বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৯, ২০২০
৭ মার্চকে জাতীয় দিবস ঘোষণা হাইকোর্টের
২৫ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণকে জাতীয় ঐতিহাসিক দিবস ঘোষণা করে আগামি ১ মাসের মধ্যে গেজেট নোটিফিকেশন জারির নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আজ মঙ্গলবার বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের বেঞ্চ এ আদেশ দেন। পাশাপাশি প্রত্যক জেলা উপজেলায় মুজিববর্ষের মধ্যেই বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি যথাযথ স্থানে স্থাপনের নির্দেশ দেন আদালত। আগামি এক মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের এ বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। আদালত পাঠ্যবইয়ে ৭ই মার্চের ইতিহাস কেন অন্তর্ভুক্ত করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে। এ সংক্রান্ত হাইকোর্টের ২০০৯ সালের আদেশ কেন বাস্তবায়ন করা হয়নি সে বিষয়ে আগামি ১ মাসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে মন্ত্রী পরিষদ সচিবকে নির্দেশ দেন আদালত।
বিসমিল্লাহ গ্রুপের এমডিসহ ৭ জনকে ধরতে রেড অ্যালার্ট
২৫ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিসমিল্লাহ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) খাজা সোলেমান আনোয়ার চৌধুরী ও তার স্ত্রী গ্রুপটির চেয়ারম্যান নওরীন হাবিবসহ অর্থ পাচার মামলার ৭ পলাতক আসামিকে ধরতে রেড অ্যালার্ট জারি করেছেন হাইকোর্ট। মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) এই অ্যালার্ট জারি করেন বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ। এছাড়া এ বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা আগামী ৫ এপ্রিল আদালতকে জানাতে পুলিশের আইজিপি ও Rabর ডিজিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অর্থ পাচার মামলায় বিসমিল্লাহ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) খাজা সোলেমান আনোয়ার চৌধুরী, তাঁর স্ত্রী ও গ্রুপের চেয়ারম্যান নওরীন হাবিবসহ নয়জনকে ১০ বছর করে কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। কারাদণ্ডের পাশাপাশি আসামিদের ৩০ কোটি ৬৭ লাখ ২৩ হাজার ৩৭৩ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। দণ্ডিত অপর আসামিরা হলেন- বিসমিল্লাহ গ্রুপের পরিচালক ও খাজা সোলেমানের বাবা সফিকুল আনোয়ার চৌধুরী, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক আকবর আজিজ মুতাক্কি, মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আবুল হোসেন চৌধুরী, ব্যবস্থাপক রিয়াজউদ্দিন আহম্মেদ, নেটওয়ার্ক ফ্রেইট সিস্টেম লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. আক্তার হোসেন এবং জনতা ব্যাংকের কর্মকর্তা মোস্তাক আহমদ খান এবং এস এম শোয়েব-উল-কবীর। প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের নভেম্বর মাসে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আসামিদের বিরুদ্ধে এ মামলা করে। পরে তদন্ত শেষে নয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিলে আদালত আমলে নিয়ে ২০১৬ সালে বিচার শুরু করেন। দুদকের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন মোশাররফ হোসেন কাজল।
সালমান শাহর মৃত্যুর পিবিআইয়ের চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে
২৫ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতের ডেসপাস শাখায় এ প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়। ৬০০ পৃষ্টার প্রতিবেদনটি আদালতে জমা দেন পিবিআইয়ের পুলিশ পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম। ডেসপাস শাখার ইনচার্জ উপপরিদর্শক আবুল হাসান ভূইয়া ও সহকারী উপ পরিদর্শক হেলাল উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এরআগে গতকাল সোমবার আলোচিত এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন তুলে ধরেন পিবিআইর প্রধান ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার। পিবিআইর এ প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান শাহ হত্যাকান্ডের শিকার হননি, তিনি পারিবারিক কলহের জেরে আত্মহত্যা করেছিলেন। পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদার বলেন, পিবিআইর তদন্ত কালে ঘটনার সময় উপস্থিত ও ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ৪৪ জন সাক্ষীর জবানবন্দি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারায় এবং ১০ জনের সাক্ষ্য ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় লিপিবদ্ধ করা হয়। পাশাপাশি ঘটনা সংশ্লিষ্ট আলামত জব্দ করা হয়। এসব বিষয় পর্যালোচনায় দেখা যাচ্ছে, চিত্রনায়ক সালমান শাহ পারিবারিক কলহের জেরে আত্মহত্যা করেছেন। হত্যার অভিযোগের কোনো প্রমাণ মেলেনি বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। পিবিআইর তদন্ত প্রতিবেদনে সালমান শাহের আত্মহত্যার পাঁচটি কারণ উল্লেখ করা হয়েছে। সেগুলো হলো- চিত্রনায়িকা শাবনূরের সঙ্গে সালমানের অতিরিক্ত অন্তরঙ্গতা, স্ত্রী সামিরার সাথে দাম্পত্য কলহ, মাত্রাধিক আবেগপ্রবণতার কারণে একাধিকবার আত্মঘাতী বা আত্মহত্যার চেষ্টা, মায়ের প্রতি অসীম ভালোবাসা জটিল সম্পর্কের বেড়াজালে পড়ে পুঞ্জীভূত অভিমানে রূপ নেয়া এবং সন্তান না হওয়ায় দাম্পত্য জীবনে অপূর্ণতা। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান চিত্রনায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার (ইমন) ওরফে সালমান শাহ। ওই ঘটনায় তখন অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেন তার বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী (প্রয়াত)। পরে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ করে মামলাটিকে হত্যা মামলায় রূপান্তরিত করার আবেদন জানান তিনি। অপমৃত্যু মামলার সঙ্গে হত্যাকান্ডের অভিযোগের বিষয়টি একসঙ্গে তদন্ত করতে অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) নির্দেশ দেন আদালত। পরে বিভিন্ন সংস্থার তদন্ত শেষে পিবিআইকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়।
মুজিব বর্ষে ৩০০ আসনে বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্প
২৫ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী মুজিব বর্ষ উপলক্ষে দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনে একযোগে বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্প বসানো হবে। ২০২১ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি এই ক্যাম্পের আয়োজন করা হবে। এছাড়া আগামী ২৪ মার্চ রাজধানীতে সাইকেল Railly সহ জাতীয় সংসদের পক্ষ থেকে বিশেষ স্বাস্থ্য সচেতনতা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছে মুজিববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে গঠিত জাতীয় সংসদের স্বাস্থ্যসেবা উপকমিটি। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন স্বাস্থ্যসেবা উপকমিটির সভাপতি ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. আ ফ ম রুহুল হক। উপস্থিত ছিলেন কমিটির সদস্য ডা. হাবিবে মিল্লাত, ডা. মনসুর রহমান, ডা. রুস্তম আলী ফরাজী, ডা. নাসির উদ্দিন, ডা. জাকিয়া নুর ও ডা. আব্দুল আজিজ এবং সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা। লিখিত বক্তব্যে ডা. রুহুল হক বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবাষিকী উপলক্ষে 'সুস্থ সবল জাতি গড়ি, মুজিব বর্ষ পালিন করি' শিরোনামে সাইকেল Rillyর আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্যসেবা উপকমিটির পক্ষ থেকে আগামী ৫ নভেম্বর মানিকমিয়া এভিনিউতে ম্যারাথন দৌড়, ১৮ ডিসেম্বর থেকে ২৭ ডিসেম্বর সংসদ চত্বরে ১০ দিনব্যাপী বিশেষ স্বাস্থ্যমেলা এবং আগামী বছর অর্থাৎ ২০২১ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ৩০০টি সংসদীয় আসনে বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে। ক্যাম্পে বিভিন্ন রোগের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে প্রায় পাঁচ লাখের অধিক মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
পিলখানা হত্যাকাণ্ডের এগারো বছর
২৫ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিডিআর বিদ্রোহ ও হত্যাযজ্ঞের ১১ বছর পূর্ণ হলো আজ। ২০০৯ সালে তৎকালীন বিডিআর সদস্যদের বিদ্রোহে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে হত্যা করা হয়। আবারও ফিরে এসেছে শোকাবহ সেই ২৫ ফেব্রুয়ারি, দেশের ইতিহাসের কলঙ্কময় এক অধ্যায়। ২০০৯ সালের আজকের এই দিনে পিলখানায় বিডিআর সদর দফতরে (বর্তমান বিজিবি) ঘটে মর্মান্তিক ও নৃশংস এক ঘটনা। পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় সরকারিভাবে এ দিনটিকে পিলখানা হত্যা দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ২০০৯ সালের ওইদিন সকাল ৯টা ২৭ মিনিটে বিডিআর দরবার হলে চলমান বার্ষিক (দরবার) নির্ধারিত সভায় একদল বিদ্রোহী বিডিআর সৈনিক তাদের মহাপরিচালকের বুকে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে মহাপরিচালকসহ সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের হত্যা ও তাদের পরিবারকে জিম্মি করে। পিলখানার চারটি মূল ফটকই নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আশপাশের এলাকায় গুলি ছুড়তে থাকে। জন্ম নেয় ইতিহাসের এক বীভৎস ঘটনার। টানা ৩৬ ঘণ্টা পর এ বিদ্রোহের অবসান ঘটলেও ততক্ষণে বিদ্রোহী সৈনিকরা কেড়ে নেন ৫৭ জন দক্ষ সেনা কর্মকর্তার জীবন। পিলখানা পরিণত হয় এক রক্তাক্ত প্রান্তরে। ঘটনার পর পিলখানায় আবিষ্কৃত হয় গণকবর। যেখান থেকে উদ্ধার করা হয় সেনা কর্মকর্তাদের লাশ। এ ঘটনায় হতবাক হয়ে যায় সারাদেশের মানুষ। মাত্র ৩৬ ঘণ্টার এ হত্যাযজ্ঞে ৫৭ জন মেধাবী সেনা কর্মকর্তা, একজন সৈনিক, দুইজন সেনা কর্মকর্তার স্ত্রী, নয় জন বিডিআর সদস্য ও পাঁচ জন বেসামরিক ব্যক্তি নিহত হন। এদিকে বহুল আলোচিত ও প্রত্যাশিত পিলখানা হত্যা মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় (ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের ওপর) চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। ওই দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ মামলার ২৯ হাজার ৫৯ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়। বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক আসামির ফাঁসির আদেশ আসে এ মামলার রায়ে। বিশ্বে আলোচিত মামলাগুলোর মধ্যে আসামির দিক থেকে এবং রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির সংখ্যা বিবেচনায় সবচেয়ে বড় মামলা এটি। বিচারিক আদালতে রায়ের পর ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের করা আপিলের ওপর শুনানি নিয়ে রায়ও ঘোষণা হয়। দীর্ঘদিন দেশি-বিদেশি মামলার রায় পর্যালোচনার পর হাইকোর্টের রায় লেখা শেষ হয়।
পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন
২৫ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পিলখানা ট্র্যাজেডিতে নিহত শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের ১১তম বার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর বনানীতে সামরিক কবরস্থানে সকাল ৯টায় শহীদদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। রাষ্ট্রপতির পক্ষে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম শামীম উজ জামান, প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে তার সামরিক সচিব পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা স্যালুট প্রদান করেন। পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, ভারপ্রাপ্ত নৌবাহিনী প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ শাহীন ইকবাল, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাফিনুল ইসলাম। পরে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া করা হয়। এছাড়াও আজ সকলে সেনানিবাসের কেন্দ্রীয় মসজিদে কোরআন খতমের ব্যবস্থা করা হয় এবং শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে সকল স্তরের সেনাসদস্যের উপস্থিতিতে মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।
সততা-আনুগত্য ও শৃঙ্খলা একটি বাহিনীর পেশাগত দক্ষতার মাপকাঠি- রাষ্ট্রপতি
২৪ফেব্রুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নবীন সৈনিকদের ভালো গুণাবলি অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, সততা, আনুগত্য ও শৃঙ্খলা একটি বাহিনীর পেশাগত দক্ষতার মাপকাঠি। সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৯৪তম রিক্রুট ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সৈনিকদের বুদ্ধিমত্তা, নির্ভরযোগ্যতা ও উদ্দীপনা অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, আজ তোমরা যারা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের পরিবারভুক্ত হলে- তোমাদের চরিত্রে মানবিক গুণাবলির বিকাশ ঘটবে এবং লোভ-লালসার ঊর্ধ্বে থেকে নিজেদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে সর্বদা সচেষ্ট থাকবে। অনুষ্ঠানে ৯৪তম রিক্রুট ব্যাচের সেরা চৌকস স্থান অধিকারী মঈন উদ্দিন এবং অন্যান্য বিষয়ে সেরা সৈনিকদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেয়া হয়। এর আগে বিজিবির ঐতিহ্যবাহী প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টার অ্যান্ড কলেজের (বিজিটিসিএন্ডসি) বীর উত্তম মাজিবুর রহমান প্যারেড গ্রাউন্ডে বেলা ১১টায় কুচকাওয়াজ পরিদর্শন এবং অভিবাদন গ্রহণ করেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে নারীদের অবিস্মরণীয় অবদানের কথা স্মরণ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, আজ নারীরা বিভিন্ন অঙ্গনে যথাযথ যোগ্যতা ও কর্মদক্ষতার স্বাক্ষর রাখছেন। আজ তোমরা দেশ মাতৃকার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দৃপ্ত শপথ নিয়ে সৈনিক জীবনে প্রবেশ করতে যাচ্ছো। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, তোমরা বিজিবির সার্বিক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় আরও গতিশীল ভূমিকা রেখে বাহিনীর সুনাম-সুখ্যাতি আরও বৃদ্ধি করবে। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দিন, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম, বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টার অ্যান্ড কলেজের কমাড্যান্ট ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ওমর যাহিদ। আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম অঞ্চলের সেনাবাহিনী ও বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসন ও পুলিশ কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি, বিজিবি সদস্য ও তাদের পরিবার, নবীন সৈনিকদের অভিভাবকরা। প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ প্যারেড কমান্ডার হিসেবে মনোজ্ঞ এ প্যারেড পরিচালনা করেন ৯৪তম রিক্রুট ব্যাচের অফিসার ইনচার্জ মেজর কাজী মনজুরুল ইসলাম এবং প্যারেড অ্যাডজুটেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সহকারী পরিচালক বেগ আব্দুল্লাহ আল মাসুম। ৯৪তম রিক্রুট ব্যাচের মৌলিক প্রশিক্ষণ ২০১৯ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টার অ্যান্ড কলেজে শুরু হয়। এ ব্যাচে প্রশিক্ষণ নেয়া মোট ৫৪৪ জন রিক্রুটের ৪৯৫ জন পুরুষ এবং ৪৯ জন নারী রিক্রুট ছিলেন। দীর্ঘ ২৪ সপ্তাহের অত্যন্ত কঠোর এ প্রশিক্ষণ সফলভাবে শেষ করে সোমবার আনুষ্ঠানিক শপথ গ্রহণ করেন তারা।
মন্ত্রিসভায় হজ প্যাকেজের অনুমোদন
২৪ফেব্রুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সরকারি ব্যবস্থাপনায় দুটি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় একটি প্যাকেজ রেখে হজ প্যাকেজ ১৪৪১ হিজরি/২০২০ খ্রিস্টাব্দ এর খসরার অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম আজ সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংকালে এ তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, এবার চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ৯ জিলহজ ১৪৪১, ৩০ জুলাই ২০২০ পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। এবার সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১৭ হাজার ১৯৮ জন, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ লাখ ২০ হাজার জনসহ মোট ১ লাখ ৩৭ হাজার ১৯৮ জন হজ পালনের জন্য সৌদি আরব যাবেন। হজযাত্রীর বিমান ভাড়া, সৌদি আরবে বাড়ি ভাড়া, সার্ভিস চার্জ, মোয়াল্লেম ফি, জমজমের পানি, খাবার এবং অন্যান্য খরচবাবদ সরকারি ব্যবস্থাপনায় তিনটি হজ প্যাকেজ এবং বেসরকারি ব্যবস্থপানায় এজেন্সিগুলোর জন্য একটি প্যাকেজের প্রস্তাব করা হয়েছে। সেই প্রস্তাব আজ কেবিনেট বৈঠকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম আরও বলেন, সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্যাকেজ-১ এর আওতায় সর্বমোট চার লাখ ২৫ হাজার টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ৬ হাজার ৫০০ টাকা বেশি। প্যাকেজ-২ এর আওতায় সর্বমোট তিন লাখ ৬০ হাজার টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ১৬ হাজার টাকা বেশি। সরকারি ব্যবস্থাপনায় এবারই প্রথম তৃতীয় প্যাকেজ সরকার প্রবর্তন করেছে। এর আওতায় সর্বমোট ৩ লাখ ১৫ হাজার টাকার প্রস্তাব করা হয়েছে। কেবিনেট সবিচ বলেন, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীর জন্য ৩ লাখ ৫৮ হাজার টাকার প্যাকেজ প্রস্তাব করা হয়েছে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ এজেন্সিগুলো সরকারি প্যাকেজ-১, প্যাকেজ-২ ও প্যাকেজ-৩ এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একাধিক প্যাকেজ ঘোষণা করতে পারবে। কেবিনেট সচিব আরও বলেন, সরকারি ব্যবস্থাপনার প্যাকেজ-১ এর আওতায় হজযাত্রীরা মসজিদুল হারাম চত্বরের সীমানা থেকে সর্বোচ্চ ৭০০ মিটার, প্যাকেজ-২ এর হজ যাত্রীরা ১৫০০ মিটার এবং প্যাকেজ-৩ এর হজযাত্রীরা ১৫০০ মিটারের অধিক দূরত্বে অবস্থান করবেন। প্রত্যেক হজ এজেন্সি কমপক্ষে ১০০ জন, সর্বোচ্চ ৩০০ জন হজযাত্রী পাঠাতে পারবেন। হজ এজেন্সিগুলো কোনও অবস্থায় ৩০০ এর বেশি টিকিট দিতে পারবে না। যারা পবিত্র হজ পালন করতে যাবেন তাদের পাসপোর্টের মেয়াদ ২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্তমেয়াদ থাকতে হবে। প্রতি ৪৪ জন হজযাত্রীর জন্য একজন গাইড নিয়োগ করা হবে। হজযাত্রীদের কোরবানির ব্যয়ের টাকা ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে এবং এর জন্য প্যাকেজ ছাড়া অতিরিক্ত ৫২৫ সোদি রিয়ালের সমপরিমাণ ১২ হাজার ৭৫ টাকা সঙ্গে নিতে হবে।
প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ অ্যাঞ্জেলিনা জোলি
২৪ফেব্রুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়া এবং তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে লেখা এক চিঠিতে বাংলাদেশের উদারতা ও নেতৃত্বের প্রশংসা করেছেন অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। রবিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ২১ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে একটি চিঠি দিয়েছেন জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনারের বিশেষ দূত অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। চিঠিতে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় এবং তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশের বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। একই সঙ্গে সব ধরনের সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশের জনগণের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। অ্যাঞ্জেলিনা জোলি চিঠিতে উল্লেখ করেছেন, টেকসই উপায়ে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে সহায়ক পরিবেশ তৈরি জরুরি। এ জন্য মিয়ানমারের সঙ্গে যুক্ত থাকার বিষয়ে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা অব্যাহতভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাবে। অ্যাঞ্জেলিনা জোলি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, রোহিঙ্গা মানবিক সংকট মোকাবিলায় ২০২০ সালের যৌথ পরিকল্পনা আরও ভালোভাবে অর্থায়ন পেতে সহায়তা করবে। এর আগে গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনে বাংলাদেশ সফর করেছিলেন অ্যাঞ্জেলিনা জোলি । তখন প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন। বাসস।

জাতীয় পাতার আরো খবর