সরকার সবার কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিতে সাধ্যমত চেষ্টা করছে
২২এপ্রিল,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, সরকার সবার কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিতে সাধ্যমত চেষ্টা করছে। পর্যাপ্ত ত্রাণ রয়েছে, পর্যায়ক্রমে সবাই সহায়তা পাবেন। আজ বুধবার টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীর পাইস্কা উচ্চবিদ্যালয় মাঠে দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণের সময় তিনি এ কথা বলেন। আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আপনাদেরকে ধৈর্য্য ধরে সরকারকে সহযোগিতা করতে হবে। এই সরকার জনবান্ধব ও গণমুখী। সরকার সবসময় আপনাদের পাশে আছে। দুপুরে কৃষিমন্ত্রী ধনবাড়ী পৌরসভার মেয়র খন্দকার মঞ্জুরুল ইসলাম তপনের উদ্যোগে কলেজ মাঠে আরো ৩০০ দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন। এছাড়া বিকালে মন্ত্রী টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় ২৫০০ দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের মাঝে মানবিক সহায়তা হিসেবে ত্রাণ বিতরণ করেন। ধনবাড়ী উপজেলা মিলনায়তনে তিনি স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর সাথে করোনা প্রতিরোধ, ত্রাণ বিতরণ এবং ধান কাটা বিষয়ে মতবিনিময় করেন। সভায় কৃষিমন্ত্রী করোনা মোকাবিলায় সরকারের নির্দেশ সঠিকভাবে মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নে সকলকে একসাথে নিষ্ঠার সাথে কাজ করা আহ্বান জানান। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উদ্দেশে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সরকার ত্রাণ বিতরণে অনিয়ম রোধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। ইতোমধ্যে ত্রাণ বিতরণে অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এই দু:সময়ে- মহাদুর্যোগে মানবিকতা ভুলে যারা ত্রাণ বিতরণে অনিয়মে জড়িত হবে তাদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। অনুষ্ঠানে উপজেলা চেয়ারম্যান হারুনুর রশীদ হীরা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফা সিদ্দিকাসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। ধান কাটা বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, এখন বোরো ধান কাটার মৌসুম। সারাদেশে এবছর বোরো চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা হলো ২ কোটি ৪ লাখ ৩৬ হাজার মেট্রিক টন। আমাদের সারা বছরের মোট চাল উৎপাদনের প্রায় ৫৫ ভাগের যোগান দেয় বোরো ধান। সেজন্য, শুধু হাওর নয়, সারা দেশের ফসল সুষ্ঠুভাবে ঘরে তোলা জরুরি। আর এটি করতে পারলে বাংলাদেশের ধান উৎপাদনে তা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
নৌপথে পণ্য সরবরাহ অব্যাহত রাখা ও শ্রমিকদের সুরক্ষার নির্দেশ
২২এপ্রিল,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নৌপথে পণ্য সরবরাহ অব্যাহত রাখা ও শ্রমিকদের সুরক্ষার নির্দেশ দিয়েছে নৌ পরিবহণ মন্ত্রনালয়। আজ বুধবার নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে করোনা ভাইরাসজনিত পরিস্থিতিতে কর্গো হ্যান্ডলিং বিষয়ে কার্গো ভেসেল মালিক সমিতির প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠকে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এই নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, খাদ্য ও পণ্য পরিবহন চেইন অব্যাহত রাখতে নৌ কর্মকান্ড সচলে সর্বাত্মক চেষ্টা করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে তিনি কার্গো ভেসেল মালিক এবং কন্টেইনার শিপ মালিকদের সহযোগিতা কামনা করেন। খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, শ্রমিকদের জীবন হুমকীর মুখে ফেলা যাবেনা। তাদেরকে যথাযথ সুরক্ষা দিয়ে কর্মকান্ড সচল রাখা হবে। কার্গো ভেসেল মালিকরা শ্রমিকদের সুরক্ষার বিষয়টি দেখবে। আমরা মালিকদের বিষয়গুলো দেখব। মালিকদের প্রণোদনার বিষয়টি সরকারকে অবহিত করা হবে। বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরী, নৌপরিবহন অধিদফতরের মহাপরিচালক কমডোর সৈয়দ আরিফুল ইসলাম, বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক, কার্গো ভেসেল মালিক সমিতির সভাপতি ইকবাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক নুরুল হক ও সাংগঠনিক সম্পাদক জি এম সরওয়ার উপস্থিত ছিলেন। নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, সংকটে দেশের মানুষের সাথে থাকা দেশপ্রেমিকের পরিচয়। কার্গো ভেসেল মালিক, কন্টেইনার শিপ মালিক এবং নৌপুলিশের সহযোগিতায় অভ্যন্তরীণ নৌরুটে পণ্য পরিবহন অব্যাহত থাকবে। খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, জীবন থেমে থাকবেনা। জীবন চলাচলের পদ্ধতির পরিবর্তন করতে হবে। গত এক মাসে আমাদের জীবন পরিচালনায় অনেক পরিবর্তন এসেছে। বর্তমান পরিস্থিতি উপলব্ধি করে চলতে হবে। শ্রমিকদের সুরক্ষা নিয়ে কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে। শত প্রতিকুলতার মধ্যেও চলতে হবে।
প্রধানমন্ত্রীকে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের কৃতজ্ঞতা
২২এপ্রিল,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলায় মালদ্বীপে ত্রাণ এবং চিকিৎসা সরঞ্জাম পাঠানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে টেলিফোনে ধন্যবাদ জানিয়েছেন সে দেশের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহামেদ সলিহ। আজ বুধবার সকাল ১১টায় টেলিফোন করে এ কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম জানান, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট আজ সকাল ১১টায় টেলিফোন করে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় তার দেশে ত্রাণ হিসেবে খাদ্য ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পাঠানোয় শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তাঁকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। প্রেস সচিব বলেন, প্রায় ১০ মিনিটের টেলিফোন আলাপে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান এই সহযোগিতা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে বন্ধু রাষ্ট্র ও প্রতিবেশি দেশের যে কোন প্রয়োজনে বাংলাদেশের এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টকে আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ইহসানুল করিম বলেন, এসময় প্রধানমন্ত্রী মালদ্বীপের জনগণের অব্যাহত শান্তি, সমৃদ্ধি এবং অগ্রগতি কামনা করেন। প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তার সরকার করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলায় মালদ্বীপে একশ’ টন খাদ্য, ঔষধ এবং চিকিৎসা সরঞ্জাম পাঠায়। -বাসস।
২৪ ঘণ্টায় করোনা রোগী শনাক্ত ৩৯০ জন, মৃত্যু ১০
২২এপ্রিল,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ৩৯০ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরও ১০ জন। এ নিয়ে দেশে মোট করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৭৭২ জন, মোট মারা গেছেন ১২০ জন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছে ৯২ জন। আজ বুধবার দুপুরে করোনা নিয়ে নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানায় স্বাস্থ্য অধিদফতর। গতকাল মঙ্গলবার দেশে ৪৩৪ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয় ও ৯ জনের মৃত্যু হয়। ২১ এপ্রিলের হিসেব অনুযায়ী দেশে মারা গেছেন ১১০ জন। এরমধ্যে রাজধানীতেই মারা গেছেন ৫৩ জন। এই পরিসংখ্যানে দেখা যায় দেশের করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর প্রায় অর্ধেকই রাজধানীর। এর মধ্যে শুধু পুরান ঢাকাতেই ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
করোনায় ১৩ দেশে প্রাণ হারিয়েছেন ৩০২ বাংলাদেশি
২২এপ্রিল,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের সংক্রমণে যুক্তরাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ জন বাংলাদেশি মারা গেছেন। এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) পর্যন্ত ১৭৯ জন বাংলাদেশি প্রাণ হারিয়েছেন। অবশ্য যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া অন্য দেশে গতকাল নতুন করে বাংলাদেশি নাগরিকদের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। এ পর্যন্ত বিশ্বের ১৩টি দেশে ৩০২ জন বাংলাদেশি প্রাণ হারিয়েছেন। তাদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ১৭৯ জন, যুক্তরাজ্যে ৭৯ জন, সৌদি আরবে ১৫ জন, ইতালিতে ৮ জন, কানাডায় ৬ জন, স্পেনে ৫ জন, কাতারে ৪ জন। এ ছাড়া সুইডেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কেনিয়া, লিবিয়া ও গাম্বিয়ায় ১ জন করে বাংলাদেশি মারা গেছেন। এদিকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ সিঙ্গাপুরে করোনাভাইরাসে বিদেশি নাগরিকদের আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলছে। মঙ্গলবার দেশটিতে নতুন করে আক্রান্ত হওয়া ১ হাজার ১১১ জনের মধ্যে মাত্র ২০ জন স্থানীয় নাগরিক। বাকিরা বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিক। সিঙ্গাপুরে এখন পর্যন্ত ৯ হাজার ১২৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর আগে সোমবার ১ হাজার ৪২৬ জন আক্রান্ত হলেও স্থানীয় নাগরিক মাত্র ১৮ জন। বাকি আক্রান্তদের সবাই বিদেশি। বাংলাদেশে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে ৩ হাজার ৩৮২ জনের শরীরে। এদের মধ্যে মারা গেছেন ১১০ জন এবং সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ৮৭ জন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৩ হাজার ১৮৫ জন।
সরকারের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের ত্রাণ তৎপরতায় দিশেহারা বিএনপি
২১এপ্রিল,মঙ্গলবার,স্টাফ রিপোর্টার,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, সরকারের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের দেশব্যাপী ত্রাণ তৎপরতায় বিএনপি দিশেহারার মতো কথা বলছে। তিনি আজ সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিএফইউজে ও ডিইউজে নেতৃবৃন্দের সাথে মত বিনিময় শেষে দেয়া বক্তব্যে চলমান ত্রাণ তৎপরতা নিয়ে বিএনপির বিরূপ মন্তব্যের জবাবে একথা বলেন। বৈশ্বিক দুর্যোগ করোনাভাইরাস মোকাবিলায় দেশের এক-তৃতীয়াংশের বেশি মানুষকে সরকার নানাভাবে সহায়তার আওতায় এনেছে জানিয়ে মন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, অপরদিকে কদিন আগে আমরা বিএনপিকে তিতুমীর কলেজে ছাত্রদলের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করতে দেখেছি। আর মীর্জা ফখরুল সাহেব বলছেন, তারা সারাদেশে ত্রাণ বিতরণ করছেন, কিন্তু জনগণ তা দেখতে পারছেন না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্ন আসছে, তারা কাকে ত্রাণ বিতরণ করছেন! সরকার ৫০ লাখ পরিবারকে বছরে ৭ মাস মাস ১০ টাকা দরে ৩০ কেজি করে চাল খাদ্য সহায়তা দিচ্ছে এবং আরো ৫০ লাখ পরিবারের জন্য রেশন কার্ডের ব্যবস্থা করছে, যার আওতায় আসবে ১ কোটি পরিবারের প্রায় ৫ কোটি মানুষ, জানান তথ্যমন্ত্রী। এছাড়াও আরো ১ কোটির বেশি মানুষকে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় সহায়তা দিচ্ছে সরকার, বলেন তিনি। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ শুধু এখন নয়, ক্ষমতায় বা বিরোধী দল যেখানেই ছিলো, সব সময় দুর্যোগে জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে, আর বিএনপি এখনো শুধু ঢাকা শহরে কয়েকটা লোক দেখানো ফটোসেশনে মন্তব্য করেন । আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, দেশে সিটি কর্পোরেশন- জেলা- উপজেলা- ইউনিয়ন পরিষদ পর্যায় পর্যন্ত সব মিলিয়ে ৭২ হাজারের মতো স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি রয়েছে। এরমধ্যে অনিয়মের ঘটনা আনুপাতিক হারে দুই হাজারে একটির মতো, যদিও একটি ঘটনাও কাম্য নয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এ ধরনের অনিয়মের সাথে জড়িতদের আগে মোবাইল কোর্টে বিচার হচ্ছে, পরে নিয়মিত মামলার হাত থেকেও এদের রেহাই নেই। এর আগে করোনাভাইরাস মোকাবিলাকালে সহায়তা চেয়ে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের কাছে সাংবাদিকদের তালিকা হস্তান্তর করেন বিএফইউজে ও ডিইউজে নেতৃবৃন্দ। বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজের সভাপতি মোল্লাা জালাল, মহাসচিব শাবান মাহমুদ ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন-ডিইউজের সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ ও সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম তপু এ তালিকা হস্তান্তর করেন। তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এ সময় বলেন, আজকে বিএফইউজে ও ডিইউজের পক্ষ থেকে সারাদেশের সাংবাদিকদের একটি তালিকা দেয়া হয়েছে। তাদেরকে কিভাবে রেশনিংয়ের আওতায় আনা যায়, সেটি আমরা আলোচনা করেছি। একই সাথে কিভাবে আর্থিক সহায়তা করা যায়, সেটিও আলোচনা হয়েছে। যেহেতু সাংবাদিকরা ঝুঁকির মধ্যে থেকে কাজ করছেন, সংবাদ পরিবেশন করছেন এবং করোনা মোকাবিলাতেও তারা কাজ করছেন, আমরা আশা করছি, শিগগিরই তাদের জন্য ইতিবাচক কিছু করতে আমরা সক্ষম হবো উল্লেখ করেন তিনি। জাতীয় প্রেসক্লাবে ইতোমধ্যেই একটি ন্যায্যমূল্যের দোকান চালু করা হয়েছে বলেও জানান ড. হাছান। বাংলাদেশ সংবাদপত্র কর্মচারী ফেডারেশন সভাপতি মোঃ মতিউর রহমান তালুকদার ও বাংলাদেশ ফেডারেল ইউনিয়ন অব নিউজ পেপার প্রেস ওয়ার্কার্স সভাপতি মোঃ আলমগীর হোসেন খানও এ সময় মন্ত্রীর কাছে নিজ নিজ সংগঠন সদস্যদের তালিকা হস্তান্তর করেন। আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, উপ-দফতর সম্পাদক সায়েম খান এসময় উপস্থিত ছিলেন।
জুন পর্যন্ত ত্রাণ দেওয়া নিয়ে কমিটি গঠন
২১এপ্রিল,মঙ্গলবার,স্টাফ রিপোর্টার,নিউজ একাত্তর ডট কম:করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট দুর্যোগে আগামী জুন পর্যন্ত যেসব মানুষকে ত্রাণ দেওয়া হবে তাদের তালিকা এবং ত্রাণের পরিমাণ নির্ধারণে একটি কমিটি গঠন করেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। গত সোমবার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের কর্মকর্তাদের নিয়ে এই কমিটি গঠন করে আদেশ জারি করা হয়েছে। এই কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আকরাম হোসেনকে। সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম। ১১ সদস্যের এই কমিটিতে সদস্য হিসেবে আছেন- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মোয়াজ্জেম হোসেন ও রওশন আরা বেগম, উপসচিব এ কে এম মারুফ হাসান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের পরিচালক মো. ইফতেখারুল ইসলাম ও হাবিবুল্লাহ বাহার, ত্রাণ সচিবের একান্ত সচিব শাব্বির আহমেদ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব মো. শাহজাহান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রোগ্রামার মোহাম্মদ আব্দুল কাদের। প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান এবং অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক এস এম হুমায়ূন রশিদ তরুণ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে। প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান এবং অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক এস এম হুমায়ূন রশিদ তরুণ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে। এই কমিটি সব বিভাগ থেকে প্রাপ্ত সারাদেশের উপকারভোগীর তালিকা এবং এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত ত্রাণ দিতে কত চাল লাগবে সেই পরিমাণ নির্ধারণ করে প্রতিবেদন দেবে। দেশে করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর কর্মহীন ও দুস্থ মানুষকে সহায়তার জন্য ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে আট দফায় ৬৪ জেলার দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সহায়তার জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে ৪৭ কোটি ৩৫ লাখ ৭২ হাজার ২৬৪ টাকা (শিশুখাদ্য কেনাসহ) ও ৯৪ হাজার ৬৬৭ টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়। এদিকে দেশের ৬৪ জেলায় ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ৬৪ জন সচিবকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় ও ত্রাণ সমন্বয়ের জন্য তাদের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন করেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।
কৃষকের ধান কাটায় সহায়তার জন্য কৃষক লীগের হটলাইন নম্বর চালু
২১এপ্রিল,মঙ্গলবার,স্টাফ রিপোর্টার,নিউজ একাত্তর ডট কম:চলতি বোরো মৌসুমে কৃষকের ধান কাটায় সহযোগিতার জন্য হটলাইন নম্বর চালু করেছে বাংলাদেশ কৃষক লীগ। আজ মঙ্গলবার কৃষক লীগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়ে বলা হয়, সারাদেশকে মোট দশটি জোনে ভাগ করে প্রতিটি জোনের জন্য একটি হটলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে।জোনগুলো হচ্ছে- ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা ও ফরিদপুর। প্রতিটি জোনে আছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত এক বা একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা এবং সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর কৃষক লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। সার্বিক কার্যক্রম সমন্বয় ও যোগাযোগের জন্য দেয়া আছে কৃষক লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মোবাইল নম্বর, যাতে যে কেউ চাইলে সরাসরি কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় কাজ করবে দশটি জোন এবং জোনের নির্দেশনায় কাজ করবে জেলা কমিটি। জেলা কমিটিতে কৃষকের ধান কাটা ও সহায়তার জন্য ১০০ জনের স্ট্রাইকিং ফোর্স রয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষক লীগের সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দ। তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে সকল মানুষ ঘরবন্দি। ফলে শ্রমিক সংকটের কারণে বোরো মৌসুমের ধান কাটতে পারছে না দেশের অনেক কৃষক। এই সকল কৃষকের ধান কৃষক লীগের নেতাকর্মীরা কেটে দেবেন। শুধু ধান কাটা নয়, কৃষকের যেকোনো সমস্যার সমাধান এ হটলাইনের মাধ্যমে করা হবে বলেও জানান সমীর চন্দ। সারাদেশে কৃষকের জন্য কৃষক লীগের হটলাইন নম্বরগুলো হলো-সিলেট অঞ্চল ০১৭১১ ৩৩১০৭২, কুমিল্লা অঞ্চল ০১৭৩২ ১৭০৫৫৫, চট্টগ্রাম অঞ্চল ০১৭১১ ১৪০২১৬, রংপুর অঞ্চল ০১৭১১ ২৬১৮৩৩, বরিশাল অঞ্চল ০১৭১১ ৪৪২২১৩, ফরিদপুর অঞ্চল ০১৭১২ ০৯২৭৫৬, রাজশাহী অঞ্চল ০১৭১৪ ২২০৫৬৩, ঢাকা অঞ্চল ০১৭১১ ৩২৯০৪৪, খুলনা অঞ্চল ০১৭১৬ ৭১৬২০১ এবং ময়মনসিংহ অঞ্চল ০১৭১৬ ৬৭০৭৭০।
ত্রাণ আত্মসাৎকারী জনপ্রতিনিধিদের ছাড় দেয়া হবে না
২১এপ্রিল,মঙ্গলবার,আহাম্মদ হোসেন ভুইয়া,নিউজ একাত্তর ডট কম:বৈশ্বিক মহামারিতে যেসব জনপ্রতিনিধি গরীব মানুষের জন্য দেয়া ত্রাণ আত্বসাৎ করবে তাদের কোনভাবেই ছাড় দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। তিনি আজ রাজধানীর উত্তরায় রাজউক, ওয়াসা ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনস্থ কয়েকটি খাল পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, সারা বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশেও মহামারি থেকে রক্ষা পেতে ঘরে থাকার জন্য বলা হয়েছে। এ অবস্থায় দেশের প্রান্তিক গরীব জনগোষ্ঠীর জন্য সরকার প্রদত্ত খাদ্য সহায়তা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে বন্টন করা হচ্ছে। এসব ত্রাণ সামগ্রী বিতরণকালে যদি কোন অনিয়ম খুঁজে পাওয়া যায় তাহলে আমরা তড়িৎ ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। ত্রাণ নয়ছয় করা হলে কোন ধরণের অনুকম্পা তারা পাবে না। তিনি বলেন, এসব অনিয়ম বা ত্রাণ আত্মসাতের সাথে জড়িত বেশ কিছু জনপ্রতিনিধিকে ইতোমধ্যে আমরা বহিস্কার করেছি, তবে শুধু বহিস্কার নয় নিয়ম অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ফোজদারি আইনে মামলার মুখোমুখিও করা হয়েছে।বাসস। খাল পরিদর্শনে এসে মন্ত্রী আরো বলেন, রাজধানীর চারপাশে দিয়ে বয়ে যাওয়া খালগুলো এ বর্ষার আগেই পরিস্কার রাখার কাজ এগিয়ে নেয়া হচ্ছে। করোনার বিস্তারের এ পরিস্থিতিতে পানি নিস্কাশন ও ডেঙ্গু মশার প্রাদূর্ভাব যাতে নগরবাসীর জন্য বাড়তি সমস্যার কারণ না হয় সেজন্য আমরা খালগুলো পরিস্কার করার উপর জোর দিয়েছি। ঢাকা উত্তর সিটির নবনির্বাচিত মেয়র আতিকুল আতিকুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. হেলাল উদ্দিন, ঢাকা ওয়াসার এমডি তাকসিন এ খান, রাজউকের চেয়ারম্যান ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা খাল পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সাথে ছিলেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর