নিয়মিত আওয়ামী লীগের সম্মেলনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
১৪সেপ্টেম্বর,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগকে তৃণমূলে ছড়িয়ে দিয়ে নিয়মিত সম্মেলন আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।শনিবার সন্ধ্যায় গণভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সভার সূচনা বক্তব্যে তিনি নেতাকর্মীদের এই আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ জাতির পিতার হাতে গড়া সংগঠন এটা মনে রাখতে হবে। আমাদেরকে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করতে হবে। সংগঠনটাকে তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠিত করে গড়ে তুলতে হবে। নিয়মিত যেন সম্মেলন হয় সে ব্যবস্থা করতে হবে। তিনি বলেন, যে দেশে যে দল সংগ্রাম করে ত্যাগ স্বীকার করে, মানুষের কল্যাণে কাজ করে, যাদের আন্দোলনের সংগ্রামের ফলে স্বাধীনতা, সেই দল ক্ষমতায় থাকলে দেশের উন্নয়ন হয়। আর অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে যারা ক্ষমতায় আসে তারা নিজেদের ক্ষমতা নিশ্চিত করে নিজেদের ভাগ্য গড়ার কাজে ব্যস্ত থাকে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ ১০ বছর ক্ষমতায়। এই সময়ের মধ্যে আওয়ামী লীগ মানুষের আস্থা বিশ্বাস অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। মানুষ জানে যে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে তাদের উন্নতি হয়, ভাগ্যের পরিবর্তন হবে। এই বিশ্বাস, আস্থাটা ধরে রাখতে হবে। মানুষের কল্যাণে কাজ করতে। আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মীদের আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, তাহলে আমরা আমাদের অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবো। জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ আমরা গড়তে পারবো। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি মনুষ্য সৃষ্ট দূর্যোগের কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আমি এটুকুই বলবো, এই যে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস,অগ্নিসন্ত্রাস সেগুলো আমরা কঠোর হাতে দমন করেছি। মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে। সেটা অব্যাহত থাকবে। সভায় আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলির সদস্য মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, সাহারা খাতুন, ফারুক খান, আব্দুর রাজ্জাক, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, দলের সাধারন সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক আফম বাহাউদ্দিন নাছিম, বিএম মোজাম্মেল হক,খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপসহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
২৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ
১৩সেপ্টেম্বর,শুক্রবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন ২৭ সেপ্টেম্বর। জাতিসংঘ সদর দফতরের কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর পরদিন ২৮ সেপ্টেম্বর শনিবার সকাল ১১টায় বাংলাদেশ মিশনে বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মিলিত হবেন গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে। এদিন দুপুরে টাইমস স্কোয়ার সংলগ্ন ম্যারিয়ট মারক্যুইস হোটেলের বলরুমে নাগরিক সংবর্ধনা সমাবেশে ভাষণ দেয়ার কথা তার। উল্লেখ্য, ২৮ সেপ্টেম্বর শেখ হাসিনার ৭৩তম জন্মদিন, সে আলোকেই সবকিছু সাজানো হচ্ছে বলে জানান সংবর্ধনা সমাবেশের আয়োজকরা। কূটনৈতিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, জাতিসংঘের ৭৪তম সাধারণ অধিবেশনে যোগদানের জন্যে ২২ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে আসবেন শেখ হাসিনা। এটি হবে তার ১৬তম ভাষণ এবং যথারীতি বাংলায় তা উপস্থাপন করবেন। এবারের ভাষণ ছাড়াও জলবায়ু, টেকসই উন্নয়ন এবং জনস্বাস্থ্য, শরণার্থী বিষয়ক শীর্ষ সম্মেলনেও ভাষণ দেয়ার কথা প্রধানমন্ত্রীর। জাতিসংঘে সমস্ত কার্যক্রমের সমন্বয় ঘটাবে বাংলাদেশ মিশন। এ নিয়ে সকলেই ব্যস্ত রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেনের নেতৃত্বে। এছাড়াও ঢাকা থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং নিরাপত্তা বাহিনীর লোকজন আগেই আসার কথা। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে এ মোমেনও যথারীতি আগেই নিউইয়র্কে এসে সমস্ত কর্মসূচি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলবেন বলে জানা গেছে। আরও জানা গেছে, বেশ কটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রের প্রধানদের সাথে শেখ হাসিনার বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। সেগুলো জাতিসংঘ এবং শেখ হাসিনার হোটেল কক্ষে হতে পারে। সফরসঙ্গীর অধিকাংশই গ্র্যান্ড হায়াতে উঠলেও প্রধানমন্ত্রীসহ তার ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তারা থাকবেন হোটেল প্যালেসে। সেই হোটেলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, প্রধানমন্ত্রী মোদিসহ বেশ কটি দেশের প্রেসিডেন্ট/প্রধানমন্ত্রীরা থাকবেন। এদিকে, দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনাকে জেএফকে এয়ারপোর্টে বিপুলভাবে অভ্যর্থনা জানানোর প্রস্তুতি চলছে আওয়ামী পরিবারে। আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, মহিলা লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে জনসংযোগ শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগে সাংগঠনিক বিরোধী এবং সম্মেলনের দাবিতে পৃথক সভা-সমাবেশ হলেও শেখ হাসিনার সকল অনুষ্ঠানের প্রতি অঘোষিত ঐক্য বিরাজ করছে। এয়ারপোর্ট, জাতিসংঘের সামনে এবং নাগরিক সংবর্ধনাস্থলে সকলেই দলে দলে জড়ো হবার সংকল্প ব্যক্ত করছেন। সভাপতি ড.সিদ্দিকুর রহমানও চষে বেড়াচ্ছেন বাংলাদেশী অধ্যুষিত এলাকায়। সকলের প্রতি আহবান রাখছেন নেত্রী শেখ হাসিনার জাতিসংঘ সফরের সময় সরব থাকার জন্যে। কোনো দল যদি কোন অশুভ আচরণে প্রবৃত্ত হয়, তাহলে তা যেন নিয়মতান্ত্রিকভাবে প্রতিহত করা হয়-সে অনুরোধ জানাচ্ছেন নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকারিয়া চৌধুরী। আওয়ামী লীগের অপর অংশের নেতৃত্বে রয়েছেন ড. প্রদীপ রঞ্জন কর, মিসবাহ আহমেদ, ফরিদ আলমসহ অনেকে। তারাও একই ভাষায় প্রবাসীদের আহবান জানাচ্ছেন সভাপতি শেখ হাসিনার জাতিসংঘ সফরকে সর্বাত্মকভাবে সফল করার জন্যে।
এক হাজার স্টার্টআপকে সহায়তা দেবে সরকার
১৩সেপ্টেম্বর,শুক্রবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, দেশের স্টার্টআপ সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিতে ২০২১ সালের মধ্যে এক হাজার স্টার্টআপ বা উদ্যোগকে বড় আকারে কার্যক্রম শুরু করতে অর্থ সহায়তা দেবে সরকার। শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় প্রদর্শনীর বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সচিব) হোসনে আরা বেগম এনডিসি ও আইডিয়া প্রকল্পের পরিচালক সৈয়দ মজিবুল হক। প্রদর্শনীর পরিকল্পনা সম্পর্কে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনে সম্যক ধারণা দেন বিসিএস সভাপতি মো. শাহিদ-উল-মুনীর। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা বঙ্গবন্ধু ইনোভেশন গ্র্যান্ড (বিআইজি) গঠন করছি, যেখান থেকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উদ্যোক্তাদের ১০ লাখ থেকে পাঁচ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে। ২০২১ সালের মধ্যে এক হাজার স্টার্টআপ তৈরি করতে অর্থ সহায়তা করবে সরকার। আইসিটি প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, আগামী বছর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী পালন উপলক্ষে হান্ড্রেড প্লাস নামের একটি কর্মসূচি গ্রহণ করছে সরকারের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ। এর আওতায় বেশ কিছু কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে একশ স্টার্টআপকে তহবিল প্রদানের বিষয়টি। তিনি আরো বলেন, আমরা দেশীয় প্রযুক্তিপণ্যকে এখন অগ্রাধিকার দিচ্ছি। বর্তমানে আমাদের দেশে তৈরি বিভিন্ন প্রযুক্তিপণ্য সারাবিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। যারা হোমগ্রাউন্ড সল্যুশন পণ্য তৈরি করছে, তাদের আমরা ফান্ড দিতে পারি, হাইটেক পার্কে জায়গা দিতে পারি। আইসিটি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক আরো বলেন, প্রদর্শনীতে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনকে গুরুত্ব দেয়া হবে। পাশাপাশি যেসব দেশীয় প্রতিষ্ঠান প্রযুক্তি পণ্য উৎপাদন করছে, তাদের জন্য থাকবে আলাদা জোন। ডিজিটাল বাংলাদেশ আজ কোনো স্বপ্ন নয়, বরং বাস্তবতা। ডিজিটাল বাংলাদেশের সুবিধা আমরা সবাই ভোগ করছি। প্রতিনিয়ত প্রযুক্তির পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিজেদের সমৃদ্ধ করে আমরাও উন্নতির মহাসড়কে অগ্রসরমান। তিনদিনব্যাপী এই মেলা সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। বিনামূল্যে এই প্রদর্শনীতে প্রবেশের সুযোগ থাকলেও অনলাইনে নিবন্ধন বা স্পট রেজিস্ট্রেশন করে প্রবেশ করতে হবে। প্রদর্শনীর বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপোতে শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি জ্ঞানকে বাড়িয়ে নেয়ার জন্য নানা সেমিনারের আয়োজন করা হবে। থাকবে নিত্যনতুন প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ। মেড ইন বাংলাদেশ স্লোগানে এবারের প্রদর্শনীতে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি পণ্য প্রদর্শন করা হবে। ২০৪১ সালের মধ্যে প্রযুক্তিতে সক্ষমতা প্রদর্শনে এখনকার তরুণরাই হবে ভবিষ্যত অগ্রদূত। উন্নয়নশীল দেশ থেকে আমরা নিজেদের উন্নত দেশের বাসিন্দা হিসেবে শিগগিরই দাবি করতে পারবো বলে আমরা আশাবাদী। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে রোবটিক্সের ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সব কাজ রোবট করবে, বিষয়টি এমন নয়। রোবটিক্স খাতে হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, ডিজাইনিং, ইলেকট্রনিকস, আইওটি সবই লাগে। ফলে দেশে রোবটের প্রসার ঘটলেও অনেকের কর্মসংস্থান হবে, সবাই বেকার হয়ে যাবে না। দেশে প্রথমবারের মতো দেশীয় প্রযুক্তিপণ্যে নিয়ে প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে অক্টোবর মাসে। ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো ২০১৯ শিরোনামের এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ১৪ অক্টোবর থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে এই প্রদর্শনী। প্রদর্শনীটি যৌথভাবে আয়োজন করছে আইসিটি বিভাগ, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ, আইডিয়া প্রকল্প ও বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস)। হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের পরিচালক হোসনে আরা বেগম বলেন, আমরা সবাই মেড ইন বাংলাদেশের পক্ষে। যে এক্সপো হবে, সেখানে শুধু বাংলাদেশের পণ্যই থাকবে এটাই আমাদের লক্ষ্য।
ডিএমপি কমিশনার হিসেবে শফিকুল ইসলামের দায়িত্ব গ্রহণ
১৩সেপ্টেম্বর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিনিধি ,নিউজ একাত্তর ডট কম:ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ৩৪তম কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন মোহা. শফিকুল ইসলাম। বিদায়ী কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়ার স্থলাভিষিক্ত হলেন তিনি। গত ২৮ আগস্ট রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ অধিশাখার উপ-সচিব স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে মোহা. শফিকুল ইসলামকে ডিএমপির কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। মোহা. শফিকুল ইসলাম আগে বাংলাদেশ পুলিশের সিআইডির অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। তিনি ১৯৮৯ সালে ৮ম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেন। চাকরি জীবনে তিনি পুলিশ সুপার হিসেবে নারায়ণগঞ্জ, পটুয়াখালী, সুনামগঞ্জ ও কুমিল্লা জেলায় দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া পুলিশ কমিশনার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ, ডিআইজি চট্টগ্রাম রেঞ্জ, ডিআইজি ঢাকা রেঞ্জ, অ্যান্টি টেরোরিজমের প্রধান (অ্যাডিশনাল আইজিপি), অ্যাডিশনাল আইজিপি (এইচআরএম) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স ও অ্যাডিশনাল আইজিপি সিআইডি হিসেবে দক্ষতা ও সাফল্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। কর্মজীবনে তার পেশাদারিত্ব ও দক্ষতার জন্য তিনি একাধিকবার বিপিএম পদকে ভূষিত হন। মোহা. শফিকুল ইসলাম চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা থানার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি (সম্মান) ডিগ্রি লাভ করেন। বিদায়ী কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়াকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অধীন জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত সেলএর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পদে তিন বছর মেয়াদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। গত ৩ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখার এক প্রজ্ঞাপনে তাকে এই নিয়োগ দেয়া হয়।
১৭৭ মন্ত্রী, এমপিসহ বিদ্রোহীর বিরুদ্ধে শোকজ
১৩সেপ্টেম্বর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিনিধি ,নিউজ একাত্তর ডট কম:সম্প্রতি পাঁচ ধাপে শেষ হওয়া উপজেলা নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীকে সমর্থন না দিয়ে বিদ্রোহী হিসেবে যারা নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন এমন ১৭৭ জনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। শুধুমাত্র দলীয় পদধারী নেতাদেরই প্রথম দফায় শোকজ লেটার পাঠনো হয়েছে। আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমণ্ডিস্থ রাজনৈতিক কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কেন স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে না জানতে চেয়ে ১৭৭ জন পদধারী নেতার ঠিকানায় ডাকযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। শোকজ লেটার ইস্যু হওয়া নেতাদের মধ্যে বর্তমান ও সাবেক এমপি, উপমন্ত্রী এবং মন্ত্রীর নামও রয়েছে। পর্যায়ক্রমে নির্বাচনে যারা বিদ্রোহী প্রার্থীদের সমর্থন ও বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছেন পরবর্তীতে তাদেরকেও শোকজ লেটার পাঠানো হবে। সম্প্রতি দলের যুগ্ম সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকদের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। পরবর্তীতে বিষয়টি চূড়ান্ত করেন তিনি। গত পাঁচ দফা উপজেলা নির্বাচনে ৪৭৩টি উপজেলার মধ্যে ১৪৯টিতে চেয়ারম্যান পদে জিতেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। এর মধ্যে ১৪৩ জনই আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী। এছাড়া বিভিন্ন উপজেলায় আওয়ামী লীগের স্থানীয় কোন্দলের কারণে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রাকাশ্যে ও গোপনে দলীয় প্রতীকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন বহু পদধারী নেতা। ফলে ভবিষ্যতে শৃঙ্খলা ভঙ্গের লাগাম টানতে শোকজ করা শুরু করলো টানা তিন মেয়াদে সরকার গঠনকারী দলটি।
প্রধানমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি লিখলেন রাব্বানী
১৩সেপ্টেম্বর,শুক্রবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অতীতে কোনো দিন ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে এমন পরিস্থিতিতে পড়তে হয়নি। যদিও এর আগে নানা সময়ে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছিলো আওয়ামী লীগের এই ছাত্র সংগঠনটি। কিন্তু প্রতিবারই পার পেয়ে যায় তারা। কিন্তু এবার আর শেষ রক্ষা হচ্ছে না বলে মনে করছেন অনেক নেতা। ছাত্রলীগের দুই নেতার ধারাবাহিক বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এমনকি নতুন নেতা খোঁজার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি। ছাত্রলীগ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এমন মনোভাবের ফলে অনেকটা একা হয়ে গেছেন সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। প্রধানমন্ত্রীর দেয়া দায়িত্বের কারণে আওয়ামী লীগের চার নেতার সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পেলেও কার্যত তাদের পাশে এখন কেউ নেই। কমিটি ভেঙে দেয়ার খবর শুনে শোভন-রাব্বানীর থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে চলছেন ছাত্রলীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা নেতাদের বড় একটি অংশ। এদিকে এ অবস্থায় ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার উদ্দেশে একটি চিঠি লিখেছেন। যা প্রধানমন্ত্রীকে পৌঁছে দিতে আওয়ামী লীগের এক জ্যেষ্ঠ নেতার হাতে দিয়েছেন তিনি। চিঠির শুরুতেই প্রধানমন্ত্রীকে মমতাময়ী নেত্রী সম্বোধন করে বলা হয়েছে- আপনি বিশ্বাস করে শিক্ষা-শান্তি-প্রগতির যে পবিত্র পতাকা আমাদের হাতে তুলে দিয়েছেন, তার মর্যাদা রক্ষায় সচেষ্ট ছিলাম। দায়িত্ব পালনের শুরু থেকেই চতুর্মুখী চাপ, সদ্য সাবেকদের অসহযোগিতা, নানা ষড়যন্ত্র, প্রতিকূলতা-প্রতিবন্ধকতা আর আমাদের জ্ঞাত-অজ্ঞাত কিছু ভুল ইতিবাচক পরিবর্তনের পথকে কণ্টকাকীর্ণ করেছে। আমাদের দায়িত্বশীল আচরণের ব্যর্থতা ও কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতির বাইরেও দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে চাই, প্রিয় নেত্রী দীর্ঘদিনের সিন্ডিকেট ভেঙে আপনি নিজে পছন্দ করে দায়িত্ব দিয়েছিলেন বলে আমরা একটি বিশেষ মহলের চক্ষুশূল। তারা বিভিন্ন মাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়ে ও প্রপাগাণ্ডা ছড়িয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সুকৌশলে আপনার এবং আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতাদের কান ভারী করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। চিঠিতে আরও বলা হয়- আপনার সন্তানরা এতটা খারাপ না। আমরা পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের শিকার হচ্ছি বারবার। অনেক অব্যক্ত কথা রয়েছে, যা আপনাকে বলার কখনও সুযোগ পাইনি। বিভিন্ন মাধ্যমে শ্রুত অভিযোগের ভিত্তিতে প্রকৃত সত্যটুকু উপস্থাপনের সুযোগ চাই। চিঠিতে বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ব্যাখ্যা তুলে ধরা হয়। তার বিভিন্ন অংশের উদ্ধৃতি এখানে দেওয়া হলো। অভিযোগ-১: ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউর নতুন পার্টি অফিসে আপনার আবেগের ঠিকানায় আমাদের ঠাঁই দিয়েছেন। আমরা দ্ব্যর্থহীনভাবে বলছি, আপনার আমানতকে সযত্নে রেখেছি। অফিস অপরিচ্ছন্ন ও নোংরা করা নিয়ে যে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। দায়িত্বপ্রাপ্ত শাহজাহান ভাই চায় না ছাত্রলীগ এখানে থাকুক। লোক দিয়ে বাইরে থেকে ময়লা ফেলে, বাথরুম ও দেয়াল অপরিচ্ছন্ন করে সেগুলোর ছবি তুলে আপনাকে দেখানো হয়েছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত মিন্টু ভাই, লোকমান ভাই এবং ক্লিনার জাবেদ ভাইয়ের কাছে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই প্রকৃত সত্য জানতে পারবেন। অভিযোগ-২: ২০ জুলাই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মেলনের দেরি প্রসঙ্গে- ১৮ জুলাই আপনি দেশের বাইরে যাবার আগে অনুমতি নিয়ে ১৯ তারিখ আম্মুর (সাধারণ সম্পাদক) ১ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আমি এবং সভাপতি মাদারীপুর গিয়েছিলাম। ওই দিন সারারাত নির্ঘুম জার্নি আর বেশ কয়েকটি পথসভা (সর্বশেষ সকাল ৮টায় সাভারে) করে সকাল ৯টায় ঢাকা ফিরি। রেস্ট নিয়ে পূর্বনির্ধারিত ১২টার সম্মেলনে পৌঁছাতে আমাদের ৪০ মিনিট দেরি হয়, যা অনিচ্ছাকৃত এবং অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পূর্বেই অবগত। সকালে ঘুম থেকে দেরিতে ওঠার বিষয়টিও অতিরঞ্জিত। গত ১ বছরে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সকল কর্মসূচিতে (সকাল ৭টা-৯টা পর্যন্ত) আমরা উপস্থিত থেকেছি এবং যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করেছি। ডাকসুর জিএস হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে মধুর ক্যান্টিনে কম উপস্থিতি নিয়ে যে অভিযোগ দেয়া হয়েছে তা অতিরঞ্জিত। অভিযোগ-৩: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে অভিযোগ আপনার কাছে ভিন্নভাবে উত্থাপন করা হয়েছে। উপাচার্য ম্যামের স্বামী ও ছেলে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগকে ব্যবহার করে কাজের ডিলিংস করে মোটা অঙ্কের কমিশন বাণিজ্য করেছেন। যার পরিপ্রেক্ষিতে ঈদুল আজহার পূর্বে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগকে ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা দেওয়া হয়। এ খবর জানাজানি হলে বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি শুরু হয় এবং এরই পরিপ্রেক্ষিতে উপাচার্য ম্যাম আমাদের স্মরণ করেন। আমরা দেখা করে আমাদের অজ্ঞাতসারে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগকে টাকা দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন তোলায় তিনি বিব্রতবোধ করেন। নেত্রী, ওই পরিস্থিতিতে আমরা কিছু কথা বলি, যা সমীচীন হয়নি। এজন্য আমরা ক্ষমাপ্রার্থী। সবকিছুর পরেও আমাদের জ্ঞাত-অজ্ঞাত ভুলগুলোর জন্য অনুতপ্ত ও ক্ষমাপ্রার্থী। আপনি বঙ্গবন্ধুর কন্যা, মানবতার মা। নিজ বদান্যতায় আমাদের ক্ষমা করে ভুলগুলো শুধরে আপনার আস্থার প্রতিদান দেওয়ার সুযোগটুকু দিন। আপনি মুখ ফিরিয়ে নিলে যাবার কোনো জায়গা নেই। -আপনার স্নেহের রাব্বানী
গাজীপুরে মাইওয়ানের মিনিস্টার ফ্রিজ কারখানায় আগুন
১৩সেপ্টেম্বর,শুক্রবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গাজীপুরের ধীরাশ্রম এলাকায় মাইওয়ানের মিনিস্টার ফ্রিজ কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আজ শুক্রবার সকাল সোয়া ৭টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিট। টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. আতিকুর রহমান জানিয়েছেন, ধীরাশ্রম এলাকায় মাইওয়ানের মিনিস্টার ফ্রিজ তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে জয়দেবপুর ও টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিটের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন। আগুন কারখানার ছয়তলার গুদামে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ জানা যায়নি।
রংপুরের উপনির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হবে: ওবায়দুল কাদের
১০সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, রংপুরের উপনির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হবে। অবাধ, সুষ্ঠু, সুন্দর ও ভালো নির্বাচন হবে। তিনি বলেন,রংপুরের উপনির্বাচনে জাতীয় পার্টি আছে, আমরাও প্রার্থী দিয়েছি এবং বিএনপিও অংশ নিচ্ছে। আশা করি এ নির্বাচনটা প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হবে। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, সুন্দর ও ভালো হবে। মঙ্গলবার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে চলমান বাস Rapid ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের কাজ পরিদর্শনে এসে ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বলেন, স্বাধীনভাবে ভূমিকা পালনে নির্বাচন কমিশনকে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। বিএনপি অনেকগুলো নির্বাচন বর্জন করেছে, অংশগ্রহণ করেনি। তবে এখন তারা বলেছে, স্থানীয় সরকার থেকে শুরু করে জাতীয় নির্বাচনসহ প্রতিটি নির্বাচনেই তারা অংশগ্রহণ করবে। আমরা তাদের স্বাগত জানাই। তারা সংসদেও এসেছে, এটা একটা ভালো দিক। সেতুমন্ত্রী জানান, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে চলমান বাস Rapid ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের কাজ ২০২১ সালের জুন মাস নাগাদ শেষ হবে। তিনি বলেন,শেখ হাসিনা সরকারের উদ্যোগে চলমান এই মেগা প্রকল্পের কাজ ২০২১ সালের জুন নাগাদ শেষ হবে (বাস Rapid ট্রানজিট)। বিএনপির আমলে দেশ কোনো রাস্তা-সড়কের মুখ দেখেনি। বর্তমানে ফ্লাইওভার, বাস Rapid ট্রানজিট, মেট্রোরেল, ফোর লেন হচ্ছে। এগুলো তারা স্বপ্নেও দেখেনি কোনোদিন। সড়কে টোল আদায় সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, টোল দিলে রাস্তা চলাচলের যেই সুবিধাটুকু জনগণ পাবে, পৃথিবীর সব দেশেই এই ব্যবস্থা আছে। জনগণ যে রাস্তাটি ব্যবহার করছে, এটা মেরামত-সংস্কার করতে হয়। সংস্কারের টাকাটা কোথা থেকে আসবে? সরকার বারবার শুধু নতুন নতুন রাস্তা করবে, সেই রাস্তার ব্যবহার যারা করবে তাদেরও তো দায়-দায়িত্ব রয়েছে। তিনি বলেন,বিএনপি কোন রাস্তা করেনি। কাজেই এ সম্পর্কে তাদের অভিজ্ঞতা নেই। অন্য দেশের অভিজ্ঞতা তাদের যদি জানাও থাকে, তাহলে বলতে হবে, চোখ থাকতেও তারা অন্ধ। এ সময় গাজীপুর সিটি করর্পোরেশনের মেয়র মো. জাহাঙ্গীর আলম, সড়ক ও জনপথের ঢাকা বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক সবুজ উদ্দিন খান, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) কমিশনার মো. আনোয়ার হোসেন, গাজীপুর জেলা প্রশাসক এস এম তরিকুল ইসলাম, গাজীপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী সাইফুদ্দিন এবং সড়ক ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়টি জাতিসংঘে জোরালোভাবে তোলা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
১০সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামীতে যেকোনো সময় প্রত্যাবাসন শুরু হবে জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বলেছেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়টি জাতিসংঘের আগামী অধিবেশনে জোরালোভাবে উত্থাপন করা হবে। মঙ্গলবার রাজধানীর ইস্কাটনে ঢাকা লেডিস ক্লাবে আয়োজিত কুসুম কলি স্কুলে শেভরনের সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠান শেষে বের হওয়ার সময় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। মোমেন বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুটি আমাদের অগ্রাধিকার হিসেবে রয়েছে। অবশ্যই সেখানে বিভিন্ন ফোরামে বিষয়টি তোলা হবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রোহিঙ্গা ইস্যুতে আমাদের সহযোগিতা করছে, কিন্তু, এটা যথেষ্ট নয়। একদিকে রোহিঙ্গাদের সহযোগিতা করছে, অন্যদিকে মিয়ানমারের সঙ্গে সকল সম্পর্ক বজায় রেখেছে। সারা মিয়ানমারে যুক্তরাষ্ট্র বিনিযোগ করছে। মিয়ানমারের ওপর এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী ভূমিকা রাখা উচিত। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান না হলে এই এলাকায় যতগুলো রাষ্ট্র আছে, চীন, ভারত, মিয়ানমার, বাংলাদেশ- এসব দেশে আগামীতে কিছুটা অনিশ্চয়তা তৈরি হবে। আর অনিশ্চয়তা তৈরি হলে উন্নয়ন হয় না। লক্ষ্যবস্তু অর্জন সম্ভব হয় না। আমরা তাদেরকে এটাই বলেছি। এখানে যদি ঝামেলা হয়, তাহলে সেটা সবার জন্যই অমঙ্গল হবে। কবে নাগাদ রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো যাবে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা আমাদের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবো। আশা করছি আগামীতে যেকোনো সময় প্রত্যাবাসন শুরু হবে। রোহিঙ্গাদের হাতে পাসপোর্ট এবং জাতীয় পরিচয়পত্র যাওয়ার বিষয়টি খুবই দুঃখজনক জানিয়ে মোমেন বলেন, এ ব্যাপারে আমরা শক্ত অবস্থান নিয়েছি। ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে তারা যাতে পাসপোর্ট ও জাতীয় পরিচয়পত্র নিতে না পারে সেজন্য উদ্যোগ নিয়েছি। আসামের জাতীয় নাগরিকপঞ্জি (এনআরসি) নিয়ে আমিত শাহর বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভারতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলে গেছেন এটা তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এ নিয়ে আমরা ভাবছি না।

জাতীয় পাতার আরো খবর