সোমবার, জুলাই ১৩, ২০২০
করোনায় আরও এক পুলিশ সদস্যের মৃত্যু
১০জুন,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মো. আব্দুল জলিল (৫৫) নামে আরও এক পুলিশ সদস্য মারা গেছেন। এ নিয়ে পুলিশের ২০ জন সদস্য প্রাণ হারালেন। মঙ্গলবার বেলা দেড়টায় বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি। তিনি কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের ইন্সপেক্টর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। আব্দুল জলিল নওগাঁ জেলার আত্রাই থানার দীপ চাঁদপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই পুত্রসহ অনেক আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন। পুলিশের ব্যবস্থাপনায় মরহুমের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হয়। পরে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে জানাজা শেষে মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
স্বাস্থ্যবিধি মেনেই বাজেট অধিবেশন চলবে
১০জুন,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শারীরিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনেই একাদশ জাতীয় সংসদের অষ্টম অধিবেশন বা বাজেট অধিবেশন চলবে বলে জানিয়েছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। বুধবার (১০ জুন) অধিবেশনের শুরুতে তিনি একথা জানান। স্পিকারের সভাপতিত্বে এ অধিবেশন শুরু হয়। স্পিকার বলেন, এই অধিবেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সারা বিশ্বে করেনা সংক্রমণ পরিস্থিতিতে এই অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। স্বাস্থ্যবিধি, শারীরিক দূরত্ব, মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস- এসব অনুসরণ করেই অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। এই অধিবেশনে উত্থাপিত হবে বাজেট। সরকারি ও বিরোধীদলের সদস্যরা অংশ নেবেন। আগামী ২৯ জুন অর্থবিল ও ৩০ জুন জাতীয় বাজেট পাস হবে। এবারের অধিবেশন সীমিত সময়ের জন্য অনুষ্ঠিত হচ্ছে। অধিবেশনের জন্য নির্বাচিত সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যরা হলেন- কর্নেল (অব.) ফারুক খান, এবিএম তাজুল ইসলাম, মুহিবুর রহমান মানিক, কাজী ফিরোজ রশিদ ও মেহের আফরোজ চুমকী। স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে তারা সংসদ অধিবেশন পরিচালনা করবেন।
করোনা আক্রান্ত কর্মকর্তাদের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের টিম
১০জুন,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাস জনিত রোগে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সহায়তার জন্য কুইক রেসপন্স টিম গঠন করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। বুধবার (১০ জুন) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব (সাধারণ সেবা অধিশাখা) মোহাম্মদ মিজানুর রহমানকে প্রধান করে এ টিম গঠনের আদেশ জারি করা হয়েছে। পাঁচ সদস্যের এ টিমে আরও রয়েছেন- সিনিয়র সহকারী সচিব (সরকার গঠন ও রাষ্ট্রাচার শাখা) তানবীর মোহাম্মদ আজিম, প্রটোকল অফিসার (সাধারণ সেবা অধিশাখা) মো. ইমদাদুল ইসলাম, প্রশাসনিক কর্মকর্তা (প্রশাসন ও শৃঙ্খলা শাখা) শাহেনা খানম ও ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দফতর) মো. নেছারুল হাসান। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে এ টিম তার বা তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। প্রয়োজনে তাদের চাহিদার ভিত্তিতে খাদ্য, ওষুধ, চিকিৎসাসহ অন্য বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতা দেবেন। আক্রান্তদের তথ্য সংগ্রহ করে তা প্রতিবেদন আকারে যুগ্মসচিবের (প্রশাসন) কাছে দাখিল করতে বলা হয়েছে আদেশে। করোনা আক্রান্তদের জন্য এর আগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহায়তার জন্য একটি কুইক রেসপন্স টিম গঠন করেছে। ফুলবাড়িয়ায় অবস্থিত সরকারি কর্মচারী হাসপাতালে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের করোনা ভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
করোনায় সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত Rab- 11 এর সদস্যরা, তবুও থামেনি অভিযান
১০জুন,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নারায়ণগঞ্জের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে মানুষের সঙ্গে সরাসরি কাজ করতে গিয়ে করোনায় সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত Rab-11র সদস্যরা। এখন পর্যন্ত তাদের ১১৭ সদস্যের মধ্যে করোনা শনাক্ত করা হয়েছে। কিন্তু এ অবস্থাতেও একটুও দমে না গিয়ে ২৪টি গুরুত্বপূর্ণ অভিযান পরিচালনা করেছে এ ব্যাটালিয়ন। করোনা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুরো জেলায় রয়েছে তাদের সতর্ক অবস্থান। বুধবার (১০ জুন) নিউজ একাত্তর কে এসব তথ্য জানান Rab-11র অধিনায়ক (সিও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইমরান উল্লাহ সরকার। ইতোমধ্যেই নিজেদের আইসোলেশনে চিকিৎসা সেবা নিয়ে Rab-11-এর প্রায় সব সদস্যই সুস্থ হয়ে উঠেছেন বলে জানান তিনি। ১০৮ জন এরই মাঝে পুনরায় কাজে যোগ দিয়েছেন। বাদবাকিরাও সুস্থতার পথে। তিনি বলেন, সবসময় আমরা নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়াসহ পুরো জেলার সব গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পোশাকধারী ও অপোশাকধারী সদস্যদের মাধ্যমে বিশেষ নজরদারি করছি। করোনা পরিস্থিতি, আর্থিক অবস্থা সব মিলিয়ে এখন মানুষ ডেসপারেট হয়ে উঠবে, অনেকেই অনেক ধরনের অপকর্ম করতে পারে। তবে আমাদের তৎপরতায় বড় ধরনের কোনো সমস্যা হবে না বলে আশা করছি। জেলার সব ব্যবসাকেন্দ্রগুলোও আমাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নজরদারিতে আছে। আগামীতেও থাকবে। আমরা অনেক আগেই আশঙ্কা করেছিলাম যেহেতু আমরা সরাসরি মানুষের কাছে গিয়েছি, লকডাউন নিশ্চিত করেছি, বাজারে গিয়েছি, জনসমাগম বন্ধ করেছি, পরিবহন সেক্টরে কাজ গিয়েছি, চেকপোস্ট স্থাপন করেছি, ফলে আমাদের বিপুল পরিমাণ সদস্য করোনায় আক্রান্ত হতে পারেন। কিন্তু এ অবস্থাতেও আমরা দায়িত্ব পালন থেকে বিন্দুমাত্র নড়িনি, বরং পূর্ণ শক্তি নিয়ে মাদক, সন্ত্রাসী ডাকাতদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রেখেছি। ইমরান উল্লাহ সরকার আরও জানান, ব্যাটালিয়নের অনেকেই আক্রান্ত হলেও প্রতি রাতে Rab-11 সদর দপ্তরের বাইরে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রেখেছিলাম, দুস্থ ও মধ্যবিত্ত অনেক পরিবারে আমরা খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিয়েছি। নিয়মিত টহল কার্যক্রমসহ বিভিন্ন কাজ করেছি। মার্চ থেকে ব্যাটালিয়নের সদস্যরা আক্রান্ত হতে শুরু করেন, কিন্তু আমাদের অভিযান থামেনি। মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত আমরা গুরুত্বপূর্ণ ২৪টি অভিযান পরিচালনা করেছি। এর বাইরে নিয়মিত অভিযান, বিভিন্ন মামলার আসামি গ্রেফতার, অপরাধ দমন, নাগরিকদের নিরাপত্তা প্রদানসহ নানা কাজ অব্যাহত ছিল আমাদের। এ সময়ের মধ্যে বিভিন্ন মামলার অর্ধশতকেরও বেশি আসামিকে গ্রেফতার করেছে Rab-11। এ সময়ের মধ্যে Rab বড় কয়েকটি মাদকের চালানও আটক করেছে। কয়েকজন বড় মাদক ডিলার ও ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে। ব্যাংক ডাকাতির প্রস্তুতির সময় ডাকাতদের পরিকল্পনা ভেস্তে দেওয়া থেকে শুরু করে পুরো জেলায় গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধির মাধ্যমে যেন কোনো অপরাধ সংঘটিত না হয় সে জন্য সতর্ক থেকেছে Rab-11। আগামী দিনগুলোতেও এ ধারা বজায় থাকবে।
করোনা মহামারির কারণে শ্রমিকদের ফেরত না পাঠাতে আরব আমিরাতকে অনুরোধ
১০জুন,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা মহামারির কারণে বাংলাদেশি শ্রমিকরা যেন চাকুরিচ্যূত হয়ে দেশে ফেরত না আসে সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতকে অনুরোধ করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন। বুধবার (১০ জুন) সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আহমেদ আল সায়েঘের সঙ্গে ফোনে আলাপকালে এ অনুরোধ করেন তিনি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ফোনালাপকালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের উন্নয়নে প্রবাসী বাংলাদেশিরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে উল্লেখ করে ড. মোমেন বলেন, কেউ চাকুরিচ্যুত হলেও যেন কমপক্ষে ৬ মাসের সমপরিমাণ ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পায়। তিনি সেদেশে অবস্থানরত প্রবাসী শ্রমিকদের খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিমন্ত্রীকে অনুরোধ করেন। এসব বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করা হয়। ড. মোমেন উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে কোয়ারেন্টিনের সুবিধা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশি শ্রমিকরা সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে যদি ফেরত আসতে চায় তবে তারা যেন করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেটসহ ধাপে ধাপে আসতে পারে। ড. মোমেন বাংলাদেশ থেকে সবজি এবং হালাল চিকেন ও গরুর মাংস আমদানি করতে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে অনুরোধ করেন। তাছাড়া সেদেশে কৃষির উন্নয়নে বাংলাদেশের কৃষি শ্রমিকদের কাজে লাগাতে পারবে বলেও পররাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতকে বাংলাদেশের বন্ধুরাষ্ট্র উল্লেখ করে ড. মোমেন সেদেশের উন্নয়নে আহমেদ আল সায়েঘের বাবার দুরদর্শী নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। করোনা পরিস্থিতিতে বিভিন্ন দেশে শ্রমিকদের সহায়তার জন্য কোভিড-১৯ রিকভারি অ্যান্ড রেসপন্স ফান্ড গঠনে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সহযোগিতা কামনা করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পারস্পরিক অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন। ওআইসির সভাপতি হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাত এ সংস্থার ব্যবস্থাপনা, জনবল, আর্থিক কাঠামোসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কারের বিষয়ে বাংলাদেশের সমর্থন কামনা করেন। এসময় করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশে মাস্ক, স্যানিটাইজারসহ বিভিন্ন চিকিৎসা সামগ্রী প্রেরণের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ধন্যবাদ জানান ড. মোমেন।
চট্টগ্রামে মরছে মানুষ, দেখার কেউ নেই
১০জুন,বুধবার,মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামে দিন দিন বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছে মানুষ। নেই সুচিকিৎসা ব্যবস্থা ও পর্যাপ্ত ওষুধ। ডাক্তার আর ওষুধ বিক্রেতারা সকলে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে চট্টগ্রামে এই করোনা মহামারীতে চিকিৎসা সেবাকে পুরোপুরি অকার্যকর করে দিয়েছেন। তবে চিকিৎসা ও ওষুধ খাতে ও রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলেই যেন সকলে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। মন্ত্রীর নির্দেশনা ও প্রতিদিন জেলা প্রশাসনের পরিচালিত ভ্রম্যমান আদালতের অভিযানেও সুফল মিলছে না। ৯জুন মঙ্গলবার চট্টগ্রামের বায়েজিদ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাগির আহমেদকে কয়েকটি হাসপাতাল ঘুরে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যবরণ করতে হয়েছে। জানা যায়, বুকে হঠাৎ ব্যথা উঠার পরপরই তাকে প্রথমে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলেও সেখানে তাকে ভর্তি না করে ফেরত দেয়া হয়। এরপর তাকে নিয়ে যাওয়া হয় জিইসি এলাকার বেসরকারি মেডিকেল সেন্টারে। সেখানেও তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। পরে পার্কভিউ হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানেও একই অবস্থা পরে বিভিন্ন তদবির করে ভর্তি করা হলেও সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন তিনি। এই ঘঠনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র আজ ম নাছির উদ্দিন। এর আগেও বেশ কয়েকজন ব্যক্তি বিনা চিকিৎসায় কয়েকটি হাসপাতাল ঘুরে মৃত্যবরণ করেছেন। এদিকে চট্টগ্রামে ক্রমান্বয়ে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। বরোনা এবং করোনা উপসর্গ নিয়ে প্রতিদিন মারা যাচ্ছে মানুষ। করোনা টেস্ট, বেড, আইসিইউ ও অক্সিজেনের জন্য এবং ওষুধের জন্য চট্টগ্রাম জুড়ে হাহাকার। লাশ দাপন কারী বিভিন্ন সংস্থার সূত্র মতে, চট্টগ্রামে এই পর্যন্ত আল মানাহিল ফাউন্ডেশন ১৬৫ জন, গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ ১০১ জন, ইসলামিয়া ফাউন্ডেশন ৪২ জন, কোয়াণ্টাম ফাউন্ডেশন ৬৭ জন , এস আই পি এফ মূর্দা সেফা ৬৮ জনের নারী পুরুষের লাশ দাফন করেছেন। অপর দিকে কাট্টলী ফাউন্ডেশনে ৩৫ জন, বৌদ্দ মহাশ্বসান কমিটি চান্দগাওয়ে ২০ জনের সৎকার করেছেন। করোনা এবং করোনা উপসর্গ নিয়ে বিনা চিকিৎসায় সাধারণ মানুষের মৃত্য নিয়ে চট্টগ্রামে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। চট্টগ্রামের চিকিৎসাসেবা কি বিএনপি জামায়াতিদের দখলে? যদি তাই হয় তাহলে রাজনৈতিক অসৎ উদ্যোগে চিকিৎসা সেবা বন্ধ করে দেওয়াটায় স্বাভাবিক। বর্তমান স্বাধীনতার স্বপক্ষের ও জনগনের সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় এই ধরনের পরিস্থিতি চলতে পারে না। যত দ্রুত সম্ভব সরকারের উক্ত পর্যায়ের মন্ত্রীদের সমান্বয়ে কমিটি গঠনের মাধ্যমে চট্টগ্রামের সকল বেসরকারী হাসপাতাল গুলো কারা তদারকি করছেন , কেন চিকিৎসা সেবা বন্ধ তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহন করা প্রয়োজন। নয়ত চট্টগ্রামই হবে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে চিকিৎসা সেবা নিয়ে ষড়যন্ত্রের কেন্দ্রবিন্দু।
আরও ৩,১৯০ করোনা রোগী শনাক্ত, নতুন মৃত্যু ৩৭
১০জুন,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সর্বোচ্চ ৩,১৯০ জন শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৭৪,৮৬৫ জন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সর্বাধিক ৩৭ জনের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১,০১২ জনে। বুধবার (১০ জুন) দুপুরে করোনা ভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে এ তথ্য জানান সংস্থাটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা। তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা সর্বোচ্চ নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১৫,৯৬৩টি। মোট নমুনা পরীক্ষা ৪,৪১,৫৫৮টি। নতুন নমুনা পরীক্ষায় আরও ৩,১৯০ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩৭ জনের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১,০১২ জনে। নাসিমা সুলতানা আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫৬৩ জন সুস্থ হয়েছেন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫,৯০০ জন। করোনা ভাইরাসে মৃত্যু ও আক্রান্তের হিসেব রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (১০ জুন) সকাল পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ১৩ হাজার ৭২৩ জনে। এসময়ের মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৩ লাখ ২৩ হাজার ৮৭২ জনে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রেই আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ২০ লাখ এবং দেশটিতে মারা গেছেন ১ লাখ ১৪ হাজার ১৪৮ জন, যা বিশ্বে সর্বোচ্চ। যুক্তরাষ্ট্রের পর মৃতের দিক থেকে দ্বিতীয় খারাপ অবস্থায় রয়েছে যুক্তরাজ্য। দেশটিতে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০ হাজার ৮৮৩ জনে।
লকডাউন শুরু রাজাবাজারে
১০জুন,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পূর্বঘোষণা অনুযায়ী মঙ্গলবার রাত ১২টার পর থেকে ঢাকার পূর্ব রাজাবাজারে লকডাউন শুরু হয়েছে। স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফরিদুর রহমান খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে, এই লকডাউন চলবে ১৪ দিন। এ কারণে সেখান প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার মানুষকে ঘরবন্দী হয়ে থাকতে হবে। ছোট এই এলাকায় অন্তত ৩১ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। পরীক্ষামূলকভাবে পূর্ব রাজাবাজারে শুরু হলেও এর মধ্য দিয়ে ঢাকায় লাল, হলুদ ও সবুজ এলাকায় ভাগ করে শুরু হচ্ছে এলাকাভিত্তিক ভিন্নমাত্রার লকডাউন (অবরুদ্ধ)। পূর্ব রাজাবাজার এলাকাটি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ২৭ নম্বর ওয়ার্ডে পড়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে ডিএনসিসির অঞ্চল-৫ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুদ হোসেন জানিয়েছিলেন, লকডাউন বাস্তবায়নে সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।ডিএনসিসি পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, লকডাউন চলাকালে পূর্ব রাজাবাজার এলাকার বাসিন্দারা বাইরে যেতে পারবেন না এবং বাইরের মানুষ ভেতরে ঢুকতে পারবেন না। এলাকায় আটটি প্রবেশপথের মধ্যে মাত্র একটি (গ্রিন রোড, আইবিএ হোস্টেলের পাশে) খোলা থাকবে। লকডাউন চলাকালে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য ও চিকিৎসাসামগ্রী অনলাইনের মাধ্যমে কেনা যাবে, যা বাসায় পৌঁছে দেওয়া হবে। এটুআই ও ক্যাব যৌথভাবে এটি পরিচালনা করবে। হোম ডেলিভারির জন্য একদল প্রশিক্ষিত কর্মী থাকবেন। যাঁদের অনলাইন সুবিধা নেই, নগদ অর্থে খাদ্যসামগ্রী কিনতে চান, তাঁদের জন্য নির্ধারিত ভ্যানে শাক-সবজি ও মাছ-মাংস বেচাকেনার সুবিধা থাকবে। এ জন্য ভ্যানচালক ও পণ্যসামগ্রী সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত করে ঢুকতে দেওয়া হবে। কর্মহীন, অসহায় ও দুস্থ মানুষদের তালিকা অনুযায়ী ত্রাণসামগ্রী সরবরাহ করা হবে। রোগীদের জন্য টেলিমেডিসিন সেবা চালু থাকবে। এলাকার নাজনীন স্কুল অ্যান্ড কলেজে কোভিড-১৯ পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহের জন্য বুথ স্থাপন করা হয়েছে। এটি সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হবে। গুরুতর রোগীদের জন্য অ্যাম্বুলেন্স ঢুকতে পারবে। জরুরি সেবার কর্মীরা এলাকায় ঢুকতে পারবেন। থাকবে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা দল। লকডাউন বাস্তবায়নে নাজনীন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ডিএনসিসির ওয়ার্ড কাউন্সিলর, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ঢাকা মহানগর পুলিশ, এটুআই, ই-কমার্স অব বাংলাদেশ (ই ক্যাব) এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থার প্রতিনিধিকে নিয়ে একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থাকবে। প্রয়োজনীয় ফোন নম্বরও থাকছে। এর মধ্যে ত্রাণের জন্য ৩৩৩ নম্বরে ফোন করা যাবে।
অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করলে গাড়ির রেজিস্ট্রেশন ও রুট পারমিট বাতিল
১০জুন,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাস সংত্রমণ পরিস্থিতিতে গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি না মানলে এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করলে গাড়ির রেজিস্ট্রেশন ও রুট পারমিট বাতিল করতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চেয়ারম্যানের কাছে মন্ত্রণালয়ের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ থেকে এই নির্দেশনা দিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠি বলা হয়, করোনা ভাইরাসে সৃষ্ট পরিস্থিতির কারণে সরকার কতিপয় শর্ত সাপেক্ষে সীমিত আকারে গণপরিবহন চালু করেছে। সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে কতিপয় গণপরিবহন কর্তৃক স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে মর্মে প্রচার হচ্ছে। স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা যা সরকারি নির্দেশনা ও সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।এমতাবস্থায় যেসব গণপরিবহন স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে তাদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার পাশাপাশি সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারা/প্রচলিত বিধি-বিধান অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশন ও রুট পারমিট বাতিল করে বিআরটিএ চেয়ারম্যানকে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগকে জানাতে বলা হয়েছে নির্দেশনায়। এর আগে গত ৩১শে মে করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন পরিচালনার জন্য ভাড়া ৬০ শতাংশ বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ।

জাতীয় পাতার আরো খবর