রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সিআইসিএর সহযোগিতা চান রাষ্ট্রপতি
১৫জুন২০১৯,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে নিজ ভূমিতে নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে প্রত্যাবাসনের জন্য সিআইসিএ অংশীদারদের স্বতস্ফূর্ত সমর্থন ও সহযোগিতা চেয়েছেন। শনিবার (১৫ জুন) তাজিকিস্তানের রাজধানী দুশানবের নাভরুজ প্রাসাদে কনফারেন্স অন ইন্টারঅ্যাকশন অ্যান্ড কনফিডেন্স বিল্ডিং মেজার্স ইন এশিয়ার (সিআইসিএ) পঞ্চম সম্মেলনের ভাষণে রাষ্ট্রপতি এ সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। আমরা এই সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধান চাই, এজন্য তাদের প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের সঙ্গে চুক্তি করেছি। তবে এতে যদি সমস্যার সমাধান না হয়, তাহলে এই সংকট গোটা অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে পারে। রাষ্ট্রপতি রোহিঙ্গা সংকটের ব্যাপারে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরে বলেন, ভয়ঙ্কর গণহত্যা ও ব্যাপকভাবে মানবাধিকার লঙঘনের শিকার রোহিঙ্গা জনগণের জন্য বাংলাদেশ তার দ্বার উন্মুক্ত করে দিয়েছে। জাতিগত নিধন ও সীমাহীন মানবিক বিপর্যয়ের এই ভয়াবহ ঘটনা পাঠ্যবই নজির হিসেবে স্থান পেয়েছে। রাষ্ট্রপতি বলেন, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গারা নিজ ভূমি থেকে পালিয়ে প্রতিবেশি দেশে আশ্রয় চাওয়ার পরে মানবিক বিবেচনায় বাংলাদেশ সরকার তাদের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়। এই অঞ্চলে বিভিন্ন ইস্যুতে একত্রে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, আমরা সহিংস চরমপন্থি, আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ, জোরপূর্বক উদ্বাস্তু অভিবাসীদের সীমান্ত অতিক্রম করার মতো অনেক গুরুতর সমস্যার মোকবেলা করছি। এজন্য এসব ইস্যুও মোকবিলায় সাড়া দিতে সমন্বিত সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, অনিয়মিত অভিবাসন, মাদক পাচার, আঞ্চলিক দাবি, জাতিগত সংঘাত, বিচ্ছিন্নতাবাদ, অর্থনৈতিক সমস্যা এবং দৃশ্যমান জলবায়ু পরিবর্তন এশিয়া অঞ্চলের নিরাপত্তা ক্রমাগত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। এশিয়ার শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদারে বহুজাতিক সংস্থা সিআইসিএ গঠিত হয়েছে। এই জটিল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সমন্বিত প্রচেষ্টা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। এছাড়া তিনি এশিয়ার নিরাপত্তা ও সহযোগিতার ইস্যু সমাধানে সিআইসিএ সদস্য দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতি হামিদ বলেন, অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য এশিয়ায় নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রয়োজন। সংলাপ ও সহযোগিতার মাধ্যমে আমরা এগুলো অর্জন করতে পারি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গৃহীত বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূলনীতি সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব কারও সঙ্গে শত্রুতা নয় একথা তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি আশ্বস্ত করেন, বাংলাদেশ সিআইসিএ লক্ষ্য ও মূলনীতি সমুন্নত রাখার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে। এই নীতি অনুসরণ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল ও দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন গুরুত্ব দিয়ে সব দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, এ ক্ষেত্রে সিআইসিএ আমাদের জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। এছাড়া আঞ্চলিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় সিআইসিএ এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপত বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রাতিষ্ঠানিক স্বক্ষমতা জোরদার, সম্পৃক্তকরণ ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির প্রস্তাব করছে। সিআইসিএ তৃতীয় দশকে পা রেখেছে। একটি শান্তিপূর্ণ, স্থিতিশীল ও সহযোগিতামূলক নতুন এশিয়া বিনির্মাণে অংশীদার হতে বাংলাদেশ তার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে পারবে। রিপাবলিক অব তাজিকিস্তানের প্রেসিডেন্ট এমোমাইল রাহমন সম্মেলনের অধিবেশনটির সভাপতিত্ব করেন। ৩৯টি দেশের প্রতিনিধি, আন্তর্জাতিক সংস্থা, ৯টি দেশের প্রেসিডেন্ট, ৩টি দেশের প্রধানমন্ত্রী ও কাতারের আমির এ সম্মেলনে যোগ দেন। স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ৪৯ মিনিটে আনুষ্ঠানিকভাবে পঞ্চম সিআইসিএ সম্মেলনের প্রধান আয়োজন শুরু হয়। সম্মেলনের এবারের প্রতিবাদ্য একটি নিরাপদ ও অধিকতর সমৃদ্ধ সিআইসিএ অঞ্চলের জন্য অভিন্ন লক্ষ্য। সিআইসিএ হচ্ছে এশিয়ায় শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গঠিত বহুজাতিক ফোরাম। সব ধরনের সন্ত্রাসবাদের হুমকি সমূলে উৎপাটন, অবৈধ মাদক উৎপাদন ও পাচার রোধ এবং এশিয়ার সমৃদ্ধি ও স্থিতিশলতার জন্য বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধিও সিআইসিএর অন্যতম লক্ষ্য। বর্তমানে সিআইসির ২৭টি সদস্য দেশ রয়েছে। এগুলো হলো- চীন, রাশিয়া, বাংলাদেশ, আফগানিস্তান, আজারবাইজান, বাহরাইন, কম্বোডিয়া, মিশর, ভারত, ইরান, ইরাক, ইসরাইল, জর্দান, কাজাখস্থান, কিরগিজস্থান, মঙ্গোলিয়া, পাকিস্তান, ফিলিস্তিন, কাতার, রিপাবলিক অব কোরিয়া, শ্রীলংকা, তাজিকিস্তান, থাইল্যান্ড, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, উজবেকস্তান ও ভিয়েতনাম।এছাড়া আটটি পর্যবেক্ষক দেশও রয়েছে। এগুলো হল- বেলারুশ, ইন্দোনেশিয়া, জাপান, লাওস, মালয়েমিয়া, ফিলিপাইন, ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্র। জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা- আইওএম, অর্গানাইজেশন ফর সিকিউরিটি অ্যান্ড কো-অপারেশন ইন ইউরোপ, লিগ অব আরব স্টেটস এবং পার্লামেন্টারি অ্যাসেম্বলি অব দ্য টার্কিক স্পিকিং কান্ট্রিজসহ পাঁচটি আন্তর্জাতিক সংগঠনও এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। এশিয়ার ভূখণ্ড ও জনগণের প্রায় ৯০ শতাংশ সিআইসিএর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অন্তর্ভূক্ত। অধিবেশনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, সচিব কামরুল আহসান ও রাষ্ট্রপতির সচিব সম্পদ বড়ুয়া। বাসস।
এসএসএফ কে আধুনিক প্রযুক্তির দ্বারা সুসজ্জিত করা হবে
১৫জুন২০১৯,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ক্রমাগত পরিবর্তনশীল অপরাধসমূহ প্রতিহত করতে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) সদস্যদের আধুনিক প্রযুক্তির দ্বারা সুসজ্জিত করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার রাজধানী তেজগাঁও এলাকায় এসএসএফ অফিসার্স মেসে বাহিনীটির ৩৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এসএসএফ সদস্যদের নতুন প্রযুক্তির ওপর জ্ঞান ও প্রশিক্ষণ নিয়ে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আপনাদেরকে (এসএসএফ সদস্য) আধুনিক প্রযুক্তির দ্বারা সুসজ্জিত করা হবে। প্রতিদিন নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন সম্পর্কে অবশ্যই আপনাদের সচেতন থাকতে হবে। ক্রমাগত পরিবর্তনশীল অপরাধ (প্রবণতা) সম্পর্কে আপনাদের সচেতন থাকতে হবে এবং (এসব মোকাবিলার জন্য) প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, নতুন নতুন প্রযুক্তি মানুষের জীবনধারার উন্নতি করছে এবং দেশের উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত করছে। অন্যদিকে নতুন প্রযুক্তির আবিষ্কারের সাথে নানা ধরনের ঝুঁকির আবির্ভাব ঘটছে। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ধরনও ক্রমাগত পরিবর্তন হচ্ছে। শেখ হাসিনা বলেন, নতুন প্রযুক্তি সন্ত্রাসী ও জঙ্গি কার্যক্রমসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধে জড়িত অপরাধীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করে। এসএসএফ এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সবসময় এসব (নতুন অপরাধ) মোকাবিলা করার জন্য দক্ষতা থাকতে হবে। আমাদের আপ টু ডেট (নিজেদের মেধা ও প্রশিক্ষণকে হালনাগাদ) থাকতে হবে। এর আগে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এসএসএফ এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মজিবুর রহমান। অনুষ্ঠানে তিন বাহিনীর প্রধান, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম, অন্যান্য সিনিয়র সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা ও এসএসএফ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।-আলোকিত বাংলাদেশ
কর্মসংস্থানের সুযোগ আছে বলেই এখন ধান কাটার লোকের অভাব হচ্ছে :প্রধানমন্ত্রী
১৪ জুন২০১৯,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:প্রধানমন্ত্রী বলেন, কর্মসংস্থানের কথা আমরা বলেছি, চাকরি দেয়ার কথা বলিনি। ১০০ কোটি টাকা থোক বরাদ্দ রেখেছি। শিক্ষার কথা বলেছি; প্রযুক্তিগত শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা, ভোকেশনাল ট্রেনিং। আর আমরা চাই ট্রেনিং নিয়ে শিক্ষিত হয়ে নিজের কাজ নিজে করতে শিখুক।শুক্রবার বিকাল ৩টায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, কাজেই ৩ কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ আছে। আর আছে বলেই আজ ধান কাটার লোক পাওয়া যায় না। ধান কাটার জন্য এখন লোক পাওয়া যাচ্ছে না কেন? যদি এত বেশি বেকার থাকে; তাহলে ধান কাটার লোকের অভাব হতো না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, একজন মানুষ একদিন ধান কাটলে ৪০০-৫০০ টাকা পাবে। আবার তিন বেলা খাবার, দুই বেলা খাবে আর এক বেলা আবার বাড়ি নিয়ে যাবে। এরপরও কৃষক ধান কাটার জন্য লোক খুঁজে পায় না। কর্মসংস্থানের সুযোগ আছে বলেই এখন ধান কাটার লোকের অভাব হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আমরা কর্মসংস্থানের কথা বলি, আর সবার ধারণা হয়ে যায় চাকরি দেয়া। ১৬ কোটি মানুষকে কি চাকরি দেয়া যায়? পৃথিবীর কোনো দেশ দেয়? কর্মসংস্থান হচ্ছে, মানুষ যেন কাজ করে খেতে পারে, সেই সুযোগটা সৃষ্টি করা, বললেন তিনি। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করা হয়। বাজেটের আকার ধরা হয় পাঁচ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। বাজেটে বেকারত্ব নিরসনে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।
এরশাদ সিএমএইচে ভর্তি
১৪ জুন২০১৯,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় নেতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ আবারও সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি হয়েছেন বলে জানিয়েছেন দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক হেলাল উদ্দিন। বৃহস্পতিবার রাতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে দ্রুত সেখানে ভর্তি করা হয়। জাপার সাবেক মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার দলীয় চেয়ারম্যানের খোঁজ নিতে রাতেই সিএমএইচে দেখতে যান এবং দেশবাসী ও দলীয় সকল নেতাকর্মীর কাছে তার জন্য দোয়া চেয়েছেন। এরশাদের সহকারী ছাত্তার জানান, গতরাতে স্যার (এরশাদ) খারাপ বোধ করায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কথা বললে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে সিএমএইচে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।
স্বাধীনতার সুফল ঘরে ঘরে পৌঁছানোই আমাদের লক্ষ্য :প্রধানমন্ত্রী
১৪ জুন২০১৯,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের উন্নয়ন কর্মকান্ড প্রশংসিত হলেও কারও কারও এটা ভালো লাগে না। তাদের কিছুই ভালো লাগে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আর্ন্তজাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি বলেন ,দেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধ করা এবং স্বাধীনতার সুফল ঘরে ঘরে পৌঁছানোই আমাদের লক্ষ্য। আমি মনে করি আমরা এক্ষেত্রে যথেষ্ট সফল। আগে বিশ্বদরবারে ভিক্ষুকের জাত বলতো, এখন আর কেউ এটা বলতে পারে না। এটাই বড় অর্জন। এমন অর্জন সত্ত্বেও সমালোচনা । যারা সমালোচনা করে, করে যাক। ভালো কিছু বললে গ্রহণ করবো, মন্দ কিছু বললে ধর্তব্যে নেবো না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কিছু সংস্থার পক্ষ থেকে প্রতিক্রিয়ায় বলা হচ্ছে, প্রস্তাবিত বাজেটে স্বচ্ছল ও উচ্চ আয়ের মানুষকে বেশি সুবিধা দেয়া হয়েছে। এ ধরনের প্রতিক্রিয়ার বিষয়ে একজন সাংবাদিকের একটি প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা কী গবেষণা করেন আমি জানি না। এতো সমালোচনা করেও আবার বলবে, আমরা কথা বলতে পারি না। আমার কথা হচ্ছে, সাধারণ মানুষ খুশি কি-না। তারা লাভবান হচ্ছে কি-না, এটাই দেখার বিষয়। আজকে আমাদের এগারোতম বাজেট। এটা দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেট। এর সুফল সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাবে। আর ভালো না লাগার বিষয়টা জানি না কী হবে, তবে দেশের জন্য তারা কী আনতে পারছেন তা জানি না। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবির প্রেক্ষিতে বন্ধ থাকা এমপিওভুক্তির কাজ শুরু হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এবার স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। স্বাস্থ্য উন্নয়নের মাধ্যমে চিকিৎসা ও অন্যান্য সামাজিক সুবিধা নিশ্চিতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ৮টি মেডিকেল কলেজে নিউক্লিয়ার মেডিসিন ইনস্টিটিউট খোলা হবে। দেশের প্রত্যেকটি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য কাজ চলছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে ৬০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা আমরা অর্জন করবো, সে লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল অসুস্থ থাকা এবার প্রথমবারের মতো কোনো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলন করছেন শেখ হাসিনা। এর আগে বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রীর হয়ে বাজেটের বক্তৃতার একাংশ পড়ে দেন প্রধানমন্ত্রী।
এ বাজেটের ফলে সমাজে বৈষম্য আরো বাড়বে :সিপিডি
১৪ জুন২০১৯,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেছেন, ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে যারা অর্থনৈতিক অবশাসনের সুবিধাভোগী, তারাই এই সুবিধা পাবে। বাজেটে মধ্যবিত্তদের সুবিধা না বাড়িয়ে উচ্চবিত্তদের সুবিধা বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে সমাজে বৈষম্য আরো বাড়বে। বৈষম্য রেখে সমাজকে টেকসই করা সম্ভব না। শুক্রবার রাজধানীর লেকশোর হোটেলে আয়োজিত বাজেট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনটি সঞ্চালনা করেন সিপিডির ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। দেবপ্রিয় বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে করমুক্ত আয়সীমা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। সেইসঙ্গে বাড়ানো হয়েছে সম্পদের ক্ষেত্রে সারচার্জের সীমা। অর্থাৎ যারা আয় করে তাদের জন্য সুবিধা দেয়া হয়নি। অথচ সম্পদশালীদের সুবিধা দেয়া হয়েছে। এছাড়া বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ দুর্বল অবস্থানে রয়েছে। এছাড়া সেবাখাত ভিত্তিক অর্থনীতি কোনো সুখবর নয়। তিনি আরো বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষা-স্বাস্থ্য খাতে আগের চেয়ে বরাদ্দ কমে গেছে। এটা ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী হয়নি। বাজেটের স্বচ্ছতার ঘাটতি রয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেটে দেশের প্রকৃত অবস্থার প্রতিফলন হয়নি বলেও জানান তিনি। ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বাজেট পর্যালোচনা তুলে ধরে বলেন, দেশের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বৈদেশিক অর্থায়নের ওপর নির্ভরশীল রয়ে গেছে। এই কর্মসূচির অধীনে পাঁচটি মূল খাত যোগাযোগ, অবকাঠামো জ্বালানী, শিক্ষা ও বিজ্ঞান-প্রযুক্তিতে ৭০ শতাংশ টাকা দেয়ায় একটি ভারসাম্যহীন পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। তার মতে, যে আয় করে খায় তাদেরকে কোনো সুবিধা দেয়া হয়নি, সুবিধা দেয়া হয়েছে বিত্তবানদের। তিনি মনে করেন, অঘোষিত আয় এবং বে-আইনি আয়ের মধ্যে পার্থক্য সৃষ্টি করতে হবে। পুঁজিবাজারে কাঠামোগত সমস্যা রয়েছে উল্লেখ করে দেবপ্রিয় বলেন, ব্যাংকিংখাতে সুশাসনের অভাব রয়েছে। ভ্যাট আইনে জটিলতা রয়েছে। এ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া হবে বলে মনে করি। এ নিয়ে মধ্যবিত্তের ওপর চাপ তৈরি হবে যোগ করেন এই বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ। গতবছরের তুলনায় এই অর্থবছরে ধান-চাল সংগ্রহে অর্থ বরাদ্দ বাড়ানো হয়নি বলে কৃষক উপকৃত হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি মনে করেন শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে পরিবর্তন আসা প্রয়োজন ছিল। তা হয়নি। মাত্র ২ শতাংশ শিক্ষায়, ১ শতাংশ স্বাস্থ্য এবং ২ শতাংশ সামাজিক নিরাপত্তায় বরাদ্দ দেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এই অর্থ বরাদ্দ দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্যে সুখবর নয়। তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে কিছু গৎবাঁধা ভালো কথা আছে, কিন্তু কোনো কর্মসূচি নেই। কর্মসূচি থাকলে তা শেষ হবে কবে সে নিয়ে কোনো সময়সীমা দেয়া হয়নি। তার মতে, বাজেটর বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করলে ‘বাতাসের ভেতরে আশ্বাসের বাণী’ পাওয়া যায়।
অসুস্থ অর্থমন্ত্রীর পক্ষে বাজেট পেশ করছেন প্রধানমন্ত্রী
১৩জুন২০১৯,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের পক্ষে একাদশ জাতীয় সংসদের ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) তিনটার পর স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর অনুমতিতে বাজেট উপস্থাপন করতে শুরু করেন অর্থমন্ত্রী। অসুস্থ থাকায় স্পিকারের অনুমতি নিয়ে বসে বসে বাজেট উপস্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী। এবারের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। এর আগে দুপুরে ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এর আগে বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন দিতে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠক শুরু হয়। এবারের বাজেটের নাম দেওয়া হয়েছে সমৃদ্ধ আগামীর পথযাত্রায় বাংলাদেশ: সময় এখন আমাদের, সময় এখন বাংলাদেশের। চলতি অর্থবছরের মূল বাজেট চার লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা। তবে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, রাজস্ব আদায় করতে না পারায় ও উন্নয়ন প্রকল্পে পরিকল্পনা অনুযায়ী অর্থ খরচ করতে না পারায় চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের আকার নির্ধারণ করা হয় চার লাখ ৪২ হাজার ৫৪১ কোটি টাকা। অর্থাৎ আগামী বাজেটের আকার সংশোধিত বাজেট থেকে ৮০ হাজার ৬৪৯ কোটি টাকা বেশি। এটি দেশের ৪৮তম ও বর্তমান সরকারের তৃতীয় মেয়াদের প্রথম বাজেট। আর অর্থমন্ত্রী হিসেবে আ হ ম মুস্তফা কামাল এটি প্রথম বাজেট। মন্ত্রিসভার অনুমোদন মিললে আজ বেলা ৩টায় জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করবেন। এটি দেশের ৪৮তম ও বর্তমান সরকারের তৃতীয় মেয়াদের প্রথম বাজেট। আর অর্থমন্ত্রী হিসেবে আ হ ম মুস্তফা কামাল এটি প্রথম বাজেট।
হাসপাতাল থেকে মন্ত্রিসভার বৈঠকে অর্থমন্ত্রী
১৩জুন২০১৯,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সংসদে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতাল থেকে সরাসরি যোগ দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এ বৈঠকে প্রস্তাবিত ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটের অনুমোদন দেয়া হবে। বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) মেডিকেল চেকআপ শেষ করে অর্থমন্ত্রী অ্যাপোলো হাসপাতাল থেকে সংসদে আসেন বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা গাজী তৌহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, দুপুর ১টা ২০ মিনিটের দিকে তিনি সংসদ চত্বরে উপস্থিত হন। সূত্র থেকে জানা গেছে, অর্থমন্ত্রী জ্বরে আক্রান্ত। এছাড়া গত কয়েকদিন ধরে রুটিন মেডিকেল চেকআপের জন্য অ্যাপোলো হাসপাতালে যাচ্ছেন। বুধবার রাত থেকে হাসপাতালে ছিলেন। সেখান থেকেই সরাসরি সংসদে যান অর্থমন্ত্রী। গাজী তৌহিদুল ইসলাম বলেন, অর্থমন্ত্রী সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন। আজ বিকালে জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করবেন তিনি।
তাজিকিস্তান ও উজবেকিস্তানের উদ্দেশে কাল ঢাকা ছাড়ছেন রাষ্ট্রপতি
১২জুন২০১৯,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তাজিকিস্তান ও উজবেকিস্তানে সাত দিনের সরকারি সফরে কাল ঢাকা ত্যাগ করবেন।-বাসস রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদিন জানান, মধ্য এশিয়ার দুটি দেশে তাঁর সাত দিনের এই সফর চলাকালে রাষ্ট্রপতি তাজিক রাজধানী দুশানবেতে কনফারেন্স অন ইন্টারেকশন অ্যান্ড কনফিডেন্স বিল্ডিং মেজার্স ইন এশিয়া (সিআইসিএ)-র পঞ্চম সম্মেলনে যোগ দেবেন। তিনি আগামী ১৬ জুন তার উজবেকিস্তান সফরও শুরু করবেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি ও তাঁর পত্নী রাশীদা খানমসহ সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইট কাল বিকেল চারটায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে যাবে। রাষ্ট্রপতি আগামী ১৫ জুন দুশানবেতে অনুষ্ঠিত সিআইসিএ সম্মেলনে তাঁর ভাষণ দেবেন। সিআইসিএ হচ্ছে এশিয়ার শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বাড়াতে সহযোগিতা জোরদারের একটি বহু-দেশীয় ফোরাম। সিআইসিএ-র উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে- এশিয়ার সমৃদ্ধি এবং স্থিতিশীলতায় বাণিজ্য জোরদার-অর্থনৈতিক সহযোগিতাসহ সব ধরণের সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলা এবং অবৈধ মাদক নির্মূল করা। জয়নাল আবেদিন বলেন, রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ পঞ্চম সিআইসিএ শীর্ষ সম্মেলনে তাঁর ভাষণে এ ব্যাপারে বাংলাদেশের অবস্থান পরিষ্কার ভাবে তুলে ধরবেন। সিআইসিএ-এর ২৭টি সদস্য রাষ্ট্র হচ্ছে- আফগানিস্তান, আজারবাইজান, বাহরাইন, বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, চীন, মিশর, ভারত, ইরান, ইরাক, ইসরাইল, জর্ডান, কাজাখাস্তান, কিরগিজস্তান, মঙ্গোলিয়া, পাকিস্তান, ফিলিস্তিন, কাতার, কোরিয়া প্রজাতন্ত্র, রাশিয়া, শ্রীলঙ্কা, তাজিকিস্তান, থাইল্যান্ড, তুরস্ক, যুক্তরাজ্য আরব আমিরাত, উজবেকিস্তান ও ভিয়েতনাম। সিআইসিএ-এর ৮টি পর্যবেক্ষক দেশ আছে, সেগুলো হচ্ছে- বেলারুশ, ইন্দোনেশিয়া, জাপান, লাওস, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, ইউক্রেন এবং যুক্তরাষ্ট্র। জাতিসংঘসহ পাঁচটি আন্তর্জাতিক সংস্থা সিআইসিএ-এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে, সেগুলো হচ্ছে- ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম), অর্গানাইজেশন ফর সিকিউরিটি ফর সিকিউরিটি এন্ড কোপারেশন ইন ইউরোপ (ওএসসিই), লিগ অফ আরব স্টেট্স এন্ড পার্লামেন্টারি এসেম্বলি অব দি তুর্কি স্পিকিং কান্ট্রিস। সিআইসিএ-এর সেক্রেটারিয়েটের মতে, সিআইসিএ-এর সদস্য দেশগুলোতো এশিয়ার প্রায় ৯০ শতাংশ জনসংখ্যা বসবাস করছে। আসন্ন পঞ্চম সিআইসিএ শীর্ষ সম্মেলনে ২০টি দেশ থেকে উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত থাকবেন বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে। রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ আগামী ১৯ জুন দেশে ফিরে আসবেন বলে জানিয়েছেন তাঁর প্রেস সেক্রেটারি।

জাতীয় পাতার আরো খবর