বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৯, ২০২০
বায়তুল মোকাররম এলাকায় বিক্ষোভ করেছেন মুসল্লীরা
২৮ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:দিল্লিতে মুসলিমদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ঢাকায় বায়তুল মোকাররম এলাকায় বিক্ষোভ করেছেন মুসল্লীরা। সমমনা ইসলামী দলগুলোর ব্যানারে মসজিদের উত্তর গেটে প্রথমে বিক্ষোভ সমাবেশ হয়। সমাবেশ শেষে তারা মিছিল বের করেন। এসময় মুসল্লিরা বিভিন্ন স্লোগান দেন।এর আগে জুমার নামাজের আগেই বায়তুল মোকাররম মসজিদে ব্যাপক মুসল্লীর সমাগম হয়। পুরো এলাকায় পুলিশি উপস্থিতিও ছিল ব্যাপক। নামাজ শেষে কয়েকহাজার মুসল্লি সমাবেশে যোগ দেন। বিভিন্ন ইসলামী দলসমূহের নেতারা এসময় বক্তব্য রাখেন। এসময় বক্তারা বলেন, ভারতে মুসলিমদের নির্মমভাবে হত্যা করা হচ্ছে।তাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেয়া হচ্ছে। মা বোনদেরকে নির্যাতন করা হচ্ছে। মুসলিম হিসেবে আমরা তা মেনে নিতে পারি না। এ নিয়ে সরকারের মাথা ব্যথা না থাকলেও আমাদের মাথা ব্যথা আছে। কারণ আমরা মুসলমান। মুসলিম হয়ে মুসলিমদের ওপর এমন নির্যাতন সহ্য করা যায় না। তারা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন অসাম্প্রদায়িক। আমাদের দেশ অসাম্প্রদায়িক। এখানে আমরা মুসলিম হিন্দু বোদ্ধ খ্রিস্টান একসঙ্গে বাস করি। আর মোদি হলো একজন উগ্রপন্থী লোক। সে সাম্প্রদায়িক এবং খুনি। সুতরাং মুজিববর্ষে তার মতো খুনি সাম্প্রদায়িক এবং উগ্রবাদীকে বাংলাদেশে ঢুকতে দেয়া হবে না। তার আমন্ত্রণ পত্র প্রত্যাহার করতে হবে। এসময় তারা বিমানবন্দর ঘেরাও করার ঘোষণা দেন। বক্তারা মুসলিম হত্যার প্রতিবাদে ভারতের সব পণ্য বর্জন করার ঘোষণাও দেন।
মুজিববর্ষে মোদিকে অতিথি করা নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
২৭ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অতিথি করার সমালোচনা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, আমরা একটি রাজনৈতিক নির্দেশনা নিয়ে চলি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদেরকে একটি অসাম্প্রদায়িক চেতনার দেশ দিয়েছেন, সেই নীতিমালা অনুসরণ করেই আমরা চলছি। আজ বৃহস্পতিবার সকালে গাজীপুরের শফিপুর আনসার-ভিডিপি একাডেমিতে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সাধারণ আনসার মৌলিক প্রশিক্ষণর (পুরুষ) সমাপনী কুচকাওয়াজ এবং নবসৃজিত আনসার গার্ড ব্যাটালিয়নের ফ্ল্যাগ রেইজিং অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। স্বারাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশ এবং বিদেশ থেকে আগত ভিআইপিদের অধিক নিরাপত্তা দেয়ার জন্য আনসার ব্যাটালিয়নের নতুন আনসার ব্যাটালিয়ন সৃজন করা হয়েছে। এর আগে প্রধান অতিথি সমাপনী কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন এবং সাধারণ আনসারদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। পরে তিন কৃতি প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহেদ আলী, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল কাজী শরীফ কায়কোবাদ, বাহিনীর অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম আসিফ ইকবালসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। ১০ সপ্তাহব্যাপী মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষে সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে মোট ১ হাজার ১ শত ৮৫ জন সাধারণ আনসার প্রশিক্ষণার্থী অংশগ্রহণ করেন। পরে প্রধান অতিথি ফ্ল্যাগ রেইজিংর মাধ্যমে নবসৃজিত আনসার গার্ড ব্যাটালিয়নের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।-
মশা যেন ভোট না খেয়ে ফেলে: মেয়রদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী
২৭ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকার দুই মেয়র ও কাউন্সিলরদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ঢাকায় যারা নির্বাচিত হয়েছেন তারা মশা নিয়ন্ত্রণে এখন থেকে ব্যবস্থা নিন। মশা ক্ষুদ্র প্রাণী হলেও খুব শক্তিশালী। তা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে ভোট খোয়াবেন। মশা যেন আপনার ভোট না খেয়ে ফেলে সেদিকে নজর রাখতে হবে। তিনি বলেন, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে দুর্নীতি হলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। একটি নির্দিষ্ট সময় পর আমাদের ক্ষমতা ছাড়তে হয়। কিন্তু এসময়ে কারো অনিয়ম কিংবা দুর্নীতির কারণে উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যস্থা নেয়া হবে। চলমান মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান অব্যবহত থাকবে। আজ বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণের মেয়র ও কাউন্সিলরদের শপথ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। করোনা ঠেকাতে আলাদা হাসপাতাল করার পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সবাইকে সরকারের দেয়া এ সংক্রান্ত নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। উন্নয়নের জন্য বাজেটকৃত অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় হচ্ছে কিনা তা পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন,জনপ্রতিনিধিদের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করতে হবে। অনেক প্রজেক্ট করে দেয়া হচ্ছে। সেগুলোর কাজ যাতে যথাযথভাবে হয় সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে। জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে হবে। মেগা প্রকল্প থেকে শুরু করে প্রতেক্যকটি উন্নয়ন প্রকল্প যাতে সঠিক সময়ে বাস্তবায়ন হয় সে জন্য সহযোগীতা করতে হবে। দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকার সক্ষমতা অর্জন করেছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, সকল প্রাকৃতিক দুর্যোগে যেন মানুষের ক্ষয়ক্ষতি কম হয়, সেজন্য ডেল্টা প্লান ২১০০ প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে কাজ শুরু করা হয়েছে। অতীতের ন্যায় যাতে সরকার পরিবর্তন হলেও উন্নয়নের ধারা থেমে না যায়, সে জন্য এই পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। দেশের ৯৫ ভাগ মানুষ বিদ্যুৎ পাচ্ছে জানিয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, মানুষ অর্থনৈতিকভাবে যেভাবে স্বচ্ছল হচ্ছে, তেমনিভাবে চাহিদাও বাড়ছে। তাই, গ্রামের মানুষ যাতে শহরের সকল সুযোগ সুবিধা পায় সেভাবেই উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলো প্রণয়ন করা হচ্ছে। শেখ হাসিনা বলেন, দেশের কোনও মানুষ গৃহহীন থাকবে না। যেখানে যত ভূমিহীন মানুষ আছে তাদের একটি টিনের চালা হলেও নির্মাণ করে দেয়া হবে। পাশাপাশি নগরায়ণের দিকেও মনযোগ দিতে হবে। যত্রতত্র দালান কোঠা নির্মাণ করা যাবে না। সারা দেশব্যাপী ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, যেখানে সেখানে যাতে ইন্ডাস্ট্রিজ গড়ে না ওঠে, ফসলের মাঠের ক্ষতি না হয় সেজন্য এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা সেখানে বিনিয়োগ করতে পারবেন। সরকার প্রধান বলেন, ২০০৯ সাল থেকে আওয়ামী লীগ টানা ক্ষমতায় আসার ফলে দেশের উন্নয়ন ধারাবাহিকভাবে করা সম্ভব হচ্ছে। বাংলাদেশ গত এক দশকে প্রবৃদ্ধি ৮ দশমিক ১৫ ভাগে উন্নীত হয়েছে। মাথাপিছু আয় বেড়েছে। যেখানে দারিদ্রের সীমা ২০০৫-০৬ অর্থবছরে ছিল ৪২ ভাগ সেখানে বর্তমানে তা ২০ দশমিক ৫ ভাগে নামিয়ে আনা হয়েছে। বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ এখন বিস্ময় জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দক্ষতার সাথে দেশ পরিচালনা করছে। ফলে আর্থিক দিক থেকে শুরু করে অন্যান্য খাতেও আমরা ব্যাপক এগিয়ে গেছি। ফলে বাজেট সাত গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। যা অতীতে কেউ পারেনি। শেখ হাসিনা বলেন, ইতিমধ্যে দেশের উন্নয়নে পঞ্চ, ষষ্ঠ ও সপ্তাম পঞ্চবার্ষিকী বাস্তাবয়ন করা হয়েছে। অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়নে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সরকারের শুরু থেকে লক্ষ্য ছিল কিভাবে দারিদ্র দূর করা যায়, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়, মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, স্বাক্ষরতার হার বৃদ্ধি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়া ও অবকাঠামো গত উন্নয়ন করা যায়। ইতিমধ্যে এগুলো বাস্তবায়ন করা হয়েছে। যার কারণে আমরা এখন উন্নয়নশীল দেশে পরিনত হয়েছি। এখান থেকে আমরা উন্নত ও সমৃদ্ধি দেশ হবো। যা ২০৪১ সালের মধ্যে বাস্তবায়ন হবে।- একুশে টেলিভিশন
মুজিববর্ষে প্রত্যেক উপজেলায় ৪টি করে হেল্পডেস্ক হবে
২৭ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ পুলিশের আইজি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বিপিএম (বার) বলেছেন, ৯৯৯ সার্ভিস চালুর পর গত দু বছরে ৫৮ লাখ মানুষকে সেবা দিতে পেরেছে বাংলাদেশ পুলিশ। এতে করে জনগণ খুব উপকৃত হয়েছে। এই সেবা অব্যাহত থাকবে। মুজিববর্ষ উপলক্ষে পুলিশের কার্যক্রম আরও বৃদ্ধি করা হবে। এই সময়ে প্রত্যেক উপজেলায় ৪টি করে হেল্পডেস্ক চালু করা হবে। প্রতিবন্ধী সেবা ডেস্ক, বয়স্ক সেবা ডেস্ক, নারী শিশুদের জন্য ডেস্ক এবং অসহায় নারী শিশুদের জন্য অ্যাপস চালু হবে। তবে অ্যাপস চালুর বিষয়টি এখনও পরীক্ষাধীন। নেত্রকোনা জেলা পুলিশের বার্ষিক সমাবেশ উপলক্ষে গতকাল বুধবার দুপুরে নেত্রকোনা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে আইজিপি ড. জাবেদ পাটোয়ারী এসব কথা বলেন। আইজিপি আরও বলেন, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস দমনে পুলিশের ভূমিকা অনন্য। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জঙ্গিবাদ দমন করতে গিয়ে ৮ পুলিশকে জীবন দিতে হয়েছে। পুলিশ দেশ থেকে জঙ্গিবাদ দমনে নিরলস কাজ করছে। তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি থানাকে জনবান্ধব থানা হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। আমরা সত্যিকার অর্থেই জনগণের পুলিশ হতে চাই। তাই থানাগুলোকে সেভাবেই গড়তে চাই। জাবেদ পাটোয়ারী আরও বলেন, দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ সচেষ্ট। এক হাজার লোকের জন্য মাত্র একজন পুলিশ সদস্য। তা দিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ খুবই সমস্যা এবং এ দিয়ে সেবা দান করা খুব কঠিন। তবে পুলিশ এ ব্যাপারে তৎপর। এসময় অন্যদের মধ্যে ছিলেন ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি অব পুলিশ ব্যারিস্টার মো. হারুন অর রশিদ, জেলা প্রশাসক মঈনউল ইসলাম, নেত্রকোনার পুলিশ সুপার আকবর আলী মুনসী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসএম আশরাফুল আলম। পরে তিনি পুলিশ লাইন মাঠে নেত্রকোনা পুলিশের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা উদ্বোধন ও পুরস্কার বিতরণ করেন।
আতিক-তাপসকে শপথ পড়ালেন প্রধানমন্ত্রী
২৭ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নবনির্বাচিত দুই মেয়র ও কাউন্সিলররা শপথ নিয়েছেন।আজ বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে এই শপথবাক্য পাঠ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে ঢাকা উত্তরের মেয়র আতিকুল ইসলাম ও দক্ষিণের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসকে শপথবাক্য পাঠ করান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ ছাড়া স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম দুই সিটি করপোরেশনের সাধারণ ওয়ার্ড ও সংরক্ষিত নারী আসনের কাউন্সিলরদের শপথবাক্য পাঠ করান। স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন-২০০৯ অনুযায়ী, সিটি করপোরেশন নির্বাচনের পর মেয়র বা কাউন্সিলরদের নাম সরকারি গেজেটে প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে শপথগ্রহণের বাধ্যবাধকতা আছে। গত ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এর তিনদিন পর অর্থাৎ ৪ ফেব্রুয়ারি বিজয়ী মেয়র ও কাউন্সিলদের নাম, ঠিকানা ও পদসহ গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার সিদ্ধান্ত বাতিল
২৬ফেব্রুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়েছে। গুচ্ছভিত্তিক পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। আজ বুধবার বিকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন’র (ইউজিসি) বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বুয়েট কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষার বিপক্ষে থাকায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউজিসি। বুধবার ইউজিসি অডিটরিয়ামে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠকের পর ইউজিসি চেয়ারম্যান সাংবাদিকদের কাছে এসব তথ্য তুলে ধরেন। কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, সব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে আলোচনা করে আমরা গুচ্ছ পদ্ধতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ও সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আলাদাভাবে চারটি ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করা হবে। তবে সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসা শিক্ষা বিভাগে আলাদভাবে তিনটি গুচ্ছ পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেয়া হবে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, দেশের পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ পদ্ধতিতে অংশগ্রহণ করবে না বলে জানিয়েছে। তবে এ পদ্ধতিতে দেশের ৩৪টি বিশ্ববিদ্যালয় অংশগ্রহণ করবে বলে চূড়ান্তভাবে জানিয়েছে। আমরা সবাইকে আহ্বান জানিয়েছি, যারা আসবে তাদের সবাইকে নিয়ে আমরা গুচ্ছ পদ্ধতিতে যুক্ত করবো। তিনি বলেন, বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। এ পদ্ধতিকে সাধুবাদ জানালেও তাদের অভ্যন্তরীণ সমস্যার কারণে তারা যুক্ত হতে পারছেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন। তবে আমাদের চেষ্টা ও দরজা খোলা থাকবে। যারা এতে যুক্ত হতে যাবে তাদের নেয়া হবে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় এবং সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আলাদা ৪টি প্রশ্নে পরীক্ষা নেয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানায় ইউজিসি। আগামী মাসে আবারও বৈঠক করে এসব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানায় ইউজিসি।
বৃহস্পতিবার শপথ নিবেন ঢাকার দুই নগর পিতা
২৬ফেব্রুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামীকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নব নির্বাচিত মেয়র এবং কাউন্সিলররা শপথ নিবেন। এদিন সকাল সাড়ে দশটায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে বলে স্থানীয় সরকার বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ জানিয়েছেন। নিয়ম অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী নবনির্বাচিত দুই মেয়রকে শপথ পড়াবেন। আর দুই সিটি করপোরেশনের সাধারণ ও সংরক্ষিত ওয়ার্ডের ১৭২ জন কাউন্সিলকে শপথ পড়াবেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। উল্লেখ্য, ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে উত্তরে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. আতিকুল ইসলাম এবং দক্ষিণে শেখ ফজলে নূর তাপস নির্বাচিত হন। এদিকে বৃহস্পতিবার শপথ নিলেও মেয়রের দায়িত্ব পাবেন আগামী মে মাসে। নয় মাস উত্তর সিটির মেয়রের দায়িত্ব পালন করা আতিক আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে পদ ছেড়ে নির্বাচনে অংশ নেন। অন্যদিকে দক্ষিণে মেয়রের পদে থাকা সাঈদ খোকন নির্বাচনে অংশ নেননি। মে মাসে শেষ হচ্ছে খোকনের মেয়াদ।
ইউজিসির সঙ্গে ফের বৈঠকে উপাচার্যরা
২৬ফেব্রুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সকল পাবলকি বিশ্ববিদ্যালয়ে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনর (ইউজিসি) সিদ্ধান্তে পিছিয়ে যায় পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়। ফলে উপাচার্যদের সঙ্গে আবারও বৈঠকে বসেছে ইউজিসি। আজ বুধবার বিকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইউজিসি ভবনে এ বৈঠক শুরু হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এ নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির জনসংযোগ বিভাগের কর্মকর্তা শামসুল আরেফিন বলেন,অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয় সমন্বিত পদ্ধতিতে এগিয়ে যাওয়ার পক্ষে। সেক্ষেত্রে বুধবারের সভায় সবার মতামত নিয়ে মার্চের প্রথম দিকে একটি রূপরেখা দেয়ার চেষ্টায় ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক কাজী শহীদুল্লাহ আবারও সব উপাচার্যদের নিয়ে বৈঠকে বসেছেন। বৈঠকের মাধ্যমে আশা করি ভাল ফল আসবে। এর আগে গত ১১ ফেব্রুয়ারি সব উপাচার্যের সঙ্গে ইউজিসির বৈঠকে সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি জন্য কেন্দ্রীয়ভাবে সমন্বিত পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। ঐ বৈঠকে একটি খসড়া নীতিমালাও তৈরি করা হয়। বৈঠকের পর ইউজিসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষায় সম্মত হয়েছে। তবে ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বুয়েটের শিক্ষা পরিষদ (অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল) কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষার বিপক্ষে মত দেয়। এরপর বিভিন্ন মহলে বিষয়টি বেশ আলোচনার সৃষ্টি করে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ ও অভিভাবকদের ব্যয় লাঘবে গত কয়েক বছর ধরে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসি সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির উদ্যোগ নেয়। ইউজিসি উপাচার্যদের নিয়ে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত জানালেও তা বর্তমান পরিস্থিতিতে এসে দাঁড়ায়। উল্লেখ, বর্তমানে দেশে ৪৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। এছাড়া, সাতটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তি কার্যক্রম চলছে। মেডিকেল কলেজেও সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে।
উরুগুয়ে ও লন্ডন সফরে রাষ্ট্রপতি
২৬ফেব্রুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: উরুগুয়েতে অনুষ্ঠেয় প্রেসিডেন্টসিয়াল কমান্ড ট্রান্সফার অনুষ্ঠানে যোগ দিতে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ঢাকা ছেড়েছেন। সেখান থেকে তিনি লন্ডনে যাবেন ব্যক্তিগত কাজে। সব মিলিয়ে মোট ১১ দিনের সফরে মঙ্গলবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন। এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইট ইকে-৫৮৫ রাষ্ট্রপতি এবং তার সফর সঙ্গীদের নিয়ে মঙ্গলবার রাত ১টা ৩৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেছে। বঙ্গভবনের মুখপাত্র এ তথ্য জানিয়েছেন। রাষ্ট্রপতির স্ত্রী রাশিদা খানম এবং বঙ্গভবনের সংশ্লিষ্ট সচিবরা তার সঙ্গে আছেন। স্বরাষ্টমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী, ঢাকায় ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, তিন বাহিনীর প্রধানরা, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), পররাষ্ট্র সচিব এবং বেসামরিক ও সামরিক উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে রাষ্ট্রপতিকে বিদায় জানান। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ১ মার্চ উরুগুয়েতে প্রেসিডেন্টসিয়াল কমান্ড ট্রান্সফার অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। সফরকালে রাষ্ট্রপতি লন্ডনে আরও কয়েকটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। রাষ্ট্রপতি ৯ মার্চ দেশে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে। সূত্র: বাসস

জাতীয় পাতার আরো খবর