মঙ্গলবার, জানুয়ারী ১৯, ২০২১
জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশন বসছে কাল
০৭নভেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীতে কাল বসছে জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশন। এ অধিবেশনে সংসদ সদস্যরা বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মের ওপর আলোচনা করবেন। জাতির পিতার সংগ্রামী রাজনৈতিক জীবন আর তাঁর আদর্শ তুলে ধরবেন তারা। অধিবেশন শুরুর দিন স্মারক বক্তৃতা দেবেন রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর বছরটিকে মুজিববর্ষ ঘোষণা করা হয়েছে আগেই। মুজিববর্ষে নানা কর্মসূচি থাকলেও করোনা মহামারিতে সীমিত করা হয় সব কিছু। তবে মুজিববর্ষে বসছে জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশন। অধিবেশনের শুরুতেই ভাষণ দিবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। সংসদ কক্ষে স্পিকার যেখানে বসেন, তার পেছনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি প্রদর্শন ও সংরক্ষণ করার আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। উচ্চ আদালতের আদেশের কপি পাওয়ার পরপরই অধিবেশন কক্ষে ছবি টাঙিয়েছে সংসদ কর্তৃপক্ষ। এই বিশেষ অধিবেশনই হবে প্রথম অধিবেশন, যেখানে সংসদ কক্ষে বঙ্গবন্ধুর ছবি থাকবে। বিশেষ এই অধিবেশনে বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন, ত্যাগ, আদর্শ ও দর্শন নিয়ে আলোচনা করবেন সংসদ সদস্যরা। মুজিববর্ষ উপলক্ষে ১০টি কর্মসূচি নিয়েছে জাতীয় সংসদ। এর মধ্যে নভেম্বরে মুজিববর্ষের ওয়েবসাইট উদ্বোধন, স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন, মাসব্যাপী আলোকচিত্র ও প্রামাণ্য দলিল প্রদশর্নী, সংসদে বঙ্গবন্ধু শিরোনামে একটি বইয়ের প্রকাশনা এবং শিশুমেলা অন্যতম। অধিবেশনের প্রথম বৈঠকে সবাইকে থাকার কথা বলা হবে, তবে সেক্ষেত্রে সবার কোভিড-১৯ পরীক্ষা করাতে হবে। ৩ নভেম্বর থেকে কোভিড পরীক্ষা শুরু হয়েছে সংসদ সদস্যদের। প্রথমদিন কোভিড-১৯ নেগেটিভ সকল সংসদ সদস্য অধিবেশনে অংশ নেবেন।
কালিয়াকৈরে ট্রেনের সঙ্গে বাসের ধাক্কায় নিহত ১, আহত ৪
০৭নভেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ট্রেনে সঙ্গে বাসের ধাক্কায় এক নারী (৩০) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও চার বাসযাত্রী। শনিবার (০৭ নভেম্বর) ভোরে উপজেলার সোনাখালী রেল ক্রসিংয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিক হতাহতদের পরিচয় জানা যায়নি। জয়দেবপুর রেলওয়ে জংশন পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুল মান্নান বলেন, কালিয়াকৈরের সোনাখালী এলাকায় যাত্রীবাহী একটি বাস রেল ক্রসিং অতিক্রম করছিল। এ সময় ঢাকাগামী নীলসাগর ট্রেন বাসটিকে ধাক্কা দেয়। এতে বাসটি দুমড়ে-মুচড়ে ঘটনাস্থলেই এক নারীর মৃত্যু হয় এবং চারজন আহত হন। হতাহতদের উদ্ধার করে কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছে।
স্বল্পোন্নত-উন্নয়নশীল দেশকে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেয়ার আহ্বান
০৬নভেম্বর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, করোনা মহামারি বহুমুখী বৈশ্বিক সমস্যা তৈরি করেছে এবং বৈশ্বিকভাবেই এটির সমাধান করা দরকার। এই সঙ্কট মোকাবিলার জন্য একটি সু-সমন্বিত রোডম্যাপ প্রয়োজন। রাজস্ব প্রণোদনা, কনসেশনাল আর্থিক সহায়তা এবং ঋণের মাত্রা কমানোর মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত এলডিসি এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোকে বেইল আউটের হাত থেকে রক্ষার জন্য জি-৭, জি-২০, ওইসিডি দেশগুলো, বহুপাক্ষিক উন্নয়ন ব্যাংক এবং আন্তর্জাতিক আর্থিক সংস্থাগুলোকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোকে অবশ্যই উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য প্রতিশ্রুত, অথচ অদ্যাবধি অপূরণকৃত কোটামুক্ত বাজার সুবিধা এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা দিতে হবে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় আসেম (দ্য এশিয়া-ইউরোপ মিটিং) অর্থমন্ত্রী পর্যায়ের ১৪তম সভায় ভিডিও বার্তায় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। করোনার কারণে ভার্চুয়ালি আয়োজিত এবারের সভার আয়োজক বাংলাদেশ। এতে সভাপতিত্ব করছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। ভিডিওবার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আশা করি বিশ্ব শিগগিরই কোভিড -১৯ এর বিরুদ্ধে কার্যকর ভ্যাকসিন পেতে যাচ্ছে। বিশ্বের সকল দেশের জন্য বিশেষত এলডিসি (স্বল্পোন্নত দেশ) এবং উন্নয়নশীল দেশের জন্য এই ভ্যাকসিন বিনামূল্যে পাওয়ার ব্যবস্থা করতে আমি আহ্বান জানাচ্ছি। উন্নত দেশগুলো, এমডিবি এবং আইএফআইএস এক্ষেত্রে উদার সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে আসবে বলে আমরা প্রত্যাশা করছি। আমরা অতীতে শিখেছি যে, বিচ্ছিন্নতা নয় বরং সহযোগিতা যেকোনো সঙ্কট কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করতে পারে। তিনি আরও বলেন, এ বছর চতুর্দশ আসেম অর্থমন্ত্রী সভার আয়োজন করতে পেরে বাংলাদেশ অত্যন্ত আনন্দিত। এই অনুষ্ঠানে যোগদান করায় আমি আপনাদের সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমাদের মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, যিনি একটি বৈষম্যহীন, সুখী ও সমৃদ্ধশালী দেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন, আমি তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। আমি অত্যন্ত খুশি যে, এ সঙ্কটময় সময়ে আপনারা বিনম্র চিত্তে এবং সহমর্মিতা প্রদর্শনপূর্বক এ সভায় যোগ দিয়েছেন। প্রসঙ্গত, অভিন্ন স্বার্থ রয়েছে এমন রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, আর্থিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্রে এশীয় ও ইউরোপীয় জাতিসমূহের জন্য আসেম হচ্ছে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। অংশীদার দেশগুলোর জন্য গুরুত্ব বহন করে এমন অভিন্ন অর্থনৈতিক ও আর্থিক বিষয়াদি চতুর্দশ আসেম অর্থমন্ত্রী সভায় উঠে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা বলেন, করোনায় সকল দেশের স্বাস্থ্য-ব্যবস্থা এবং অর্থনীতিতে ভয়াবহ প্রভাব ফেলেছে। বিশ্ব অর্থনীতি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে; জনগণের বেশিরভাগই আয় হ্রাস এবং চাকরি হারানোর সম্মুখীন হয়েছে। দারিদ্র্য পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে এবং স্বাস্থ্য খাত কঠিন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে। অধিকাংশ দেশেই টেকসই উন্নয়ন অভিষ্টের সূচকসমূহের অর্জন ও কষ্টার্জিত সমৃদ্ধি এখন হুমকির সম্মুখীন। স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশসমূহ এ মহামারির কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বাংলাদেশ গত এক দশক ধরে অব্যাহতভাবে উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে এবং আর্থ-সামাজিক সূচকেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। ২০৩১ সালের মধ্যে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত দেশে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে আমরা ভিশন ২০৪১ গ্রহণ করেছি। এসডিজি অর্জনের ক্ষেত্রে আমাদের দেশ ভালো অবস্থানে ছিল। তবে করোনাভাইরাসের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে আমাদের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও এবং অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের জন্য সুবিশাল প্রণোদনা প্যাকেজ গ্রহণ করা সত্ত্বেও এ মহামারি আমাদের অগ্রযাত্রার ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে। আমার সরকার এখন পর্যন্ত অর্থনীতির বিভিন্ন সেক্টরের পাশাপাশি আমাদের সমাজের বিভিন্ন খাতকে সহায়তা করার জন্য ১৪ দশমিক ১৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমতুল্য ২১টি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। এই সহায়তা প্যাকেজের পরিমাণ জিডিপির ৪ দশমিক ৩ শতাংশের সমান। কয়েক মাসব্যাপী মহামারির প্রাথমিক ধাক্কা সামলানোর পর আমাদের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে। রফতানি, প্রবাস আয়, কৃষি উৎপাদন ইত্যাদি ক্ষেত্রে সর্বশেষ প্রবণতাই এটি নির্দেশ করে যে, আমাদের অর্থনীতি এখন টেকসই প্রবৃদ্ধির পথে পুনরায় ফিরে আসছে। আমি আশা করি যে, চতুর্দশ আসেম অর্থমন্ত্রী সভা ঈপ্সিত ফলাফল অর্জন করবে, যা সদস্য দেশসমূহের জন্য উপকার বয়ে আনবে- এই বলে সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বিদায় নেন প্রধানমন্ত্রী।
পদ্মাসেতুর ৫ হাজার ৪শ মিটার দৃশ্যমান
০৬নভেম্বর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ৩৬তম স্প্যান বসানোর মাধ্যমে পদ্মাসেতুতে দৃশ্যমান হলো ৫ হাজার ৪০০ মিটার। দেশি-বিদেশি প্রকৌশলীদের চেষ্টায় সেতুর ২ ও ৩ নম্বর পিলারের ওপর সফলভাবে স্প্যানটি স্থায়ীভাবে বসানো হয়েছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল ৯টা ৪২ মিনিটের দিকে মুন্সিগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে স্প্যানটি বসানো হয়। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প ব্যবস্থাপক (মূল সেতু) দেওয়ান আবদুল কাদের। ৩৫তম স্প্যান বসানোর ৬ দিনের মাথায় এই স্প্যানটি বসলো। ৬ হাজার ১৫০ মিটারের সেতুতে স্প্যান বসবে মোট ৪১টি। ফলে আর মাত্র ৫টি স্প্যান বাকি রইলো। এদিকে বৃহস্পতিবার (০৫ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয়ের মাওয়ায় অবস্থিত কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডের স্টিল ট্রাস জেটি থেকে স্প্যানটি বহন করে ভাসমান ক্রেন তিয়ান-ই রওনা দেয়। বেলা ১২টার দিকে কাঙ্ক্ষিত পিলারের কাছে পৌঁছে ৩ হাজার ৬০০ টন সক্ষমতার ক্রেনটি। নদী তীরবর্তী পথে কোথাও কোথাও পর্যাপ্ত গভীরতা না থাকায় বেশি সময় লেগেছে গন্তব্যে পৌঁছাতে। এরপর নোঙর সম্পন্ন করে ভাসমান ক্রেনটি পিলারের কাছেই অবস্থান করে। ওই দিন পর্যাপ্ত সময় না থাকায় আর স্প্যানটিকে পিলারের ওপর তোলা যায়নি। সংশ্লিষ্টরা জানান, আজ সকাল ৮টায় স্প্যান বসানো শুরু হয়। স্প্যানটিকে পিলারের উচ্চতায় উঠিয়ে রাখা হয়। এটি করতে ২ ঘণ্টার কম সময় লেগেছে। বাকি ৫টি স্প্যানের মধ্যে- ৩৭তম স্প্যান (২-সি) ১১ নভেম্বর ৯ ও ১০ নম্বরে পিলার, ৩৮তম স্প্যান (১-এ) ১৬ নভেম্বর ১ ও ২ নম্বরে পিলার, ৩৯তম স্প্যান (২-ডি) ২৩ নভেম্বর ১০ ও ১১ নম্বর পিলারে, ৪০তম স্প্যান (২-ই) ২ ডিসেম্বর ১১ ও ১২ নম্বর পিলারে এবং সর্বশেষ ৪১তম স্প্যান (২-এফ) ১০ ডিসেম্বর ১২ ও ১৩ নম্বর পিলারের উপর বসবে। পদ্মাসেতুতে মোট ৪২টি পিলারে বসানো হবে ৪১টি স্প্যান। আর সেতুর দৈর্ঘ্য ৬, ১৫০ মিটার (৬.১৫ কিলোমিটার)। মূল সেতু নির্মাণের কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেড (এমবিইসি) ও নদীশাসনের কাজ করছে চীনের আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন।
সাংবাদিকরা জাতিকে পথ দেখায়: তথ্যমন্ত্রী
০৬নভেম্বর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, উন্নত রাষ্ট্র গঠনে নবপ্রজন্মের মনন তৈরিতে গণমাধ্যমের ভূমিকা অনন্য। প্রকৃতপক্ষে সাংবাদিকরা জাতিকে পথ দেখায়, মানুষের তৃতীয় নয়ন খুলে দেয়। গতকাল ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির রজতজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত বঙ্গবন্ধুর ওপর লেখা প্রদর্শনীর সমাপনী ও ডিআরইউ সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে সরকারি বাসভবন থেকে অনলাইনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, আমাদের সম্মিলিত লক্ষ্য হচ্ছে একটি উন্নত রাষ্ট্র গঠন করা, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ রচনা করা, ২০৪১ সাল নাগাদ বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করা। সেই উন্নত রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করতে হলে একটি উন্নত প্রজন্মেরও প্রয়োজন, যে প্রজন্ম বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করবে। সেই নতুন প্রজন্মের মনন তৈরিতে, দেশকে সঠিক খাতে প্রবাহিত করতে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ গণমাধ্যম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। স্বাধিকার আন্দোলন থেকে স্বাধীনতা সংগ্রাম ও পরবর্তী সময়ে দেশ গঠনে সাংবাদিকদের অনবদ্য ভূমিকা ছিল উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, আজকের প্রেক্ষাপটে নতুন প্রজন্মের মনন তৈরি, সমাজে তৃতীয় নয়ন খুলে দেয়া, সমাজের অসংগতিগুলো তুলে ধরা, সঠিকভাবে রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে সাংবাদিকরা অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রধানমন্ত্রী এ কারণে সাংবাদিকদের প্রতি মমত্ববোধ থেকে এই করোনাকালে তাদের সহায়তার জন্য বিশেষ তহবিল গঠন করেছিলেন এবং সেই তহবিল থেকে আমরা সহায়তা করে যাচ্ছি; যেটি ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলংকা কোনো দেশেই করা হয়নি। তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও তার নেতৃত্বাধীন সরকারও সমালোচনাকে সমাদৃত করার সংস্কৃতি লালন করে। তবে যদি শুধুই সমালোচনা হয়, ভালো কাজের প্রশংসা না হয়, তবে যারা ভালো কাজ করে, তারা উৎসাহ হারিয়ে ফেলবে, সেজন্য সমালোচনার পাশাপাশি ভালো কাজের প্রশংসাও প্রয়োজন।
১০ ঘণ্টার চেষ্টায় ডেমরার আগুন নিয়ন্ত্রণে
০৬নভেম্বর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর ডেমরার কোনাপাড়ায় হাজি বাদশা মিয়া রোডের একটি ভবনে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আগুনে ভবনটির তিনতলা থেকে নয়তলা পর্যন্ত পুড়ে গেছে। ফায়ার সার্ভিসের ১৬টি ইউনিটের ১০ ঘণ্টার প্রচেষ্টায় বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের নিয়ন্ত্রণকক্ষের কর্তব্যরত কর্মকর্তা মাহফুজ রিবেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, কোনাপাড়ায় হাজি বাদশা মিয়া রোডের পাশা লাইটের গোডাউনে বিকেলে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ১৬টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। মাহফুজ রিবেন বলেন, ফায়ার সার্ভিসের ১৫০ জনবল এবং Rab, পুলিশ, রেডক্রিসেন্ট ও রোভার স্কাউটের সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করেছেন। ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক (ডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাজ্জাদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ১০ তলাবিশিষ্ট ভবনটির প্রায় পুরোটাতেই দাহ্য পদার্থ ভরপুর ছিল। আগুন নেভানোর জন্য কাজ করার কোনো পরিবেশ ছিল না। একটি মাত্র সরু রাস্তা। যার ফলে আগুন নিয়ন্ত্রণে সময় লেগেছে। ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, ভবনটির ষষ্ঠতলা এনার্জি লাইটের গুদাম হিসেবে ব্যবহার করা হতো। সেখানেই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। তবে সেটা বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে এমনটা ধারণা করা হচ্ছে। প্রচুর দাহ্য পদার্থ থাকায় মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
রাজধানীর কোনাপাড়ায় লাইটের গোডাউনে আগুন
০৫নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর ডেমরায় একটি লাইট কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি ইউনিট আগুন নেভাতে কাজ করছে। ১০তলা ওই ভবনের ছয় তলায় আগুন লাগে। বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়। জানা যায়, ভবনটি ছিল একটি লাইট কারখানা। আগুন ভয়াবহ রূপ নেওয়ার আগেই সকল শ্রমিক ভবন থেকে নেমে যেতে সক্ষম হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি ইউনিট। ভবনের জানালার গ্লাসসহ বিভিন্ন অংশ ধসে পড়ছে। পুরো ভবনটি ধসে পড়ার আশংকা রয়েছে। উৎসুক জনতার ভিড়ে দমকল কর্মীদের আগুন নেভাতে বেগ পেতে হচ্ছে। ফায়ার সার্ভিসের গণমাধ্যম শাখা এসব তথ্য নিশ্চিত করে। তবে হতাহতের কোনো খবর এখনো পাওয়া যায়নি।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনিয়মে সরকারি ক্ষতির অর্থ আদায়ের সুপারিশ
০৫নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বাস্থ্য অধিদফতরের কাজে অনিয়মের কারণে সরকারের ক্ষতি হওয়া টাকা দুই মাসের মধ্যে সরকরি কোষাগারে জমা দেয়ার সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি। বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে ২০১০-১১ ও ১১-১২ অর্থবছরে ঢাকা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের স্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের অনিয়মের ফলে ক্ষতি হওয়া টাকা আদায়ের এই সুপারিশ করেছে কমিটি। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সরকারি হিসাব কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়। এ সময় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন অডিট আপত্তি নিয়ে আলোচনা হয়। কমিটির সভাপতি মো. রুস্তম আলী ফরাজীর সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য মো. আব্দুস শহীদ, র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, জহিরুল হক ভূঞা মোহন, মনজুর হোসেন, মুস্তফা লুৎফুল্লাহ এবং মো. জাহিদুর রহমান অংশ নেন। বৈঠক শেষে সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে ২০১০-১১ ও ২০১১-১২ অর্থবছরে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের তিনটি বিভাগের কাজে নির্দেশ উপেক্ষা করে লাইসেন্স নবায়ন ফি, তালিকাভুক্তি ফি, ফরম বিক্রি, টেন্ডার সিডিউল বিক্রি বাবদ আদায়কৃত রাজস্ব সরকারি কোষাগারে জমা না করে অনিয়মিতভাবে বেসরকারি ব্যাংকে জমা রাখায় সরকার ৯ কোটি ২৬ লাখ ৫২ হাজার ৭৫৯ টাকা রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হয়েছে। কমিটির কার্যপত্র থেকে জানা গেছে, এ অডিট আপত্তি নিয়ে প্রধান হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক কার্যালয় বলেছে, বেসরকারি ব্যাংকে জমা হওয়া টাকা থেকে যে সুদ হয়েছে সেই টাকাও সরকারি কোষাগারে রাখতে হবে। এছাড়া নির্মাণ কাজ সম্পাদনে ব্যর্থ ঠিকাদারের কার্যাদেশ জরিমানার ভিত্তিতে বাতিল করা সত্ত্বেও জরিমানার অর্থ আদায় না করায় সরকারের ৩ কোটি ১৪ লাখ ৭১ হাজার ৬৮৩ টাকা আর্থিক ক্ষতির অর্থ আদায় করে দুই মাসের মধ্যে জমা দেয়ার সুপারিশ করা হয়। ওই দুই অর্থবছরে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অনিয়মিতভাবে উন্নয়ন প্রকল্পের চাকরিকাল গণনা করে টাইম স্কেল সিলেকশন গ্রেড স্কেল প্রদান করায় এবং অনিয়মিতভাবে অস্থায়ী রাজস্ব বাজেটে স্থানান্তরের পূর্বেই প্রকল্পের কর্মচারীদের চাকরি বিরতিকালের বেতন ভাতা বাবদ ৬ কোটি ৪৯ লাখ ১৭ হাজার ৯৮০ টাকা পরিশোধ করায় সরকারের আর্থিক ক্ষতি-সংক্রান্ত অডিট আপত্তি পর্যালোচনা করতে একটি কমিটি গঠন করার সুপারিশ করা হয়। এছাড়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র নির্মাণ কাজে ৩৩% রড কম ব্যবহার করা সত্ত্বেও মেজারমেন্ট নিয়ে বিল পরিশোধে সরকারের দুই কোটি ১৪ লাখ ৯৬ হাজার ২৭৫ টাকা আর্থিক ক্ষতির অর্থ দুই মাসে আদায় করতে এবং দ্রুত একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করেছে কমিটি।
আলীগ ছাড়া আর কেউই সমুদ্রসীমার অধিকার আদায়ে উদ্যোগ নেয়নি: প্রধানমন্ত্রী
০৫নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কেউই সমুদ্রসীমার অধিকার আদায়ে উদ্যোগ নেয়নি বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় ভবিষ্যতে অন্য দেশের জন্যও বাংলাদেশ জাহাজ তৈরি করবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নৌবাহিনীর ৩টি যুদ্ধজাহাজ ও ২টি জরিপ জাহাজের কমিশনিং অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কারও সাথে শত্রুতা নয়; তবে আক্রান্ত হলে তা মোকাবেলা করার সার্মথ্য অর্জন করতে চায় বাংলাদেশ। বিশাল সমুদ্রসীমা রক্ষার লক্ষ্যেই আধুনিক নৌবাহিনী গড়ে তোলা হচ্ছে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময়, শীতকালে করোনা সংক্রমণের বিষয়ে সর্তক থাকতে দেশবাসীর প্রতি আবারও আহ্বান শেখ হাসিনা।

জাতীয় পাতার আরো খবর