জাল নোট চক্রের ১৫ সদস্য গ্রেপ্তার
০১আগস্ট,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পুলিশ মহাপরিদর্শকের নামে বড় বড় প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতানোসহ ডাকাত, ভুয়া ডিবি, জাল নোট চক্রের মোট ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে ৯০ লাখ ২০ হাজার জাল টাকা, ২৬ লাখ ভারতীয় রুপি, জাল নোট তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান, ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার আব্দুল বাতেন। তিনি বলেন আসন্ন কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে গরুর হাট ও গরু আমদানির জন্য ভারতে এসব জাল টাকা ব্যবহার করতো চক্রটি। অন্যদিকে, ঈদ উপলক্ষ্যে বিভিন্ন ব্যাংকে নিজেদের লোক দিয়ে তথ্য সংগ্রহ করে ডাকাতি করতো এই চক্রটি।
বঙ্গবন্ধুর রক্তের ঋণ শোধ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
০১আগস্ট,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রক্তের ঋণ শোধ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (১ আগষ্ট) ধানমন্ডি ৩২ নম্বরস্থ রাসেল স্কয়ারে শোকের মাসে কৃষক লীগ আয়োজিত রক্তদান কর্মসূচীর উদ্বোধনকালে লন্ডনে অবস্থানরত প্রধানমন্ত্রী টেলি কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হন। রক্তদান কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি অনুষ্ঠানস্থল থেকে লন্ডনে চিকিৎসার জন্য অবস্থান করা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মোবাইল যোগে সংযুক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা রক্ত দিয়ে গেছেন। তিনি বলেছিলেন প্রয়োজনে তিনি রক্ত দিবেন, ঠিকই তিনি রক্ত দিয়ে গেছেন। বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে তার রক্তের ঋণ শোধ করতে হবে। দেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে, যখন কোন একটি ভালো কাজ হয়, দেশের মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন হয় তখন আমি চিন্তা করি আমার আব্বার আত্মাটা শান্তি পায়। নিশ্চয়ই তিনি বেহেস্ত থেকে দেখেন। তিনি বলেন, জাতির পিতার আদর্শ, তার লক্ষ ও চিন্তা চেতনাকে বাস্তবায়ন করে দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করার জন্য ক্ষমতায় এসেছি। কতটুকু পেরেছি বাংলার মানুষ তা বিচার করবেন। সারা দেশে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ডেঙ্গুর প্রভাব থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আমি কতগুলো নির্দেশনা দিয়েছি। আমি মনে করি আমাদের পার্টির মানুষ পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা থেকে শুরু করে মশার বংশ বিস্তার যাতে না হতে পারে এর যথাযথ পদক্ষেপ নেবে এবং নিজেদের, পরিবারকে সুরক্ষিত রাখা, ঘরবাড়ি, সুরক্ষিত করা হয় সেজন্য সকলকে আমি আহ্বান জানাচ্ছি। স্বেচ্ছায় রক্ত দানের পরামর্শ দিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, শোকের মাস বারবার আমাদের মধ্যে ফিরে আসে আর বারবার আমাদের মনে করিয়ে দেয় আমরা কি হারিয়েছি। আজকে শোকের মাসের প্রথম দিন। আমাদের আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন গুলো নানা কর্মসূচি পালন করেছে। সেই অনুযায়ী কৃষক লীগ রক্তদান ও বৃক্ষরোপন কর্মসূচি করছে। তিনি বলেন, মুমূর্ষু রোগীর জীবন রক্ষায় ত্যাগ স্বীকার যেকোনো মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, মানবতার। ১৫ আগস্ট সামনে রেখে রক্তদান কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছি। রক্ত দিলে রক্ত কমে না বরং বাড়ে। শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের দলের সকল নেতাকর্মী, মুজিব আদর্শকে যারা বিশ্বাস করে। আমি তাদেরকে আহ্বান করবো, রক্ত দান করতে। আর্তমানবতার সেবায় আত্মত্যাগ করা প্রতিটি মানুষের কর্তব্য। এ থেকে যে তৃপ্তি পাওয়া যায়, যে আনন্দ পাওয়া যায়- ভোগে তা পাওয়া যায় না। দলীয় সকল নেতাকর্মীকে তিনটি করে গাছ লাগানোর পরামর্শ দিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, আজকে এই দিনকে শুধু রক্তদান কর্মসূচি নয়, বৃক্ষরোপন কর্মসূচি ঘোষনা করছি। জলবায়ু পরিবর্তনের হাত থেকে আমাদের দেশকে রক্ষা করতে হবে। বাংলাদেশে প্রতিনিয়ত আমরা নানারকম বন্যা-খরার মুখোমুখি হয়, এই বাংলাদেশকে বাঁচাতে হলে বাংলাদেশে আরও ব্যপকভাবে বৃক্ষরোপন করতে হবে। তিনি বলেন, ৮৪-৮৫ সাল থেকে আমরা বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছি। ব্যাপকভাবে বৃক্ষ রোপন করুন। জন প্রতি অন্তত পক্ষে তিনটি করে বৃক্ষ রোপন করবেন। একটি বনজ, একটি ভেষজ এবং একটি ফলজ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলি প্রমুখ।
বিয়ের আসরে কনের বাবা খুন
০১আগস্ট,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর ইস্কাটনে বিয়ের আসরে কনের বাবাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে এক বখাটে যুবক। বৃহস্পতিবার দুপুরে ইস্কাটনের প্রিয়াংকা সুটিং হাউজে এ ঘটনা ঘটে। হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর রশিদ জানান, নিহত তুলা মিয়া ঘটনার সময় রান্না ঘরে ছিলেন, সেখানে গিয়েই বখাটে সজীব তাকে হত্যা করে। এ ঘটনায় আহত কনের মাকে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হইচই শুনে ঘরের দরজা ভেতর থেকে আটকে দেয়ায় রক্ষা পান কনে। ঘাতক সজীবকে আটক করেছে পুলিশ। দীর্ঘ দিন ধরেই সজীব কনে স্বপ্নাকে উত্ত্যক্ত করতো বলে জানায় প্রত্যক্ষদর্শীরা।
আওয়ামী লীগের বর্তমানে ৩৭ কোটি ৫৭ লাখ ৭৮ হাজার ৫৮৭ টাকা জমা রয়েছে
০১আগস্ট,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী লন্ডন থেকে নির্দেশনা দিয়েছেন যে, যারা ঈদ উদযাপন করার জন্য ঢাকার বাইরে যাবেন, তারা যেন রক্ত পরীক্ষা করে যান। কারণ তারা যদি ডেঙ্গু নিয়ে বাইরে যান, তাহলে ঢাকার বাইরে এটি অনেক বেশি বিস্তার লাভ করবে। গতকাল রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে তার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধি দল ইসিতে দলটির বার্ষিক প্রতিবেদন (আয়-ব্যয়ের হিসাব) জমা দেন। ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে মশারি টাঙানোর পরামর্শ দিয়ে এইচ টি ইমাম বলেন, ডেঙ্গু নিয়ে আমাদের সচেতন হওয়া খুবই জরুরি। আমি ব্যক্তিগতভাবে মশারি ব্যবহার করি। কারণ মশা কোন সময় কামড় দেবে ঠিক নাই। আবার ঘরের কোণে কিছু আছে কিনা সেটাও দেখা দরকার।মানবজমিন । এ সময় তিনি ডেঙ্গু বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য মিডিয়াগুলোকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, নাগরিক দায়িত্ববোধ আসতেই হবে। আমরা দেখছিলাম যে, প্রথম থেকেই এ বিষয়গুলো নিয়ে তেমন একটা প্রচার হচ্ছিল না। এখন বাংলাদেশ টেলিভিশন থেকে প্রথম প্রচার হওয়ার পর অন্যান্য টেলিভিশনও ডেঙ্গু নিয়ে ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা বলেন, আতঙ্ক বড় জিনিষ। আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য অনেকে আবার এটা ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে অনেক কথা বলেন। এগুলো দেখার বিষয় আছে। একদিকে মশা নিধন করতে হবে। অন্যদিকে চিকিৎসায় জোর দিতে হবে। চিকিৎসা নিয়ে বিভ্রান্তি ছিল। প্রাইভেট হাসপাতালগুলো রোগী নিতে চাচ্ছিল না। আমরা তাদেরকে বাধ্য করেছি। ঢাকার দুই মেয়র এর জন্য দায়ী কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মেয়ররা জনগণের ভোটে নির্বাচিত। তারা চাইলেই অনেক কিছু করতে পারেন না। মেয়র কি করলেন না করলেন তার চেয়ে বড় কথা তার অধীনস্থ কর্মচারী-কর্মকর্তারা কি করছেন। তাদের খোঁজ খবর নেয়া। এছাড়া ওষুধ ঠিক মতো দেয়া হয় কি না, সেটারও খোঁজ রাখতে হবে। ওষুধ ছাড়াও এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় জিনিস হলো জনসচেতনতা বাড়ানো। এইচ টি ইমাম বলেন, নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী, স্বাধীন, সার্বভৌম ও কার্যকর করার জন্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্ষমতার বাইরে থেকেও আন্দোলন করেছে। আবার সরকার গঠনের পর আইন করে বিভিন্ন সময়ে এটিকে আমরা ক্ষমতায়ন করেছি। নির্বাচন কমিশন যেন তার কাজ ঠিক মত করতে পারে এবং সবাইকে আইনের আওতায় নিয়ে এসে প্রত্যেককে নির্দেশ দিতে পারেন এবং সেগুলো যেন কার্যকর হয়। নির্বাচন কমিশনকে কার্যকর করার জন্য তারা যখন যে নির্দেশনা দেন, সেগুলো আমরা পালন করি। তিনি আরও বলেন,কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়। আওয়ামী লীগ সরকারে আছে। তাই বলে নিয়ম কানুন মানবে না কিংবা নির্বাচন কমিশনকে মানবে না এটি হতে পারে না। আমরা মানলে অন্যরাও মানবে। আমাদেরকে দেখে অন্যরা শিখবে। আমাদের দল সবচেয়ে প্রাচীন, সবচেয়ে ঐতিহ্যপূর্ণ। কাজেই আমরা কতগুলো ঐতিহ্য ও ধারা প্রবর্তন করতে চাই। সবাই যাতে নির্বাচন কমিশনের নিয়ম কানুন মেনে চলেন এটিও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার অন্যতম একটি অঙ্গ। আওয়ামী লীগের তহবিলে জমা ৩৭ কোটি ৫৭ লাখ টাকা আওয়ামী লীগের তহবিলে বর্তমানে ৩৭ কোটি ৫৭ লাখ ৭৮ হাজার ৫৮৭ টাকা জমা রয়েছে বলে জানিয়েছেন এইচ টি ইমাম। নির্বাচন কমিশনে ইসি সচিব আলমগীর হোসেনের কাছে হিসাব জমা দেয়ার পর মিডিয়া সেন্টারে এইচটি ইমাম সাংবাদিকদের বলেন, এবার আওয়ামী লীগের আয় হয়েছে ২৪ কোটি ২৩ লাখ ৪২ হাজার ৭০৭ টাকা এবং ব্যয় হয়েছে ১৮ কোটি ৮৭ লাখ ৮০ হাজার ৫৫৭ টাকা। দলের তহবিলে বর্তমানে ৩৭ কোটি ৫৭ লাখ ৭৮ হাজার ৫৮৭ টাকা অবশিষ্ট রয়েছে। দলীয় তথ্য মতে, আওয়ামী লীগের মোট আয় ২৪ কোটি ২৩ লাখ ৪২ হাজার ৭০৭ টাকা। আয়ের খাতগুলোর মধ্যে রয়েছে চাঁদা এক কোটি ৪৫ লাখ ১৯ হাজার ৭০০ টাকা, সদস্য সংগ্রহ/নবায়ন ফরম বিক্রি দুই কোটি ৯ লাখ ৭৭ হাজার ৫২০ টাকা,নমিনেশন ফরম বিক্রি ১০ কোটি ৮৮ লাখ ১০ হাজার টাকা ও অনুদান ৭ কোটি ৮৫ লাখ ৮৫ হাজার ৩৫৫ টাকা। চাঁদার মধ্যে কার্যনির্বাহী সদস্যদের চাঁদা ৩৬ লাখ ৩৬ হাজার টাকা, উপদেষ্টাদের চাঁদা ১০ লাখ ৩৩ হাজার ২০০ টাকা, জাতীয় কমিটির সদস্যদের চাঁদা ৫ লাখ ৩৪ হাজার ৫০০ টাকা, সংসদ সদস্যদের ৭৯ লাখ ২২ হাজার টাকা ও সংরক্ষিত আসনের এমপিদের চাঁদা ১৩ লাখ ৯৪ হাজার টাকা। এই আয়ের বিপরীতে ২০১৮ সালে দলটির ব্যয় হয়েছে ১৮ কোটি ৮৭ লাখ ৮০ হাজার ৫৫৭ টাকা। এর মধ্যে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে ভবন নির্মাণে ১০ কোটি ৫৬ লাখ ৫৩ হাজার ১০০ টাকা ব্যয় হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। ২০১৭ সালের ৩১শে ডিসেম্বর দলটির স্থিতি ছিল ৩২ কোটি ২২ লাখ ১৬ হাজার ৪৩৭ টাকা। ২০১৮ সালের ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত এর পরিমাণ বেড়ে ৩৭ কোটি ৫৭ লাখ ৭৮ হাজার ৫৮৭ টাকায় দাঁড়িয়েছে। এর আগে ২০১৭ সালে আওয়ামী লীগের আয় ছিল ২০ কোটি ২৪ লাখ ৯৬ হাজার ৪৩৬ টাকা,আর ব্যয় ছিল ১৩ কোটি ৬৩ লাখ ৪৮ হাজার ৩১৯ টাকা। ২০১৬ সালের আওয়ামী লীগের আয় হয়েছিল ৪ কোটি ৮৪ লাখ ৩৪ হাজার ৯৭ টাকা,সেই বছর ব্যয় হয়েছিল ৩ কোটি ১ লাখ ৮৪ হাজার ৭৯৯ টাকা এবং স্থিতি ছিল ১ কোটি ৮২ লাখ ৪৯ হাজার ২৯৯ টাকা। ২০১৫ সালে দলটির আয় হয়েছিল ৭ কোটি ১১ লাখ ৬১ হাজার ৩৭৫ টাকা। আর ব্যয় ছিল ৩ কোটি ৭২ লাখ ৮১ হাজার ৪৬৯ টাকা। অর্থাৎ সে সময় দলটি প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা উদ্বৃত্ত দেখিয়েছিল। ২০১৪ সালে দলটি আয় দেখিয়েছে ৯ কোটি ৫ লাখ ৪৫ হাজার ৬৪৩ টাকা। আর ব্যয় দেখিয়েছে ৩ কোটি ৪৪ লাখ ৪০ হাজার ৮২১ টাকা। ওই বছর প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা উদ্বৃত্ত ছিল। ২০১৩ সালে আওয়ামী লীগ আয় দেখিয়েছিল ১২ কোটি ৪০ লাখ টাকা। আর ব্যয় দেখিয়েছিল ৬ কোটি ৭০ লাখ টাকা। এতে প্রায় ৬ কোটি টাকা দলটির উদ্বৃত্ত ছিল। ২০০৮ সালে নিবন্ধন প্রথা চালুর পর গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ মেনে নিবন্ধিত দলকে প্রতি পঞ্জিকা বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব পরের বছরের ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে ইসিতে জমা দেয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে, কোনও দল ওই সময়ের আগে ইসিতে আবেদন করে সময় বাড়াতে পারে। কোনও দল পরপর তিন বছর আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা না দিলে নির্বাচন কমিশন চাইলে তার নিবন্ধন বাতিল করতে পারে।
সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত পুলিশ সদস্য ৭৩, একজনের মৃত্যু
০১আগস্ট,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:সারাদেশে পুলিশ সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যসহ মোট ১৫০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া কোহিনুর খাতুন নামের নামের একজন সাব ইন্সপেক্টর মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর সিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। বাংলা ট্রিবিউন পুলিশ সদর দফতরের হেলথ অ্যান্ড অ্যাডুকেশন শাখার এআইজি তাপতুন নাসরিন এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ১৪৮ জন। এরমধ্যে ৭৩ জন পুলিশ সদস্য। অপর ৭৫ জন তাদের পরিবারের সদস্য। বাকি দুজনের একজন হচ্ছেন সিলেট রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি জয়দেব ভদ্র। তিনি সিলেটে চিকিৎসাধীন আছেন। অন্য পুলিশ সদস্য খুলনায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর বাইরেও পুলিশের আর কোনও সদস্য ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে কিনা তেমন কোনও তথ্য পুলিশ সদর দফতরের কাছে নেই বলেও জানান তিনি। এদিকে, পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চে (এসবি) কর্মরত কোহিনুর খাতুন গত ২৬ জুলাই ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে প্রথমে রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি হন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজধানীর লালমাটিয়ার সিটি হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তিনি মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) রাতে মারা যান। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনে (পিবিআই) কর্মরত সালেহ ইমরান নামের একজন সাব ইন্সপেক্টর তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, পুলিশের কেন্দ্রীয় হাসপাতালে একটা আইসিইউ পর্যন্ত নাই, ভাবা যায়? দুই লাখ পুলিশ সদস্যের চিকিৎসার একমাত্র ভরসাস্থল।
আজ রাতের মধ্যেই ১ লাখ ডেঙ্গু টেস্টিং কিটস আসবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
০১আগস্ট,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, সুন্দরভাবে দেশে ডেঙ্গু মোকাবিলা করা হচ্ছে, আমরা কয়েক লাখ ডেঙ্গু টেস্টিং কিটস আনার ব্যবস্থা করেছি, আজ রাতের মধ্যে ১ লাখ কিটস আসবে, আগামীকাল বাকিগুলোও চলে আসবে। বৃহস্পতিবার দুপুরে মিটফোর্ড হাসপাতালে এক সেমিনারে উপস্থিত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি জানান , সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ২০ হাজার । তিনি আরও বলেন, ঈদের সময় ডেঙ্গু রোগীরা বাড়িতে যাবে, এ সময় ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি। তিনি জানান, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আমরা আমাদের মন্ত্রণালয়ের সবার ঈদের ছুটি বাতিল করেছি।
এডিস মশা মারতে লন্ডন থেকে ভদ্র মশা আমদানি
০১আগস্ট,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:ডেঙ্গু প্রতিরোধে সুদূর লন্ডন থেকে ভদ্র মশা আমদানি করা হচ্ছে। আমদানিকৃত এ মশা ঢাকা শহরের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় ছেড়ে দেয়া হবে। এ ভদ্র মশার বৈশিষ্ট্য হলো এরা নিজেরা কামড়ায় না। এ মশা আমদানির উদ্দেশ্য হলো, এ ভদ্র মশা এডিস (স্ত্রী) মশার সঙ্গে মেলামেশার মাধ্যমে নতুন মশার প্রজনন ঘটাবে। নতুন জন্ম নেয়া মশা দুই সপ্তাহ পর এমনিতেই মরে যাবে। পরবর্তীতে যত মশা জন্মাবে সেগুলো ভদ্র মশা হয়ে অর্থাৎ উত্তরাধিকার হিসেবে এডিস মশা হয়ে জন্মাবে না, ভদ্র মশা হয়ে জন্মাবে। এমনই পরিকল্পনা থেকে এডিস মশার বিস্তার ঠেকাতে বিদেশ থেকে মশা কিনে আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে।সূত্র :আমাদেরসময়, স্বাস্থ্য অধিপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ গত মঙ্গলবার বিকেলে বলেন, এ ব্যাপারে সহায়তার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে অনুরোধ করা হয়েছে।লন্ডনের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার মাধ্যমে এ ধরনের কার্যকর মশা রয়েছে জানতে পেরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে সহায়তা করতে অনুরোধ করেছি। এদিকে রাজধানীর এডিস মশা মারতে বিদেশ থেকে কার্যকর ও যথাযথ ওষুধ কবে আনা হবে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তারিখ জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার মধ্যে তা লিখিতভাবে আদালতকে জানাতে দুই সিটি করপোরেশন ও রাষ্ট্রপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এডিস মশা নির্মূলের ক্ষেত্রে দুই সিটি করপোরেশনের ভূমিকায় আবারও অসন্তোষ প্রকাশ করে ওই আদেশ দেন আদালত। বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি মো. সোহরাওয়ার্দীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গত মঙ্গলবার ওই আদেশ দেন। এডিস মশা নিমূর্লের জন্যে গত মে মাসেও প্রস্তুতি নেয়া হয়েছিলো। বৈঠকও হয়েছিলো সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্তাব্যক্তিদের। ভদ্র মশা কেনার জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছিলো। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে তখন ভদ্র মশা আনা হয়নি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জাতীয় ম্যালেরিয়া নির্মূল কর্মসূচির মেডিকেল অফিসার ডা. মো. রাশিদুজ্জামান খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।গত মে মাসে উত্তরা কমিউনিটি সেন্টারে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া বিষয়ক অবহিতকরণ সভা হয়েছিলো ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে। ডা. মো. রাশিদুজ্জামান খান জানান,খুব শিগগিরই ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য বিদেশ থেকে ওষুধ আনা হচ্ছে।
মশার অত্যাচারে জিডি
০১আগস্ট,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:মশার অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন রাজধানীর এক বাসিন্দা। দাবি করেছেন, নিয়মিত হোল্ডিং ট্যাক্সসহ অন্যান্য ট্যাক্স পরিশোধ করার পরও নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত তিনি। তার এলাকায় মশার প্রচণ্ড উৎপাত থাকলেও তা নিরসনে উদ্যোগ নেয়নি সিটি করপোরেশন। এই অবস্থায় মশা বাহিত নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবানা রয়েছে। ভুক্তভোগী ওই বাসিন্দার নাম ইউসুফ আহমেদ। তিনি রাজধানীর পল্লবী থানার কালশী মেইন রোড এলাকার ১২ নম্বর সেক্টরের বি-ব্লকের ৭৯/বি নম্বর বাসায় বাস করেন। গত ৩০শে জুলাই তিনি পল্লবী থানায় জিডিটি করেছেন। জিডি নং ২৭৬৬। ইউসূফ আহমেদ জিডিতে উল্লেখ করেছেন, তিনি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। নিয়মিত বাড়ির হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধ করে আসছেন। সেই হিসেবে সিটি করপোরেশনের প্রদত্ত সকল প্রকার নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তার প্রাপ্য। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, বর্তমানে যিনি কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন তাকে এলাকাবাসী পাচ্ছেন না। জিডিতে আরও বলা হয়, ওই এলাকায় মশার ওষুধ ছিটানোর কথা থাকলেও কালসী প্রধান সড়কে তার বাসার পাশে একদিনের জন্যও ছিটানো হয়নি। ফলে মশার অত্যাচারে পরিবারের সদস্যরা অস্থির। বিষয়টি কাউন্সিলরকে মোবাইলে কল করে জানানোর পরও কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। এ অবস্থায় যে কোন সময় পরিবারের সদস্যরা মশাবাহিত ভয়াবহ রোগে আক্রান্ত হতে পারে। জিডির বিষয়ে মানবজমিনের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে, জিডির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ভুক্তভোগী বাসিন্দা ইউসূফ আহমেদ।সূত্র :মানবজমিন
রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী ভিআইপি: হাইকোর্ট
৩১জুলাই২০১৯,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী ছাড়া আর কেউ ভিআইপি নয়, বাকিরা সবাই রাষ্ট্রের চাকর বলে মন্তব্য করেছেন হাইকোর্ট। এক যুগ্ম সচিবের অপেক্ষায় প্রায় তিন ঘণ্টা ফেরি না ছাড়ার কারণে স্কুলছাত্র তিতাস ঘোষের মৃত্যুর ঘটনায় হাইকোর্ট বলেছেন, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী ছাড়া আর কেউ ভিআইপি নয়। ওই ঘটনায় করা এক রিট আবেদনের শুনানিতে আদালত এই কথা বলেন। বুধবার (৩১ জুলাই) বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই মন্তব্য করেন। এছাড়াও তিতাস ঘোষের মৃত্যুর ঘটনায় অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। কমিটিকে ৩ সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী জহির উদ্দিন লিমন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার। গত ২৯ জুলাই তিতাস ঘোষের মৃত্যুর ঘটনায় সংশ্লিষ্ট যুগ্ম সচিব ও ফেরির ম্যানেজারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা চেয়ে রিট দায়ের করা হয়। একইসঙ্গে রিটে মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ি এক নম্বর ফেরিঘাটে যুগ্ম সচিবের অপেক্ষায় প্রায় তিন ঘণ্টা ফেরি না ছাড়ায় তিতাসের মৃত্যু ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন ও তার পরিবারকে ৩ কোটি টাকা প্রদানের নির্দেশ চাওয়া হয়। এছাড়া ফেরি ঘাটে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অ্যাম্বুলেন্স চলাচল নিশ্চিত করতে নির্দেশ চাওয়া হয়েছে। আইনজীবী জহির উদ্দিন লিমন এ রিট দায়ের করেন। প্রসঙ্গত, গত ২৫ জুলাই রাতে সরকারের এটুআই প্রকল্পের যুগ্ম সচিব আব্দুস সবুর মণ্ডলের গাড়ির অপেক্ষায় প্রায় তিন ঘণ্টা ফেরি বসে থাকায় ঘাটে আটকে পড়া অ্যাম্বুলেন্সে তিতাস ঘোষের মৃত্যু হয়। এ ঘটনার ৪দিন পরে বিষয়টি জানাজানি হলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে তিতাসের মৃত্যু নিয়ে সংবাদ প্রকাশ ও প্রচারিত হয়। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তোলপাড় চলছে।

জাতীয় পাতার আরো খবর