ও বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদুর রহমান প্রমুখ। ফুলবাড়ী ২৯ বিজিবির অধিনায়ক লেঃ কর্নেল শরিফুল্ল্যাহ আবেদ বলেন, গত ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারী থেকে ২০১৯ সালের ৩১ আগষ্ট প্রর্যন্ত ফুলবাড়ী ২৯ বিজিবির সৈনিকগণ সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে মাদক বিরোধী অভিযানে জব্দকৃত ৪০ হাজার ৩০৭ বোতল ফেনসিডিল, ১৭ লিটার তরল ফেনসিডিল, ১৯০ বোতল বিদাশী মদ, ১১৬ প্যাকেট বিদাশী মদ, ৪২ লিটার দেশি মদ, এক হাজার ১৩১টি নেশা জাতীয় ইনজেকশন, এক লাখ ৫৮ হাজার ৯৮০টি যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট, ২৯ হাজার ৩০৯ বোতল যৌন উত্তেজক সিরাপ, ২১ দশমিক ৩৫ কেজি গাঁজা, ১৯ কেজি ভাং, ৯২৫টি ইয়াবা ট্যাবলেট সাড়ে ৫ কেজি মদ তৈরির বড়ি। দিনাজপুর ৪২ বডার গার্ড ব্যাটলিয়নের সৈনিক কতৃক গত ২০১৮ সালের ২২ আগষ্ট থেকে ২০১৯ সালের ২০ নভেম্বর প্রর্যন্ত জব্দকৃত ৯৫৩ বোতল ফেনসিডিল, ১০০ বোতল ও ৬০ প্যাকেট বিদাশী মদ, সাড়ে তিন কেজি গাঁজা, ১৩৪ টি নেশা জাতীয় ইনজেকশন। যা একত্রে মোট মূল্য চার কোটি ৯২ লাক ৯ হাজার টাকা । মাদক দ্রব্য ধ্বংস পুর্বক আলোচনা সভায দিনাজপুর জেলা প্রশাসক মাহমুদুল আলম বলেন, মাদক মুক্ত দিনাজপুর গড়ার জন্য দিনাজপুর জেলা প্রশাসনসহ সকল আইন শৃংখলা বাহিনী একত্রে কাজ করে যাচ্ছে ।

জাতীয় পাতার আরো খবর