ঢাকার সঙ্গে সারা দেশের ট্রেন চলাচল শুরু ৫ ঘণ্টা পর
টঙ্গীর নতুনবাজার এলাকায় দুর্ঘটনার কারণে পাঁচ ঘণ্টা রেলপথ বন্ধ থাকার পর ঢাকা থেকে সারা দেশের ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, রবিবার বেলা সোয়া ১২টার দিকে ঢাকাগামী জামালপুর কমিউটার ট্রেনটি টঙ্গীর নতুনবাজার এলাকায় পৌঁছলে ট্রেনের চারটি বগি লাইনচ্যুত হয়। এ দুর্ঘটনার পর থেকে রেললাইন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ এবং বঙ্গবন্ধু সেতু হয়ে উত্তর ও দক্ষিণ বঙ্গের সঙ্গে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে রিলিফ ট্রেন এসে আপ লাইন(ঢাকা থেকে আসা রেললাইন) ক্লিয়ার করলে সেই পথে ফের ট্রেন চলাচল শুরু হয় বলে জানান টঙ্গীর স্টেশন মাস্টার হালিমুজ্জামান। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. মিয়া জাহান জানান, বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ঈশাখা এক্সপ্রেস ওই দুর্ঘটনার কারণে আটকে ছিল। লাইন ক্লিয়ার হওয়ার পর বিকেল সাড়ে ৫টায় ট্রেনটি টঙ্গী অতিক্রম করে।
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম। রোববার জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকারের কার্যালয়ে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন নির্বাচন কমিশনার। সাক্ষাৎকালে নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম আগামী ৫ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর রেডিসন ব্লু হোটেলে অনুষ্ঠিতব্য ‘ফোরাম ফর ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বডিস অব সাউথ এশিয়া (এফইএমবিওএসএ)’ এর সম্মেলন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদার পাঠানো একটি আমন্ত্রণপত্র স্পিকারের কাছে হস্তান্তর করেন। স্পিকার নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানমকে আমন্ত্রণপত্রের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে সম্মতি জানান। ফোরাম ফর ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বডিস অব সাউথ এশিয়া ২০১০ সালে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগে সার্ক অঞ্চলের নির্বাচন কমিশনের সমন্বয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর প্রথম সম্মেলন ঢাকাতেই হয়। আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কার নির্বাচন কমিশন এফইএমবিওএসএর সদস্য। প্রতিবছর সদস্য দেশগুলো ইংরেজি বর্ণমালার ক্রমানুসারে এফইএমবিওএসএ সম্মেলন আয়োজন করে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৮ সালে দ্বিতীয়বারের মতো বাংলাদেশে এ সংগঠনের নবম সম্মেলনের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করা হয়েছে।
জনগণ পুলিশকে ভালোভাবে নিয়েছে: আইজিপি
সবাই সহযোগিতা করায় পয়লা বৈশাখ উদযাপন শান্তিপূর্ণভাবে শেষ করা সম্ভব হয়েছে বলে মনে করেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারি। রোববার রাজারবাগের এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, পুলিশকে ভালোভাবে নিয়েছে জনগণ। পুলিশের কল্যাণ সভায় আইজিপি বলেন, ‘পয়লা বৈশাখের প্রতিটি অনুষ্ঠান সুন্দর ও নিরাপদ পরিবেশে হয়েছে। ঢাকা শহরের অনেক জায়গায় ঘুরে দেখেছি। মানুষের ঢল নেমেছিল পুরো শহরজুড়ে। একই সঙ্গে বৈশাখে পুলিশের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ছিল পুরো দেশজুড়ে। পুলিশের কঠোর নিরাপত্তা ও বন্ধুসুলভ আচরণের জন্য মানুষ পুলিশকে ভালোভাবে নিয়েছে। সাধারণ মানুষ প্রতিটি ক্ষেত্রে পুলিশকে সহযোগিতা করেছে। সবার আন্তরিকতায় সুন্দরভাবে পয়লা বৈশাখ উদযাপন হয়েছে।’ পুলিশ প্রধান বলেন, ‘এ পদে দায়িত্ব নেওয়ার পর ফেব্রুয়ারি মাসে রাজারবাগে কল্যাণ ঝুঁকিভাতার সমস্যার কথা শুনি। তবে দুই মাসের ব্যবধানে ১১ এপ্রিল প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তা বাস্তবে রূপ নিয়েছে। এজন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা ছাড়া আমার ভাষা নেই।’ সভায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়াসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
কালো তালিকাভুক্ত মিল থেকেও এবার চাল সংগ্রহ হবে: খাদ্যমন্ত্রী
দেশের খাদ্য গুদামগুলোতে গত ২০ বছরের মধ্যে সর্বাধিক পরিমাণ মজুদ রয়েছে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম। তিনি বলেন বর্তমানে সরকারি গুদামগুলোতে মজুদ আছে প্রায় ১২ লাখ মেট্রিক টনের উপরে। যা বিগত ২০ বছরের মধ্যে সর্বাধিক। রোববার খাদ্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে খাদ্য অধিদপ্তর আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী। কামরুল ইসলাম বলেন, এবার এক লাখ মেট্রিকটন ধান এবং নয় লাখ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহ করা হবে। ধান প্রতি কেজি ২৬ টাকা দরে এবং চাল প্রতি কেজি ৩৮ টাকা দরে সংগ্রহ করা হবে। তিনি বলেন, আশা করছি এবার প্রকৃতি বিরূপ হবে না। কালো তালিকাভুক্ত মিলগুলোর বিষয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, গত আমন মৌসুমে কালো তালিকাভুক্ত মিলগুলো থেকে চাল সংগ্রহ করা হয়নি। কিন্তু এবার আমরা কাউকে হতাশ করতে চাই না। তাদের কাছ থেকে এবার বোরো চাল সংগ্রহ করা হবে বলে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উপস্থিত সব কর্মকর্তাদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, খাদ্য বান্ধব কর্মসূচি এবং আমন সংগ্রহ অভিযান সফলভাবে শেষ হয়েছে। সংগৃহীত চালের মানও খুব ভালো। এজন্য আপনাদের সবাইকে আমি ধন্যবাদ জানাই। তবে চলমান বোরো সংগ্রহে ককোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী দুর্নীতি, অনিয়ম করলে প্রশাসনিক ব্যবস্থাসহ কঠিন শাস্তি দেওয়া হবে। খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জনাব বদরুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. ওমর ফারুক, খাদ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক আরিফুর রহমান অপুসহ খাদ্য অধিদপ্তরের এবং মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা।
৩৯তম বিসিএস হেল্পলাইন চালু করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)
৩৯তম বিশেষ বিসিএসের জন্য চারটি হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য দিয়েছে পিএসসি। সরকারি মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান টেলিটকের এই চারটি নম্বর হচ্ছে : ০১৫৫৫৫৫৫১৪৯-৫২। প্রার্থীরা আবেদন করতে গিয়ে কোনো সমস্যায় পড়লে এসব নম্বরে কথা বলে এর সমাধান করতে পারবেন। ৩৯তম বিসিএসের আবেদন নেওয়া শুরু হয় ১০ এপ্রিল মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে। আবেদন করার শেষ তারিখ ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। এই বিশেষ বিসিএসের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২১ থেকে ৩২ বছর বয়সী প্রার্থীরা অংশ নিতে পারবেন। প্রার্থীদের অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। সাধারণ পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফি ৭০০ টাকা। তবে ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক, প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীরা ১০০ টাকা ফি দিয়ে আবেদন করতে পারবেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ৩৯তম বিসিএসে ৪ হাজার ৫৪২ জন সহকারী সার্জন আর ২৫০ জন সহকারী ডেন্টাল সার্জন নেওয়া হবে। সব মিলে প্রায় পাঁচ হাজার চিকিৎসক নেওয়া হবে এই বিসিএসে। এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। পরীক্ষার সিলেবাস জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ৩৯তম বিশেষ বিসিএসে এমসিকিউ ধরনের লিখিত পরীক্ষা হবে। এতে ২০০ নম্বরের প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। প্রশ্নের সংক্ষিপ্ত উত্তর বা এককথায় উত্তর দিতে হবে। এ ছাড়া ১০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা হবে। মেডিকেল সায়েন্স বা ডেন্টাল সায়েন্স বিষয়ে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। এ ছাড়া বাংলা, ইংরেজি, বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতে ২০ নম্বর করে এবং মানসিক দক্ষতা ও গাণিতিক যুক্তিতে ১০ নম্বর করে মোট ২০০ নম্বরের দুই ঘণ্টার এমসিকিউ ধরনের লিখিত পরীক্ষা হবে। প্রতি এমসিকিউ প্রশ্নের সঠিক উত্তরের জন্য এক নম্বর দেওয়া হবে। তবে প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য কাটা হবে শূন্য দশমিক ৫০ নম্বর। লিখিত পরীক্ষায় পাস নম্বর পিএসসি নির্ধারণ করবে। মৌখিক পরীক্ষার পাস নম্বর ধরা হয়েছে ৫০। লিখিত পরীক্ষা শুধু ঢাকায় হবে।
২৪ এপ্রিল দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে শপথ নেবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ
দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে আগামী ২৪ এপ্রিল শপথ নেবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। ওইদিন সন্ধ্যায় বঙ্গভবনের দরবার হলে স্পিকার শিরীর শারমিন চৌধুরী দেশের একবিংশতম রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে আবদুল হামিদকে শপথ পড়াবেন। শনিবার রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, শপথের তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। আগামী ২৪ এপ্রিল শপথ নেবেন রাষ্ট্রপতি। এর আগে শপথের জন্য ১৫ এপ্রিল দিন রাখা হলেও তার এক দিন আগে অনুষ্ঠান পিছিয়ে যাওয়ার কথা জানানো হল। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে ১৯ মেয়াদে এ পর্যন্ত ১৬ জন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালন করেছেন। সেই হিসাবে আবদুল হামিদ এই পদে সপ্তদশ ব্যক্তি। তবে টানা দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতি হতে যাচ্ছেন কেবল আবদুল হামিদই। সংবিধানে সর্বোচ্চ দুই বার রাষ্ট্রপতি পদে থাকার সুযোগ থাকায় এটাই হবে তার শেষ মেয়াদ। গত ৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের একবিংশতম রাষ্ট্রপতি পদে বর্তমান রাষ্ট্রপ্রধান মো. আবদুল হামিদকে নির্বাচিত ঘোষণা করে ইসি। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে আবদুল হামিদকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা। এর আগে ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন আবদুল হামিদ।
অশুভ, সাম্প্রদায়িক শক্তিকে প্রতিহত করার আহ্বান :সেতুমন্ত্রী
নববর্ষের প্রেরণা ও শক্তি নিয়ে অশুভ, সাম্প্রদায়িক শক্তিকে প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ত পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। শনিবার রাজধানীর বাহাদুরশাহ পার্কে নববর্ষ উপলক্ষে আওয়ামী লীগের শোভাযাত্রা উদ্বোধনের সময় তিনি এমন আহ্বান জানান। ওবায়দুল কাদের বলেন, বাংলা নববর্ষ অশুভ, সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে বাঙালির শক্তি ও প্রেরণার উৎস। নববর্ষের প্রেরণা ও শক্তি নিয়ে অশুভ, সাম্প্রদায়িক শক্তিকে প্রতিহত করতে হবে। তিনি বলেন, বাঙালির বীরত্বের ঐতিয্য আছে, ইতিহাস আছে। একটি বিশ্বাস ঘাতক চক্র বাঙালির সেই ইতিহাস ঐতিহ্যকে আঘাত করতে এখনও সক্রিয়। এখনও বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চলছে। ষড়যন্ত্র যেন আমাদের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে না পারে সে দিকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। পহেলা বৈশাখ বাঙালির নতুন উদ্যোমে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণার যোগানোর দিন। নতুন বছরে নতুন কোনো ষড়যন্ত্র যেন বাঙালির অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে না পারে সে জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। নববর্ষের শোভাযাত্রায় অংশ নিয়ে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা সকালে বাহাদুর শাহ পার্কে এসে সমবেত হন। ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তর ও দক্ষিণ যৌথভাবে এ শোভাযাত্রার আয়োজন করে। সকাল সাড়ে ৮টায় শোভাযাত্রা শুরু হয়। ঢাক, ঢোল, বাঁশি বাজিয়ে নেতা-কর্মীরা শোভাযাত্রায় অংশ নেন। শোভাযাত্রায় নানা রঙের সাজসজ্জার মধ্য দিয়ে বাঙালি ঐতিয্যকে তুলে ধরা হয়। এতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি শোভা পায়। ঘোড়ার গাড়ি, পিকাপ ভ্যানে চড়েও নেতা-কর্মীরা শোভাযাত্রায় অংশ নেন। শোভাযাত্রায় দুটি হাতিও নিয়ে আসা হয়। শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ দক্ষিণের সভাপতি আবুল হাসনাত, সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ প্রমুখ।
যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপহার
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বরাবরের মতো এবারও তিনি তাদের জন্য উপহার হিসেবে ফল-ফুল এবং মিষ্টি পাঠান তিনি। শনিবার সকালে পয়লা বৈশাখের উৎসবে দেশে যখন চলছে নানা আনুষ্ঠানিকতা, তখন মোহাম্মদপুর কলেজ গেইটে অবস্থিত মুক্তিযোদ্ধা টাওয়ারে একাত্তরের সংগ্রামীদের কাছে উপহার পৌঁছে যায়। প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব সাইফুজ্জামান শিখর, উপ প্রেস-সচিব আশরাফুল আলম খোকন, সহকারী প্রেস সচিব ইমরুল কায়েস এবং কম্প্রট্রোলার খাইরুল বাশার জুয়েল এই উপহার নিয়ে যান। মুক্তিযোদ্ধারা স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, ঈদের মতো প্রত্যেক জাতীয় দিবস ও উৎসবে তাদের স্মরণ করার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সাথে তারা শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘ জীবন কামনা করেন। মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, আওয়ামী লীগ এবং শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলেই কেবল মুক্তিযোদ্ধা দেশে যথাযত সম্মান পায়।
পবিত্র লাইলাতুল মিরাজ আজ
পবিত্র লাইলাতুল মিরাজ আজ। যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য পরিবেশে আজ ২৬শে রজব, শনিবার দিবাগত রাতে সারা দেশে পবিত্র লাইলাতুল মিরাজ পালিত হবে। এ উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাদ মাগরিব জাতীয় মসজিদে এক ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেছে। পবিত্র এই রাতে মহানবী হযরত মুহম্মদ (সা:) মিরাজ গমন করে আল্লাহ্ রাব্বুল আলামিনের সান্নিধ্য লাভ করেন এবং পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের বিধান নিয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসেন। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা হিজরি সনের রজব মাসের ২৬ তারিখ দিবাগত রাতে লাইলাতুল মিরাজ পালন করেন। ইসলামে এই রাতকে বিশেষ মর্যাদা দেয়া হয়েছে। মিরাজের রাত ইবাদত-বন্দেগি ও দোয়া কবুলের রাত হিসেবে গণ্য করা হয়। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত ও জিকির-আজকারের মধ্য দিয়ে রাতটি পার করে থাকেন। অনেকে পবিত্র মিরাজে নফল রোজা রাখেন। দান-সদকাও করেন। ইসলামী শরীয়তের পরিভাষায় মসজিদুল হারাম থেকে মসজিদুল আকসা পর্যন্ত সফরকে ইসরা এবং মসজিদুল আকসা থেকে সাত আসমান পেরিয়ে আরশে আজিম সফরকে মিরাজ বলা হয়। ইতিহাসের নিরিখে নবুওয়াতের দশম বছর ৬২০ খ্রিস্টাব্দের ২৬ রজব দিবাগত রাতে মহানবী (সা:) আল্লাহর সান্নিধ্যে মিরাজ গমন করেন। পবিত্র কোরআনের সূরা বনি ঈসরাইল ও সূরা নজমের আয়াতে, তাফসিরে এবং সব হাদিস গ্রন্থে মিরাজের ঘটনার বর্ণনা রয়েছে। পবিত্র এই রাতে হযরত জিবরাঈল (আ:)-এর সঙ্গে নবীজী প্রথমে বায়তুল্লাহ শরীফ থেকে বোরাকে চড়ে বায়তুল মুকাদ্দাস গমন করেন। সেখানে হযরত আদম (আ:) সহ অন্যান্য নবীদের নিয়ে মহানবী (সা:) দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করেন। তারপর সেখান থেকে তিনি এই রাতেই সপ্তম আকাশ পেরিয়ে সিদরাতুল মুনতাহায় উপনীত হন। এরপর রফরফ নামক বাহনে চড়ে আল্লাহর প্রিয় হাবিব মহান প্রভুর অনুগ্রহে আরশে আজিমে পৌঁছেন। আল্লাহ তায়ালার দিদার লাভ ও সরাসরি কথোপকথন শেষে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের হুকুম নিয়ে পৃথিবীতে প্রত্যাবর্তন করেন প্রিয়নবী হযরত মুহম্মদ (সা:)।

জাতীয় পাতার আরো খবর