মধ্যপ্রাচ্যসহ সিঙ্গাপুরে শিগগিরই বিশেষ ফ্লাইট চালু
১৪,এপ্রিল,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), ওমান, কাতার ও সিঙ্গাপুরের জন্য শিগগিরই বিশেষ ফ্লাইট চালু করা হতে পারে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা নিশ্চিত করবে। জানা গেছে, রিক্রুটিং এজেন্সিসমূহ বিদেশগামী যাত্রীদের করোনা নেগেটিভ সনদসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে এয়ারপোর্টে আনার দায়িত্ব পালন করবে। প্রবাসী কর্মীরা কেবল জরুরি প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ মিশনের ছাড়পত্র গ্রহণ করে এবং দেশে প্রযোজ্য কোয়ারেন্টাইনের শর্ত মেনে কোভিড নেগেটিভ সনদ নিয়ে দেশে আসতে পারবেন। বুধবার (১৪ এপ্রিল) পররাষ্ট্র সচিবের সভাপতিত্বে লকডাউনকালে বিদেশগামী কর্মীদের গন্তব্য দেশে যাওয়া বিষয়ে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিবরা, সিভিল অ্যাভিয়েশনের চেয়ারম্যান, বিমানের এমডিসহ পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশকে কঠোর হওয়ার নির্দেশ দিলেন আইজিপি
১৪,এপ্রিল,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত সরকারি বিধিনিষেধ কঠোরভাবে প্রতিপালনসহ বেশ কয়েকটি ইস্যুতে পুলিশের সব ইউনিটের কর্তাদের কঠোর হওয়ার নির্দেশ দিলেন বাংলাদেশ পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ। মঙ্গলবার করোনাভাইরাস সংক্রমণের বিস্তার রোধ এবং পবিত্র রমজান উপলক্ষে সব পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি, জেলার পুলিশ সুপার ও থানার অফিসার ইনচার্জদের ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ নির্দেশনা দেন তিনি। বুধবার (১৪ এপ্রিল) বিষয়টি নিশ্চিত করেন পুলিশ সদর দফতরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি-মিডিয়া) মো. সোহেল রানা। অফিসারদের উদ্দেশে আইজিপি বলেন, সরকারি বিধিনিষেধ চলাকালে বিনা প্রয়োজনে কেউ ঘরের বাইরে যাবেন না। জরুরি প্রয়োজনে বাইরে যেতে হলে পুলিশের মুভমেন্ট পাস নিয়ে চলাচল করবেন। জরুরি কাজে ঘরের বাইরে বের হলে অবশ্যই মাস্ক পরিধান করতে হবে এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। ধৈর্য ধরে বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে সরকারি বিধিনিষেধ প্রতিপালনের জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন আইজিপি। তিনি বলেন, খাদ্যপণ্য, ওষুধ, উৎপাদন সামগ্রী ও অন্যান্য জরুরি সেবার যানবাহনের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে হবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোভিড-১৯ সংক্রমণ, লকডাউন, রমজান উপলক্ষে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে এমন গুজব ও বিভ্রান্তিমূলক পোস্ট, মন্তব্য বা ছবি আপলোড করে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যেন সামাজিক সম্প্রীতি নষ্ট না করতে পারে তা নিয়মিত মনিটরিংয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন আইজিপি।
শঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই, সরকার পাশে থাকবে: প্রধানমন্ত্রী
১৩,এপ্রিল,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা মহামারিতে মানুষের জীবন রক্ষার পাশাপাশি দেশের অর্থনীতি, মানুষের জীবন-জীবিকা যাতে সম্পূর্ণরূপে ভেঙ্গে না পড়ে সেদিকে সরকার কঠোর দৃষ্টি রাখছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সবাইকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, আপনাদের শঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। সরকার সব সময় আপনাদের পাশে রয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ১৪২৮ নববর্ষ উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে একথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, মানুষের জীবন রক্ষার পাশাপাশি আমাদের অর্থনীতি, মানুষের জীবন-জীবিকা যাতে সম্পূর্ণরূপে ভেঙে না পড়ে সেদিকে আমরা কঠোর দৃষ্টি রাখছি। সবার সহযোগিতায় আমরা বেশ কিছু কার্যক্রম হাতে নিয়েছিলাম। যার ফলে গত বছর করোনা ভাইরাস মহামারিজনিত প্রভাব আমরা সফলভাবে মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছি। সরকারপ্রধান বলেন, আপনাদের শঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। সরকার সব সময় আপনাদের পাশে রয়েছে। দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানার পর আমি দরিদ্র-নিম্নবিত্ত মানুষদের সহায়তার জন্য কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছি। আমরা ইতোমধ্যে পল্লী অঞ্চলে কর্মসৃজনের জন্য ৮০৭ কোটি ৬৫ লাখ টাকা এবং পবিত্র রমজান ও আসছে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ৬৭২ কোটিরও বেশি টাকা বরাদ্দ দিয়েছি। এর মাধ্যমে দেশের প্রায় ১ কোটি ২৪ লাখ ৪২ হাজার নিম্নবিত্ত পরিবার উপকৃত হবেন। গত বছর করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর থেকে ভিজিএফ, টেস্ট রিলিফসহ বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমের আওতা বাড়ানো হয়েছে। করোনায় অর্থনীতির বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সরকার চার মূলনীতিতে কাজ করছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে অর্থনীতির উপর সম্ভাব্য বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় গত বছর আমরা চারটি মূল কার্যক্রম নির্ধারণ করেছিলাম। চারটি কার্যক্রম হচ্ছে: ১) সরকারি ব্যয় বাড়ানো: সরকরি ব্যয়ের ক্ষেত্রে কর্মসৃজনকেই প্রাধান্য দেওয়া; (২) আর্থিক সহায়তার প্যাকেজ প্রণয়ন: অর্থনৈতিক কর্মকা-পুনরুজ্জীবিত করা, শ্রমিক-কর্মচারীদের কাজে বহাল রাখা এবং উদ্যোক্তাদের প্রতিযোগিতার সক্ষমতা অক্ষুণ্ণ রাখা; (৩) সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমের আওতা বাড়ানো: দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী জনগণ, দিনমজুর ও অপ্রাতিষ্ঠানিক কর্মকাণ্ডে নিয়োজিত জনসাধারণের মৌলিক চাহিদা পূরণে বিদ্যমান সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমের আওতা বাড়ানো। (৪) মুদ্রা সরবরাহ বাড়ানো: অর্থনীতির বিরূপ প্রভাব উত্তরণে মুদ্রা সরবরাহ এমনভাবে বাড়ানো যেন মুদ্রাস্ফীতি না ঘটে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই চার মূলনীতির ভিত্তিতে আমাদের কার্যক্রম এখনও অব্যাহত রয়েছে। আমরা ইতোমধ্যে প্রায় ১ লাখ ২৪ হাজার ৫৩ কোটি টাকার ২৩টি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছি। কলকারখানায় যাতে উৎপাদন ব্যাহত না হয় সে ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি। কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা দিনমজুর, পরিবহন শ্রমিক, হকার, রিকশাওয়ালা, দোকান কর্মচারী, স্কুল শিক্ষক, মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী, মসজিদের ইমাম-মোয়াজ্জিন, অন্য ধর্মের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সেবাদানকারী, নিম্নআয়ের নানা পেশার মানুষকে সহায়তা দিয়েছি। প্রায় আড়াই কোটি মানুষকে বিভিন্ন সরকারি সহায়তার আওতায় আনা হয়েছে।
চৈত্র সংক্রান্তি আজ
১৩,এপ্রিল,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামীকাল বুধবার ১৪২৮-এর প্রথম দিন পয়লা বৈশাখ, বাঙালির সর্বজনীন উৎসবের দিন। বাংলা বছরের শেষ দিন। চৈত্র মাসের এই দিনটিকে বলা হয় চৈত্র সংক্রান্তি। বাংলার বিশেষ লোকজ উৎসব এই চৈত্র সংক্রান্তি। আবহমান বাংলার চিরায়িত নানা ঐতিহ্যকে ধারণ করে আসে এ দিনটি। বছরের শেষ দিন হিসেবে পুরনোকে বিদায় ও নতুন বর্ষকে বরণ করার জন্য চৈত্র সংক্রান্তিকে ঘিরে থাকে নানা অনুষ্ঠান-উৎসবের আয়োজন। তবে প্রতি বছর নাচ, গান, আনন্দ-উল্লাসসহ নানা আয়োজনে চৈত্র সংক্রান্তি পালনের মধ্য দিয়ে পুরনো বছরকে বিদায় জানালেও বৈশ্বিক মহামারি কারণে গত বছরের মতো এবারও চৈত্র সংক্রান্তিতে থাকছে না কোনো কার্যক্রম। গত বছরের মতো এবারও বর্ষবরণ উৎসবের উপর সরকার বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে লোক সমাগম এড়িয়ে ভার্চুয়াল অনুষ্ঠান আয়োজনের কথা বলা হয়েছে। একাত্তরের পর গত বছর নববর্ষের প্রথম প্রহরে রমনার বটমূলে ছায়ানটের অনুষ্ঠান হয়নি। তারই ধারাবাহিকতায় এবছরও থাকছে না ছায়ানটের নতুন বছরের আয়োজন। এবারও পহেলা বৈশাখে হচ্ছে না মঙ্গল শোভাযাত্রা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতীকী কর্মসূচি হিসেবে চারুকলা অনুষদের শিল্পীদের তৈরি মঙ্গল শোভাযাত্রার বিভিন্ন মুখোশ ও প্রতীক ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রদর্শন ও সম্প্রচারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
কাউন্টার টেরোরিজমের দায়িত্বে ডিআইজি আসাদুজ্জামান
১৩,এপ্রিল,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপির) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) প্রধান হিসেবে মো. আসাদুজ্জামানকে বদলি করা হয়েছে। তিনি পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের ডিআইজি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এর আগে সিটিটিসি ইউনিটের প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম। বর্তমানে তিনি স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) প্রধান। সোমবার (১২ এপ্রিল) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ধনঞ্জয় কুমার দাস স্বাক্ষরিত এক আদেশ থেকে এ তথ্য জানা গেছে। আদেশে বলা হয়, সিটিটিসির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনারের চলতি দায়িত্বে জনস্বার্থে বদলি করা হলো। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
ফের বেড়েছে গরম
১৩,এপ্রিল,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কয়েক দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড় ও মেঘলা আবহের কারণে তাপমাত্রা কিছুটা কম থাকলেও ফের বেড়েছে গরমের দাপট। এখন দেশের নয়টি অঞ্চল ও এক বিভাগের ওপর দিয়ে তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আবহাওয়া অধিদফতর বলছে- ঢাকা, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, রাঙ্গামাটি, ফেনী, শ্রীমঙ্গল, রাজশাহী, দিনাজপুর ও খেপুপাড়া অঞ্চলসহ খুলনা বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু তাপ প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং এটি অব্যাহত থাকতে পারে। মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) সকাল নয়টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
লকডাউনেও চলবে যেসব পরিবহন
১৩,এপ্রিল,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ১৪ এপ্রিল থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত সার্বিক কার্যাবলি ও চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। এ সময়ে বন্ধ থাকবে সব ধরনের গণপরিবহন। তবে জরুরিভিত্তিতে কিছু পরিবহন চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ১৩ দফা নির্দেশনাসহ এ প্রজ্ঞাপন জারি করে। এ নির্দেশনাগুলো ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে ২১ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত মেনে চলার কথা বলা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, রেল, বিমান) বন্ধ থাকবে। তবে পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবা এ আদেশের বাইরে থাকবে। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা ও জরুরি পরিষেবা, যেমন- কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি), খাদ্যশস্য ও খাদ্য দ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা (কোভিড-১৯ এর টিকা প্রদান), বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরসমূহ, টেলিফোন, সংবাদপত্র/গণমাধ্যম, ইন্টারনেট সেবা, বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।
মসজিদে তারাবি নামাজে ইমামসহ অংশ নিতে পারবেন ২০ জন
১২,এপ্রিল,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির কারণে এবারের রমজানে পাঁচ ওয়াক্ত এবং তারাবির নামাজের জামাতে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ সর্বোচ্চ ২০ জন মুসল্লি অংশ নিতে পারবেন। তবে জুমার নামাজে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সব মুসল্লি অংশ নিতে পারবেন। সোমবার সন্ধ্যায় ধর্ম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই নির্দেশনা দেয়া হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, করোনাভাইরাস ভয়াবহ মহামারি আকার ধারণ করায় যথাযথ সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বর্তমান পরিস্থিতিতে বুধবার থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত মসজিদে নামাজ আদায়ের ক্ষেত্রে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তা হলো- (ক) মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের প্রতি ওয়াক্তে সর্বোচ্চ ২০ জন মুসল্লি অংশগ্রহণ করবেন। (খ) তারাবির নামাজে খতিব, ইমাম, হাফেজ, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ সর্বোচ্চ ২০ জন মুসল্লি অংশগ্রহণ করবেন। (গ) জুমার নামাজে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে মুসল্লিরা অংশগ্রহণ করবেন। এছাড়াও মুসল্লিদের রমজানে তেলাওয়াত ও জিকিরের মাধ্যমে আল্লাহর রহমত ও বিপদ থেকে মুক্তির জন্য দোয়া করার অনুরোধ করা হয়েছে। করোনার সংক্রমণ রোধে স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনী, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট মসজিদের পরিচালনা কমিটিকে উল্লিখিত নির্দেশনা বাস্তবায়ন করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
বাড়ানো হলো যাত্রীবাহী নৌযান চলাচলের নিষেধাজ্ঞা
১২,এপ্রিল,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সব ধরনের যাত্রীবাহী নৌযান বন্ধের সিদ্ধান্তের সময়কাল বাড়ানো হয়েছে। যা বাড়িয়ে আগামী ২১ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়েছে। তবে পণ্যবাহী নৌযান চালু থাকবে বলে জানা গেছে। মহামারি করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে সর্বাত্মক লকডাউনের কারণেই এই নিষেধাজ্ঞা বাড়ানো হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা আদেশ অনুযায়ী এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ। কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমোডর গোলাম সাদেক বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী যাত্রীবাহী নৌযান বন্ধ থাকবে। তবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আদেশ অনুযায়ী, পণ্যবাহী নৌযান ও বন্দরগুলো খোলা থাকবে। যারা ওই পণ্যবাহী নৌযানে কাজ করবেন তারাও স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ করবেন। প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাস মহামারীর লকডাউনের কারণে ৫ এপ্রিল থেকে সকাল ৬টা থেকে সব ধরনের যাত্রীবাহী নৌযান বন্ধ রয়েছে। করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার ৫ এপ্রিল থেকে ৭ দিনের জন্য গণপরিবহন চলাচলসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ জারি করেছিল। গতকাল এই বিধিনিষেধ শেষ হওয়ার দিন তা আরও দুদিন বাড়ানো হয়। এখন নতুন করে ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত সর্বাত্মক লকডাউন হতে যাচ্ছে। এ সময়ে মানুষের কাজ ও চলাচলে কঠোর বিধিনিষেধ জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুমোদনের পর আজ সোমবার এ বিষয়ে আদেশ জারি করা হয়। এতে সরকারি-বেসরকারি অফিস, গণপরিবহন বন্ধ রাখাসহ ১৩ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে শিল্পকারখানাগুলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু থাকবে।

জাতীয় পাতার আরো খবর