মিজান-বাছিরের বিরুদ্ধে ঘুষের মামলা অনুমোদন
১৬জুলাই২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:বরখাস্তকৃত ডিআইজি মিজানুর রহমান ও দুদকের পরিচালক এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে ঘুষের মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ফরেনসিক পরীক্ষায় ঘুষ লেনদেন নিয়ে কথোপকথনের সত্যতা পাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার দুদকের একটি সূত্র যুগান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সূত্রে জানা গেছে, ফরেনসিক পরীক্ষায় কথোপকথন, পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি ও প্রমাণাদি দুই কর্মকর্তার ঘুষ লেনদেনের বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এসবের ভিত্তিতেই কারারুদ্ধ ডিআইজি মিজান ও দুদক পরিচালক এনামুল বাছিরকে আসামি করে মামলা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দুদক পরিচালক এনামুল বাছির ঘুষ গ্রহণ করেছেন, এটা অডিও রেকর্ডে প্রমাণ আছে। অন্যদিকে ডিআইজি মিজান নিজেই ঘুষ দেয়ার কথা প্রকাশ্যে বলেছেন। দুদক মনে করছে, এর মাধ্যমে ডিআইজি মিজান নিজের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিজেই প্রতিষ্ঠিত করেছেন। দুজনই ঘুষ লেনদেনে জড়িয়েছেন, যা দণ্ডবিধির ১৬১, ১৬৫(১), ১০৯ ধারা ও ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) (ক্ষমতার অপব্যবহার) ধারায় অজামিন ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। মিজান দুদকের মামলায় বর্তমানে কারাগারে আছেন। ঘুষ লেনদেন মামলায় এবার সাময়িক বরখাস্ত এনামুল বাছিরকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হতে পারে। এদিকে ঘুষ লেনদেনের বিষয়ে ডিআইজি মিজান এবং দুদকের পরিচালক বাছিরকে আলাদাভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। দুদক মিজানকে কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সম্মেলন কক্ষে এবং বাছিরকে পুলিশ সদর দফতরে ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। মিজান বলেছেন, মামলা হলে ফেঁসে যাবেন। তাই আত্মরক্ষার জন্য তিনি বাছিরকে ম্যানেজ করতে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ দেন। অন্যদিকে পুলিশের কাছে বাছির কী বলেছেন তা প্রকাশ করেননি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা। সোমবার দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্ল্যার নেতৃত্বে তিন সদস্যের অনুসন্ধান টিম ডিআইজি মিজানকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। অপরদিকে পুলিশের অতিরিক্ত আইজি (অর্থ ও উন্নয়ন) মো. শাহাব উদ্দীন কোরেশীর নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত টিম দুদক পরিচালক এনামুল বাছিরকে বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞাসা করে। এদিকে তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে ডিআইজি মিজান ও বাছিরের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান প্রতিবেদন তৈরি করছে দুদকের অনুসন্ধান টিম। জানা গেছে, সোমবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ডিআইজি মিজানকে কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সম্মেলন কক্ষে নানা বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়। দুদকের অনুসন্ধান টিমের প্রশ্নের উত্তরে ডিআইজি মিজান স্বীকার করেছেন, তিনি দুদকের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে দুই দফায় ৪০ লাখ টাকা ঘুষ দিয়েছেন। প্রথম দফায় ১৫ জানুয়ারি ২৫ লাখ এবং দ্বিতীয় দফায় ২৫ ফেব্রয়ারি দেন ১৫ লাখ টাকা। দুবারই রমনা পার্কে গিয়ে এনামুল বাছিরের হাতে টাকা দেন। লেনদেনের বিষয়টি তার গাড়িচালক ও বডিগার্ডও জানত। বেলা ১১টা থেকে ডিআইজি মিজানকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। এ সময় দুদক টিমের হাতে ছিল জেরাসংক্রান্ত প্রশ্নমালা। জিজ্ঞাসাবাদের সময় কারা কর্তৃপক্ষের কয়েকজন কর্মকর্তাও উপস্থিত ছিলেন। দুদকের কর্মকর্তারা ডিআইজি মিজানের কাছে জানতে চান, কেন তিনি ঘুষ দিলেন? এনামুল বাছির তাকে কি ঘুষ দিতে বাধ্য করেছিলেন? এ প্রশ্নের সরাসরি কোনো উত্তর দেননি তিনি। বাধ্য না হলে কেন ঘুষ দিলেন- এ প্রশ্নেও নীরব ছিলেন ডিআইজি মিজান। তার কাছে জানতে চাওয়া হয়, এনামুল বাছিরকে ঘুষ দেয়ার আগে কমিশনকে বিষয়টি কেন জানাননি। কেন আপনি নিজেই অসততার আশ্রয় নিলেন। নিজেই বলেছেন, দুদক কর্মকর্তাকে ফাঁদে ফেলে দেখিয়ে দিতে চেয়েছেন দুদক কতটা ভালো কাজ করে। এসব প্রশ্নে ডিআইজি মিজান নিজের অবস্থান স্পষ্ট করতে পারেননি। শুধু বলেছেন, তার মনে হয়েছে মামলা হলে ফেঁসে যাবেন। এমনকি দুদক তার বিরুদ্ধে মামলা করতে যাচ্ছে, সেই মামলায় তিনি হয়রানির শিকার হতে পারেন তাই তিনি দুদকের পরিচালক বাছিরকে ম্যানেজ করতে চেয়েছেন। তিনি সহজেই ম্যানেজ হবে বুঝতে পারেননি। বিষয়টি এতদূর গড়াবে তাও তিনি ধারণা করতে পারেননি বলে জানান। এদিকে, পুলিশের অতিরিক্ত আইজি (অর্থ ও উন্নয়ন) মো. শাহাব উদ্দীন কোরেশীর নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত টিম সোমবার দুদক পরিচালক এনামুল বাছিরকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। এ সময় এনামুল বাছির কি বলেছেন, জানতে চাইলে তদন্ত টিমের প্রধান মো. শাহাব উদ্দীন কোরেশী যুগান্তরকে বলেন, বিষয়টি তদন্ত পর্যায়ে আছে। এনামুল বাছিরকে প্রায় ১ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ডিআইজি মিজানকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে কিনা এ সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, তদন্তের প্রয়োজন হলে হবে। জানা গেছে, দুদক টিম দুজনের ঘুষ লেনদেনসংক্রান্ত কথোপকথন ও এ সংক্রান্ত ফরেনসিক পরীক্ষার রিপোর্টের সূত্র ধরে ডিআইজি মিজানকে আরও বেশ কিছু প্রশ্ন করে। তবে অনেক প্রশ্নেরই উত্তর মেলেনি। দুদকের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, অনুসন্ধানে দুজনের ঘুষের প্রমাণ মিলেছে। ডিআইজি মিজানকে জিজ্ঞাসাবাদের মধ্য দিয়ে তার সত্যতা আরও নিশ্চিত হল। তিনি দুই দফায় ৪০ লাখ টাকা ঘুষ দেয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তবে দুদক পরিচালক এনামুল বাছির ঘুষ নেয়ার কথা অস্বীকার করেন। তিনি দুদকের ডাকে হাজির না হলেও পুলিশ সদর দফতরের নোটিশ পেয়ে সোমবার বক্তব্য দিয়ে এসেছেন। ১০ জুলাই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার কথা ছিল দুদকের। তিনি দুদকে হাজির হবেন বলেও অনুসন্ধান টিমকে নিশ্চিত করেন। কিন্তু ওই দিন তিনি নিজে হাজির না হয়ে একজন আইনজীবীর মাধ্যমে লিখিত বক্তব্যের একটি কপি পৌঁছে দেন। তাতে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করার পাশাপাশি তার কণ্ঠ নকল করার অভিযোগ করেন। অপরদিকে ডিআইজি মিজান এখনও বলছেন, তিনি ঘুষ দিয়েছেন। বাছির সেই ঘুষ নিয়েছেন। ঘুষ লেনদেন সংক্রান্ত অডিও ক্লিপের ফরেনসিক পরীক্ষা করেও দুজনের কণ্ঠের সত্যতা মিলেছে। অথচ বাছির বলেন, বাংলাদেশে কণ্ঠস্বর পরীক্ষার কোনো পদ্ধতিই নেই। এমন কি বিশ্বের কোথাও এ ধরনের পদ্ধতি আছে কিনা তার জানা নেই। দুদক মনে করে, এনামুল বাছির সরাসরি দুদকে হাজির হয়ে বক্তব্য না দিয়ে দূর থেকে যেসব কথা বলছেন, তার কোনো ভিত্তি নেই। দুজনের বিরুদ্ধেই ঘুষ নেয়া-দেয়ার প্রমাণ সব দিক থেকে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
আদালতে আসামিকে ছুরি দিয়েছে কারা, জানতে চান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
১৬জুলাই২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কুমিল্লা জেলা জজ আদালতের এজলাসে বিচারকের সামনেই এক আসামিকে অপর আসামির ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনাকে অনাকাঙ্ক্ষিত বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। তিনি বলেন, আদালতে আসামির কাছে ছুরি কীভাবে পৌঁছাল সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত করছে। আজ মঙ্গলবার সকালে বিজিবি সদস্যদের বীরত্বপূর্ণ ও কৃতিত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পদক প্রদান অনুষ্ঠানে মন্ত্রী একথা বলেন। আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, সে (আসামি) কীভাবে সেখানে ছুরি পেল সেটা আমাদের তদন্তের ব্যাপার। কারা তাকে ছুরি দিয়েছে কিংবা কীভাবে সহযোগিতা করেছে সেটা তদন্ত করলে বের হয়ে আসবে। কোর্টের ভিতরে যে ঘটনাটি ঘটেছে সেটা অনাকাঙ্ক্ষিত। আমরা মনে করি, এই ধরনের ঘটনা যাতে আর না ঘটে সেজন্য ভবিষ্যতে কোর্ট কর্তৃপক্ষ এবং আমরা সতর্ক থাকব।’ পুলিশ নিয়োগে ঘুষ বাণিজ্যকারী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তদন্তে প্রমাণ পেলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এ সময় কোর্টের নিরাপত্তা বাড়াতে স্ক্যানার ও সিসিটিভি স্থাপনের পরামর্শ দেন মন্ত্রী।-আলোকিত বাংলাদেশ
বস্তিবাসীর জন্য ফ্ল্যাট নির্মাণের কথা ভাবছে সরকার
১৫জুলাই২০১৯,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বস্তিবাসী নাজুকভাবে থাকলেও তাদের ভাড়া কোনও অংশে কম না। তারা যেন শান্তিতে থাকতে পারে, সেজন্য ভাড়াভিত্তিক ফ্ল্যাট নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিদিন, সপ্তাহ বা মাসভিত্তিক ভাড়া পরিশোধ করতে পারবে তারা। সোমবার (১৫ জুলাই) ইস্কাটনে মন্ত্রী ও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সাতটি প্রকল্পের আওতায় আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন এক হাজার ৬৭১টি ফ্ল্যাট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সুপরিকল্পিত নগরায়ণের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। দ্রুত সেগুলো বাস্তবায়ন করা হবে। শুধু বহুতল ভবন নির্মাণ করলেই হবে না, সেগুলো হতে হবে পরিকল্পনা অনুযায়ী। এখন থেকে অপরিকল্পিত শিল্প-কারখানায় আর বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংযোগ দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন,ঢাকা শহরে জলাবদ্ধতা একটি বড় সমস্যা। এখানকার বেশিরভাগ খাল ভরাট করা হয়েছে। এ কারণে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেছে। এ কারণে সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা।
কুমিল্লায় শুনানি চলাকালে বিচারকের সামনে আসামির হাতে আসামি খুন
১৫জুলাই২০১৯,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:কুমিল্লায় হত্যা মামলার শুনানি চলার সময় বিচারকের সামনে আসামির ছুরিকাঘাতে অপর আসামি নিহত হয়েছে। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ঘাতক হাসানকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, আদালতের এজলাসে মনোহরগঞ্জ উপজেলায় সংঘটিত একটি হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ চলছিল। এক পর্যায়ে মামলার আসামি হাসান অন্য আসামি ফারুককে ছুরিকাঘাত করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় কুমিল্লা মেডিকেলে নেয়ার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম বলেন, পুলিশি পাহারার মধ্যেও আসামির ছুরি নিয়ে আদালতে প্রবেশের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
শেষ হয়েছে পদ্মা সেতুর পাইল বসানোর কাজ
১৫জুলাই২০১৯,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অবশেষে শেষ হয়েছে পদ্মা সেতুর পাইল বাসানোর কাজ। গতকাল রোববার রাত ৮টায় পাইল বসানোর কাজ শেষ হয়। এর মধ্য দিয়ে প্রায় সাড়ে তিন বছরের বেশি সময় ধরে ২৯৪টি পাইল বসানো হলো। এর আগে ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে পাইল বসানোর কাজটি শুরু হয়েছিল। পদ্মা সেতুর প্রকল্পের সহকারী প্রকৌশলী হুমায়ন কবির এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পাইল বসানোর কাজটি শুরু হয়ে রাত ৮টায় কাজ শেষ হয়। মূল সেতুর ২৬ নম্বর খুঁটির (পিলার) ৭ নম্বর পাইলের টপ সেকশনের পাইল স্থাপন রোববার সাড়ে ১১টায় শুরু হয়। এর আগে গত শনিবার সেতুর সর্বশেষ পাইলটি বসানোর কথা থাকলেও বৈরি আবহাওয়ার কারণে তা সম্ভব হয়নি। এদিকে সেতুর পাইল বসানোর কাজ শেষ হওয়ায় প্রকল্প এলাকায় সংশ্লিষ্টদের মাঝে এখন আনন্দের জোয়ার বইছে। ৩ মিটার পরিধির একেকটি পাইল নদীর ১২০ মিটার পর্যন্ত তলদেশে গিয়েছে। এক লাখ ৪০ হাজার ঘনমিটার পানি প্রতি সেকেন্ডে প্রবাহিত হয়ে থাকে পদ্মা নদী দিয়ে। খরস্রোতা নদীতে যাতে পাইলের ওপর পিলার একশত বছরের বেশি সময় টিকে থাকে-এমনভাবে নদীতে পাইল ড্রাইভ করা হয়েছে। চীন থেকে আসা স্টিল প্লেট দিয়ে পাইল তৈরি করা হয়েছে মাওয়া কন্সট্রাকশন ইয়ার্ডে। গত বছরের শেষ দিকে নকশা পুনর্বিন্যাস করার পর দ্রুতগতিতে পদ্মার বুকে বসতে থাকে একের পর এক পাইল। জানা গেছে, মূল সেতুর নির্মাতা চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন কোম্পানিকে পাইল বসানোর কাজ করতে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু চলতি বছরের ৩১ জুলাই পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। নির্ধারিত সময়ের ১৬ দিন আগে পাইল বসানোর কাজ শেষ হলো। নির্মাণ কাজের শুরুতে ২৬৪টি পাইলের ওপর ৪২টি পিলার তৈরির নকশা করা হয়। কিন্তু নদীর গভীর তলদেশে কাদামাটির স্তর ও গঠনগত বৈচিত্র থাকায় নতুন নকশা করতে হয়। এ নকশায় ১ ও ৪২ নম্বর পিলারের ১৬টি করে মোট ৩২টি পাইল করা হয়। আর ২২টি পিলারে সাতটি করে মোট পাইল ১৫৪টি এবং ১৮টি পিলারে ছয়টি করে মোট ১০৮টি পাইল রাখা হয়। সব মিলিয়ে ৪২টি পিলারে পাইল রাখা হয় ২৯৪টি। এদিকে ২৯৪টি পাইলের পাশাপাশি এর মধ্যেই ৩০টি পিলার তৈরির কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। সেতুর মোট ৪২টি পিলারের ওপর বসানো হবে ৪১টি স্প্যান। এর মধ্যে কয়েক ভাগে ১৪টি স্প্যান বসানোর মাধ্যমে বর্তমানে পদ্মা সেতুর ২ হাজার ১০০ মিটার দৃশ্যমান হয়েছে।
হঠাৎ ২৬ পুলিশ সুপারকে বদলি
১৫জুলাই২০১৯,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ পুলিশের পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ২৬ কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। বদলির এই তালিকায় বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক প্রলয় কুমার জোয়ারদার রয়েছেন। তাকে ঢাকার পাশে নরসিংদীতে বদলি করা হয়েছে। রবিবার (১৪ জুলাই) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে উপ-সচিব ধনঞ্জয় কুমার দাস স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্যে জানানো হয়। ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়ার আগামী মাসের মাঝামাঝি সময়ে অবসরে যাওয়ার কথা রয়েছে। তার যাওয়ার আগে ডিএমপিতে এক সঙ্গে বড় রদবদলের ঘটনা ঘটল। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখিত বদলি হওয়া পুলিশ সুপাররা হলেন- ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার এ এইচ এম কামরুজ্জামানকে পুলিশ সুপার লক্ষ্মীপুর জেলায়, পুলিশের বিশেষ শাখার পুলিশ সুপার মিজানুর রহমানকে পুলিশ সুপার সুনামগঞ্জ জেলায়, পুলিশ সদর দফতরের সহকারী পুলিশ মহাপরিদর্শক ফারুক আহমেদকে পুলিশ সুপার মৌলভীবাজার জেলায়, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার লিটন কুমার সাহাকে পুলিশ সুপার নাটোর জেলায়, আনোয়ার হোসেন খানকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা থেকে পুলিশ সদর দফতরের সহকারী পুলিশ মহাপরিদর্শকে, মোহাম্মাদ শাহ জালালকে মৌলভীবাজার পুলিশ সুপার থেকে পুলিশ সদর দফতরের সহকারী পুলিশ মহাপরিদর্শকে। জাকির হোসেন খান ফরিদপুর জেলা পুলিশ সুপার থেকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার, মো. সাজ্জাদ রহমান সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার থেকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার, জয়দেব চৌধুরী নেত্রকোনা জেলা পুলিশ সুপার থেকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার, আ. স. ম. মাহাতাব উদ্দিন লক্ষীপুর জেলা পুলিশ সুপার থেকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার, মো. বরকতুল্লাহ্য খান সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার থেকে ঢাকা হাইওয়ে পুলিশ সুপার, সাইফুল্লাহ আল মামুন নাটর জেলা পুলিশ সুপার থেকে ঢাকা জেলা রেলওয়ে পুলিশ সুপার, সুব্রত কুমার হালদার মাদারীপুর জেলা পুলিশ সুপার থেকে রংপুর রেঞ্জের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক। মিরাজ উদ্দিন আহমেদ নরসিংদী পুলিশ সুপার থেকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার, মো. আনিসুর রহমান পুলিশ সদর দফতরের এআইজি থেকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার, আব্দুর রহিম শাহ স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) পুলিশ সুপার থেকে টাঙ্গাইল পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের পুলিশ সুপার, ফারহাত আহমেদ স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) পুলিশ সুপার থেকে নোয়াখালী পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের পুলিশ সুপার, মো. সাইফুল্লাহ বিন আনোয়ার স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) পুলিশ সুপার থেকে পুলিশ সদর দফকরের সহকারী পুলিশ মহাপরিদর্শক, মাসুদ আহ্মমেদ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার থেকে অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) পুলিশ সুপার। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আনিসুর রহমানকে পুলিশ সুপার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায়, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ পুলিশ কমিশনার আকবর আলী মুন্সীকে পুলিশ সুপার নেত্রকোনা জেলায়, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার এস এম মুরাদ আলিকে পুলিশ সুপার মেহেরপুর জেলায়, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার প্রলয় কুমার জোয়ারদারকে পুলিশ সুপার নরসিংদী জেলায়। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার মাহবুব হাসানকে পুলিশ সুপার মাদারীপুর জেলায়, মেহেরপুর জেলার পুলিশ সুপার মো. মোস্তাফিজুর রহমানকে পুলিশ সুপার সাতক্ষীরা জেলায় বদলি করা হয়েছে। এর আগে গত ১৩ জুন ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের ডিসি বিপ্লব কুমার সরকারসহ ২১ জন পুলিশ সুপারবে বদলি করা হয়েছিল। তার এক মাসের মধ্যে আরও ২৬ জনের বদলির আদেশ হল।
এরশাদের বাসভবনে ঢুকতে পারেননি বিদিশা
১৫জুলাই২০১৯,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: টানা ১০দিন ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) লাইফ সাপোর্টে থাকার পর রোববার মৃত্যুবরণ করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি জেনারেল হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। তার মৃত্যু সংবাদ পেয়ে রোববার রাতেই ভারতের আজমীর শরীফ থেকে ঢাকায় আসেন সাবেক স্ত্রী বিদিশা। এরপর সোমবার সকালে সোয়া সাতটার দিকে তিনি এরশাদের বারিধারা প্রেসিডেন্ট পার্কর বাসভবনে সন্তান এরিককে দেখতে গেলে তাকে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। বিদিশা জানান, প্রেসিডেন্ট পার্কর নিরাপত্তাকর্মী ও দলের কিছু কর্মী তার সাথে এমন আচরণ করেছে। তিনি তাদের কাছে জানতে চান, আমি কি তবে আমার সন্তানকে দেখতে পারবো না? তিনি বলেন, আমার ছেলে এরিকের অবস্থা ভাল না। আমি কিছুই চাই না। আমার সন্তানকে দেখতে চাই। সে ভালো নেই। সে একা রয়েছে। কান্নাকাটি করছে। তার সাথে দেখা করতে দেন। এমন অনুরোধ করার পরও তারা বিদিশাকে ঢুকতে দেননি। এদিকে বিদিশা এরশাদ আজ (সোমবার) বিকাল সাড়ে তিনটায় গুলশান -১-এ বিদিশা ফাউণ্ডেশনের অফিসে সংবাদ সম্মেলন করবেন।-আলোকিত বাংলাদেশ
৮ আগস্ট থেকে গার্মেন্টস ছুটি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
১৪জুলাই২০১৯,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে যাতে যানজট তৈরি না হয় সেজন্য আগামী ৮ আগস্ট থেকে পর্যায়ক্রমে গার্মেন্টস ছুটি দেয়া হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিজেএমইএ ও বিকেএমইএ বিষয়টি সমন্বয় করবে। আমরা বিশেষভাবে মনিটরিং করবো। বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। আজ রোববার দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ঈদুল আজহা উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ঈদের আগে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধ করার ব্যাপারেও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ঈদের আগে কোনো শ্রমিক ছাঁটাই করা যাবে না। শ্রমিকদের বেতন ভাতা ও ব্যবসার স্বার্থে আগামী ৯ ও ১০ আগস্ট ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকায় ব্যাংক খোলা রাখার বিষয়ে আমরা অনুরোধ করেছি। তিনি বলেন, ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে বাস, ট্রেন এবং নৌপথে যাতে অতিরিক্ত যাত্রী নিতে না পারে সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পর্যবেক্ষণ করবে। সড়কপথে ফায়ার সার্ভিসের টিম থাকবে। কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে তারা কাজ করবেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ঈদকে সামনে রেখে কোথাও কোনো নাশকতার আশঙ্কা নেই। দেশবাসী যাতে ঈদ নির্বিঘ্নে উদযাপন করতে পারে সেজন্য সারাদেশে নিরাপত্তা পর্যাপ্ত থাকবে। বিশেষ করে ডিপ্লোমেটিক এলাকায় বেশি নিরাপত্তা থাকবে। ঈদকে সামনে রেখে কোথাও কোনো নাশকতার আশঙ্কা নেই।
অবৈধ রিকশা উচ্ছেদে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে: সাঈদ খোকন
১৪জুলাই২০১৯,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেছেন, নগরীতে কোনো অবৈধ রিকশা চলবে না। রাজধানীর প্রধান দুটি সড়কসহ তিনটি রুটে রিকশা বন্ধের পূর্বঘোষিত সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে। অনতিবিলম্বে অবৈধ রিকশা উচ্ছেদে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। রোববার (১৪ জুলাই) নগর ভবন সভাকক্ষে আয়োজিত রিকশা মালিক, প্রতিনিধি ও রিকশাচালকদের সঙ্গে আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এটি ছিল অবৈধ রিকশা, লেগুনা, ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ফুটপাতের অবৈধ দখল উচ্ছেদ সংক্রান্ত ২য় সভা। সভায় মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, শহরের যানজট নিরসনের দায়িত্ব আমাদের একার নয়। এ দায়িত্ব নগরীর সবার। যেসব সড়কে রিকশা বন্ধ করা হয়েছে সেসব সড়কে রিকশা চলাচল করলে জনগণের দুর্ভোগ বাড়ে। যানজটের সৃষ্টি হয়। এ কারণে ভেতরের রাস্তায় রিকশা চলাচল করবে।

জাতীয় পাতার আরো খবর