বুধবার, এপ্রিল ৮, ২০২০
সন্ত্রাসবাদ দমনে ধারাবাহিকভাবে উন্নতি করছে বাংলাদেশ
২২ফেব্রুয়ারী,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শনিবার সকালে কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম জাতীয় প্রেসক্লাবে ,উগ্রবাদ রোধে গণমাধ্যমের ভূমিকা, শীর্ষক সেমিনারে এ আহ্বান জানান।। সময় টিভি মনিরুল ইসলাম জানান, উগ্রবাদীরা যেন নায়ক হিসেবে উপস্থাপিত না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্সে সন্ত্রাসবাদের ঝুঁকি থেকে ছয় ধাপ কমে বাংলাদেশ ৩১ নম্বরে এসেছে। গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্স (জিটিআই) হলো প্রতি বছর ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস (আইইপি) দ্বারা প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন। সূচিটি ২০০০ সাল থেকে সন্ত্রাসবাদের মূল বৈশ্বিক প্রবণতা এবং নিদর্শনগুলোর একটি বিস্তৃত সংক্ষিপ্তসার সরবরাহ করে। গত বছরের নভেম্বরে সিডনিভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিসের (আইইপি) বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচক-২০১৯ প্রকাশিত হয়। ২৩টি গুণগত ও পরিমাণগত নির্দেশকের ভিত্তিতে বিশ্বের ১৬৩টি দেশের পরিস্থিতি নিয়ে তৈরি করেছে বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচক-২০১৯। এসব দেশের জনসংখ্যা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৯৯ দশমিক ৭ শতাংশ বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। এ প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অবস্থান ছয় ধাপ নেমে হয় ৩১তম। স্কোর ৫.২০৮। অর্থাৎ এ দেশে সন্ত্রাসবাদের প্রভাব মাঝারি মাত্রার। ২০১৮ সালের সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ২৫তম। এর আগের বছর বাংলাদেশ ছিল ২১তম। অর্থাৎ সন্ত্রাসবাদ দমনে ধারাবাহিকভাবে উন্নতি করছে বাংলাদেশ। সব মিলিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে এবার বাংলাদেশের অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি। দক্ষিণ এশিয়ার সন্ত্রাসবাদ পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রতিবেদনে বলা হয়, এই অঞ্চলের মালদ্বীপ বাদে বাকি সাত দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ। বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে নেপাল (বৈশ্বিক তালিকায় ৩৪তম), শ্রীলঙ্কা (৫৫তম) ও ভুটান (১৩৭তম)। এই অঞ্চলে আফগানিস্তান বাদে বাকি ছয় দেশ ২০১৮ সালে সন্ত্রাসবাদ পরিস্থিতিতে উন্নতি করেছে। এই ছয় দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অগ্রগতি হয়েছে বাংলাদেশের।
গুটি কয়েক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের হাতে জিম্মি দেশের ব্যাংকিং খাত
২২ফেব্রুয়ারী,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) জানিয়েছে, দেশে বর্তমানে ঋণ খেলাপির পরিমাণ ১ লাখ ১৬ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা। ব্যাংকখাতে খেলাপি ঋণের অর্ধেকই সরকারি ব্যাংকগুলোর। ব্যাংকিং কমিশন গঠন প্রস্তাবের প্রতিক্রিয়ায় আজ এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য প্রকাশ করে সিপিডি। গত বুধবার অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ব্যাংকিং কমিশন গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছিলেন। তারই প্রেক্ষিতে আজ এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সিপিডির বিশেষ ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, গুটি কয়েক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের হাতে জিম্মি দেশের ব্যাংকিং খাত। তিনি বলেন, আমরা নাগরিকরা অসহায় আতঙ্ক নিয়ে একটা ভয়ংকর ভঙ্গুর পরিস্থিতির দিকে তাকিয়ে আছি। এই পরিস্থিতির বিভিন্ন সূচক আপনারা ইতিমধ্যেই জানেন। এটা শুধু মন্দঋণের বিষয় নয়। শত প্রতিশ্রুতির পরও মন্দঋণ অব্যাহত রয়েছে। এর নিচে লুকিয়ে রয়েছে আরও গল্প। প্রতিটি ব্যাংকের এখন পুঁজির ঘাটতি, সঞ্চিতির ঘাটতি, তাদের প্রকৃত বাণিজ্যিক লাভজনকতার ঘাটতি। এখন ব্যাংকে মানুষের টাকা রাখার পরিমাণ ক্রমাণ্বয়ে কমে যাচ্ছে। এর সঙ্গে সুদের সমস্যা আছে, জমার ক্ষেত্রে সুদের সমস্যা আছে। কি হারে, কোন সুদে টাকা বিনিয়োগ করবো, তাতে সমস্যা আছে। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয়ভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে যে সমস্ত সুবিবেচিত নীতিমালা দেয়া হয়েছে, তার প্রকাশ্য বরখেলাপ ঘটছে। এই বরখেলাপগুলি কোনো কোনো ক্ষেত্রে বেআইনি কার্যকলাপে পরিণত হচ্ছে। যার ফলে দুদকের মতো প্রতিষ্ঠানকেও এখানে যুক্ত হতে হচ্ছে। ড. দেবপ্রিয় আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এই যে ব্যাপারগুলো আমরা দেখছি, শুনছি এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের কাগজ থেকে দেখছি- গুটিকয় ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের হাতে ব্যাংকিং সেক্টর জিম্মি হয়ে গেছে। এই পরিস্থতি যখন বিকাশ লাভ করছিল, তখন আজ থেকে ৮ বছর আগে হলমার্ক কেলেংকারির সময় থেকে আমরা এ কথা বলে আসছি। তিনি বলেন, এখন এ ব্যাপারে যখন কিছু অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে, তখন আমরা এতে অত্যন্ত খুশি, প্রীত এবং সন্তুষ্ট। আমরা জেনে উৎসাহিত বোধ করেছি, এই ব্যাংকিং কমিশন গঠনের সর্বোচ্চ রাজনৈতিক পর্যায় থেকে আশীর্বাদ এসেছে, সম্মতি এসেছে। এবং আমরা মনে করি অত্যন্ত বিচক্ষণ একটি সিদ্ধান্ত হিসেবে আমাদের সামনে এসেছে। ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ব্যাংকিং কমিশনের মেয়াদ হওয়া উচিত সাময়িক। সমস্যা চিহ্নিত করার পর সমাধানের উপায় নির্ধারণ করে ৩ থেকে ৪ মাসের মধ্যে সুপারিশ দেবে কমিশন। এই কমিশন সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে, কারা দায়ী তা চিহ্নিত করে এসব সংকট উত্তরণের উপায় নির্ধারণের করবে। ব্যাংকিং কমিশন গঠন হবে একটা অভুতপুর্ব সুযোগ। রাজনৈতিক দূরদর্শিতা। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বাক ফেরানোর সুযোগ আসতে পারে এতে। তিনি আরো বলেন, ব্যাংকিং কমিশন শুধু ব্যাংকগুলোকে দেখবে না, সরকার যে ব্যাংক থেকে ঋণ নিচ্ছে তাও দেখবে। এছাড়া ব্যাংকের টাকা বিদেশে পাচার হচ্ছে কি না সে বিষয়েও প্রতিবেদন দেবে।
শিক্ষক নিয়োগে ফের তোলপাড়
২২ফেব্রুয়ারী,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মকর্তাদের বাদ দিয়ে সারাদেশের মাদাসায় শিক্ষক নিয়োগে জেলা প্রশাসক ও ইউএনওদের প্রতিনিধি করার এক আদেশ নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। মাদরাসা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) পদে বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারকে বাদ দেয়ায় সৃষ্ট অসন্তোষের মধ্যেই বৃহস্পতিবার অধিদপ্তরের জারি করা আদেশ নিয়ে অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে শিক্ষকদের মাঝে। মাদরাসা ও সাধারণ শিক্ষায় সক্রিয় শিক্ষক সংগঠনগুলো তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে আদেশ প্রত্যাহার করে শিক্ষক ও শিক্ষা প্রশাসনের ক্ষমতা পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছে। অন্যথায় লাগাতার কর্মসূচীর ডাক দেয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষক নেতারা। এদিকে অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা আদেশ নিয়ে খোলামেলা কথা বলতে রাজি না হলেও কর্মকর্তাদের অনেকেই বলছেন, এ আদেশে তারা করেছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে। তবে সরকার সমর্থক শিক্ষক সংগঠনের নেতারাও শিক্ষকদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার এমন আদেশ প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, এটা ভেবে-চিন্তে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অন্যথায় এ ঘটনায় অসন্তোষ সৃষ্টি হলে তার সুযোগ নেবে অনেকেই। যা সঙ্কটের কারণ হতে পারে। তাই এমন কিছু করা যাবে না যা সরকারকে বিব্রত করবে। অন্যদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ডিজির পদে বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের বাইরে গিয়ে নিয়োগ দেয়ার পর থেকেই অসন্তোষ বেড়েছে। অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠার আগে মাদরাসা শিক্ষা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি শাখা। আর অধিদপ্তরের মহাপরিচালক পদে সব সময় আছেন বিসিএস ক্যাডারের শিক্ষকরাই। ফলে নিয়োগে ডিজির প্রতিনিধিও রাখা হয় সরকারী কলেজর শিক্ষক কিংবা শিক্ষা প্রশাসনের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের। কিন্তু মাদরাসা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠার পরই এ পদে নিয়োগ পান শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন ক্যাডারের সদস্য। গত ১ বছর আগে যুদ্ধাপরাধী জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাইদীর এক আত্মীয়র সঙ্গে গোপন বৈঠকের ঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টির মধ্যেই বিদায় নিতে হয় মহাপরিচালকদের। সেখানে আবার নিয়োগ পান শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আরেক কর্মকর্তা। এখন ডিজি হিসেবে আছেন অতিরিক্ত সচিব সফিউদ্দিন আহমদ। এসব ঘটনায় সৃষ্ট অসন্তোষের মধ্যেই মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রমে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা প্রশাসককে সরকারী প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ দেয়ার আদেশ জারি করেছে অধিদপ্তর। মহাপরিচালক সফিউদ্দিন আহমদ স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়েছে, মাদরাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগে মহাপরিচালকের (ডিজি) প্রতিনিধি হিসেবে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক ও উপজেলা প্রশাসককে মনোনয়ন দেয়া হবে বা তারা অন্য প্রতিনিধি দেবেন। পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসায় শিক্ষক-কর্মচারীসহ সকল পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে এ নির্দেশনা প্রযোজ্য বলে গণ্য হবে। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করারও নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে। এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাদরাসা বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, মাদরাসার শীর্ষ পদ দুটিতে নিয়োগ দিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ একটি গ্রম্নপ নানা ধরনের বাণিজ্যে লিপ্ত হয়। এর সঙ্গে যুক্ত হয় মাদরাসা অধিদপ্তরের একটি সিন্ডিকেট। অর্থের বিনিময়ে অযোগ্য প্রার্থীকে নিয়োগ পাইয়ে দিতে স্থানীয় ও অধিদপ্তরের একটি বলয় তৈরি করে। কখনো স্থানীয় বিষয়াদি না জেনেই হঠাৎ করে একজন প্রার্থীকে বাদ দিয়ে দেন অধিদপ্তরের প্রতিনিধি। এছাড়া মাদরাসা অধিদপ্তরের শিক্ষা ক্যাডারের একজন উপ-পরিচালক এবং একজন সহকারী পরিচালক মিলে সব নিয়োগ কমিটি যান। সারাদেশ থেকে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসার পর উপ-পরিচালককে বদলি করলেও অদৃশ্য কারণে এখনও রয়েছেন অধিদপ্তরে। নানা চেষ্টায় এ বলয় ভাঙাতে না পেরে ডিসি-ইউএনওদের মাধ্যমে অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ নিয়োগ দিতে উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাদরাসা ও কারিগরি বিভাগ। কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব মুনসী শাহাবুদ্দীন আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মাদরাসা অধিপ্তরের কর্মকর্তা নাই বললেই চলে। এজন্য স্থানীয় প্রশাসন দিয়ে মাদরাসার প্রিন্সিপাল ও সুপার, ভাইস প্রিন্সিপাল নিয়োগ কমিটিতে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা থাকবে। জেলা পর্যায়ে ডিসির এবং উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতিনিধি থাকবে। এর ফলে নিয়োগ প্রক্রিয়ার জটিলতা কমার পাশাপাশি আরও স্বচ্ছতা আসবে বলে আমরা মনে করেছি। তাই অধিদপ্তরকে এ নির্দেশনা দিয়েছি। অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের নিয়োগ সিন্ডিকেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অধিদপ্তরের কারও বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ উঠেছে বলেই আমরা স্বচ্ছতা চাচ্ছি। এ বিষয়ে মাদরাসা শিক্ষকদের সবচেয়ে বড় সংগঠন বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেসীনের মহাসচিব সাব্বির আহমেদ মমতাজী আদেশের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছেন, সারাদেশের শিক্ষক ও শিক্ষা প্রশাসনকে মর্যাদা ও কর্তৃত্ব শূন্য করার এটা একটা উদ্যোগ। আমরা এ সিদ্ধান্ত কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য মনে করি না। মাউশি অধিদপ্তরের ডিজি শিক্ষক তাই সেখানে শিক্ষক ও শিক্ষা প্রশাসনকে মর্যাদা দেয়া হচ্ছে। কিন্তু মাদরাসার জিডি শিক্ষা ক্যাডারের নয় বলেই তার কারণেই এ ধরনের হটকারী সিদ্ধান্ত এসেছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা অবশ্যই এটা মানব না। আমরা বহুবার দেখা করে বলেছি শিক্ষা প্রশাসনের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে নিয়োগ কমিটি করার জন্য। কিন্তু তা না করে এখন উল্টো যে কাজটা অধিদপ্তর করেছে তাতে সারাদেশে অসন্তোষ হবে। শিক্ষার ক্ষতি হবে। তাই এটা অবিলম্বে প্রত্যাহার করা উচিত। এদিকে স্বাধীনতা শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ সাজাহান আলম সাজু বলেছেন, এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি। অন্যথায় সমস্যা বাড়তে পারে। তাছাড়া এতে নিয়োগে যে অনিয়ম দুর্নীতি বাড়বে না তার নিশ্চয়তা কে দেবে। তাই হুট করে এটা করা কোনভাবেই উচিত নয়।- আলোকিত বাংলাদেশ
বাবার প্রতিকৃতির সামনে প্রধানমন্ত্রীর সেলফি
২২ফেব্রুয়ারী,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে আয়োজিত প্রদর্শনী ঘুরে দেখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালায় লাইটিং দ্য ফায়ার অব ফ্রিডম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিরোনামে এই প্রদর্শনী চলছে। শুক্রবার বিকালে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ভাষা দিবসের আলোচনা সভা শেষে প্রধানমন্ত্রী শিল্পকলা একাডেমির এই প্রদর্শনী দেখতে যান। এ সময় বোন শেখ রেহানা ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ হোসেন তার সঙ্গে ছিলেন। প্রদর্শনীতে এসে বিভিন্ন চিত্রকর্ম ও আলোকচিত্র দেখার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতির সামনে দাঁড়িয়ে বোন রেহানা ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদকে নিয়ে সেলফি তোলেন। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব এম এম ইমরুল কায়েস রানা এ তথ্য জানিয়েছেন। আওয়ামী লীগের গবেষণা উইং সিআরআইয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রদর্শনী দেখার সময় চিত্রকর্মগুলো নিয়ে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী রবীন্দ্র সঙ্গীত নিষিদ্ধ করার পর সে সময় পত্রিকায় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন প্রদর্শনীতে দেখে সরাসরি আন্দোলনে অংশ নেওয়ার স্মৃতিচারণ করেন তিনি। এসময় শেখ হাসিনা জানান, তাদের আন্দোলন অংশ নেয়ার ছবি পত্রিকায় প্রকাশিত হলে কয়েক দিন বাসা থেকে বের হতে দিতেন না মা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব। প্রদর্শনীতে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের ভিডিও দেখানো হচ্ছে। সেখানে এসে অনেকটা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। একে অপরের হাত ধরে সম্পূর্ণ ভাষণ শোনেন তারা। সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন-সিআরআইয়ের সহযোগিতায় গত ৭ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি সিসমিক মুভমেন্ট নিয়ে শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজন করা হয় ঢাকা আর্ট সামিট। মুজিববর্ষের অংশ হিসেবে এই আয়োজনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে রাখা হয় বিশেষ প্রদর্শনী লাইটিং দি ফায়ার অব ফ্রিডম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ঢাকা আর্ট সামিট শেষ হয়ে গেলেও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আয়োজিত এই প্রদর্শনী সাধারণ দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত থাকছে ৩১ মার্চ পর্যন্ত।
চলতি সপ্তাহে ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা
২২ফেব্রুয়ারী,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশের অধিকাংশ এলাকায় মৌসুমের প্রথম বৃষ্টি হতে পারে। এ বৃষ্টি পরবর্তী তিন দিন পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দেশের কোনও কোনও স্থানে বৃষ্টিপাত হতে পারে। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানতঃ শুষ্ক থাকতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আজ শনিবার সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে। গতকাল শুক্রবার দেশের কোথাও বৃষ্টিপাত হয়নি। এ দিন দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল কক্সবাজারে ৩৩ দশমিক ০ এবং সর্বনিম্ন ছিল মৌলভীবাজারে ১১ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকা তাপমাত্রা ছিল ৩০ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল সন্ধ্যায় ঢাকার বাতাস উত্তর-পশ্চিম ও উত্তর দিকে ঘণ্টায় ৬ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বয়ে যায়। বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৫৩ শতাংশ। আজ শনিবার ঢাকায় সূর্যোদয় হয়েছে ভোর ৬টা ২৭ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৫টা ৫৮ মিনিটে।
ইংরেজী উচ্চারণে যারা বাংলা বলে তাদের সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী
২১ ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুদ্ধভাবে বাংলা ভাষা চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করে যারা এদেশে জন্মেও ইংরেজী উচ্চারণে বাংলা বলে তাদের কঠোর সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মাটিতে থেকে যারা বাংলা ভাষা ভুলে গিয়ে বাংলা ভাষার মতো বাংলা বলতে পারে না, ইংরেজী অ্যাকসেন্টে কথা বলে, তাদের প্রতি করুণা করা ছাড়া আর কিছুই বলার নেই। প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বরং তাঁর নিজের দেশের নিজের গ্রামের মানুষের মতো কথা বলতেইতো বেশি স্বাচ্ছন্দ্য। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বিকেলে রাজধানীর সেগুন বাগিচাস্থ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে অমর একুশে ফেব্রুয়ারী এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে চার দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেক ছেলে-মেয়ে বাংলা ভাষায় কথা বা নিজের এলাকার কথা বলাটা (আঞ্চলিক ভাষা) ভুলে গিয়ে কেমন যেন ইংরেজী অ্যাকসেন্টে বাংলা বলার চেষ্টা করে। মনে হচ্ছে বাংলা বলতে খুব কষ্ট হচ্ছে। যারা এই দেশেই লেখাপড়া শিখেছে। তিনি এ সময় ৭৫ সালে জাতির পিতার হত্যাকান্ডকে সমগ্র জাতির মতো তাঁদের ব্যক্তি জীবনের দুর্ভাগ্য উল্লেখ করে বলেন, জাতির পিতা হত্যাকান্ডের পর দেশে আসতে না পারায় তাঁদের ছেলে-মেয়েদের বিদেশে থেকে বিদেশের স্কুলে পড়তে হলেও তাঁরা দুই বোন (শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা) সবসময় চেষ্টা করেছেন তাঁদের ছেলে মেয়েরা যেন সঠিকভাবে বাংলা বলতে পারে। শেখ হাসিনা বলেন, আমি ও রেহানা সবসময়ই ছেলে-মেয়েদের বাংলা শেখাবার চেষ্টা করেছি এবং ঘরে বাংলায় কথা বলেছি। কারণ বাংলা ভাষাটা শিখতে হবে। নিজেও ভালভাবে কথা বলার ক্ষেত্রে গোপালগঞ্জ এবং ঢাকার ভাষা মিলিয়েই কথা বলে থাকেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, যেহেতু ছোটবেলায় ঢাকায় চলে এসেছি সেই ভাষার একটা প্রভাব, আর টুঙ্গীপাড়ায় জন্মেছি তাঁর একটা প্রভাব-সব মিলিয়েই বলি, যার মধ্যে কোন লজ্জা নেই। বন্ধবন্ধু কন্যা জাতির পিতার ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, জাতির পিতা সেই ভাষণে গোপালগঞ্জের শব্দ বলে গেছেন অকাতরে যা মানুষের ভেতর একটা আবেদন সৃষ্টি করেছিল। ‘জাতির পিতা দ্রুত মানুষের হৃদয়ে, মানুষের কাছে পৌঁছাতে পেরেছিলেন। মানুষের কথা বলতে পেরেছিলেন। সেটাই সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ। যে কারণে তিনি যে নির্দেশ দিয়েছেন বাংলাদেশের মানুষ সেটা কিন্তু গ্রহণ করেছে,’ যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর ভাষণে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনষ্টিটিউটে একটি ট্রাষ্ট ফান্ড গঠন করে সেখান থেকে ফেলোশিপ প্রদানেও তাঁর সরকারের উদ্যোগ গ্রহণের কথা জানান। যাতে সরকার পরিবর্তন হলেও এটি আর কেউ বন্ধ করতে না পারে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা.দীপু মনি। শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী এবং হেড অব দ্যা অফিস এন্ড ইউনেস্কো রিপ্রেজেন্টেটিভ মিজ বিয়ট্রিজ কালডুন বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন। রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতার সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. পবিত্র সরকার অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন স্বাগত বক্তৃতা করেন এবং আন্তজাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। আন্তজাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে বিশ্বের সকল মাতৃভাষা সংরক্ষণের উদ্যোগ গ্রহন করায় বিভিন্ন দেশের কোমলমতি শিশুরা নিজস্ব মাতৃভাষায় অনুভূতি ব্যক্ত করে অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে শেখ রেহানা, অটিজম ও নিউরোডেভেলপমেন্ট ডিজর্ডার বিষয়ক জাতীয় উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারপার্সন এবং প্রধানমন্ত্রীর কন্যা অটিজম আন্দোলনের অগ্রপথিক সায়মা ওয়াজেদ হোসেন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া, মন্ত্রি পরিষদ সদস্যবৃন্দ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাগণ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, সরকারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিদেশি কূটনীতিক এবং মিশন প্রধানসহ উন্নয়ন সহযোগি সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ,একুশে পদক বিজয়ী, কবি, সাহিত্যিক, লেখক, শিল্পী, সাংবাদিক এবং আমন্ত্রিত অতিথিগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সমবেত কন্ঠে সকলের অংশগ্রহণে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুরু হয় এবং এরপরই অমর একুশের গান আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারি বাজানো হয়। শহীদদের স্মরণে সকলে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করেন। এরআগে প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনষ্টিটিউটে পৌঁছেইএর সম্মুখ দেওয়ালে জাতির পিতার একটি ম্যুরাল উন্মোচন করেন। প্রধানমন্ত্রীর অ্যাসাইমেন্ট অফিসার আরিফুজ্জামান নূরুন্নবী যার ভাস্কর। এছাড়া, প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের আন্তর্জাতিক ধ্বনিমূলক বর্ণমালায় (ইন্টারন্যাশনাল ফোনেটিক অ্যালফাবেট-আইপিএ) লিপান্তর এবং ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের ভাষণ ইশারা ভাষায় ও ব্রেইল লিখন-বিধিতে প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন করেন। অনুষ্ঠানের শেষে প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনষ্টিউট ভবনে স্থাপিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় কমিটির কার্যালয় পরিদর্শন করেন।বাসস
বিএনপি গণমানুষের রাজনীতি করতে ব্যর্থ হয়েছে
২১ ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:বিএনপি গণমানুষের রাজনীতি করতে ব্যর্থ হয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। আজ শুক্রবার একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ভাষা শহীদদের প্রতি পুষ্পিত শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ কথা বলেন। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আজকের এই দিনে আমাদের অঙ্গীকার এই দেশকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশে পরিণত করা। তিনি বলেন, বাংলাকে জাতিসংঘের অন্যতম দাপ্তরিক ভাষা করাও সরকারের লক্ষ্য। ‘সরকার ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধকে লুণ্ঠিত করে একদলীয় শাসন কায়েম করেছে’ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিকদের বলেন, আলমগীর সাহেব সবসময় এমন কথা বলেন। কিন্তু, বিএনপি গণমানুষের রাজনীতি করতে ব্যর্থ হয়েছে। তাদের নেত্রীর মুক্তি নিয়েই শুধু কথা বলে তারা। মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, এগারো বছর ধরে তাদের আন্দোলন দেখছি, গণমানুষের দাবি নিয়ে তো তাদের কোনো কর্মসূচি নেই। অথচ, বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির একটিই পথ আইনি পথ। আর তাদের নেত্রী বেগম জিয়া বাংলা ভাষাকে কতটুকু ধারণ করেন সেটাই হচ্ছে প্রশ্ন। তার (খালেদা জিয়া) মেট্রিকের রেজাল্ট উর্দুতে পাস ও বাংলায় ফেল। শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের এসময় আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন ও আফজাল হোসেন, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। পুষ্পার্পণ শেষে শহীদদের আত্মার শান্তি কামনায় প্রার্থনা করেন তারা।
বাংলাদেশে ইউএনডিপির ফান্ডের যথাযথ ব্যবহার করা হয়
২১ ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:উন্নয়নশীল দেশের জন্য উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও সংস্থা প্রতি বছর ব্যয় করে প্রায় ১৫৬ বিলিয়ন ডলার। এলডিসিভূক্ত ৪৮টি দেশের জন্য ব্যয় করে প্রায় ৩৮ বিলিয়ন ডলার যা এসডিজি অর্জনে প্রয়োজনের তুলনায় প্রায় ৮ শতাংশ। এসডিজির লক্ষ্য অর্জনে বেসরকারি খাত, এনজিওসহ দেশী-বিদেশী অংশীদারিত্ব চায় সরকার।শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার একটি হোটেলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন উপলক্ষে ইউএনডিপি আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। আব্দুল মোমেন বলেন, বাংলাদেশের মোট জনগোষ্ঠীর ৭০ ভাগ যুবক। তাদেরকে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করতে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে কাজের সুযোগ করে দিতে চায় সরকার। বাংলাদেশে প্রায় ছয় লাখ আইটি ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করছে। বাংলাদেশের শিক্ষিত যুবসমাজের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধিতে ইউএনডিপির সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে ইউএনডিপির ফান্ডের যথাযথ ব্যবহার করা হয়।
ভাষা সৈনিকদের শ্রদ্ধা জানাতে শহীদ মিনার এলাকায় মানুষের ঢল
২১ ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:যথাযথ মর্যাদায় পালিত হচ্ছে মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরেই প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পর্যায়ক্রমে জাতীয় সংসদের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার এবং আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। তবে ভোর থেকেই সর্বস্তরের মানুষের জন্য খুলে দেয়া হয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গন। দিনের আলো দেখা দিতেই শহীদ মিনার এলাকায় নামের মানুষের ঢল। ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এলাকার শহীদ মিনার অভিমুখী রাস্তায় দেখা যায় মানুষের মিছিল। নীলক্ষেত, আজিমপুর কবরস্থান থেকে পলাশী হয়ে মানুষের দীর্ঘ লাইন চলে গেছে শহীদ মিনারের পাদদেশে। শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে দোয়েল চত্বর ও টিএসসি ক্রসিং দিয়ে বের হচ্ছেন শ্রদ্ধা নিবেদনকারীরা। ঢাকা শহরের নানান প্রান্তের বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ও সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে প্রভাতফেরীতে অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়। অনেকে কালো ব্যাজ ধারণ করে বাসা থেকে খালি পায়ে শহীদ মিনারে এসেছেন ভাষা সৈনিকদের শ্রদ্ধা জানাতে।

জাতীয় পাতার আরো খবর